
কতবার ভেবেছিনু আপন ভুলিয়া ... ...

জনগণেৱ ভোটাধিকাৱ প্ৰয়োগে সীমাবদ্ধ যৌক্তিকতা বা বাউন্ডেড ৱ্যাসনালিটি ত্বত্তেৱ ভূমিকা ... ...


সবাই নিজের নিজের মতো হালীম বানান তবে একটা ব্যাপারে সবাই একমত — হালীম অতি সামাজিক খাদ্য। এত পরিশ্রমলব্ধ প্রাপ্তি চট করে ফুরিয়ে যেতে দিতে ইচ্ছে হয় না। তাই এ রান্না ঠিক কম করে বানিয়ে শান্তি হয় না। উপকরণের অনুপাত বলতে ওই শস্য ও মাংস সমান সমান রাখা। বাকি সব স্বাদবোধ অনুযায়ী। তাই সবকিছু মেশানর শর্তসাপেক্ষেও প্রতিটি হালীম রান্না নিজস্ব স্বাদ গন্ধে আলাদা ও স্বয়ংসম্পূর্ণ। ... ...

"কী বুঝলি?" বিশেষ কাউকে উদ্দেশ্য না করেই জিজ্ঞেস করল অভিষেক। ফোন থেকে চোখ না তুলে সারাক্ষণ কী করে থাকে ছেলেটা! "বোঝাবুঝির ব্যাপার নেই," বলল তৃষা, "দেখতে হবে সোনা নিজে কী চাইছে।” "কী চাইছে মানে?" আমি বুঝলাম না। খোঁচা বলল, "ও চাইছে কাকিমা প্রেম করছেন কি না সেটা যেন আমরা জানার চেষ্টা করি।" "আমরা কী করে জানব? স্বর্ণালী নিজেই জানে না।" আমি বললাম। তৃষা কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, তার আগেই স্বর্ণালীর মোবাইল বেজে উঠল। আন্টি ফোন করছেন।তৃষা ফোনটা নিয়ে রান্নাঘরের দিকে চলে গেল। "নির্ঘাত দেরি করে ফিরবেন, ওইখানে যাবেন,” বিরক্তির সঙ্গে বললাম। খোঁচা বলল, "তোর তাতে কী প্রবলেম?" আমি রেগে গেলাম। "আমার কী প্রবলেম মানে? আমি স্বর্ণালীর প্রবলেমকে আমি নিজের প্রবলেম বলে মনে করছি, তাই আমার গায়ে লাগছে।" ... ...

উত্তরপ্রদেশে তৃপ্তা ত্যাগী বলে যে শিক্ষিকা এক মুসলমান ছাত্রকে ক্লাসরুমে সবার সামনে দাঁড় করিয়ে হিন্দু ছেলেদের দিয়ে চড় খাইয়েছেন, তার তাৎপর্য অনেক গভীর। ... ...



ছেলেটি ঘামছিল দরদর করে, মাঝে মাঝে রুমাল দিয়ে মুছে নিচ্ছিল মুখমন্ডল, সারা শরীর যেন ভেঙ্গে পড়ছে ক্লান্তিতে, তবু উঠার নামগন্ধ নেই। তার সামনে একটি টেবিল, একটি ল্যাপটপ, আর এক গাদা কাগজপত্র। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে এসেছিল, আর এই অজ পাঁড়াগায়ে বিদ্যুত পৌঁছুলেও খেয়াল খুশীমত সে আসা যাওয়া করতো, তাই যখন পাশেই রাখা বিশাল স্ট্যান্ড ফ্যানটা ঠায় দাঁড়িয়েছিল নির্বাক, নিঃশব্দ, সামনে-পেছনে-ডাইনে-বায়ে গোল হয়ে দাঁড়ানো প্রায় জনা ষাট-সত্তর মানুষ, তাদের মধ্যে ছেলে-বুড়ো-বউ-ঝি কেউই বাদ পড়েনি, একটুও কুন্ঠিত হচ্ছিল না, ব্যাপারটা তাদের এতটাই গা সওয়া - বরং তারা প্রবল আগ্রহ নিয়ে দেখছিল ছেলেটির কাজকর্ম, তাদের জন্য আজ এক বিষ্ময়ের দিন, আজ নাকি তাদের ব্যাংক হিসাব খোলা হবে! ... ...

নারীর কবিতা পৃথক হবেই ... ...

অনেকেই বলছে এইটা একটা নোংরা কাজ হয়েছে। খাওয়ানো তারপরে আবার ছবি তুলে ছেড়ে দেওয়া, খুব খারাপ কাজ হয়েছে। কোন সন্দেহ নাই, আসলেই ভাল কাজ হয়নি। কিন্তু আপনি কী চিন্তা করে এমন আন্দোলনের মধ্যে ডিবি পুলিশের সাথে খেতে বসে গেলেন? এর উত্তর কে দিবে? অনেকেই বলছে পুলিস হয়ত জোর করে খাইয়েছে! মানে পুলিশের ভয়ে তিনি খেতে বসেছেন। ধরেন এই আন্দোলনটা আওয়ামীলীগ করছে, মতিয়া চৌধুরী বা তোফায়েল আহমেদকে ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। এদের কাওকে ডিবি পুলিশ সোনারগাঁ হোটেল থেকে খাবার এনে আপ্যায়ন করে খাওয়াত পারত? অসম্ভব! এখানেই রাজনীতিতে পরিপক্বতার প্রসঙ্গ এসে যায়। যা বিএনপির ক্ষেত্রে পাওয়া মুশকিল। ক্যান্টনমেন্ট থেকে জন্ম নেওয়া একটা দলের ক্ষেত্রে এর চেয়ে ভাল আর কিছু আশা করা যায় না। ... ...

ৱ্যাগিং'এর শিকার হয়ে যাদবপুরে একটা বাচ্চা ছেলে মরে গেলো। তাই নিয়ে একদিকে রাজনীতি চলছে, আর একদিকে মিডিয়ার কুৎসিত মুনাফাবাজি ও বেআইনি ভাবে যার তার নামে তালিবানি প্রচার চলছে। সবকিছু দুদিন পরেই ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। মিডিয়া তখন নতুন একটা ইস্যুতে আবার মুনাফাবাজি করবে। কিন্তু সমাজের অনেক গভীরে লুকিয়ে রাখা এই বিষয়গুলো নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা কখনো হবেনা। ... ...

হ্যাঁ। যা ভাবছেন তাইই। ... ...

দ্যাশের কথা ... ...

বিদেশ থেকে কিনে আনা প্রেমিকা ... ...

মোটা ভাই ... ...

ফাঁদ, সত্যিকারের ... ...

ঘটনা ... ...

আমি যেন ঘোরের মধ্যে কাটালাম সময়টা! একের পর এক লোক নামছে, উঠছে, ছেলে-বুড়ো-মা-মেয়ে সব শ্রেণীর, সব পেশার, সব বয়সের মানুষ এত ছোট্র এক জায়গায় তীব্র গরমের মধ্যে ঠাসাঠাসি করে বসে থাকে, দাঁড়িয়ে থাকে, তবু লাগে না বড় কোন গোলমাল! এমন সুশৃঙ্খল যাত্রী বিশ্বের আর কোথায় আছে? ... ...

সাহায্যের নামে কাছের মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে ঢুকে পড়া ... ...