• হরিদাস পাল  বাকিসব  মোচ্ছব

  • নিজস্ব মারাদোনা

    ফরিদা লেখকের গ্রাহক হোন
    বাকিসব | মোচ্ছব | ২৬ নভেম্বর ২০২০ | ৬৫৫ বার পঠিত | ২ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ছোটবেলায়, স্কুলে পড়তে একবার বাড়ির কাছের এক ক্রিকেট অ্যাকাডেমি তে গিয়েছিলাম আমার ভাই আর আমি। স্কুলের সাদা প্যান্ট সাদা শার্ট ইউনিফর্ম ছিল - তাই পরেই। ওরা নতুন অ্যাকাডেমি খুলছিলেন ট্রায়ালে ডাকতেন - সেই সুবাদেই হয়ত। প্রথম দিনে ফরোয়ার্ড ডিফেন্সিভ শট শেখাচ্ছিলেন একজন। বল কোনখানে পিচ পড়লে এভাবে খেললে কিছুতেই আউট হওয়া যায় না,  ডানহাতি ব্যাটসম্যানের বাঁ কনুই কোথায় থাকবে, ডানহাতটা কতটা আলগা হয়ে সাপোর্ট দিয়ে থাকবে ব্যাটে - এইসব,  পরে আলগা ভাবে বললেন বল আর একটু তোমার সামনে পিচ করছে বুঝলে ঠিক এই শটটাতেই একটা ফলো থ্রু জুড়ে দিলেই এটা হয়ে যাবে কভার ড্রাইভ,  তবে সাবধান, ডান হাত যেন জোর না খাটায় এতে - তাহলেই কিন্তু বল উঠে যাবে - সেটা ঠিক নয়। 


                                                         

    অন্যান্য পার্থিব কারণে সেই অ্যাকাডেমির কোচিং সেই একদিনই ছিল আমার কাছে। কিন্তু পরে কিছুটা ফাঁক পেলেই আমার বাঁ-পায়ের ফুট দুয়েক সামনে বল পিচ পড়ত প্রায়ই, আর আমার স্টান্স থেকে থার্ড ম্যানের থেকে নেমে আসত ব্যাট, বাঁ পা চলে যেত বল যেখানে পিচ করতে চলেছে ঠিক তার পাশে আর ব্যাটটা আলতো দোলা দিয়ে বলটার সঙ্গে দেখা করত ঠিক হাফভলির গোধূলিতে - ফলে ব্যাট যখন পূর্ণ ফলো-থ্রু তে বাঁ কাঁধের ওপরে গিয়ে শেষ হচ্ছে - তখন অবধি ডান হাতের একটুও জোর পড়েনি সে ব্যাটে - সে শুধু আলগা ছুঁয়ে আছে ব্যাটের হাতল - আর কিছু দেখার নেই, বল মাটি কামড়ে বাউন্ডারির বাইরে সেটা চারপাশের দর্শকের মুগ্ধতাতেই সাফ বোঝা যাচ্ছে - এ কল্প-ক্রিকেট আমি এখনও খেলি।  ফুটবলও খেলি - গোলকিপিঙে - শেষ মুহূর্তে শ্যুটার বলের অভিমুখ বদলালেও যেদিকে ডাইভ দিচ্ছি তার অন্যদিকের বল কীভাবে শরীর মুচড়ে আঙুলের ছোঁয়ায় বাইরে পাঠাচ্ছি তার স্লো মোশন রিপ্লে চলত প্রায়শই, বিশেষত ফুটবল সীজনগুলোর গোড়ায়। 


                                              

    তবে গোল করার কথা কল্পনায় আসার সময়টাতেই চাক্ষুষ করেছিলাম দিয়াগো মারাদোনা কে। ফলে বিপক্ষের ডিফেন্স ঝাঁঝরা করে দিতে দিতে এবং একাধারে সেই যুদ্ধক্ষেত্রে ফুলগাছের কেয়ারি করে দিতে ওই বেঁটেখাটো মানুষটাই যথেষ্ট ছিলেন, সেখানে অনর্থক আর নিজেকে রাখার চেষ্টা কখনও করিনি আমি। 



     

    আমরা যারা ওই সময়ে ক্রমশ বড় হচ্ছিলাম, বাস্তবের সঙ্গে অনেকটা জুড়েই ছিল রূপকথারা। অনেকটা যেন এক স্বপ্নের মধ্যে থেকে সদ্য ঘুম ভাঙার সময়টার মতো। তিরাশির সেই জুনের মধ্যরাতে লর্ডসের মাঠে জেতা ক্রিকেট বিশ্বকাপ আর ছিয়াশির ফুটবল বিশ্বকাপের পুরোটাই এখন এত দূর থেকে স্বপ্নের মতো লাগে। তিরাশিতে যে আবেগ ও ভালোবাসা প্রিয় দলের সঙ্গে শুরুতেই ছিল, ছিয়াশিতে অবশ্য তা ছিল না।  ব্রাজিল-আর্জেন্টিনায় বিভক্ত মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল বন্ধুদের মধ্যে বিশ্বকাপের আসরে আমি বরাবরই ব্রাজিলের সমর্থক - তবু ওই একজন আমাকে দল বদলাতে বাধ্য করেছিল মাঝপথে - যা আজ অবধি আর কেউ পারেনি। 


                             

    তবে ছিয়াশির আর্জেন্টিনা দলের ওপর আগে থেকেই একটা দুর্বলতা যে ছিল না,  তা নয়। চুরাশির নেহেরু কাপে ওই দলের প্রায় পুরোটাই খেলে গিয়েছিল ইডেন গার্ডেন্সে। ভারত-আর্জেন্টিনার ম্যাচটা দেখেছিলাম দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের দিকের গোলপোস্টের ঠিক পিছনের গ্যালারিতে। সোনালি চুলের রিকার্ডো গারেকা খেলার শেষদিকে একটাই চান্স থেকে হাফ টার্ণে গোল করেছিল - ওই এক গোলেই হার। 


                   

    সেই পরিচিত নামেরা সবাই ছিয়াশির দলে খেলায় একটা পূর্ব পরিচিতি ছিল, তাতে যোগ দিলেন  দিয়াগো আর্মান্দো মারাদোনা।  গ্রুপ স্টেজের খেলাগুলোয় ওঁকে দেখে মনে হয়েছিল যেন ব্যান্ড-মাস্টার।  একটা জাদুকাঠি নিয়ে টিমটাকে চালিয়ে যাচ্ছে। বক্সের কাছাকাছি বল পেলে গোলও করছে অবলীলায়। দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচেও তাই। ছবিটা বদলালো কোয়ার্টার ফাইনালে। বিপক্ষ ইংল্যান্ড। ফকল্যান্ডের যুদ্ধ নিয়ে দুই দেশের কাছেই সে এক বিরাট মর্যাদার লড়াই। দুটো গোল হ'ল, দুটোই মনে রাখার মতো। প্রথমটায় ইংল্যান্ড বক্সে উড়ে আসা বল হেড করতে উঠল  মারাদোনা ও ইংল্যান্ড গোলরক্ষক পিটার শিলটন, পাঁচ ফুট পাঁচের মারাদোনা কীভাবে শিলটনের বাড়ানো হাতের নাগাল পেরিয়ে বল ছুঁলেন স্পষ্ট বোঝা যায় নি টিভিতে। পরে বলেছিলেন "A bit with the head of Maradona and another bit with the hand of God" এর অনেক পরে স্বীকার করেছিলেন  তার নিজের হাতও ছিল ওতে। কিন্তু অন্য গোলটি ছিল অপার্থিব। মেক্সিকোয় মাঝমাঠে একটা কালো সূর্যের ছায়া পড়ত - সেন্টার সার্কেলের কাছেই, সেখানেই বল পেয়ে একটা দ্রুত টার্ণ - আর বল তাতেই যেন ম্যাজিকের মতো তার পায়ে আটকে গেল চুম্বকের মতো, একে একে ডিফেন্ডাররা আসছে, পা চালাচ্ছে বেপরোয়া, তার মধ্যেই বল তাকে ছাড়ছে না আর সে অনায়াসে বলটাকে পৌঁছে দিয়েছে গোলে…. 


           ৷ 


    এ দৃশ্য ইচ্ছাপূরণের।  এ দৃশ্য আমরা যা যার মতো করে দেখি মনে মনে।  যাকে সারাদিন খাদানে কয়লা কাটতে হয়, যাকে দিনে অন্তত পঞ্চাশটা অঙ্ক কষতে হয়, যাকে দিনের শেষে পেমেন্ট নিয়ে তবে মুদির দোকানে তেল নুন চাল ডাল কিনে বাড়ি ফিরে রান্না চাপাতে হয় মুখ চেয়ে থাকা পরিজনদের জন্য - তাদের মতোই একজন আমিও কখনও না কখনও আকাশে দেখি মেঘ করল কি না, মেঘ করে এলেই তবে ক্ষীণ আশা জন্মায় রামধনু ফোটার। 


                         

    তবু মারাদোনা দিনের শেষে বিশ্বকাপ জেতার পরেও অন্যান্য তথাকথিত সাফল্যের গল্পের মতো হয় না কিছুতেই। রেকর্ডের খাতায় থাকে নব্বইয়ের ম্যাড়মেড়ে বিশ্বকাপেও ফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা যাতে মারাদোনার ম্যাজিকের চেয়েও বদলি গোলরক্ষক গাইকোচিয়ার পেনাল্টি আটকানোর কৃতিত্ব বেশি। 


               

    চুরানব্বইয়ের আসরে মারাদোনার বয়স তেত্রিশ। গ্রুপ স্টেজের দু'টো ম্যাচের পরেই ডোপ টেস্টে পজিটিভ আসার কারণে বিশ্বকাপ থেকে বহিস্কৃত।  সারা পৃথিবী উত্তাল সে খবরে। "প্রতারক" তকমা লাগিয়ে দেওয়া হ'ল তাকে। তকমা খুবই কাজের জিনিস, সহজ হয় চিহ্নিত করতে। এক কথায় বলে দেওয়া যায় - এ খারাপ, ও ভালো, ওর রুচি খারাপ, ওর মাথায় ছিট, গলাটা ষাঁড়ের মতো, তাছাড়া ও তো হাত দিয়ে গোলও করেছে….. 


                 

    না, হাত দিয়ে গোল তার নিন্দুকেরা করেনি নি, বলা ভালো, ওই জায়গা অবধি পৌঁছনর হিম্মত হয় না তাদের, হয়নি। আগুয়ান বিখ্যাত গোলকীপার পিটার শিলটনের মুখোমুখি দৌড়ে নিজের পাঁচ ফুট পাঁচের শরীর নিয়ে লাফ দিতে গেলে হাত নয়, লাগে দম। ধক। হিম্মত। তার নিন্দুকেরা যেন কখনও মাঝরাতের একা একা চলতে থাকা লাল সিগন্যাল দেখেবগাড়ি থামিয়ে দিয়েছেন বরাবর ধোয়া তুলসীপাতার মতো নিস্প্রাণ, অপ্রয়োজনে অসংখ্যবার।


                    

    মারাদোনা মাঠে নামলে বা মাঝমাঠেও বল পেলে কী করতে পারেন তা জানা ছিল মাঠের প্রতিটি ঘাসের, প্রত্যেক দর্শকের ছিল আকাঙ্ক্ষা ও আশঙ্কা - দলভেদে। তা আরও বেশি জানতেন তার বিপক্ষ দলের রক্ষণের খেলোয়াড়রা আর তাদের কোচ। কম মার খেয়েছেন তিনি? কীভাবে সেই সব রক্ষণের খেলোয়াড়দের পা চলত তা খুবই সহজে ফের দেখা যায় ইউটুইবের সৌজন্যে - আর কীভাবে সেই জোড়া পায়ের কড়া ট্যাকেল উপেক্ষা করতেন তিনি - কী অবলীলায় সেটাও তো দেখারই.. ওই চালানো পায়ের যে কোনও একটাতেই যে কারোর ফুটবল জীবন শেষ করে দেওয়া সম্ভাবনা ছিল।  তার মধ্যে থেকে বল নিয়ে এগিয়ে গোল করা বা ফাইনাল পাস বাড়াতে "হাত" লাগে না, লাগে দম। ধক। হিম্মত।


                           

    ফুটবল তো টিম গেম। এগারো জনের খেলা৷ বল দেওয়া নেওয়া করতে করতে বিপক্ষ বক্সের কাছাকাছি সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে চেষ্টা করা যাতে অভীষ্ট বা গোল লাভ হয়। দিনের শেষে আমরা সব্বাই তাই, আস্তে আস্তে পারিপার্শ্বিকের যতটা সাহায্য পাই তা নিয়ে চেষ্টা করি - কীভাবে একটু ভালো নম্বর আসে, কীভাবে একটা চাকরি বাগানো যায়, কীভাবে দাঁড় করানো যায় দোকানটা বা ছোট্ট ব্যবসা। কিছুটা এগোই, বাধা পেলে পিছিয়েও আসি - অন্যভাবে ফের চেষ্টা করি। জীবনটা তো বড় নব্বই মিনিটের চেয়ে। আর তখনই ইচ্ছাপূরণের মতো ছোটখাট অথচ গাট্টাগোট্টা চেহারার দৈত্যটা দেখায় - কীভাবে চোখে চোখ রাখতে হয় বিপক্ষের - কীভাবে নিজের পায়েও রাখতে হয় তীক্ষ্ণ নজর - কীভাবে এড়াতে হয় বিষাক্ত ছোবলের মতো জোড়া পায়ের ট্যাকল….  আর তখনই খেলাটা আর খেলায় আটকে থাকে না, জীবনের অংশ হয়ে যায়। আমরা যারা সেই সাহস দেখাতে পারিনি তারা তার খেলা দেখে নিজস্ব স্বপ্নে তাকে ছুঁতে চাই অথবা নিন্দুক হয়ে গলা ফাটাই - ও তো হাত দিয়ে গোল করে, ডোপ করে, কোকেন নেয়…

    "...  তাকে পারি না এড়াতে…."।


                

    এখানেই আমাকে জিতে নেন ফুটবল জাদুকর দিয়াগো আর্মান্দো মারাদোনা চিরকালের মতো। 




     

  • বিভাগ : বাকিসব | ২৬ নভেম্বর ২০২০ | ৬৫৫ বার পঠিত | ২ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
দরজা - gargi bhattacharya
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ফরিদা | ২৬ নভেম্বর ২০২০ ০৮:৪২100670
  • ...

  • গবু | 223.223.139.18 | ২৬ নভেম্বর ২০২০ ০৯:৩৩100671
  • ভালো লাগলো। সেই যে দিনগুলি... 

  • aranya | 2601:84:4600:5410:b9b2:aeba:aa95:66ca | ২৬ নভেম্বর ২০২০ ১১:১৮100673
  • সুন্দর 

  • ফরিদা | ২৭ নভেম্বর ২০২০ ০৭:১৪100695
  • গবু ও অরণ্য দা কে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ বাকি সব পাঠদেরও। 


    জানি এ লেখার প্রতিক্রিয়া হয় না সেভাবে, আমাদের সবার মধ্যেই একটা  বিশেষ জায়গায় চিরদিনের মতো থেকে যাবেন ফুটবলের রাজপুত্র।  তাকে নিয়ে কাঁটাছেড়া আগেও হয়েছে, পরেও হবে, তার আলপাটকা সোজাসাপটা কথা, তার স্পর্ধা, তার জীবনযাত্রা - ঠিক স্বাভাবিক তো নয়ই কখনও। তাই তাঁর জন্য চিরকালীন অন্য বিশেষ আসন - তাতেই ভালোবাসা, আর ঠিক সে কারণেই উষ্মা ও কাঁটাছেড়া করে সাধারণের স্তরে নামানোর প্রয়াস কিছু অংশের।


    এত অনায়াস লাগত খেলাটা - যখন মাঠে থাকতেন, ফুটবল মাঠ যেন শিল্পীর ক্যানভাস অথবা ব্যালে নাচের মঞ্চ। গোল বলটা যদি রঙ ছিটোতে পারত - ওই মুভগুলোতে কী যে আশ্চর্য ছবি তৈরি হ'ত ভাবতে চেষ্টা করি।  শিল্পী যখন আঁকেন তখন ক্যানভাসের ঘর্ষণ বাধা দেয় বলেই রঙ ফুটে ওঠে ওতে। সেই বাধাটুকুই তাড়না - যাতে তিনি ছবি না এঁকে থাকতে পারেন না - মারাদোনাও - যতদিন ক্ষমতার আস্ফালন থাকবে, যতদিন লম্বা লম্বা প্রতিষ্ঠানের ঔদ্ধত্য থাকবে ততদিন মারাদোনার মতো মায়েস্ট্রো অনায়াস ভঙ্গীতে তাদের মাটি ধরিয়ে গোল করে যাবেন - নাকের ডগা দিয়ে তুলে নেবেন বিশ্বকাপ - আর থুতু গিলে হাততালি দিতে হবে নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করা প্রতিষ্ঠান কে।  


    জানি না, পৃথিবীকে আর কী দিতে পারতেন - যদি বাঁচতেন আরও বিশ ত্রিশ বছর - এর থেকেও বেশি কষ্ট পেয়েছিলাম ৯৪ এর বিশ্বকপে ওঁর নির্বাসনের খবরে।  মনে হচ্ছে - এই ভালো, এভাবেই যাওয়া ভালো - সবকিছু তাচ্ছিল্য করে চুরুট মুখে একের পর এক টাকিলা শট খেতে খেতে গানের সুরে কোমর দোলাতে দোলাতে হঠাৎ একদিন - একদম মহানায়কোচিত.....

  • anandaB | 50.125.255.229 | ২৭ নভেম্বর ২০২০ ০৭:৩৫100696
  • লেখাটা খুব ভালো লেগেছে , কিছুটা স্মৃতিচারণ , কিছুটা মূল্যায়ণ আর অনেকটাই নিজের সাথে কথোপকথন , আমার যা মনে হল ,  আসলে এরকমই হয় 


    কোনো তুলনায় যাচ্ছি না , কিন্তু ওই খেলার মাঠে ছবি তৈরী করার কথায় আর একজন কে খুব মনে পড়ে , তিনি অবশ্য নিঃশব্দে অনেকদিন আগে চলে গেছেন ।..কৃশানু দে 


    এখনো মনে আছে আরারাত (খুব সম্ভবত তবে স্মৃতি বিশ্বাসঘাতক হতে পারে এতদিন বাদে ) , মাঝমাঠের ডানদিকে প্রথম বল স্পর্শ করার সাথে সাথে চার পাশের তিনজন জমি ধরে নিয়েছিল , একদম আক্ষরিক অর্থে


    গতজন্মের কথা মনে হয় এ সব 

  • b | 14.139.196.16 | ২৭ নভেম্বর ২০২০ ১০:৫৩100699
  • আরারাত নয়, পি এস ভি আইন্ডহোভেন 

  • anandaB | 50.125.255.229 | ২৭ নভেম্বর ২০২০ ১১:২২100701
  • ধন্যবাদ b

  • ফরিদা | ২৭ নভেম্বর ২০২০ ১১:২৬100702
  • মারাদোনা, কৃশাণু এরা সেই গোত্রের খেলোয়াড় যারা বিপক্ষ দলে থাকলেও মন কেড়ে নেন।  আদায় করে নেন সম্ভ্রম তাদের নিজস্ব শৈলীতে।


    মারাদোনা কে দেখার আগে আমি ব্রাজিলকেই সমর্থন করেছি। পরেও করেছি, কিন্তু ওই মানুষটা মাঠে থাকলে অন্য কাউকে সমর্থন করা যেত না। 


    একই কথা প্রযোজ্য কৃশাণুর ক্ষেত্রে। ও যখন মোহনবাগান থেকে ইস্টবেঙ্গলে গেল, তারপর যতদিন ও ছিল খোলা মনে মোহনবাগানের জন্য গলা ফাটাতে বেধেছিল আমার। 


    খুব কম মানুষই পারেন এমন। 

  • C.P. Ghosal | ২৭ নভেম্বর ২০২০ ১৬:২১100708
  • কতো বড়ো প্রতিভা হলে নিজের শেকল ছেঁড়া জীবন সেই জীবন ঘিরে নিন্দুকদের পাহাড় প্রমাণ কুৎসা--- এ সমস্ত কিছু পেরিয়ে পৃথিবী শুদ্ধু মানুষের ভালোবাসায় ভিজে রাজার মতো বিদায় নেওয়া যায়,তার একমাত্র নজির হয়ে রইলেন তিনি -- -- গোটা দুনিয়ার মানুষকে একই আবেগের ঢেউয়ে ভাসিয়ে....

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ০৮ ডিসেম্বর ২০২০ ২১:১৫101015
  • অতনুদার অনুভব (আনন্দবাজার) nan

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন