এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  খ্যাঁটন  খানাবন্দনা

  • হালীম যখন

    ফরিদা লেখকের গ্রাহক হোন
    খ্যাঁটন | খানাবন্দনা | ২৯ আগস্ট ২০২৩ | ১০০১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৩ জন)
  • গোটা গম হাফ কিলো, আর সব মেশানো ডাল হাফ কিলো কিনে রাখতে বলি গোবিন্দকে। এর বাইরে ভাবার মতো সময় থাকে না এখনকার কাজের চাপে। তখন শুধু মাথায় রাখার যে অফিস থেকে ছ'টার মধ্যে বেরোতে হবে, পট্টকে তুলতে হবে ওখলা স্টেশন থেকে। 

    ওখলা পখিরালয়ের মেট্রো স্টেশনের ব্রিজে উঠে দাঁড়াই। পড়াশোনা  শেষ করা যুগল কীসব গল্প করে একধারে। সূর্যাস্ত হ'তে তখনও দেরি আছে খানিক।  ব্রিজের রেলিঙের ছায়া বড় হ'তে শুরু করেছে।

     একটা ট্রেন আসে বটে, এটাতে  সে নেই। উল্টোদিকের ট্রেনও একটা যায় দিল্লি অভিমুখে। পরের ট্রেনে পট্ট পৌঁছয়। আর দেখা হয় না রেলিঙের ছায়া কতটা বড় হয়েছিল শেষ অবধি।

    জ্যামে আটকে, জ্যাম ছাড়িয়ে এক সময়ে মাংসর দোকানে পৌঁছই। সোওয়া কিলো মাংস নিয়ে অল্প চর্বিও দিতে বলি। 

    বাড়ি ফিরে সবার আগে সেই গম জলে ভেজাই। বেজায় ময়লা তাতে। ধুতে হয়, গমের খোসা, খড়ের টুকরো ইতস্তত ভেসে ওঠে। দু-তিনবার ধোয়ার পরে তার সহবত শিক্ষা হ'ল। ডালগুলো সে তুলনায় পরিষ্কার ছিল। তাও ধুই অভ্যাসে। তারাও ভিজতে থাকে সারারাত পাশাপাশি ডেকচিতে। মাংস প্যাকেট সমেত চালান গেল ফ্রিজারে। না, ডিপ ফ্রিজে নয়। সাধারণ ফ্রিজেরই ওপরের তাকে।

    খুব ভোরবেলা ঘুম ভাঙে এ সব ক্ষেত্রে নিজে থেকেই। এবারও অন্যথা নয়। চারটে পনেরো। গম খানিকটা ফুলেছে। ডালগুলো তো ডেকচি ভরিয়ে দিয়েছে। গম গুলোকে তিন ভাগে ভাগ করে মিক্সারের মাঝারি বাটিতে ঝাঁকি দিয়ে দিয়ে চালাই। একটানা চার পাঁচ সেকেন্ডের বেশি নয়। এতে গমগুলো ভেঙে যায়, অথচ আটা হয় না। সেই আধভাঙা গম আর ভেজানো ডাল একটা বড় পাঁচ লিটারের কুকারে বেশ খানিকটা জল আর এক খাবলা নুন নিয়ে বসাই। 

    মাংস বের করে পরিষ্কার কাপড়ে মুছে নিই। অন্য কুকারে খানিক নুন-হলুদ আর লঙ্কা গুড়ো দিয়ে ফুটন্ত জল ঢালি। হাতা দিয়ে নেড়ে কুকার চাপাই পাশের ওভেনে। 

    বাকি ফুটন্ত জলে চায়ের পাতা মিশিয়ে ভিজিয়ে চা খেতে খেতে শুনি দুই কুকারের গান। একবার বেজে উঠলে আঁচ একেবারে কমিয়ে দিই। ট্রেনের মতো কিছুক্ষণ পরপর সিটি ওঠে। মিনিট পনের রেখে গ্যাস বন্ধ করি। এখন বিরতি কিছুক্ষণের। 
    বড় বড় পাঁচটা পেঁয়াজ সরু লম্বা ফালি করে কেটে বাদামি করে ভাজি।  অনেকটা সময় যায় এতে। শেষদিকে আঁচ ঢিমে করি নয়ত সামলানো যায় না। কড়া থেকে খুন্তি দিয়ে নিখুঁত করে ভাজা পেঁয়াজ তুলতে পারে মা। আমি পুরোটা ছাকনির ওপর ঢেলে দিই। ওই তেল ফের কড়াইতে ঢেলে তাতে গোটা জিরে ফোড়ণ দিয়ে আদা রসুন বাটা দিয়ে কষাই। অল্প জল দিয়ে ঢিমে আঁচে নাড়ি যতক্ষণ না আদা রসুনের কাঁচা গন্ধ চলে দিয়ে তেল ছেড়ে দেয়। এতে মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে মাংস সেদ্ধর জল দিয়ে ফুটিয়ে নিই খানিক।

    বড় দুই ডেকচি বেরোয়। তাদের একটু সাফ করে নিয়ে বসাই উনুনে। আলো ফুটেছে ততক্ষণে। 
    বড় কুকারের ভেতর অত জল দেওয়া সত্ত্বেও গম আর ডাল সেদ্ধ হ'তে গিয়ে নিজেরা পুরোটা প্রায় এক মন্ড পাকিয়ে নিয়েছে। বেশি আঁচ থাকলে তলা ধরে যেত। সামান্য বাদামি রঙ দেখি তলায়। কালো হ'লেই চিত্তির। দু'টো ডেকচিতেই প্রায় দুই দুই চার লিটার জল দিয়ে সেই মন্ড দুই ভাগে করে দিই ডেকচিতে। প্রায় একশো গ্রাম মতো গোবিন্দভোগ চালও দেব ভেবেছিলাম ভেজাতে। রাতে মনে ছিল না। যাই হোক এখনই তা দিয়ে দিই দুই ডেকচিতে। 

    তারা গরম হ'তে হতে মাংসের কুকার খুলি। সেখানে জলের সমস্যা নেই। মাংস নিজেও জল ছেড়েছে। রানের হাড় থেকে মাংস খুলে খুলে এসেছে। চর্বি কিছুটা গলে গিয়ে ওপরে তেলের হালকা স্তর। 

    গম আর ডাল ফুটতে শুরু করে। গমটা না ভেঙে দি'লে এখন তারা বেশ ছোট ছোট বলের মতো ফুলে উঠত। এখন আস্তে আস্তে মিশ্রণের সান্দ্রতা বাড়িয়ে তারা নিজ অস্তিত্ব বিসর্জনে ব্যস্ত। একটা ডালকাঁটা আর একটা লম্বা গোল হাতা — এই দু'টো নিয়েই দুই ডেকচিতে বৈঠা মারার পালা শুরু ঠিক এখনই। 

    মাংস আর ঝোলও ভাগ করে দিয়ে দিই দুই ডেকচিতে। একসঙ্গে ফোটে সকালের আলোও। ফ্লাস্কে রাখা বাকি চায়ে চুমুকু দিতে থাকি কিন্তু নাড়া থামিয়ে বারান্দায় গিয়ে সিগারেট টানার অনুমতি ওরা দেয় না। 

    অনেকটা পথ পেরোতে হয়। শনিবার বলেই এ সময়টা পাওয়া গেছে। রেশমী ও পট্ট কেউই ন'টার আগে উঠবে না। রেখার আসার সময় সকাল আটটা সপ্তাহান্তে। 

    মিশ্রণ ঘন হয়ে আসে ক্রমশঃ।  হাতা দিয়ে বড় হাড়ের টুকরো তুলে আনি। হামানদিস্তায় তাদের ভেঙে, ফের ফের মিশিয়ে দিই হালীমের পাত্রে। যা পেঁয়াজ ভাজা হয়েছিল, তার অর্ধেকের কিছু বেশি মিশিয়ে দিই। সেই হালিমের পাত্রে এখন গম ডাল মাংস এমনকি জিরের দানাটি অবধি আলাদা পাওয়ার জো নেই। টগবগ করে নয়, মাঝে মাঝে বুড়বুড়ি কেটে ফোটে হালিম। ডেকচি থেকে হাতায় কিছুটা তুলে ঢেলে দিলে আস্তে আস্তে সিন্নির মতো পড়ে। শেষ দিকে সরু সরু সুতোর মতো — মাংসের ফাইবার।

    এতক্ষণ এতটা রান্নায় তেল ঘি কিছুই পড়ে নি। যখন প্রায় সবকিছু মিশে গেছে তখন একটা পাত্রে কিছুটা ঘি খুব গরম করে ছড়িয়ে দিই দুই হালীমের ডেকচিতে। ডালকাঁটা হাতা যুগপত চলে। সেই ঘি ও আর আলাদা করে খুঁজে পাওয়া যায় না হালীমে। 

    রেখা এর মধ্যে এসে বাসন মেজে ফেললে — ওকে ডেকচিতে হাতা ডালকাঁটা চালানো শিখিয়ে জিরোই বারান্দায়। 

    এ পদ্ধতির শুরু থাকে। শেষ নেই। যতক্ষণ হাত চলে ততক্ষণ রান্না করাই নাকি ভাল — এমনটা শুনেছি। তবে আমাকে ক্ষান্তি দিতে হয়। সকালের জলখাবার বানাতে প্রীতি আসে সকাল সাড়ে ন'টায়।

    পরিবেশনের সময় লম্বা সরু আদা ফালি, ভাজা পেঁয়াজ, সামান্য পাতি লেবুর রস আর ভাঙা কাজু দিয়ে গার্নিশ করলেই চলে। 

    আগে হালীম বেশ কয়েকবার বানিয়েছি। তবু বানানর আগে এখনও ইউটিউব খুলে দেখি কয়েকটা রেসিপি  আরও একবার "করাচী হালীম" দিয়ে সার্চ মেরে। চোস্ত উর্দু শুনতেও খাসা। সেখানে সবাই নিজের নিজের মতো হালীম বানান তবে একটা ব্যাপারে সবাই একমত — হালীম অতি সামাজিক খাদ্য। এত পরিশ্রমলব্ধ প্রাপ্তি চট করে ফুরিয়ে যেতে দিতে ইচ্ছে হয় না। তাই এ রান্না ঠিক কম করে বানিয়ে শান্তি হয় না। 

    এক কেজি মাংসের হালিম শেষ অবধি পাঁচ কিলো অবধি পৌঁছে যায় গম-ডাল ও সুপক্ক হওয়ার বাসনায় জল টেনে। প্রায় জ'না কুড়ি মানুষের পেট ভরানর মতো আয়োজন রুটি ভাত বা পরোটার সঙ্গে। 

    জমিয়ে খাওয়া হয়। আশেপাশের বন্ধুদের বিলোই। ভাইকে ডাকি রবিবারের লাঞ্চে। তাও যা বাকি থাকে তা ডিপ ফ্রিজে রাখা যায় মাস দুয়েক নিশ্চিন্তে।

    ঠিক রান্না নয় এটা কাজেই  নিখুঁত অনুপাত বলতে ওই শস্য ও মাংস সমান সমান রাখা। বাকি সব স্বাদবোধ অনুযায়ী। তাই সবকিছু মেশানর শর্তসাপেক্ষেও প্রতিটি হালীম রান্না নিজস্ব স্বাদ গন্ধে আলাদা ও স্বয়ংসম্পূর্ণ।  

    খানিকটা বেড়াতে যাওয়ার মতোই যেন অভিজ্ঞতা হালীম রান্নায়।  যেখানে অনেকক্ষণ ধরে  দৃশ্য, বর্ণ, গন্ধ, স্পর্শ অনুভূতি গুলো বদলাতে থাকে। শুধু, থামা চলে না মাঝরাস্তায়। 

    প্রতিবার হালীমের পরে অনেকটা হালকা লাগে নিজেকে। 

     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • খ্যাঁটন | ২৯ আগস্ট ২০২৩ | ১০০১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • hu | 24.53.190.120 | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ০০:৩৮523068
  • অতীব সুস্বাদু 
  • ইন্দ্রাণী | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ০১:০৬523069
  • চমৎকার লেখা। ভারি সুন্দর। গদ্যের ভাঁজে ভাঁজে সুঘ্রাণ আর নিমন্ত্রণের ডাক।
  • dc | 2401:4900:1f2b:bf1c:50d3:f861:8301:ed2e | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ০৭:৫০523073
  • হালিম বানানোর পদ্ধতি পড়তে খুব ভাল্লাগলো আর মনে হলো আমিও যদি এক বাটি পেতাম! :-)
  • kk | 2607:fb91:149f:50ef:c608:213d:32cd:96ea | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ০৮:০৯523074
  • ভারী উপাদেয় লেখা
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ১০:১৪523075
  • "প্রতিবার হালীমের পরে অনেকটা হালকা লাগে নিজেকে। " - হা হা, এইটে মোক্ষম হয়েছে।
    আমিষ ভাল লাগেনা। তাই হালীম নিয়ে সেই দিল-চসপি নেই। কিন্তু এই লেখাটি পড়তে অতীব সুস্বাদু লেগেছে এবং একটা হালীম-খাই ইচ্ছা জাগল। তারপর-ই অবশ্য স্মৃতি মৃদু হাসল, আমিও। 
  • :|: | 174.251.162.89 | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ১০:৪৪523076
  • ভেগান হালিম রেসিপিও আছে। সেটারও প্রেপ টাইম চার ঘন্টার ওপর দেখাচ্ছে। 
    কিন্তু খাবার জন্য এত পরিশ্রম! ধন্য ধন্য! কোনও দিনও করে উঠতে পারবো না। তারওপরে আবার এতখানি লেখা! প্রশংসার ভাষা নাই। 
  • সুদীপ্ত | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ১২:১৬523077
  • হালিম জিনিসটা একেবারে হামিনস্ত্! লেখা পড়ে দিল খুশ! খোশবাই এখানেও পৌঁছে গেল বুঝি!
    তবে হায়দ্রাবাদের মত (বাওয়ার্চি বা প্যারাডাইস বা পিস্তা হাউজ এমনকি পথের ধারের গজিয়ে ওঠা দোকান) হালিম এ-ভূভারতে আর খাই নি (লেখকেরটা সেই তালিকায় রাখিছি না, তবে চেখে না দেখালে..), ঐ এক মাস ধরে আপিস থেকে ফেরার পথে সন্ধ্যেবেলা এক প্লেট হালিম একেবারে নিয়ম হয়ে গিয়েছিল।
    কলকাতার হালিম অতি অখাদ্য! নেহাৎ বছর দুয়েক হল প্যারাডাইস এসে হালিম-এর কিছুটা হাল ধরেছে (বাকি মোগলাই খানা নয়, শুধু হালিম)।
  • dc | 2a02:26f7:d6c1:680d:0:a288:3325:7aa2 | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ১২:৩২523078
  • অর্থাত কিনা হালিম বানানোর জন্য আলাদা তালিম চাই। 
  • কালনিমে | 42.110.148.170 | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ২০:০২523084
  • অতি সুস্বাদু লেখা - কিন্তু পড়ে মনটা এই মুহূর্তে খুব হালুম হুলুম হালিম করছে - এখন কোথায় পাই?
  • মোহাম্মদ কাজী মামুন | ৩০ আগস্ট ২০২৩ ২৩:৪২523094
  • এ যেন একটা ভ্রমণ, এক আনন্দ যাত্রা। 
    ''যেখানে অনেকক্ষণ ধরে  দৃশ্য, বর্ণ, গন্ধ, স্পর্শ অনুভূতি গুলো বদলাতে থাকে। শুধু, থামা চলে না মাঝরাস্তায়। '' 
    মহাকাব্যিক!
  • ফরিদা | ৩১ আগস্ট ২০২৩ ০৭:০৮523100
  • আপনাদের সব্বাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এখানে মতামতে পাওয়া প্রতিটি শব্দ যেন উপহারের মোড়ক আবৃত। 
     
    নানান অছিলায় লেখালেখি র সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে গেছে আজকাল। সাদা স্ক্রিনে ফুটে ওঠা প্রিয় বাংলা অক্ষর যদিও অত্যন্ত প্রিয় তবু রুদ্ধ ভাবনার স্রোত তাকে সহজ করে তোলে না আজকাল সচরাচর। 
     
    যেমন এই লেখাতেই খেয়াল ছিল না গরম মশলা যোগ করার পর্বটি দিতে। গোটা গরম মশলা চাটুতে খানিক সেঁকে মিহি গুড়ো করে বড় চামচের এক চামচ দিয়েছিলাম রান্নার শেষদিকে ঘি দেওয়ার সময়ে। 
     
    সংশোধন, বলা ভাল এই সংযোজন  গ্রহণ করে বাধিত করবেন আশা রাখি। 
     
    ভালো থাকুন সব্বাই। 
  • শিবাংশু | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১০:০৩523176
  • গ্র‌্যান্ডো, গ্র‌্যান্ডো, 
    নজর এড়িয়ে গিয়েছিলো ,
    এখন হায়দরাবাদে আছি। কয়েকবার হালীম এলো বাড়িতে। আমি দুয়েকটি খাস খানসামার রসোইতে খেপ মেরে এর রাগালাপ দেখেছি। 'নুনেতে-ভাতেতে' দ্বিতীয় খণ্ডে তার কিস্যা পাবে। অতি উমদা পকওয়ান।  তোমার পেশকারিও লাজওয়াব। 
     
    তবে রাত চারটে পনেরোয় বাড়িতে মিক্সি চালানোর অনুমতি পেয়েছো তুমি। ক্যা খুশনসিব বন্দা হো তুম !!!  
  • ফরিদা | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৫:০৩523178
  • শিবাংশু দা, 
    ঠিকই বলেছ ব্রাহ্ম মুহূর্তে মিক্সি চালানর সুযোগ নেহাৎ কপালজোড়ে। শোওয়ার ঘরে রান্নাঘরের শব্দ পৌঁছয় না। 
    নচেৎ, এমত অনুমতি চাওয়ার কথাও ভাবি না প্রাণের দায়ে :) 
  • Kishore Ghosal | ১২ জানুয়ারি ২০২৪ ২২:৫৬527577
  • "মাত্র সাতদিনে এরোপ্লেন চালাতে শিখুন"-এর মতো "মাত্র পনের মিনিটে হালিম রাঁধুন" এমন কোন পদ্ধতি নেই? না থাকলে এই জীবনে আর রেঁধে খাওয়া হল না। 
     
    হায়দ্রাবাদের হালিম সত্যিই অনবদ্য।  হায়দ্রাবাদের পর কলকাতাতে কয়েকবার খেয়েছি - তেমন মনে ধরেনি।  আপনার লেখাতে স্বাদ না পেলেও গন্ধটা পেলাম।  
  • kk | 2607:fb91:87a:52eb:483c:ece2:b7bd:22f1 | ১২ জানুয়ারি ২০২৪ ২৩:৪১527578
  • কিশোর ঘোষাল,
    দেখুন, আমি হালিম রাঁধি স্লো কুকারে। তাতে আপনাকে খাটতে হবে পনেরো মিনিটেরও কম। তাও তো আমার হাজারটা লিমিটেশন আছে। মাংস চলবেনা, গম চলবেনা, হেনা তেনা। তবু খেতে মন্দ তো হয়না। শুধু ঐ স্লো কুকারটুকু কিনতে হবে এই যা। তা অমন ভালো খাবারের জন্য ঐটুকু নয় করলেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন