
যজ্ঞের সমস্ত উপচার, অনার্য দাসেরাই সংগ্রহ করে দেয়। যজ্ঞের বেদী নির্মাণ, বিপুল সমিধসম্ভার, তৈজসপত্র, ঘি, দুধ, শস্য, ফল-মূল সর্বত্র তাদেরই হাতের স্পর্শ। যজ্ঞ শেষে পুরোহিতরা দক্ষিণা হিসাবে তাদের ঘরে নিয়ে যায় যে বিপুল সম্পদ – সোনা, রূপো, সবৎসা-গাভী, অজস্র শস্য সম্ভার, ধাতব কিংবা মাটির পাত্র – সে সবই অনার্য বৈশ্য ও শূদ্রদের পরিশ্রমের উৎপাদন। অথচ তারা বুঝতেই পারে না, দেবতারা কারা। পুরোহিতরা কাদের জন্যে যজ্ঞ করছেন। যে মন্ত্র তাঁরা বলছেন, তার মধ্যে কোথাও কী আছে বিপুল এই অনার্য শ্রমের সামান্যতম স্বীকৃতি? কঠোর শ্রমের পরিবর্তে অসহায় তাৎপর্যহীন এই জীবন তাদের ঠেলে দিতে লাগল আরও নিরাশার দিকে। মনে মনে আকুল প্রার্থনায় তারা আরও বেশি করে মাথা কুটতে লাগল তাদের নিজস্ব দেবতাদের পায়ে। ... ...

[ প্রথম কেনা এই ফেকো মেশিনটি বসেছিল ডাক্তার মেহতার বাড়ির বৈঠকখানায়। মেশিন বসানোর পরে যখন ডাক্তার মেহতা এই মেশিনের একটা ম্যানুয়াল চাইলেন তখন তাদের কর্মকতা নাকি বলেছিলেন যে এ মেশিনে মাত্র চারখানা কানেকশন। তার জন্যে আবার ম্যানুয়াল কি হবে ? ১৯৮৮ তে তিনি উড়ে যান আমেরিকা যুক্তরাস্ট্রে ডাক্তার উইলিয়াম এফ ম্যালোনির কাছে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করতে। তারপর থেকে আর পেছনে তাকাননি ডাক্তার মেহতা। ভারতও অর্জন করল এই নতুন মেশিনটার সুবিধে।] ... ...

জ্ঞানী ব্যক্তিরা বলেন খেলাধুলোর সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই, থাকা উচিত নয়। কিন্তু এটাও তো সত্যি যুদ্ধ বাধানোর অপরাধে জার্মানি ১৯২৪, ১৯২৮, পশ্চিম জার্মানি ১৯৪৮ সালে, জাপান ১৯৪৮ সালে অলিম্পিকে যোগদানের অনুমতি পায় নি ; একই কারণে ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে জার্মানির দ্বার রুদ্ধ ছিল – একমাত্র বিশ্বকাপ যেখানে জার্মানি খেলেনি। রাশিয়ার আফঘানিস্তান দখলের প্রতিবাদে ১৯৮০র মস্কো অলিম্পিক বয়কট করে পশ্চিমের কিছু দেশ ; বদলা নিতে ওয়ারশ চুক্তির দেশ গুলি (ব্যতিক্রম রোমানিয়া) লস এঞ্জেলস অলিম্পিক বয়কট করে। ... ...



থাপ্পড়ের রকম ফের ... ...

ইতিহাস চর্চা করত করতে যদি মাথা ঝিমঝিম করে এবং ছাত্রজীবনের যত দুঃস্বপ্নের কথা মনে পড়ে যায় - তাহলে পড়ে ফেলুন "অচিনপুরের বালাই" - অচেনা মনের গোপন "খপর"ও তার কাছে ঠিক ধরা দেয়। ... ...



কুলদা রায়ের সাহিত্য নিয়ে একটি লাইভ আলোচনায় আমন্ত্রিত হয়ে কিছু কথা বলার সুযোগ হয়েছিল স্বয়ং লেখকের উপস্থিতিতে। তার থেকে অনেক বেশি কথা না বলা থেকে গিয়েছিল, সময় সংক্ষেপের কারণে। সেই বলা এবং না বলা কথা, যা ছিল ঐ আলোচনার একটি প্রস্তুতি পর্বের নোট, পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম। ... ...

প্রাচীনকাল থেকেই সম্মোহন বিদ্যা প্রচলিত রয়েছে মানব সমাজে। সেকালে এই বিদ্যাকে যাদুবিদ্যা, বশীকরণ বিদ্যা বা অলৌকিক ক্ষমতা বলে মানুষ বিশ্বাস করা হতো। অষ্টাদশ শতকে সম্মোহন বিদ্যার নামকরণ হয় ‘মেজমেরিজম’। অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরের ড. ফ্রাঞ্জ ফ্রেডরিখ অ্যানটন মেসমার সম্মোহন বিদ্যার চর্চা শুরু করেন। ফলে এর ব্যাপক প্রচার শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ‘মেজমেরিজম’। ... ...

হারানো স্মৃতি ... ...


বয়সের অনেক ফারাক থাকা স্বত্ত্বেও ভাবনায় এক হয়ে যাওয়া দুটো মানুষ আবারও মুম্বাইকে ঘিরে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে নিজ নিজ জগতে। ... ...

সেই হিসেবে দেখলে সুভাষ শেষ দিন পর্যন্ত মোটামুটি ফিট ছিলেন গড়পড়তা বাঙালির থেকে। তার পিছনেও ছিল বিধান রায়ের তৈরী করে দেওয়া ডায়াট চার্ট। বিধান রায় বুঝিয়েছিলেন যে সুভাষ যদি ওই সেনার পোষাক পরে ইমেজ গড়ে তুলতে চান, তাহলে নিজের ভুঁড়ির ব্যাপারটা কন্ট্রোলে রাখতে হবে। কারণ ভুঁড়িওলা যুদ্ধ সেনা প্রধান খুব এক দৃশ্য সুখকর নয়। বিধে-দার সেই পরামর্শ মেনে চলেছিলেন আজীবন সুভাষ। কেবল সেবারে এমিলি-র সাথে বিয়ের পর অষ্ট্রিয়াতে যে দুই মাস ছুটি কাটিয়ে এলেন তখন বেশ খানিকটা ওজন বেড়ে গিয়েছিল। ... ...

বাংলার নিজস্ব শাস্ত্রীয়সংগীতের ঘরানাটির সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের নাড়ির টান। যদুভট্টের শিক্ষা থেকে পালিয়ে বেড়ানো বালকটি কি নিজেও জানত, পরবর্তীতে তার গানে ছায়া ফেলে যাবে মল্লভূমের আকাশ? রবীন্দ্রসংগীতে বিষ্ণুপুর ঘরানার প্রভাবকে খুঁজে দেখাই এ লেখার উদ্দেশ্য। প্রসঙ্গত, লেখক নিজেও বিষ্ণুপুর ঘরানার শাস্ত্রীয়সংগীতে আজীবন শিক্ষিত। ... ...

আপনি চান আপনার হাজার ডলার। রাশিয়া বলছে দেবো না বলিনি, রুবেলে দেবো বলেছি। আপনি নেবেন না। অতএব আপনি বাজারে খোঁজ খবর করলেন। যে বন্ডের কাগজটি আপনি যক্ষের ধনের মতো আগলে রেখেছিলেন সেটা রাশিয়ানরা না হোক অন্য কেউ কি কিনবে? যাঁদের মারফত আপনি এই মহামূল্য বন্ডটি কিনেছিলেন সেই জে পি মরগান বা গোল্ডম্যান জাখসকে ফোন করলেন। অবশ্যই আপনার টাকা বাঁচল কি ডুবল তাতে এঁদের কিছু এসে যায় না। আপনি প্রাপ্ত বয়স্ক নিবেশক – চোখ খুলে, জান বুঝকে টাকা লাগিয়েছিলেন। এখন তাদের কাছে ঘ্যান ঘ্যান করলে তারা শুনবে কেন? তার মানে কি এঁরা হাত উলটে বসে থাকবেন? তা কখনো হয়? আপনি তাঁদের খদ্দের, খরিদ্দার প্রভুর সমান লেখা দেখেন নি কলকাতার দোকানে দোকানে? শ্যামবাজারে মায়ের সঙ্গে শাড়ি কিনতে গিয়ে কতবার দেখেছি। ... ...

এই দ্বিতীয় পর্বের প্রাককথায় বলেছিলাম, প্রতিটি উত্তরণ হল সভ্যতার অসীম সিঁড়ির এক একটি ধাপ। আমাদের সমাজের বেশ কিছু মানুষ এই পর্যায়ে এসে সভ্যতার অনেকগুলি ধাপ খুব দ্রুত পার হতে পেরেছিল, কিন্তু প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও রপ্তানির বাজার মন্দা হওয়ার কারণে, তারাই আবার বেশ খানিকটা পিছিয়ে দিল আমাদের সভ্যতার অগ্রগতি। ... ...

[ আমার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার পড়ে গেল সে ফাইলে। আর ফাইলের ওপরে মোটা কালো স্কেচ পেন দিয়ে লেখা হ’ল ‘Allergic to ……” সালফার। এই মামুলি অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন এর আগে আর কোথাও এত গুরুত্ব দিতে দেখিই নি। আর এই এ্যালার্জির কারণেই দেখি কতো পেশেন্টের কতো রকমের সমস্যা হ’তে।] ... ...

এইচ আই ভি সংক্রণ হলে এন্টি রেট্রোভাইরাল চিকিৎসায় সুস্হ স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায়। একবার এন্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপির ওষুধ চালু হলে যত অসুবিধাই হোক নির্দিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়। ... ...