এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্মৃতিচারণ  নস্টালজিয়া

  • পিসতুতো বোনকে চুমু খাবার চুক্তি

    Malay Roychoudhury লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | নস্টালজিয়া | ০৯ অক্টোবর ২০২৩ | ১১৬১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • 103 | 104 | 105 | 106 | 107 | 110 | 113 | 114 | 119 | 120 | 121 | 123 | 124 | 124 | 125 | 125 | 126 | 127 | 127 | 128 | 129 | 131 | 133 | 134 | 135 | 136 | 138 | 139 | 140 | 141 | 143 | 144 | 145 | 147 | 148 | 149 | 149 | 150 | 151 | 152 | 153 | 154 | 155 | 156 | 157 | 158 | 159 | 160 | 161 | 162 | 163 | 164 | 165 | 167 | 168 | 169 | 170 | 171 | 172 | 173 | 174 | 175 | 176 | 176 | 177 | 178 | 179 | 180 | 181 | 182 | 183 | 184 | 185 | 186 | 187 | 188 | 189 | 190 | 191 | 192 | 192 | 193 | 194 | 195 | 196 | 198 | 199 | 200
    পিসতুতো বোনকে চুমু খাবার চুক্তি

    হাংরি মামলার সময়ে পিসতুতো দাদা অজয় হালদার একদিন ব্যাঙ্কশাল কোর্টে এসে জানালো যে পিসেমশায় একটা পারিবারিক সভা ডেকেছেন তাতে আত্মীয়দের উপস্হিত থাকতে হবে। সেন্টুদা বলল, যেন বেশ স্বাভাবিক ঘটনা, ‘গীতু ওর বরের ভাগ্নের সঙ্গে ইলোপ করেছিল। কয়েকদিন আগে সেই ভাগ্নে, তার নাম কিংকর, আর গীতু এসে জানিয়ে গিয়েছিল যে ওরা কালীঘাটে বিয়ে করে নিয়েছে। গীতু বলেছে ও কিংকরের সঙ্গে সংসার করছে, বরকে ছেড়ে দেবে। যাদবপুরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে সংসারের জন্য সব জিনিসপত্র কিনে ফেলেছে।’

    আমার সেসময়ে কোথাও মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না বলে আমার খোঁজে আদালতে আসতে হয়েছিল ওনাকে। সেসময়ে রাতের বেলায় সুবিমল বসাকের জেঠার বৈঠকখানা পাড়ায় স্যাকরার দোকানঘরে শুতুম বা শরদ দেওড়া নামের মারোয়াড়ি সাহিত্যিকের গদিতে। উত্তরপাড়ার আদিবাড়ির খণ্ডহরে অনেক সময়ে থাকতুম যখন দুটো ডেটের মাঝে সপ্তাহের বেশি সময় থাকতো।

    সেন্টুদাদের আহিরিটোলায় কেবল একটাই শোবার ঘর ছিল, তাই সেখানে রাতে শোবার মতন জায়গা কুলোতো না। সেন্টুদারা নিজেরাই গরমকালে ছাদে উঠে শুতো আর শীতকালে ঘরে গাদাগাদি করে। খাটটার তলায় চার ভাই আর দুই বোন শোবার দরুন মেঝে একেবারে চকচকে থাকতো। খাটে শুতেন পিসিমা আর পিসেমশায়।

    —তোমাদের ঘরে তো জায়গা নেই, সভা হবে কোথায়? জিগ্যেস করলুম।

    —তুই সকাল দশটায় আমাদের বাড়ি চলে আসিস, তোর দাদাকেও বলেছি, যেখানে সভা বসবে, নিয়ে যাবো।

    দাদার অবস্হা আরও খারাপ ছিল কলকাতায়। বন্ধুরা দাদার নানা পোস্টিঙের জায়গায় দলবেঁধে বা সপরিবারে যেতো, সেসব নিয়ে উপন্যাস-গল্প লিখেছে, কিন্তু কেউই দাদাকে তাদের বাড়িতে থাকতে দেয়নি মামলার সময়ে। পরে দাদা যখন বাঁশদ্রোণীতে বাড়ি করল তখনও অনেকে গিয়ে সেই বাড়িতে থেকেছে, বিনা ভাড়ায়। দাদার সস্তা হোটেল জানা ছিল সেখানেই উঠেছিল হাংরি মামলার সময়ে।

    সেন্টুদা আদালত চত্ত্বর ছাড়ার কিছুক্ষণ পর গীতু এলো, একই প্রস্তাব নিয়ে।
    আমি ওকে বললুম, যাবো, কিন্তু তুই আমাকে চুমু খেতে দিবি।
    গীতু ফিসফিসিয়ে বলল, জুতো মারবো, শালা, তুই আমার নিজের মামাতো ভাই হয়ে চুমু খেতে চাইছিস ? এই সব লোচ্চামি করিস বলেই এখন মামলা লড়তে হচ্ছে।

    বললুম, কী করব ! তুই সেক্সুয়ালি এতো অ্যাট্রাকটিভ, আমি ব্রাহ্ম হলে তোকে বিয়ে করতুম।
    গীতু দেখতে বেশ ভালো, ফর্সা, বড়ো-বড়ো চোখ, চুলও পিঠে ছড়ানো কোমর পর্যন্ত। গীতাশ্রী বা গীতু পিসেমশায়ের বড়ো মেয়ে। আমার কথা শুনে রাজি হয়ে গেল গীতু। মামলা কোর্টে উঠল আর পরের ডেট দিলেন জজসাহেব।
    বাসে চেপে গীতু বলল, বাসায় চল, দেখে তো মনে হচ্ছে এক বছর চান করিসনি, চান করে চুমু খাস আর দুপুরের মাছ-ভাতও খেয়ে নিস। দাদা তোকে বলেনি, কিজন্য তোদের ডাকা হয়েছে। আমি আমার কুচ্ছিত বরকে ছেড়ে ওর কম বয়সী ভাগ্নের সঙ্গে সংসার পেতেছি আজ দু মাস হতে চলল।

    গেলুম গীতুদের বাড়ি।
    ও তালা খুলে ফ্ল্যাটে ঠুকতেই জড়িয়ে ধরে চুমু খেলুম। গীতু বাধা দিল না, চুমু খেতে-খেতেই বলল, আর কিছু করবি না, উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছিস, ছাড় এবার।
    ঠোঁটে ঠোঁট রেখেই বললুম, “It’s the kind of kiss that inspires stars to climb into the sky and light up the world.”

    গীতু বলল, সাহিত্য করিসনি, চুমুর সময় চুপচাপ চুমু খা। সাহিত্য করতে গিয়ে তো গাড্ডায় পড়েছিস।
    হাত ছাড়িয়ে গীতু ভেতরের ঘরে গিয়ে একটা ওয়াকিঙ স্টিক এনে আমার দিকে উঁচিয়ে বলল, ল্যাঙটো হ।
    আমি ভ্যাবাচাকা।
    গীতু আরেকবার বলল, ল্যঙটো হ, নইলে এটা দিয়ে পেটাবো, তুই গায়ের জোর দেখাবার আগে কয়েক ঘা কষে দেবোই দেবো।

    আগে কখনও কোনো যুবতীর সামনে উলঙ্গ হইনি। গীতু কী চায় বুঝতে পারছিলুম না। ট্রাউজার খুলে নামিয়ে দিলুম। সেসময়ে আণ্ডারওয়ার পরতুম না, কেননা বহুদিন চান করা হয় না, কাচাকাচির ঝামেলা।

    ছড়িটা আমার লিঙ্গে ঠেকিয়ে গীতু বলল, আমার বরটার এর চেয়ে ওয়ানফোর্থ। কিংকরেরও তোরই মাপের। অমন বরের সঙ্গে ঘর করার মানে হয় না; দেখতেও কুচ্ছিত। সভায় গেলে ওকে দেখে তোর বমি পেয়ে যাবে।
    গীতু ছড়িটা দেয়ালে ঠেসান দিয়ে রাখতেই জড়িয়ে চুমু খেলুম। গীতু বলল, বজ্জাত কোথাকার, অন্য কিছু করবি তো চেঁচিয়ে লোক জড়ো করব।

    বললুম, তুইই তো আইরিটোলার বাড়িতে খাটের তলায় শুয়ে রাত্তিরে জড়িয়ে চুমু খেয়ে ছিলিস। শুরুটা তুইই করেছিলিস। ল্যাঙটো হতে বললি, আর উত্তেজিত করে দিলি।

    —তখন বয়স কম ছিল আর তোকে দেখে মনটা চাগিয়ে উঠেছিল।

    চুমু খেয়ে ভালো লাগলো। ট্রাউজার পরে, বললুম, ওই সভায় দেখা হবে। তোর পক্ষেই ভোট দেবো।

    গেলুম পিসেমশায়ের বাড়ি। সবাই বেশ গম্ভীর। ব্যাপারটা কেউ বলল না। আমাদের দুই ভাইকে নিয়ে সেন্টুদা বিবেকানন্দ রোডের একটা বাড়ির উদ্দেশে চলল। পিসিমা আর পিসেমশায় গেলেন না আমাদের সঙ্গে।

    —ব্যাপারটা কী ? দাদা জানতে চাইল।

    —তোরা ওখানে গিয়ে একটা ফয়সালা করবি, তাই ডাকা হয়েছে, ওখানে তোরা আমাদের প্রতিনিধি হয়ে যাচ্ছেস। বললেন পিসিমা।

    একটা বাড়িতে ঢুকলুম। পুরোনো আমলের দোতলা বাড়ি।

    যেতে-যেতে সেন্টুদা বলল, এই বাড়ির ছেলের সঙ্গে গীতুর বিয়ে হয়েছিল।
    সভা আরম্ভ হয়ে গেয়েছিল। সবাই মেঝেয় বসে। সবাই গম্ভীর। প্রায় কুড়ি-পঁচিশজন। ডিটেকটিভ উপন্যাস লেখক স্বপনকুমারও ছিলেন; উনি গীতুর শশুরবাড়ির কেউ হন, শুনেছিলুম। সভায় গীতুর শশুর
    বাড়ির লোকজনই বেশি। সেন্টুদা আর আমরা দুজন গীতুর বাপের বাড়ির লোক হিসেবে কোরাম পুরো করলুম।
    সেন্টুদা আর আমরা পৌঁছোবার পর গীতুর শশুর জানালেন যে পারিবারিক সভা ডাকা হয়েছে গীতু আর ওর বরের সম্পর্ক নির্ণয় নেবার জন্য। গীতুর বরকে দেখলুম, প্রথমবার, গায়ের রঙ বেশ ময়লা, রোগা, ঢ্যাঙা, দাঁত বেরিয়ে আছে। বুঝলুম যে পিসেমশায় যৌতুক দেবার অবস্হায় ছিলেন না বলে এরকম এক পাত্রের সঙ্গে গীতুর বিয়ে দিয়েছেন। আরও খোঁজখবর করলে এর চেয়ে ভালো পাত্র পেতেন।

    বরের বাড়ির কেউ একজন, পরে জেনেছিলুম বরের মামা, বেতের মোড়ায় বসেছিলেন, জানালেন যে, গীতু ওর বরকে পছন্দ করতে পারেনি। এমনকি বাসরঘরে রাগ দেখিয়েছিল। যখন-তখন বরের সঙ্গে ঝগড়া করত। একই ঘরে শুতে চাইত না। এখন কিংকরের সঙ্গে থাকে। বিয়ে-করা বরকে ছেড়ে দেবে।

    —এখন কিংকরের সঙ্গে চুটিয়ে সংসার করছে ! কম বয়সী এক বউ বললেন হাসিমুখে। ওনার ইশারা বুঝে অনেকেই ফিকফিকে হাসলেন।

    –ছেড়ে দেবে ? অচেনা এক মহিলা জিগ্যেস করলেন।

    –হ্যাঁ, গীতু ওর বরকে ভেন্ন করে দেবে, তাহলে কিংকরের সঙ্গে গীতু সংসার করতে পারবে।কেউ একজন বলল।

    —আগেকার কালে বউ পছন্দ না হলে বর তাকে ভেন্ন করে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিত; তখনকার দিনে চার-পাঁচটা বউ থাকতো বলে ওসব করতে পারতো, কিন্তু বউই বরকে ভেন্ন করে দিতে চাইছে, এমন কথা তো শুনিনি। বেশ ভারিক্কি টাইপের এক প্রৌঢ়া বললেন।

    –না, বর ভেন্ন করে দেবে, তাহলে ল্যাটা চুকে যাবে, লোকের মুখে অকথা-কুকথা শুনতে হবে না। বললেন মামাবাবু।

    কিংকর ছেলেটার সঙ্গে গীতু মাসদুয়েক আছে। কিংকরকে দেখে আমার ভালোই লাগল, স্মার্ট।
    দাদা জিগ্যেস করল, আমাদের কোনও ভূমিকা আছে?

    সেন্টুদা বলল, পরিবারের লোকেরা অনুমোদন করলে গীতাকে ওর বর ভেন্ন করে দেবে।

    যাঁরা উপস্হিত ছিলেন তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ ভেন্ন করার পক্ষে মত দিলেন। কয়েকজন নিরপেক্ষ রইলেন। কয়েকজন বিরোধ করেও বললেন, অমন মেয়েকে ঘরে তোলা যাবে না।
    গীতুর বর মুণ্ডু ঝুলিয়ে বসেছিল। বেচারা। আমি ভেন্ন করার পক্ষে ছিলুম। দাদা ছিল নিরপেক্ষ। ‘ভেন্ন’ হবার প্রক্রিয়া শুরু হলো আর তক্ষুনি শেষ হয়ে গেল।

    এই সভায় আমি গীতুর মামাতো ভাই। সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় সুযোগ পেয়ে ওকে জড়িয়ে বললুম, সুখে সংসার কর, একদিন যাবো।

    গীতু ফিসফিসিয়ে বলল, রাসকেল লম্পট কোথাকার। সবাইকে শুনিয়ে বলল, আসিস।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    103 | 104 | 105 | 106 | 107 | 110 | 113 | 114 | 119 | 120 | 121 | 123 | 124 | 124 | 125 | 125 | 126 | 127 | 127 | 128 | 129 | 131 | 133 | 134 | 135 | 136 | 138 | 139 | 140 | 141 | 143 | 144 | 145 | 147 | 148 | 149 | 149 | 150 | 151 | 152 | 153 | 154 | 155 | 156 | 157 | 158 | 159 | 160 | 161 | 162 | 163 | 164 | 165 | 167 | 168 | 169 | 170 | 171 | 172 | 173 | 174 | 175 | 176 | 176 | 177 | 178 | 179 | 180 | 181 | 182 | 183 | 184 | 185 | 186 | 187 | 188 | 189 | 190 | 191 | 192 | 192 | 193 | 194 | 195 | 196 | 198 | 199 | 200
  • স্মৃতিচারণ | ০৯ অক্টোবর ২০২৩ | ১১৬১ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    ইঁদুর  - Anirban M
    আরও পড়ুন
    আকুতি - Rashmita Das
    আরও পড়ুন
    ** - sumana sengupta
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শশুর  | 165.225.8.74 | ০৯ অক্টোবর ২০২৩ ১৮:৩৬524427
  • শ্বশুর বানান কি বৈধ? 
  • একক | ০৯ অক্টোবর ২০২৩ ১৮:৩৯524428
  • মজার গপ্পো :) 
     
    মারোয়ারী সাহিত্যিক শরদ দেওড়া সম্বন্ধে আরেকটু জানা যাবে?  মানে কী লিখেছেন,  পাওয়া যায় কিনা সেসব লেখা ইত্যাদি। 
  • Samaresh Mukherjee | ০৯ অক্টোবর ২০২৩ ২৩:০৪524433
  • বাংলা একাডেমি ঢাকা - আধুনিক বাংলা অভিধান
    সম্পাদক - জামিল চৌধুরী


     
    সংসদ বাংলা অভিধান


     
  • guru | 103.135.228.163 | ১০ অক্টোবর ২০২৩ ১১:০৯524449
  • এসব শুনলে নিজের ব্যর্থ উপোষী যৌবনের দুঃখ আরো চাগড় দিয়ে ওঠে | সত্যি এতো সাহসী হয়ে না উঠে জীবনটাই ব্যর্থ হয়ে গেলো | 
  • शरद देवड़ा | 2401:4900:1c97:1999:19c0:fc88:f098:4f03 | ১০ অক্টোবর ২০২৩ ১২:০৬524453
  • भारत में यूं तो गांव में बरगद या नीम के पेड़ के नीचे चौपाल की लंबी परंपरा रही है, लेकिन आधुनिक साहित्यिक अड्डेबाज़ी का दौर उन्नीसवीं सदी में कलकत्ता में शुरू हुआ और यह कहना ज़रूरी कहाँ है- ये सब मार्क्सवाद की वजह से ही- जहाँ स्टडी सर्किल की शानदार और अनुकरणीय परंपरा कब से ही है . कलकत्ते में कॉलेज स्ट्रीट काफ़ी हाउस की अड्डेबाज़ी एक किंवदंती बन चुकी है, साठ के दशक में हंग्री जेनरेशन के कवियों ने इसे एक नए आयाम तक पहुंचाया था.’
    शरद देवड़ा ने अपने उपन्यास "कॉलेज स्ट्रीट के नए मसीहा" में इसी की तस्वीर सफलता से खींचने की कोशिश की थी. महज़ साहित्यिक अड्डेबाज़ी जैसे अछूते विषय पर एकाग्र वह शायद हिंदी का पहला उपन्यास था...
  • একক | ১০ অক্টোবর ২০২৩ ২৩:২৬524466
  • তা এই ' কলেজ স্ট্রিট কে নয়ে মসিহা' উপন্যাস টি কোথায় পাওয়া যেতে পারে?  আর কোনো লেখা?? 
  • একক  | 103.154.234.169 | ১১ অক্টোবর ২০২৩ ১৬:৩৬524479
  • অনেক ধন্যবাদ ! পাত্থর কে ল্যাম্পপোস্ট আর সতবে দশক কী হিন্দী কাহানিয়া ডাউনলোড করে নিলুম :)
  • Malay Roychoudhury | ১৫ অক্টোবর ২০২৩ ১০:৩৭524558
  • শালা ছয়শোর বেশি লম্পট পাঠক । ২০০ টা পোস্ট কিন্তু এটার পাঠক সবচেয়ে বেশি !
  • জিজ্ঞাসু | ১৫ অক্টোবর ২০২৩ ১২:২৪524560
  • ৬০০ পঠিত সংখ্যা‌র প্রেক্ষিতে ম.রা'র অভিমত একদম সঠিক। হুঁ হুঁ বাবা, এই হচ্ছে Vicarious Pleasure এর অব‍্যর্থ নমুনা। নিজে যা পারিনি তা অন‍্য কেউ পেরেছে ভেবে তির্যক আনন্দ উপভোগ।

    ছশোর মধ‍্যে ৬০% হতে পারে পাঠক - যারা তুতো বোনকে খেতে চেয়ে‌ও পারেনি বা পারলে‌ও কখনো প্রকাশ‍্যে স্বীকার করতে পারেনি কারণ "ম.রা'র মতো সাহস ৯৯%এর নেই (আমার‌ও নেই, তাই নিকের আড়াল থেকে লিখছি)। 

    ৪০% হতে পারে পাঠিকা, যারা চেয়েছিল তুতো ভাই বা দাদা কখনো আচমকা জাপটে ধরে….।  বা তাদের ক্ষেত্রে‌ও হয়তো খেয়েছি‌ল কেউ, তারাও পারেনা স্বীকার করতে। 

    কোনো এক সার্ভে মতে, একদা ভারতের মতো গোঁড়া দেশে, যৌথপরিবারে একসাথে বড় হ‌ওয়া ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় প্রাথমিক, ওপর ওপর যৌন অভিজ্ঞতা‌ হয় তুতো ভাইবোনের মধ‍্যে। ম.রা বর্ণিত খাটের তলায় ঘেঁষাঘেঁষি করে শুলে এবং শীতকাল হলে তো সোনায় সোহাগা - সোহাগে সোনামনি‌র গলতে কতক্ষণ! 

    বিশ্বায়নের প্রভাবে এখন অবশ‍্য আগেকার কুণ্ঠা, সংস্কার, সংকোচ অনেকটাই কেটে গেছে। তাই ড‍্যুরেক্স, কামসূত্র, ম‍্যানফোর্সের বটমলাইন ঊর্ধ্বগামী। তাই ম.রা যদি লেখেন -  "পিসতুতো বোনের সাথে  প্রথম ইন্টুমিন্টুর অভিজ্ঞতা" -  ৫ দিনে ৬৫০ টা ৬৫০০ হয়ে যেতে পারে।
    cheeky
  • গঙ্গারাম | 115.187.40.97 | ১৫ অক্টোবর ২০২৩ ১৩:২৪524563
  • আমি এটা পড়লাম পিসতুতো বোন এর জন্য নয়। মামী ভাগ্নে সংসারের ব্যপারটাতে আকৃষ্ট হলাম। বয়সে বড় নারীর সাথে প্রেম নিয়ে আমার আলাদা ফ্যান্টাসি আছে
  • জিজ্ঞাসু | ১৫ অক্টোবর ২০২৩ ১৫:০৫524577
  • মরাদার টুসকিতে এবার হয়তো - - -  মন থেকে বেরোবে কিছু টিয়ে - নিকের টোপর মাথায় দিয়ে। wink

    বলতে ভুলেছি - মরাদার লেখায় গীতুর এই বাক‍্যটা - "চান করে চুমু খাস আর দুপুরের মাছ-ভাতও খেয়ে নিস" - একঘর লেগেছে মানে অসাম অর্থাৎ অনবদ‍্য। যেন চুমুটা স‍্যুপের মতো লাঞ্চের স্টার্টার। 
    kiss
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন