• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • প্রবন্ধ ছাপানোর সহজ উপায়

    ন্যাড়া লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১০ অক্টোবর ২০১৩ | ২৭৪ বার পঠিত
  • দেখুন প্রবন্ধ ছাপানো খুব সহজ ব্যাপার। একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্চে যে ২০০৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০০৭ সালের মার্চ মাস অব্দি বাংলাভাষায় যত কবিতা লেখা হয়েছে, ছাপা হয়েছে তা ০০০০৩৭%। মানে প্রতি প্রায় পৌনে তিন লক্ষ লেখা কবিতার মধ্যে ছাপা হয়েছে একটি। গল্পের ক্ষেত্রে ঐ হিসেব প্রতি চল্লিশহাজারে একটি। নাটক প্রতি চারশোতে একটি। উপন্যাসের রেকর্ড প্রতি দুশোতে একটা। আর প্রবন্ধ? প্রতি আর্ধেকে একটা। মানেটা বুঝলেন? মানে, প্রতিটা প্রবন্ধ গড়ে দুবার করে ছাপা হয়েছে। ভাবা যায়? পাবলিশড অথর হবার এমন সুযোগ হাতের সামনে থাকতে হেলায় হারাবেন না।

    তো এই বারে প্রশ্ন আসে যে লোকে প্রবন্ধ লেখে কেন? প্রবন্ধ তো কবিতার মতন আবেগ বের করার সেফটি-ভালভ নয় যে লোকে, "ওরে আমার খুব প্রবন্ধ পেয়েছে" বলে মুক্তকচ্ছ হয়ে নধর বটের ছায়ায় বসে কলম কামড়ে "অমাবস্যার আলো" টাইপের অ্যাস্ট্রোনমিকাল প্রবন্ধ লিখবে। আর ভাল করে চেয়ে দেখবেন যাঁরা প্রবন্ধ লেখেন-টেখেন তাঁরা সবাই সভ্যভব্য ভদ্র টাইপের লোক বা মহিলা। পরিস্কার নাম-জানা পোশাক পড়েন। পুরুষদের দাড়ি হয় কামানো আর নয় ভাল করে ছেঁটে-টেঁটে মার্জিত রূপ দেওয়া। মহিলারা যে ঠিক কিরকম সেটা জানিনা। শুধু প্রাবন্ধিক মহিলা আমি আজ অব্দি দেখে উঠতে পারিনি। যাঁরা নবনীতা দেবসেনের নাম করবেন তাঁদের জন্যে এক গাল প্যাঁক রইল। একে তো মহিলা প্রথমে কবি, তারপরে স্কলার ইত্যাদি অনেক কিছু পেরিয়ে তবে প্রাবন্ধিক, তায় আউটলায়ার।

    প্রবন্ধ লেখার মূল উদ্দেশ্য একটাই - নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। অপছন্দ হলে জ্ঞানী শব্দের জায়গায় নিজের পছন্দমতন প্রতিশব্দ বসিয়ে নিতে পারেন - পণ্ডিত, ইন্টেলেকচুয়াল, পড়ুয়া, চিন্তাশীল, থিংকার, এরিউডাইট, বুদ্ধিজীবি ইত্যাদি প্রভৃতি প্রমুখ। আসল কথা হল নিজেকে জাহির করা। অবশ্য আরও কিছু প্রাবন্ধিক আছেন যাঁরা স্রেফ পেটের দায়ে প্রবন্ধ লেখেন। পয়সা পাবেন বলে। তবে তাঁদের সংখ্যা অতি নগণ্য। প্রায় নেই বললেই হয়। প্রবন্ধের ধারে প্রকাশক-সম্পাদকের থেকে পয়সা বের করতে হলে কীরকম এলেম লাগে একবার কল্পনা করতে পারছেন? আর সেরকম এলেমদার লগনচাঁদা লোক হুদো হুদো পয়দা হয়না আমাদের সোনার বাংলায়। আর বাকি যাঁরা প্রকাশকের পকেট থেকে পয়হা বের করেন, তাঁরা এদ্দিনে প্রবন্ধ সার্কিটে নাম করে ফেলেছেন বিস্তর। সাঈফ আলী খানও কি ১৩৭-টি সিনেমা করার পর ১৩৮-তমতে অভিনয়ের ঝলক দেখাননি?

    তো এবার দেখা যাক এলেমের খামতি নিয়েও কী করে প্রবন্ধ সার্কিটে নাম ফাটানো যায়। ধরা যাক আপনি "আমরাও আঁতেল" পত্রিকার বিশেষ "পরিবেশ ও মনুষ্যচরিত্র" সংখ্যায় "বাঁশ" বিষয়ে প্রবন্ধ লেখার বরাত পেয়েছেন। শুরু করবেন কী ভাবে? মনে রাখবেন শুরু আর শেষটাই আসল। নাটক-সিনেমা ইত্যাদি পারফর্মেন্স আর্টের মতন। প্রবন্ধ লেখাও পারফর্মেন্স আর্ট। এন্ট্রি আর এক্সিটই আসল। ওখানেই পয়সা ও সিটি পড়ে। প্রথম পাতা খুলেই যেন পাঠক চমকে চৌতিরিশ হয়ে যায়। মুখে দিয়ে নিজে থেকে যেন 'বাপরে কী দাপট' বেরিয়ে পড়ে। কী করবেন? একটা কায়দা হল বেমক্কা উদ্ভট কোন কথা লেখা। যেমন ধরুন লিখলেন, "গরু ঘাস খায়, মানুষ বাঁশ খায়।" ঠিক জমল না। আরও জমল না এই কারণে যে এতে আপনার জ্ঞানের কোন প্রকাশ হল না। কাজেই আপনি লিখলেন, উইকি দেখে, "বাঁশ পোকেয়া প্রজাতির একধরণের ঘাস; বৈজ্ঞানিক নাম ব্যাম্বুসোয়ডিয়া গোষ্ঠির ব্যাম্বুসা।" জ্ঞান হল, কিন্তু না আছে কামড়, না আছে চমক। এ তো বটানির প্রথম বর্ষের যে কোন ছেলেই লিখতে পারে। তার ওপর এ লাইনে এগোলে কিন্তু ব্যথা আছে। তাত্ত্বিক প্রবন্ধ হয়ে যাবার চান্স থাকছে। আপনার যে ফ্রি-ফ্লোইং একটা প্রবন্ধ লেখার বাসনা ছিল, সেটা তো মাঠে মারা যাবেই, তারসঙ্গে রাজ্যের পেছন পাকা লোক আপনার তথ্যের ভুল বের করে পেন্টুলুন ঢলঢলে করে দেবে।

    কাজেই শুরু করুন এইভাবে - হাতের কাছে যা বই আছে, তার একটা ধরুন। এই যেমন আমার হাতের কাছে আছে শঙ্খ ঘোষের 'বইয়ের ঘর'। খুললাম। ১৩ নম্বর পাতা বেরোল। তার যে কোন একটা লাইন তুললাম - "নিজেরাই গড়ছি নিজেরাই দেখছি নিজেরাই ভাঙছি মিনিট কয়েকের সেই স্ট্যাচু"। ব্যস, শুরু করলাম এই বলে -

    -------
    শঙ্খ ঘোষ যেমন বলেছেন, "নিজেরাই গড়ছি নিজেরাই দেখছি নিজেরাই ভাঙছি মিনিট কয়েকের সেই স্ট্যাচু", ঠিক তেমনই আমাদের জীবনে বারবার ভেঙে যায় আমাদের স্ট্যাচু, অন্যের স্ট্যাচু। বাঁশের আঘাতে।
    -------

    কোটেশনই আপনার প্রবন্ধের গতি ও প্রকৃতি স্থির করে দেবে। আপনার কাজ শুধু কোটেশন তোলা আর কলম চালান। তার ওপর বড়সড় নাম ঢুকে পড়বে আপনার প্রবন্ধে। নেমড্রপিং এলেম জাহির করার এক আবহমান ও পরীক্ষিত কায়দা।

    এবার খুললাম শারদীয় ১৪১৫ সালের অনুষ্টুপ। বেরোল প্রসাদরঞ্জন রায়ের লেখা "সাহেবি কলকাতার মদ্যপান এক অসম্পূর্ণ ইতিহাস"। এবার সেখান থেকে লাইন নিয়ে যা দাঁড়াল -

    --------
    শঙ্খ ঘোষ যেমন বলেছেন, "নিজেরাই গড়ছি নিজেরাই দেখছি নিজেরাই ভাঙছি মিনিট কয়েকের সেই স্ট্যাচু", ঠিক তেমনই আমাদের জীবনে বারবার ভেঙে যায় আমাদের স্ট্যাচু, অন্যের স্ট্যাচু। বাঁশের আঘাতে। অথচ প্রসাদরঞ্জন রায়ের কাছে যখন এও জানতে পারি, "পৃথিবীতে যব, গম ও ধানের প্রাচুর্য যেখানে, সেখানেই মদ চোলাই প্রথম শুরু হয়েছে", তখন আমাদের মনে এই ভাবনা আসা কি স্বাভাবিক নয় যে সমাজে যেখানে বাঁশের এত প্রাচুর্য - মানুষে-মানুষে বাঁশ দেওয়া-দেওয়াইর পরম্পরা যার জ্বলন্ত উদাহরণ - সেখানে বাঁশ চোলাই শুরু হল না কেন? আঘাত কেন? মাধ্বী নয় কেন? ঠিক এইখানেই দেখা যাচ্ছে মানবজীবনের বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়ে মহাকালের জ্যা অঙ্কিত হয়ে পড়েছে। আসলে চোলাই থেকে স্ট্যাচু, এই আমাদের পরিধি। প্রান্তিক থেকে বরেণ্য। এই আমাদের সমষ্টিগত চেতনা।
    ---------

    মোটামুটি ধরা গেছে আশা করি। মোদ্দা কথা, প্রবন্ধ হবে আত্মার মতন। জলে ডুববে না, আগুনে পুড়বে না, বুদ্ধিতে ব্যাখ্যা মিলবে না। আখাম্বা এক পিস থান ইঁট যেন। মানে "ধরি ধরি মনে করি, ধরতে গেলে আর পেলে না"।

    এবার আসা যাক নামকরণে। নামের সঙ্গে প্রবন্ধের খুব যে সাযুজ্য থাকতে হবে এরকম কোন কথা শাস্ত্রে লেখা নেই। কাজেই নাম দিন চটকদার। ভুলিয়ে-ভালিয়ে পাঠককে মূল গদ্যে এনে ফেলতে হবে। নামকরণের এই একমাত্র উদ্দেশ্য। পাঠকের চিত্ত যেন সূচীপত্রে প্রবন্ধের নাম দেখেই চুলবুল করে ওঠে।

    তাহলে এই প্রবন্ধের নাম কী হতে পারে। খুব সহজ নাম হল "বাঁশ"। বুঝতেই পারছেন, প্রথমেই ঢ্যাঁড়া - না ধারে, না ভারে, কিছুতেই কাটবে না। তবে "বাঁশ ও মনুষ্যচরিত্র"? আগের চেয়ে ভাল, কিন্তু পি.আচার্যর বইয়ের রচনার মতন শোনাচ্ছে। তাছাড়া আঠাও নেই। তবে কি "বাঁশ ও চোলাই"? এতে বেশ আঠা আছে। ধাঁধাও আছে। পাঠক ঘেঁটে যাবে - বাঁশের সঙ্গে চোলাইয়ের কী সম্পর্ক! এর থেকেও ভাল "বাঁশ ও মাধ্বী"। এইবার দিব্যি নাম হয়েছে। আরও এগোতে পারলে দেওয়া যায় "বেণু ও মাধ্বী"। তবে আইডিয়াটা পেয়ে গেছেন।

    ব্যস, আর কী! যান লেগে পড়ুন। বিজয়ী ভবঃ।

     

  • আরও পড়ুন
    আয়না - ন্যাড়া
  • বিভাগ : ব্লগ | ১০ অক্টোবর ২০১৩ | ২৭৪ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • I | 24.99.18.36 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:৪৯47594
  • নাজুক ! নাজুক !
    তবে নাম না দিলে ঈশেনের লেখা বলে মনে হতে পারত।
  • Pubদা | 209.67.131.215 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:৫০47595
  • হা হা হা হা ।।
    প্রবন্ধ লেখার এমন উপায় আগে জানা ছিল না । তবে আমরা ঐ পৌনে তিন লাখের কবিতা দিয়ে জীব্নানন্দের মতন ট্রান্ক ভর্তি করতেই স্বচ্ছন্দ বেশি ;) ঃ)
  • Ranjan Roy | 24.99.69.78 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:৫৯47596
  • আমি কাল থেকে পোবোন্ধো লিখব কবন্ধের মতন।অবশ্যই ন্যাড়াবাবুকে গুরু মেনে!
  • ঈশান | 214.54.36.245 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৮:৫০47597
  • একেবারেই না। আমি অনেক খেটে লিখেছিলাম, ন্যাড়াদা শর্টে মেরেছে। এইটা ইন্দোকে। :)
  • Lama | 126.193.137.38 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৫৭47598
  • ন্যাড়াদার ফান্ডা জানা সত্ত্বেও আপনি প্রবন্ধ লিখতে পারবেন্না যদি আমার যা আছে তা আপনার থাকে- ল্যাদ
  • nina | 22.149.39.84 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৩ ০২:১৩47601
  • সুপার্ব্ব! ঃ-D
  • hu | 188.91.253.11 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৩ ০২:৪৫47600
  • তুখোড়!
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৩ ১২:২২47599
  • বেশ লাগল
  • cm | 122.79.37.61 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৩ ০১:১৮47605
  • এটা বরং এখানে থাক।
    http://en.m.wikipedia.org/wiki/Bogdanov_affair
    একটি স্পেস না দেওয়ার জন্য কী বিপর্যয়!
  • শ্রী সদা | 127.194.193.212 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৩ ০৪:৫২47602
  • "আমাদের মনে এই ভাবনা আসা কি স্বাভাবিক নয় যে সমাজে যেখানে বাঁশের এত প্রাচুর্য - মানুষে-মানুষে বাঁশ দেওয়া-দেওয়াইর পরম্পরা যার জ্বলন্ত উদাহরণ - সেখানে বাঁশ চোলাই শুরু হল না কেন? " ~ জ্জিও !!!
  • I | 24.99.139.75 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৩ ১১:৩১47603
  • রতনে রতন চেনে। ঠিক চোলাইয়ের দিকে নজর গেছে।
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৩ ০৪:০৬47608
  • হ্যা, হ্যা।
    কিন্তু ন্যাড়া মাছের তেলে মাছ ভাজল - পোবোন্ধো নিয়ে পোবোন্ধো লিখল। অবশ্য ন্যাড়ার ডেফিনেশনে - এইটা পোবোন্ধো হয় নাই, পোবোন্ধের কবন্ধ হইসে।
  • pradip | 24.99.108.54 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:২৬47606
  • নাড়া দা দারুন চাটলে গুরু, তুমি কি হাম্বা'র সৈকত
  • Biplob Rahman | 212.164.212.20 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৩ ১১:১৩47607
  • হাস্তেইয়াছি, হাস্তেইয়াছি =))
  • I | 24.99.182.222 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৩ ০২:০০47610
  • ইনি একদিন প্রবন্ধ লিখে নোবেল পাবেন এই আশা ছেঁড়া তোষকের মধ্যে লুকিয়ে রাখেন। তাই এঁর আরেক নাম তোষক আশগুপ্ত।
  • Tapas Das | 126.202.200.84 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৩ ০৭:০৫47609
  • উপরিউক্ত লিখনে প্রাবন্ধিকদের সবিশেষ বাঁশ দেওয়া হয়েছে । ধরে নেওয়া যায় লেখক প্রাবন্ধিক/প্রবন্ধ বিরোধী । ইনি কি প্রবন্ধ লিখতে গিয়ে পথ হারিয়েছিলেন? পরে আরও প্রবন্ধ লিখবেন? এটি তার প্রস্তুতি? কাল নিরবধি l কলমের কালিও তা-ই । আমরা অপেক্ষমান।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন