এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • সংসারের স্পেস মিশন এবং পারমাণবিক দশা

    Surajit Dasgupta লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৯ নভেম্বর ২০২২ | ১৩৩ বার পঠিত
  • নতুন প্রজন্ম, দিশাহীন গড্ডালিকা প্রবাহে প্রবাহিত নতুন সমাজের প্রায় সব সদস্যই দীর্ঘদিন ধরেই নিজস্ব স্পেস চেয়ে আসছে। সংসারে বাবা, মা, ছেলে, মেয়ে প্রত্যেকে প্রত্যেকের কাছে স্পেস চাইছে। সংসারের অংশ বলেই বাকী জীবনটা সংসারের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত হতে হবে, এ দর্শন আমরা মানতে পারি না, আমাদের নিজস্ব স্পেস দরকার। সংসারের কর্তার নিজস্ব স্পেস চাই, কত্রীর নিজস্ব স্পেস চাই, পুচকে-পুচকে ছেলে-মেয়েগুলোরও নিজস্ব স্পেস চাই। ফলতঃ একই সংসারের মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চারটে সংসার। বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে কাউরির চিন্তা-ভাবনা বা মতামত মেলে না। কেউই অন্যজনের মত মেনে নিতে রাজী নয়, অন্যজনকে স্পেস ছেড়ে দিতে রাজী নয়। এ সমস্যা যে আগে ছিল না, তা একেবারেই নয়, কিন্তু কোনো একজায়গায় এসে আমরা অন্যের মত মেনে নিতাম, সংসারের স্বার্থে, একসাথে চলার স্বার্থে। তর্ক-বিতর্ক হলেও আমাদের স্পেসের মধ্যে অন্যের জায়গা ছিল। সকালে বাজারে বেড়িয়ে চায়ের দোকানে আড্ডা ছিল, অফিসের টিফিনে একসাথে চা-বিড়ি খাওয়া ছিল, অফিস থেকে ফিরে পাড়ার দোকানে সান্ধ্য-আড্ডা ছিল, রাতের খাবার সময় প্রত্যেক সদস্যদের একসাথে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক ছিল, ছুটির দিনে দুপুর বেলায় খাবার পাতে কচি পাঁঠার সাথে বাড়ীর সদস্যদের নির্ভেজাল আড্ডা ছিল। পুজোর পরে বা বাংলা নববর্ষে গুরুজনদের প্রণাম করার বা জানানোর প্রথা ছিল, রাস্তায় শিক্ষকদের সাথে দেখা হলে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার ইচ্ছে ছিল, বড়দের সাথে তর্ক করা অন্যায় ছিল, পুজোতে একই থান-কাপড় থেকে কেটে বাড়ীর সব ভাই-বোনদের একইরকম জামা-প্যান্ট বানানোর প্রথা ছিল, বিশ্বকর্মা পুজোয় ঘুড়ি ওড়ানোর অনুমতি ছিল, বাড়ীর অনুষ্ঠানে নুন-লেবু-জল পরিবেশনের দ্বায়িত্ব ছোটদের ছিল, প্রেম আর ধুম্রপানে গোপনীয়তা ছিল। মা-জ্যেঠিমাদের স্বর্গ বলতে ঠাকুরঘর আর রান্নাঘরকেই বুঝতে দেখেছি, কিন্তু সংসারের উন্নতিতে বা ছেলেপুলের বড় হওয়ার পেছনে তাঁদের অবদান কোনো অংশে কম ছিল না। তাঁরা নিজেরা পড়াশুনা না করে থাকতে পারেন বা কম পড়াশুনা করে থাকতে পারেন কিন্তু তাঁদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে আমরা কোনোদিন পড়াশুনায় ফাঁকি দিতে পারিনি। আবার সেইযুগে অনেক মা-জ্যেঠিমাকে দেখেছি চাকুরী করতে (সংখ্যাটা আজকের তুলনায় কম নিশ্চয়ই) কিন্তু তাঁদের নিজেদের হাতেই সংসার সামলাতে দেখেছি। আসলে সেইসময়ের সংসারে কাজ বন্টন করা থাকতো, ছেলেরা সংসার চালানোর জন্য অর্থ জোগাড় করবে, বাড়ীর বাইরের সকল কাজের দ্বায়িত্ব ছেলেদের, মেয়েদের দ্বায়িত্ব সংসার সামলানো, বয়স্কদের কাজ হাতে-হাতে সাহায্য করা আর নাতি-নাতনিদের সময় দেওয়া, ছোটদের কাজ পড়াশুনা করা। প্রান্তিক বা নিম্নবিত্তদের ক্ষেত্রে বন্টনব্যবস্থার কিছু অন্যরকম হতে পারে, আবার উচ্চবিত্তদের ক্ষেত্রেও হতে পারে, কিন্তু আমাদের সাধারণ মধ্যবিত্তদের ক্ষেত্রে এইরকম বন্টন ব্যবস্থাই ছিল। অনেকের মা-জ্যেঠিমা বা খুড়িমা চাকরী করলেও কিন্তু সংসারে তাঁর দ্বায়িত্ব তিনি নিজে সামলাতেন, তারপরে চাকরী করতেন। সেইসময়ের ধারণাটাই ছিল, সংসার শুরু করেছি মানে সকলে মিলে দ্বায়িত্বপালন করে সংসারটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ছোটদের বড় করে তুলতে হবে। বয়স্কদের দ্বায়িত্ব নিতে হবে। অনেক সংসারেই দেখেছি বিধবা পিসিমা বা অবিবাহিত কাকু/জ্যেঠু রয়েছেন এবং সংসারের অঙ্গ হয়েই, অপাংক্তেয় হয়ে নয়। কত যে যৌথ পরিবার দেখেছি আমরা তার ইয়ত্তা নেই।
    আবার সেই যৌথ পরিবারগুলো কালক্রমে দেখলাম ভাঙতে ভাঙতে একক পরিবারে পরিণত হয়েছে। কিন্তু কখন যে সেই একক পরিবারও আবার একই ছাদের নীচে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবারে ভেঙে গেল, তা আর টের পেলাম না। বিমান একদিন বললো, তার ছেলে তাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবে। রজত একদিন বললো, তার বৌমা চাকুরী করে বলে সংসারের কোনো কাজ করেনা, শ্বাশুড়ীকে এই বয়সেও সংসার সামলাতে হয়। অবিবাহিত সুজিত একদিন বললো, তার ভাইপো আর তার ভাইপো-বৌমা সংসারে তাকে অবাঞ্ছিত মনে করে। কাগজে একদিন পড়লাম, অর্থের জন্য বাবাকে খুন করেছে নিজের ছেলে। লেক গার্ডেন্সের একটি বৃদ্ধাশ্রমের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ে নতুন করে আবিষ্কার করলাম পূর্ণেন্দু আর সবিতাকে। বুঝলাম সংসারের অংশ হয়েও অযাচিত নিষ্পেশনের হাত থেকে বাঁচতে সবাই একক সংসার গড়ে তুলেছে। চেঁচিয়ে বলতে ইচ্ছে করলো, অযাচিত নিষ্পেষিত যদি হতেই হয় তবে সংসারে প্রবেশ করছো কেন তোমরা? ফল খেতে গেলে তো গাছের দ্বায়িত্ব নিতেই হয় বাবা। গাছের পরিচর্যা করবে না, গাছের গোঁড়ায় নিত্য জল দেবে না, সার দেবে না অথচ গাছ তোমাকে মিষ্টি মিষ্টি ফল উপহার দেবে, এইরকম গাছের কথা তো কোথাও পাইনি জীবনে। ছেলেমেয়েরা বাবা-মায়ের দ্বায়িত্ব না নিলে তারা বৃদ্ধ বয়সে কোথায় যাবে? স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও যদি নিজস্ব স্পেসের প্রয়োজন হয়ে পড়ে তবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার দরকার কি ছিল? আমি চলবো আমার ইচ্ছা অনুযায়ী, তোমার পছন্দ না হলে আমার দিকে তাকিও না - এই দৃষ্টিভঙ্গি সংসারে অচল। সংসারে বড়দের শাসন-স্নেহ থাকবে, ছোটদের দুস্টুমি থাকবে, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা থাকবে, স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস থাকবে, একসাথে পথ চলার অঙ্গীকার থাকবে, তবেই সেটা সংসার। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা তাদের নিজস্ব জগতের স্বাধীনতার নামে সংসার নামক প্রতিষ্ঠানের পরলৌকিক ক্রিয়াকর্ম সম্পন্ন করে ফেলছে।

    প্রতিটি সংসারেই এখন শোনা যাচ্ছে, আমার স্পেস-এ তুমি ঢুকবে না বা নাক গলাবে না। পুচকে ছেলে নেশা করে বাড়ী ফিরলে বাবা-মা কিছু বলতে গেলে বলছে, এটা আমার জগৎ, তোমাদের জগতে যেমন আমি নাক গলাই না তেমনি তোমরাও আমার জগতে নাক গলাবে না। স্বামী রাত করে বাড়ী ফেরার পরে স্ত্রী কোনো প্রশ্ন করলে বলছে, এটা আমার জগৎ। স্ত্রীর কোনো অনৈতিক কাজ দেখে স্বামী প্রশ্ন করলে বলছে, এটা আমার জগৎ। বাড়ীর বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে সবাই বলছে, এটা তাদের নিজস্ব জগৎ। বলতে পারছেন না কেবল সংসারের দাদু-দিদিমা, ঠাকুরদা-ঠাকুমা, যদি তাঁরা এখনও বৃদ্ধাশ্রমে না গিয়ে থাকেন। বৃদ্ধাশ্রমে থাকলে তাঁরা সেখানকার সকলের সাথে যৌথ সংসার গড়ে তুলেছেন আর অলক্ষ্যে চোখের জল ফেলছেন। আর সংসারে থাকলে সকলের সামনেই চোখের জল ফেলছেন কিন্তু কিছু বলতে পারছেন না। মরমে মরে রয়েছেন তাঁরা। এবার বলা দরকার স্পেস কথাটি সম্পর্কে। স্পেস কথার আভিধানিক অর্থ হলো, ঘর, ব্যবধান, শূন্য, সময়ের অংশ ইত্যাদি। বর্তমান প্রজন্ম কি চাইছে তাহলে? নিজস্ব ঘর না  নিজস্ব ব্যবধান না নিজস্ব শূন্য না নিজস্ব সময়ের অংশ? আবার সংসার শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো, জগৎ, পৃথিবী, ভব, ইহলোক, ইহজীবন, মর্ত্যলোক, গার্হস্থ্য ব্যাপার বা জীবন, ঘরকন্না, পরিবার, মায়ার বাধন ইত্যাদি। বৈদিক পরবর্তী যুগে আবার সংসার বলতে ইহজন্ম, পরজন্ম ইত্যাদি অনেক কিছু বোঝাতো। তবে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক অর্থ এক্ষেত্রে "গার্হস্থ্য ব্যাপার বা জীবন"। গার্হস্থ্য শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল "গৃহ, পরিবারে থাকা এবং গৃহীত হওয়া" বা "গৃহস্থ"। গার্হস্থ্য, হিন্দু বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার দ্বিতীয় স্তরকে বোঝায়। ব্রহ্মচর্য পরবর্তী জীবনের পর্যায় যা বিবাহিত জীবনকে মূর্ত করে এবং যার মধ্যে গৃহ রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবার লালনপালন করা, নিজের সন্তানদের শিক্ষিত করা, এবং পরিবার-কেন্দ্রিক ও ধর্মীয় সামাজিক জীবন পরিচালনা করা, গার্হস্থ্য পর্যায়ে যে কোনো ব্যক্তির করণীয় বোঝায়।হিন্দুধর্মের প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় গ্রন্থগুলিতে সমাজতাত্ত্বিক প্রেক্ষাপটে গার্হস্থ্য পর্যায়কে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করা হয়, কারণ এই পর্যায়ে মানুষ শুধুমাত্র পুণ্যময় জীবন অনুসরণ করে না, তারা খাদ্য ও সম্পদ উৎপাদন করে যা মানুষকে টিকিয়ে রাখে জীবনের অন্যান্য পর্যায়ে, সেইসাথে বংশধর সৃষ্টি হয় এই পর্যায়ে, যা মানবজাতিকে অব্যাহত রাখে। গার্হস্থ্যের পর্যায়টিকে ভারতীয় দর্শনে এমন হিসাবেও বিবেচনা করা হয়, যে পর্যায়ে মানুষের জীবনে সবচেয়ে তীব্র শারীরিক, যৌন, মানসিক, পেশাগত, সামাজিক ও বস্তুগত সংযুক্তি বিদ্যমান থাকে। সুতরাং আমরা সবাই সংসার বা গার্হস্থ্য সম্পর্কিত দার্শনিক এবং পৌরাণিক পথ থেকে বহুদূরে সরে গিয়েছি, এটা বলাই বাহুল্য। স্পেস শব্দের আক্ষরিক অর্থগুলোর মধ্যে ঘর ব্যাপারটা থাকলেও আমরা বেছে নিয়েছি ব্যবধান, শূন্য ইত্যাদি অর্থগুলোকে।  সংসার কোনোদিন গার্হস্থ্য বা গৃহস্থের মাপকাঠিগুলোকে পূরণ না করে হতে পারেনা। নিজস্ব জগৎ থাকবে নিশ্চয়ই, রবীন্দ্রনাথ, আশাপূর্ণা দেবী, বঙ্কিমচন্দ্র, বিভূতিভূষণ, মহাশ্বেতা দেবী প্রমুখ সকলেরই নিজস্ব জগৎ ছিল। তবেই তাঁরা এত কিছু সৃষ্টি করে গেছেন। কিন্তু তাঁরা সংসারকে বা গার্হস্থ্য জীবনকে অগ্রাহ্য করেছেন এইরকম কোনো ইতিহাস তো পাওয়া যায় না। বর্তমান প্রজন্মের নিজস্ব জগতের ব্যাখ্যার মধ্যে সৃষ্টিশীলতার স্থান প্রায় নেই বললেই চলে, বরং বলা যায় অবক্ষয় আর ধ্বংসের স্থান রয়েছে সেই জগতে। বই পড়ার অভ্যাস, বই কেনার অভ্যাস, ছবি আঁকার অভ্যাস, গান শেখা ও গান করার অভ্যাস, কবিতা লেখার অভ্যাস, গল্প লেখার অভ্যাস, আবৃত্তি করার অভ্যাস, বিতর্ক (debate) করার অভ্যাস, খেলাধুলার অভ্যাস বর্তমান প্রজন্মের তৈরী হচ্ছে না। আমাদের সময়ে বা তারও আগে এইগুলোকেই নিজস্ব জগৎ বলে ধরে নেওয়া হতো এবং গুরুজনেরা আমাদের এইসমস্ত জগতের রস আস্বাদনের জন্য উৎসাহিত করতেন। এই সমস্ত জগৎ কিন্তু বর্তমান প্রজন্মকে টানে না, তারা এই সমস্ত জগতে উৎসাহিত হওয়ার মতো কিছু খুঁজে পায় না। যুব প্রজন্মের মানসিক গঠন বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছে এবং সেই কারণেই সংসারের আণবিক গঠন ভেঙে ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন বেরিয়ে পড়েছে। নিশ্চয়ই তা একদিনে হয়নি, কয়েক দশক লেগেছে। বর্তমানে তা প্রকট হয়ে পড়েছে, আর লুকিয়ে রাখা যাচ্ছে না। সুশৃঙ্খলিত মানসিক গঠনই একমাত্র পারে আবার যুব সমাজের অবক্ষয় রোধ করতে আর সংসারের আণবিক গঠন ফিরিয়ে দিতে। এবং তা করতে গেলে সমস্ত শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার যে নীতি বা প্রক্রিয়া চালু রয়েছে বিগত কয়েক দশক ধরে, তা বন্ধ করে সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থার আশু পুনর্গঠন ও পুনর্জাগরণ প্রয়োজন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন