এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • হলুদ পাথর ন্যাশনাল পার্ক 

    Binary লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৬২০ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  •  
    আগস্টের দ্বিতীয় শনিবার,  বাড়িথেকে বেড়িয়ে রবিবারে ওয়েস্ট ইয়োলোস্টোনের সাউথে আইল্যান্ড পার্ক বলে একটা ছোট্টো জনপদে আগেথেকে বুকিং করা রিসর্ট কটেজে চারদিন ঘাঁটি করার কথা ছিল। ইয়োলোস্টোন আগে একবার এসেছিলাম বছর দশেক আগে, নর্থ এন্ট্রান্স থেকে। সেই হিসেবে এইবার ওয়েস্ট এন্ট্রান্স থেকে দেখার কথা।
    শনিবারে প্ল্যান করেছিলাম সোজাসুজি নাক বরাবর দক্ষিণে গিয়ে পোর্ট অফ মনকি দিয়ে বর্ডার পার হয়ে আমেরিকায় ঢুকবো। পোর্ট অফ মনকি দিয়ে আগে এক দুবার আমেরিকায় ঢুকেছি, যদিও বেশ কিছু বছর আগে, কোনো অসুবিধে হয় নি।আমার শহর সাস্কাটুন থেকে ইয়োলোস্টোন ১২০০ কিলোমিটার মত। আমেরিকার বর্ডার পার হয়ে কোনো একটা ছোটোখাটো মোটেলে রাত কাটাবো যেটা ৬০০ কিলোমটার, মানে মাঝামাঝি, মত যাওয়া হবে। আজকাল একদিনে সাত আটশো কিলোমিটারের বেশী ড্রাইভ করার ধকল নিতে পারিনা।
    এখানে বলে রাখি, পোর্ট অফ মনকি'র পনেরো কিলোমিটার মত আগে কানাডার একটা ছোট্ট গ্রাম আছে, তার নাম ভ্যাল-মারিয়া। এমনিতে তুশ্চু, কিন্তু, গ্রাসল্যান্ড ন্যাশনাল পার্কের সদর দরজা বলা যায়। সেই হিসেবে "ডার্ক স্কাই রিজার্ভে" র অন্তর্ভুক্ত। মানে লাইট পলিউশন ইন্ডেক্স ২ বা তার নীচে।
     
    সে যাই হোক। শনিবার বিকেল চারটে নাগাদ পোর্ট অফ মনকি পৌঁছে দেখি আমেরিকার ঢোকার দিক বন্ধ। কানাডার পুলিশকে জিজ্ঞেস করে জানলাম কোভিডের পরবর্তী কালে পোর্ট অফ মনকি, শনিরবিবার বন্ধ থাকে। লে হালুয়া। এরকম তো কথা ছিল না। আরো ভ্যানভ্যান করলুম বলে পুলিশ ব্যাটা বলে সবচেয়ে কাছের অন্য পোর্ট যেটা শনিরবিবার খোলা থাকে সেটা ৩০০ কিলোমিটার পশ্চিমে, সেটায় যেতে গেলে রাত ৮টা বেজে যাবে, আর তারপর সেখান থেকে আমেরিকার কোন শহরে পৌঁছাবো মা গঙ্গায় জানে।
     
    হতাশ হয়ে ভ্যাল মারিয়ায় (১৫ কিলোমিটার আগে যেখান দিয়ে এসেছি) একটা হোটেলে ফোন করলাম রাতের মত থাকতে দিতে পারে কিনা। পরের দিন সকালে পরবর্তী পদক্ষেপ ভাবা যাবে। তো হোটেল মালিকের সাথে ফোনে কথা বলে বুঝলুম তিনি বেশ হাসিখুশি। বলল, হ্যাঁ জায়গা দিতে পারে বটেক। শুনে, আমরা গাড়ি ঘুরিয়ে ভ্যালমারিয়ার হোটেলে এলুম। হোটেল বাড়িটা ১৯৩৯ এর তৈরী আদতে একটা ইস্কুল বাড়ি। বেশ একটা ভুতুরে বাড়ি মার্কা অ্যাম্বিয়েন্স। ক্লাশঘর গুলো কনভার্টেড গেস্ট রুম। সেই তখনকার লাইব্রেরি রুম গুলো আছে লবি হিসেবে। বড় বড় কাঠের দরজা। কাঠের সিঁড়ি, ভুতুরে ক্যাঁচকোঁচ আওয়াজ করে। তবে যে ঘরটা আমাদের দিলো সেটা পেল্লায় বড়। মোটামুটি ভালই পরিচ্ছন্ন। বিছানায় আরামদায়ক লেপকম্বল।
    সেদিন আবার সন্ধ্যে ৭/৮ পর্জন্ত ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হচ্ছিল। সেই বৃষ্টিতেই কাকভেজা হয়ে, সেই কানাডিয়ান পাড়াগাঁয়ের একমাত্র রেস্টুর‍্যান্টে চাইনিজ খানা খেলুম। আমাদেরই বিশ্বাস হচ্ছিল না যে, এই প্রত্যন্ত কানাডিয়ান গ্রামে কি করে চাইনিজ সরাইখানা তৈরী হল।
     
    সে যাকগে। খাওয়ার পরে হোটেলে ফিরতে ফিরতে দেখি আকাশ পরিস্কার। ঝকমকে। রাত ১১টা নাগাত হোটেল বাড়ির সামনের এক চিলতে পায়ে চলা পথে বেড়িয়ে এলাম। ওইদিন আবার আকাশে উল্কা বৃষ্টি হওয়ার কথা। হোটেল যে কয়েকজন অন্য অতিথি ছিল, তারাও দেখি বাইরে হাজির। আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি, অগুন্তি তারা ঝকমক করছে। মাঝেমাঝে উল্কার ঝলকানি। হোটেলের সদর দরজার মিটমিটে বিজলি বাতি, আর বাইরের ঘুরঘুট্টী অন্ধকার, তারা ঝলমল আকাশ আর তাতে মাঝে মাঝে উল্কা পিন্ডের আতসবাজি, সব মিলিয়ে আসাধারণ রহস্যময় আর সুন্দর।
     
    উল্কা বৃষ্টির ছবি তোলা কঠিন ব্যাপার। তবে যেটা পেরেছি, সেটা ছায়াপথের ছবি তুলতে। ক্যামেরায় নয়, এ ছবি আমার মোবাইলে তোলা।
     
    ছায়াপথের আরেক নাম নাকি আকাশগঙ্গা
    *******
     
    পরের দিন সকালে উঠলাম ধড়মড় করে। একে রাত করে শুয়েছি। তারপরে উল্কাবৃষ্টি দেখার উত্তেজনায় বিছানায় যাওয়ার পর ঘন্টা খানেক ঘুম হয়নি, এদিকে আজকে ৯/১০ ঘন্টা ড্রাইভ করতে হবে। তাই ধড়মড়। দেখি ৯টা বেজে গ্যাছে। এদিকে আগেরদিন ব্রায়ান (হোটেলের ম্যানেজার) বলেছে দারুণ ব্রেকফাস্ট করিয়ে চমকে দেবে। কোনোরকমে প্রাতকৃত্য করে গাড়িতে স্যুটকেশ ভরে ডাইনিং রুমে গেলুম। চীজ ওম্লেটের  তোফা গন্ধেই মন মাতাল। এরকম যত্ন করে সাজিয়ে ব্রেকফাস্ট আমি কোনো হোটেলে খাইনি বাপু। ইনক্লুডিং ম্যারিয়ট চেনের গালভরা হোটেল। মনখুশি হয়েগেল। বেড়োনোর সময় দেখি ডাইনিং হলের একটা দেওয়াল জোড়া ব্ল্যাক বোর্ড। বললাম না, ১৯৩৯ সালে ইস্কুল ছিল। সেই বোর্ডে সবাই নিজের ইচ্ছে মত গুনীজনদের কোট লিখে যাচ্ছে চক দিয়ে। বেশীর ভাগ কোট, আকাশের। যেহেতু বেশীরভাগ অতিথি এখানে আসে রাতের আকাশ আর তারা দেখতে। আমি কায়দা করে লিখলুম। We are made of Star stuff. লিখে কলার তুলে চলে যাচ্ছিলুম। কিন্তু অন্যের কথা নিজের বলে চালাতে বিবেকে চিমটি লাগল,  তাই নীচে লিখলুম - Carl Sagan. 

    ভ্যাল মারি থেকে উইলোক্রীক পোর্ট ২ ঘন্টা তিরিশ মিনিটের ড্রাইভ। পোর্ট অফ মনকি,  আগের দিন যেখান থেকে খেদিয়ে দিয়েছে, সেটা রোব্বারও বন্ধ। উইলোক্রীক যেতে গিয়ে দেখলাম পুরো পথটাই গ্রাভেল রোড। মানে শুঁড়কির রাস্তা। সে এক বিটকেল অবস্থা।  স্পীড তুলতে গেলেই চাকা হড়হড়িয়ে যায়। তার মধ্যে একবার একঝাঁক হোয়াইট ব্যাক হরিণ রাস্তায় উঠে এসে হকচকিয়ে দিলে। বউ অবশ্য হরিণ দেখে যারপরনাই উত্তেজিত। (হরিণের ভিডিও দেখতে হলে ইউটিউব চ্যানেল দেখুন )
     
    উইলোক্রীক পোর্ট পেরিয়ে গেলাম সাধারণ ভাবে। ধড়ে প্রাণ এল। তারপর আরো ৭ ঘন্টা ড্রাইভ করে, খালি ৩০ মিনিটের জন্য ম্যাকডোনাল্ডে ৬ পিস চিকেন নাগেট আর ফ্রেঞ্চ ভ্যানিলা খেয়ে, সন্ধ্যে সাড়ে ৮টায় আইল্যান্ড পার্ক, আইডাহোতে আগে বুক করা কটেজ রিসর্টে পৌঁছালাম। রিসর্টটা হাইওয়ে ইউএস২০ র ধারে। ততক্ষণে পেটে ১২০০ ছুঁচোয় ডন দিচ্ছে। এদিকে রিসর্টের মেনিমুখো সুন্দরী রিসেপসনিস্ট বলে ওদের কোনো রেস্টুরেন্ট নেই। রেস্টুরেন্ট যা আছে সব হাইওয়ের ওপাসে। আর সব ৯টায় বন্ধ হয়ে যাবে। ধ্যাত্তেরি। রাতে খেতে না পেলে স্রেফ অক্কা পাবতো!! পড়িমড়ি করে লাগেজ আমাদের কটেজের মধ্যে ছুঁড়ে দিয়ে গাড়ি ব্যাক করে রাস্তা পার হয়ে দেখলাম একটা রেস্টুরেন্ট শেষ পাতের অর্ডার নিচ্ছে। চিকেন ট্যাকো আর আলুভাজা পেলুম খেতে। এত খিদে পেয়েছিল, যে কেমন খেতে ভেবে দ্যাখা হয়নি।
     
    পেট ঠান্ডা হলে, একটু জিরিয়ে দাম মিটিয়ে কটেজে ফিরতে গিয়ে দেখি, লে পচা!!! এর মধ্যে হাইওয়েতে পীচ ঢালার গাড়ি, স্টোনচিপ্সের গাড়ি, রোডরোলার দিয়ে এলাহি কান্ড শুরু হয়ে গ্যাছে। সারারাত্তির জুড়ে রাস্তা সারাইয়ের কাজ হবে। আসার সময় এসবের বিন্দুমাত্র লক্ষণ ছিল না। অথবা খিদের চোটে দেখতে পাইনি। মোদ্দাকথা আরো ২ঘন্টা গাড়ি নিয়ে রাস্তা ক্রস করে কটেজে ফিরতে দেবে না হুমদো গুলো। ইনিয়েবিনিয়ে, চোখগরম করে কোনো লাভ হলো না। গাড়িতে বসে রইলাম। তারপর একসময় দেখি রাস্তার এই অংশটা কাজ শেষ করে আমায় হাতের ইশারা 
    করে যাওয়ার অনুমতি দিল। ঘড়ি দেখলাম, ২ ঘন্টা বলেছিল বটে, কিন্তু ৪৫ মিনিটেই ছেড়ে দিল।
     
    রাত এগারোটায় ঘরে এসে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। তারপর একবার উঁকি দিয়ে বাইরে বেড়িয়ে আকাশের দিকে চেয়ে মনে হল, এই আকাশটাও মন্দ নয় আর চারিপাশের নি:স্তব্ধতাও । ক্যামেরা ট্রাইপডে লাগালাম। 
     
    রাতের আকাশ আর নি:ঝুম চরাচর আমায় টানে। খুব টানে।
    আমাকে টানে গুঢ় অন্ধকার।
     
    *****
    পরের দিন সকালে উঠে হেলেদুলে কটেজের বারান্দায় পা ছড়িয়ে বসে চা খেয়ে আগের দিনের ১১ ঘন্টা ড্রাইভিং এর চাপ কমালুম। তারপরে চানটান করে মেক্সিকান রেস্টুরেন্টে গেলাম ব্রেকফাস্ট করতে। চিকেন ক্যাসিডিয়া আর কফি খেয়ে দেখলাম মন্দ নয়। তবে ঝাল সস দিতে বলায় হাভানেরো সস দিয়ে গেল, সে এমন ঝাল যে চাঁদি চিন চিন করে। যাই হোক। ব্রেকফাস্ট সেরে কুড়ি মিনিট ড্রাইভ করে ওয়েস্ট ইয়োলোস্টোন গেটে হাজির হলুম। দেখি এন্ট্রি ফি ৩৫ ডলার। রোজ ঢুকতে গেলে ৩৫ ডলার করে দিতে হবে কিনা জিজ্ঞেস করাতে কাউন্টারের এজেন্ট মহিলা একগাল হেসে বল্ল, একবার টিকিট কাটলে ৭ দিন ঢোকা যাবে। শুনে প্রানের আরাম হল।
     
    যাই হোক। ইয়োলোস্টন হল এক প্রাচীন আগ্নেয়গিরি যেখানে ১০ লক্ষ বা ২০ লক্ষ বছর আগে অগ্নোৎপাত হয়েছে। তবে আগামী আরো ৫ লক্ষ বছরে সে সম্ভবনা নেই। এখনে হাইওয়ের আনাচেকানাচে প্রাকৃতিক গিজার আর হটপট। সাল্ফারের গন্ধ বাতাসে। বড় বড় গিজার গুলোয় ফিউমিং সাদা বাষ্প। গিজার বেসিনের ওপর দিয়ে কাঠের বোর্ড ওয়াক। যে গিজার গুলো শান্ত, সেগুলোও রহস্যময় সুন্দর। গিজার গুলোর চারিদিকে ঝলমলে রঙের কার্পেটের মত ব্যাকটেরিয়াল ফর্মেশন। কোনো কোনো গিজার বেসিন দিগন্ত বিস্তৃত।
    রহস্যময় প্রকৃতি। রহস্যময় সুন্দর।
     
    দুপুরের দিকে পৌঁছালাম ওল্ড ফেইথফুল। এটা এখানকার সবচেয়ে বিখ্যাত আর আইকনিক গিজার। এটা একমাত্র গিজার যেটা প্রতি দেড় ঘন্টায় নিয়ম করে ইরাপ্ট করে। তাই এর নাম ওল্ড ফেইথফুল। জায়গাটা অবশ্য খুবই কমার্শিয়ালাইজড। বড় বড় গিফট স্টোর, রেস্টুর‍্যান্ট ইত্যাদি। কিছুক্ষণ গিফট স্টোরে কাটিয়ে, কফি আর বিস্কুট খেয়ে, হেঁটে হেঁটে ওল্ড ফেইথফুল গিজারের কাছে গেলাম। গিয়ে দেখি লোক জড়ো হতে শুরু করেছে। দেখার জন্য একটা গ্যালারি মত করা আছে। আর গিজারটা এখন শান্ত, তবে হিসাব অনুযায়ী ১৫ মিনিটের মধ্যে ইরাপ্ট করার কথা। দেখতে দেখতে হাজার দুয়েক লোক জড়ো হয়ে গেল। গিজারটা ১০০ মিটার মত দূরে। সবাই ক্যামেরা তাক করে আছে। আমিও তাই। কিন্ত ১৫ মিনিট গিয়ে ৪৫মিনিট হয়ে গেল, ইরাপশনের নাম গন্ধ নেই (মানে সাল্ফারের গন্ধ আছে অবশ্য)।
     
    শেষে ৫০ মিনিটের মাথায় দেবী প্রসন্ন হলেন। স্টীম, গরম জল, প্রায় ৫০/৬০ ফুট বিস্ফোরণ হল। চলল প্রায় ৫/৬ মিনিট। চক্ষু সার্থক হল। ক্যামেরা সার্থক হল। ** (ওল্ড ফেইথফুল ভিডিও আমার ইউটিউব চ্যানেলে দেখুন)
     
    সেদিন ফেরার পথে সন্ধ্যের দিকে ওয়েস্ট ইয়োলোস্টোন টাউনের একটা পাক্কা আমেরিকান রেস্তোরাঁর বার কাউন্টারে বসে হোয়াইট ওয়াইন আর ফিস কেক খেলাম। সোনালী অবশ্য চিকেন খেল।
     
    ডিনারের পরে কটেজে ফিরলাম রাত প্রায় দশটা।
    আকাশে জ্বল জ্বল করছে সপ্তর্ষি মন্ডল।
     

     

     

     

     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ভ্রমণ | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৬২০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৩:৫২523470
  • বাহ বাহ। 
     
    ছবিটা আসে নি।  যেখানে ছবি বসাবে সেখানে কার্সার রেখে এই চিহ্ন  ক্লিক করে ছবি তুলে দাও।,যেখানে কার্সার রাখবে সেখানে কটা এন্টার মেরে নিও নাহলে ছবিগুলো একটার ঘাড়ে আরেকটা উঠে যায়। 
     
  • Binary | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২১:৫৭523477
  • দ, থ্যাঙ্কু। কাল থেকে কিছুতেই ম্যানেজ করতে পারছিলাম না। লেখাও আধখানা আপলোড হচ্ছে। আর ছবি হচ্ছেওই না। এখন দেখো
  • kk | 2607:fb91:149f:50ef:5dc7:b333:2c44:d3ae | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:৫৪523480
  • খুব সুন্দর ছবিগুলো।
  • :|: | 174.251.162.60 | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৫৩523485
  • "এদিকে রিসর্টের মেনিমুখো সুন্দরী রিসেপসনিস্ট বলে ওদের কোনো রেস্টুরেন্ট নেই।"
    এইখানে "মেনিমুখো" যদি লাজুক অর্থে ব্যাবহার হয়েছে ধরছি। কিন্তু যদ্দুর জানি এটা প্রশংসা সূচক বিশেষণ না।সাধারনত কাপুরুষ বলে গাল দেবার সময় ছেলেদের বলে "মেনিমুখো" = old-womanish বা মিনমিনে।
  • Binary | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৭:৪০523492
  • ওটা কথার কথা smiley
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:e07d:c09:1460:6be0 | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৭:৫৭523493
  • ঘোরাঘুরির গল্প পড়তে খুব ভাল্লাগে। আর ছবিগুলোও ভালো লাগলো। 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:b5de:47b7:367d:1ed3 | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৮:২১523494
  • খুবই ভাল লাগল ।  কিছুটা স্মৃতিচারণও হল, সেই ১৯৯৭ সালে ইয়েলোস্টোনের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত - প্রচুর ঘোরাঘুরি করেছিলাম। আমেরিকা আর কানাডা মিলিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় ন্যাশনাল পার্ক - এর ভূ প্রকৃতি এবং বন্য পশু পাখীর  বৈচিত্র‌্যের জন্য - জিও থার্মাল অ্যাকটিভিটি, পাহাড়, জঙ্গল, পূর্ব প্রান্তে বিশাল হ্রদ, লামার উপত্যকার বিস্তীর্ণ তৃণভূমিতে মা আর ছানা গ্রিজলী ভালুকের দৌড়, টাইগার লজের কাছে কালো ভালুক, বাইসনের দল , একটা এল্ক হরিণ প্রায় কেবিনের দরজা ভেঙে ঢুকে পড়ছিল - অনেক সুখস্মৃতি। 
    এত বড় পার্ক, বেশ কয়েকদিন সময় নিয়ে ঘুরতে পারলে ভাল। আর পার্কের ভেতরের লজ গুলোতে থাকতে পারলে 
     
    আরও লেখা, ছবি, ভিডিও ক্লিপের অপেক্ষায় থাকলাম 
  • | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৯:০৮523498
  • হ্যাঁ হ্যাঁ দারুণ ছবি। আহা এইবারে সম্পূর্ণ ​​​​​​​লাগছে। 
     
    লেখাটা আগে ওয়ার্ডে লিখে এখানে পেস্ট করলে তাড়াতাড়ি হবে। অনলাইন লিখতে গেলে এডিটারটা ঝোলায়। 
    ছবি লেখার মাঝে মাঝে জায়গামতও পুশ করতে পারো। একই নিয়ম, কার্সার রেখে কয়েকটা এন্টার মেরে মাঝের লাইন যেখানে উপরে নীচে অন্তত একটা করে ফাঁকা লাইন আছে সেখানে কার্সার রেখে  ছবির আইকন ক্লিকিয়ে ছবি আপলোড। 
    ভিডিওর লিঙ্ক এখানে দিয়ে দিতে পারো, নাহলে যে সব পাঠক তোমাকে চেনে না তারা আর কী করে খুঁজে পাবে ইউটিউবে। 
    পরের পর্বটা ধারাবাহিক হিসেবে এর সাথে লিঙ্ক করে দিও। 
     
    পরের পর্ব ঝটপট। হ্যাপ্পী ব্লগিং। 
  • | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৯:০৯523499
  • ও আচ্ছা সরি, ভিডিওটা আছে। কমেন্ট লিখছিলাম সময়ে লোড হচ্ছিল বলে দেখতে পাই নি। 
    এইত্তো yes
  • :|: | 174.251.162.60 | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৯:২৭523500
  • আটটা একুশ: ইয়েস গ্রিজলি! সেই বিখ্যাত "পেন্টু ফুটুঙ"-এর ছড়া আর সেই সঙ্গে ততোধিক বিখ্যাত ছবি। :)
  • aranya | 2601:84:4600:5410:f0c4:f486:7a88:cb73 | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:২০523508
  • গুড ওল্ড ডেজ :-)  @ চতুর্মাত্রিক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন