• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • পুঁটিকাহিনী ৮ - বাড়ি কোথায়!!

    San Gita লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৫ মে ২০১৭ | ৮৩২ বার পঠিত
  • একটা দুষ্টু পরিবারের বাড়িতে পুঁটিরা ভাড়া থাকত। নেহাত স্কুল কাছে হবে বলে বাড়িটা বাছা হয়েছিল, নইলে খুবই সাদামাটা ছিল বাড়িটা। ২৭৫ টাকা ভাড়ায় কেজি টুতে ঐ বাড়িতে চলে আসে পুঁটিরা। ও বাড়ির লোকেরা কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে বড্ড ঝগড়া করত, যার মধ্যে নাকি খারাপ খারাপ কথাও থাকত অনেক। পুঁটির মা-বাবা তাড়াতাড়ি জানলা, দরজা বন্ধ করে দিতেন তখন, রেডিওতে গান চালিয়ে দিতেন। ওদের দু'বোনের তাই ঝগড়ার স্মৃতি থাকলেও বাজে কথা শেখা হয় নি ওখানে।

    তবে বাড়িতে আরো তিনটে ছোট ছেলেমেয়ে ছিল, খুব জমিয়ে খেলত ওরা সবাই মিলে। গরমের ছুটি হোক বা শীতের ছুটি, পুজোর ছুটি বা পরীক্ষা শেষের ছুটি, পুঁটিরা গামছা দিয়ে মাথায় মস্ত মস্ত খোঁপা বেঁধে দিদিমণি সেজে পুতুলদের পড়াতে বসত। তবে ওরা কিনা পড়ত আদি মহাকালী পাঠশালায় আর পুঁটি সাদা ফ্রক পড়া সিস্টারদের ইস্কুলে, তাই পুঁটিকেই সব সময় ইংরাজী পড়াতে দিত জলসা আর মিতা। সোনাবুড়ো আর পুঁটির বোন তো নিতান্তই ছোট তখন, কাজেই দুধভাত। তাছাড়া ওরা নিজেরাই তো মুখ্খু, ওরা আবার পড়াবে কি!! খোঁপা বাঁধলে বোনু আর সোনাবুড়োকে কেমন দেখাবে ভেবেই পুঁটি হেসে গড়াগড়ি! আর শুধু কি পড়ানো? পুতুলদের জন্য কুট্টি কুট্টি খাতা বানানো, তাতে মলাট দেওয়া, তারপর ধরুন তাতে ওদের ক্লাসওয়ার্ক আর হোমওয়ার্ক দেওয়া- কাজ কি কম! তারপর সেই ক্লাসওয়ার্ক আর হোমওয়ার্ক করবে কে শুনি? ওরা বুঝি লিখতে পারে? খাতা দেখতেও তো হয় সবশেষে।

    বাড়িটা অনেক পুরোনো, প্লাস্টার চটে গেছে কোথাও কোথাও, ইঁট দেখা যায়, দু'সারি ইঁটের মাঝখানের সুড়কি ঝরে পড়ে অহরহ, আবার সেই সুড়কি থেকে ছোট্ট ছোট্ট চারাগাছ মাথা বের করে পুঁটিদের দেখে হাসে। ওরা খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে সুড়কি বের করে তাই দিয়ে ভাত ডাল রান্না করে, গাছের পাতার মাছভাজা, মাছের ঝোল আর পাতাগুলোর মাঝখান থেকে সরু সরু ডাঁটিতে যে গুঁড়ো গুঁড়ো ডিম লেগে থাকে, তাই দিয়ে পোস্তর বড়া। গুছিয়ে খেতে দেয় সবাইকে।

    থালা, গ্লাস, উনুন, হাতা, খুন্তি সব কেনা হয়েছে চড়কের মেলা থেকে। আর সাদা ধবধবে গোঁফ-দাড়িওয়ালা মাথা-নাড়া বুড়ো দাদুও। আর ঐ যে কাঁচের চোঙের মধ্যে রঙ-বেরঙের চুড়ির টুকরো ভরা, প্রত্যেকবার ঘোরানোর সাথে সাথে নতুন নতুন রঙমেলান্তি আঁকিবুকি- "ওটার নাম কী মা?" বাপ রে!! ক্যালাইডোস্কোপ! এই সুন্দর জিনিসটার এতো খটোমটো নাম!! পুঁটি বরং এর নাম দিল "ঝিলমিল"।

    শুধু দিদিমণি-দিদিমণি আর রান্নাবাটি নয়, আরো অনেক কিছু খেলত ওরা। কুমিরডাঙা, লুকোচুরি, রুমালচোর, চোখে রুমাল বেঁধে 'কানামাছি ভোঁ ভোঁ, যাকে পাবি তাকে ছো', আরও কত কি! বাড়িটায় চরিদিকে ঘুরিয়ে ঘর আর মাঝখানে ফাঁকা চাতাল। বৃষ্টি নামলে একসাথে কচ্চিৎ কদাচিৎ ঝুপ্পুস ভেজে সবকটা বাচ্চা ঐ চাতালে। দোতলায় চারিদিকে নয়, একদিকে একসারি ঘর, তিনদিকে ছাদ- অনেক খেলার জায়গা।

    দোতলায় একটা ঘর সবসময় তালা দেওয়া থাকে, জলসা চুপিচুপি ওকে বলেছে ওটা মিতার মায়ের মানে ওদের একমাত্র পিসির ঘর। পিসি মরে গেছে বলে ঠাম কাউক্কে ওঘর খুলতে দেয় না। মাঝেমাঝে নিজে খুলে পরিষ্কার করে, তখন একটুও কাঁদে কিনা পুঁটির খুব জানতে ইচ্ছে করে। ঠাম খুব মোটা আর খুব রাগী কিনা!! সদর দরজা বন্ধ আছে কিনা, জল বেশী খরচা হচ্ছে কিনা এরকম হাজার খুঁটিনাটিতে তার খুব নজর। সারাক্ষণ সবার সাথে খিটখিট করে বেড়াচ্ছে, শুধু মা-মরা নাতনী মিতাকে খুব একটা বকতে পারে না।

    অদ্ভুত অদ্ভুত নামের মাসিরা থাকে এই পাড়ায়। পুঁটির মা আর মাসির এদের সাথে এত ভাব হয়ে যায় যে এদের সবাইকে পুঁটিরা মাসি ডাকে। একটা বাড়ি বাদ দিয়ে একটা মস্ত বাড়িতে থাকে পতান মাসি, তার বাবা আর মা। পতানমাসিকে দেখলেই মনে হয় অনেক বয়স, ওর বাবা-মাও খুব বয়স্ক, কিন্তু এখনও বিয়ে হয়নি পতানমাসির। সবচেয়ে অদ্ভুত লাগে যখন দুদিকে লম্বা বিনুনি বাঁধে পতানমাসি। পাড়ার কাকিমারা বলে পতান মাসিকে ভেটকি মাছের মত দেখতে, পুঁটি শুনেছে! বেশ মোটাসোটা, এত বড় মুখ আর পুরু উল্টোনো ঠোঁটে লাগে বটে ওরকমই। ইস! কী বাজে কথা ভাবছে পুঁটি! সিস্টার বলেছেন যখন কোন অন্যায় করবে বা খারাপ কথা ভাববে, কেউ দেখুক আর না দেখুক, কেউ জানুক আর না জানুক, গড ঠিক জানতে পারবেন। শুনলেই কেমন বুক দুরদুর করে ওঠে পুঁটির! খারাপ কাজ না করুক, কখনও সখনও একটা-আধটা খারাপ কথা মনে আসে না, তা কি আর হলপ করে বলা যায় নাকি?

    তারপর আছে চুনমুনমাসি, যার নাম শুনলেই মনে হয় খুব আদুরে। সত্যি খুব আদুরে আদুরে ধবধবে ফর্সা পুতুলের মত দেখতে চুনমুনমাসিকে, টুকটুকে গোলাপী ঠোঁট নেড়ে কথা বলে যখন, কী মিষ্টি যে লাগে!! এই মেয়ের এই নামই মানায়, ভাল নাম 'চিন্ময়ী' মোট্টেও মানায় না। চুনমুনমাসির ভাই ৪-৫টা বাড়ি পরের ঐ যে দুটো মাসি আছে, ওদের মধ্যে ছোট বোনটিকে নাকি বিয়ে করবে। ঐ মাসিদুটোর বাড়িতেই মুনিয়ারা থাকে। ওদের ঘরে অনেক বই, আর বইয়ের খুব যত্ন ওদের। প্রত্যেক বইতে মলাট দিয়ে নম্বর দেওয়া আছে, কেউ বই ধার নিলে ওরা তার নাম আর কত নম্বর বই নিল, টুকে রাখে ডাইরিতে। ওদের রুশদেশের উপকথা আছে, পুঁটির খুব খুব ভালো লেগেছে ঐ বইটা, ঐ গল্পগুলো- গোলরুটি, সীম বীচি, হলদে-ঝুঁটি মোরগটি এরকম কি দারুণ দারুণ গল্প! বাকি বইগুলো বাদ দিলেও শুদ্ধু ঐ একটা বইয়ের জন্যই তো খুব হিংসে পুঁটির মুনিয়ার ওপর, কিন্তু তবু পুঁটি মায়ের কাছে বায়না করে না।

    মাসির সবচেয়ে বেশী বন্ধু বুকুমাসি। ওরা মাকে খুব সাহায্যও করে। যখন পুঁটিদের কাজের মাসি থাকে না বা দেশে যায়, মাসিও কোন কারণে আসতে পারে না, বুকুমাসির মা আর বুকুমাসি মিলে বোনুকে রেখে দেয় নিজেদের কাছে, মা নিশ্চিন্তে অফিস যেতে পারে। আর ঐ দিদা যে কি ভালো রান্না করে! রীতিমত বাটি আসা-যাওয়া হয় দু'বাড়িতে। অথচ জলসার মা অখাদ্য রান্না পাঠালে লুকিয়ে লুকিয়ে সেটা ফেলে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। মা-মাসিদের, আর সর্বোপরি পুঁটির দিদার হাতের রান্নার সর্বত্র খুব সুনাম কিনা! তবে জলসার মা, বাড়ির বড়বৌ (একমাত্র বৌ ও, বাকি ৩ ভাইএর বিয়ের বয়েস পেরিয়ে গেছে তবু বিয়েই হয়নি), যাকে ঠামের দেখাদেখি জলসা, মিতা, সোনাবুড়ো সবাই বৌমা ডাকে, সে মানুষটা রাঁধতে না পারলেও ভারী ভালো- জলসার বাবা-কাকারা আর ঠাম মিলে তাকে খুব হেনস্থা করে দিনরাত।

    পুঁটিদেরও ঠাম আর তার চার ছেলে বেশ নিচু চোখে দেখে। অথচ পিতৃপুরুষের বাড়িতে থাকার মধ্যে আনন্দ থাকতেই পারে, কিন্তু সেটা ছাড়া আর কোন গৌরব তো ওদের থাকার কথা নয়! ওদের নিজেদের তো অকর্মণ্যই বলা যায়, কিন্তু হম্বিতম্বি কত! ওরা না লেখাপড়ায়, না চাকরি-বাকরিতে, না আচারব্যবহারে, না রূপে, না অন্য কোন গুণে এতটুকু উল্লেখযোগ্য!

    তবে এপাড়ার সবচেয়ে ভালো বাড়ি হল মাঠের পাশে তুলিদিদিদের বাড়ি। তুলিদিদির মা মধুছন্দা কাকিমা পাড়ার কুচোদের নিয়ে নিজের খরচায় রবীন্দ্রজয়ন্তী করান। একটা নৃত্যনাট্য আর একটা নাটক হয় প্রত্যেকবার। এছাড়া খুচরো নাচ, গান, কবিতা-আবৃত্তি কেউ যদি করতে চায় তো করতে পারে। কাকিমা আর তুলিদিদি খুব ভালো নাচে, তুলিদিদির জ্যেঠতুতো দুই দিদি খুব ভালো গান গায়, সাথে অন্য কুচোরা তো আছেই। রিহার্সালে কাকিমার দিকে, তুলিদিদির দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে পুঁটি। কী গুণী ওরা, কী ঠান্ডা-ঠান্ডা, আরামের ওদের বাড়িটা! রিহার্সাল খুব ভালো লাগে পুঁটির। মিতা-জলসাদের অবশ্য বাড়ি থেকে ওসব করতে দেয় না। পুঁটি যেবার খ্যাতির বিড়ম্বনা নাটকে উঁচু করে খোঁপা বেঁধে, গাছকোমরে শাড়ী পরে, ছোট্ট কপালের মাঝখানে একটাকার সাইজের এত্তবড় টিপ পরে দজ্জাল বৌ সাজল, বোনু সেবার কেজি ওয়ানে পড়ে। তবু সে ছোট্ট ধুতি-গেঞ্জি পরে, নকল গোঁফ আর মস্ত আঁচিল লাগিয়ে চাকর সাজল, একটাই কথা ছিল ওর মুখে "বাবু, চা"।

    পুঁটির মা-বাবার ওপর অনেক দায়িত্ব, দু'জনেই পিতৃহীন আর পরিবারের বড়, মামা-কাকা-মাসি-পিসিরা কেউ পড়ছে, কেউ চাকরির চেষ্টা করছে, দু'দিকে দুই পরিবারই পুঁটির মা-বাবার ওপর নির্ভরশীল। তাও কষ্টেসৃষ্টে একটা জমি কেনেন ওরা। ঠিক ওর পাশ দিয়ে নাকি বাইপাস নামে বিরাট রাস্তা হবে। বাড়ির কাজেও হাত দেওয়া হয়। বোনু এখন কেজিতে পড়ে, কিন্তু খুব টকটক করে কথা বলে। দু'জনে মিলে এখন একটা নতুন খেলা খেলে ওরা, নতুন বাড়ি নতুন বাড়ি খেলা। "নতুন বাড়িতে বেশ আমগাছ, কলাগাছ, জামরুলগাছ, লিচুগাছ সব থাকবে আমাদের, আর থাকবে ফ্রিজ, ঠিক আছে বোনু?" "হ্যাঁ রে দিভাই"। মায়ের মামাবাড়িতে যেমন অনেক গাছ আছে, ওরা গেলে বড় কোন গাছের ছায়ায় দোলনা টাঙিয়ে দেওয়া হয় ওদের জন্য, ওরা অমন একটা বাড়ির স্বপ্ন দেখে। "গাছের আম-লিচুগুলো ফ্রীজে রাখা আছে তো? এতক্ষণে খুব ঠান্ডা হয়েছে, বল বোনু? কেটে দাও না গো, রামুদা!!" কল্পনার ফলের যেমন স্বাদ, কল্পনার রামুদাও তেমন ভালোমানুষটি। তারিয়ে তারিয়ে ওরা গাছের ফল খায়। এই খেলায় জলসা-মিতা-সোনাবুড়োকে নেয় না ওরা। বাবা-মাকেও বাড়িটা কেমন হচ্ছে না হচ্ছে কিচ্ছুটি জিগ্যেস করে না, শুধু দমবন্ধ-করা উত্তেজনায় অপেক্ষা করে নতুন বাড়িটার জন্য। জলসারা বুঝবে না, ঐ বাড়িটা শুধুই পুঁটির আর বোনুর!

    ©sangitaghoshdastidar

     

  • বিভাগ : ব্লগ | ২৫ মে ২০১৭ | ৮৩২ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • bidhan sarani | 59.205.219.236 (*) | ২৬ মে ২০১৭ ০৭:০৩59778
  • আদি মহাকালী পাঠশালা, মানে কৈলাশ বোস স্ট্রীট? সিস্টারদের ইস্কুলটা কি সেন্ট মার্গারেট নাকি হোলি চাইল্ড?
  • শিবাংশু | 113.249.4.37 (*) | ২৬ মে ২০১৭ ০৮:১০59779
  • পুরো ছবি। বাহ...
  • de | 69.185.236.52 (*) | ২৬ মে ২০১৭ ০৮:১৫59780
  • সত্যিই ছবি -
    কেমন নেশা হয়ে যাচ্চে পুঁটিকাহিনী পড়ার -
  • San Gita | 57.15.5.151 (*) | ২৬ মে ২০১৭ ১০:৪৭59781
  • হোলি চাইল্ড।
  • Du | 57.184.32.243 (*) | ২৬ মে ২০১৭ ১১:০০59782
  • ঝিলমিল নামটাতেই কেমন ছবি, বলো?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন