এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  রাজনীতি

  • রাষ্ট্রের নিশানায় অরুন্ধতী রায়

    সোমনাথ গুহ
    আলোচনা | রাজনীতি | ১৮ জুন ২০২৪ | ৬৬২ বার পঠিত | রেটিং ৪.৩ (৩ জন)

  • ছবি: রমিত চট্টোপাধ্যায়


    ২০১০ সালে অক্টোবরের শেষে বুকার পুরষ্কার জয়ী লেখিকা অরুন্ধতী রায়, যাঁর নন-ফিকশন লেখালেখি রাষ্ট্রের ঘুম কেড়ে নিয়েছে, কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। শরৎকালের কাশ্মীর, বাগিচা থেকে আপেল কুড়ানো শুরু হয়েছে, হালকা বরফ পড়ছে, দিনরাত আরও কনকনে, চিনারের রঙ সবুজ থেকে গাঢ় লাল হয়ে হলুদ হতে শুরু করেছে। শ্রীনগর থেকে শোপিয়ানের রাস্তায় সর্বত্র সেনা, আধা-সেনা। শোপিয়ানে লেখিকা শাকিল আহমেদ আহঙ্গারের সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন প্রায় এক বছর আগে যাঁর বাইশ বছরের স্ত্রী নিলোফার এবং সতেরো বছরের বোন আসিয়ার মৃত এবং বিকৃত দেহ একটি জলাধারের নিকটে পাওয়া গেছে। শাকিলের কাহিনী শুনে ফিরে আসার পথে এক সাংবাদিকের ফোন আসে এবং জানা যায় যে, দিল্লিতে একটি সভায় তাঁর বক্তব্যের কারণে সেই রাত্রেই লেখিকাকে গ্রেপ্তার করা হবে, ওয়ারেন্ট তৈরি হচ্ছে।

    অন্ধকার হয়ে গেছে, হাইওয়েতে গাড়ির গতি আরও দ্রুত হয়, লেখিকা শ্রীনগর ফিরে যাচ্ছেন। পেছন থেকে হুড়মুড় করে একপাল লোক নিয়ে একটি গাড়ি তাদের রাস্তা রোধ করে দাঁড়িয়ে পড়ে। বিপদের আঁচ করে অরুন্ধতী নিজেকে শক্ত করেন। এক প্রৌঢ় জানলা দিয়ে মুখ বাড়ান, তিনি আব্দুল হাই, নিলোফারের পিতা। কিছু যুবক গাড়িতে কয়েক ক্রেট আপেল ভরে দেন। আব্দুল তাঁর বাদামি ফিরানের গভীর পকেট থেকে একটি ডিম বার করে অরুন্ধতীর হাতের তালুতে দিয়ে আঙ্গুলগুলো সেটার ওপর ভাঁজ করে দেন। অন্য হাতের তালুতেও তিনি আরেকটি ডিম ভরে দেন, ‘ঈশ্বর তোমায় রক্ষা করুন,’ তিনি বলেন। দুটো ডিমই গরম, উষ্ণতার ছোঁয়া। সেই রাতে গ্রেপ্তারির কোন খবর নেই। দিল্লি ফেরার পর লেখিকার বাড়ির সামনে বিজেপির মহিলা শাখা বিক্ষোভ দেখায়, বজরঙ দল তাঁকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকি দেয়, সমস্ত টিভি চ্যানেল, যা পরবর্তি সময়ে চাটুকারবৃত্তির চরম নিদর্শন ‘গোদি’তে রূপান্তরিত হয়, ঘটনাবলি লাইভ সম্প্রচারণ করে।

    ২১শে অক্টোবর, ২০১০ দিল্লির এলটিজি অডিটোরিয়ামে ‘আজাদি দ্য ওনলি ওয়ে’ নামক আলোচনাসভায় অরুন্ধতী প্রধান বক্তা ছিলেন। সেখানে আরও যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা হলেন হুরিয়াত নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি, এসএআর গিলানি, প্রখ্যাত কবি ও সমাজকর্মী ভারভারা রাও এবং সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ কাশ্মীরের প্রাক্তন অধ্যাপক, শেখ সওকাত হুসেন। প্রথম দুজন ইতিমধ্যে প্রয়াত, ভারভারা রাও অসুস্থ, ভীমা কোরেগাঁও মামলায় জামিনে মুক্ত। সুশিল পন্ডিত নামে এক তথাকথিত সমাজসেবী ওই সভায় ‘প্ররোচনামূলক’ বক্তব্য রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এবং একটি এফআইআর দায়ের করেন। দীর্ঘ তেরো বছর বাদে দিল্লি পুলিশ ধারা ১৫৩এ, ১৫৩বি, ৫০৪, ৫০৫ এবং ইউএপিএ ধারা ১৩ অনুযায়ী লেখিকা এবং অধ্যাপক হুসেন কে অভিযুক্ত করেন। তখন দিল্লির লেফট্যানেন্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা শুধুমাত্র আইপিসির অধীনে ধারাগুলি মোতাবেক বিচার শুরু করার অনুমতি দেন। ২০২৪এ বিজেপি/এনডিএ সরকারের তৃতীয় অবতার ভূমিষ্ঠ হবার পর নতুন উদ্যমে গভর্নর, অভিযোগ যিনি বিভিন্ন সময়ে শাসকের ‘হ্যাচেট ম্যান’ হয়ে কাজ করেছেন, ইউএপিএ ধারায় তাঁদেরকে বিচার করার অনুমতি প্রদান করেন। অনেকের মতে এটা একটা আইনি বাধ্যবাধকতা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৮ ধারা অনুযায়ী যেহেতু তিন বছরের অধিক কোন অপরাধের বিচারের ওপর নিষেধ রয়েছে তাই ইউএপিএ ধারায় লেখিকাকে ফের কাঠগড়ায় টানার প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে।

    অরুন্ধতী এবং অধ্যাপক হুসেনের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ তাঁরা ‘প্ররোচনামূলক’ বক্তব্য রেখেছেন। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তথাকথিত এই প্ররোচনার কারণে কাশ্মীরে নতুন গণ্ডগোল সৃষ্টি হয়েছে, বা সন্ত্রাসবাদ আরও ব্যাপক হয়েছে, বা জঙ্গি আন্দোলন তীব্রতর হয়েছে এরকম কোন প্রমাণ নেই। তাহলে আজকে চোদ্দ বছর বাদে নতুন করে এঁদের ওপর সরকার কেন খড়্গহস্ত? এবারের সরকারে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, মনে করা হচ্ছে শরিকদের ওপর নির্ভর হবার কারণে মোদী ৩.০ দুর্বল, দ্বিধাগ্রস্ত। সরকার শুরুতেই এই ধারণাকে উচ্ছেদ করতে বদ্ধপরিকর। সেই জন্যই তারা শরিকদের একটিও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক দেয়নি, যারা মন্ত্রিত্ব বন্টনে অখুশি হয়েছে, যেমন এনসিপির অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী, তাদের কোন গুরুত্বই দেয়নি। একই রকম ভাবে তারা দমনপীড়ন চালিয়ে যেতে, যে কোন বিরোধী স্বরের কণ্ঠরোধ করতে বদ্ধপরিকর। ছত্তিসগড়ে ইতিমধ্যেই দুজন মুসলিম ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। জুন মাসের সাত ও পনেরো তারিখ অন্তত পনেরো জন আদিবাসীকে মাওবাদী অভিহিত করে ‘সংঘর্ষে’ হত্যা করা হয়েছে। এরপর চোদ্দ বছরের পুরানো ঘটনা খুঁচিয়ে তোলা হল; অর্থাৎ সরকার একই রকম ভাবে কঠোর, লক্ষ্যে অবিচল।

    বিরোধীদের দমন করার একটা বিশেষ কৌশল এই সরকার রপ্ত করেছে। তারা তাঁদের ভাষণের এক নির্দিষ্ট অংশ, পরিপ্রেক্ষিত ব্যতিরকে, তুলে ধরে তাঁকে রাষ্ট্রবিরোধী, দেশদ্রোহী ইত্যাদি তকমায় ভূষিত করে। তরুণ ছাত্রনেতা, গবেষক উমর খালিদকে ঠিক এভাবেই ফাঁসান হয়েছে। বিজেপি আইটি সেল রটিয়ে দেয় ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ভারতে এসেছিলেন তখন উমর না কি মানুষকে দলে দলে রাস্তায় নেমে আসতে বলেছিলেন, ট্রাম্পকে জানাতে বলেছিলেন ভারত সরকার দেশকে বিভাজিত করতে চাইছে, মহাত্মা গান্ধীর মূল্যবোধ ধ্বংস করতে চাইছে। টিভি চ্যানেলগুলিতেও এটাই প্রচার হয়। উমরের বক্তব্যের যে অংশটি সুচতুর ভাবে ছেঁটে দেওয়া হয় তা হলঃ আমরা হিংসার বিরোধিতা হিংসা দিয়ে করবো না, ঘৃণার বিরোধিতা ঘৃণা দিয়েও নয়। …… তারা লাঠি চালালে আমরা তেরঙ্গা তুলে ধরব, গুলি চালালে সংবিধান আঁকড়ে ধরব। আমাদের জেলে পাঠালে ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ গাইতে গাইতে চলে যাব।

    অরুন্ধতীর ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ২১শে অক্টোবরের ওই বক্তব্যে লেখিকা বলছেন ২০০৭ সালে শ্রীনগরের রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি শুনলাম, ‘নাঙ্গা ভুখা হিন্দুস্তান, জান সে পেয়ারা পাকিস্তান’; আমার মন ভেঙে গেল, কারণ আপনারই তো নাঙ্গা ভুখা হিন্দুস্তান, যদি আমরা একটা ন্যায্য সমাজের জন্য সংগ্রাম করি, তাহলে এই ক্ষমতাহীনরাই তো আমাদের সাথী। শুধু নিজের জন্য ন্যায় চাইলেই হবে না, পাশের মানুষটার জন্যও একই দাবী তুলতে হবে। এই যুক্তিতেই তিনি কাশ্মীরী পন্ডিতদের ওপর অত্যাচারের বিরোধিতা করেন, আওয়াজ তোলেন যে তাঁদের কাশ্মীরে ফিরে আসার সম্পূর্ণ অধিকার আছে।

    ইউএপিএ যে অতি মারাত্মক আইন, এটা নিয়ে বহু লেখালিখি হয়েছে, তথ্যের ভান্ডার গড়ে উঠেছে। এই আইনের অতি ক্ষতিকারক যে বিষয়টি অনেকের দৃষ্টি এড়িয়ে যায় তা হল এই আইনে জামিন পেলেও নিস্তার নেই। কারাগার থেকে মুক্তি পেলেও ইউএপিএর খাড়া মাথায় নিয়ে অতি সক্রিয় সমাজকর্মীরাও সামাজিক, রাজনৈতিক ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে বাধ্য হন। তাঁদের জামিনের শর্ত এতো কঠোর যে পুনরায় মানুষের জন্য কাজ করা অসম্ভব হয়ে যায়। ধরুন তাঁদের একটি বিশেষ এলাকার বাইরে যাওয়ার অনুমতি নেই, তাঁদের নিয়মিত স্থানীয় থানায় হাজিরা দিতে হয়, তাঁদের মোবাইল সেই থানার অফিসারের ফোনের সাথে লিঙ্ক করা থাকে, তাঁদের নিজেদের পেশায় সক্রিয় হওয়াও তাঁদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই কারণে যাঁরাই সম্প্রতি ইউএপিএ মামলায় জামিন পেয়ে কারাগারের বাইরে এসেছেন, তাঁরা মূলত নীরব জীবনযাপন করছেন। সরকার অরুন্ধতীকেও এই আতঙ্কের নাগপাশে বেঁধে ফেলতে চায়। সমস্ত রাজনৈতিক দলের ইউএপিএতে জামিনের পরবর্তি শর্তাবলী শিথিল করার দাবী তোলা আবশ্যক।

    কিন্তু অরুন্ধতী নাছোড়বান্দা, কোন আইন তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারবে কি না সন্দেহ। ২০১০এর ওই এফআইআরের পর তিনি কাশ্মীর নিয়ে আরও অনেক লিখেছেন। তিনি আজাদির প্রশ্নে একই রকম ভাবে সরব; ভারতের থেকে আজাদি নয়, ভারতের মধ্যে আজাদি; ক্ষুধা থেকে আজাদি, বৈষম্য থেকে আজাদি, ধর্মীয় এবং জাতপাতের নিপীড়ন থেকে আজাদি। আজাদি তাঁর কাছে, যেমন আরও বহু বহু মানুষের কাছে, শুধুমাত্র একটা দাবী নয়, আজাদি একটা সংগীত, একটা স্তব, একটা প্রার্থনা।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ১৮ জুন ২০২৪ | ৬৬২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Subhro Bhattacharyya | ১৯ জুন ২০২৪ ০০:১০533436
  • খবরটা আমার মত অনেকেই পড়েছেন এবং নিশ্চই নিজের মত করে ভাবতে বসেছেন এও কি সম্ভব ! আর যদি এরকম করা যায় তাহলে আরও কি কি করা সম্ভব ....
    আমার মনে হচ্ছিল যে এরপর তো  বাকস্বাধীনতা,  মত প্রকাশের স্বাধীনতা ইত্যাদির কোনও মানেই থাকে না। কোনও সিদ্ধান্ত বা ঘটনা নিয়ে মতামত কত্তাদের পছন্দ না হলেই তো ঘ্যাচাং ফু হতে বেশি সময় লাগবে না। এই দেশ-রাজ্য- পাড়া আগামী প্রজন্মের বাসযোগ্য রেখে যেতে পারব আমরা ? ...
  • hmm | 93.95.231.88 | ১৯ জুন ২০২৪ ০৭:১৫533454
  • জামিনের শর্ত তো দেখি সাভারকারের মতোই।
  • Sandipan Majumder | ১৯ জুন ২০২৪ ০৮:১৩533459
  • অনেক কিছু জালতে পারলাম। লেখককে  ধন্যবাদ।
  • দীপ | 2402:3a80:196b:cc57:678:5634:1232:5476 | ২০ জুন ২০২৪ ২০:৩৩533538
  • দীপ | 2402:3a80:196b:cc57:678:5634:1232:5476 | ২০ জুন ২০২৪ ২০:৩৭533539
  • ইনি বিস্মৃত হয়েছেন, ভারতের ইতিহাস ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু হয়নি, ভারতের ইতিহাস পাঁচ হাজার বছরেরও প্রাচীন। মৌর্য, গুপ্ত, মোগল ; প্রত্যেকটি শাসনকালে কাশ্মীর এঁদের সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।
    একটি মৌলবাদী শক্তিকে তোষণ করলে আরেকটি মৌলবাদী শক্তি উঠে আসে! 
    বিজেপি কেন উঠে আসে, বুঝতে কোনো কষ্ট হয়না!
  • JSL | 208.127.71.80 | ২০ জুন ২০২৪ ২১:২০533540
  • চাড্ডি হুশ চাড্ডি হুশ
  • ? | 2405:8100:8000:5ca1::f5:909e | ২১ জুন ২০২৪ ০০:০৪533545
  • দীপের কমেন্ট দেখলেই হুশ হুশ কেন? মৌচাকে ঢিল?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন