এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বৈঠকি আড্ডায় ৭ ভোটাভুটি ও খরচাপাতি 

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ৩১ মার্চ ২০২৪ | ৫৬৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • ভোটাভুটি  ও খরচাপাতি

    একটি পারিবারিক আখ্যান

    প্রথম পর্ব

    মে ২০২২
     
    • তোমাকে কি তোমার মেয়ে  জানিয়েছে ?
    • কী ?
    • মায়া আমাদের ন্যাপহিল ওয়ার্ডের  কাউনসিল ভোটে দাঁড়াচ্ছে !
    • উনিশ বছর বয়েস , সামনে পরীক্ষা এই কি ভোটে দাঁড়ানোর সময়?
    • তোমার পাল্লায় পড়েই তো লিবারাল ডেমোক্র্যাট দলে নাম লিখিয়েছে , এবার সামলাও ।

    শুরুটা যখন হয়েছে ‘ তোমার মেয়ে’ দিয়ে , তখনই জানি ব্যাপার গোলমেলে। আমার কথা বলতে যখন আমার মা বাবাকে বলেছেন , ‘ তোমার ছেলে’  জানি কেস আমার বিপরীতে যাচ্ছে । এ বিষয়ে রোমানিয়ার কম্পিনা  আর বীরভূমের পদুমার  মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।  

    তবে এমতাবস্থায় প্রাথমিক ভাবে একটা কৈফিয়ত  দেওয়া প্রয়োজন।

    বহু বছর আগে একটি ব্যক্তিগত সমস্যায় ( ফৌজদারি নয় , নিতান্ত দেওয়ানি কেস) পড়ে কারো সাহায্য খুঁজছিলাম। এক ইংরেজ বন্ধু বললেন , তোমার স্থানীয় এম পিকে লেখোনা কেন?  তখন গোলডারস  গ্রিনে থাকি, মারগারেট থ্যাচারের পাশের কেন্দ্র , ইহুদি প্রধান, পাক্কা কনজারভেটিভ এলাকা । আমার টোরি এম পি কে লিখলাম, জবাব পেলাম না , লেবার পার্টি অফিস থেকেও কেউ পাত্তা দিলো না।  চমৎকার ইংরেজ ভাঁওতার সঙ্গে আমার পরিচয়  আছে যা এইসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: “ইয়োর ম্যাটার ইজ রিসিভিং আওয়ার অ্যাটেনশন “  যার অর্থ আপনার চিঠি পেয়েছি কিন্তু আমাদের অন্য কাজ কর্ম আছে।  আপনি আপাতত নিরালায় বসে মালা জপ করতে থাকুন।

    এ পাড়ায় লিবারাল ডেমোক্র্যাট পার্টির তেমন পশার নেই তবু ভাবলাম অন্য দু দলকে লিখে কোন জবাব পেলাম না ; ওই একই চিঠি শুধু প্রাপকের নাম বদলে দিয়ে এদের পাঠাই;  বাইশ পয়সা ডাক টিকিট মাত্র খরচা।

    দিন দশেকের ভেতরে হাউস অফ লরডসের লেটার হেডে লেখা একটি চিঠি পেলাম, লিখেছেন লর্ড রাসেল (লরড বারট্রানড রাসেলের নাতি ,  লিব ডেম দল সমর্থিত  লর্ড)  । আমার কেসটা তিনি সঠিক জায়গায় পাঠিয়েছেন এবং মনে করেন খুব শিগগির আদালত তার শুনানির তারিখ দিতে সক্ষম হবে । আরেক সপ্তাহ বাদে সেটিও এলো। 

    কৃতজ্ঞতায় অভিভূত হয়ে আমি লিবারাল ডেমোক্র্যাট দলের খাতায় নাম লেখাই (  সদস্যপদ সংখ্যা ৭৫৬১৭২৫, সাল ১৯৯২  )। ব্যাঙ্কের কাজে তখন ভীষণ ব্যস্ত থাকতাম, পাড়ার নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত দেখা  সাক্ষাতের প্রশ্নই ওঠে না – যে কয়েকটা মিটিঙে গেছি, মানুষ জনকে ভালো লেগেছে;  বেশির ভাগ ডাক্তার উকিল , প্রফেশনাল । যথা সময়ে বাৎসরিক চাঁদাটুকু পাঠিয়েছি । গোলডারস  গ্রিন ছেড়ে চলে যাচ্ছি জেনে তাঁরা সারের অফিসকে খবর এত্তেলা করেছিলেন নির্ঘাত;  তাই  উওকিংএর গ্রামে এসে পৌঁছুতেই পার্টির স্থানীয় লোকেরা খোঁজ খবর নিলেন , অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে জানতে চাইলেন আমি কোন কাজে সহায়তা করতে পারি কিনা, এই যেমন প্রচারের চিঠির এনভেলপ সিল করা , লিফলেট বিলি , অন্তত উইকএন্ডে।   রাজি হলাম । নতুন  এসেছি, এই সুযোগে অনেকের সঙ্গে আলাপ হবে , লিফলেট বিলির মউকায়  গ্রামটাও দেখে নেওয়া যাবে । আট বছর বয়েস থেকেই মায়া এই কাজে সঙ্গ দিতে শুরু করে।  লেটার বক্সের ফোকর দিয়ে প্রচার পত্র বা লিফলেট গলিয়ে দেওয়াটা তার খুব মজার কাজ মনে হয়েছিল।  অবিশ্যি দরজা খুলে কোন গেরস্থ বের হলে তাকে কি বলতে হবে সে  ট্রেনিং মায়াকে দেওয়া হয় নি;  নিজেই ভেবে একটা লাইন ছাড়ত , ‘ ভোট লিব ডেম !’  

    সজ্ঞানে বা অজ্ঞানে আমি মায়াকে লিব ডেমকে  সমর্থনের ব্যাপারে উৎসাহিত করি নি ।  লিফলেট বিলি করতে গেলে পার্টির মেম্বার হওয়া আবশ্যিক নয়- ভাড়া করা লোক পাওয়া যায় !  আমার পুত্র ইন্দ্রনীল বরং বলেছে সারের মতন ব্যাংকার স্টকব্রোকার বেল্টে বাস করে কনজারভেটিভ পার্টিকে সমর্থন করাটাই স্বাভাবিক – চতুর্দিকে ক্যাবিনেট মেম্বারের ছড়াছড়ি ( ডমিনিক রাব, মাইকেল গোভ, জেরেমি হান্ট , ক্লেয়ার কুটিনিও )। কেন নীল ( টোরি ) বা লাল ( লেবার ) ছেড়ে হলুদ রঙের লিব ডেম আমার পছন্দ এ প্রশ্ন  মায়া  আমাকে কোনদিন করে নি।

    এক রবিবারের পদযাত্রায় উইল ফরসটার আমাকে জিজ্ঞেস করল,  তোমার মেয়ের নাম কি মায়া ? উওকিং হাই স্কুলের কোয়ারে গান শুনলাম ক্রিসমাসের আগে । আমি বললাম , “ এই সারনেম আমাদের দেশেও সহজে মেলে না , সারেতে তো নয়ই ! অতএব মায়া আমার মেয়ে না হয়ে যায় না !”  উইল নিজে উওকিং হাইয়ের প্রাক্তন ছাত্র, পার্টির পারলামেনটারি ক্যান্ডিডেট (২০১৯ ) – আমার অনুমান এই সময়ে কোনভাবে মায়ার সঙ্গে  তার “ সম্পর্ক স্থাপিত “ হয় !  এর পরে  মায়া গেছে সারে হিলসের হার্টউড হাউস বোর্ডিং স্কুলে  এ লেভেল ( আমাদের উচ্চ মাধ্যমিক ) পাঠে।  দুর্বল হাঁটুর অজুহাতে একদিন লিফলেট বিলির কাজে ইস্তফা দিয়েছি ।  আমাদের আরেক কমরেড  চার্লসের বিরাট বাড়ির দোতালায় বসে   প্রচার পত্রের খামে  আঁঠা লাগানোর কাজটা অনেক সহজ। 

    উচ্চ মাধ্যমিকে ফিজিক্স কেমিস্ট্রি সাইকোলজি পড়ে মায়া ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস পড়তে গেলো রয়্যাল হলওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে।  আমি খুব অবাক হয়েছিলাম,  কেন এই দিক পরিবর্তন ? সে বলেছিল তোমার কাছে সব সময় দুনিয়ার অনাবশ্যক  ট্রিভিয়া শুনে শুনে ! রয়্যাল হলওয়ে বিশ্বের একটা বিশাল জানলা খুলে দিয়েছে – তার আগ্রহ ছড়িয়ে পড়েছে দেশ বিদেশে । প্রতি বছর কিছু ছেলে মেয়ে নিউ ইয়র্কের রাষ্ট্রসংঘে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি রূপে বিভিন্ন বিষয়ে আপন মতামত যুক্তি তর্ক  উপস্থাপনা করার সুযোগ পায়, যার নাম মক ইউনাইটেড নেশন। সেখানে মায়া নির্বাচিত হয়ে এক সপ্তাহ কাটিয়ে এসেছে কিন্তু  ধরে  নিয়েছি তার  রাজনীতির খুঁটি উওকিঙ্গের লিব ডেম পার্টি অফিসেই  বাঁধা । পার্টির কোন অনুষ্ঠানে গেলে  লক্ষ করি আমার পরিচয়  পরিবর্তিত হয়েছে - “ মায়া’স  ড্যাড !”  কিন্তু তাই বলে ভোটে দাঁড়াবে ?

    মনে হল তৎক্ষণাৎ তাকে ডেকে সামনে দাঁড় করিয়ে কমল মিত্র বা ছবি বিশ্বাসের মতন  জলদ গম্ভীর স্বরে বলি

     “ আমাকে একবার জিজ্ঞেস করাটা প্রয়োজন মনে করো নি ?”

    কিন্তু এই বাজারে বাঙালি পিতার ঈদৃশ উষ্মা প্রদর্শন কি  সমীচীন হবে ? খানিক ভেবে চিন্তে  ঠিক করলাম এখুনি ফোন না করে দু দিন অপেক্ষা করি।  উইকএন্ডে  সামনা সামনি কথা হোক ।  শনিবারে মায়া বাড়ি এলে জিজ্ঞেস করেছি  , “শুনলাম তুমি আমাদের কাউন্সিলের ভোটে দাঁড়াবে ।  তোমার  লেখা পড়া আছে , পরীক্ষা বেশি দূরে নয়।   সেখানে মন দিলে ভালো হয় না কি ?”
     
    • তার  কোন ব্যাঘাত হবে না ।
    • তাহলে এই ওয়ার্ড ইলেকশন ?
    • বাবা , আমার নাম শুধু কাগজে থাকবে ( আই অ্যাম এ পেপার ক্যান্ডিডেট )
    • সেটা কি বস্তু ?
    • এবার আমাদের ওয়ার্ড নির্বাচনে  তিনজন প্রার্থী  – নির্দলীয় ডক্টর আকবর আলি (  তাঞ্জানিয়ান, নিপাট ভদ্রলোক , এ অঞ্চলের নামকরা ডাক্তার ), কনজারভেটিভ পার্টির মেলানি হোয়াইটহ্যান্ড ( তিনি দেখা দিতেন সাদা মারসিডিস গাড়িতে , যার  রেজিসট্রেশন নম্বর এম ডবলিউ দিয়ে শুরু , এককালে জার্মানিতে থাকতেন )  আর আমি  । আমার পার্টি আকবর আলিকে সমর্থন করে কিন্তু পথের কাঁটা হলো মেলানি হোয়াইটহ্যান্ড তাকে হারাতে গেলে ভোট কাটতে হবে । সেটা আমার কাজ ।
    • তোমাকে ভোট ? তুমি যদি দুটোর  বেশি ভোট পাও , অন্যেরা অভিযোগ করার আগে আমি নিজেই  একটি তদন্ত কমিশন বসাবো । তোমার মা  আর আমি ছাড়া তোমাকে ভোট দেবে কে ? উনিশ বছর বয়েস , দু বছর পার্টির লিফলেট হাতে রাস্তায় ঘুরেছ , এই বলে তোমাকে ভোট দেবে আমাদের এই ন্যাপহিলের পাবলিক ?
    • বলেছি তো আমি পেপার ক্যান্ডিডেট !
    • তাহলে ধরে নিচ্ছি তুমি পড়াশোনা শিকেয় তুলে ভোটরঙ্গে নেমে পড়বে না? 
    • আমার কোর্সের ঢের টাস্ক আছে, রাস্তায় ঘুরে ক্যানভাসিং করছি না। 
    • এই ইলেকশানে তো খরচা আছে ! অন্তত তোমার ছবিওলা কয়েকটা  লিফলেট ছাপাতে হবে না ? সেটা কোথা থেকে আসবে? পার্টি দেবে , না আমাকে দিতে হবে ? তুমি লিবারাল ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে বহুদিন কাজ করছ কিন্তু জানো কি কাকে শর্ট ক্যানভাসিং বলে ? ইলেকশন ফাইনান্সিং?  আমি কত খরচা করতে পারি তার লিমিট  আছে , কাউন্সিল ইলেকশনে পনেরশ পাউনড , পারলামেনট ইলেকশানে চুয়ান্ন হাজার পাউনড ।  পার্টি টাকা তোলে নানান ভাবে । এই আলোচনাটা কাল করতে পারি ?

    একবারে ডানকারক পরিস্থিতি – গৌরবময় পশ্চাদপসরণ করে রোদিকাকে আমাদের আলোচনার সারমর্ম শোনালাম।  খুব ভরসা যে সে পায় নি সেটা তার শেষ মন্তব্যতেই স্পষ্ট হলো-  “ কথা শুনবে কেন ? তোমার মেয়ে তো ! “

    ক্রমশ :
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ৩১ মার্চ ২০২৪ | ৫৬৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন | 122.56.234.33 | ৩১ মার্চ ২০২৪ ০৫:৪৫530029
  • খুব ইন্টারেস্টিং। আপনাদের বিলেতের ধাঁচের পলিটিক্স আমরা আমাদের এখানেও দেখি। আমার স্থানীয় টাউন কাউনসিলের মেম্বারশিপের সূত্রে কতরকম এদের কীর্তি যে দেখলাম।
  • Kishore Ghosal | ৩১ মার্চ ২০২৪ ১১:৩২530053
  • খুব টেনসনে রইলাম...মায়া কি নিজেই কাউন্সিলার হয়ে গেল, নাকি মার্সিডিজওয়ালাকে মার্সিলেসলি হারাল...জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে...  
  • শুভ্রেন্দু রায় চৌধুরী | 2402:3a80:1cd7:ddfe:878:5634:1232:5476 | ৩১ মার্চ ২০২৪ ১১:৩২530054
  • খুব ভালো লাগল ... পরেরটার অপেক্ষায় থাকলাম ...
  • | ৩১ মার্চ ২০২৪ ১১:৩৬530055
  • খুবই ইন্টারেস্টিং! 
    আমার  প্রাক্তন কোম্পানির ক্লায়েন্টের দিকের একজন হাঙ্গেরিয়ান হঠাৎ দুম করে ২০২০তে ভরপ্য্র লক ডাউনের মধ্যে পদত্যাগ করল। কারণ কি না বুদাপেস্ট সিটি কাউন্সিলের নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে।   'রাজনীতি খুব খারাপ জিনিষ' কপচে আসা ভারতীয় বিশেষত বাঙালিদের সে কি  বিস্ময় আর হা হুতাশ। 
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ৩১ মার্চ ২০২৪ ১২:৩৮530056
  • ভীষণ ইন্টারেস্টিং একটা পর্ব হয়েছে, এটায় বৈঠকি আড্ডার অলস মেজাজের থেকেও নির্বাচনের একটা উত্তাপ স্ক্রিন পেরিয়েও উপভোগ করছিলাম পড়তে পড়তে। পরের পর্বের জন্য সাগ্রহে অপেক্ষা করছি। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর বিপক্ষে দাঁড়িয়ে এই অসম লড়াইয়ের গল্প শুনে আমেরিকার "লিটেরালি এনিবডি এলস" এর কথা মনে হল। এক যুবক যিনি নিজের নাম বদলে, বাইডেন ও ট্রাম্পের দুই পার্টির বদলে তৃতীয় শক্তি হিসেবে লড়তে ইচ্ছুক। 
     
    তাড়াতাড়ি পরবর্তী পর্ব প্রকাশ করুন। ক্লিফ হ্যাঙ্গারে ঝুলে রয়েছি আমরা সবাই।
  • Priti Dutta | ০১ এপ্রিল ২০২৪ ২০:৪৭530119
  • বৈঠকি মেজাজে মেয়ে,তার রাজনৈতিক সচেতনতা এবং ভোটাভুটির রাজনীতি তো অবশ্যই উপভোগ্য। তবে তার আড়ালে মেয়েকে নিয়ে কর্তা গিন্নির কথোপকথনও কম উপভোগ্য নয়! নিজেদের পারিবারিক ক্ষেত্রে চেনা চেনা গন্ধ পেলাম। ব্যাপারটা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবে,জানার জন্যে গভীর আগ্রহে অপেক্ষায় ...।
  • Tapan Kumar SenGupta | ০২ এপ্রিল ২০২৪ ১৬:২৮530151
  • একেবারেই নতুন ঘরোয়া আড্ডা। দারুণ। 
  • সমরেশ মুখার্জী | ০২ এপ্রিল ২০২৪ ২২:৪৮530167
  • লেখা‌য় ভোটাভুটির হিসাব, সমীকরণ - ওসব তো ঠিক আছে কিন্তু কিছু সরেস পাঞ্চলাইন খাসা লাগলো। এটা অবশ‍্য হীরেনবাবু‌র অনায়াসলব্ধ গুণ - আগেও খেয়াল করেছি। এখানে পেলাম -  পত্রপাঠ কমল মিত্রের ইস্টাইলে জলদগম্ভীর ভঙ্গিতে মেয়েকে সামনে দাঁড় করিয়ে পিতার প্রশ্ন করার সুপ্তবাসনা এবং সেটা যুগের হাওয়া‌য় সুবিধার হবে না বুঝে ক্ষণকালের জন‍্য পজ বাটন দাবানো,  "মায়া'স ড‍্যাড" গোত্রের নব‍্যপরিচয়ে (লেখায় উল্লেখ না থাকলেও) পিতার সুপ্ত গর্ববোধ, কাগুজে ক‍্যান্ডিডেট টার্মটা, পরিশেষে রোমানিয়ান মা রোদিকার টিপিক্যাল বাঙালি মায়ের মতো - "কথা শুনবে কেন? তোমার মেয়ে তো! “ অর্থাৎ  মায়েরা মেয়েদের (বা ছেলেদের) ব‍্যাপারে হয়তো (সর্বত্র না হলেও) অনেক দ‍্যাশেই সমান।  
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন