• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • সমকামিতা - বিবর্তনের কাঠামোয় (দ্বিতীয় পর্ব)

    Sudipto Pal
    বিভাগ : অন্য যৌনতা | ১১ মার্চ ২০২০ | ৬৫৯ বার পঠিত
  • আগের পর্ব এখানে: https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=17147

    চলুন, বোনোবোদের মধুবনে আরেকবার ঢুঁ মেরে আসি। বোনোবো আর মানুষ- মিশনারী আসনে (মিশনারী পজিশনে) রতিক্রিয়া মূলতঃ এই দুটি প্রাণীই করে। গরিলা সহ অন্য কয়েকটি প্রাণীর মধ্যে দেখা গেছে, তবে বেশ বিরল। তিমি ডলফিন জাতীয় কিছু প্রাণী মুখোমুখি মিলিত হয় তবে সেটা মিশনারী আসন নয়। প্রাণীজগতে একে অপরকে মুখোমুখি রেখে সঙ্গম করা ব্যাপারটাই বেশ বিরল। যদিও অনেকে ভাবেন মিশনারী আসনই একমাত্র স্বাভাবিক আসন, বাকীগুলো নয়, তাহলে বলি প্রাণীরা সাধারণতঃ ডগী জাতীয় আসনেই মিলিত হয়, মিশনারীটা ব্যতিক্রম।

    তাহলে মানুষ আর বোনোবোদের মধ্যে এই ব্যতিক্রমটা (মিশনারী) কেন ও কিভাবে হল? আর এই ব্যতিক্রমের মধ্যে পাল্টা ব্যতিক্রমই (ডগী বা ধেনুকাসন) বা কি করে হল? মানুষ অধিকাংশ সময়ই মিশনারীর সাথে লিঙ্গযোনিবদ্ধ (peno-vaginal) সঙ্গমকে আর ডগীর সাথে পায়ুকামকে (অ্যানাল সেক্স) যুক্ত করে। যদিও উল্টোগুলোও হয়। আবার লিঙ্গযোনিবদ্ধ সঙ্গমের সাথে মানুষ বিষমকামিতাকে আর পায়ুকামের সাথে সমকামিতাকে যুক্ত করে। সেখানেও অন্যথা হয়। প্রশ্নটা হচ্ছে মানুষের সবচাইতে প্রচলিত সেক্সের পদ্ধতি অর্থাত লিঙ্গযোনিবদ্ধ বিষমকামী সঙ্গমের সাথে মিশনারী আসন কিভাবে জুড়ে গেল, যেখানে অন্য প্রাণীদের ক্ষেত্রে উল্টো হয়?

    মিশনারী আসনই যে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় আসন সেকথা জোর দিয়ে বলছি না, কারণ এই বিষয়গুলো নিয়ে যে সমীক্ষাগুলো হয়, তাতে পাশ্চাত্য প্রভাব থেকে। তবে মিশনারী আসন মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সে নিয়ে সন্দেহ নেই।

    ডগীর সংস্কৃত প্রতিশব্দ ধেনুকাসন- বাৎস্যায়নই বলে গেছেন কামসূত্রে। ধেনুক মানে গরু। কিন্তু মিশনারীর কামসূত্রে অনেক বৈচিত্র, অতএব অনেক অনেক নাম- উৎফুল্লক, সম্পূটক, ইন্দ্রানিক। অতএব আমরা মিশনারী শব্দটাই ব্যবহার করছি।

    অনেকে বলেন, যখন আপনি ক্যাসুয়াল হুকাপ করেন, তখন আপনি সামনের মানুষের সাথে সাধারণতঃ খুব বেশী আত্মিকতা অনুভব করেন না, বা করতে চান না, বা করার প্রয়োজন বোধ করেন না। সেটা স্বাভাবিক। অতএব তখন মানুষটার মুখ দেখা খুব প্রয়োজনীয় নয়। ডগী আসন আপনাকে একটা বন্ধনহীন ঘনিষ্ঠতার সুযোগ করে দেয়। কারণ যে মানুষ মুখোমুখি আছে তাকে জবাবদিহি করতে হয়, তাকে অ্যাটেনশন দিতে হয়। যে মানুষ মুখোমুখি নেই তাকে নিয়ে অতো না ভাবলেও চলে। ডগী আসন মুখোমুখি না হবার একটা সুযোগ। সেখানে সামনের মানুষের মুখটা কি রকম, মুখের অভিব্যক্তি কি রকম, সে আপনাকে কী বলার বা কী বোঝানোর চেষ্টা করছে, সে আপনাকে কিভাবে দেখছে বা বিচার করছে, সেগুলো কম প্রাসঙ্গিক। তেমনই কাউবয় (মিশনারী আসনের বটম-অন-টপ প্রতিরূপ) আসনে আপনারা মুখোমুখি, আর রিভার্স কাউবয় (ডগী আসনের বটম-অন-টপ প্রতিরূপ) আসনে নয়। মুখোমুখি আসনগুলোতে ভাববিনিময়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। মুখোমুখি না হলে ভাব বিনিময় কম।

    মানুষের জীবনে ভাববিনিময় গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ভাববিনিময়ে উপায় হল কথা বলা। কিন্তু আমাদের কর্মক্ষেত্রে এই কথাটা শুরু থেকেই শেখানো হয় যে- কথা ভাব বিনিময়ের একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। মানুষের বাক্যালাপের মধ্যে ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ ভাব বিনিময় অকথিত ভাবে হয়। মূলত চোখ-মুখ-হাত, শারীরিক অভিব্যক্তি এসব দেখে। ভাববিনিময়ে মুখোমুখি থাকার গুরুত্বটা বুঝে দেখুন। ভাববিনিময়ের তাগিদে মানুষ ও বোনোবো মুখোমুখি রতিক্রিয়া করা শুরু করে থাকতে পারে। অথবা মুখোমুখি রতিক্রিয়ার উদ্ভাবনের ফলে এদের ভাববিনিময় বেশী ফলপ্রসূ হয়েছে- এটাও হতে পারে। কার্যটাই কারণ না কারণটাই কার্য সেই নিয়ে একটু সংশয় থাকতেই পারে, তবে তাদের সম্পর্কটা নিয়ে বিশেষ সন্দেহ নেই।

    তাতে অবশ্য এরকম ভাবার কারণ নেই যে ডগী বা রিভার্স কাউবয় আসন মানেই আত্মিকতার অভাব। মুখোমুখি ভাববিনিময় না করেও ভাবের আদান-প্রদানের কতো পদ্ধতি তো মানুষ আবিষ্কার করেছে! আপনার প্রিয়জন আপনাকে যখন পিছন থেকে ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে, তার মধ্যেও তো আপনি ভালবাসা পান, তাই না?

    মহিলা বোনোবোদের ৭৫% রতিক্রিয়া মহিলাদের সাথেই হয়। একজনের ভগাঙ্কুর (ক্লিটোরিস) অন্যের ভগাঙ্কুরের সাথে ঘর্ষণের মাধ্যমে। এটা মিশনারী আসনে বা অন্ততঃ একে অপরের মুখোমুখি হয়ে করলে সুবিধাজনক হয়। অন্ততঃ বোনোবোদের সমকামিতার সাথে মুখোমুখি রতিক্রিয়ার একটা যোগ আছে। মানুষের মিশনারী আসনের সাথে এইরকম সমকামিতার কোনো যোগ আছে কিনা জানা নেই।

    আসন সম্পর্কে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কথা। ডগী আসন যেটি আর সব প্রাণীরা ব্যবহার করে, মানুষের ক্ষেত্রে সেটিতে নারীর (বা গ্রহিতা প্রণয়ীর) নিয়ন্ত্রণ কম। অন্যদিকে মিশনারী, কাউবয় এবং রিভার্স কাউবয়ে নারীর নিয়ন্ত্রণ অনেক বেশী থাকে। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে উদ্ভূত এই আসনগুলি নারীকে কিছু বাড়তি নিয়ন্ত্রণ দিয়েছে।

    তাহলে আসন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিসের কিসের ইঙ্গিত দেয়? ১) ভাববিনিময়ের গুরুত্ব, ২) নারীর হাতে কিছু বাড়তি নিয়ন্ত্রণ, ৩) আনন্দের জন্য যৌনতার ব্যবহার যেটি অন্য প্রাণীতে বিরল।
    শুধুমাত্র আনন্দের জন্য যৌনমিলন মূলতঃ মানুষ আর বোনোবোরাই করে। কিন্তু যৌনসঙ্গম একটি ব্যয়বহুল কাজ। দৈহিক শক্তির খরচ, সময়ের খরচ। সেইজন্য অন্য প্রাণীরা সচারচর এই কাজ করে না। তাহলে মানুষ কেন করে?

    মানুষের ক্ষেত্রে উত্তরটা একটু ঘুরপথে খুঁজতে হবে। মানুষের মধ্যে সুপ্ত ডিম্বস্ফুটন (কন্সীল্ড ওভ্যুলেশন) হয়, অর্থাত নারীর মাসিক চক্রে যখন ডিম্বস্ফুটন হয়, অর্থাৎ যখন তিনি উর্বরা হন, বাইরে থেকে পুরুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। অন্য মেয়ে প্রাণীদের মধ্যে কিন্তু উর্বরতার লক্ষণ প্রকটভাবে দৃশ্যমান হয়। আমাদের বোনেরা- অর্থাৎ সাধারণ শিম্পাঞ্জি ও বোনোবো, এবং তুতো বোনেরা- গরিলা, ওরাংওটাং, বেবুন ইত্যাদিরা- এরা সবাইই কিন্তু উর্বরতার লক্ষণ বাহ্যিকভাবে প্রকাশ করে ফুলে লাল হয়ে যাওয়া জননাঙ্গ ও শ্রোণীদেশের মাধ্যমে।

    সুপ্ত ডিম্বস্ফুটনের ফলে নিজের বংশবৃদ্ধির জন্য পুরুষ মানুষকে নারীর সঙ্গে অনেক সময় কাটাতে হয়, তার সঙ্গে ঘর বাঁধতে হয়, এবং আংশিক ও সাময়িকভাবে হলেও একগামী হতে হয়। তার থেকেও বড় কথা প্রায় সারাবছরই রতিক্রিয়া করতে হয়। অর্থাৎ যখন নারীর মধ্যে ডিম্বাণু নেই সেই সময়ও। সারাবছর রতিক্রিয়া মানে দুটো ব্যাপার। এক) নারী সারাবছরই একজন পুরুষের সাহায্যের হাত পাচ্ছে, যার ফলে সন্তান প্রতিপালনে বাড়তি সুবিধে (আর মানবসন্তান যে অনেক বড় বয়স অবধি 'প্রতিপালিত' হয়, তার ফল হিসাবে মানুষ পাথরের সরঞ্জাম বানানোর স্কিল ডেভেলপ করে বুদ্ধিমান প্রাণী হতে পেরেছে)। দুই) একজন পুরুষের সাথে একজন অনুর্বরা নারীরও রতিক্রিয়া হচ্ছে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বছরের বেশীরভাগ সময়ই মানুষ আনন্দলাভের জন্য সঙ্গম করছে। আনন্দলাভের জন্য রতিক্রিয়া- বিবর্তনগতভাবেই মানুষ এর জন্য তৈরী হয়েছে। তবে সুপ্ত ডিম্বস্ফুটনই তার একমাত্র ব্যাখ্যা নয়। আরও অনেক কারণ আছে।

    তবে এই ঘর বাঁধা থেকে ভেবে নেবেন না যে সুপ্ত ডিম্বস্ফুটন একগামিতার সঙ্গে যুক্ত। একজন মহিলা যদি পরপর সাতদিন সাতজন পুরুষের সাথে সঙ্গম করেন, এবং দশমাস পরে একটি সন্তানের জন্ম দেন, তাহলে ঐ সাতজন পুরুষের মধ্যে কেউই জানবেন না বাচ্চাটি কার, কারণ ঐ সাতদিনের মধ্যে দিন তিনেক মহিলা উর্বর ছিলেন, আর সেটা কোন্ কোন্ দিন কেউই জানে না! কিন্তু এতে সুবিধা এই যে একাধিক পুরুষ আংশিকভাবে হলেও মহিলা ও সন্তানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়াবে, এবং কখনই চেষ্টা করবে না ঐ মহিলার গর্ভে অন্য পুরুষের ঔরসজাত সন্তানকে মারার, কারণ সেই সন্তানটি তার নিজের সন্তানও হতে পারে। তাছাড়া এই অনিশ্চয়তাটাকে ব্যবহার করে একজন মহিলা এক পুরুষের সাহচর্য কিন্তু অন্য একজন শক্তিশালী পুরুষের ঔরস দুটোই পেতে পারেন। মোটকথা সুপ্ত ডিম্বস্ফুটন পুরুষকে বাধ্য করে সহযোগিতার হাত বাড়াতে! এবং তার ফল হিসাবে মানবসন্তান সুদীর্ঘ শৈশবকাল যাপন করতে পারে, এবং এত দীর্ঘ শৈশব অন্য কোনো প্রাণীর হয় না, এবং মানুষের বুদ্ধিমান প্রাণী হিসাবে বিকশিত হবার সাথে দীর্ঘ শৈশবের একটি সম্পর্ক আছে।

    পরবর্তীকালে অবশ্য ঐ পৈতৃক বিনিয়োগ এবং পিতৃত্বের অনিশ্চয়তা- এই দুটো জিনিসের ফলেই আবার পুরুষ নারীকে সতীত্ব ও পরাধীনতার বাঁধনে বেঁধে দিয়েছে। তবে সেটা সামাজিক বিবর্তনের ইতিহাসে পড়ে, শারীরিক বিবর্তনের ইতিহাসে নয়। অতএব এই নিয়ে বিশদ আলোচনায় আমরা যাচ্ছি না।

    আচ্ছা লেখাটা কি সমকামিতা থেকে অন্যদিকে ঘুরে যাচ্ছে? না। কেন বলছি। আগের পর্বে দেখেছি সন্তান প্রজননই বংশগতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার একমাত্র উপায় নয়। আজকে দেখছি সন্তান প্রজননই যৌনতার একমাত্র উদ্দেশ্য নয়, অন্ততঃ মানুষ ও বোনোবোদের ক্ষেত্রে। যৌনতা একটা হাতিয়ার- পুরুষকে উপযোগী করে তোলার, একটা সমাজ গঠন করার, এবং ভালবাসা জাগিয়ে তোলার। সন্তানপালনে পুরুষের বিনিয়োগ ছাড়া মানবসমাজ অসম্পূর্ণ, ভাববিনিময় ছাড়া মানবসমাজ স্থবির, আর ভালবাসা ও সহযোগিতা ছাড়া মানবসমাজ অসম্ভব। আর এই মানবিক গুণগুলো বিকশিত হয়েছে মানুষের বিশেষ ধরনের যৌনজীবনের ফলে। অর্থাৎ প্রাকৃতিক ভাবেই যৌনতার প্রতি মানুষের আকর্ষণ এমনভাবে তৈরী হয়েছে যাতে মানুষ প্রায় সারাদিন সারাবছর যৌনতার কথা ভাবে। শুধু নারীর উর্বরতার সময় মানুষের মাথায় যৌন ভাবনা এলে, মানুষের ঐ মানবিক গুণগুলো বিকশিত হত না।

    বুঝতেই পারছেন মানুষ আর বোনোবোদের কাছে যৌনতা নেহাতই একটা কর্তব্য নয়, এটি একটি ক্রীড়া। এটি একটি বিনোদনও বটে। তাই এদের মধ্যে যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার প্রবণতা দেখা যায় তা অন্য প্রাণীতে বিরল। সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রতিফলিত হয় মানুষের মধ্যে প্রচলিত যৌন আসনের বৈচিত্র থেকে। যৌন ভাবনা ও যৌন আচরণের বৈচিত্র থেকেও। আবার সারা বছর যৌনতার ব্যাপারটাকে ব্যবহার করে পুরুষ-নারীর মধ্যে একটা লেনদেন বা বোঝাপড়ার সম্পর্ক তৈরী হয়েছে যা সমাজগঠনে এবং মানুষের বুদ্ধির বিকাশে সাহায্য করেছে।

    নিয়মবহির্ভূত যৌন আচরণই মানুষকে মানুষ বানিয়েছে- সহযোগিতা, বোঝাপড়া, বুদ্ধি ও প্রেমের মত গুণগুলি তার মধ্যে এনেছে। ধর্ম ও সমাজের নিয়ন্ত্রকরা অনেক সময়ই বলে থাকে যে যৌনতা শুধুমাত্র প্রজননের জন্য। তাদেরকে আমরা অবশ্যই বলতে পারি যে যৌনতার একমাত্র উদ্দেশ্য সন্তান প্রজনন নয়, সেটা আমাদের বিবর্তনের ইতিহাসও আমাদেরকে বুঝিয়ে দিচ্ছে।

    পরের পর্বে আলোচনা করব সমকামিতা এবং রূপান্তরকামিতায় মস্তিষ্কের ভূমিকা নিয়ে।
    (চলবে)

    তৃতীয় পর্ব এখানে: https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=17265
  • বিভাগ : অন্য যৌনতা | ১১ মার্চ ২০২০ | ৬৫৯ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • বিপ্লব রহমান | 172.69.134.56 | ১২ মার্চ ২০২০ ২০:৪৯91427
  • বেশ অনুসন্ধিৎসু লেখা, প্রথম পর্ব থেকেই পড়া শুরু করেছি।

    বিনয় করে আবারও বলি, ইংরেজি শব্দের ব্যবহার আরো কমিয়ে আনলে পড়তে আরো ভাল লাগবে। 

    আর এ ধরণের লেখার নীচে তথ্যসূত্র ও সহায়ক গ্রন্থ দেওয়াই রীতি। এতে আগ্রহী পাঠক মূলে গিয়ে আরও বিশদে জানার সুযোগ পান। 

    উড়ুক।    

  • রাজীব চক্রবর্তী | 172.69.135.147 | ২০ মার্চ ২০২০ ১১:৪৮91603
  • পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
  • Biman | 162.158.155.127 | ২১ মার্চ ২০২০ ১১:৪২91643
  • খুবই তথ্যবহুল লেখা, সহজভাবে বোঝানো হয়েছে। আমি আদ্যোপান্ত একাধিক বার পড়লাম এবং প্রত্যেকবার নতুন নতুন বিষয় নিয়ে ভাবনার স্ফুরণ হল। পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত