আমাদের বাড়িতে তখন একটা ঢাউশ মত বাক্স ছিল, যার কপাট খুললেই ভেতর থেকে আসত গান, ছায়াছবি, ক্যুইজ – সে এক আজব জগত। পিসির ছিল দূর্দান্ত হাতের কাজ, তাই সাদা ক্রুশের সুতো দিয়ে কভার করে দিয়েছিল ওর ওপর।যারা টিভি দেখতে আসত, প্রায় সকলেই জিজ্ঞেস করত, কে বানিয়েছে। ফলে টিভির সাথে ওই সাদা কভারেরও পরিচিতি বাড়তে লাগল। তখন সাদা কালোতে খবর পড়ত ছন্দাদি। বেশি প্রিয় ছিল, তাই নামটা মনে থেকে গেছে... মিনিমাম হাসিটুকু সারাক্ষণ তাঁর গালে। আরেকজনও ছিলেন, এক দাড়িওয়ালা গম্ভীর মানুষ, দেখে মনে হত বকলেই ঝর ঝর করে চোখে বেয়ে গড়িয়ে যাবে জল। তবে গলাটা ভরাট, জমজমাট। তাঁর কন্ঠস্বর ধাক্কা খেত ... ...
আমার প্রয়োজন শেষ। ক্রমশ ফুরিয়ে চলেছি, এটা বেশ কয়েক বছর ধরেই বুঝতে পারছি। যুগের সাথে প্রয়োজন বদলায়। তাই চাহিদাও পরিবর্তনশীল। তাই বলে এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাব, ভাবতেই পারি নি। যাদের বুকের ওপর বসতাম তারাই যেন ক্রমশ লুপ্তপ্রায় হতে বসেছে। তাদের রাজত্বই ক্ষীণ হয়ে আসছে। তারা থাকলে তবে তো আমি। ঝরণা কলমের মত। কলমের কালির মত। আমিও ফুরিয়ে যাচ্ছি... ... ...
ভয় হয়। যে-ভাবে সবকিছু ভেসে যাচ্ছে। নানা বিপরীতে বিপত্তি স্রোতে। চিন্তার বিপত্তি সবচেয়ে বড় বিপদ। ১ আপত্তি একটা জায়গায়: প্রথম নবজাগরণ কি হয়েছিল? নাকি নবজাগরণের নামে একটা বিদ্বেষমূলক ও অনতিঅতীত নিন্দাকারী সমাজ ও সংস্কৃতির সচেতন নির্মাণ শুরু হয়েছিল। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কিন্তু নিজে মনে করতেন রেনেসাঁ বলে কিছু হয়ে থাকলে পঞ্চদশ ষোড়শ শতকে। উনিশ শতকে বাঙালি শিকড় বিচ্ছিন্ন হয়। গ্রাম মানে পিছিয়ে পড়া এই ধারণা তৈরি শুরু করানো হয়। স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রামীণ অর্থনীতিকে ভেঙ্গে চুরমার করে ফেলা হয়। শহুরে আধা অসভ্য জীবনকে অসমবায়িক ... ...
১এই তপোবনে সব নদীতে'ই ফল্গু ধারারাক্ষস এক, বাদবাকি সব বৈরাগী দল।রসনা তৃপ্ত করতে চিবোয় শিরদাঁড়াশব ছড়িয়ে মারণ যজ্ঞ বাধাবার ছল।২সবার কি আর মেধা থাকে,দলিতের আছেগ্ৰাম কে গ্ৰাম ভাসিয়ে দেবে প্রধান নর্দমা-আবর্জনা দিয়ে ? বাঁচাও বাঁচাও বলে যাচ্ছেনর্মদা;সামনে যুদ্ধ, 'নিয়া' দিয়া বাঁধবে অকর্মা!
নতুন প্রজন্ম, দিশাহীন গড্ডালিকা প্রবাহে প্রবাহিত নতুন সমাজের প্রায় সব সদস্যই দীর্ঘদিন ধরেই নিজস্ব স্পেস চেয়ে আসছে। সংসারে বাবা, মা, ছেলে, মেয়ে প্রত্যেকে প্রত্যেকের কাছে স্পেস চাইছে। সংসারের অংশ বলেই বাকী জীবনটা সংসারের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত হতে হবে, এ দর্শন আমরা মানতে পারি না, আমাদের নিজস্ব স্পেস দরকার। সংসারের কর্তার নিজস্ব স্পেস চাই, কত্রীর নিজস্ব স্পেস চাই, পুচকে-পুচকে ছেলে-মেয়েগুলোরও নিজস্ব স্পেস চাই। ফলতঃ একই সংসারের মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চারটে সংসার। বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে কাউরির চিন্তা-ভাবনা বা মতামত মেলে না। কেউই অন্যজনের মত মেনে নিতে রাজী নয়, অন্যজনকে স্পেস ছেড়ে দিতে রাজী নয়। এ সমস্যা যে আগে ছিল না, তা একেবারেই নয়, কিন্তু ... ...
১ ঠিকঠাক মতো ঠিকানা দেয় না মেয়েরা। জায়গা বললে ব্লক ভুলে যাবে, বা রাস্তার নাম বলতে গিয়ে প্লটটা। মিতুলও এমনটাই করেছে। পই পই করে বলে দেওয়ার পরেও ঠিকানা খুঁজতে গিয়ে হয়রান হচ্ছে রাজীব। ভাইসাব, নীলশিখা অ্যাপার্টমেন্ট কিস তরফ? সেক্টর বাতাইয়ে ...সেক্টর তো নহী হ্যেঁফির! পরে জানা গেল এখানে এক দুই তিন অনেকগুলো নীলশিখা কিন্তু মিতুল কোনটায় থাকে তা জানায়নি। রাজীবও আর কথা না বাড়িয়ে এগিয়ে গেল।২ঠিক তিনমাস আগে মিতুলের সাথে পরিচয়। মেসেঞ্জারের হলুদ হাসি নিয়ে একটা উৎপটাং নাম এসে হাজির। রাজীবও কৌতূহল বশতঃহাই, রাজীব হিয়ার!উত্তর দিল না সে। ভাবটা এমন যেন বয়েই গেল। মিতুল শুনেছে চ্যাটিং এমনই হয়, হাই হ্যালো দিলেই হল ... ...
বাংলার সাহিত্যাকাশে রায়চৌধুরী অর্থাৎ রায় পরিবারের অবদান অপরিসীম। সেই উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী থেকে শুরু। বলা যায় তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হল, "সন্দেশ" পত্রিকার সৃষ্টি। ১৯১৩ সালে সন্দেশ জন্মের পর উপেন্দ্রকিশোর মাত্র দুই বছর বেঁচে ছিলেন। তাঁর পর সুযোগ্য পুত্র সুকুমার রায় প্রায় ৮ বছর সন্দেশকে এগিয়ে নিয়ে যান। তাঁর অকাল প্রয়ানে হাল ধরেন ভাই সুবিনয়। তাঁর পরে সত্যজিৎ হয়ে সন্দীপ রায় বর্তমান। এবছর ১৪২৭ শারদীয়া সংখ্যার সন্দেশে পালিত হয়েছে সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ। সন্দীপ পুত্র সৌরদীপ এই প্রথম সন্দেশের কাজে হাত রেখেছেন। পিতা ও পুত্রের পরিকল্পনায় সেজে উঠেছে এবারের শারদীয়া সন্দেশের প্রচ্ছদ। অর্থাৎ সন্দেশ এমন একটি পত্রিকা যাতে রায় পরিবারের পঞ্চম প্রজন্মও ... ...
নিমি ছিলেন রাজা। একবার তিনি যজ্ঞ করবেন বলে মনস্থ করলেন। যজ্ঞ মানে আদান প্রদান। কেউ কিছু দেবে আর তার বদলে কিছু পাবে। সাধারণ অর্থে ব্যবসা। ব্যবসায় লাগে দালাল। দালাল দুই পক্ষকে মেলায়। পুরোহিত হলো সেই দালাল। পুরের হিত করে যে। পুর মানে নগর বা পুর বা উৎপাদিত দ্রব্য। খাবারে তৈরী করা পুর পোরা হয়। পুরুষ তার দেহের পুর (বীর্য) স্থাপন করে নারী দেহে। নিমি তার পুরোহিত ঠিক করেছিলো বশিষ্ঠমুনিকে। মুনি হলো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ন ( বঙ্গীয় শব্দকোষ মতে) হলো বিত্ত আর ম হলো মিত বা ক্ষুদ্র ভাব। ছোট পুঁজিপতি মুনি দুই পক্ষকে ( পুঁজিপতি আর উৎপাদককে) মিলিয়ে দিয়ে সফল ব্যবসা ... ...
মাতৃঋণ বাড়ির কাছে এসেই ছাতিম ফুলের গন্ধ পেল অর্ক। কেন পেল কে জানে। কারণ এখানে তো কোনো ছাতিম গাছ নেই। যেটা ছিলো সেটা গঙ্গার ধারে, সেখানে বসে বন্ধুদের সঙ্গে প্রথম সিগারেট খেত অর্ক। বাড়িতে অবশ্য অর্ক ঢুকবে না। বাড়িতে থাকার জন্য সে আসে নি। কেন এসেছে কে জানে। মা মারা গেছে তার, এটা একটা কারণ হতে পারে। কিন্তু তার জন্য হায়দ্রাবাদ থেকে না এলেও চলত। ইন ফ্যাকট, অর্কর কেরালিয়ান বান্ধবী লতা তো আসতে বারণই করেছিল। না এলে অন্তত এখন যে একটা অস্বস্তিবোধ হচ্ছে অর্কর, বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে তার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যেত।তবে কাজ কিছু আটকে থাকত না। মায়ের পোস্ট মর্টেম, সৎকার এসব সরকার ... ...
‘দোস্তজী’ দেখলাম, এবং মুগ্ধ হলাম। একেবারে অন্য রকম বাংলা ছবি। শুধু ছোট্ট দুই বন্ধুর গল্প বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গল্প বলে দেগে দিলে, কিছুই বলা হবে না এই সিনেমা সম্পর্কে। শহুরে মধ্যবিত্ত জীবনের বাইরে যখন পা ফেলার কথা ভাবতেই পারেন না হাল আমলের বাঙালি পরিচালকেরা, তখন পরিচালক প্রসূন চট্টোপাধ্যায় আমাদের নিয়ে যাচ্ছেন মুর্শিদাবাদের প্রত্যন্ত গ্রামে। তিন চাকার ভ্যানে ঘোড়া জুতে আশ্চর্য এক গতি আসে এই ছবিতে, গতি পায় এই ছবির ছোট্ট দুই চরিত্রও। জন্ম হয় অবাক করা সব দৃশ্যের। সিনেমা যে মূলত দৃশ্যের সমাহার তা আরো একবার মনে করিয়ে দিলএই ছবি। দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল, গ্রামের আটপৌরে জীবনকে ... ...
নারী ও শিশু পাচারে পশ্চিমবঙ্গের স্থান সারা ভারতের চেয়ে এগিয়ে। এই হিসেব জাতীয় অপরাধ তথ্য-পরিসংখ্যান দপ্তরের, যা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সরকার ভুল বলে দাবি করেছিল।কেন্দ্রীয় সরকারের নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সংসদে একদা বেশ জোরের সঙ্গে জানিয়েছিলেন, বাল্য বিবাহ এবং নারী ও শিশু পাচারে পশ্চিমবঙ্গ সারা দেশের সমস্ত রাজ্যের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে। এবং প্রতি বছরই নারী পাচারের সংখ্যাটা বাড়ছে৷ ২০১৫-১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ নারী ও শিশু পাচারে পয়লা নম্বরে ছিল৷ ২০১৫ সালে নারী পাচারের সংখ্যাটি ২১০০ এর ধারেকাছে ছিল। পরের বছর সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬০০ জনের কমবেশিতে৷ শিশু পাচার ২০১৫ সালে ছিল ১৮০০ জনের ধারেকাছে। ২০১৮ সালে সেটা প্রায় তিন থেকে ... ...
প্রদোষে যে প্রদীপ জ্বালে, সকলের সে মিত্রশিশিরে সিক্ত মঞ্চ তার, সত্য আধারে চিত্র। নক্ষত্র হয়েও জীবন, যাপন মোদের প্রেরণা কিংবদন্তির ইজেলে, কলমে লগ্ন হয় যন্ত্রনা!
একনা বলে যেওনা কোথাও সরু সুয়োর মতো শীতকাল এলো, সরুচাকলির মতো বাতাস গায়ে লাগলে এ বাড়ি অন্য বাড়ি হয়ে গেলোঅন্য অন্য কত বাড়ি মায়ের গায়ের গন্ধ পেলে উঠোনেফুটত নীল জবা, কেন বসতের কোন রঙ থাকে নাবিসর্জন ছাড়াদুইপায়েসের রেখা ধরে হেঁটে গেলেজন্মদিন পাওয়া যেতে পারে অন্য জন্ম যার সেবাড়াতে পারে সরু আঙুল ভাব করবে বলেতিনআদরের শুভদিনে খুলে যায় অনন্তের মুখবিছানায় ছায়া পড়ে, রাত্রি ভেসে যায় কালো পাখি ডাকলে যাত্রা ঠিকশুভলগ্নে রাস্তা জড়ায় পাশিশু বিড়ালের মতো খেলাধূলো শুরু হলে পান করিতোমার আধো শরীর অবেলায়, পূর্ণ হবো বলে ... ...
এই ইন্টারনেট হয়েছে এক আপদ বিশেষ। শ্রদ্ধা ওয়ালকরের হত্যারহস্যের তথাকথিত সমাধান এক দিনও হয়েছে কিনা সন্দেহ, এর মধ্যেই নেট খুলে চাররকম ব্যাখ্যা দেখে ফেললাম।১। লাভ জিহাদ। অ্যাদ্দিন শুনেছিলাম, হিন্দুর মেয়েকে 'তুলে নিয়ে' মুসলমান বানিয়ে ফেললে লাভ-জিহাদ হয়। এখন শুনলাম খুনও আছে প্যাকেজে। ২। নিচু জাতের মেয়েকে উচ্চ জাতের খুন। মুসলমান হোক আর যাইহোক, ছেলেটার পদবী তো পুনাওয়ালা। অতএব তারা উচ্চঘর, কংসরাজের বংশধর। ৩। ডেটিং অ্যাপের ফল বা পুঁজিবাদী অবক্ষয়। এখন নাকি পুরুষ এবং মহিলারা ডেট করে একে অপরকে খুন করছেন। যখন ডেটিং অ্যাপ ছিলনা, তখন কি তাহলে খুন হতনা, না এখন অনার কিলিং হয়না? কে জানে। ৪। নারীবিদ্বেষ এবং 'টক্সিক মাসকুলিনিটি'। এইটা তো ... ...
Amazing bikes on rent in Manali at discount price 40% off. The opportunity is for few days only book a bike on rent in Manali for more ফুঁ।
এবার অগাধ শীতঘুম-পার্বণেসব আত্তীকরন ছেড়ে পলাশ,মহুয়ার বনে;পর্ণ মোচীর পাতায় ঢেকে যাবে কুশীলবসারি সারি পিঁপড়ের কনভয় উঠে এসে-আঁতিপাতি করে খুঁজবে মানুষের মন আর শিরদাঁড়াহতাশ হয়ে মহুয়া গাছে উঠে যাবে মাতাল হবে বলে।এই নির্জনতা এতই নিখুঁত যে,কোনো সঙ্গীত চলে না সঙ্গমের শব্দ বা প্রসব বেদনা কোনো অনুভুতি জাগায় না।মৃত নক্ষত্রের আলো এসে পড়ে পলাশ-মহয়া'র ফুলশয্যায়তবুও পলাশ লাল থেকে নীল হয়আর ভেলা ভেসে থাকে দামোদরের ই জলে;-অনিবার্য এক শীতঘুমে যাবে বলে। ... ...
(১) মা এখন সব ভুলে যায়, বারবার একই কথা বলে, পেটভরে খেয়ে উঠে আধঘন্টা বাদেই ফিরে এসে বলে, এতো বেলা হয়ে গেল মণি, এখনো আমাকে খেতে দিলি না, কি তোর এতো কাজ রে যে দুপুরে একটু আমাকে টাইমে খেতে পর্যন্ত দিতে পারিস না?? কম্পিউটারের স্ক্রিন থেকে চোখ তুলে হাতে একটা চকোলেট বার দিয়ে বলি, আজ আর ভাত খেয়ে কাজ নেই, নাও চকোলেট খাও। অবাক হয়ে দেখি, কুঞ্চিত গালের কোণে খুশির টোল এখনো পাঁচ বছরের বালিকাটির ... ...
দুটি ঝুরোগল্প সান্ধ্য ভাষাতীব্র ধূপের গন্ধে শ্বাস আটকে আসছে। ইন্দুবালা জ্বেলেছে।সন্ধ্যা। ধোঁয়া।ল্যামিনেটেড সারদা মা,লাল পাড়।পাশে পরমহংস।অস্বস্তি।বারান্দায় বেরিয়ে আসে ইন্দুবালা। মাঘের শেষেও বেশ ঠাণ্ডা। চাদর ছাড়া এলো দাঁড়িয়ে আরাম হচ্ছে এখন।সন্ধ্যার নিয়ন ঘিরে বদনাম করছে মথগুলো।ট্রেন চলে গেল। ভোরবেলা ঘুমটা আচমকাই ভেঙে নাছোড়বান্দা স্বপ্নট। নির্জন গলিতে গড়িয়াহাটের ফুটপাতের প্লাস্টিক ফুলের মতো ফুটে আছে সাদা ফুল। ইন্দুবালা তাকিয়ে আছেন শুনশান ... ...
এখন ই এম বাইপাস দিয়ে গেলেই চোখে পরে জোর কদমে চলছে এয়ারপোর্ট নিউ গড়িয়া মেট্রো রেলওয়ের কাজ। এখানে ইষ্ট ওয়েষ্ট মেট্রোর মতো পাতাল খোড়াখুড়ি নেই। অনিচ্ছাকৃত ভাবে হলেও বৌবাজারের অনেক গৃহ হারা মানুষের বেদনা জাগানো নেই। মাটির উপরে কাজ হচ্ছে বেশ ঝড়ের গতিতে।আশা করা যায় কলকাতার পরিবহনের মুকুটে আরও একটি নতূন পালক যুক্ত হবে অচিরেই। সবচেয়ে যেটা চোখে পরে সেটা হচ্ছে এই নতূন মেট্রো পথের প্রস্তাবিত স্টেশন গুলি। একেবারে ঝা চকচকে পরিবেশের সাথে মানানসই আধুনিক মানের। কিন্তু যেটা বলার সেটা হচ্ছে স্টেশনের নামকরণ। এর আগে কলকাতা বাসী মেট্রো স্টেশনের মহানায়ক উত্তমকুমার কবি সুভাষ এই রকম নামকরণ দেখেছেন।অথচ কলকাতায় এইরকম নামের ... ...
সুজাতা জয়িতা ভট্টাচার্য নিজস্ব কামনাদের জড়িয়ে রেখেছি তোমার হাতের লালসুতোয়। শরীরের খাঁজে খাঁজে ইতিহাস লিখেছ স্পর্শের। আকাশ থেকে নেমে আসছে হারিয়ে যাওয়া ভাই-বোন, একটা গোটা শহর।ওরা নদীর জলে পা ডুবিয়ে বসে যেখানে মাছের মিছিল। কলমীলতা। আমার বিছানা জলময়, হাঁস হয়ে সাঁতরে আসি পাড়ে