• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • রোহিতকে ঘিরে প্রচলিত কিছু প্রশ্ন

    Animesh Baidya
    বিভাগ : আলোচনা | ২৩ জানুয়ারি ২০১৬ | ৩০ বার পঠিত
  • রোহিত ভেমুলা নিয়ে সর্বত্র কথা হচ্ছে। এক দিকে রোহিতের বিচার চেয়ে চলছে আন্দোলন এবং অন্যদিকে রোহিতের বিরুদ্ধে উঠে আসছে কিছু অভিযোগ। ওই অভিযোগগুলো একটু দেখা যাক। নানান জায়গায় রোহিতের ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিন-শট দেখছি এবং তাই উৎসাহিত হয়ে তার ফেসবুক ওয়ালে বেশ কিছু সময় ধরে গত রাতে ঘুরে বেড়ালাম।

    সবথেকে গুরুতর অভিযোগ হলো, রোহিত 'দেশদ্রোহী'। এই অভিযোগের পিছনে কারণ কী? কারণ হলো, তিনি ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির বিরোধিতা করেছিলেন। অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে তার একটি ফেসবুক পোস্ট অনেকেই তুলে ধরছেন। কী সেই পোস্ট? তিনি লিখেছিলেন, ''Black day for Indian Democracy. Shame on judiciary and Government for hanging Yakub Memon''। এইবার প্রশ্নটা হলো, তার মানে কি তিনি ইয়াকুব মেমনের সমর্থক? তার মানে কি তিনি বোম্বে বোমা হামলায় নিহতদের বিচারের বিরুদ্ধে? একটু চোখ রাখা যাক ইয়াকুব মেমনের রায় প্রসঙ্গে সেই মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক কুরিয়ান জোসেফ মেমনের বিচার প্রক্রিয়ার পদ্ধতি নিয়ে কী বলেছিলেন? এনডিটিভি-কে উদ্ধৃত করছি, This was unacceptable to Justice Kurien Joseph, who said that there had been a clear violation of procedure and "such technicality should not stand in the way to protect the life of a person." বিচারক কুরিয়ান জোসেফ-কেও কি 'দেশদ্রোহী' বলা উচিৎ তাহলে? তিনিও কি তাহলে ইয়াকুব মেমনের সমর্থক?

    ফাঁসির বিরোধিতা বিষয়টিও একটু ভেবে দেখা যাক। ফাঁসির বিরোধিতা করা মানে কি অপরাধীকে সমর্থন করা? ১০৩টি দেশে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড নেই, আরও ৫০টি দেশে আইনগত ভাবে উল্লেখ থাকেলও শেষ ১০ বছরে কোনও প্রয়োগই হয়নি। তাহলে কেউ যদি শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে তাহলে সে ঠিক কোন সূত্রে 'দেশদ্রোহী' হয়ে ওঠে? ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫-তে রোহিত একটি ভিডিও লিঙ্ক পোস্ট করেন তার ফেসবুক ওয়ালে। সেটা ছিলো ড্যানিয়েল ফার্নান্ডেজের একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শো। শো-টি ছিলো ডেথ পেনাল্টি এবং দাঙ্গা বিষয়ক এবং যার মূল বিষয়টি ছিলো মানুষের হিংস্রতার প্রতি ভালোবাসা। সেই পোস্টের সূচনায় রোহিত কী লিখেছিলেন?

    ''A stand up comedy about Death penalty and Riots. Watch it to understand what is happening in India right now.''

    ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির বিরোধিতা করা মানেই ইয়াকুব মেমনের অপরাধের সমর্থন করা নয়। কিন্তু কী দারুণ ভাবে দুটোকে মিলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    ইয়াকুব মেমনের মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করা মানে কি সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় নিহত ভারতবাসীদের পরিবারের প্রতি তাঁর সমবেদনা নেই? ২৬ নভেম্বর, ২০১৫-তে ফেসবুকে তিনি যা লিখেছিলেন সেটাতে একটু চোখ বোলানো যাক।

    ''26th November marks the 7th Anniversary for the grisly attacks on Mumbai killing 173 people. The terrorist attacks motivated by extremist religious ideology left the nation in huge shock and it questioned our basic understanding of combating terrorism. The attacks were a demonstration of how dangerous the mix of chauvinistic nationalism and religious bigotry could be.

    On this day it is important for everyone of us to resolve against any extremist ideology, illogical hatred and depending upon religion to make our daily choices.

    This day, I pay my homage to the innocent civilians killed on 26/11/2008, their bereaved families, the police persons who lost their lives in service and also to the families of terrorists who were victims of foolish jihad-god-heaven propaganda.''

    এই ছিলো তার পোস্ট। এ বার বাকিটা বোঝার দায়িত্ব আপনাদের উপরে।

    দ্বিতীয় অভিযোগ, রোহিত স্বামী বিবেকানন্দ নিয়ে কটুক্তি করেছেন। আমার এক বন্ধু গতকালই আমার দু-দিন আগের পোস্টে কমেন্টে সেই লিঙ্কও দিলেন। দেখলাম, বিবেকানন্দের বিভিন্ন জাত-পাত সম্পর্কিত উদ্ধৃতি উৎস-সহ একটি পেজের আর্টিকেলে ছাপা হয়েছে। রোহিত সেই আর্টিকেলটি শেয়ার করেছেন এবং বিবেকানন্দ সম্পর্কে কটুক্তিও করেছেন। অনেকেই দেখছি বিবেকানন্দকে কেন কটুক্তি করা হয়েছে এই নিয়ে সরব, কিন্তু একজনকেও দেখলাম না যিনি দাবি করছেন যে বিবেকানন্দকে ভুল ভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে ওই আর্টিকেলে। মানে আর্টিকেলে দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে কারও কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু বিবেকানন্দকে কেন কটুক্তি করা হয়েছে, এই নিয়ে লোকের মাথাব্যথা। যাদের মাথাব্যথা তাদের অনেকেই কিন্তু বাংলাদেশে নিহত ব্লগার অভিজিৎ রায়ের ঘোরতর সমর্থক। গতকালই অভিজিৎ রায়ের 'স্ববিরোধী বিবেকানন্দ' শিরোনামে লেখা একটি প্রবন্ধ কমেন্টে পোস্ট করে জানতে চাইছিলাম, তাহলে কি অভিজিৎ রায়কেও গালি দেওয়া উচিৎ এই বক্তব্যের জন্য? কই অভিজিৎ রায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় তোলার সময় তো এই প্রবন্ধটি সামনে আনলেন না কেউ!!!

    তৃতীয় একটি বক্তব্য সামনে উঠে এসেছে। এতো এতো আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে, তাহলে এটা নিয়ে এতো কথা কেন? তাদেরকে প্রায় সকলকেই বাংলাদেশের ব্লগার খুন নিয়ে আন্দোলিত হতে দেখেছি, দিল্লির 'নির্ভয়া' নিয়ে উদ্বেল হতে দেখেছি। রোজ রোজ খুন হয় এতো লোক, তাহলে ব্লগার খুন নিয়েই বা তখন এতো প্রতিবাদ কেন; ধর্ষিতা হয়ে খুন হয়েছে কতোজন, তবু 'নির্ভয়া' নিয়ে এতো আন্দোলন কেন, এই প্রশ্নগুলো তখন কেন মনে হয়নি দাদা ও দিদি-রা? আজকে এই প্রশ্নগুলো তোলার পিছনে রাজনীতিটা তাহলে কী?

    সব শেষে একটা কথা। রোহিত, তোমাকে আরও একটা কারণে ধন্যবাদ। চারপাশের অনেকের প্রকৃত মুখ এবং অবস্থানকেও তুমি ক্রমশ স্পষ্ট করে তুলছো।
  • বিভাগ : আলোচনা | ২৩ জানুয়ারি ২০১৬ | ৩০ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • tk | 188.162.193.233 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:৩০58084
  • দাবী খুব বেশী ছিলনা, সায়েন্স রাইটার হতে চেয়েছিল। তবে ডান বাম সব পার্টিই যে নিজেদের আখের গোছায় সেটা বুঝতে পেরেছিল বলে গোলমেলে কেস হয়ে গেছিল। তবে কোর্টে গিয়ে পদবীটা পাল্টে নেয়নি কেন বোঝা যাচ্ছে না।
  • cm | 127.247.96.162 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:৪১58085
  • তা কে বাদ সাধল? পার্টির দাদারা? কোন পার্টির ডান, বাম নাকি সবাই মিলে একসাথে? কিভাবে? আখের গোছানোর কোন তথ্যে হাত লেগেছিল মনে হচ্ছে, একটু বিস্তারে বলুন কেসটা খোলসা হোক।
  • ranjan roy | 24.99.65.144 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:৪২58086
  • বুড়া বলছেন--ইদানীং আমরা সাম্প্রদায়িকতা শব্দটি পরিহার করে অসহিষ্ণুতা বলতে আরম্ভ করেছি, নাম পাল্টালে বাঘ নিরামিষাশী হয়ে যায় না।সে যাক, রোহিতের প্রথম বাক্যটির গেরুয়া,হিন্দু,হিন্দুত্ব শব্দগুলি পালটে যদি সবুজ,মুসলমান,ইসলাম করা হয়? তেমন হলে ঘোরতর অসহিষ্ণু এক হিন্দু মৌলবাদীর প্রতি কারো সহানুভূতি থাকতো না।
    সমস্যা হচ্ছে অন্ধ ফ্যানাটিসম সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য দূরে থাক,তাকে পিছিয়ে দিতেই মদত করে।একথাটা সবাই জানে,তথাপি নানা স্বার্থে তাকে আমরা একবার সমর্থন করি,একবার প্রত্যাখান।

    -- না বুড়া। আপনি ঠিক জায়গাটা ধরছেন না। রোহিতের মৃত্যু নিয়ে প্রতিবাদ এই জন্যে নয় যে সে এবিভিপির পোস্টার ছিঁড়েছিল বা ওদের নেতার গায়ে হাত তুলেছিল।
    ওর সঙ্গে এবিভিপির নেতাদের হাতাহাতির জন্যে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ওকে রাষ্ট্রবিরোধী উগ্রবাদী বলবেন ও মানব সংসাধন মন্ত্রীকে দুবার নোট পাঠাবেন-- কেন ইউনি এদের সহ্য করছে!
    আর ইরানী ম্যাডামের দফতর দুমাসে চারবার নোট পাঠিয়ে ইউনির স্বাধিকারে হস্তক্ষেপ করে ওকে সাসপেন্ড করিয়ে ওর স্টাইপেন্ড বন্ধ করিয়ে ওর বেঁচে থাকা দুর্বিষহ করেছিল----প্রতিবাদ সেই জন্যে! এখানে যুযুধান দুই ছাত্রসংগঠনের ইডিওলজি আদৌ বিচার্য বিষয় নয়।
    আর দেখা যাচ্ছে যে সুশীলকুমার ও তার পরিবারের অসুস্থ হওয়ার খবরটিই ভুয়ো।
  • tk | 188.162.193.233 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:৫৪58087
  • বুড়ার কথাটা সার্কুলার লজিকের আদর্শ উদাহরন। তুই ডান পার্টিকে গাল দিলি? বাম পার্টিকে কেন দিলি না? তুই বাম পার্টিকে গাল দিলি? ডান পার্টিকে কেন দিলি না? তারপরেই লুপে পড়ে যাওয়া।

    রোহিত গেরুয়া,হিন্দু,হিন্দুত্বর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। সেজন্য তাকে যে সাথে সাথে সবুজ, ইসলামিক ফ্যানাটিসিজমের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করতে হবে তার কি মানে? কোন একটা ফ্যানাটিসিজমের বিরুদ্ধে বা পার্টির বিরুদ্ধে বললেই যে তালিকা ধরে ধরে সবার বিরুদ্ধে বলতে হবে তা কেন?

    তবে রোহিতের সবথেকে বড়ো দোষ সুশীলকুমারের বয়ানে বেরিয়ে এসেছে - কেন রোহিত মেননের ফাঁসির বিরুদ্ধে বলেছিল। মোদিব্রিগেডের কাছে ওদের বিরোধিতা করা আর রাষ্ট্রদ্রোহিতা একই ব্যাপার।
  • cm | 127.247.96.162 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:৫৮58088
  • মোদি বন্দনা হতে মোদিব্রিগেডের বিরোধিতায় ট্রান্সিশনটি কেন/কিভাবে হল সেটা বোঝা গেলে বড় ভাল হত।
  • বুড়া | 113.249.37.167 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:৫৯58089
  • বোঝা গেলো গুরুতে মন্তব্য করলে স্বরে-অ,স্বরে-আ স্টাইলে, অর্থাৎ যৎপরোনাস্তি সরল করে লেখার দরকার,নচেৎ ভুল বোঝার সমূহ সম্ভাবনা।
    রঞ্জন, রোহিতের মৃত্যুতে প্রতিবাদের ন্যায্যতা নিয়ে আমি কোনো প্রশ্ন তুলিনি। আমার বক্তব্য রোহিতের বিশ্বাসের ধরন এবং সামাজিক ন্যায়প্রতিষ্ঠায় তার কার্যকারিতা নিয়ে।মনে রাখবেন,রোহিতের বক্তব্য দলিত সম্প্রদায় বনাম হিন্দু সম্প্রদায়ের।অসহিষ্ণুতা এবং সাম্প্রদায়িক শব্দ দুটি সেই সূত্রে উল্লেখ করেছি।
    Tk, আমার বক্তব্য পুনরায় আপনাকে পড়তে বলবো না,কারণ,একবারে যখন বোঝেননি,দ্বিতীয়বারে বুঝবেন আশা রাখি না।যে শব্দগুলো পাল্টাতে বলেছিলাম তা করলে বক্তব্যটা দাঁড়াতো, ‘আমি সবুজ রং, মুসলমান, ইসলামের বিরোধী, এমনকী সবুজ রঙের শাড়ি দেখলেও ছিঁড়ে ফেলব’। এহেন বক্তাকে কি বলা হতো? উগ্রতম হিন্দুত্ব মৌলবাদী ফ্যানাটিক, নয় কী? অথচ রোহিতের ফ্যানাটিজম কারো নজরে আসছে না।
    সার্কুলার লজিক, রোহিত কেন ইসলামিক ফ্যানাটিজমের বিরোধী নয়—এসব কথা এলো কোথা থেকে? গুরুর পরিচালকরা এবার একটা অ্যাডমিশন টেস্টের কথা ভাবতে পারেন।
    যাই হোক আবার বলি, সামাজিক যে কোনো লড়াইতে ফ্যানাটিজম সাহায্য করে না,বরং উদ্ভট লজিক,সমর্থনের যথেষ্ট কারণ থাকলেও ক্রমাগত তা থেকে জনসমর্থন সরিয়ে নেয়।
  • cm | 127.247.99.134 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৩:২৪58090
  • যৎপরোনাস্তি সরল করে বোঝালেও যে বুঝবে এমন গ্যরান্টি নাই। বক্তব্য বিকৃত করায় কারু কারু জুরি মেলা ভার।
  • সে | 198.155.168.109 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৪:৪২58091
  • "গুরুর পরিচালকরা এবার একটা অ্যাডমিশন টেস্টের কথা ভাবতে পারেন" এইটা আমার মনের কথা। আমারো অনেক সময় এটা খুব মনে হয়।
    থুড়ি, এর সংগে মূল আলোচনার কোন যোগ নেই।
  • বুড়া | 113.249.37.221 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৬:২৩58079
  • রোহিতের আত্মহত্যায় সারা ভারত জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত দুঃখিত এই ভেবে যে সব সমাজে শিক্ষিত,যোগ্যতাসম্পন্ন লোকেদের দরকার,সেখানে প্রতিশ্রুতিবান এক তরুণের অপমৃত্যু ঘটলো।বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে যে লঘুপাপে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল,সন্দেহ নেই,দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছি,সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলতে পারি।
    কিন্তু এর আর একটি দিক আছে।গত ২০ জানুয়ারির টেলিগ্রাফ পত্রিকায় রোহিতের সঙ্গে
    ABVP সদস্যদের তর্কাতর্কির ভিডিও রেকর্ডিংএর একটি সারমর্ম প্রকাশিত হয়,পরে একাধিক টিভি চ্যানেলে সেই ভিডিওটি প্রচারিত হয়।যারা পড়েননি,তাদের জন্য উদ্ধৃত করছি। The three-minute footage shows Rohith explaining to the others…why he tore up an ABVP poster on the campus…
    (Rohith) ‘anything saffron or Hindu or Hindutva and those who talk wrong about Dalits will meet the same fate’
    (ABVP member) ‘we were there when you destroyed the poster, why did you do it?’
    (Rohith) ‘I saw them. So, I did what I did in sheer anger’.
    (ABVP member) ‘will you tear down saffron clothes at your home, even saris?’
    (Rohith) ‘yes, I will tear them down’
    The group then warns Rohith not to touch the posters. Both sides say ‘we will see’.
    ইদানীং আমরা সাম্প্রদায়িকতা শব্দটি পরিহার করে অসহিষ্ণুতা বলতে আরম্ভ করেছি, নাম পাল্টালে বাঘ নিরামিষাশী হয়ে যায় না।সে যাক, রোহিতের প্রথম বাক্যটির গেরুয়া,হিন্দু,হিন্দুত্ব শব্দগুলি পালটে যদি সবুজ,মুসলমান,ইসলাম করা হয়? তেমন হলে ঘোরতর অসহিষ্ণু এক হিন্দু মৌলবাদীর প্রতি কারো সহানুভূতি থাকতো না।
    সমস্যা হচ্ছে অন্ধ ফ্যানাটিসম সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য দূরে থাক,তাকে পিছিয়ে দিতেই মদত করে।একথাটা সবাই জানে,তথাপি নানা স্বার্থে তাকে আমরা একবার সমর্থন করি,একবার প্রত্যাখান।
  • s | 108.209.202.160 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৭:০২58092
  • রোহিত ভেমুলার প্রেক্ষিতের মত না হলেও, মন্ডল কমিশনের সময় রাজীব গোস্বামীর নিজেকে জ্বালিয়ে দেবার ঘটনা, আমাদের মনে প্রচন্ড ছাপ ফেলেছিল। তার পর আরও অনেক এরকম ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু কাগজে কাগজে (তখন চ্যানেল শুধু দূরদর্শন) এরকম নিরন্তর আলোচনা শুনি নি, ভিপি সিং -এর সরকারের বিরুদ্ধে জবাবদিহি চেয়ে বিশেষ লেখাটেখাও দেখিনি।
    সেই জ্বলার ফলে, শারিরিক অবনতির কারনে কয়েক বছর পরে রাজীব মারা যায়।
  • Du | 81.170.213.17 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৮:১৮58093
  • লেখা দেখা যায় নি মানেই কি আর বলা হয় নি? সকলে লিখতে পারে না। মানে সেইসময় কমই লিখতো। তবে বছর ২০ ধরে তারাও যথেষ্ট লিখে চলেছে।
  • tk | 186.126.237.214 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১১:১৩58080
  • রোহিতকে একটা সহজ পরামর্শ দেবারও লোক ছিল না?

    "কে বামুন আর কে নয়, কে ওবিসি বোঝা যাচ্ছে কিরূপে? পদবী দেখে, ও তো কোর্টে গিয়ে যার যা পছন্দ তাই নিতে পারে।"

    ছেলেটা কোর্টে গিয়ে টুক করে পদবী বদলে এলেই তো পারতো।
  • cm | 127.247.96.162 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১২:১৩58081
  • রোহিতের বক্তব্য কি স্পষ্ট করে বোঝা গেছে? দলিতদের জন্য কোন সুনির্দিষ্ট দাবী ছিল কি? সেরকম কিছু কোথাও দেখছিনা। http://www.indianexponent.com/2016/01/the-real-truth-of-rohith-vemula-suicide.html এখানে একটি পর্যায়ে হাল্কা মোদী বন্দনার গন্ধও পাচ্ছি যেন। তারপরে মন পাল্টালো কিসে তাও বোঝা যাচ্ছেনা। ভারি গোলমেলে।
  • tk | 188.162.193.233 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১২:৩২58082
  • এরা এদ্দিন পায়ের তলায় ছিল ঠিক ছিল। এখন একটু মাথা চাড়া দিচ্ছে তো তাই বহুত গোলমেলে হয়ে যাচ্ছে।
  • cm | 127.247.96.162 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১২:৪২58083
  • এই তো আপনি মনে হচ্ছে সুনির্দিষ্ট দাবীদাওয়ার খোঁজ রাখেন, একটু বলুন শুনি। নইলে সুড়সুড়ি দিয়ে আর কাঁহাতক মজা পাবেন।
  • সুনীল | 74.62.219.145 (*) | ২৫ জানুয়ারি ২০১৬ ০৪:০০58095
  • অ্যাডমিশন টেস্ট দিয়ে গুরুর মেম্বার? এটা কিন্তু ভালো আইডিয়া। আশা করি অনলাইন টেস্ট হবে, মেনসার মতো টেস্ট সেন্টারে গিয়ে পরীক্ষা দিতে গেলে একটু মুশকিল হবে। অবশ্য এটা গুরুর পরিচালকদের সিদ্ধান্ত, ওনাদের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। আর একবার মেম্বার হয়ে যেতে পারলে যারা অ্যাডমিশন টেস্টে ফেল করল তাদের তাচ্ছিল্য করতেও বেশ ভাল্লাগবে।
  • chaposa | 125.112.74.130 (*) | ২৫ জানুয়ারি ২০১৬ ০৬:১৭58096
  • বুড়ার কথা আমার ঠিকঠাক যুক্তিযুক্ত লাগলো। তো তাই জন্যে গুরু তে কে কি বলল কিসসু আসে যায় না । s কে রাজীব গোস্বামীর কথাটাও মনে করিয়ে দেবার জন্যে ধন্যবাদ
  • cofeposa | 132.164.208.227 (*) | ২৫ জানুয়ারি ২০১৬ ০৯:৩৯58097
  • আমারও বুড়ার কথাগুলো ভুল কিছু মনে হলোনা। বরম tk কিসব সার্কুলার লজিক বললেন সেটাই বুঝলাম না।
  • Soutik “Rivu” Ghosal | 84.133.166.134 (*) | ২৫ জানুয়ারি ২০১৬ ১২:৫০58094
  • উপরের কথাবার্তা পড়লাম। নিজেকে আদেও বিজ্ঞ মনে করিনা বলে 'হরিদাস'-এ লিখিনা। আজ ইচ্ছে হল হঠাত-ই। জেনারেল ক্যাটাগরির ব্র্যাকেটে পড়ার জন্য কখনো SC , ST বা OBC দের ওপর রাগ হয়নি। বহুবার দেখেছি নম্বর কম থাকা স্বত্তেও বাপের কাড়ি কাড়ি পয়সা থাকা ছেলেটা পদবির জোরে আগে কলেজে চান্স পেয়েছে। ভাগ্য ভালো ছিল বলে কখনো এসবের চক্করে নিজের জায়গা খোয়াতে হয়নি। কিন্তু এমন অনেকে আছেন যারা খুইয়েছেন এবং খোয়াবেন । সেসব প্রসঙ্গ নাহয় আজ থাক। কিছু সমস্যা থাকে যা আজীবন সমস্যাই থেকে যায়। রোহিত ভেমুলার মৃত্যুর পর পরই শুরু হয়ে গেছে চিরন্তন লাশ নিয়ে রাজনীতি। মোড়লরা এখন দাবি তুলেছেন সংরক্ষণ বাড়িয়ে ৮০% করতে হবে। যা হয়। ঘোলা জলে মাছ ধরা বন্ধ হোক এই কামনা করি। নিতান্তই ৮০ তে আসতে হলে এবার নাহয় জেনারেলের ছেলেপুলেদের পেট্রল ঢেলে জ্বালিয়ে দাও।
  • সত্য সন্ধানী | 192.66.18.153 (*) | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৪:২০58099
  • সবই তো বুঝলাম | কিন্তু একটা খটকা লাগছে | ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির বিরোধিতা কি শুধু রহিত ও তার চার বন্ধুই করেছিল ? ওই ইউনিভার্সিটির বাকি ছাত্ররা করে নি ? আম্বেদকর স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন-এর সদস্যরা করে নি ? তাহলে শুধু রোহিত ও তার চার বন্ধু কেন সাজা পেল ? বাকিরা কোথায় গেল ?

    এছাড়া রোহিত ও তার চার বন্ধুর সাসপেন্সন হলো | পাঁচজনই দলিত | ক্ষতি পাচজনেরি হয়েছে | তাহলে রোহিত আত্মহত্যা করতে গেল কেন ? কেউ কি তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছিল ? সে কোথায় ?

    আমার মনে হয় আরো তথ্য লুকিয়ে আছে |
  • Chinmoy Mandal | 18.37.232.59 (*) | ০৯ মে ২০১৬ ০৪:৩৩58100
  • দারুন লিখা, লেখক কে ধন্যবাদ।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত