এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  বই

  • জার্নি টু লাসা এন্ড সেন্ট্রাল টিবেট – গ্রন্থ পরিচয় 

    Kishore Ghosal লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বই | ২৬ আগস্ট ২০২৩ | ৮৬২ বার পঠিত
  • আহিরণ | গল্পসল্প | জার্নি টু লাসা এন্ড সেন্ট্রাল টিবেট | পিতৃতর্পণ
    তিব্বত সম্বন্ধে অনেকের মতোই আমারও বহুদিনের কৌতূহল – কারণ কয়েকশ বছর ধরে চিন ছাড়া বিশ্বের সবার কাছেই দেশটি নিষিদ্ধ ছিল এবং রয়েছে। ছাত্রাবস্থার শেষ দিকে আমার হাতে আসে শ্রীযুক্ত শরৎচন্দ্র দাশের Journey to Lhasa and Central Tibet নামক কিংবদন্তি গ্রন্থটি। শুধু গ্রন্থটি নয়, এটির রচয়িতা শ্রীযুক্ত দাশও একজন কিংবদন্তী ব্যক্তিত্ব।

    তিনি একাধারে সংস্কৃত ও তিব্বতি ভাষায় সুপণ্ডিত, বৌদ্ধ শাস্ত্রে বিদগ্ধ, এবং মানুষ হিসেবে অত্যন্ত বিনয়ী ও সজ্জন, যে কারণে তিব্বতের ধর্মগুরুরা তাঁর তিব্বত ভ্রমণে সাদরে এবং সসম্মানে সহযোগিতা করেছিলেন। এই তিব্বত অভিযানে তাঁর ছদ্মবেশ ছিল “কা-চে-লামা” – অর্থাৎ কাশ্মীর থেকে আগত লামা। লাসার পোতালা প্রাসাদে মহালামা – আট বছরের বালক - তালে লামার দর্শন ও তাঁর আশীর্বাদী প্রসাদ লাভের বিরল সৌভাগ্যও তাঁর হয়েছিল। প্রায় চৌদ্দ মাসের অভিযান শেষে তিনি ভারতে ফিরেছিলেন, তিব্বতি ও সংস্কৃত ভাষায় লেখা প্রচুর পুঁথি ও পাণ্ডুলিপি নিয়ে। এই পুঁথিগুলি থেকে এদেশ থেকে হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন ভারতীয় পণ্ডিতদের লেখা বৌদ্ধ দর্শনের অনেক তথ্য মিলেছে। এছাড়াও তিনি আবিষ্কার করেছেন, সংস্কৃত ভাষায় লেখা কবি ক্ষেমেন্দ্র রচিত “অবদান কল্পলতা”, আচার্য শ্রী দণ্ডীর “কাব্যাদর্শ”, চন্দ্রগোমির “চন্দ্র ব্যাকরণ” এবং আচার্য অমির “সারস্বত ব্যাকরণ”-এর পুঁথি।    

    তবে বৌদ্ধ শাস্ত্র-চর্চা এবং বৌদ্ধ পুঁথি সংগ্রহই তাঁর এই তিব্বত ভ্রমণের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল না। তাঁর আরও উদ্দেশ্য ছিল বৃটিশ সরকারের হয়ে তিব্বত সম্পর্কে যথা সম্ভব তথ্য সংগ্রহ করা। সে দেশের শাসন ব্যবস্থা, বাণিজ্যনীতি, সামাজিক বিন্যাস, তিব্বতের প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক তথ্য। তিব্বতি সভ্যতার ইতিহাস। চিনের সঙ্গে তিব্বতের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্কের খুঁটিনাটি। এমনকি সার্ভেয়ার হিসেবে, তাঁর যাত্রা পথের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সহ route map তৈরি করা, কাঞ্চনজঙ্ঘার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশের অনেক অজ্ঞাত তথ্য সংগ্রহ এবং তিব্বতের পালতি সরোবরের সার্ভে সম্পাদন।

    প্রায় পঞ্চাশ বছর পরে সেই অমূল্য গ্রন্থখানির বাংলায় অনুবাদ হয়েছে দেখে, বইটি সংগ্রহ করার লোভ সামলাতে পারলাম না। তার কারণ, প্রথমতঃ অর্বাচীন ছাত্রাবস্থায় যে বইটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম, সেটিকে আরেকবার ঝালিয়ে নেওয়া। তাছাড়া সম্প্রতি প্রকাশিত আমার “ধর্মাধর্ম” গ্রন্থটি রচনার সময় – গৌতমবুদ্ধর জীবন ও তাঁর বাণী, সম্রাট ধর্মাশোকের ধর্মীয় আচরণ, তৎ-পরবর্তী বৌদ্ধদর্শনের বিবর্তন এবং মধ্য যুগের আগেই ভারতবর্ষ থেকে বৌদ্ধভাবনার অবলুপ্তি সম্পর্কে যৎকিঞ্চিৎ পরিচয়ের অবকাশ হয়েছিল। সেই পরিপ্রেক্ষীতে এই বঙ্গদেশের তন্ত্রধর্মের প্রভাবে বিবর্তিত বৌদ্ধধর্মের তিব্বতি শাখার ধর্মাচরণ - ঊণবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে কেমন ছিল? যেহেতু ছাত্রাবস্থায় এইদিকে দৃষ্টিপাত করার মতো ইতিহাস জ্ঞান আমার ছিল না, সেহেতু  আমার এই নব্য কৌতূহলটি দ্বিতীয় হলেও মুখ্য কারণ।

    শ্রীযুক্ত দাশ আমার এই কৌতূহল নিরসনে চেষ্টার ত্রুটি করেননি, অজস্র খণ্ড দৃশ্যে তিনি তিব্বতি ধর্ম ও সামাজিক আচরণের নানান চিত্র তুলে ধরেছেন, তার মধ্যে দুটি ঘটনার উল্লেখ করব- 
     
    ১. তাশিলুনপোতে চামনৃত্যের অনুষ্ঠান – অষ্টম শতাব্দীতে চাম নৃত্যের প্রচলন করেছিলেন পদ্মসম্ভব। এটি এক ধরনের মুখোশ নৃত্যের অনুষ্ঠান। প্রথমে এল ঈগলের মাথার মতো মুখোশ পরা বেশ কয়েকজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী, তাদের গায়ে বড়োবড়ো পকেট ওয়ালা জামা। এরপর এগিয়ে এল কালচে রঙের মুখোশধারী এক সন্ন্যাসী। এরপর চারজন রাজা বেরিয়ে এলেন চারটে প্রধান ফটক দিয়ে, পরনে তাঁদের জংলি পোশাক। তারপর এলেন ঈশ্বর-পুত্রেরা। পরনে তাঁদের সোনার সুতোর কাজ করা এবং দামি রত্ন-পাথর বসানো লম্বা আংরাখা। তাঁদের পিছনে এসে ঢুকল ভারতীয় রীতির আতসারারা। তাদের শ্যামল মুখমণ্ডল আর ঘনকৃষ্ণ দাড়ি, বিদঘুটে তাদের সাজপোশাক। তাদের দেখে দর্শকদের মধ্যে হাসির রোল উঠল। এরপর এল নরকের চার মাতব্বর – তাদের কঙ্কালের মতো পোশাক দর্শকদের মুখে স্পষ্ট মৃত্যু-ভয়ের ছাপ ফেলল। এরপর চাম নৃত্যের শেষ অনুষ্ঠান শয়তানের কুশপুত্তলিকা দহন। ভারতীয় পণ্ডিতদের তিব্বতে “আতসারা” বলে, শব্দটি সংস্কৃত “আচার্য” শব্দের সমার্থক। যে শয়তানের কুশপুত্তলিকা দহন করা হল, সেটি নাকি আতসারার প্রতীক। ভারতীয় বৌদ্ধদের ওপর হিন্দু পণ্ডিতদের অত্যাচারের স্মৃতিই কি এই নৃত্য পরম্পরায় ঢুকে পড়েছিল সেই অষ্টম শতাব্দী থেকে! (পৃ ১৬১-১৬৩)

    ২. তিব্বত ভ্রমণ কালে শ্রীযুক্ত দাশ একবার খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন – ধূম জ্বর আর কাশিতে তাঁর বেহাল অবস্থা। বহুজনের বহুবিধ টোটকা ওষুধে তাঁর নিরাময় হল না। জনৈক উচ্চস্তরের অবতার লামা (খ্যাব-গং - Khyab-gong) হলেন দোরজে ফাগমো। শ্রী দাশকে সুস্থ করে তুলতে, তিনি বহুবিধ চেষ্টা করলেন, কিন্তু সবই ব্যর্থ হল।  শেষে তিনি, “প্রাণ দেবতার তুষ্টি সাধন” নামক এক অনুষ্ঠান করার বিধান দিলেন, সে অনুষ্ঠানের আচারগুলি এরকম –
    ক. প্রথম পর্ব - বারোজন ভিক্ষু দুদিনে প্রজ্ঞাপারমিতার ৮০০০ শ্লোক পাঠ করবে।
    খ. এর পরের পর্ব – চা-গ্‌সুম। একটা সিধে তিনটে ভাগ করে – প্রথম অংশ উৎসর্গ হবে দশ মহেশ্বর, গ্যা-জিন (ইন্দ্রদেব), অগ্নিদেব, হাদিস, পবনদেব প্রমুখ দেবতাদের উদ্দেশে। দ্বিতীয় অংশ নিবেদিত হবে আত্মা-পরমাত্মাদের উদ্দেশে। আর তৃতীয় অংশ উপদেবতাদের।
    গ. তৃতীয় পর্ব - নির্দিষ্ট কোন এক জিনকে সন্তুষ্ট করতে হবে, যাতে পীড়িত ব্যক্তির গভীর ঘুম হয় এবং ভালো ভালো স্বপ্ন দেখে।
    ঘ. চতুর্থ পর্ব - ঈশ্বরের উদ্দেশে তর্পণের অনুষ্ঠান।
    ঙ. পঞ্চম পর্বে রোগীর একটা প্রতিকৃতি, সঙ্গে কাপড়চোপড়, খাদ্যসামগ্রী অর্ঘ্য দেওয়া হবে মৃত্যুর দেবতাকে। তাঁর কাছে মিনতি, তিনি যেন এই সব বস্তু-সামগ্রী গ্রহণ করে রোগীকে মুক্তি দেন।
    চ. ষষ্ঠ পর্বের নাম জীবন ফাঁকি – স্রোগ-স্লু,  অর্থাৎ বিভিন্ন প্রাণী যেমন মানুষ, জীবজন্তু আর বিশেষতঃ মাছের জীবন রক্ষা করা। তাতে নাকি মুমূর্ষুর আয়ু বাড়ে!
    শ্রীযুক্ত দাশ পাঁচশো মাছের জীবন রক্ষার জন্যে প্রতিশ্রুতি দেওয়াতে, খ্যাব-গং দোরজে ফাগমো তিন মাইল দূরের জেলে বস্তিতে গিয়ে পাঁচশ মাছ কিনে শ্রীদাসের সংকল্পে সেই সব মাছ নাকি জলে ছেড়ে দিয়েছিলেন! (পৃ ১৮৫-১৮৬)       
                     
    তবে গ্রন্থটি পাঠের পর গৌতম বুদ্ধ এবং সম্রাট অশোকের ধর্মোপদেশ থেকে এতটা বিচ্যুতি দেখে এতটুকু আশ্চর্য হই না। যেমন হই না উপনিষদের প্রজ্ঞা থেকে গোমাতার দুধে সোনা, গোবরে সর্বরোগহর মহৌষধ এবং গোমূত্রে ক্যানসারের প্রতিষেধক খুঁজে পাওয়ার কৃতিত্ব দেখে।

    পরিশেষে বলি, শ্রী রাজীবকুমারের অনুবাদ এতটাই অনাড়ম্বর ও সাবলীল যে, গ্রন্থটি একবার পড়তে শুরু করলে, আর ছাড়া যায় না, সায়েবি ভাষায় যাকে বলে unputdownable। অজস্র অপরিচিত তিব্বতি শব্দগুলির অর্থ ও ব্যাখ্যাগুলি বহু পরিশ্রমে তিনি আমাদের বোধগম্য করেছেন। আশা করি কৌতূহলি পাঠকের কাছে মূল গ্রন্থের মতোই, এই অনুবাদ গ্রন্থটিও একটি আকর গ্রন্থ হয়ে উঠবে।

    গ্রন্থঃ জার্নি টু লাসা এন্ড সেন্ট্রাল টিবেট - শরৎচন্দ্র দাশ
    অনুবাদঃ রাজীবকুমার সাহা
    প্রকাশকঃ একপর্ণিকা প্রকাশনী
    অনলাইন প্রাপ্তিঃ http://www.ekparnika.in

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    আহিরণ | গল্পসল্প | জার্নি টু লাসা এন্ড সেন্ট্রাল টিবেট | পিতৃতর্পণ
  • আলোচনা | ২৬ আগস্ট ২০২৩ | ৮৬২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • guru | 146.196.45.48 | ২৬ আগস্ট ২০২৩ ১০:০৫522958
  • কিশোরবাবু

    একেবারে স্মৃতির অতলে চলে যাওয়া একটি গ্রন্থকে তুলে আনার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

    আচ্ছা তিব্বত নিয়ে আমার নিজের একটি বই খুব ছোটবেলাতে অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ২১ বছর আগে পড়েছিলাম। বইটির নাম মনে আছে "নিষিদ্ধ দেশের ঘুম ভাঙছে"। এটি কোন লেখক বা প্রকাশনা এখন আর মনে নেই। আপনি কি বলতে পারবেন?

    "তবে গ্রন্থটি পাঠের পর গৌতম বুদ্ধ এবং সম্রাট অশোকের ধর্মোপদেশ থেকে এতটা বিচ্যুতি দেখে এতটুকু আশ্চর্য হই না"। এতে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই। তিব্বতের বৌদ্ধ ধর্ম বা চীন জাপানের বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে গৌতম বুদ্ধ এবং সম্রাট অশোকের ধর্মের মিল খোঁজাটাই বরঞ্চ ভুল ব্যাপার। ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয় বিভিন্ন দেশের প্রয়োজন ও স্থানীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী। গৌতম বুদ্ধ এবং সম্রাট অশোকের নিজের দেশেই বৌদ্ধ ধর্ম মৃত্যুমুখে পতিত হয় কিন্তু তিব্বত ও চীন জাপানে টিকে থাকে যেহেতু সেখানকার ধর্ম প্রচারকরা নিজেদের খুব তাড়াতাড়ি নিজেদের ধর্মকে গৌতম বুদ্ধ এবং সম্রাট অশোকের ধর্মোপদেশ এর কুপ্রভাব গুলো থেকে মুক্ত করতে পেরেছিলেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে যে ভারতীয় বৌদ্ধ ধর্ম মূলতঃ নারীর নির্বাণপ্রাপ্তি সমর্থন করেনা (যেকারণে জাতক কথাতে কোনো নারী জাতকের কথা নেই) কিন্তু চীনা ধর্মপ্রচারকরা প্রথমেই এই ভারতীয় কুসংস্কার থেকে নিজেদের দেশকে মুক্ত করেন ও নারী বোধিসত্ত্ব কুইংয়াং (বাংলাতে প্রজ্ঞাপারমিতা) কথা প্রচার করেন।
  • Kishore Ghosal | ২৬ আগস্ট ২০২৩ ১২:১১522960
  • গুরুবাবু, 
     
    "নিষিদ্ধ দেশের ঘুম ভাঙছে" বইটির লেখক সৌরিন সেন। আমিও পড়েছিলাম ও ছাত্রাবস্থাতেই। 
  • Supriyo Mondal | ২৬ আগস্ট ২০২৩ ১৯:০১522966
  • সৌরিন সেনের এটা ছাড়াও কিউবা নিয়ে একটা বই পড়েছিলাম, নামটা সম্ভবত "আখের স্বাদ নোনতা"
  • guru | 103.165.115.145 | ২৬ আগস্ট ২০২৩ ২৩:১১522971
  • @কিশোরবাবু সুপ্রিয়বাবু ,

    অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন। আরো এরকম বই সামনে আনতে থাকুন।
  • guru | 146.196.45.210 | ২৭ আগস্ট ২০২৩ ২২:০৩523012
  • @কিশোরবাবু,

    "তিব্বত সম্বন্ধে অনেকের মতোই আমারও বহুদিনের কৌতূহল – কারণ কয়েকশ বছর ধরে চিন ছাড়া বিশ্বের সবার কাছেই দেশটি নিষিদ্ধ ছিল এবং রয়েছে।"

    আমার একটি বড়ো কৌতুহলের জায়গা হচ্ছে যে "তিব্বত" এই নামটি কোন ভাষা থেকে এবং কিভাবে বাংলাতে এসেছে। চীনা ভাষাতে "তিব্বত" শব্দটির কোনো অস্তিত্বই নেই। যে জায়গাটি আমরা এখন তিব্বত বলি ওরা সেটিকে বলেন সিজাঙ ("pinyin Xizang যার বাংলায় আক্ষরিক অর্থ হতে পারে পূর্ব জাঙ। প্রসঙ্গতঃ অরুণাচল প্রদেশ বলতে আমরা যে স্থানটি বুঝি ওরা সেটিকে বলেন জাঙনান (pinyin zangnan যার বাংলায় আক্ষরিক অর্থ হতে পারে দক্ষিণ জাঙ)। এছাড়া তিব্বতি ভাষাতেও এই তিব্বত শব্দটি আছে বলে আমি জানিনা।

    শ্রীযুক্ত দাশ তার বইটিতে কি এবিষয়ে কিছু বলেছেন?
  • উইকিপিডিয়া | 117.194.78.158 | ২৮ আগস্ট ২০২৩ ২১:৪২523045
  • দেখে নিন,  আপনার কৌতূহল মিটে যাবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন