এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Anindita Roy Saha | ০৬ জুন ২০২১ ১০:২৩494630
  • আমাদের মতো সুবিধাপ্রাপ্ত শহুরে মানুষদের পক্ষে এগুলো বলা অতি সহজ। সরকার, দেশীয় বা বিদেশী, দায়ী অবশ্যই। বাজার ব্যবস্হাও। তবে সেই ব্যবস্থায় ভোক্তা হিসাবে আমাদের ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না। বৃহৎ শিল্প গড়ে ওঠে আমাদের চাহিদার যোগান দিতেই। অতএব জীবনযাত্রা পরিবর্তনের দায় সকলের।

  • dc | ০৬ জুন ২০২১ ১০:৩৩494631
  • "অর্থাৎ এটা স্পষ্ট যে কোনো ব্যক্তির এসি, ফ্রিজ, গাড়ির ব্যবহারের ফলে হওয়া দূষণ পরিবেশে সামান্যতম প্রভাবটুকুও ফেলে না"


    একদম ঠিক কথা। ​​​​​​​ঠিক ​​​​​​​এই ​​​​​​​কারনেই ​​​​​​​আমি ​​​​​​​এসি, ​​​​​​​ফ্রিজ ​​​​​​​আর ​​​​​​​গাড়ির ​​​​​​​ব্যবহার ​​​​​​​একটুও ​​​​​​​কমাইনি। ​​​​​​​

  • π | ০৬ জুন ২০২১ ১০:৫৪494632
  • "একইরকমভাবে দেখা যায়, একজন ব্যক্তি দৈনন্দিন জীবনে সর্বাধিক জীবাশ্ম জ্বালানি খরচ করলেও তার পরিমাণ দাঁড়ায় ৮.১ টনের কাছাকাছি, যেখানে গোটা বিশ্বে একদিনে জ্বালানিজনিত দূষণের পরিমাণ ৩৩০০ কোটি মেট্রিক টন। অর্থাৎ এটা স্পষ্ট যে কোনো ব্যক্তির এসি, ফ্রিজ, গাড়ির ব্যবহারের ফলে হওয়া দূষণ পরিবেশে সামান্যতম প্রভাবটুকুও ফেলে না। "

     
    এটা তো একজন ব্যক্তির হিসেব হল। ব্যক্তিসংখ্যা দিয়ে গুণ করলে?
     
    আর এটা দৈনন্দিন হিসেব, না সারাজীবনের?
  • π | ০৬ জুন ২০২১ ১০:৫৫494633
  • সুন্দরবনে বাঘ আছে, তাই আছেন, বাঘ না থাকলে থাকবেন না - এটা কোন কারণে বলা? পর্যটন?

  • | ০৬ জুন ২০২১ ১১:০৮494634
  • বেশ ঘাঁটা কনসেপ্টের লেখা।


    এই প্ল্যাস্টিক স্ট্রয়ের হিসেব কিসের সাপেক্ষে? একজন মানুষ, গোটা রাজ্য? দেশ?


    একজন মানুষ শুধু স্ট্র নয় আরো অনেক কিছু ব্যবহার করেন যেগুলো একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া প্ল্যাস্টিক। তো এলাকাভিত্তিক মোট প্ল্যাস্টিকের কনজাম্পশান ও ডিস্পোজাল এবং পরিবেশের উপর তার প্রভাবের কোন ডেটা পয়েন্ট দিতে পারেন? নাহলে এটা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না।


    এবার এই একজন সর্বোচ্চ ফসিন ফুয়েল ব্যবহার করে ৮.১ টন এইটা যদি নেড়েচেড়ে দেখি তাহলে দেখতে হবে এরকম ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী একটা এলাকায় সে মিউনিসিপাল বা রাজ্য, কতজন? এবং কেন? এর কারণ কি গণপরিবহনের অভাব নাকি নিতান্তই ব্যক্তিগত শো অফের অভ্যাস?


    এই জায়গাতে এসেই এটা হয়ে যায় পলিসির ব্যপার। পলিসি হিসেবে রাষ্ট্র যদি গণপরিবহনের প্রাচুর্য্য ও স্বাচ্ছন্দ্যে জোর দেয় তাহলে জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার অনেক নিয়ন্ত্রিত হয়। ফোর্ড বা টয়োটা চাইবেই গাড়ি চলাচলের রাস্তা বেশী হোকবট্রেনলাইন কম। তাতেই তাদের লাভ এবং এর জন্য তাদের শুধু দোষ দেওয়াটা খানিক সেফ টার্গেটে ঢিল ছোঁড়া। কোন ব্যক্তি তাদের কী বলল তাতে তাদের কিস্যু যায় আসে না।


    এখানেই আসে রাষ্ট্রের ভূমিকা। সে টয়োটা ফোর্ডের সুবিধেমত কাজ করবে না দীর্ঘপমেয়াদী পরিকল্পনা মেবে। রাষ্ট্রনেতাদেরকে নির্বাচিত হবার জন্য নির্ভর করতে হয় ব্যক্তিবিশেষের ভোটের উপর। ব্যক্তি এখানে কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ তাই এখানেই পলিসি বদলের জন্য চাপ দেওয়া উচিৎ।


    এতেও কিন্তু ব্যক্তিবিশেষের দায়িত্ব খুব কমে না। বাড়ি থেকে চট বা কাপড়ের ব্যপগ সঙ্গে না নিয়ে গিয়ে 'আজারে বিক্রেতাকে প্ল্যাস্টিক ব্যাগ দিতে বলা ও বাধ্য করা এরকম একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ক্ষতিকর আচরণ।

  • | ০৬ জুন ২০২১ ১১:১৩494635
  • উফ গুচ্ছ টাইপো। বক্তব্য বোঝা যাচ্ছে আশা করি।

  • π | ০৬ জুন ২০২১ ১২:৩৮494640
  • দমদির বক্তব্যে ক। প্লাস্টিক নিয়ে আর আলাদা করে তাই বললাম না।


    গাছ কাটা প্রসঙ্গে, সেটা তো আটকানো দরকার বটেই, কিন্তু গাছ লাগানোয় ১% ও লাভ নেই, এটা কোদ্দিয়ে এল? আবারো সেই কতজন লোক কত গাছ লাগাচ্ছেন, কীরকম গাছ সেসব প্রশ্নও আসবে, নইলে এসব কোয়ান্টিটেশন হচ্ছে কীভাবে?


    প্রসঙ্গত বলি, আমার কাজ জুমচাষীদের নিয়ে, তো তাঁরা তো প্রতিবছর জুমের জন্য জঙ্গল পোড়ান, কিছু খুব বড় গাছ বাদে সবই পোড়ে। এবার এক বছর সেখানে চাষ হয়ে গেলে ফেলে রাখা হয়, দু'তিন বছর বাদে প্রচুর রোদ বৃষ্টিতে এমন জঙ্গল হয়ে যায়, বোঝার কোন উপায়ই নেই কাটা হয়েছিল। আমার কাছে অনেক ছবি আছে। আমরা এছাড়াও সাটেলাইট ইমেজ দিয়ে কোয়ান্টিটেট করি, তাই হিসেব করেই বলতে পারি। হিসেব অনুযায়ীই এই রাজ্য দেশের কতিপয় অঞ্চলের মধ্যে যেখানে ফরেস্ট কভার বেড়েছে আর ফরেস্ট কভার % দেশের প্রথম তিন রাজ্যের মধ্যে।


    শাল সেগুন মেহগনির ও প্রচুর জঙ্গল আছে। খুব বড় হলে বনদপ্তর থেকেই কাটে, জনজাতিদের জন্য কিছু নিয়মকানুন সহ অনুমতির গল্প আছে, তাতে ঢুকছিনা। কিন্তু এখানেও দেখেছি কাটার কিছু বছরের মধ্যে জঙগল হয়ে যেতে। একসঙ্গে সব কাটাও হয়না।


    তাই ওই ব্লাংকেট কাটা চলবেনা, বলারও খুব যৌক্তিকতা দেখিনা।


    হ্যাঁ,পাহাড়ে রাস্তা চওড়া করার জন্য প্রচুর গাছ কাটা পড়তে দেখলাম, উত্তর পুবে অরুণাচল অব্দি ফোর লেন করার জন্যেও, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন করার দরকার ছিল, সব জায়গাতেই এটা দরকার ছিল কিনা। কোন প্রশ্ন, প্রতিবাদ কিস্যু দেখিনি। আমার যা মনে হয়েছে, বহু জায়গাতেই আদৌ কোন রোড ট্রাফিক দেখিনি, যাতে মনে হয়েছে দরকার।


    আবার আমরা যে পাহাড়ের রাস্তা দিয়ে যাই, সেগুলিতে এত বাঁক, এত সময় লাগে, বিপজ্জনকও, বর্ষায় বিশেষ করে, টিলা থেকে লালমাটি ধুয়ে এলে, সেখানে রাস্তার ধারের টিলাই সরিয়ে দিতে দেখছি, এবার এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা এমনিতেই এত মুশকিলের আর তার জন্য পাহাড়ের জনজাতিদেরই এত সমস্যায় পড়তে হয়, ম্যালেরিয়া মহামারীর সময়েই দেখেছি অসুস্থ ছেলে মেয়ে কাঁধে বাবা মা তিন চার পাঁচ ঘণ্টা জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ছুটে এসেছেন, এখনো কোন কোন জায়গায় আমাদের মেডিকাল টিম নিয়ে যেতে গেলে তিন চার ঘ্ণটা হাঁটতে হয়, প্রসূতি মায়েদের কী বেজায় সমস্যা, অন্য রোগভোগ তো ছেড়েই দিলাম, বহু কাণ্ড করে এম্বুল্যান্স এর বন্দোবস্ত করলেও যাওয়ার রাস্তা নাই, তো সেখানে জঙ্গল কেটে রাস্তা বানানোতে ব্লাংকেট অন্যায় অপকার দেখিনা।


    মানুষ শুধুই নিজেদের মত অরণ্যে থেকে যেতে চান অসুখ বিসুখ অশিক্ষা সব নিয়ে, এমনটাও ঠিক নয়। নিরন্তর ম্যালেরিয়ায় বাচ্চাগুলো ভুগুক, মরুক, এটা ঠিক তাঁ্রাও চাননা, অরণ্যজীবনের সব কিছুই সতইই সুন্দর, রোমান্টিক, বন্যেরা বনেই সুন্দর, অতটাও ঠিক নয়। বালেন্সের দরকার কোথাও। পরিবেশভাবনার এই প্রশ্নগুলোতেও।

  • জয়র্ষি | ০৬ জুন ২০২১ ১৬:১৯494652
  • পার্সেন্টেজগুলোর তথ্যসূত্র হিসেবে লিঙ্ক দিলাম। https://harvardpolitics.com/climate-change-responsibility/


    প্লাস্টিকের তথ্য সারাবিশ্বে প্লাস্টিক ব্যবহারের ফলে। ব্যক্তির সারাজীবন।


    বাঘের বিষয় স্রেফ পর্যটন না। বাঘ না থাকলে জঙ্গল থাকবে না, জঙ্গল না থাকলে মধু, চিংড়ি বা যেকোনো জীবিকাই থাকবে না।


    আর কর্পোরেট কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে। নিজেরা ব্যবহার কমালে কর্পোরেট উৎপাদন কমাবে - এটা খুবই হাইপোথেটিকাল এবং আদর্শবাদী দাবী। এরবকোনো বস্তুগত ভিত্তি নেই।

  • জয়র্ষি | ০৬ জুন ২০২১ ১৬:২০494653
  • এই লেখায় পরিবেশ দূষণের মূল কারণ হিসেবে কর্পোরেটের ভূমিকা নিয়ে কিছু কথা লিখেছিলাম। সেখানে কর্পোরেটের সাপেক্ষে পরিবেশ দূষণে ব্যক্তি মানুষের ভূমিকা কত নগণ্য, তার আলোচনা করায় অনেকেই সম্ভবত ভুল বুঝেছেন যে, ব্যক্তির পরিবেশ দূষণে কোনো ভূমিকাই নেই। আদতে তা না, একেকজন ব্যক্তি মানুষও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেন। যেমন,


    ১. সবার প্রথমে এবং সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো শ্রমজীবী, আদিবাসী, জঙ্গলজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং পরিবেশ বাঁচানো সহ সার্বিকভাবে কর্পোরেটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে সাহায্য করা। রাষ্ট্রের ইচ্ছে না থাকলে কর্পোরেটকে ঠেকানো সম্ভব না। কিন্তু একজন ব্যক্তি রাষ্ট্রের আচরণের বিরুদ্ধেও সরবটুকু তো হতেই পারে।


    ২. ফ্রুগাল লাইফস্টাইল নির্বাহ করা জরুরি। অর্থাৎ প্রয়োজনের অধিক ব্যয় যতটা সম্ভব কমাতে হবে। স্রেফ এই করেই একজন ব্যক্তি নিজের চারপাশের দূষণ অনেকটা কমাতে পারে। কোন জিনিসে দূষণ হবে, তা ভেবে লাভ নেই। বরং প্লাস্টিকের ব্যাগ হোক বা পাটের, যেটাই হোক, সেটাকে বারংবার ব্যবহারের চেষ্টা করলে সপ্তাহান্তে বর্জ্যের পরিমাণ কমে। একই কথা প্রযোজ্য ব্যক্তিগত গাড়ি বা এসির ক্ষেত্রে। গ্রীনহাউস গ্যাসের কথা ভেবে লাভ নেই। নিজের জীবন নির্বাহের ক্ষেত্রে যতটা না করলে নয়, ততটুকু ব্যবহার করাই যথেষ্ট। সেটুকু ব্যবহারে এমনকিছু দূষণ হয় না।


    ৩. গাছ লাগানো নয়, গাছ কাটা আটকানো। যেখানে যতটা সামর্থ্য, তা সম্বল করে প্রাচীন গাছ বাঁচানোর দায়িত্ব নিতে হবে। শুধু জঙ্গল না, রাস্তার পাশের, মাঠের এমনকি নিজের বাড়ির গাছও বাঁচাতে হবে।


    ৪. ফাঁকা চাতাল, রাস্তার ধার, আল - এসব কংক্রিটে বাঁধানো আটকাতেই হবে। প্রকৃতি নিজের নিয়মেই ফাঁকা জায়গায় বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলে, স্রেফ কংক্রিটে ঢেকে না দিলেই হলো। এছাড়াও পথের ধারের আগাছা মেরে না ফেলা দরকার। মানুষের কাছে যা আগাছা, তাকে ভিত্তি করেও বহু পাখি, পোকামাকড় বেঁচে থাকে।


    ৫. পরিবেশ মানে শুধু গাছ না। সাপ, বেজি, শেয়াল, বাঘরোল ইত্যাদিকে অযথা ভয় না পেয়ে এদের রক্ষা করুন। এদের বাঁচানো দরকার। আর ফেরাল ডগস অর্থাৎ রাস্তার কুকুরের এবং পারলে বেড়ালেরও লাইগেশন করান। এটুকু একজন ব্যক্তি করতেই পারেন।


    মোটামুটি এটুকু করলেই একজন ব্যক্তির পক্ষে পরিবেশ নিয়ে অনেকটা কাজ করা সম্ভব। ১ আর ২ কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের মদতে চলা কর্পোরেটের বিরোধিতা করুন ও নিজের ব্যবহারে খরচ কমান, প্রকৃতিকে নিশ্চয়ই ভালো রাখা যাবে।

  • সুকি | ০৬ জুন ২০২১ ১৬:৪৯494656
  • জয়র্ষিবাবু,


    মনে হয় বুঝতে পেরেছি আপনি কি বলতে চেয়েছেন। আমি জানি না আপনি এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কিনা, হয়ত খুব সাধারণ ভাবে বোঝানোর জন্য এই উদাহরণ বা এইভাবে লিখেছেন। তবুও দুইএকটা কথা বলে রাখি, এই ব্যাপারটা আরো একটু বেশী জটিল।


    আপনি যে লিখেছেন,


    অর্থাৎ এটা স্পষ্ট যে কোনো ব্যক্তির এসি, ফ্রিজ, গাড়ির ব্যবহারের ফলে হওয়া দূষণ পরিবেশে সামান্যতম প্রভাবটুকুও ফেলে না।


    এটা ঠিক নয়।


    এখানে 'দ'-দি যেটা লিখেছে সবচেয়ে বড় ইমপ্যাক্ট আনতে পারে সরকার দ্বারা এনফোর্স করা নানা পলিসি। এর থেকে বড় কিছু ঔষূধ নেই।


    আজকালকার দিনে দূষণ কমানোর জন্য মোটামুটি তিনটে সিনারিও ধরে অ্যানালেসিস করা হয়ঃ


    ১) স্টেটেড পলিসি সিনারিও - মানে আজকের দিনে যে যে পলিসি এনফোর্স করা আছে সেই মেনে চললে আমরা কোথায় দাঁড়াবো


    ২) সাষ্টেনেবল ডেভেলপমেন্ট সিনারিও - মানে নতুন নতুন সব গ্রীণ এনার্জি ইত্যাদিতে ইনভেষ্ট করলে আমরা কোথায় দাঁড়াবো


    ৩) নেট জিরো এমিশন বাই ২০৫০ - আজকাল বেশীর ভাগ বড় বড় কোম্পানীতেই এই টার্গেট আছে, অনেক দেশে পলিসি ইমপ্লিমেন্ট করার চেষ্টা চলছে এটা অ্যাচিভ করার জন্য


    এবার যদি "নেট জিরো এমিশন বাই ২০৫০" দ্যাখেন তাহলে এর মূল কম্পোনেন্ট আছে দুটো -


    প্রথমত হচ্ছে হচ্ছে সবচেয়ে বেশী এনার্জী কনজিউম করে সেই সব প্রাইমারী জায়গালোকে রেগুলেট করা - এর মধ্যে আছে ট্রান্সপোর্ট, ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই, নানাবিধ ইন্ডাষ্ট্রি, বিল্ডিং ইত্যাদি।


    দ্বিতীয়ত হচ্ছে, মানুষের মধ্যে বিহেভেরিয়াল চেঞ্জ আনা।


    মানুষের নিজেদের পরিবর্তনশীল ব্যবহার একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে নেট জিরো এমিশন বাই ২০৫০ অ্যাচিভ করতে।


    এই নিয়ে অনেক ডিটেলস ক্যালকুলেশন আছে, নীচের গ্রাফটা দেখতে পারেনঃ



    দেখতেই পাচ্ছেন শুধুমাত্র গাড়ির ব্যবহার অভ্যাসের পরিবর্তন করে আমরা অনেকটা দূষণ কমাতে পারি। আরো ডিটেলসে ঢুকতে হলে নীচে দেখুনঃ


  • জয়র্ষি | ০৬ জুন ২০২১ ১৭:৩৫494660
  • আমি ফ্রুগাল লাইফস্টাইলের কথা বলেছি ব্যক্তিগত উদ্যোগের ব্যাপারে। এছাড়া স্টেট পলিসির সাথে কর্পোরেট তো জুড়েই আছে। গাড়ির ব্যবহার ব্যক্তিগত উদ্যোগে কমানো সম্ভব না। অটোমোবাইল সেক্টরকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বাজার অনুযায়ী চাহিদা নিয়ন্ত্রণ থামাতে হবে। আর সবচেয়ে জরুরি তো ঐ ১০০ টি কর্পোরেটকে নিয়ন্ত্রণ করা। সেটা করার কথা কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে প্রচার করা হয় না।

  • র২হ | ০৬ জুন ২০২১ ১৭:৪৮494661
  • "বাঘ না থাকলে জঙ্গল থাকবে না"? জঙ্গল না থাকলে বাঘ থাকবে না সে ঠিক আছে, কিন্তু বাঘ না থাকলে জঙ্গল থাকবে না, এটা কি তৃণভোজী প্রাণী জঙ্গল খেয়ে ফেলবে - এমন কিছু?


    তৃণভোজী প্রাণীদের খাওয়ার জন্যে তো মানুষই আছে, বাঘ দিয়ে কী হবে?


    আমি বলছি না বাঘ হাপিস হয়ে যাক, তবে বাঘ একটি উপকারী প্রাণী তেমনও বোধয় ঠিক না।

  • π | ০৬ জুন ২০২১ ১৮:২০494662
  • বাঘ না থাকলে জঙ্গল থাকবেনা, আমিও এ জায়গাটা বুঝিনি। বাঘ ছাড়া তো প্রচুর জঙ্গলই আছে।


    এছাড়াও সুন্দরবনের প্রাকৃতিক গঠন মনুষ্যবাসের ঠিক কতটা উপযোগী? মানুষ যত যাচ্ছে, থাকছে ততই মানুষ আর প্রকৃতি দুইয়েরই সমস্যা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরাও কিন্তু মাইগ্রেশন রিট্রিটের কথা বলছেন, অন্যত্র পুনর্বাসন।

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন