• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • বড় ঈদের শুভেচ্ছা

    Muhammad Sadequzzaman Sharif
    আলোচনা : বিবিধ | ৩১ জুলাই ২০২০ | ১৭৪ বার পঠিত

  • ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতর আমরা বুঝতাম না, আমরা চিনতাম না। আমরা চিনতাম বড় ঈদ আর ছোট ঈদ। এখনো আমরা প্রায় সময়ই বড় ঈদ বলে থাকি। আর বলা হয় কুরবানির ঈদ আর রোজার ঈদ। বড় ঈদ আর ছোট ঈদ সম্ভবত সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে। 

    বড় ঈদে নতুন কাপড় নাই। কাপড় কিনে হবে ছোট ঈদে। দুই ঈদে মানুষ নতুন পোশাক কিনছে এই জিনিস খুব বেশি দিন হয় চালু হয়নি। এখনো অনেকেই এবং আমরাও বড় ঈদে খুব একটা নতুন কাপড় কিনি না। তবে আগের তুলনায় বড় ঈদেও এখন অনেক কেনাকাটা হয়। শপং মল থেকে শুরু করে ছোটখাটো দোকান পাট সবই এখন এই ঈদে ভাল বেচা বিক্রি করে। সম্ভবত অর্থনৈতিক অবস্থার যে উন্নতি হয়েছে তা এর মূল কারণ। 

    বড় ঈদে নতুন জামা কাপড় দেওয়া হত না কারণ বড় একটা খরচ করতে হত কুরবানির জন্য। গোরু কেনার জন্য বেশ অনেক টাকাই লাগে। যার কোপ পড়ত কাপড়ের উপরে। তবে ছোট ঈদে যেমন শপিং সেন্টারে ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করতে মজা, বড় ঈদের মজা হচ্ছে গোরুর হাটে গোরু দেখে কেনার মজা। যদিও আমি এই মজা থেকে শত হস্ত দূরে সব সময়। বহু কাল আগে শখ করে গোরুর হাটে একবার যাওয়ার পরেই বুঝতে পারলাম এই জিনিস আমার জন্য না। এবং আমি এখনো বুঝি না এখনে মজাটা ঠিক কোথায়? গোবর দিয়ে মাখামাখি? প্রচণ্ড গরমে গোরুর লাথি না কী? আমি জানি না। যেবার শখ করে গেছিলাম ওইবারও গোরু কিনে আমি ফিরতে পারিনি। অবস্থা বুঝে আস্তে করে কেটে পড়েছিলাম। এর দায় একটু রনিরও ছিল। রনি আর কাওসার মোটর সাইকেল নিয়ে হাজির। আমি স্যাত করে নাই। পরে বাড়ি ফিরে বললাম আরে তোমরা আমারে রেখে কই গেলাগা?  আমি হারায় গেছিলাম হাটে, পরে কাওকে না পেয়ে চলে আসছি একা   একাই! বলা বাহুল্য কেউ পাঁচ পাই দিয়াও বিশ্বাস করে নাই আমার কথা। তবে কাজের কাজ একটা হইছে, এরপর কেউ আর কোনদিন গোরুর হাটে আমাকে নিয়া যায় নাই। তবে আরেকবার যাওয়া হইছিল, সেইবারও একই বুদ্ধি করে আমি হাওয়া। আবার আবেগে চলে গেছিলাম। গোরুর হাটে পা দেওয়া মাত্র বুঝলাম, আমি ভুল কইরালচি! অতএব... 

    আমি অবশ্য ঈদের দিন গড়িমসি করি না। একবার গিয়ে বসলে শেষ করে দিয়া উঠি। যতক্ষণ কুলায় চলে কাটাকাটি। আবার জবাইয়ের সময়ও আমার জরুরি দরকার পরে। দুর্বল চিত্তের মানুষের কাম না জবাই সামাল দেওয়া। নিজেকে যেহেতু সবল চিত্তের মনে করি তাই ধর গিয়ে গোরু! যদিও ইদানীং ওই প্রচণ্ড রক্তপাত নিতে পারি না আর। কিন্তু যেহেতু মাংস খাওয়া বন্ধ করতে পারি নাই। তাই বলতে পারছি না এই রক্তপাত বন্ধ হোক। গোরুর মাংসর  নাম শুনলে আমার ডায়েট ফায়েট সব উড়ে চলে যেতে চায়। এখন পর্যন্ত এই জিহ্বায় যত আমিষের স্বাদ নিয়েছে তার মধ্যে গোরুর সাথে তুলনা চলে এমন কিছুই ছিল না। 

    স্বাদের কথা যখন বললাম তখন আরেকটু বলি। বড় ঈদ মূলত খাওয়ার ঈদ। কোন পরিসংখ্যান আছে কিনা জানা নাই আমার। আমার ধারনা এই ঈদের পরে মানুষ বেশি অসুস্থ হয়। কারণ সবার ঘরে ঘরে গোরুর মাংস। সকাল বিকাল সন্ধ্যা রাত চলছে গোরু খাওয়া। এখন অনেক ধরনের রান্না হয় মাংস। আগে তা হত না। আম্মাকে দেখতাম বড় এক পাতিলে অনেক মাংস একবারে রান্না করত। ওই এক জিনিসই। চলত জ্বাল দেওয়া আর খাওয়া। একদিন পর থেকে স্বাদ পরিবর্তন হয়ে যেত। যতই দিন যেত ততই নতুন স্বাদ পাওয়া যেত। দুইদিন তিনদিনের মাংসের যে স্বাদ তা রীতিমত স্বর্গীয় লাগত আমাদের। জ্বালে জ্বালে মাংস আর মাংস থাকত না, সব মিশে অন্য কিছু একটা হয়ে যেত, যার কোন তুলনা নাই। ঈদের পর দিন আমাদের বাড়িতে খাওয়া হত গোরুর মাংস আর পরোটা। কেউ কেউ চালের গুড়ার রুটি খেত, আমাদের এখানেও হত। লা জবাব স্বাদ! এখন নানান ধরনের রান্না হয় মাংস। কাবাব হয়, কোরমা হয়, টিকিয়া হয়, সাদা মাংস রান্না হয়, এবং আরও নানান ধরনের রান্নায় এখন ঈদ জমে যায়।

    এর বাইরে যার কথা বলতে হয় তা হচ্ছে গোরুর পা, নেহারি করে খাওয়া। আগে আম্মাকে মাটির চুলায় বেশ কয়েকদিন জ্বাল দিয়ে তৈরি করত নেহারি। নেহারি দিয়ে চালের আটার রুটি! ওহ! বেঁচে থাকা সার্থক মনে হয় আমার। এখন অনেক আধুনিক পদ্ধতি এসে গেছে। প্রেশার কুকারে সিটি মেরেই কাজ হাছিল। তবে সেরা নেহারি কিন্তু আমি খেয়েছিলাম আমার এক হিন্দু বন্ধুর বাড়িতে। খাসির নেহারি! বন্ধুর মা প্রেশার কুকারে এমন ভাবে রান্না করেছিল যে খাসির পায়ের হাড্ডি আঙুল দিতেই ভেঙে যাচ্ছিল! আহ! কী যে খেয়েছিলাম! অতুলনীয়। 

    অন্য আরেকটা খাবারের কথা না বললে অসম্পূর্ণ থেকে যাবে কুরবানির ঈদের খাবারের কথায়। তা হচ্ছে গোরুর ভুরি। এই জিনিস আমি কোথা থেকে খাওয়া শিখেছি আল্লাই জানে। আমাদের বাড়িতে মেজপা আর আমি ছাড়া আর কেউ খায় না। আম্মা আমাদের জন্যই রান্না করে দিত। নিজে খায় না কিন্তু ওই জিনিস আমাদের জন্য তৈরি করত এত চমৎকার করে, এখন ভাবলে অবাক হয়ে যাই। আম্মা বলত উনারা ছোট বেলায় দেখেছেন গোরুর ভুরি কেউ খেত না, দূরে বিলের ধারে ফেলে দিয়ে আসত। আর এখন ধনী গরিব নাই, সকলে হামলে পরে খায়। উনি উনার ছোটবেলার ওই স্মৃতি থেকে বের হতে পারেন নাই। আমার অন্য ভাই বোনেরাও কেউ খায় না। কিন্তু কোন অজ্ঞাত কারণে আমি খাওয়া শিখে গেছি। আর এমনই শিখলাম যে এখন সবার আগে মনে পরে ভুরির কথা। ঢাকায় যাওয়ার পর একদিন শুনলাম কিছু হোটেলে ভুরি বিক্রি করে, এখানে অন্য নাম, বট! এই বট খাওয়ার জন্য কতদিন রাস্তা হাঁটছি, বহুদূরে গিয়ে খেয়ে আসতাম। 

    এখন আম্মা নাই, আম্মা ভুরি খাওয়াই মেনে নিতে পারেন নাই, এখন যে আরও কত উদ্ভট খাবার চালু হইছে তা কীভাবে মেনে নিতো আলাই জানে। এবার কয়েক জায়গায় দেখলাম গোরুর চামড়া রান্নার তরিকা শেয়ার করছে লোকজন! ঢাকায় গোরুর ল্যাজ খেতে দেখছি, কাবাব করে খায়। যারা খায় তারা অস্থির হয়ে যায় খাওয়ার জন্য। আমার অত অধঃপতন হয়নি, আমি ভুরি পর্যন্তই আছি, আজকে আম্মা থাকলে হয়ত আরও কিছু বানী দিত মানুষের অধতে পতন নিয়ে।  

    এসব কারনে মানে খাওয়ার এই বিপুল আয়োজন এখনো আমি অস্বীকার করতে পারি নাই,  তাই রক্তপাতের কথা বলে কুরবারনি বন্ধ করতে বলতে পারি না। এছাড়াও আমি বরাবরই বলি যে এক একদিনে কত মানুষ যে মুখে একটু মাংসের স্বাদ পায় তার কোন হিসাব নাই। আমাদের দেশের আমিষের চাহিদা পূরণ করে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ফার্মের মুরগি আর তেলাপিয়া, পাঙ্গাশ মাছ। গোরু অনেক পরিবারেরই হাতের বাইরের খাদ্য। খাসি তো রীতিমত বিলাসী খাদ্য! তাই যখন ঈদের সুবাদে এই মানুষ গুলো তৃপ্তি করে মাংস খেতে পারে আমি আপত্তি করব কোন যুক্তিতে? 

    কিন্তু রক্ত নিয়ে কাজ করার আছে তা পরিষ্কার করেই বলতে চাই। যে ভাবে আমাদের দেশে কুরবানি হয় তা রীতিমত বীভৎস। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা খুব কুৎসিত ভাবেই অন্য ধর্মের মানুষদের কথা ভাবি না। সকাল থেকে যে রক্তের একটা মাইর লাগে তা সারা দিন চলে, কয়েকদিন পর্যন্ত এর রেশ থেকে যায়। রক্তের তীব্র গন্ধ সকলের জন্যই সমস্যা, যাদের কাছে এটা ধর্মীয় ট্যাবু তাদের কেমন লাগে? আমরা এগুলা ভাবি না। কিন্তু এগুলা ভাবা উচিত। রাস্তার উপরে কুরবানি দিয়ে মানুষের চলাচল বন্ধ করে দিয়ে উৎসব হয় কীভাবে? রাজপথে কুরবানি হয় অনেক। এতে যে অন্যদের সমস্যা হতে পারে তা আমরা ভাবি না। হয়ত ভাবার প্রয়োজনই মনে করি না। আমরা তো এই দেশে সুপ্রিম পাওয়ার! বরং এমন অনেকেই আছে যারা এগুলাকে আরও বেশি করে উপস্থাপন করে, দেখানোর জন্য যে সে এই দেশে সংখ্যাগুরু, তারা প্রথম শ্রেণীর নাগরিক, বাকিরা তাদের অধিনস্ত। এই বর্বরতম মানসিকতা কোথাও নেই এই কথা যদি বুক ফুলিয়ে বলতে পারতাম তাহলে স্বস্তি পেতাম, কিন্তু আমি জানি তার কোন উপায় নাই।  

    ধর্ম যার যার উৎসব যদি সবার হয় তাহলে সবার জন্যই সহনীয় উৎসব হতে হবে। গোরুর রক্ত দিয়ে রাস্তা ভিজিয়ে সবার জন্য উৎসব বলতে পারি না। আর যদি ভাবেন আমরা সংখ্যায় বেশি, আমরা যা ইচ্ছা তাই করব, তাহলে করতে তা করতে পারেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার শুধু পূজায় খাওয়ার জন্য বলবেন, নিজে কত সেকুলার তা প্রমাণের জন্য বলবেন আর নিজেদের যখন সময় আসবে তখন ধুর... বলে ফুর্তিতে মজে যাবেন, তাহলে তা করতে পারেন। শুধু নিজেদের সভ্য বলে দাবী করা বাদ দিয়েন। এই দুইটা এক সাথে যায় না। 

    ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, বড় ঈদের শুভেচ্ছা সকলকে। ঈদ মোবারক। 

  • বিভাগ : আলোচনা | ৩১ জুলাই ২০২০ | ১৭৪ বার পঠিত
আরও পড়ুন
#আমি - Jinat Rehena Islam
আরও পড়ুন
ক্ষমা - Rumela Saha
আরও পড়ুন
আয়না - ন্যাড়া
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • করোনা

  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত