• বুলবুলভাজা  ভোটবাক্স  বিধানসভা-২০২১  ইলেকশন

  • শীতলকুচি ঃ কিছু প্রশ্ন

    রাণা আলম
    ভোটবাক্স | বিধানসভা-২০২১ | ১৬ এপ্রিল ২০২১ | ৮১৯ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • গত ১১ই এপ্রিল, উত্তরবঙ্গের শীতলকুচিতে ২৬৫নং বুথে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীর গুলিতে আঠেরো বছরের আনন্দ বর্মণের মৃত্যু হয়। একইদিনে শীতলকুচিতে সিআইএসএফ এর গুলিতে ভোটের লাইনে মণিরুল মিঁয়া, ছামিউল মিঁয়া, হামিদুল মিঁয়া এবং নূর আলমের মৃত্যু হয়। এবং যথারীতি, এরাজ্যে নির্বাচনী আবহে এই পাঁচজনের মৃত্যু নিয়ে প্রবল তর্ক শুরু হয়েছে।এই মৃত্যুর দায় কার তা নিয়ে শাসক বিরোধী তরজার মধ্যেই রাজ্য বিজেপির বর্তমান সভাপতি ইতিমধ্যেই হুমকি দিয়ে ফেলেছেন যে আরও শীতলকুচি হবে।সোসাল সাইটে শাসক বিরোধীর বিভিন্ন ন্যারেটিভ ঘুরছে। তারই মধ্যে উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখার দায়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর চব্বিশ ঘন্টা প্রচার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তাবড় বিজেপি নেতাদের টানা কম্যুনাল প্রচারের বিরুদ্ধে স্টেপ নেওয়ার সময় এখনও করে উঠতে না পারলেও রাহুল সিনহা মশাইকে দিন দিয়েকের জন্য বিরতিতে পাঠিয়েছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ জটিল।
    কিন্তু, গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় সাধারণ নাগরিক হিসেবে কিছু আবশ্যিক প্রশ্ন আমাদের থেকেই যায়। সেগুলোই তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

    এক্ষেত্রে, সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন হচ্ছে যে সিআইএসএফ এর ভূমিকা নিয়ে।
    প্রথমে সিআইএসএফ নিয়ে দুটো কথা থাক। এরাজ্যে যারা নির্বাচন কর্মী হিসেবে ভোটে যান, তারা সব্বাই রাজ্যপ্রশাসনের ক্ষমতাসীন দলের প্রতি পক্ষপাত দেখেছেন। ছাপ্পা পড়ে, পুলিশ দেখতে পায় না। ভোটকর্মী প্রিসাইডিং অফিসার হুমকি পান, বুথের বাইরে বোম পড়ে, উপরমহল ফোন অব্দি রিসিভ করেনা, এ অভিযোগ নতুন নয়। বিশেষ করে গত পঞ্চায়েত ভোটের অভিজ্ঞতা ভোটকর্মীদের কাছে অত্যন্ত ভয়াবহ। যেভাবে রাজ্য পুলিশকে দাঁড় করিয়ে ভোট লুঠ হয়েছে, বিরোধীদের নমিনেশন ফাইলে বাধা দেওয়া হয়েছে প্রকাশ্য দিবালোকে তা আগে দেখা যায়নি। এবং ভোট করাতে গয়ে পোলিং অফিসার রাজকুমার রায়ের অপমৃত্যু ঘটেছে, আজ অব্দি যার কোনো যুক্তিগ্রাহ্য ব্যখ্যা মেলেনি। সেন্ট্রাল ফোর্স থাকলে অধিকাংশের অভিজ্ঞতা কিন্তু অন্যরকম। এরা সচরাচর স্থানীয় রাজনৈতিক দলের মাসলম্যানদের অনায়াসে দমিয়ে রাখতে পারেন। বুথের ভিতরে গন্ডগোলের আঁচ পড়েনা। ফলে ভোটকর্মী পোলিং অফিসারেরা নিশ্চিন্তে ভোট করাতে পারেন। প্রসঙ্গত, এখানে সেন্ট্রাল ফোর্স বলতে যাবতীয় আধা-সামরিক বাহিনী যাদের ভোটের কাজে লাগানো হয়, তাদেরকেই বোঝাচ্ছি।
    সুতরাং, শীতলকুচির ঘটনার পর বিভিন্ন স্তরের ভোটকর্মীরা যেভাবে সেন্ট্রাল ফোর্সের সমর্থনে এগিয়ে আসছেন, সেটা অমূলক নয়। তারা তাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকেই অধিকাংশজন এরকম অবস্থান নিয়েছেন, এটা ভাবা যেতে পারে।

    এইবার পরের প্রশ্নটা থাকছে, যে ওইদিন শীতলকুচির উল্লিখিত বুথে ঠিক কী ঘটেছিল যার ফলে সিআইএসএফ কে গুলি চালাতে হল? তাদের গুলি চালানো কি আদৌ জরুরি ছিল? বা গুলি চালালেও তা ব্ল্যাঙ্ক ফায়ার বা পায়ের দিকে চালানো হয়নি কেন?

    এখন অব্দি আমাদের হাতে কোনো প্রামাণ্য বিবরণ নেই। সংশ্লিষ্ট বুথের ওয়েবকাস্টিং হয়েছিল কিনা বা সিসি টিভি ফুটেজ আদৌ ছিল কিনা তা এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন আমাদের জানায়নি। ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার কোনো গণমাধ্যমের সাথেই কথা বলতে চান নি। একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তার আতংকে থাকাটা স্বাভাবিক। নির্বাচন কমিশন ধরি মাছ না ছুঁই পানি গোছের একটা বিবৃতি দিয়েছে। বিজেপি দাবি করছে যে স্থানীয় তৃণমূলী দুষ্কৃতীকারীরা শতিনেক লোক মিলে অস্ত্র নিয়ে সেন্ট্রাল ফোর্সকে আক্রমণ করতে গিয়েছিল। তাই সেন্ট্রাল ফোর্সকে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে হয়। এবং সেই দাবীর সপক্ষে তারা তাদের চিরাচরিত ঐতিহ্য মেনেই কিছু ভুয়ো ভিডিও আর ছবি বাজারে ছেড়েছিলেন। স্বাধীন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং সংস্থাগুলির চাপে পড়ে তাদের নেতারা সেগুলি ডিলিট করলেও হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটির লাখ লাখ মনোযোগী ছাত্রের কাছে তা ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে আশা করা যায়।

    তৃণমূল দাবি করছে যে সেন্ট্রাল ফোর্স ইচ্ছাকৃত ভাবে সাধারণ ভোটারদের উপর আক্রমণ করেছে যাতে তৃণমূল এর ভোটারদের মধ্যে আতংক তৈরী করা যায়। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর দল অনেকদিন ধরেই তাদের রাজ্যের যাবতীয় সংখ্যালঘুদের ত্রাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় তৎপর। যদিও এই ‘মসীহা’ সাজার খেলায় বিজেপির মেরুকরণের রাজনীতি যে যথেষ্ট ইন্ধন পেয়েছে সেটা তারা মানতে নারাজ। এবং তাদের বর্তমান রাজ্যজয়ের হিসেব লুকিয়ে আছে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের উপর। ঘটনাচক্রে, শীতলকুচিতে সেন্ট্রাল ফোর্সের গুলিতে নিহত চারজনই যেহেতু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, সেহেতু তৃণমূল স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টিকে নিজেদের পক্ষে টেনে নিয়ে যেতে চাইছে।

    মুশকিল হচ্ছে দু'জায়গায়। এমনটা নয় যে আমাদের রাজ্যে খুব শান্তিপূর্ণ ভোট হয় এবং স্থানীয়রা বুথে গিয়ে ঝামেলা করেনা। কিন্তু, শীতলকুচির ঘটনায় যতগুলো ন্যারেটিভ বাজারে ঘুরছে তাতে আমরা মেনেই নিচ্ছি যে স্থানীয়রা ওখানে ঝামেলা করেছিল। এখন অব্দি কোনো প্রমাণ নেই। স্থানীয়রা এরকম কোনো ঘটনার কথা স্বীকার করছেন না। কিন্তু আমরা, ব্যানানা রিপাবলিকের ম্যাঙ্গো পাবলিকেরা প্রকারান্তে মেনে নিচ্ছি যে তারা ঝামেলা করেছিলেন। এবং এরাজ্যে যেহেতু, সংখ্যালঘুদের একটা অংশ বিভিন্ন পলিটিক্যাল পার্টির মাসলম্যান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাতে এ ভাবনা আরও প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে। সংখ্যালঘুদের মাসলম্যান হিসেবে ব্যবহার করার তালিকায় মুসলিম বিদ্বেষী প্রচার চালানো বিজেপিও পিছিয়ে নেই। চব্বিশ পরগণার ত্রাস ফিরোজ কামাল গাজী ওরফে বাবু মাস্টার এইমুহুর্তে বিজেপির সম্পদ। প্রসঙ্গত, আমাদের রাজ্যের সংখ্যালঘুরা প্রায়ই গলা ফাটান যে তাদের রাজনৈতিক দলগুলি ব্যবহার করে থাকে এবং অভিযোগটি অসত্য নয়। সমস্যা হচ্ছে তারা নিজেরা কোন যুক্তিতে নিজেদের এতদিন ধরে ব্যবহৃত হতে দিচ্ছেন তার কোনো সদুত্তর পাওয়া যায় না।

    দ্বিতীয়ত, সেন্ট্রাল ফোর্স কে দেবত্ব আরোপ করা হচ্ছে।ওই দে ক্যান নেভার ডু এনি রঙ গোছের। আমরা ধরেই নিচ্ছি যে সেন্ট্রাল ফোর্স ওখানে আক্রান্ত হয়েছিল বলেই গুলি চালিয়েছিল। কিন্তু, ভুলে যাচ্ছি উত্তর পূর্ব ভারতে এবং ঝাড়খন্ড ছত্রিশগড়ে এই সেন্ট্রাল ফোর্সের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি হিউম্যান রাইটস ভায়োলেশনের অভিযোগ আছে। সুপ্রিম কোর্টে মামলা অব্দি চলছে। শীতলকুচির ঘটনায় ঠিক কি হয়েছিল তা এখন অব্দি কারুর কাছে স্পষ্ট নয়, তাহলে সেন্ট্রাল ফোর্সকেও তো ক্লিনচিট দেওয়া যায় না।

    সুতরাং, এটা হতেই পারে যে শীতলকুচিতে সত্যিই স্থানীয়রা বুথে গিয়ে ঝামেলা করেছিল এবং সেন্ট্রাল ফোর্সের হাতে বুকে গুলি চালানো ছাড়া আর কোনো অপশন ছিল না। আবার এটাও হতে পারে যে সেখানে সেন্ট্রাল ফোর্সের গুলি চালানোটা মোটেই যুক্তিযুক্ত ছিল না, অন্য কোনো রাস্তাও নেওয়া যেতে পারতো, সেক্ষেত্রে স্থানীয়রাই ঠিক।

    নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কেউই আজ অব্দি এই ঘটনার সঠিক ব্যখ্যা দিচ্ছে না। এবং আমরা, যাদের কাছে কোনো পক্ষেরই যথেষ্ট প্রমাণ নেই, তারা নিজের সুবিধে মতন ন্যারেটিভ বেছে নিচ্ছি। ভুলে যাচ্ছি যে গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল মানুষ। যেভাবেই হোক, মানুষ প্রাণ হারালে তার দায় সিস্টেমের উপরেও সমানভাবে থাকে।
    আরেকটা কথাও মনে রাখা দরকার যে নির্বাচনী আবহে এই পাঁচজনের মৃত্যুর দায় কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর উপরেও সমানভাবে বর্তায়। তারা নিজের মত পেশীশক্তির আস্ফালন ঘটান বলেই নির্বাচনে অধিকাংশ গন্ডগোল হয়ে থাকে।

    আর সবশেষে পড়ে থাকে আমাদের মত মধ্যবিত্ত কমফোর্ট জোনে পড়ে থাকা মানুষজন, যারা নিজেদের ধর্মীয় বিদ্বেষ অথবা রাজনৈতিক অবস্থান চরিতার্থ করতে ইচ্ছেমত কুযুক্তি সাজিয়ে পক্ষ নিই। আমাদের চোখের সামনে পড়ে থাকে প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া আঠেরো বছরের আনন্দ বর্মণ আর বছর কুড়ির পরিযায়ী শ্রমিক নূর আলমের লাশ আর তাদের ঘরে ফেরার অপেক্ষায় থাকা স্বজনেরা।
    অদৃশ্য রক্ত তো আমাদের হাতেও লেগে। সেটা বুঝতে পারছি কি?
  • বিভাগ : ভোটবাক্স | ১৬ এপ্রিল ২০২১ | ৮১৯ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ইসি | 47.11.25.91 | ১৬ এপ্রিল ২০২১ ১৯:১৫104803
  • মোল্লা গুলোর বহুত জ্বলছে !! তার মানে একদম ঠিক জায়গায় গুলি মারা হয়েছে !!!


  • | ১৬ এপ্রিল ২০২১ ১৯:৩৮104804
  • অনেক দিন বাদে রাণা আলমের লেখা দেখে খুবই ভাল লাগল। 


    অবশ্য এতক্ষণে আমরা জেনে গেছি যে সেন্ট্রাল ফোর্স আক্রান্ত হয় নি আদৌ। জাস্ট এলাম দেখলাম গুলি চালালাম, পালালাম মোডে কাজ হয়েছে। তবু প্রশ্নগুলো খুবই ঠিকঠাক। 

  • aranya | 2601:84:4600:5410:1c1c:e64b:7fa:365e | ১৬ এপ্রিল ২০২১ ১৯:৪৯104805
  • অনেকদিন পর রাণা-র লেখা পড়লাম। 


    শেষ যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, তা দেখে পরিকল্পিত হত্যা বলেই মনে হয়। ট্রেইনড কিলার ফোর্স, গাড়ীতে এল, গুলি, কিছু লাশ, ফোর্স চলে যায়। তিন চারশ লোকের জমায়েত, বন্দুক ছিনতাই এর চেষ্টা - এই ডিজিটাল যুগে কারও মোবাইলে এসবের কোন ভিডিও রেকর্ডিং নেই - খুবই আশ্চর্যের। 


    ইসি-র এতাবৎ কাজ কর্মও খুবই আশ্চর্যের -  সেন্ট্রাল ফোর্সের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ জমা পড়েছে, কোনটার ভিত্তিতেই কোন স্টেপ নেয় নি। আত্মরক্ষার জন্য সেন্ট্রাল ফোর্স গুলি চালাতে পারে - এটা ঘোষণা করেছে শীতলকুচির ঘটনার আগে, যেটা জানা কথা, আলাদা করে বলার দরকার ছিল না। 


    অথবা এর কোনটাই আশ্চর্যের নয় 

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ১৭ এপ্রিল ২০২১ ১৯:৫৮104825
  • আগে খেয়াল করি নি। নামটা চোখে পড়াতে লেখাটা খুলে দেখি সেই রাণা। ভালো লাগল।

    কমেন্টগুলোও দেখিয়ে দেয় পরিস্থিতি কতোটা খারাপ ও কেন।

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন