• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • রাজেন্দ্রলাল মিত্র: উনিশ শতকের ভারতবিদ্যা পথিক # পঞ্চম পর্ব

    Ashoke Mukhopadhyay
    বিভাগ : ব্লগ | ০৩ আগস্ট ২০১৬ | ৩৭ বার পঠিত
  • [এবছর ২৬ জুলাই ২০১৬ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যুর একশ পঁচিশ তম বছর সূচিত হচ্ছে। উনিশ শতকের ভারতের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রকে আমরা আজ ভুলে গেলেও তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনাকে যতটুকু স্মরণ করব সেই অনুপাতে সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্য করতে ইচ্ছে হবে। সেই তাগিদ থেকেই এই রচনার জন্ম। ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্রমে আমরা চেষ্টা করেছি স্মরণ করার ছলে এই মহৎ মানুষটিকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের কিছু ভাগ অন্তত ফিরিয়ে দিতে। এবারে সূত্রোল্লেখ সহ পঞ্চম বা শেষ পর্ব।]

    ।। ৮ ।।
    এই সমস্ত দিক থেকে বিচার করলে আমরা রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মধ্যে রেনেশাঁস যুগের ব্যাপক জ্ঞানকর্ম যোগের এমন একজন অসাধারণ সাধককে পাই, যিনি তাঁর সারা জীবনের নিরন্তর বিদ্যাচর্চার মধ্য দিয়ে শুধু নিজেকে নয়, এই অভাগা দেশকেও সারা পৃথিবীর দরবারে সেকালে একটা সম্মানজনক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছিলেন।
    স্বভাবতই আমরা অবাক হই না, যখন তাঁর জীবনী পাঠে জানতে পারি, শুধু এশিয়াটিক সোসাইটিতেই নয়, বিশ্বের বহু উন্নত দেশের জ্ঞানীগুণীদের সমাজেই তিনি সমাদৃত হয়েছিলেন। প্রথাগত শিক্ষা তাঁর সম্পূর্ণ হয়নি, স্নাতক পর্যায়ের ডিগ্রিও তাঁর জোটেনি, আমরা আগেই জেনেছি। এতদ্‌সত্ত্বেও তিনি তাঁর মৌলিক কৃতিত্বের কারণে প্রথমে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের “ফেলো” নির্বাচিত হয়েছেন (১৮৬৩), আরও পরে সাম্মানিক “ডক্টর অফ ল” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন (১৮৭৬); ১৮৬৪ সালে এক সঙ্গে জার্মান ওরিয়েন্টাল সোসাইটির করেসপন্ডিং সদস্য, হাঙ্গেরির রয়াল আকাদমি অফ সায়েন্স-এর বিদেশি সদস্য, রয়াল এশিয়াটিক সোসাইটি অফ গ্রেট বৃটেন অ্যান্ড আয়ার্ল্যান্ড-এর সাম্মানিক সদস্য এবং আমেরিকার ওরিয়েন্টাল সোসাইটির সাম্মানিক সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন (১৮৬৭)। এমনকি কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটির তিনিই প্রথম ভারতীয় হিসাবে সভাপতি পদে বৃত হয়েছিলেন (১৮৮৫)। সমকালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছাড়া এত আন্তর্জাতিক সম্মান সেকালে আর কোনো ভারতীয় বিদ্বানের জুটেছে বলে আমাদের জানা নেই।
    কিন্তু, এই বিপুল সম্মানের নিরিখে, অন্য একটি ব্যাপার আমাদের অবশ্যই কিঞ্চিত বিস্মিত করে। আমরা আজকাল সাধারণত পড়িয়ে-লিখিয়ে ব্যক্তিদের বই কাগজ কলম চেয়ার টেবিল সেমিনার কনফারেন্স পেপার থিসিস ডিসারটেশন ইত্যাদির ঘেরাটোপের মধ্যেই ঘুরপাক খেতে দেখি। দেশ সমাজ চতুষ্পার্শ্বের সমস্যায় মাথা ঘামানোর মতো না থাকে তাঁদের উৎসাহ, না পান তাঁরা সময়। অথচ, আমরা রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মতো একজন এত বড় জ্ঞানতাপসের চরিত্রে দেখি এক অন্য রকম ছবি। এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম।
    আমরা তাঁকে দেখি ইন্ডিয়ান ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সদস্য এবং কোষাধ্যক্ষ রূপে। তাঁর স্পষ্টবাদিতার জন্য অন্যায়ভাবে তাঁকে সোসাইটি থেকে পদচ্যুত করলে তিনি অন্য বেশ কিছু সদস্যের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়ান এবং জিতে ওই সোসাইটির আবার সদস্য হন। এদেশে যখন শিল্প এবং প্রযুক্তি বিদ্যার বিকাশের স্বার্থে “শিল্প বিদ্যোৎসাহিনী সভা” গঠিত হয়, রাজেন্দ্রলাল তাঁর সাথে যুক্ত হন এবং অন্যতম সম্পাদক মনোনীত হন। বেথুন অনুরাগীদের উদ্যোগে গঠিত বেথুন সোসাইটি বা রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্যদের সঙ্গে থেকে সারস্বত সমাজ ইত্যাদি সংগঠন ও ক্রিয়াকর্মে তাঁর সক্রিয় অংশ গ্রহণের কথা আগেই বলেছি। রাজেন্দ্রলাল এক সময় কলকাতা পুরসভার “জাস্টিস অফ দ্য পিস” পদ অলঙ্কৃত করেছেন, ১৮৭৬ সালে নির্বাচনে কমিশনার পদে জয়ী হয়ে পুরসভার কর্মসমিতির সদস্য হয়েছেন এবং সেই সময় উচ্চপদস্থ অফিসারদের বেতন কমিয়ে নাগরিকদের করের বোঝা লাঘব করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
    এই সুবাদেই আমরা তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেরও কিছু পরিচয় পেতে পারি। একটা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও মুখপাত্র। এই সভা গঠিত হয়েছিল প্রধানত তাদের নিয়ে যারা ছিলেন মনেপ্রাণে ব্রিটিশ শাসনের প্রতি অনুগত ও তার সমর্থক। সভার প্রধান কর্মকর্তা ও পৃষ্ঠপোষকও হতেন ইংরেজ রাজপুরুষরাই। কিন্তু ১৮৮৩ সালে বড়লাট রিপন যখন “ইলবার্ট বিল” এনে জেলা আদালতেও দেশি বিচারকদেরকে ইংরেজ অভিযুক্তের মামলা বিচার করার ক্ষমতা ও অধিকার দিতে চেয়েছিল (তার আগে শুধু কলকাতা হাইকোর্টে এই ব্যবস্থা ছিল), ইংরেজ ব্যবসায়ী সমাজ একেবারে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে এবং সর্বশক্তি দিয়ে এই বিলের বিরোধিতা করে। মিত্র তখন অন্যান্য জাতীয়তাবাদী নেতাদের সাথে সম্মিলিভাবে ইউরোপীয় বণিকদের এই আচরণের তীব্র ভাষায় নিন্দা করেছিলেন এবং ১৮৮৪ সালে সভার সভাপতির ভাষণে জ্বালাময়ী ভাষায় বক্তৃতা দিয়ে দেশবাসীকে জাগাতে চেয়েছিলেন। তারপরই তিনি কার্যত ব্রিটিশ ভারতীয় সভার পাশাপাশি নব গঠিত জাতীয়তাবাদী মঞ্চ জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে পড়েন। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁকে দেখি ১৮৮৭ সালে জাতীয় কংগ্রেসের দ্বিতীয় বার্ষিক অধিবেশনের অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি রূপে।
    শুধু তাই নয়, সাধারণভাবে ব্রিটিশ শাসনের প্রতি আনুগত্য বজায় রেখেও বিভিন্ন সভা সমিতির মঞ্চ থেকে রাজেন্দ্রলাল যখনই দেশীয় জনসাধারণের নানা রকম সমস্যা নিয়ে ভাষণ দিতেন, তাঁর সুর বাধা থাকত অত্যন্ত চড়া গ্রামে। ইংরেজ অফিসার, নিলকর, ব্যবসায়ী প্রমুখর বহুবিধ অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি বেশ তীব্র জ্বালাময়ী আবেগপূর্ণ ভাষায় অভিযোগ উত্থাপন করতেন, প্রতিবাদ জানাতেন। ফলে ইংরেজদের পরিচালিত বিভিন্ন সমিতি ও প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে সরিয়ে দেবার চেষ্টা চলতেই থাকে। এমনকি একাধিকবার তাঁকে হত্যাও করবার ষড়যন্ত্র করা হয়। [Mukherjee 1978, 60 & 62]
    এই সব ঘটনার ফলেই তাঁকে ফটোগ্রাফিক সমিতি থেকে অপসারণের চক্রান্ত করা হয়। তিনি সমিতির পত্রিকায় পাঁচটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন, তিনটি সরাসরি ফরাসি থেকে অনুবাদ করে, এবং দুটি অন্যান্য ইউরোপীয় জার্নাল থেকে তথ্যগত সাহায্য নিয়ে, এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই ঋণ স্বীকার করে। [উল্লেখিত, রায় ১৯৬৯, ৫৯] তা সত্ত্বেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তিনি নাকি বিদেশি প্রবন্ধ থেকে চুরি করে নিজের নামে লেখা ছাপিয়েছেন। সাহেবদের অনেকেই তাঁর কাজকে ছোট করে বা তাচ্ছিল্য করেও আক্রমণ করেছেন। ভাবখানা ছিল, “ভুলে যেও না তুমি কালো নেটিভ; তোমার বিদ্দেবুদ্ধির দৌড় বেশি বলে আমরা মানবই না। চাইলেই কি আর তুমি আমাদের মাপের গবেষণা করতে পারবে?” একইভাবে ফার্গুসন যখন তাঁর ওড়িশা সম্পর্কিত বইটির বিরুদ্ধে সমালোচনা করেন, তিনিও ইলবার্ট বিলের প্রেক্ষিতে মিত্রের ভূমিকা স্মরণ করেই তাঁকে বিদ্যায় বুদ্ধিতে খাটো প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লাগেন। একজন বিদ্বান ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও ছত্রে ছত্রে তাঁর লেখায় সেই বিদ্বেষ ফুটে বেরতে থাকে (মার্ক্সবাদীরা একেই বলেন “শ্রেণি বিদ্বেষ”—মূল শ্রেণিগত স্বার্থে আঘাত লাগলে যা কখনও চেপে রাখা যায় না)। এই সব দেখে শুনে তাঁর মৃত্যুর পর এশিয়াটিক সোসাইটির বোম্বে শাখার অন্যতম সদস্য ডঃ জি এম প্যাটারসন সেখানকার স্মরণ সভায় বলেছিলেন, “Raja Rajendralal, in my opinion, did not always receive from English critics the courtesy and consideration to which his honesty of purpose and his devotion to learning entitled him.” [উদ্ধৃত, রায় ১৯৬৯, ২২]
    ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তেমন কোনো অনুযোগ না থাকলেও ব্রিটিশ ভারতীয় সভা ধীরে ধীরে আভ্যন্তরীন সংকীর্ণতা কাটিয়ে জাতীয় চেতনা প্রসারের একটি, দুর্বল হলেও, হাতিয়ার হিসাবে গড়ে উঠতে থাকে। ১৮৬৭ সাল থেকে নবগোপাল মিত্র, রাজনারায়ণ বসু ও ঠাকুর পরিবারের উদ্যোগে যে হিন্দু মেলা শুরু হয়, তাতে সর্বভারতীয় অংশগ্রহণ থাকলেও সেটা ছিল ঘোষিতভাবেই হিন্দু জাতীয়তাবাদের দ্যোতক ও প্রচারক। নবগোপাল মিত্র তৎকালীন The National Paper-এর ২ অক্টোবর ১৮৭২ সংখ্যায় খোলাখুলিই বলেন, “The basis of national unity in India is Hindu religion. Hindu nationality embraces all the Hindus of India irrespective of their locality or language. The Hindus are destined to be a religious nation.” [cited, Majumdar 1978, 8]
    কিন্তু এর কিছুদিন পরে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী যখন ভারত সভা গঠন করে ধর্ম নির্বিশেষে ব্যাপকতর ঐক্যের কথা বলতে শুরু করেন, রাজেন্দ্রলাল মিত্রর ভাবনাতেও পরিবর্তন আসে। ১৮৮৭ সালে জাতীয় কংগ্রেসের অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি হিসাবে তাঁর ভাষণে তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন, “Diverse we are in origin, in religion, in language, and in our manners and customs, but we are nonetheless members of the same nation. We live in the same country, we are subjects of the same Sovereign, and our good and evil depends entirely on the state of the Government and the laws passed in this country. Whatever is beneficial to the Hindus is equally beneficial to the Mahomedans, and whatever is injurious to the Hindus is equally injurious to the followers of Mahomed. Nations are not made of sects but of tribes bound together in one political bond. We are all bound by the same political bond, and therefore we constitute one nation.” [cited, Majumdar 1978, 9-10]
    সেই সভায় মর্মস্পর্শী ভাষায় তাঁর আবেদন ছিল: “We are all bound by the same political bond, and therefore we constitute one nation. I behold in this Congress the dawn of a better and a happier day for India. I look upon it as the quickening of a new life. For long, our fathers lived and we have lived as individuals only, or as families, but henceforth I hope we shall be living as a nation, united one and all to promote our welfare and the welfare of our mother country.” [উদ্ধৃত, রায় ১৯৬৯, ৯১]
    শুধু তাই নয়, ১৮৭৬ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের রৌপ্যজয়ন্তী সভার সভাপতির ভাষণে তিনি যা বলেছিলেন, আমরা আজও যে কোনো সামাজিক সভা-সমিতির কাজের ক্ষেত্রে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বার্থে এক আবশ্যিক বিধেয় রূপে স্মরণ করতে পারি: “No political association would prosper whose members did not identify their interests with those of their countrymen. Self would be subordinated to the community and the good of the community should be the good of the individual.” [cited, Majumdar 1978, 22-23]
    এই জাতীয় নানা ঘটনা স্মরণ করে আমরা বুঝতে পারি: ব্যাপকতম এবং গভীরতম জ্ঞানচর্চায় নিরত থেকেও দেশ এবং সমাজের কথা চিন্তা করা যায়, তার জন্য কিছু দায়দায়িত্ব পালন করা যায়। কিংবা, বিপরীতক্রমে, বুঝতে পারি: দেশ সমাজ ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রেখে সত্যিকারের জ্ঞানচর্চা কখনও সম্ভবই নয়। রাজেন্দ্রলাল মিত্রকে আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটিতেও একজন দৃষ্টান্তস্থাপক বলে মেনে নিতে পারি। এইভাবে সব দিক বিবেচনা করে তাঁর সমস্ত গুণাবলির সশ্রদ্ধ পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি দিলে তবেই তাঁকে অনেক দেরিতে হলেও চিনেছি বলে দাবি করতে পারি। কেন না, না চিনলে ক্ষতি আমাদেরই।

    সূত্রোল্লেখ
    বাংলা
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৬২), জীবনস্মৃতি; বিশ্বভারতী, কলকাতা।
    বিজিত কুমার দত্ত (১৯৯০), রাজেন্দ্রলাল মিত্র; পশ্চিম বঙ্গ বাংলা অ্যাকাডেমি, কলকাতা।
    ব্রজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী (১৯২৯), রাজেন্দ্রলাল মিত্র; কলকাতা।
    অশোক মুখোপাধ্যায় (১৯৯২), “রাজেন্দ্রলাল মিত্র: একজন স্বল্পজ্ঞাত রেনেশাঁ চরিত্র”; পথিকৃৎ, শারদ সংখ্যা, অক্টোবর ১৯৯২।
    অলোক রায় (১৯৬৯), রাজেন্দ্রলাল মিত্র; বাগর্থ, কলকাতা।

    ইংরাজি
    Theodore Duka (1892), “Memorial speech on Raja Rajendralala Mitra, foreign member”; Memorial Speeches delivered about the deceased members of the Hungarian Academy of Science, Vol. III, No. 5, 1892, pp. 1-39.
    James Fergusson (1876), Indian and Eastern Architecture, Vol. I; John Murray, London.
    D. C. Ghose (pub.), Rajendralal Mitra (150th birth anniversary lectures); The Asiatic Society, Kolkata, 1978.
    M. S. Ramaswami Iyenger (1922), “Dr. Rajendrlal Mitra”; Eminent Orientalists; Madras.
    Charlotte S. Manning (1856), Life in Ancient India; Smith, Taylor & Co., Mumbai.
    R. C. Majumdar (1978), “Rajendra Lal Mitra as a National Leader”, in Ghose (pub. 1978).
    Frederick Maxmüller (1868), Chips from a German Workshop, Vol. I;
    Dilip Kumar Mitra (1978), “Preface”; in Ghose (pub.1978).
    Rajendra Lal Mitra (1875), The Antiquities of Orissa, Vol. I; Government of India, Calcutta.
    Rajendra Lal Mitra (1878), Budh Gaya, the Hermitage of Sakya Muni; Government of Bengal, Calcutta.
    Rajendra Lal Mitra (1880), The Antiquities of Orissa, Vol. II; Newman & Co., Calcutta.
    Rajendra Lal Mitra (1881), The Indo-Aryans: Contributions towards the elucidation of their ancient and mediaeval history, Vol. I & II; Edward Stanford, London.
    B. N. Mukherjee (1978), “Rajendra Lal Mitra and His Contemporaries”, in Ghose (pub. 1978).
    Mridula Mukherjee and Aditya Mukherjee (2001), “Communalization of Education: The History Textbook Controversy”; Mainstream, Annual Number, 22 December 2001. আরও দ্রষ্টব্য: NCERT Notification and CBSE Circular dated 23 October 2001.]
  • বিভাগ : ব্লগ | ০৩ আগস্ট ২০১৬ | ৩৭ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • দেবব্রত | 212.142.125.10 (*) | ০৪ আগস্ট ২০১৬ ১২:৩৫55710
  • অশোক বাবু , একটি অসাধারণ প্রবন্ধ পড়লাম ,- তবে এই প্রবন্ধটির স্বার্থে যে সমস্ত বই পত্তর বা বিষয়ের আপনি চর্চা করছেন ১৯৯০ বা হয়ত তার পূর্ব হতে সেই সকল সম্পদ দিয়ে মনে হয় রেনেসাঁ সময়ের আরও বিখ্যাত ব্যক্তিদের নিয়ে এই ধরনেরই লেখা আমাদের পাঠের স্বার্থে আপনি লিখতে পারেন , আপনার পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম ।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত