এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  ইতিহাস

  • সিঁড়ির সাতকাহন  (১৫)

    Goutam Dutt লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ইতিহাস | ২১ মার্চ ২০২৩ | ১৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)

  •  
    (১৫)



    সেইই যে কবে টাইগার সিনেমায় দেখেছিলাম ‘রোমান হলিডে’। অড্রে হেপবার্ন আর গ্রেগরী পেক। উফফ্‌ এখনো ভুলতে পারি না রাজবাড়ির বিশাল বিছানায় শুয়ে শুয়ে অড্রে’র কড়িকাঠ দেখার সেই দৃশ্যখানা। বিছানায় নিজেই ঘুরে যাচ্ছে অড্রে বিভিন্ন দিক থেকে, কড়িকাঠ দেখার জন্য। সাদাকালোর সেই ছবি অস্কার জিতেছিল নায়ক নায়িকা সমেত। সিঁড়ি নিয়ে লিখতে গিয়ে ‘রোমান হলিডে’ মাথায় এলো কেন জানেন ?

    নায়িকা অড্রে হেপবার্ন রোমের এক সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে একটা স্কুপ আইসক্রিম খাচ্ছেন। পেছনে একটা চার্জ। আর সেই সুউচ্চ চওড়া সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসছেন গ্রেগরি পেক। চার্চের ঘড়িতে তখন সন্ধ্যে ছ’টা বাজব বাজব করছে। সেই মাত্র ১৩৫ খানা ধাপের সিঁড়ি, বিখ্যাত হয়ে গেল এই সিনেমার পরের থেকেই। সে সিঁড়ির নাম স্প্যানিস স্টেপস (Spanish Steps (Italian: Scalinata di Trinità dei Monti)) – যা কিন্তু স্পেনে নয়, ইতালির রোম এ।

    ১৬২৭-২৯ সালে এই সিঁড়ি তৈরি হয়। সিঁড়িটি নকশা করেছিলেন স্থপতি ফ্রান্সেস্কো ডি সান্টিস এবং আলেসান্দ্রো স্পাচ্‌চি। বিখ্যাত ইংরেজ কবি জন কীটস জীবনের উপান্তে এসে এই স্প্যানিস স্টেপস এর নিচের ডানদিকের একটা ভিলায় এসে বাস করতে থাকেন এবং এখানের কীটস মারা যান। সে ভিলাটি আজ ‘কীটস-শেলি স্মারক ভবন’ এ রূপান্তরিত।

    https://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/6/6d/Caltagirone%2C_la_Scala_di_Santa_Maria_del_Monte_-_panoramio.jpg

    আরেকটি বিখ্যাত সিঁড়ি ইতালীর সিসিলি’র অন্তর্গত ক্যালটাগিরন (Caltagirone (ইতালীয় -  [kaltadʒiroːne] আর সিসিলিয়ান এ - Caltaggiruni [kaltaddʒɪˈɾuːnɪ])। এ শহর মৃৎশিল্পীদের শহর। তাই হয়তো এই সমৃদ্ধ শহরের নামটি আরবী "ক্বালাতুল-জারার" ("মৃৎশিল্পের জারগুলি") থেকে উদ্ভূত - এটি এমন একটি নাম যা মৃৎশিল্পের প্রাচীনতার প্রমাণ দেয়।

    তো, এই ক্যালটাগিরন শহরটা ছিল একটা পাহাড়ের ওপরে। আর পুরোনো শহর ছিল নিচে। তাই এই দুই অংশকে জুড়তে ১৬০৮ সালে পরিকল্পনা করা হল একটা সিঁড়ির। আমাদের যেমন কলকাতা আর হাওড়া জোড়া হাওড়া ব্রিজ দিয়ে তেমনি এই ক্যালটাগিরনের নতুন আর পুরোনো শহরকে জুড়তে দশ বছর ধরে তৈরি হল স্টেয়ারকেস অব সান্তা মারিয়া ডেল মন্টে বা স্ক্যালিনেটা ডি সান্তা মারিয়া দেল মন্টি। ৪৩০ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ঠ এই সিঁড়ি আজ দর্শনার্থীদের খুব প্রিয়।

    “রাত্রি হবে দুপুর, ভাগ্নি ঢুকল ঘরে ধীরে;
    চুপি চুপি বললে কানে, "যেতে কি চাস ফিরে।'
    লাফিয়ে উঠে কেঁদে বললেম, "যাব যাব যাব।'
    ভাগ্নি বললে, "আমার সঙ্গে সিঁড়ি বেয়ে নাবো--
    কোথায় তোমার খুড়ির বাসা অগস্ত্যকুণ্ডে কি,
    যে ক'রে হোক আজকে রাতেই খুঁজে একবার দেখি;
    কালকে মামার হাতে আমার হবেই মুণ্ডপাত।'--
    আমি তো, ভাই, বেঁচে গেলেম, ফুরিয়ে গেল রাত”। - কাশী – ছড়ার ছবি – রবীন্দ্রনাথ।


    রামায়নে দেখি যে লঙ্কার রাজা রাবন স্বর্গে পৌঁছনোর এক সিঁড়ি বানাতে টেন্ডার ডেকে কাজ শুরু করিয়েছিলেন। কিন্তু বেচারা রাবন মশাই মারা গেলেন রামচন্দ্রের হাতে। ফলে পরিকল্পনা মাফিক সেই সিঁড়ির কাজ আর শেষ হ’ল না। কন্ট্রাকটর ‘ময় দানব’ মশাই পুরো টাকা পেয়েছিলেন কিনা তাও জানা যায় না, যেমন জানা যায় না সেকালে এই সব টেণ্ডার কোটেশন পেমেন্ট এসবের কী কী ব্যবস্থা ছিল !

             উৎসাহী জনগন ইচ্ছে করলে দেখে আসতে পারেন সেই পুরোটা তৈরি না হওয়া সিঁড়ি। তবে তা দেখতে গেলে আমাদের পাশপোর্ট ভিসা এসব লাগবে এখন, এই আর কি !

             শ্রীলঙ্কার সেন্ট্রাল প্রভিন্সের ডাম্বুলা নগরের কাছে মাটালা জেলার মধ্যে রয়েছে ঘন জঙ্গলে ঢাকা শিগিরিয়া নামে এক পাহাড়ি অঞ্চল। আর সেখানে পৌঁছে গেলেই দেখতে পাবেন সেই স্বর্গের সিঁড়ি। এখন শ্রীলঙ্কাবাসীরা সে সিঁড়িকে লায়ন্স রক বা সিংহের প্রস্তর নামেই ডেকে থাকে। একটা বিশাল অতিকায় পাথরের খণ্ডের গা বেয়ে সেই সিঁড়ি চলে গেছে অনেক উঁচু অব্দি। আর সেই পাথরের মাথায় রয়েছে এক পুরোনো রাজবাড়ির ভগ্নস্তূপ। যতদূর জানা গেছে সেকালে শিগিরিয়া অঞ্চলের নাম ছিল অলকামাণ্ডব।

             মাটি থেকে প্রায় ছ’শ ফুট উঁচুতে এই রাজবাড়ির ভগ্নস্তূপ। ১৮৩১ সাল। জোনাথন ফরবস নামে এক ইংরেজ সেনাধক্ষ্য’র চোখে পড়ে এই লুকিয়ে থাকা আশ্চর্য সিঁড়িখানা। তিনি এক জায়গায় লিখছেন—“ সভ্য সমাজ থেকে বহুদূরে শিগিরিয়ার ঘন অরন্যে আবৃত পর্বত প্রান্তরে সিংহের পাঞ্জার সাথে সাদৃশ্য যুক্ত শুধু একটিমাত্র সুবিশাল আর সুউচ্চ প্রাকৃতিক প্রস্তর খণ্ডের দুর্গম গিরিপ্রান্ত বেয়ে ধাপে ধাপে উপরে আরও বহু উপরে যেন মহাকাশের দিকে ক্রমান্বয়ে উঠে গিয়েছে একাধিক সোপানশ্রেণী। বহু কষ্ট সহ্য করে আর বহু পরিশ্রম করে অবশেষে উপস্থিত হলাম সেই সোপানশ্রেণীর একেবারে অন্তিম প্রান্তে, লায়ন্স রকের শীর্ষদেশে। সেই শীর্ষদেশে অবস্থান করছে এক বহু শতাব্দী প্রাচীন রহস্যময় রাজপ্রাসাদের ভগ্নস্থুপ”।

             স্থানীয় লোককথা বলে, সেকালে এই অলকামাণ্ডবই ছিল রাবনের রাজধানী। আর এই সিঁড়ি আর রাজবাড়ি তৈরির সময়ই রামবাবু লঙ্কা আক্রমন করেন। রাবনের মৃত্যুর পর তাঁর নশ্বর দেহ কোনো এক অজানা জায়গায় লুকিয়ে ফেলেন তাঁর বিশ্বাসঘাতক ভাই ঘরশত্রু বিভীষণ। এরপরে নিজে রাজা হ’য়ে বসেই আর দেরী করেননি বিভীষণ এই রাজধানী শিগিরিয়া বা অলকামাণ্ডব থেকে ‘কেলানিয়া’তে নিয়ে আসতে।

             ঐতিহাসিকগণ বলেন যে শিগিরিয়ার এই রহস্যময় রাজবাড়ি খ্রীষ্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী থেকে নাকি এক বৌদ্ধ মঠ হিসেবে ছিল। কিন্তু তারও পূর্বে আনুমানিক ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত শিগিরিয়ার এই রাজপ্রাসাদ কোন এক স্থানীয় শক্তিশালী হিন্দু রাজার রাজপ্রাসাদ ছিল। এই লায়ন্স রকের মাথআয় রাজবাড়ি চত্বরে রয়েছে সুন্দর এক বাগান আর বেশ কটি পুকুরের ভগ্নাবশেষ। আর এই বাড়ি বা প্রাসাদের গুহার দেওয়ালে রয়েছে সে যুগের সুন্দরীদের কিছু অপরূপ ছবি। সেই সব মেয়েরা ভাসমান মেঘের ওপরে। লোকশ্রুতি বলে এরা নাকি স্বর্গ থেকে আসা অপ্সরা। শিগিরিয়ার রহস্যময় এই স্বর্গের সিঁড়ির চারপাশে আর শীর্ষদেশে রয়েছে আরও বহু অজানা বন্ধ গুহামুখ। পুরাতত্ত্ববীদদের ধারনা এইসব রহস্যময় বন্ধ গুহামুখের মধ্যে লুকিয়ে আছে আরও অনেক অজানা রহস্য। হয়তো এইসব বদ্ধ গুহার ভেতরে, হাজার হাজার বছর ধরে লুকিয়ে রয়েছে রাবনের সেই রহস্যময় পুষ্পকরথ বা তাঁর মরদেহ। এইসব রুদ্ধ গুহামুখের রহস্যের সমাধান হলে উন্মোচিত হবে রামায়নের অন্তিম পর্বের বহু অজানা রহস্য।





             এবারে বলি এক অভিশপ্ত সিঁড়ির কথা। ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের মলটবিতে একটি কবরস্থান রয়েছে। এই কবরস্থানের একটি কবরকে ঘিরে রয়েছে অপার রহস্য। বিশেষ এই কবরে একটি দরজা রয়েছে। প্রথমে দরজা পার হওয়ার পরই পাড়ি দিতে হয় ১৩টি সিঁড়ি। যাকে বলা হয়— ‘স্টেয়ার টু হেল’। এই সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামলেই নাকি পৌঁছে যাওয়া যায় বিস্ময়কর এক জগতে। যাকে ‘নরক’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। মলটবি শহরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের কবর এটি। প্রচলিত আছে, এই পরিবারের প্রত্যেক সদস্যই শয়তানের উপাসক ছিলেন। আর তাদের মৃত্যুর পর সবাইকে একই জায়গায় কবর দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই রহস্যময় কবরের সত্যতা বিচারের জন্য অনেক মানুষ ১৩টি সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমেছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আর ফিরে আসেননি। আর যারা ফিরেছেন তারা উন্মাদ হয়ে গেছেন।

    https://cdn.risingbd.com/media/imgAll/2019July/bg/Kobor_320190703132654.jpg
    মলটবি কবরস্থানের একাংশ

             স্থানীয়দের মতে— দিনেরবেলায় এই কবরস্থানটি একদম স্বাভাবিক। রাত হলেই নাকি নেমে আসে অদ্ভুত এক নিস্তব্ধতা। জাগতিক কোনো শব্দই নাকি সেখানে পৌঁছায় না। রাত বাড়লেই কবরটির চারপাশে অট্টহাসি, ফিসফিস শব্দ আর নারী কণ্ঠের হাহাকার শোনা যায়। প্রশ্ন উঠেছে, এত সংখ্যা থাকতে কবরটির ভেতরে কেন ১৩টি সিঁড়ি তৈরি করা হয়েছে। অনেকে মনে করছেন— খ্রিষ্ট ধর্ম মতে ১৩ সংখ্যাটি অশুভ। বাইবেল অনুযায়ী, যীশু খ্রিস্টের সঙ্গে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন তাদের মধ্যে ১৩ নম্বরে ছিলেন জুডাস। তাই ১৩ সংখ্যাটির সঙ্গে এই ১৩ সিঁড়ির কোনো যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন প্যারানরমাল বিশেষজ্ঞরা। প্যারানরমাল বিষয়ক লেখক ডি. এস. ডুবি পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, একটি পারিবারিক কবরে কেন দরজা লাগানো সেটাই এক বিস্ময়কর ব্যাপার। এই ১৩টি সিঁড়ি বেয়ে নামলে মানুষের মনে এক অদ্ভুত হতাশা ভর করে। শরীর ক্রমশ হালকা অনুভব হতে থাকে। মনে হতে থাকে, এই পৃথিবীতে যেন আর কোনো প্রাণ নেই। চারদিকে শুধু মৃত মানুষের ভিড়। এই সিঁড়ি দিয়ে নেমে পেছনে তাকালেই নাকি দেখা যায় একটি ছোট্ট চেয়ার। কবরের ভেতরে কোথা থেকে চেয়ার আসল তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি ডুবি। সিঁড়ির শেষ ধাপে পৌঁছে যদি পেছনে কেউ তাকায় তাহলে সামনে ভেসে উঠে ‘নরকের ছবি’ কিংবা তারচেয়েও ভয়ঙ্কর কিছু। এ বিষয়েও পরিষ্কার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কেউ’।
     
    চলবে..................
     
    ©গৌতমদত্ত।
     
     
     
     
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ২১ মার্চ ২০২৩ | ১৯৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | 193.116.82.237 | ২১ মার্চ ২০২৩ ১৫:৫৭517718
  • বোঝো। রাবণের স্বর্গের সিঁড়ি আর মেসোপটেমিয়া র জিগুরাত এর গল্প তো হুবুহু এক। কে কার থেকে টুকলি মেরেছে কে জানে ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন