
ভাইফোঁটার স্মৃতির জোয়ারে চাপা পরে গেল ভাসানের গল্প. আমার ছোটবেলার সিঁথির গায়ে তখনো নকশাল আমলের দগদগে ঘা. বাঙ্গাল উদ্বাস্তুর সর্বহারানোর শেষে ফিরে-দাঁড়ানোর লড়াইতে সঙ্গী এপার বাংলার বিভিন্ন জেলার থেকে আসা মানুষেরা. কলকাতায় উড়তে থাকা সোনার টুকরো খপ করে ধরে ফেলার আশায় দিন কাটে তাদের. আজকের ধনাঢ্য সিঁথির নর্দমার জলে যে সোনার টুকরোর সন্ধান, সে দিন তখনো ভাবনার অতীত. এই নিতান্ত নিম্নবিত্ত - মধ্যবিত্ত আবহে দুর্গাপুজো হাতে গোনা. তাদেরও বিসর্জন সাড়া হত দশমীর রাতেই. নেহাতই কোন বড় গোছের পাঁজিগত সমস্যা হলে ... ...

স্টেশনের নাম নিশ্চিত পুর...ট্রেন টা রওনা দিয়েছে কিছুক্ষণ আগে...যারা এইমাত্র নামল, তারা সবাই ব্যস্ত-সমস্ত হয়ে বাড়ির দিকে পা বাড়িয়েছে...অমলীন কৈশোরের ভাঁজে ভাঁজে যে কুয়াশার ওম জড়ানো থাকে, সেই ওমে ভিজে আছে এই কনে দেখা আলোর মাঝে একা দুটি সমান্তরাল ট্রেন লাইন...এর ফাঁকে ফাঁকে এক ঝাঁক পায়রা উড়ে উড়ে বসছে, আবহমান কাল জুড়ে তারা খেলা করছে ওই ইস্পাতের লাইনজুড়ে...খুঁটে খুঁটে কি যেন খায় ওরা...পথচারীদের পায়ের শব্দে একবার উড়ে গেল, আবার এসে বসবে...যুবক ... ...

লেফট অ্যারো, ফার্স্ট ব্র্যাকেট ওপেন, কোটেশন মার্ক, ফার্স্ট ব্র্যাকেট ক্লোজ! আজ কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা। কাল থেকে ফিল্ম দেখানো শুরু হয়ে যাবে পুরোদমে। অনেক মানুষ আসবেন নিশ্চয়ই। চলচ্চিত্র উৎসবের ব্যানারে ছাপানো মমতা ব্যানার্জীর সুবিশাল ছবিগুলির নিচ দিয়ে নন্দনে ঢুকবেন চলচ্চিত্র সেলিব্রেট করতে। বার্গম্যান, মাজিদি, ফিলিপ নয়েস; সে এক দুধর্ষ ব্যাপার! মানুষ সেলিব্রেট করবেন চলচ্চিত্র, দুর্দান্ত সব আলোচনা হবে সিনেমার ভাষা সিনেমার রাজনীতি এইসব নিয়ে। মাঝে মাঝে মোবাইল বেজে উঠবে হলে, তবে সে ... ...

এসে গেল মিলনদার সাজেশন, অথবা কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে কী কী দেখিবেন না তার তালিকা। সকলের সুবিধার্থে সাজিয়ে দিলাম।সেন্টেনারি ট্রিবিউটঃ ইঙ্গমার বার্গম্যানের একগাদা পরিচিত ছবি দেখাচ্ছে। তবে প্রিন্টে যদি দেখায় তবে অবশ্যই দেখে নিন।অস্ট্রেলিয়ান সিনেমাঃ দুটি সেকশন রয়েছে। হালফিলের ছবির সঙ্গে আলাপ নেই। আইকনিক অজি ছবি নামে পুরনো ছবির যে বিভাগ সেখানে 'প্রিসিলা, কুইন অব দ্য ডেজার্ট', 'টেন ক্যানুজ' এর মতো নামকরা ছবি ছাড়াও দেখাচ্ছে আমার অত্যন্ত প্রিয় 'পিকনিক অ্যাট হ্যাঙ্গিং রক'। শেষ ছবিটি ... ...

সেই যে যখন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রোড দিয়ে টঙ টঙ ঘন্টা বাজিয়ে ট্রাম চলত ২৯ নম্বর, ৩১ নম্বর। উজ্জ্বল সবুজ গড়ের মাঠ ছুঁয়ে, গ্র্যান্ড হোটেলের সামনে বসা দোকানের ছোট ছোট দম দেওয়া গাড়ি, হাত পা ছোঁড়া পুতুল পাশ কাটিয়ে ব্রেবোর্ন রোড দিয়ে যাবার সময় বাগড়ি মার্কেটের উপচে আসা বাজির বাজারকে এক ঝলক টা টা করে হাওড়া ব্রীজ পেরিয়ে সোজা হাওড়া স্টেশান। সাবওয়ে তখনও তৈরী হচ্ছে, এক নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশ দিয়ে সোজা ঢুকে পড়া যেত। কালীপুজো আর ভাইফোঁটার মাঝের দিনটায় ৩/ডি ইন্দ্র রায় রোডের বাড়ির খুকীর হাত ধরে, খুকীর ... ...

গাছ |And I don't want the world to see meCoz I don't think they’d understandWhen everything’s meant to be broken,I just want you to know who I amক্যাফের দরজাটা খোলা মাত্র মাঝারি ভল্যুমে চালানো গান কানে ঝাপটা মারলো| রাজপুর রোডটা শেষ হওয়ার কিলোমিটার টাক আগে‚ ডান হাতে রামকৃষ্ণ মিশনটা ছাড়ালেই বাঁ দিকের নেমে যাওয়া রাস্তাটার মোড়েই এই ক্যাফে| ছিমছাম ও পরিপাটি| একটা দেওয়াল শুধুই কাঁচের হওয়ার ফলে‚ দিব্বি দেখা যায় সবুজে মোড়া পাহাড়ের সারি| সাথে উপরি পাওনা হিসেবে রয়ে ... ...

সকাল থেকে সন্ধে অবধি এক কাজের শহর থেকে ছুটির শহরে যাওয়ার ফাঁকে যা লেখা হ'ল তা এক জায়গায় থাক বরং......১কি লাভ বল তো ফুলে চিরকাল জরা আসেনদীবক্ষে চরার পাঁজরে কাঁচাপাকা ঘাস দোল খায়নিত্যস্নান হয়ে ওঠে না তার, দরজা জানলা নেইফাটা ঠোঁটে বিড়বিড় করে কবে সেই দেড়কুড়ি বছর আগে বাবুদের কলে ছানাপোনা জলটুকু চাকরীসূত্রে শহরেই গেছে চলে। কী লাভ বল তো ব্যবসায়ে, অনাদায়ী অনিচ্ছুক ঋণপালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়, পোকা ধরে প্রিয় বাদ্যযন্ত্রেমাঝে মধ্যে অকারণে খুশি হ' ... ...

ভূতচতুর্দশী অমিত বাড়িতে ঢুকে বাজারের ব্যাগটা নামিয়ে বারান্দায় বসল। এবার এক কাপ চা আর খবরের কাগজ। এই পুজো গন্ডার দিনে বাজার করা যে কি চাপের। এপার বাঙলার লোকজন কাল লক্ষীপুজো করবে। বাজারে ভীড় ভর্তি। আয়েশ করে চেয়ারে বসতে না বসতেই রান্নাঘর থেকে বাসন্তীর আর্তনাদ ভেসে আসে, "দাদা আ আ, চোদ্দ শাক কই?!!!"এই রে! তালেগোলে ওটাই তো ভুলে গেছি, ভাবে অমিত। বলে, " নেই রে। বাজারে নেই। সব জায়গায় ফ্ল্যাট উঠে গিয়ে আর শাক পাওয়া যায় না। তুই ওই ধনেপাতা চোদ্দটা নিয়ে নে না!"কোমরে হাত দিয়ে বাসন্তী বাইর ... ...

প্লেট থেকে একমুঠো ডালমুট তুলে মুখে ফেলে লালমোহনবাবু বললেন, "আচ্ছা মশাই, টিভিতে সিরিয়ালের জন্যে গপ্প লিখলে কীরকম পয়সা যায় বলুন তো?" গেল কবছর ধরে বাংলা ছবিতে একের পর এক গোয়েন্দা গল্পর আগমনে লালমোহনবাবুর মনে আশা ছিল যে ওনার গল্প নিয়েও ডিরেক্টরদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যাবে। কিন্তু এখনও অব্দি সেরকম কোন উৎসাহ না দেখায় লালমোহনবাবু বেশ মুষড়ে পড়েছেন। যদিও ওনার বইয়ের কাটতির কোন কমতি নেই। বছরের পর বছর পুজোর সময়ে একটা আর পয়লা বৈশাখ একটা করে বই বের করে চলেছেন। আর সেই বই বেরোতে না বেরোতেই ফুরিয়েও যায়। কোন বইয়ের ... ...

"এখনও সেই গাভীগুলি..গোচরণে ছড়ায় ধূলি...সখার সনে কোলাকুলি...রাখাল রাজেরে..""আমি জানি, আমার এই চিঠি তোমার কাছে পৌঁছবে না... তুমি এখন অনেক দূরে থাকো, হয়তো বিয়ে করে নিয়েছো...বছরখানেক আগে তোমার খবর পেয়েছিলাম, পেনসিলভানিয়া তে বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে তোমায় সম্মানিত করার হচ্ছে ! নিখিলেশ, আমি বলে বোঝাতে পারবো না, আমার ঠিক কি অনুভুতি হচ্ছিল তখন !!...আমায় কি তোমার মনে থাকবে, নিখিলেশ ? অবশ্যই মনে না রাখার কথা...এতো গুলো বছর কেটে গেছে ! তুমি তখন ফিজিক্সে honours, প্রেসিডেন্সির দাপুটে ছাত্র নেত ... ...

এক বন্ধুর কাছে শুনলাম আই.আই. টির এন্ট্রান্স টেস্ট নাকি পৃথিবীর কঠিনতম পরীক্ষাগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেই প্রসঙ্গে খানিক আলোচনা হলো বন্ধুদের সঙ্গে। কিছু তথ্য, ফিটজি ইত্যাদি সংস্থা, এম সি কিউ, বইপত্তর ইত্যাকার বিষয়ে খানিক খোঁজ নেওয়ার পর একটি আশ্চর্য তথ্য পেলাম। যেখান থেকে এই লেখা লিখতে প্ররোচিত হলাম।আই আই টির এন্ট্রান্স যারা ক্র্যাক করেন তাঁরা নিঃসন্দেহে প্রতিভাবান, তাঁদের অনেকেই বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হন, কেউ হন নামী সংস্থার সি ই ও, কেউ বা গবেষণায় সফল, বিশেষত পলিসি মেকিং এও তাঁদের ভূমিকা থাকবেই। ... ...

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামক অদ্ভুত দেশটার জন্ম হওয়ার পর সমস্ত পাকিস্তানের জনগণ যখন আবেগে ভেসে যাচ্ছিল নতুন একটা তরতাজা দেশ পেয়ে, বিশেষ করে এই দেশের পূর্ব অংশের বিপুল পরিমাণ মানুষের আনন্দের কোন সীমা ছিল না। কারন মূলত এই ভূখণ্ডের মানুষের আন্দোলনের চাওয়া পাওয়ার ফলে জন্ম নেয় পাকিস্তান নামক দেশটা। যদিও এর চেহারা ঠিক দেশের সংজ্ঞার সাথে যায় না, যদিও নিজেদের বড় একটা অংশকে ভিনদেশের সাথে রেখে আসতে হয়েছে তবুও এই জাতি খুশি ছিল। এই অংশের মানুষের কারনেই এই দেশটা জন্ম নিয়েছিল এই কথা বলা হচ্ছে কারন এই ভূখণ্ডের মান ... ...

আমাদের দেশের রাজনীতি পাঁচ হাজার বছরের হারাপ্পান কঙ্কালকেও রেহাই দেয় না। কবর থেকে তুলে নানা পরীক্ষানিরীক্ষার পর যেই দেখে পালে বাতাস লাগছে না, অমনি সব রিপোর্ট চেপে দেয়। ধর্মীয় প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার মরীয়া চেষ্টা অথবা দুর্বলের ওপর চূড়ান্ত অত্যাচার যে কোন ধর্মকে মৌলবাদী করে তোলে। সে দুর্বল সংখ্যালঘু অথবা দলিত হতে পারে, মেয়েরাও হতে পারে। আবার কোন সম্প্রদায়ের ওপর রাষ্ট্রীয় মদতে নামিয়ে আনা অত্যাচারও হতে পারে। পাঞ্জাবে বীরের জাত সুদর্শন শিখ নারীপুরুষের সান্নিধ্যে এবার ধর্মীয় ভারত দেখবো ... ...

আমাদের দেশের রাজনীতি পাঁচ হাজার বছরের হারাপ্পান কঙ্কালকেও রেহাই দেয় না। কবর থেকে তুলে নানা পরীক্ষানিরীক্ষার পর যেই দেখে পালে বাতাস লাগছে না, অমনি সব রিপোর্ট চেপে দেয়। ধর্মীয় প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার মরীয়া চেষ্টা অথবা দুর্বলের ওপর চূড়ান্ত অত্যাচার যে কোন ধর্মকে মৌলবাদী করে তোলে। সে দুর্বল সংখ্যালঘু অথবা দলিত হতে পারে, মেয়েরাও হতে পারে। আবার কোন সম্প্রদায়ের ওপর রাষ্ট্রীয় মদতে নামিয়ে আনা অত্যাচারও হতে পারে। পাঞ্জাবে বীরের জাত সুদর্শন শিখ নারীপুরুষের সান্নিধ্যে এবার ধর্মীয় ভারত দেখবো ... ...

#চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য বেশিরভাগ অটিস্টিক মানুষদের রেসপন্স একটু ধীরে হয়।মানুষের মস্তিষ্কের সিগন্যাল এর কাজটি সাধারণত আলোর গতিতে হয়ে থাকে।যেকোন কিছু কথোপকথন, ভাবের আদানপ্রদান বিদ্যুতের গতিতে করি আমরা নিজেদের অজান্তেই।যেমন আমরা ফোনে কথা বলি সেটাও তো আলোর গতিতে যায় তাই "হ্যালো" বলার সাথে সাথে উত্তর আসে, আলোচনা এগিয়ে চলে। একজন অটিস্টিক মানুষের ক্ষেত্রে সিগন্যাল গুলি মানে বাইরের জগতের সমস্ত কিছু স্পর্শ, গন্ধ,স্বাদ,শব্দ ইত্যাদির মাধ্যমে যাওয়া সিগন্যাল যদি যায় আলোর গতিত ... ...

ক্লাস সিক্স কি সেভেন তখন। মনের মধ্যে সাইকেল শেখার অদম্য ইচ্ছে। আমাদের সময়ে বাড়িতে আমাদের বয়সোপযোগী মানানসই ছোট সাইজের সাইকেল কিনে দেওয়ার খুব একটা চল ছিলো না। সমবয়সী ছেলেমেয়েদের দেখতাম বড়দের সাইকেল নিয়েই হাফ-প্যাডেলে পাড়া মাতাচ্ছে। আমার এক কাকার সাইকেল নিয়ে হাফ প্যাডেলে মকশো করতে শুরু করলাম। সাইকেল বা সাঁতার, দুটোতেই এই পদ্ধতি, শেখার জন্য অপরিহার্য। সাঁতারে জলে নেমে হাত পা ছোঁড়া, আর সাইক্লিং এর জন্য ডাঙায় দু চাকায় ব্যালেন্সিংয়ের কসরৎ।সাইকেলের তিনটি রডের মধ্যবর্তী 'ব' বা ডেল্টার মতো ফা ... ...

একতার দৌড়: রান ফর ইউনিটি রাজপথে প্রকান্ড কলরব শুনিয়া বাতায়ন হইতে মুন্ড বাহির করিয়া দেখিলাম অগণিত যুবক যুবতী শিশু কিশোর দৌড়াইতেছে। কোনও বিপদ উৎপন্ন হইয়াছে অনুমান করিয়া ত্বড়িৎগতিতে নীচে আসিলাম। দেখিলাম একদল মানুষ দৌড়াইতেছে। উহাদের চোখেমুখে ভীতি, চেহারায় শঙ্কার ছাপ প্রবল। উহাদের কাহারও মাথায় টুপি, কাহারও গলায় যোগচিহ্ণ। এই প্রানপণ দৌড়ের কারণ জিজ্ঞাসা করিতে কহিল, একতার জন্য দৌড়াইতেছি। যখন ভাবিতেছি কে এই একতা (কাপুর না কি?) তক্ষণি দেখিলাম উহাদের পশ্চাতে আরও এক লোক দৌড়াইতেছে। তাহাদে ... ...

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বিখ্যাত ও অতি জনপ্রিয় সাংবাদিক ছিলেন জামাল খাসোগি। ট্যুইটারে তাকে অনুসরণ করতেন ষোল লক্ষ মানুষ। ২ অক্টোবর কিছু ব্যক্তিগত কাগজপত্র নেবার জন্য তিনি তুরষ্কের সৌদি দূতাবাসে প্রবেশ করেন। তার পর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যায় নি। সন্দেহকে সত্যি প্রমাণ করে দু সপ্তাহ পর সৌদি শাসন অবশেষে স্বীকার করে নেয় যে খাসোগিকে দূতাবাসেই হত্যা করা হয়েছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষ বচসা ও হাতাহাতির ঘটনায় খাসোগির মৃত্যু হয়েছে - এই প্রাথমিক দাবি করলেও তা যে নির্লজ্জ মিথ্যা তার অনেক প্রমাণ প্রতিনিয়ত উঠে আসছে। এর মধ্ ... ...

আমাদের ছোটবেলায় স্কুলে বুক লিস্ট বলে একটা জিনিস দেওয়ার চল ছিল। বুক লিস্ট বা বইয়ের ফর্দ দেওয়ার পর স্কুলে কিছু সরকারি তথা দরকারি বই (যথা সহজ পাঠ, কিশলয়, গণিত মুকুল ইত্যাদি) ফ্রিতে পাওয়া যেত। টুকিটাকি বই কিনতে হত। এর মধ্যে বিশেষ করে মনে পড়ে 'জানা-অজানা' নামক বই। সে বইতে ভারতের রাষ্ট্রপতি, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের নামধাম থেকে শুরু করে, কতগুলি মহাদেশ, আসন্ন অলিম্পিকের লোগো, ইত্যাদি জানিয়ে দেওয়া হত। মনে রাখতে হবে তখন, আমাদের সেই ছেলেবেলায়, হাতের কাছে ইন্টারনেট, গুগল বা সিধুজ্যাঠা-কেউই নেই। কিন্তু, এই অ ... ...

বেশ কিছুদিন এই :লেখালিখি'র কচকচানিতে নিজেকে ঝালিয়ে নেওয়া হয়নি। নেওয়া হয়নি বলতে ইচ্ছে ছিল ষোল'র জায়গায় আঠারো আনা, এমনকি, যখন আমাদের জুমলাবাবু 'কচি' হতে হতে তেল-পয়সা সবাইকেই ডুগডুগি বাজিয়ে বুলেট ট্রেনে ওঠাচ্ছেন তখনও আমি 'ঝালিয়ে নেওয়া'র সুযোগকে কাঁচকলা দেখিয়ে ভেবেছি, 'কী যায় আসে! একদিন তো মরেই যাব!' তবে, আমরা হলাম গিয়ে হুজুগে বাঙালি, জুতো সেলাই মায় চণ্ডীপাঠ : স্পিরিটে-ইন্টেলেক্টে তিতলি। অগত্যা যেই মুহূর্তে জুমলাবাবুর চ্যালাচামুন্ডাগণ সদর্পে জানান দিয়েছেন 'গুরু পূজ্যতে' ব্যাপারটাকে কাটিয়ে দিলে 'জিও ... ...