• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • ধর্মের নামে পশুবলি...কয়েকটা কথা বলি...

    Animesh Baidya
    বিভাগ : ব্লগ | ০৭ অক্টোবর ২০১৪ | ১৬ বার পঠিত
  • দুর্জনেরা বলে ইদ মানে নাকি আমাদের (কিছু কিছু হিন্দুদের) নিজেদের সেকুলার প্রদর্শন করার দিন। রোজকার যাপনে যতোই মৌলবাদ প্রকাশ করি না কেন, ওই দিন গদ-গদ ভাবে 'ইদ মুবারক' জানিয়ে আমরা সেকুলার সাজি। সে যাই হোক, এর মধ্যে কতোটা সত্যতা আর কতোটা মিথ্যাচার তা নিয়ে নিশ্চয়ই বিতর্ক থাকবে। সে প্রশ্নে যাচ্ছি না।

    আমার দেখা অনেকেই ধর্মের নামে পশুবলি প্রথার বিরোধিতা করেন। কালী পুজোয় পাঁঠা-বলি নিয়ে অনেক অনেক কথা বলেন। তারা নিজেদের বরাবর সেকুলার হিসেবে দাবি করেন বলেও জানি। কিন্তু এই তাদেরই অনেককে কুরবানির ইদে 'আজ গরু খাবো' বলে সরব হতে দেখে বেশ অবাক লাগছে। এই বিশেষ দিনে কেবল গরু খাওয়ার ইচ্ছে নিয়ে সরব হওয়াটা যে ধর্মের নামে পশুবলির সঙ্গে সম্পৃক্ত তা নিয়ে আশা করি সন্দেহের অবকাশ কম। এবং সে ক্ষেত্রে এটা অনুমান করলে ভুল হবে না যে, ওই ধর্মের নামে পশুবলির বিরোধিতাটা আসলে আমাদের অনেকের কাছে SELECTIVE বিরোধিতা এবং তা অনেক ক্ষেত্রে স্ব-বিরেধী। এই বিষয়ে কারও কারও একটু নতুন করে নিজেদের দিকে প্রশ্ন করা উচিত বলেই মনে হয়। এবং এই মনে হওয়াটা একদমই ব্যক্তিগত।

    যাই হোক একটা কবিগানের কয়েকটা লাইন মনে পড়ছে হঠাৎ। যেখানে একজন ফকিরী সাধক বলছিলেন-

    ''কুরবানি করিতে হুকুম প্রাণপ্রিয় ধন,
    গরু-ছাগল হইল কি তোর এতোই প্রিয়জন?
    নিজের থেইক্যা প্রিয় বস্তু আর যে কিছু নাই,
    আত্মত্যাগই আসল কুরবান জেনে নিও ভাই।
    দশ ইন্দ্রিয়, ছয়টি রিপু পারলে দমন কর গো,
    প্রেম রাখিও অন্তরের ভিতর.....''
  • বিভাগ : ব্লগ | ০৭ অক্টোবর ২০১৪ | ১৬ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • superlike | 131.241.218.132 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০১:০৪75153
  • "কিন্তু আমরা যারা পোলিটিক্যালি কারেক্ট থাকতে চাই তারা এই কুর্বানির পশুবলি নিয়ে নীরব থাকাই বাঞ্ছনীয় মনে করি, পাছে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত লাগে। কিন্তু নিজধর্মের ক্ষেত্রে সমান সহিষ্ণুতা দেখাই না। এটাই আমাদের হিপোক্র্যাসি।"
  • a x | 108.201.168.237 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০১:১৭75154
  • জ্যান্ত খপাৎ করে ধরল। ঘ্যাঁস করে মুন্ডু কেটে নিল, ডানা দুটো ঝাপ্টাচ্ছে তখনও, তারমধ্যেই এক হ্যাঁচকা টানে পুরো চামড়া খুলে নিল, কি অদ্ভুত, তখনও গোলাপী শরীরটা নড়ছে, এইবার আবার ঘ্যাঁস ঘ্যাঁস, ব্যাস মুর্গির টুকরো রেডি। প্রতিদিন। নির্বিকার মুখ করে মহিলা পুরুষ দাঁড়িয়ে দেখছেন, আবার খেয়াল রাখছেন, আরে পেটটা আরেকটু পরিষ্কার কর্‌! নেক্স্ট কাস্টমার, আবার খপাৎ।

    মাঝে আবার ঐ মুর্গি কাটার পর একখান ড্রামে ফেলে দিত, তাতে শতাব্দীর স্কন্ধ্কাটা মুর্গিদের লাশ গোণার জন্য কোনো কার্বন ডেটিং করার প্রোজেক্ট বানানো যায়। ড্রামের মধ্যে গলাকাটা মুর্গির ধাম ধাম করে নড়ার আওয়াজ। কয়েক সেকেন্ড বাদে শব্দ শেষ, রক্তমাখা মুর্গি হাত বাড়িয়ে ঘ্যাঁস। ছোট বাচ্চা নিয়েও মহিলা বেশ তাকিয়ে আছেন, মনে মনে আজ স্ট্যু না পোলাও ভাবছেন ঃ-)
  • a x | 108.201.168.237 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০১:১৮75155
  • স্কন্ধ*
  • Ekak | 24.99.40.217 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৫৬75156
  • প্রতিবছর ঈদের প্রাক্কালে এই সাবজেক্ট টা ভেসে ওঠে । ভালো । আমি বা আমরা যারা সারাবছর গরু -ছাগল -মুরগি-এমু সবই খাই তারা ঈদের মাংস খাওয়ার জন্যে আলাদা করে উল্লসিত এমনটি দেখিনি । বরং কোয়ালিটি ভালো নাও হতে পারে ভেবে এড়িয়ে যাই । যেমন নেপালে থাকার সময় মনোকামনা মন্দিরে হাজারে হাজারে মোষ বলির দিন মাংস কিন্তুম না । পরিচিত বাড়িতে দাওয়াত থাকলে আলাদা কথা । কথাগুলো বলার কারণ যাঁরা শুধুমাত্র ঈদের দিনে গরু খান বা যাঁদের ঈদ এলেই পশুহত্যা বিরোধী বাতিক চুলকে ওঠে উভয়কেই আলোচনার বাইরে রাখা । তাঁরা এট্টু ওই পাশটায় গিয়ে নিজেদের মধ্যে খেলুন ।

    এবার ঘটনা হলো ওপেন স্লতাড়িং একটি সামাজিক অপরাধ । মুরগির মাথা কাটা নাচ বা গরুর ছটফট করা শরীর এগুলো ভিজ্যুয়াল ভায়োলেন্স এর জন্ম দেয় । সবচে খারাপ প্রভাব পরে বাচ্চাদের মনে । এই নিয়ে প্রচুর গবেষণা / স্টাডি আছে । যে বাচ্চারা ছোটো থেকে এরকম চোখের সামনে পশু পাখি হত্যা করা দেখে তারা অনেক ক্ষেত্রে ট্রমার স্বীকার হয় অনেকক্ষেত্রে নিজেরাই হিংস্র হয়ে ওঠে । এর থেকে পার্সোনাল /সোশাল অনেক খারাপ প্রভাব পরে । এছাড়া আন্প্ল্যান্দ ওয়ে তে স্লতার করা / বর্জ্য অংশ ছড়িয়ে রাখা এসব সমস্যা তো আছেই ।

    দাবি উঠুক সমস্ত রকম ওপেন স্লতার বন্ধ করার । ঘেরা জায়গায় প্রপারলি স্লতার হোক । সেখানে ছোটদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হোক । প্রচার চালানো হোক বাচ্চাদের নিয়ে কসাই এর দোকানে যাওয়ার বিরুদ্ধে । সঙ্গে আছি ।
  • Animesh Baidya | 123.21.79.252 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:০০75157
  • প্রথমত, নাল্টিমেটলি টা দারুন পছন্দ হয়েছে।
    দ্বিতীয়ত, গরুর মাংস হোক বা শুয়োরের মাংস কি কচ্ছপের মাংস, আমার ব্যক্তিগত ভাবে কোনোটাতেই কোনও আপত্তি নেই। ভালো রান্না হলে যে কোনও মাংসই ভালো।
    শেষত, আমার বক্তব্যটা কোনও ভাবেই পশুবলি উচিত কি উচিত না, এই নিয়ে নয়। সে নিয়ে না হয় অন্য সময় মতামত দেওয়া যাবে। এই ছোট্ট লেখাটাতে কেবল একটা জিনিসই বলতে চেযেছিলাম। অনেক লোককেই ধর্মের নামে পশুবলির বিরোধিতা করেন, রবি ঠাকুরের 'বিসর্জন'-এর প্রসঙ্গ টানেন এবং এই এদের অনেককেই দেখি ইদ উল আযহা-তে 'আজ গরু খাবো' বলে সরব হন। তাদের এই অবস্থানটাকে প্রশ্ন করাটাই এই ছোট লেখার উদ্দেশ্য। আর কিছু না। আর ''দাবি উঠুক সমস্ত রকম ওপেন স্লতার বন্ধ করার । ঘেরা জায়গায় প্রপারলি স্লতার হোক । সেখানে ছোটদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হোক । প্রচার চালানো হোক বাচ্চাদের নিয়ে কসাই এর দোকানে যাওয়ার বিরুদ্ধে । '' এই অংশের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ সহমত।
  • aranya | 154.160.226.93 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:০৬75158
  • অক্ষ এক ভয়াবহ বর্ণনা দিয়েছেন। সত্য, কিন্তু ভয়ানক
  • aranya | 154.160.226.93 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:১০75159
  • নরবলি দেওয়া, নরমাংস খাওয়া - এ সব নিয়ে যে কি সমস্যা, তাই বা কে জানে..
    স্বজাতি বলেই কি টেনে খেলাতে হবে
  • aranya | 78.38.243.218 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৩৩75137
  • ভাল লাগল। পয়েন্ট নোটেড - কুরবানি-কে পশুবলির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি নি আগে
  • - | 109.133.152.163 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৩৯75138
  • খুব, খুবই দৃষ্টি খোলা লেখা।
  • Blank | 69.93.243.9 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:০২75139
  • সলিউশান টা কি !! গরু বলি চালু করা? অত্যন্ত খুশি হবো তাহলে।
  • Tim | 188.91.253.22 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:২০75140
  • পশুবলি ভাটের কনসেপ্ট। যেকোনো ধর্মেই।
    মাংস তো খাবার জিনিস, গরু মুরগি পাঁঠা শুয়োর সবই নাল্টিমেটলি মাংস, এবং এক ট্রিটমেন্ট পেলে ভালো হয়।
  • jhiki | 128.136.68.84 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৩৩75141
  • পশু-পাখিকে তো মেরেই খেতে হবে। সে সর্বসমক্ষে বলি/ কুরবানি দিয়ে বা আড়ালে স্লটার করে ..... আর বলি/কুরবানি নিয়ে যারা স্ববিরোধীতায় ভোগেন তাদের জন্য একটু মুচকি হাসি...
  • Tim | 188.91.253.22 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৪৫75142
  • নাল্টিমেটলি টাইপোটা হেব্বি হয়েছে। নিজেকেই পিঠ চাপড়ে দিলুম। ফ্রয়েডিয়ান ইসে।
  • - | 109.133.152.163 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:২৩75160
  • হক্কথা অরন্য, নরবলিই বা হবে না ক্যানো? খেতে তো সেটাও ভালো! ঃ-)
  • ... | 177.124.124.21 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:০৫75161
  • কোরবানির উদ্দেশ্য ত্যাগ, এবং আসল ত্যাগ শুরু হয় কোরবানির মাংস ভক্ষণের ফলাফল স্বরূপ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে দিতে।।। http://www.dhormockery.com/
  • একক | 24.99.81.77 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:৪৪75162
  • আমি তো "আপনি খেতে কেমন " toi খুলেছিলুম | আপনেরা তো নরমাংস দেখেই চম্পায়তলা চম্পট দিলেন :(
  • bullseye | 125.112.74.130 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১০:০৭75143
  • গরুর শিং আছে পাঁঠার ও আছে তাই
    দুজনে গুতোগুতি দুজনে ভাই ভাই

    বহু পরিচিত গান :-) লেখাটাতে ক
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১০:১৬75144
  • খুবই সত্য কথা। অকপটে লেখা। মন্দিরে পশুবলি প্রচুর জায়গা থেকেই উঠে গেছে। কিন্তু আমরা যারা পোলিটিক্যালি কারেক্ট থাকতে চাই তারা এই কুর্বানির পশুবলি নিয়ে নীরব থাকাই বাঞ্ছনীয় মনে করি, পাছে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত লাগে। এটা পরধর্ম সহিষ্ণুতার প্রমাণ। কিন্তু নিজধর্মের ক্ষেত্রে সমান সহিষ্ণুতা দেখাই না। এটাই আমাদের হিপোক্র্যাসি।
  • সিকি | 132.177.104.67 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১০:৩৩75145
  • খুব সত্যি কথা। খাবার জিনিস খাবো। ধর্মের নাম দিয়ে খেতে রাজি নই।
  • dd | 132.172.139.160 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১০:৪৬75146
  • নাল্টিমেটলি টা পোচোন্ডো ভালো হয়েছে।

    ওটা আমি ইউজ কোর্বো।

    আর সে'র সাথে এক্কেবারে একমত। এই হিলে লি দের মহত্বের ন্যাশা আর মরাল মঞ্চে উঠে থাকা, আর হজম হচ্ছে না।

    একটু দাঁড়ান। আমি পাল্টা কলরব শুরু করছি।
  • sosen | 24.139.199.11 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১০:৫৫75147
  • :)
  • de | 190.149.51.69 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১১:০০75148
  • আমাদের বাড়ির সামনে বেশ অনেকটা জায়গা দূরে দেখতে পাওয়া যায়। রাস্তা-টাস্তা পেরিয়ে রেল-স্টেশন, তারও বেশ অনেকটা দূরে একটা পশুবধশালা বা abatoir আছে বিশাল এক মাঠ জুড়ে। এই বকরি ঈদের দিন দশেক আগে থেকে সেখানে লাল-নীল তাঁবু খাটিয়ে বিভিন্ন কুরবানীর পশু বিক্রি হয়। গোরু, ভেড়া, ছাগল ইঃ থেকে উট অব্দি। পুরো মাঠ ভরে অন্ততঃ লাখখানেক পশু বিক্রি হয়। বকরি ঈদের দিন ওই মাঠের দিকে আর তাকানো যায় না - যদিও অনেকটা দূর - তাও পুরো মাঠের লাল হয়ে যাওয়াটা বেশ বোঝা যায়। অতোগুলি পশু একসাথে মেরে কি মাংস খাওয়া যায়? কারা খায় অতো একসঙ্গে? এটাও তো একরকমের অপচয়। বম্বের মাটন শপে বকরি ঈদের বা ঈদের দিন সিম্পলি যাওয়া যায় না। সাংঘাতিক সব দৃশ্য থাকে। ধর্মের নামে পশুবলি বন্ধ হওয়াই উচিত।
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১১:১৫75149
  • হাঁড়িকাঠে আটকে কোপ মেরে বলি দেয়া কি গলার নলিটা কেটে ফিনকি রক্ত ছড়িয়ে ছটফটিয়ে মারা - প্রকাশ্যে খুবই দৃষ্টিকটু। বীভৎস দৃশ্য। ফিনকি দিয়ে রক্ত পড়ছে সেই পশু নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে ঊর্দ্ধশ্বাসে দৌড়চ্ছে পালাতে চাইছে। বলিও ভয়ঙ্কর। এক কোপে মাথা নেমে গেল শরীরটা তখনো কাঁপছে।
    যার যেমন খাদ্যাভ্যাস তেমনিই থাকুক, বাধাদেবার দরকার নেই, কিন্তু যার সেটা দেখতে কষ্ট হয় তাকে তখন আড়াল খুঁজতে হয়। এসব জিনিস আড়ালে করলেই হয়।
  • de | 190.149.51.69 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১১:২০75150
  • একই রকম বীভৎস লাগে কালীঘাটে কালীপুজোর পরের দিন গেলে - রক্তে মাটি ভিজে থাকে। সব পশুদের স্লটার হাউসে উৎসর্গ করাই উচিত!
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১১:২৩75151
  • এই নিয়ম লাগু করা যাবে না। দাঙ্গা বেঁধে যাবে। রেলিজিয়াস সেন্টিমেন্টে আঘাত।
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১২:৫৬75152
  • কিন্তু দে দি এর থেকে অনেক বেশী গরু মোষ শুওর একসাথে কাটে মাংসের কারখানা গুলোতে। আর কোরবানি বা বলি যাই হোক না কেন, সেই মাংস নর্মালি অনেক লোকে ভাগ করে নেয়।

    আর বেথে কে,
    ধর্মের নামে পশু বলি বন্ধ করতে হবে কেন !! যদি ধর্মস্থান থাকে তো সেখানেই এই কোরবানি না থাকার কি আছে !! ভক্ত রা ভগবান কে নিজেদের পছন্দের জিনিস পত্তর দান করে। সে অষ্টমীর পাঁঠা হোক বা ঈদের গরু। ধর্মের নামে সেটা কাটা খারাপ আর বিজনেসের নামে সেটা কাটা ভাল কেন !!
  • b | 135.20.82.164 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:০৮75163
  • -, মহায় আপনি কোথায় থাকেন? আপনার থেকে একটু দূরে থাকলেই ভালো হয়।
  • - | 109.133.152.163 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:২৭75164
  • শুধু আমার থাকা নিয়ে ভাবলেই কি নিস্তার আছে b-বাবু? আমি তো একা নই -- "আমি আছি, গিন্নী আছেন, আছেন আমার নয় ছেলে..." HHB :-)
  • de | 69.185.236.52 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:৪২75165
  • আমিও ওপেন স্লটারের বিরোধী - সবরকম স্লটারিং ঘেরা যায়গায় হোক। বাচ্চাদের সামনে তো নৈব নৈব চ।

    এখন মুরগী তো ভেন্কি ইঃ কোং প্যাকেটেই বিক্রি করচে। সেটাই কিনি। তবে বম্বেতে কখনো অক্ষের বর্ণনার কিছু দেখিনি, ওটা কলকাতা স্পেশাল। এখানে দেখেছি বড় ড্রাম ভর্তি জল থাকে তার মধ্যে মুরগীকে চুবিয়ে ধরে থাকে খানিকক্ষণ। তাই দেখেই আমার এতো বিচ্ছিরি লাগতো! প্যাকেটের চিকেন আসায় বেঁচে গেছি!
  • kd | 69.93.255.169 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:২৭75166
  • শিঙি, মাগুরও কি স্লটারহাউসে নিয়ে গিয়ে কাটতে হবে?

    লবস্টারও আর ফুটন্ত জলে ফেলা যাবে না? ঃ(

    আর মশা, মাছি, আর্শোলা, পিঁপড়ে, ছারপোকা, ও হ্যাঁ, উকুন?
  • সিকি | 135.19.34.86 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:০৭75167
  • ব্ল্যাংকিকে, মাংস খেতে পছন্দ করি, এখন সে মাংস যে ভাবেই তৈরি হয়ে আসুক না কেন, অ্যাপারেন্টলি আমার তাতে কোনও আপত্তি নেই, ব্যবসার জন্য মারা হোক বা ধর্মের জন্য। তবে ঐ আর কি, ব্যবসা জিনিসটা আমার কাছে ধর্মের থেকে বেশি প্রয়োজনীয়, তাই ধর্মের দোহাই দিয়ে পশুবলি দেওয়াটা আমার চোখে বিরক্তিকর ঠেকে, ব্যবসার কারণে বলি দেওয়াটা নয়।

    দ্বিতীয়ত, আমরা যারা নন ভেজ খাই, তাদের এই পশু মারা কাটা সম্বন্ধে বিভিন্ন এক্সটেন্টের টলারেন্স থাকে। সবার টলারেন্স লেভেল সমান হয় না। মোটামুটিভাবে যে পশু যত ছোট, যাকে মারলে খুব কম রক্তপাত হয়, সেই সব পশুকে মারলে খুব কম লোকেরই মনে চিত্তবৈকল্য আসে। ভেজিটেরিয়ান লোকজনও অবলীলায় হাতের চাপড়ে পিঁপড়ে কি মশা মারে, ঝাঁটাপেটা করে আরশোলার পোঁটা বের করে দেয়, একটু গা-ঘিনঘিন করে ঠিকই, তবে হরিফিক লাগে না। বাজারে মাছ কাটতে দেখি আমরা, বেশির ভাগই মরা মাছ, কিছু জ্যান্ত মাছও চোখের সামনে কাটা হয়, সদ্যকাটা রুইমাছের মুণ্ডু শেষবারের মত অক্সিজেন টেনে নেবার চেষ্টা করে ঠোঁট ফাঁক করে, এ আমরা আকছার দেখেছি, মনে কোনও পাপবোধ বা ঐ যাকে বলে, চিত্তবৈকল্য, আসে নি। অনেকেই চিকেন খায় কিন্তু মুরগী কাটা দেখতে পারে না। আমি দেখি। আমার কোনও অসুবিধে হয় না। হয় তো ছোট থেকে অনেক দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি বলেই কিছু মনে হয় না। মনে হয়েছিল একবার, যখন দেখেছিলাম সদ্য রোঁয়া ওঠা মুরগীর কুট্টি কুট্টি দুটো ছানা লাল প্লাস্টিকের ওপর থেকে চিকেনের খুদিখুদি টুকরো ঠোঁটে তুলে খাবার চেষ্টা করছে - হয় তো তাদের মায়েরই মাংসের টুকরো। কেমন হরিফিক লেগেছিল, বাচ্চাদুটোর খিদে পেয়েছিল, তারা দানা খেতে শেখে নি, মাংসের টুকরোকে দানা ভেবে খাবার চেষ্টা করছিল।

    আমি ছাগল কাটতেও দেখেছি, দেখি প্রায়ই। মাছ নীরবে মরে যায়, চিকেন ড্রামের মধ্যে ডানা ঝাপটায়, ছাগল মরার আগে বেশ দাপাদাপি করে। এর পরের লেভেল আমি দেখি নি, গরু মোষ বাছুর কাটা। তবে খাই সবরকমেরই মাংস। বেশ কিছু এমন লোককে জানি, সামনে দাঁড়িয়ে পশুকে মারার দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে নন ভেজ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে।

    টলারেন্স লেভেল একেকজনের একেক রকমের থাকে। কেউ মারার দৃশ্য না দেখা পর্যন্ত খেতে আপত্তি করে না, কেউ দেখার পরেও উদাসীন থাকে, আমার মত পাবলিক। বেশি বড়সড় প্রাণী হলে তার মৃত্যুর দৃশ্যটাও বেশ বড়সড় হয়, রক্তপাত বেশি হয়, তাই সেগুলো সহ্য করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় অনেকের পক্ষেই। এটা সানি না কাঁবা জানি না। একই কারণেও সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ মারার দৃশ্য দেখতে পারব না, যদিও সিনেমায় সেই ধরণের অনেক দৃশ্যই দেখি।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত