এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বার স্টুল

    একক লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ৩০ এপ্রিল ২০১৬ | ৮০০ বার পঠিত
  • যোশীর সঙ্গে আলাপ এনাকোন্ডা ক্লাবে। কেঝাং আলাপ করিয়েছিল। করিয়েই বেপাত্তা। আমি আর যোশী পাশাপাশি বসে আছি। দুটো উঁচু বার স্টুল। সোফায় বসতে ভাল্লাগেনা। কেমন যেন অনিচ্ছায় এঁকেবেঁকে যাই। উইকেন্ড এর ভীড়ে ফ্লোর জমজমাট। কিঙ্গা, সোনম এসেছে রিসেন্ট গার্লফ্রেন্ড নিয়ে। ওদিকে নাইন বলস এর বোর্ডে ডাওয়া নর্বু। এদিক ওদিক দেখি। আবার বিয়ার এ চুমুক দি। চুপচাপ সময় চলে যায়। মিলকা এগিয়ে এসে ভরে দেয় দুজনের মাগ দুটো। যততমই হোক না ক্যানো প্রতিবার ঢালা বীয়ারের প্রথম চুমুকটায় আলাদা ঝাঁঝ থাকে। তারিয়ে নি সেইটুকু। আমাদের অন্যদিকে আরও দুটো স্টুলে দুজন, মনে হয় বিসনেস এর কাজে থিম্ফু থেকে আজই এসেছে। তাদের গ্যেপ এনে দেয়। নিজে খানিক শসা কেটে টুকটাক দু পিস মুখে ফেলে মিলকা। আমার দিকে প্লেট এগিয়ে দেয়। বাক্যব্যয় না করে তুলে নি। খালি পেটে মদ খাওয়া নিয়ে জ্ঞানের ঝুলি শোনার মুড্ নেই। সোনম শিরিং ঢুকলো ফ্লোরে। ঢুকেই হই চৈ। দেখি সব চুপচাপ, এই দূর থেকে। মিলকারও বেশি কথা বলার অভ্যেস নেই। মাঝে মাঝে হুইসিল দিয়ে বার বয় দের নির্দেশ দেয়। এইপর্জন্ত্য। একদিন জিজ্ঞেস করেছিলুম এত মোটা ফ্রেমের চশমা পরেছ ক্যানো ? কেটাহারু তর্সিন ছ নি ? তার দুষ্টু হাসি। বা কিছুটা বিষাদেরও। তর্সাউনু পর্ছ স্যার। বার গার্ল কো লাইফ রাম্রো ছয়না।

    রাত বাড়তে থাকে। বারে মত্ততা। ছোটখাটো কথা কাটাকাটি। ক্বচিত গ্লাস ভাঙ্গার শব্দ। যোশী একসময় তাকায় আমার দিকে। এনি প্ল্যান ? কিসের প্ল্যান। আরও বিয়ার, ব্যাস । গ্লাস উঁচু করি শুধু। যু ? কা জানি ? এস্তই !

    বেরিয়ে আসি দুজনেই। বাইরে ধামা চাঁদ। খাবলা খাবলা পাহাড়। বৃষ্টি হয়েছে বিকেলের দিকে। ঘাসের ওপর ফুট দুএক উঁচু থপথপে কুয়াশা। হাঁটতে থাকি দুজন। কিঙ্গা বারের বাইরে বড্ড ভীড়। কাটিয়ে দি। কেও কাওকে জিজ্ঞেস করার দরকার পরেনা। সো ইউ আর ফ্রম ক্যালকাটা। ইয়েস। আপ মুম্বাইওয়ালে ? এতক্ষণে একটু হেসে ওঠে যোশী। বম্বে, মাই ডিয়ার। আই এম ফ্রম বম্বে। দেন, টুএন্টি ফাইভ ইয়ার্স ইন ভুটান।

    পয়সন বারে ঢুকে যাই। ভীড় একটু কম। মেটাল মিউসিকের উত্পাতের জন্যে বোধ হয়। হ্যাশের মাথা ক্যামন করা গন্ধ চারদিকে। মালকিন প্রথামাফিক আলিঙ্গন দিয়ে ব্যস্ততায় অদৃশ্য হয়ে যায়। যোশীর দিকে হাত বাড়িয়ে দেয় এক মুশকো। একে দেখেছি কোথায়। ওহ মনে পরেছে, পাসাখা ইন্ডাসট্রিআল এস্টেটের কমিশনার। আমি পাশ কাটিয়ে গিয়ে বার স্টুল খুঁজে নি। পরিচিত জায়গায় অর্ডার দেওয়ার চাপ নেই শুধু বোতল খোলার আগে ঠান্ডাটা দেখিয়ে নিয়ে যায়। মিনিট দশ বাদে যোশী এসে পাশের স্টুলে বসে। কোনো কথা হয়না। গানের প্লাটফর্ম এ উন্মত্ততা বাড়তে থাকে। কেও একজন আর্জি জানায় "গুর্খা সং"। হঠাত সবাই চুপ করে যায়। গায়করা গাইবে কিনা ভাবছে। ভুটানের ভেতর এসব গান এলাও নয়। এদিকে গেট পেরলেই জয়্গাও তে দুদিন আগে বিশাল ধরনা আর মিছিল হয়ে গ্যালো। কলেজের মেয়েরা গলার শির ফুলিয়ে চেঁচাচ্ছিলো : খোলা কো মাছা আসাল্লা, গুর্খা ল্যান্ড মাশাল্লা। কিন্তু ওই পর্যন্তই। মালকিন এগিয়ে এসে দাঁড়ায় ভীড়ের মাঝে। বাচ্চা ছেলেগুলো সারা শরীরে বিনয় ফুটিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করে। মালকিন গায়ক দের দিকে একটা আঙ্গুল তুলে আবার নিজের কাজে চলে যায়। শুরু হয় "গুর্খালী কো ছোড়া"। নতুন বোতল এসে গ্যাছে। গালে ঠেকাই একটু। ভালো লাগে এত ঠান্ডার মাঝেও এই কাঁচের এক্সট্রা ঠান্ডা টুকু। যোশী একটু থেমে থেমে বলে : মাই ওয়াইফ স্টেস এট শিলিগুড়ি। নাম শুনা হোগা। সী হ্যাস গট টিকেট দিস টাইম।

    জগঝম্প থামলে টের পাই বারোটা বাজলো। বা বারোটা বাজলো বলেই। এবার আর যোশী কে জিজ্ঞেস করার দায়ীত্ব নিতে হয়না। দুজনে আবার হাঁটতে থাকি। পেডাঙ বার এর দরজায় দেওরাজ এর গাড়ি না ? আমরা বসার একটু পরে দেওরাজ আসে। যোশীর সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দিতে চায়। যোশী হাসে। দেওরাজ একটু দুরত্ব রাখে দেখি। মাঝে একবার যোশী টয়লেট এ গেলে আমাকে গোপন কথার ভঙ্গী তে বলে : থিম্পু কো মানছি হো। মুম্বাইবরা আকো, তরা পছিস সাল ভুটান মা বসেকো, হিস হাইনেস কো ফেভারিট আর্কিটেক্ট। উ পুনাখা জং কো রিনোভেশন উলাই গরেকো। আমি সমৃধ্ধ হই। পেশাগত ঝুলি না খুলে দেওরাজ কারও মহত্ব বর্ণনা করতে পারেনা। এ তার বদভ্যেস। এছাড়া মানুষ ভালই। ততক্ষণে যোশী এসে যায়। আবার বিয়ার। পর্ক রিবস। নিজে চীস বল নেয়। তপাই ভেজিটেরিয়ান হো ? আমার প্রশ্নে লাজুক হেসে ফ্যালে পঞ্চাশ ছুই ছুই মানুষ টা। হই না। রেড মিট মা এলার্জি হুনছ। এগ -ফিস চলছ।

    রাত এক দেড়টার পর বার এর ভিতরের চেহারা বদলাতে থাকে। মেইন গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। লোকাল পোলিস অফিসাররা এসে বসে। কিছুক্ষণ লাসো লা লাসো লা চলে তাদের সঙ্গে। আমাদের অবশ্য জ্বালায় না কেও। সব বারেই কাউন্টারের ধার ঘেঁষে এই বার স্টুল গুলোতে যে কেও এসে বসে না। নিয়ম কিছু নেই, তবু অলিখিত। একসঙ্গে চারটে ঠান্ডা বোতল সামনে বসিয়ে ডিনারে যাওয়ার চেষ্টা করে বার বয় ছেলে টি। জিমা দেখতে পেয়ে ছুটে আসে। ছেলেটি অকারণ ধমক খায়। দুটো বোতল আবার ফ্রিজে ঢুকে যায়। জিমা স্বল্পাহারী। টুকটুক করে গাজর আর বাঁধাকপির সালাড খেতে খেতে কথা বলে। কান দি না। তেষ্টা বেড়েই চলেছে। যত রাত হয় তেষ্টা বাড়ে। জিমা খেতে খেতে প্লেট নাবিয়ে রেখে আবার ফ্রিজের দিকে এগিয়ে যায়।

    মাঝে বেশ কিছুদিন ছিলুম না। কলকাতা থেকে বন্ধুরা এসেছিল। তাদের নিয়ে ফোবজিখা, এদিক ওদিক। থিম্ফুর বারে হইচই আড্ডার মাঝে আবিস্কার করি কতদিন বাদে সোফায় বসেছি। মুহুর্তে একা হয়ে যাই। পাশ থেকে একজন বলে: হ্যাঁরে এই ভুটানি মাগী গুলো চাইলে দেবে ? আরেকজন আরেকপাশ থেকে বলে চাইলে ভগবান মেলে রে ভাই হু হু ! তার ইশ্বর প্রতীতি আমায় মুগ্ধ করে।

    এনাকোন্ডাতে বসে আছি হপ্তা তিন বাদ। মিলকা একটা নতুন ফ্রেম করিয়েছে। বেশ মডার্ন ধাঁচের। সে বোধহয় কেমন লাগছে জানতে চায়। দেওরাজ "হাই সেক্সি " আওয়াজ দিয়ে চলে যায়। স্বল্প মনোযোগ দি। তপাই কিচেন মা গাকো থিও ? মিলকা একটু অবাক হয়। হজুর। চশমা টা চেয়ে নি। মুছে ফেরত দেবার সময় যোশী এসে পাশে বসে। মিলকার হাসি দেখা হয়না। বা যদি হেসে থাকে।

    যোশী শিলিগুড়ি গেছিলো। মেয়ে এসেছিল হোস্টেস এর চাকরি থেকে ছুটি নিয়ে কিছুদিন। ছেলের ফাইনাল এক্সাম। দুচার কথায় বলে। উদ্বেগ কিছু নেই। নতুন বোতল আসে। যোশী একটু উদ্বেগে জিজ্ঞেস করে : চীইইইশো ছ ? মিলকা গালে ঠেকিয়ে পরখ করে দেয়। দুবোতল বিয়ার ফেনা তৈরী না করে নিখুঁত ঢেলে দেয় দুজনের মাগ এ। ডান্স ফ্লোরে কেও একনাগারে সিক্সটিস্ এর পপ বাজিয়ে যাচ্ছে। স্টুল ঘুরিয়ে একঝলক দেখি। কিঙ্গা একটা লাল পোলকা ডট টি পরে নাচছে। নাইন বলস এর বোর্ডে ওয়াং আর সোনম তোবগে। ফুড এর এমডি তার দুই মোসাহেব নিয়ে এক কর্নারে। একটা লম্বা চুলো নর্থ ভুটনিস ছেলে দেয়ালে ভর দিয়ে অসহায় দাঁড়িয়ে আর তার বুকে তর্জনী ঠুকে ঠুকে গর্ত করে ফেলছে, ওহ ওত জিমা র মেয়ে। ছুটিতে এসছে থিম্ফু থেকে। মিউসিকের আওয়াজে কিছু শোনা যায়না। মিলকা কিছু বলছিল। আবার বোতল আসে। ফ্রেশ শসাকুচি এনে সামনে ধরে, অন্যদিকে তাকিয়ে। বার বয় দের কিছু ইঙ্গিত দেয়। রাত বাড়তে থাকে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ৩০ এপ্রিল ২০১৬ | ৮০০ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নাইটো - একক
    আরও পড়ুন
    সিপাহী - একক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ৩০ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:১২53077
  • #
  • রৌহিন | ৩০ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৩০53078
  • অনেকগুলো গল্প। নাকি একটা উপন্যাস? নেমে যাক
  • Ekak | ৩০ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৩৬53079
  • ফিকশন ঠিক লিখতে পারিনে :) এসব না লেখা দিনলিপি বলা যায় বড়জোর। স্মৃতি তে ফিরে আসে মাঝে সাঝে।
  • Debabrata Chakrabarty | ০১ মে ২০১৬ ০৩:৩৫53080
  • এইটাকে বড় করে লিখুন, দিনলিপি ফরম্যাটেই না হয় লিখুন।
  • কল্লোল | ০১ মে ২০১৬ ০৩:৪৯53081
  • তোর ভূটান স্মৃতির জন্য হাপিত্যেশ করে আছি।
  • Sankha | ০২ মে ২০১৬ ০১:২৭53083
  • দারুন লাগলো।
  • Ekak | ০২ মে ২০১৬ ১১:৪৫53082
  • কল্লোল দা,
    এগুলোকেই ভুটান স্মৃতি বলতে পারো :) আসলে একটা সিঙ্গল শিরোনাম এর মধ্যে পুরো জিনিস নাবাতে গেলে যে ধৈর্য্য, কন্তিনিউতি অফ সেন্ট্রাল থট লাগে সেটা আমার নেই। তাই আগের লেখা টই থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। এভাবেই টুকটাক লেখার ইচ্ছে।
  • de | ০৩ মে ২০১৬ ০৫:৫২53084
  • আরো আসুক ভূটান স্মৃতি!
  • কল্লোল | ০৩ মে ২০১৬ ১০:০২53085
  • আমার কোনটতেই কোন আপিত্ত নাই। যেমনভাবেই হোক। আসুক।
  • ranjan roy | ০৩ মে ২০১৬ ১২:১০53086
  • একক,
    আসুক, আসুক। বিয়ার মগের উপচে পড়া ফেনার মত। বেশ লাগছে।
  • san | ০৫ মে ২০১৬ ১০:৪২53087
  • জার্নাল ফর্মেই আসুক না।
    কেমন সিনেমা দেখার মত ফিলিং হল পড়ে :-)
  • একক | ০১ জুলাই ২০১৬ ১২:৩১53088
  • ভালো লাগল! বাঙালি বন্ধুদের বেড়াতে যাবার পার্ট টা সংক্ষিপ্ত হলেও টু দ্য পয়েন্ট|
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন