এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  সমোস্কিতি

  • ছোটোলোকের ছোটোবেলার পুজো

    Malay Roychoudhury লেখকের গ্রাহক হোন
    সমোস্কিতি | ২৭ অক্টোবর ২০২২ | ৭৬৭ বার পঠিত
  • 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | 32 | 33 | 34 | 35 | 36 | 37 | 38 | 39 | 40 | 41 | 42 | 43 | 44 | 45 | 46 | 47 | 48 | 49 | 50 | 51 | 52 | 53 | 54 | 55 | 56 | 58 | 59 | 60 | 61 | 62 | 63 | 64 | 65 | 66 | 67 | 68 | 69 | 70 | 71 | 72 | 73 | 74 | 75 | 76 | 77 | 78 | 79 | 80 | 81 | 82 | 83 | 84 | 85 | 86 | 87 | 88 | 89 | 90 | 91 | 92 | 93
    ছোটোলোকের ছোটোবেলার পুজো : মলয় রায়চৌধুরী
    .
    এখন আমার তিরাশি বছর বয়স। শৈশবের পুজো স্মৃতিতে বিশেষ ধরে রাখতে পারিনি। তবু চেষ্টা করে দেখি। তখন পুজো বলতে ধর্মানুষ্ঠান বোঝাতো। এখনকার মতন সাংস্কৃতিক-বাণিজ্যিক উৎসব নয়। বেশির ভাগ ছিল পারিবারিক পুজো। আজকাল দুর্গাঠাকুর সপরিবারে এলেও, পুজোটা আর পারিবারিক নেই, বিশেষ করে শহরে। আমি সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের সদস্য। উত্তরপাড়া শাখার। ১৭০৩ সালে সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের বংশধর রত্নেশ্বর রায়চৌধুরী তাঁর পৈত্রিক ভিটে ছেড়ে হুগলী নদীর পশ্চিমতীরে উত্তরপাড়ায় তাঁর নতুন বাসস্থান তৈরি করেন। তখনকার দিনে জায়গাটা এরকম নাম হবার কারণ এটা বালি গ্রামের উত্তর দিকে শেওড়াফুলির জমিদারির অংশ ছিল। রত্নেশ্বর তাঁর সম্পত্তি বিনিময় করে পরিবার ও বিশ্বস্ত লোকজনদের নিয়ে উত্তরপাড়ায় চলে আসেন। উত্তররপাড়া তখন একটা জলাজমি আর মানুষ বসবাসের অনুপযুক্ত। একমাত্র জেলে সম্প্রদায়ের পাটনি, মালো ও কিছু মুসলিমের বাস ছিল। তাদের কাজ ছিল মাছ ধরা, মাছ ধরার জিনিসপত্র বিক্রি করা, খেয়া পারাপার আর ডাকাতি।
    .
    সাবর্ণ রায়চৌধুরী ভঙ্গ কুলীন ছিল বলে রত্নেশ্বরকে বিবাহসূত্রে অন্য কুলীন ব্রাহ্মণ পরিবারদের উত্তররপাড়ায় নিয়ে আসতে হয়েছে। ক্রমে অনেক ব্রাহ্মণ পরিবার যেমন দুর্গাচরণ ব্যানার্জী, রামতনু চ্যাটার্জী, রামনিধি চ্যাটার্জী, নন্দলাল মুথার্জী ইত্যাদি এসে বাস করতে শুরু করেন সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের ঘরজামাই হিসাবে। এঁদের মধ্যে অনেকেই উত্তরপাড়ার মনোজাগতিক ও আধ্যাত্মিক জগতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। 
    .
    উনিশ শতকে রামহরি রায়, জয়কৃষ্ণ মুখার্জী, রাজকৃষ্ণ মুথার্জী ও অন্যান্যদের সহযোগিতায় এই ছোট গ্রাম একটা আটশো স্কোয়ার মিটারের জনপদে পরিণত হয়। তাঁরা সুন্দর সুন্দর প্রাসাদোপম বাড়ি তৈরি করতে শুরু করলেন যার রাজকীয় অবয়ব আজও উত্তরপাড়ার গর্ব। তৈরি করেন চওড়া রাস্তা, আধুনিক সেনেটারি ব্যবস্থা, বালি খালের টেনসান ব্রীজ, হাসপাতাল, স্কুল, পৌরসভা, লাইব্রেরি, পুলিসথানা, পোষ্ট অফিস, রেল স্টেশন ইত্যাদি।

    বাংলার রেনেসাঁর আলো প্রথম উত্তরপাড়ায় আসে। জয়কৃষ্ণ মুখার্জী, রাজকৃষ্ণ মুখার্জী ও আরও অনেকে আধুনিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন ও ব্রিটিশ শাষকদের এখানে ইংরাজী স্কুল তৈরি করার জন্য অনুরোধ করেন। জমিদার জয়কৃষ্ণ মুখার্জী এর জন্যে মুক্ত হস্তে দান করেন ও তাঁর একটা বিশাল বাড়ি দান করেন। রামতনু লাহিড়ী  প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন। সেদিনের ছোট্ট স্কুল আজ বাংলার সেরা স্কুলের অন্যতম। 
    জয়কৃষ্ণ ও তাঁর ভাই রাজকৃষ্ণ সরকারের কাছে একটা আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অনুরোধ করেন। আবারও জয়কৃষ্ণ তাঁর আর একটি সুন্দর বাড়ি দান করেন। 
    .
    উত্তরপাড়ায় আমাদের বাড়ি, অর্থাৎ রত্নেশ্বর রায়চৌধুরীর বাড়িতে, দুর্গা, কালীপুজো হতো, রাস, রথযাত্রা হতো, যেমন এখন অন্য সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের বাড়িতে হয়। কিন্তু শরিকের সংখ্যা ক্রমশ এতো বেড়ে গেলো যে সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারায়, পুজোর দায়িত্ব কেউ নিতে চায়নি। উত্তরপাড়ার সাবর্ণ রায়চৌধুরীরা ভেঙে-ভেঙে অজস্র হয়ে গেছে। বড়িশা-বেহালার মূল পুজোটা এখনও হয়। সেখানেও মূল পুজো ছাড়া সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের আরও কয়েকটা পারিবারিক পুজো হয়। সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের পুজোয় সিংহের মুখ এখনও ঘোড়ার মতন, যেমন শৈশবে দেখেছি। মহিষাসুরের গায়ের রঙ এখনও সবুজ রঙে রাঙানো হয়।
    .
    উত্তরপাড়ার পুজো বন্ধ হয়ে যাবার পর শৈশবে বড়িশা-বেহালার মূল আটচালার পুজোতে আমি একবারই গেছি। এই আটচালাতেই তিনটে গ্রাম হস্তান্তরের ফারসি দলিল সই হয়েছিল। তারপর আর যাইনি কেননা ওই পুজোয় তখন মোষ বলি হতো, ছাগল বলি হতো। দেবীর সামনে মালসায় তাদের রক্ত উৎসর্গ করা হতো। এখন অবশ্য মোষ-ছাগল বলি দেবার প্রথা উঠে গেছে। তার বদলে কলা, লাউ ইত্যাদি বলি দেয়া হয়। শৈশবে সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের পুজোগুলোয় যাবার লোভ ছিল ভোগ খাবার জন্য। তিনদিন বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে ভোগ খাওয়া যেতো। বাড়ির ভোগ। এখনকার সার্বজনীন সাংস্কৃতিক-বাণিজ্যিক পুজোর মতন কেটারারের তৈরি ভোগ নয়। যৌবনে পৌঁছোবার আগেই ধর্মে বিশ্বাস নিছক প্রবৃত্তিগত হয়ে গিয়েছিল বলে কোনো পুজোয় আর যাইনি। 

    শৈশবের পুজো বললেই মনে পড়ে আমার বন্ধু সুবর্ণর তিন ভাইয়ের তিন রঙের পাঞ্জাবি; গেরুয়া, সবুজ আর শাদা। সিল্কের। ওর বাবা ছিলেন জল সরবরাহের ইনজিনিয়ার। ১৯৪৮ সালে সিল্কের জাতীয় পতাকা ওড়ানো হয়েছিল পনেরোই আগস্ট ওদের কোয়ার্টারের জলের ট্যাঙ্ক টাওয়ারে। প্রতি বছর নতুন পতাকা আসতো ওর বাবার দপতরে। সংবিধান তৈরি হবার পর একসময়ে সিল্কের বদলে খাদির পতাকা যখন আসতে লাগলো, ওরা তিন ভাই পুজোর সময়ে আর পতাকা থেকে পাঞ্জাবি তৈরি করাতো না। সুবর্ণ ছিল সবচেয়ে ছোটো ভাই তাই ওর ভাগ্যে সাদা সিল্কের পাঞ্জাবি জুটতো। 
    .
    আমাদের বাড়িতে কুড়ি জনের সংসারে বাবা ছিলেন একমাত্র রোজগেরে। বাবার দায়িত্ব ছিল পুজোর পোশাক আর জুতো কিনে দেবার। যাতে বাড়ির সদস্যদের মধ্যে ঈর্ষার সৃষ্টি না হয়, তাই বাবা সকলের জন্য একই রঙের জামার কাপড় কিনতেন, পুরো একটা থান, তা থেকে আমাদের ভাই-বোনের, কাকা-জেঠার পুজোর পোশাক তৈরি হতো। মেজ জেঠা ফতুয়া পরতেন, তা ওনার ফতুয়াও সেই একই কাপড়ের তৈরি হতো। দর্জিও ছিল বাবার পরিচিত। মজার ব্যাপার যে মুসলমান দর্জি পরিবারটার সবাই ছিল বোবা। বাবা ওদের নির্দেশ দিতে পারতেন, আমরা ইশারায় যতোটা পারি বোঝাতুম। তবে প্রতি বছর আমাদের পোশাক তৈরি করে ওদের ধারণা হয়ে গিয়েছিল কে কেমন পোশাক পছন্দ করে। পুজোর জুতো ছিল নির্দিষ্ট, তখনকার দিনে কাবলি স্যাণ্ডাল নামে একরকম জুতো হতো। সবাই বাবার বললে দেয়া দোকানে গিয়ে কাবলি স্যাণ্ডাল নিয়ে আসতো। টাকাকড়ি বাবা মেটাতেন। আমার দাদা সমীর রায়চৌধুরী মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে ওনার কাবলি স্যাণ্ডাল দিয়ে গোলপোস্ট চিহ্ণিত করতেন আর বাড়ি ফেরার সময়ে প্রায়ই ভুলে যেতেন। আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল যে দাদা যেন খেলা শেষ হবার পর জুতো পরে ফেরে। একবার আমি নিজেই ভুলে গিয়েছিলুম দাদাকে মনে করাতে। সেই বছর দাদাকে বিনা জুতোয় স্কুলে যাতায়াত করতে হয়েছিল, এমনকী গরমে গলতে থাকা পিচ রাস্তাতেও। গরমে যাতে পায়ে জ্বালা না করে তাই দাদা অনেক সময়ে ফিটনগাড়ির পেছনে আর্দালি দাঁড়াবার জায়গায় বসে স্কুলে যেতো। এখন আর পুজোর পোশাক বা জুতো কেনা হয় না। বহু শার্ট আর ট্রাউজার পরা হয় না চাকরি থেকে ১৯৯৭ সালে অবসর নেবার পর। 
    .
    উত্তরপাড়ায় জমিদার পরিবারগুলো ছিল সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের জামাইদের পরিবার। শৈশবে অমন তিনটে জমিদার বাড়িতে পারিবারিক পুজো হতো। ক্রমশ তাদের পরিবারগুলোও ভেঙে যেতে আরম্ভ করল আর বিশাল বাড়ির খারচ সামলানো কঠিন হয়ে যেতে তাদের বাড়ির পুজোগুলোও বন্ধ হয়ে গেল। দেশভাগের উদ্বাস্তুদের ঠাঁই দেবার জন্য দুটি জমিদারবাড়িকে ব্যবহার করেছিল সরকার। অন্য একটা বাড়ি এখন হয়ে গেছে বিশাল হাসপাতাল। উত্তরপাড়ায় আমি ষাটের দশকের পর আর যাইনি। সব অংশগুলো মিলিয়ে বিল্ডাররা আবাসন তৈরি করেছে। আমি আর দাদা আমাদের অংশ বিক্রি করে দিয়েছি। 
    .
    তারপর চাকুরিসূত্রে সারা ভারতের গ্রামগঞ্জ চষে বেড়িয়েছি। পশ্চিমবাংলায় গ্রামের পুজোগুলো ভালো লেগেছে। শহরের সাংস্খরতিক-বাণিজ্যিক পুজোর ছোঁয়া সেরকমভাবে পৌঁছোয়নি, যদিও কর্তাদের চেষ্টার কমতি নেই কলকাতাকে টক্কর দেবার।
    .
    আমার শৈশবের পুজো শৈশবেই হারিয়ে গেছে।
    1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | 32 | 33 | 34 | 35 | 36 | 37 | 38 | 39 | 40 | 41 | 42 | 43 | 44 | 45 | 46 | 47 | 48 | 49 | 50 | 51 | 52 | 53 | 54 | 55 | 56 | 58 | 59 | 60 | 61 | 62 | 63 | 64 | 65 | 66 | 67 | 68 | 69 | 70 | 71 | 72 | 73 | 74 | 75 | 76 | 77 | 78 | 79 | 80 | 81 | 82 | 83 | 84 | 85 | 86 | 87 | 88 | 89 | 90 | 91 | 92 | 93
  • সমোস্কিতি | ২৭ অক্টোবর ২০২২ | ৭৬৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ২৭ অক্টোবর ২০২২ ১৫:৩৭513227
  • ছোটলোকের ছোটবেলা এত জমিদারিখচিত??  ঃ)) 
     
    মলয়বাবু বড় বাড়ির সন্তান। অভিজ্ঞতায় সেসব আসবে স্বাভাবিক। তবে,  সেই লেখার শিরোনামে ছোটলোক সেঁটে রাখলে কেমন বাজারি ব্র‍্যানডিং এর মত দেখায়, এই আর কী। 
  • এলেবেলে | 202.142.71.7 | ২৭ অক্টোবর ২০২২ ২৩:৩৫513239
  • ধ্যার বাল। এই জয়কেষ্ট মুকুজ্যের নীলকুঠি কতগুলো ছিল? 
     
    ১৮৫৯ সালে সংবাদ প্রভাকরে একথা লেখা হয়েছে --- ...আমারদিগের পূর্বসংস্কার এইরূপ ছিল, যে আমারদিগের কোন বাঙ্গালী নীলকর হইলে দেশের অধিক অনিষ্ট ঘটিবেক না, কারণ তাঁহারা আপনারদিগের দেশের মঙ্গলোন্নতির চেষ্টা বিলক্ষণরূপে পাইবেন, কিন্তু আমারদিগের সে আশা এইক্ষণে দুরাশা হইয়া উঠিয়াছে, তাঁহারদিগের দ্বারা দেশের উন্নতি সম্ভাবনা দূরে থাকুক, তাঁহারা কিরূপে লোকের সর্বস্ব হরণ করিবেন, কিরূপেই বা মানি ব্যক্তির অপমান করিবেন সেই চেষ্টাই তাঁহারদিগের মনে সতত প্রবাহিত হইতেছে, আহা, কি পরিতাপের বিষয়! কি পরিতাপের বিষয়! কোথায় তাহারা দেশের মঙ্গল সাধনে প্রবৃত্ত থাকিবেন? তা না হইয়া দেশের প্রতি দ্বেষ প্রকাশানন্তর যাহাতে দেশের অমঙ্গল হয় তাহাই করিতেছেন।
     
    সেই বালের গুষ্টির বাতেলাবাজি আজও শুনতে হবে?
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৮ অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৯513240
  • এলেবেলে | 202.142.71.7 | ২৭ অক্টোবর ২০২২ ২৩:২৯
     
    অসাধারণ! অনেক ধন্যবাদ।
  • Malay Roychoudhury | ২৮ অক্টোবর ২০২২ ১১:৩৮513242
  • হুররেরেরেরে ! পাঠক পাচ্ছি । অনেক ধন্যবাদ ।
  • Ranjan Roy | ২৮ অক্টোবর ২০২২ ২২:৪১513263
  • এলেবেলে,
     এটা কীরকম কথা হল? কোন এক বংশের আদিপুরুষদের ঐতিহ্য টেনে  তাদের বংশাবতংসের আজকের প্রজন্মকে বিচার করতে হবে?
       সে তো সেই ভেড়ার ঠাকুর্দার জল ঘোলা করার প্যারাবলের মত হল?
    আর একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা তো এইসুরেই মোঘলদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত আজকের মুসলমানদের করতে বলে!
    একটু ভাবুন।
  • এলেবেলে | 202.142.71.7 | ২৯ অক্টোবর ২০২২ ০০:২৪513268
  • সেই আদিপুরুষদের ঐতিহ্য টেনে অ্যাদ্দিন বাদেও তাদের বংশাবতংসের আজকের প্রজন্ম নালেঝোলে হলে করতে হবে বইকি। 'বাংলার রেনেসাঁর আলো প্রথম উত্তরপাড়ায় আসে' লেখা হলে আর সেই আলোকায়নের প্রথম পুরুষ জয়কেষ্ট মুকুজ্যে হলে আরও বেশি করেই আসবে।
     
    প্রসঙ্গত ঠিক তার আগের মন্তব্যটিতে এই হাংরি কবিদের নিয়ে নালেঝোলে হওয়ার একটি অ্যান্টিডোট দেওয়া হয়েছে। পারলে ওটিও পড়বেন।
  • র২হ | 2601:c6:c87f:c858:653f:aadb:867b:4e2b | ২৯ অক্টোবর ২০২২ ১০:৫১513270
  • পুরো লেখাটাই তো সাবর্ণকন্টকিত। 
    বংশাবতংস টানলে তা নিয়ে অনুযোগ করার কোন যৌক্তিক উপায় তো দেখি না।   
  • যোষিতা | ২৯ অক্টোবর ২০২২ ১২:৪৭513271
  • এত চেঁচামেচির কারন কী? ভদ্রলোককে এত মার মার করছেন কেন সকলে মিলে?
  • হেহে | 2a0b:f4c2:2::35 | ২৯ অক্টোবর ২০২২ ১৩:৩৬513276
  • ররা ভাবল মরাচৌএর একটু আধটু নামটাম আছে  নিরপেক্ষতার ছলে এট্টু তেল মেরে দিই। দিল সবাইরা তেলের মধ্যে জল ঢেলে।
  • যোষিতা | ২৯ অক্টোবর ২০২২ ১৩:৫১513277
  • কনুইলাল তো কনুই মারবেই, কনুইয়ের দোষ। তাই যেখান থেকে পারছে লিংক এনে দিচ্ছে। হিংসুটে।
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::141:9298 | ২৯ অক্টোবর ২০২২ ১৫:২৩513280
  • "আটশো স্কোয়ার মিটারের জনপদে পরিণত হয়"
    বারো কাঠায় জনপদ?
  • Malay Roychoudhury | ২৯ অক্টোবর ২০২২ ১৮:০৭513284
  • যাক । বাদলা পোকা বাড়ছে । 
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::5b:f1b4 | ২৯ অক্টোবর ২০২২ ২৩:৪০513292
  • প্রায় সব লেখার টাইটেলই এক একটা ক্লিকবেইট।
  • যোষিতা | ৩০ অক্টোবর ২০২২ ০০:১৮513293
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::5b:f1b4 | ২৯ অক্টোবর ২০২২ ২৩:৪০
    তাতে সমস্যাটা কোথায়? সেরকমই তো হওয়া উচিত, নইলে লোকে পড়বে কেন? আরও অনেকের লেখাই clickbait, কই তাদের তো ধরে ধরে বুলি করা হচ্ছে না!
  • S | 2a03:94e0:24c4::fefe | ৩০ অক্টোবর ২০২২ ০১:৩৮513295
  • সেদি, ক্লিকবেইট আমার মতে ভেরী ব্যাড চয়েস। আপনি আপনার এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে বা দ দি নিজের এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে দুটো অনেক বড় লেখা লিখেছিলেন, আমি অনেকটা পড়েছিলাম, কোনও ক্লিকবেইট ছাড়াই। কন্টেন্ট ভালো হলে ক্লিকবেইটের প্রয়োজন হয়না।

    বুলি তো করা হচ্ছেনা, সমালোচনা করা হচ্ছে। যেমন এই লেখায় "ছোটোলোক" শব্দটা নিয়ে আমার প্রচুর আপত্তি আছে; প্রকৃত "ছোটোলোকদের" অপমান করা হয়েছে।
  • যোষিতা | ৩০ অক্টোবর ২০২২ ০২:০৩513296
  • আমিও এক সময়ে ছোটলোক নিকনেম ব্যবহার করেছি এই সাইটেই। কেন করেছি তা আমি জানি, আর কেও জানে না। একবার চেয়েছিলাম খানকি নিকনেম নিয়ে লিখতে।
  • Ranjan Roy | ৩০ অক্টোবর ২০২২ ১৮:৩৬513327
  • হেহে 
      ঠিক বলেছেন.  আপনারও বেশ নাম.  তাই আপনাকেও সুযোগ বুঝে তেল মারলাম ।:))
     
    এলে, 
      আপনার পাঠানো লিঙ্ক দেখলাম 
     
    দীর্ঘ প্রবন্ধ। সময় নিয়ে পড়লাম।  বেশ ভালো এবং depth এর বিশ্লেষণ। সব পয়েন্টে একমত নই,  তবু অনেকদিন পরে একটি discourse এর স্বাদ পেলাম। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন