• হরিদাস পাল  অন্য যৌনতা

  • সমকামিতা - বিবর্তনের কাঠামোয় (তৃতীয় পর্ব)

    Sudipto Pal লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্য যৌনতা | ২৭ মার্চ ২০২০ | ১১০৭ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • প্রথম পর্ব এখানে: https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=17147
    দ্বিতীয় পর্ব এখানে: https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=17194

    সমকামিতার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার ইতিহাসটা খুঁজতে গেলে অনেক লজ্জাজনক অধ্যায় চিকিৎসাশাস্ত্রের ইতিহাস থেকে বেরিয়ে আসবে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসের সবটাই সুন্দর নয়। অতীতে যখনই সমকামিতার সাথে শরীরের কোনো অংশের সম্পর্ক পাওয়া গেছে- তা জিনই হোক, মস্তিষ্কই হোক, যৌনাঙ্গই হোক- সেই সম্পর্কটাকে সমকামিতার 'চিকিৎসা'র জন্য বিজ্ঞানীরা ব্যবহার করেছেন। ইউজিন স্টিনাচ (Eugen Steinach), যিনি এন্ডোক্রিনোলোজির প্রাণপুরুষদের একজন, বিংশ শতকের শুরুতে পরীক্ষা করে দেখেন পুরুষ শূকরের অণ্ডকোষ নারী শূকরে প্রতিস্থাপন করলে নারী শূকর পুরুষের মত যৌন আচরণ করে। উনি সমকামী পুরুষদের অণ্ডকোষকে বিষমকামীদের অণ্ডকোষ দিয়ে প্রতিস্থাপন করে দেখান যে এভাবে সমকামিতার চিকিৎসা করা যায়! এই নিয়ে ওনার পেপার আছে! এই পদ্ধতিতে অনেক সমকামী পুরুষের ‘চিকিৎসা’ও হয়েছে! ভদ্রলোকের কিন্তু অনেক অবদান আছে আধুনিক হরমোন চিকিৎসার ক্ষেত্রে। নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঁচবার মনোনীত হয়েছেন।

    আরেকটা চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছিল- লোবোটোমি- মস্তিষ্কের সামনের কিছু অংশ কেটেকুটে বাদ দেয়া। শুধু সমকামিতা নয়, বিভিন্ন রকমের মানসিক রোগ সারানোর জন্য।এতে রোগীদের ক্ষতিই বেশি হয়েছিল। কিছু মনোরোগী উপকার পেলেও বাকিদের পরিণতি হয় পঙ্গুত্ব, আত্মহত্যা, মৃত্যু ও নানারকম জটিলতা। আবিষ্কর্তা অ্যান্টোনিও এগাস মোনিজ (António Egas Moniz) নোবেল পুরস্কারও পেয়েছেন।

    অর্থাৎ ধর্মের হাতে সমকামীরা নিষ্পেষিত ছিলই, বিজ্ঞানের হাতেও কম লাঞ্ছনা হয়নি। সেজন্য ভবিষ্যতে যখনই কেউ সমকামিতার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজেছেন, তাঁদেরকে সমকামী মানুষেরা সন্দেহের চোখেই দেখেছেন। কারণ প্রথমদিকে গবেষণাগুলোর উদ্দেশ্যই ছিল সমকামীদের বিষমকামীতে রূপান্তর। আর চার দশক আগেও যেখানে সমকামীরা পাশ্চাত্যদেশে ঘৃণার পাত্র ছিল, তখন খুব অল্পসংখ্যক সমকামী মানুষই হয়তো গবেষণার বিষয় হবার জন্য এগিয়ে আসতেন। যাইহোক ১৯৯১ সালে সমকামিতার সাথে মস্তিষ্কের সম্পর্ক প্রমাণ করে দেখান ব্রিটিশ আমেরিকান বিজ্ঞানী সাইমন লাভে (Simon LeVay)। অগ্ৰমস্তিষ্কের একটি কোষকেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস, যার নাম INAH3- এটি পুরুষদের বড়, মহিলাদের ছোট হয়। অর্থাৎ এটি লিঙ্গানুসারী বা sexually dimorphic। বিষমকামী পুরুষের ক্ষেত্রে এটি বড় হয়, সমকামী পুরুষের ছোট হয়। গবেষণার জন্য সমকামী পুরুষের মস্তিষ্ক উনি কিভাবে পেয়েছিলেন? আটের দশকের এইডস মহামারীতে আমেরিকার অনেক সমকামী মানুষ মারা যান। এঁদের যৌনাভিমুখের তথ্য চিকিৎসকদের কাছে ছিল। এঁদের অনেকের এবং এইডসে মৃত অনেক বিষমকামী মানুষের মস্তিষ্কের কাটাছেঁড়া (autopsy) করে তিনি এই গবেষণা করেন। লাভে নিজে সমকামী এবং এইডসে নিজের প্রেমিককে হারান এবং এই গবেষণা অনেকটাই সেই ভালবাসার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ছিল।

    তার আগে কি কেউ মস্তিষ্কের সাথে সমকামিতাকে যোগ করেনি? করেছে। আটের দশকে। স্বাব এবং হফম্যান (Swaab and Hopffman) দেখিয়েছিলেন অগ্ৰমস্তিষ্কের অন্য একটি নিউক্লিয়াস (SCN বা suprachiasmatic nucleus) সমকামী পুরুষদের বড় হয়। কিন্তু এই গবেষণা অনেক সমকামী মানুষ ভালভাবে নেন নি। আসলে মস্তিষ্কের সাথে সমকামিতার সম্পর্ক আবিষ্কার হলেই সমকামী মানুষদের ভয় থাকত যে এটিকে ব্যবহার করা হবে সমকামিতাকে মনোরোগ হিসাবে চিহ্নিত করার জন্য। সাইমন লাভের গবেষণা সমকামী সমাজে সাদরে গৃহীত হয়েছিল কারণ উনি নিজে সমকামী এবং নয়ের দশকে পাশ্চাত্য দেশগুলিতে সমকামবিদ্বেষ এবং সমকামীদের অসহায়তাবোধ কমতে থাকে। স্বাব এবং হফম্যানের উদ্দেশ্যও খারাপ ছিল না। পরে দেখা গিয়েছিল যে দুটি গবেষণার ফলাফল একে অপরের ইঙ্গিত দেয়, কারণ INAH3 বড় হলে SCNএর জায়গাটা কমে আসে।

    সাইমন লাভের গবেষণা সমালোচিত হয়েছিল ছোট স্যাম্পেল সাইজের জন্য। তবে আরো অনেক গবেষণায় মস্তিষ্ক ও সমকামিতার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। মোটামুটি সমকামী পুরুষের মস্তিষ্কের অনেক কিছু বিষমকামী নারীর মত, আর সমকামী নারীর মস্তিষ্কের অনেক কিছু বিষমকামী পুরুষের মত।

    উপরের লেখাটা থেকে এটা ভেবে নেবেন না যে পুরুষের মস্তিষ্ক নারীর থেকে আলাদা মানে পুরুষ বেশি বুদ্ধিমান। তবে পুরুষ নারীর পার্থক্য শুধু যৌনাঙ্গে বা বাহ্যিক শরীরেও নয়, মস্তিষ্কেও আছে।

    এছাড়া সমকামিতার সাথে শরীরের আরো অনেক কিছুর যোগ পাওয়া গেছে- আঙুলের অনুপাত, ডানহাতি-বাঁহাতি, চুলের ঘূর্ণির আবর্ত। তর্জনী আর অনামিকার দৈর্ঘ্যের অনুপাত বেশীর দিকে হলে পুরুষদের সমকামী ও মহিলাদের বিষমকামী হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

    এবার আসি রূপান্তরকামিতায়। একজন রূপান্তরকামী মানুষের নিজেকে বিপরীত লিঙ্গের মানুষ মনে হওয়াটাও মস্তিষ্কের মধ্যেই। আমি কোন লিঙ্গের মানুষকে ভালবাসি বা কামনা করি সেটা হল আমার যৌন অভিমুখ (sexual orientation)। আর আমি নিজেকে কোন লিঙ্গের মানুষ বলে চিহ্নিত করি সেটা হল আমার লৈঙ্গিক সত্তা (gender identity)। সমকামিতা হল একরকমের যৌন অভিমুখ। আর রূপান্তরকামিতা হল লৈঙ্গিক সত্তা। রূপান্তরকামিতা নিয়ে আরেকটা কথা বলে রাখি, ধরুন আমি নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হলাম বা হতে চাই। অনেকেই ভেবে নেবেন আমি একজন নারীকেই কামনা করব, কিন্তু সবসময় সেটা হয় না। মোট কথা আমি নিজেকে কোন লিঙ্গের মানুষ মনে করি সেটা নিয়েই রূপান্তরকামিতা, আমি কাকে কামনা করি সেটা নিয়ে নয়।

    রূপান্তরকামিতার সাথে মস্তিষ্কের সম্পর্ক নিয়ে অনেক উদাহরণ পাওয়া যায়। তার মধ্যে কয়েকটির কথা বলি। মানুষের শরীরের কোনো অঙ্গ দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে বাদ দিতে হলে মানুষ অনেক সময় "ফ্যান্টম লিম্ব" অনুভব করে, অর্থাৎ যে অঙ্গটি নেই সেই অঙ্গটি অনুভব করতে পারে। অঙ্গটি নেই কিন্তু আছে বলে মানুষের কখনো কখনো মনে হয়- কারণ আমাদের স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্ক সেইভাবেই অভ্যস্ত। পুরুষাঙ্গের ক্যান্সারের জন্য অ-রূপান্তরকামী পুরুষ যাদের পুরুষাঙ্গ বাদ দিতে হয়েছে তারা পুরুষাঙ্গ না থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় পুরুষাঙ্গ অনুভব করে। কিন্তু রূপান্তরকামী যাঁরা পুরুষ থেকে নারী হয়েছেন এবং লিঙ্গ পরিবর্তনের অস্ত্রোপচারের পরে বর্তমানে যাঁদের পুরুষাঙ্গ নেই তাঁরা কিন্তু ফ্যান্টম পুরুষাঙ্গ অনুভব করেন না। কারণ তাঁদের অধিকাংশের মস্তিষ্কেই ছোটবেলা থেকেই পুরুষাঙ্গ একটি অপ্রয়োজনীয় জিনিস।

    আরেকটা উদাহরণ- সেটাও চিকিৎসাশাস্ত্রের ইতিহাসে বেশ লজ্জাজনক ঘটনা। ডেভিড রিমার- কানাডার একটি ছেলে যার শৈশবে একটি অস্ত্রোপচারের সময় পুরুষাঙ্গটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জন মানি- একজন মনোরোগবিদ তখন প্রস্তাব দেন লিঙ্গ পরিবর্তনের জন্য অস্ত্রোপচার এবং হরমোন থেরাপি করার এবং ছেলেটিকে মেয়ে হিসাবে বড় করার। ছেলেটির একটি যমজ ভাই থাকাতে তাঁর আরো সুবিধা হয়, কারণ এখানে একজন 'কন্ট্রোল' পাওয়া যাচ্ছে। (জীবনবিজ্ঞানের পরীক্ষায় একজনের উপরে ট্রায়াল দেওয়া হয়, আরেকজন একই রকম মানুষের উপরে ট্রায়াল দেয়া হয় না। তাহলেই একমাত্র একটা ট্রায়ালের যথার্থ প্রভাব বোঝা যায়। যার উপরে ট্রায়াল দেয়া হয় না তাকে কন্ট্রোল বলে, এবং তাকে একই রকম মানুষ হতে হয়, এবং সদৃশ যমজ হলে তো খুবই ভালো।) এর পরে ঐ মনোরোগবিদ দুই ভাইয়ের উপর নানারকমের কদর্য যৌন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান, এবং যথাসম্ভব চেষ্টা করেন ডেভিডকে সর্বাঙ্গীনভাবে একজন নারী হিসাবে গড়ে তুলতে। ডেভিডকে অ্যাস্ট্রোজেন দেয়া হয়। ঐ মনোরোগবিদ ডেভিডের বাবা-মায়ের মাথায় ঢুকিয়েই দেয় যে ডেভিডকে নারী হিসাবে গড়ে না তুললে সে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে সর্বাঙ্গীন সুখ পাবে না। কিন্তু ডেভিড কোনোদিন নারী হয়ে ওঠেননি। লিঙ্গ, অণ্ডকোষ সব বাদ দেয়া সত্ত্বেও। মেয়েলি হরমোন দেয়া সত্ত্বেও। পরবর্তীকালে দুই ভাইই অনেক মানসিক সমস্যায় ভুগেছেন। ডেভিড কৈশোর বয়সে এসে জানতে পারেন উনি পুরুষ যাকে নারী হিসাবে বড় করা হচ্ছিল, এবং উনি নূতন করে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পুরুষ হন। এর থেকে কী বোঝা যায়? বোঝা যায় যে একজন পুরুষের মধ্যে নিজেকে নারী মনে করার যে অনুভূতিটা সেটা অনেক ভিতর থেকে আসে, সেটা মস্তিষ্কের মধ্যেই। অণ্ডকোষ আর লিঙ্গ বাদ দিয়ে দিলেই কেউ নারী হয়ে ওঠে না। হরমোন নিয়েই কেউ নারী হয়ে ওঠে না। নারীসত্তাটা আভ্যন্তরীণ। অস্ত্রোপোচার এবং হরমোনটা সেই ভিতরের নারীসত্তাটাকে শারীরিক পূর্ণতা দেবার জন্য।

    সব মানুষের মস্তিষ্ক এক নয়। পুরুষ আর নারীর মস্তিষ্ক আলাদা, সমকামী ও বিষমকামীর মস্তিষ্ক আলাদা, রূপান্তরকামী ও অরূপান্তরকামীর মস্তিষ্ক আলাদা। পৃথিবীতে সবার মাথা একরকমভাবে চললে নূতন কিছু আবিষ্কৃত হত না। পাঁচজন জ্ঞানিগুণী মানুষ একটা ঘরে জমায়েত হয়েছে, কিন্তু তাদের সবার মাথা যদি একরকম ভাবে ভাবনাচিন্তা করে তাহলে পাঁচটা মাথা কাজে আসছে না, একটা মাথা আর অনেকগুলো হাত-পা কাজে আসছে। কিন্তু ঐ ঘরেই আপনি যদি পাঁচ রকমের আলাদা আলাদা মানুষ আনতে পারেন, তবেই আপনার কাছে পাঁচটি আলাদা আলাদা মাথা আছে। এই মাথার বৈচিত্রই পারবে আপনার কাজকে ঔৎকর্ষ্য দিতে, মানবসভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

    আমরা বিবর্তনের আলোচনা থেকে একটু দূরে সরে গিয়েছি, তবে শরীরের সাথে সমকামিতার সরাসরি যোগ না দেখালে বিবর্তনের আলোচনাটা অসম্পূর্ণ থাকে। এবার অনেকে প্রশ্ন করবেন সমকামিতার শারীরবৃত্তীয় এবং বিবর্তনগত ব্যাখ্যা যখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে, তাহলে কি সমকামিতা জিনগত? না, সমকামী জিন এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। আর শারীরবৃত্তীয় বা জন্মগত মানেই জিনগত নয়। জন্মগত অনেক বৈশিষ্ট্যই মায়ের গর্ভে থাকাকালীন বিভিন্ন ঘটনার জন্য হয়। প্রথম পর্বেই বলেছি মাতৃগর্ভে তৈরী হওয়া কিছু অ্যান্টিবডির প্রভাবে পুত্রসন্তান সমকামী হতে পারে।

    বিজ্ঞানেরর উদ্দেশ্য সত্যের অনুসন্ধান। এই সত্য অনুসন্ধানের কাজে একজন বিজ্ঞানীকে বৈষয়িকতা এবং ব্যবহারিকতার কথাও মথায় রাখতে হয়। এবং এই ব্যবহারিকতা নির্ভর করে সমসাময়িক সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির উপর। যে যুগে সমকামিতাকে মনোরোগ অথবা অপরাধ বলে মনে করা হতো সেই যুগে খুব স্বাভাবিক যে বিজ্ঞানীরা সমকামিতার চিকিৎসা খুঁজবেন। ঠিক যেমন যে যুগে সাদা চামড়াকে কালো চামড়ার থেকে উৎকৃষ্টতর বলে মনে করা হতো সেই যুগে সেটাকে প্রমাণ করার জন্য অনেক গবেষণা হয়েছে। বর্ণবিদ্বেষকে স্বাভাবিক দেখানোর জন্য এবং বিশেষ কিছু জাতির উৎকৃষ্টতা প্রমাণ করার জন্য অনেক গবেষণা হয়েছে।

    আরো অনেক পরীক্ষা ও গবেষণা হয়েছে, এবং এখনও হয়ে চলেছে। সেগুলোর গভীরে যাচ্ছি না। এখনও সমকামিতা আর রূপান্তরকামিতাকে সম্পূর্ণভাবে বোঝা যায়নি। তার একটা বড় কারণ সামাজিক চাপের ফলে সমকামী ও রূপান্তরকামীরা নিজেদের পুরো সত্তাটাকে সামনে নিয়ে আসেনি। অতএব গবেষণা আরো এগোবে, এবং আমরা আশা রাখতে পারি এই গবেষণাগুলি সমকামিতা আর রূপান্তরকামিতাকে সংশোধন বা নির্মূল করার জন্য ব্যবহার হবে না, প্রান্তিক লিঙ্গ ও যৌনতার মানুষদের ভালোর জন্যই ব্যবহার হবে।

    (শেষ)

    তথ্যসূত্র: মূলতঃ স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউম্যান বিহেভিওরাল বায়োলোজির অনলাইন লেকচার কালেকশন থেকে সংগৃহীত। (https://www.youtube.com/playlist?list=PL848F2368C90DDC3D Lecturer: Dr Robert Sapolsky)
  • বিভাগ : অন্য যৌনতা | ২৭ মার্চ ২০২০ | ১১০৭ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
ভগীরথ - Vikram Pakrashi
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ২৭ মার্চ ২০২০ ২৩:২৩91822
  • “অণ্ডকোষ আর লিঙ্গ বাদ দিয়ে দিলেই কেউ নারী হয়ে ওঠে না। হরমোন নিয়েই কেউ নারী হয়ে ওঠে না। নারীসত্তাটা আভ্যন্তরীণ। “
    মোল্লা-পুরুত ও সমাজ যতদ্রুত এই সমাকামিতার বিজ্ঞান বুঝবে, ততো দ্রুত এই মানুষগুলোর অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে।
    এবারের লেখাটিও তথ্য বহুল, বেশ ঝরঝরে ভাষা।
    মনে পড়ছে, বেশ আগে পাই দিদি “অসুখ সারান” নামে গুরুতে কিছু নোট লিখেছিলেন, পরে একই নামে গুরুর একটি চটি প্রকাশনাও বের হয়। সেখানেও চিকিৎসা বিজ্ঞানের কিছু আহাম্মকি তুলে ধরা হয়েছিল।
    আরো লিখুন।
  • একলহমা | ২৮ মার্চ ২০২০ ১০:৩২91831
  • জটিল কথা কেমন সহজ করে বলেছেন। ভালো লেগেছে খুব। আগের পর্বগুলো পড়ে নিতে হবে।
  • রাজীব চক্রবর্তী | 172.69.134.188 | ০৫ এপ্রিল ২০২০ ১৭:২১92042
  • বিষয়গুলো খুব স্বচ্ছভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে । লেখককে ধন্যবাদ ।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন