• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • #পুঁটিকাহিনী ১১- পুঁটির কী হইল অন্তরে ব্যথা!#

    San Gita লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৫ অক্টোবর ২০১৭ | ৯৬৫ বার পঠিত
  • #পুঁটিকাহিনী ১১- পুঁটির কী হইল অন্তরে ব্যথা!#
    --------------------------------

    সেই শনিবার পুঁটি কলেজ, থুড়ি ইউনিভার্সিটি, যায় নি, নাই যেতে পারে- রোজ যেতে যাবেই বা কেন? সোমবার গিয়েও শনিবারের পড়া জিগ্যেস করে নি কাউকে। ধুর!! পুঁটি কোনকালে ভালো পড়ুয়া নয়। ক্লাসের ছেলেরা তো বটেই, মেয়েরা, এমনকি পুঁটির প্রাণের বন্ধু ক্ষেন্তি অবধি সোমবার বাড়তি কিচ্ছুটি বলল না। কী বিস্ফোরণ যে ঘটে গেছে ক্লাসে ইতিমধ্যে, সেটা পুঁটি বুঝল পরের শনিবার।

    একটু আগে আগেই পৌঁছে গেছিল ক্লাসে, আরো অনেক বন্ধুদের মতই। হাহাহিহি চলছিল। হঠাৎ একটা ছেলে ঘরে ঢুকে এল। পুঁটি ভেবেছে যে কোন অচেনা ছেলে কিছু জানতে ঢুকে পড়েছে হয়ত। ওমা!! বলা নেই, কওয়া নেই, সে আত্মবিশ্বাসের প্রতিমূর্তি কী সব পড়াতে শুরু করে দিল। সবাই গল্প ছেড়ে ভদ্র ছেলে মেয়ে হয়ে গেল চক্ষের নিমেষে। ক্ষেন্তিকে কেসটা কী জিগ্যেস করতে ক্ষেন্তি বলল, "গত শনিবার অ্যাডভার্টাইজিং পড়াতে নতুন স্যার এসেছেন, বলেছিলাম না?"

    ইনিই তাহলে সেই ন-তু-ন স্যা-র!

    তখন আর সত্যি বলতে পুঁটির কথা বলার সময় বা ইচ্ছা কোনটাই ছিল না। বড্ড ব্যস্ত হয়ে পড়ল সে। মনে মনে ক্ষেন্তির মুণ্ডপাত করবারও যেন ফুরসৎ নেই তখন। আহা!! অ্যাডভার্টাইজিং বুঝতে হবে না?? ক্লাসের শেষে যদিও এক লাইন পড়াও মনে পড়ে না তার। কী যে করল পুরো ক্লাস, কীকরে যে কেটে গেল ৪৫টা মিনিট টেরই পেল না। আসলে হলুদ টি-শার্টে স্যারকে যেমন দেখাচ্ছিল, তেমনটি কিনা পুঁটি আর কক্ষণো কাউকে দেখে নি। "আহা!! কী হেরিলাম!" কেস। কেস পুরো জন্ডিস! চক্ষে সর্ষেফুল ও বলা যায়! তবে এ হল গে সর্ষেফুলের ক্ষেত- সেই ড্ডয -র সর্ষেক্ষেত! সেই "তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সনম"।।।।।।

    স্যার বেরোতেই ক্ষেন্তির ওপর চড়াও হয় সে- "এই খবরটা তুই লুকিয়ে রাখতে পারলি, ক্ষেন্তি? পারলি?? শুধু নতুন স্যার এসেছে বললি, আর কিচ্ছুটি বললি নে?? কেন? কেন এমন শত্রুতা?" ক্ষেন্তি মিনমিন করে- "তুই যা নাক-উঁচু! যার কথাই বলতে যাই, তুই তাকেই এমন-কিছু-নয়-তো বলে উড়িয়ে দিস কিনা, তাই আর কিছু বললাম না।" মরণ! সবাই আর ইনি এক?? হতে পারে কখনও? পুঁটি মনে মনে সব ছেলেগুলোকে হিংসুটে আর মেয়েগুলোকেও হিংসুটি আখ্যা দেয়। আলাদারকম যদিও! ছেলেগুলো স্যারকে হিংসে করে মরল আর মেয়েদের নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে! ইশশশ!! কেন মরতে আগের শনিবার এল না সে!!

    উফ! আবার কি সেই এক সপ্তাহের অপেক্ষা?? ধুত্তোর!!!

    ইতিমধ্যে ছেলেগুলো স্যারের ঠিকুজিকুষ্ঠি বের করে ফেলে। স্যারের মা নাকি উত্তমকুমারের যুগের অভিজাত পরিবারের এক নায়িকা, যিনি মাত্র কয়েকটা সিনেমা করে খুব বিখ্যাত হন (ও! উনি তো দারুণ সুন্দরী ছিলেন!) এবং অকালে চলচ্চিত্র জগৎ ত্যাগ করে বিয়ের পিঁড়িতে বসে পড়েন। পুঁটি ভাবে, ভাগ্যিস বসেছিলেন- নইলে তারা এমন সোনার, না, না, হীরের টুকরোটি কোথায় পেত? আর স্যার নিজে ঘ্যামা জায়গা থেকে পাস করে ঘ্যামা চাকরি করেন। পুঁটির তো দেখে মনে হল বয়েস ২৬-২৭, আসলে নাকি ৩১। শুধু শনিবার ক্লাস নিতে আসতে পারবেন, তাও হয়তো প্রত্যেক শনিবার নয়! শয়তানগুলো হিংসের চোটে স্যারের একটা নামও দিলো - 'তোদের চিকনা'- যত্ত অসভ্যতা! যদিও পুরো মা-খ-ন, কিন্তু চিকনা আবার কী! আর 'আমাদের' বললে কোথায় গিয়ে যে যাত্রা শুরুর মিউজিকের মত ঝাং করে বাজে তোরা কী বুঝবি র‌্যা?

    এরপর আর কী? অপেক্ষা আর শনিবারে ক্লাস কামাই নৈব নৈব চ। অপেক্ষার অবসান যে কত মধুর হতে পারে, সে ব্যপারে ঐ ক্লাসের কেউই (পড়ুন কোন মেয়েই) দ্বিমত পোষণ করত না। সমস্যা একটা ছিল- ওরা কেউই ঠিক বুঝে উঠতে পারছিল না যে, ওদের প্রিয় রঙ কী হওয়া উচিৎ, সপ্তাহে সপ্তাহে তা বদলে গিয়ে হলুদ থেকে শ্যাওলা সবুজ, তারপর নাবিক-নীল, তারপর লাল, তারপর আরো কত কিছু হয়ে যাচ্ছিল। স্যারের চোখে কিন্তু কোন আবেগের বহিঃপ্রকাশ দেখা যেত না কোন দিনই। কাজেই পড়ায়ও মন বসাতেই হয় একদিন।

    এক শনিবার স্যার দেখালেন অন্নেস ইওন্স ঈন্তের্নতিওনল এস্তিভল ওফ রেঅতিভিত্য-এর নমিনেশান পাওয়া সব বিজ্ঞাপণ! কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালই শোনা ছিল, এই ব্যপারটা সত্যি বলতে জানা ছিল না। অসাধারণ সব বিজ্ঞাপণ দেখে পুঁটি অ্যান্ড কোং যাকে বলে মন্ত্রমুগ্ধ!

    বাড়িতে এসে মাকে সব গল্প বলা চাই তখন, মানে এগুলো তো বলাই যায়! মা তো একটু চিন্তায়ই পড়ে গেলেন মেয়ের মাতামাতি দেখে। পুঁটিই তখন মাকে আশ্বস্ত করল এই বলে যে, ঐ বয়স অবধি কি আর ভদ্রলোক বিয়ে না করে বসে আছেন! নিশ্চয়ই বিবাহিত উনি। মায়ের মুখের হাঁ আর বন্ধ হয় না তার কথা শুনে। তবে এত নাচানাচি করে হবেটা কী?? এই ছেলেমেয়েদের বুঝে ওঠা যে কী মুশকিল!

    এক সময় এসে যায় পুঁটিদের বাৎসরিক ফেস্ট। পুঁটি কিচ্ছুটি করবে না, শুদ্ধু সাজুগুজু আর মজা, ব্যাস! কী পরি, কী পরি করে পুঁটি অঙ্গে চড়ায় একখানি একরঙা শিফন, ওয়াইন রঙা, শাড়ীটার সবই ভালো, কিন্তু বড্ড যেন গায়ে-পড়া, থুড়ি গায়ে সেঁটে-থাকা। লোকে বলে ওতে নাকি পুঁটিকে মন্দ দেখায় না। ওর বন্ধুরাও খুব সুন্দর সাজল। ঐ বয়সে লোকে যা পরে তাতেই সুন্দর লাগে- ওদেরও লাগছিল। সবাই পুঁটির সাজের বেশ প্রশংসাই করল। প্রধান অতিথিকে ফুলের তোড়া ইত্যাদি দিতে পুঁটির ডাক পড়ল। বিশ্বাস করুন, ধর্মাবতার, মানে ধৈর্যশীল পাঠককুল, ক্লাসে তো বটেই, পুরো ইনস্টিটিউটেই সুন্দরীদের ছড়াছড়ি ছিল চিরটাকালই। একালের বঙ্গদেশের নামকরা মহিলা ফ্যাশান ডিজাইনার, যিনি পেজ থ্রিও কাঁপান, তিনিও তখন সেখানেই পড়তেন।

    স্যার আসিলেন এবং যাহা কোনকালে করেন নাই, সেই কান্ডটি করিতে লাগিলেন। মানে, সারাক্ষণ পুঁটিকেই অবলোকন করিতে থকিলেন।

    প্রথমে দিব্যি ভালই লাগছিল, কিন্তু কী যাচ্ছেতাই যে লাগতে থাকল একটু পর থেকে। এ আবার কী! পুঁটি যেদিকে, স্যারের মুন্ডুও সেদিকে ঘুরছে। সবাই তো দেখছে- নিজের ক্লাসের, অন্য ক্লাসের সবাই, মায় অন্য প্রফেসাররা পর্যন্ত্য। মানুষটা কেমন যেন খেলো হয়ে যাচ্ছেন আর পুঁটির নিজের অস্বস্তির তো শেষ নেই! অনুষ্ঠান শেষে ডিনার, তার আগে ডান্স। পুঁটির মাথায় সোজা বজ্রাঘাত হল যখন স্যার নিজে এসে পুঁটির সাথে "May I...?" বলে নাচের প্রস্তাব রাখলেন। পুঁটি সবিনয়ে নাচতে পারে না জানিয়ে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল। নাকে-মুখে চারটি খাবার কোনক্রমে গুঁজে ক্ষেন্তিকে সাথে নিয়ে বাড়ির দিকে তাড়াতাড়ি দে দৌড়। যদি আবার লিফ্ট দিতে চান ভদ্রলোক! দরকার নেই বাবা!

    সাধে কী পুঁটি নিজেকে ক্যাবলা বলে আর সাধে কী আপনারা বলেন, মেয়েদের মন বোঝা দেবতাদেরও কম্ম নয়, কুতো মনুষ্যাঃ!

    অতঃপর, পুঁটির কম্পিলিট মোহভঙ্গ আর পড়াশুনায় মনোনিবেশ। গল্প শেষ!

     

  • বিভাগ : ব্লগ | ২৫ অক্টোবর ২০১৭ | ৯৬৫ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • San gita | 57.15.14.66 (*) | ২৫ অক্টোবর ২০১৭ ০৬:১১61742
  • DDLJটা কী হয়ে গেছে! বুঝে নেবেন আপনারা, মানে আদৌ যদি কেউ পড়েন!
  • mahua | 132.163.30.142 (*) | ২৫ অক্টোবর ২০১৭ ০৮:৪৭61743
  • যা ব্বাবা !!
  • Du | 182.56.7.252 (*) | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ০৭:০৩61745
  • আপনি আজিকে যবে সুধাইলে আসি র পরে লাইনটা উল্টে গেলো? ঃ))
  • San gita | 53.239.82.6 (*) | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ১১:০৫61744
  • Cannes Lions International Festival of Creativity-এরই বা কী অবস্থা!! দুর্ছাই! ভাল্লাগে না!!
  • San gita | 53.239.82.6 (*) | ২৮ অক্টোবর ২০১৭ ০৫:৪১61746
  • ভালবাসার পুঁটি কী-ই-ই জানে!! (ভালবাসার তুমি কী জানো-র সুরে...)
  • বিপ্লব রহমান | 129.30.32.218 (*) | ০৫ নভেম্বর ২০১৭ ১২:২০61747
  • যাহ! ফস্কে গেল!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন