এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  বাকিসব  শোনা কথা

  • দিল্লি কী লাড্ডু না গাড্ডা?

    এস এস অরুন্ধতী লেখকের গ্রাহক হোন
    বাকিসব | শোনা কথা | ২৫ মার্চ ২০২৪ | ৩০৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • দিল্লির ‘শরাব ঘোটালা’ বলতে একটা ছবি আমার চোখে ভেসে উঠল।
    এসব ছবি অবশ্যি কোন রাজনৈতিক আলোচনা নয়, একটুকরো সামাজিক ছবি। 
    আমি সামান্য গৃহবধূ ওসব রাজনীতি ফিতি বুঝিও না  লিখিও না। এসব বিষয়ে আমি কঠিন ভাবে সার্‌ত্রর সূত্র মেনে চলি। তিনি নাকি কোথাও বলেছিলেন, মেয়েরা কোনদিন ভালো লিখতে পারবে না। কারণ তারা চৌমাথার মোড়ে দাঁড়িয়ে জনসমুদ্রকে অবলোকন করতে পারবে না। তা ভালো। মেয়েমানুষ চৌমাথায় দাঁড়িয়ে জনসমুদ্র দেখলেও তো আবার সমস্যা। সার্‌ত্রের দিন গিয়েছে, সেই জায়গায় এখন এসেছে ল্যাম্পপোস্ট আর নাচানাচিওলারা। তাঁরাও বলছেন, মেয়েরা আর কিছুই করবে না, মাঝেসাঝেই এদিক উদিক তাকিয়ে শাড়ি দিয়ে ঢেকে নেবে নিজেকে। 

    তা সে যাকগে যাক, আমি বছর আটেক আগেই, নিজেকে ভালো করে ঢাকাঢুকি দিয়ে মেয়েকে নিয়ে পালস পোলিও খাওয়াতে গেছিলাম। সে বাচ্চাও এমনি ত্যাঁদড় মুখে পোলিওর ওষুধ দিতেই থু  থু করে ফেলে দিলো। ব্যস, অমনি সেই স্বাস্থ্যকর্মী দিদি আর বাচ্চার মধ্যে এই  টানাটানি যুদ্ধ। এরি মধ্যে দেখি সেই ‘খণ্ডহরে’ মানে যেটা তখন একটা প্রাইমারি স্কুল, আমাদের পাশেই কাঁচুমাচু মুখে আরেকজন মহিলা দাঁড়িয়ে রয়েছে্ন। কাপড়ে হাতের মধ্যে কি একটা লুকনো। না  সম্মান টম্মান নয় কিছু একটা আঁকড়ে রয়েছেন। স্বাস্থ্যকর্মী দিদি আমার মেয়েকে ওষুধ খাইয়ে সেই মহিলাকে বললেন, “এসো তুমিও নিয়ে যাও।” 
    তো তিনি এগিয়ে এসে গোপাল মূর্তির মুখে দু ফোঁটা পালস পোলিও দিয়ে নিয়ে গেলেন। কর্মীদিদি বললেন, “এই হয়েছে জ্বালা। এ ঠাকুরকে পোলিও দেবে আর এর দেবরানী নিজের বাচ্চাকেও পোলিও খাওয়াতে আনবে না।”
    আমি বললাম, “কেন? আনবেনা কেন?”
    দিদি ঠোঁট উল্টে বললেন, এবারে তো বলল বাপের বাড়ি গেছে। আগের বার যা কাণ্ড!”
    দিদিকে আবার খোঁচাই, “আগের বার কি হয়েছে?”
    তারও আর পোলিওর খদ্দের নেই তখন। সে যা বলল, এই গোপালের মায়ের ছোট জায়ের বাচ্চাটি কয়েকদিন অস্বাভাবিক ঘুমাচ্ছিল। বছর আড়াই বয়সের বাচ্চা আগের বার পোলিওর ডেট মিস করতে দিদি ওকে বাড়িতে খাওয়াতে যায়। কিন্তু বাচ্চাকে ঘুম থেকে তুলতে পারেনা। আবার পরের দিন যায়, তখনো সে বাচ্চা ঘুমায়। দিদি ওর মাকে ডাক্তার দেখাতে বলেন।
    বাচ্চাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে তিনি বলেন, ‘বাচ্চা মদের নেশা করে।’
    বাচ্চার বাবা, মা আকাশ থেকে পড়ে। পড়ারই কথা আর কি! 
    বাড়িতে আসতে তার দাদী মানে ঠাকুমা জানায়, সে নাকি ঐ বাচ্চাকে দুধে গুলে মদ খাওয়ায়। তার ধারণা এতে বাচ্চা তন্দরুস্থ হবে। বাচ্চা ও মা তারপর থেকে মামার বাড়ি আছে।
    তা, এই গোপালের মা’র নিজের ছেলেটিও নাকি গেঁজেল। ইনি এখন তাই পুত্রভাবে গোপালসেবা করেন। 
    দিল্লির আম-পাবলিক এইরকমই খানিকটা। গোপালকে পোলিও, নাতিকে দুধ্মদ খাইয়ে, বাড়ি থেকে মামার বাড়ি ঘুরে বেঁচে থাকার ফ্যাব্রিকে বাস করে। কেজরিওয়াল দিল্লির জনগণের এই নাড়িটা খুব ভালো  বুঝেছিলেন।  
    আট বছর পর অবশ্য সেই খণ্ডহর প্রাথমিক ইস্কুলটি তিনতলা ঝা চকচকে হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মী দিদিরা মহল্লা ক্লিনিকে বসেন। এবং বাড়ি থেকে মামার বাড়ি যেতে বাসে মেয়েদের পয়সা লাগে না। আর ‘বিজলি হাফ/ পানি মাফ’ তো হয়েইছে।   
    এখন ‘কেজরি যখন বন্দী হইল/ কোন যে সেনার করে
             সিংহের মতো শৃঙ্খলগত / বাঁধি ল’য়ে গেল ধ’রে
                                                        দিল্লী নগর পরে।’

    তখন আবার আমি গল্পের আশায় বাইরে এদিক ওদিক দেখছি, শুনছি। মেয়েমানুষ হলেও বাইরে কাজ করতে তো আপত্তি নেই,  নাচানাচিরা বলেছে বাইরে খেটে এসে, ঘরেও খেটে দেবে তাহলেই হবে। বাজার, মাছ কিনে ফেরার পথে আম আদমি পার্টির ছোট অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছি। যদি কিছু গপ্পো মেলে। আম আদমি গল্পেই বাঁচে। কোন পার্টি যদি ভাবে তাদের দয়ায় মানুষের ভালো হবে, বাঁচবে খুবই ভুল করে। তারা যদি ভাবে সব বেচে দেবে তাও ভুল করবে। সব বেচা যায় না। মানুষের বেঁচে থাকার গল্প, কাহিনী বেচা যায়না।     
    হ্যাঁ, তা শোনা গেল কেউ বলছে, “শরাব কি ও একা খেত? সবাই খায়।”  
    কেউ বলছে, “শরাব খাবি খা, এতেও ভ্রষ্টাচার? শরাব খাওয়াটাই তো ভ্রষ্টাচার।” 
    একজনের মুখে একটা কথা এর মধ্যেই শুনলাম, “আ বয়েল মুঝে মার।”
    ওড়না মোড়া প্যাকেট থেকে মুখ বের করে বললুম, ‘এটা কি কেস?’ (দেখুন এর মধ্যে মম চিত্তের কথাটা আপনারা ভুলে গেলেও আমি ভুলিনি। মেয়েরা প্যাকেটে থাকুন।)      
    সে বলল, “আপ কো সমঝ নেহি আয়গা।”
    যাহ্‌ বাবা। প্যাকেটের মধ্য থেকেই কটাক্ষ ছাড়লুম। বললাম আরে, বলেনই না! আমি একজন ‘বাঙ্গালির মেয়ে জানে কালা যাদু’। আমরা সব বুঝি।
    তো এই শুনে, যাই হোক লোকটা বলল, দেখ এই কেজরি লোকটার দোষ গুণ যাই থাক, ইলেকটরাল বন্ড ফনড নিয়ে ত্যাত কিছু বলছিল না।লোকসভায় খুব একটা তেড়েমেড়ে লাগত কিনা জানিনা। কেজরির দল বিধানসভা, বিধানসভা খেলে বেড়ায়। এমন কি ওদের  'শিশুদিয়া' শিশুদের জন্য যত ভালোই করুক না কেন, তাকে আর অন্য অন্য বড় নেতাদের জেলে ভরলেও এরা ঝাঁপিয়ে পড়েনি। তাহলে বেকার কেজরিকে গ্রেপ্তার করে করলটা কী?”   
    আমি বললাম “কী?”
    লোকটা বলল, “ঐ, আ বয়েল মুঝে মার। এবার এরা বলবে কোর্ট, কেস, ফেস ছাড়, আমাদের ঘোটালা বড় না তোদের?  ঐ বন্ডের কথা তুলছে। কেজরির বিরুদ্ধে এমনিতেই প্রমান ফ্রমান কিস্যু নেই। বাচ্চাদের খেলার মত এ বলেছে, ও বলেছে এইসব। দিল্লিতে এমনিই যেখানে কমলাদল  চার পাঁচটা সিট জিতে নিত, সেখানে নিজেরাই নিজেদের খেল বিগড়ে দিল না? ঐ তোমাদের লেসার ইভিল, গ্রেটার ইভিলে কেসটা নিয়ে চলে গেল।  
    যাই হোক কেজরিওয়াল দিল্লিকে শক্তপোক্ত ইস্কুল ও সুবিন্যস্ত মদ ব্যবস্থা  দুইই দিয়েছেন, একথা ভুললে তো চলবে না।” 
    এইসব বলে লোকটা হিজ বিজ বিজ করতে করতে মাতালের মত হাঁটা দিল। আমিও বিস্কুট বিস্কুট বলতে বলতে হাঁটা দিলাম। 

    এখন বরং  আমরা চেয়ে থাকি, জেলফেরত কেজরিওয়ালের দিকে। 
    অন্তঃত তিনটি সম্ভাবনা নিয়ে তিনি জেলফেরত হতে পারেন।
    (১) ভারতীয় জনতা পারটির ওয়াশিংমেশিনে ধৌত হয়ে তিনি মৃগচর্ম পরিহিত কমলাসুন্দরী হয়ে ফিরলেন।
    (২) ঠিক যেমনটি আছেন তেমনটি মিচকে (উইটি) হয়েই ফিরলেন। 
    (৩) প্রধানমন্ত্রীর গদিটির এবার তিনি নিজেই সরাসরি দাবিদার হয়ে উঠলেন।
    দেখা যাক দিল্লি কা লাড্ডু কে খায়, কেই বা খাওয়ায়। 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • বাকিসব | ২৫ মার্চ ২০২৪ | ৩০৪ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    উংলি - Malay Roychoudhury
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • guru | 103.170.183.63 | ২৬ মার্চ ২০২৪ ১২:৩৬529814
  • লেখিকা খুব ভালোই লিখেছেন | আমার নিজের মত এব্যাপারে এই নিচের লেখাটির মতোই :
     
    Today many people in India are disappointed in the arrest of Delhi Chief Minister Arvind Kejriwal. Opposition leader Rahul Gandhi has said that Kejriwal’s arrest weeks before the general election is political victimization and pre-poll rigging by Prime Minister Narendra Modi. He perhaps forgot that Modi learned the art of rigging from his late father Rajiv Gandhi which he used in 1987 against Kashmiris in favour of Farooq Abdullah. Indian political parties remained silent on the fake cases and victimization against Dr Faktoo and many other Kashmiri leaders like Yasin Malik and Shabbir Shah who are imprisoned in the Tihar jail of Delhi.

    Now it is Kejriwal and Rahul Gandhi’s turn to face fake cases. Indian courts denied justice to Dr Faktoo and now they can do the same to Kejriwal. If the opponents of Modi believe in real democracy they must confess that rigging and injustice actually started in Kashmir and reached Delhi due to their criminality. The Indian opposition is rightly worried about the downfall of democracy but they cannot deny the fact that their silence on the plight of Kashmiri prisoners like Dr Faktoo and Yasin Malik encouraged Modi to treat his political opponents like criminals. It is time to speak not only for Kejriwal but also for Dr Faktoo and many other Kashmiri prisoners.
     
     
    লেখিকার এই লেখাটি নিয়ে মত জানতে পারলে ভালো লাগতো |
  • এস এস অরুন্ধতী | ২৬ মার্চ ২০২৪ ১৬:৪১529826
  • অবশ্যই উপরের বিষয়ের সঙ্গে একমত। বিষয়টি তো এই মুহূর্তে আর কেজরি বা আপ পার্টি বা মহাজোটের নয়।  একেবারে দেশের প্রজাতন্ত্র বা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিপদে এসে দাঁড়িয়েছে। আজ কেজরির পাশে না দাঁড়ালে কাল সাংবিধানিক অধিকারগুলির কি অবস্থা হবে কেউ জানেনা। 
    কিন্তু ঠিক এই কথাটি এইভাবে কেজরি নিজে কতটা ভেবেছিলেন জানা নেই। এরপূর্বে দিল্লিতে বিভিন্ন অন্যান্য মানুষের জেল (ডি ইউ এর বিশেষ ভাবে সক্ষম প্রফেসর), জে এন ইউ এর সঙ্কট এসব বিষয়ে দিল্লিতে সরকার চালানোর কারণে কিছুটা প্রতিবাদ করতেই পারতেন। এমনকি তাঁর নিজের দলের শিশদিইয়া সমেত অন্যান্য বড় নেতাদের গ্রেপ্তারীতে হিরণ্ময় নীরবতা বিস্ময় উদ্রেক করে। দিল্লির নতুন স্কুল ব্যবস্থার রূপকার কিন্তু শিশদিয়া। এই আট দশ বছরে সিসদিয়াকে দিল্লীর মানুষ ভুলবে না। কিন্তু তাঁর গ্রেফতারীতে তাঁর নিজের দলের স্ট্যান্ড কী ছিল?  অনেকদিন আগেই কী এই দলের রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করা উচিত ছিল না? না করে আমার মত ন্যাকা বড়বৌ সেজে ছিলেন। মানিয়ে গুছিয়ে রাশভারী শ্বশুরের সঙ্গে ননদ দেওরের সাথে নিয়ে সংসার চালিয়ে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য?                                                                       কিন্তু পরিস্থিতি এখন এসব আলোচনার নয়  এখন তাঁর বিরুদ্ধে যাই অভিযোগ থাকুক, তার বিচার  কোর্টে হোক। ভোটের মুখে তাঁর গ্রেপ্তারি চিন্তাজনক। সম্ভবত তাঁর বিরুদ্ধে কোন এফ আই আর নেই/ কোন চার্জশিট ও নেই।         
  • ☠️ | 2406:7400:63:ac12:21e2:904d:437c:76d5 | ২৬ মার্চ ২০২৪ ২৩:০৩529845
  • এই Faktoo আর ইয়াসিন মালিক ভারত বিরোধী টেররিস্ট | এখন মানুষ খুন আর ভারতের মাটিতে উগ্রপন্থি কাজ চালানোর জন্য কোর্ট এর রায় এ জেলে |
    দেখে অবাক লাগছে এদের সমর্থনে পোস্ট হচ্ছে আর কেউ কোনো উচ্চবাচ্চ করছে না | ব্যাপার টা সত্যিই অদ্ভুত আর হতাশা জনক  | এই নিক থেকেই আগে একবার একটা হামাসকে ইনডাইরেক্ট সাপোর্ট করে লেখা দেখেছিলাম  | 
    Ideological পার্থক্য থাকতেই পারে কিন্তু টেররিস্ট দের সমর্থনে পোস্ট আর তার প্রতি মৌন সম্মতি অস্বস্তিকর | জানি না পোস্টকর্তা অভারতীয় কিনা | যে দেশের ই হোন না কেন , টেররিস্ট দের সমর্থন মানা যায় না | 
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন