জীবন তো নদী, বয়ে চলে, কখনো বন্ধুর পথ বেয়ে, কখনো সমতল, কখনো ফুলে ঘেরা উপত্যকার পাশ দিয়ে। আমরা তবে কোথায় আছি এই বহমান নদীর স্রোতে? আমরা সেই জলের কণা। কেউ মিলবে সমুদ্রের বিশালতার সাথে, কেউ বা ছোট্ট ঝোরা হয়ে কারোর বুকে জল সিঞ্চিত করবে। কেউ বা উত্তাল হয়ে সাজানো বাগান ভেঙে ফেলবে, কেউ বা স্রোত হারিয়ে পঙ্কিল হয়ে পড়বে, কেউ হয়তো বাষ্প হয়ে বিলীন হয়ে যাবে। কেউ নিজের পরিণতি জানে না। জীবন নিয়ে চলে। ... ...
আমাদের এই নীল গ্রহ থেকে তেরোশো কোটি আলোকবর্ষ দূরে একটি নক্ষত্রপুঞ্জ আছে, আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে তার নাম EGS-zs8-1। অন্যান্য হাজার হাজার galaxyর সঙ্গে EGS-zs8-1র এমনিতে কোন তফাৎ নেই, কিন্তু আবার আছেও। কারণ, প্রাচীন স্ক্যানডিনেভিয়া'র নর্স পুরান-রচয়িতারা এর নাম দিয়েছিলেন আসগার্ড। আসগার্ড - নর্স দেবরাজ ওডিন ও থরের স্বর্গ। আসগার্ড - এমন এক স্বর্গ যেখানে একমাত্র নরশ্রেষ্ঠরা অমরত্ব লাভ করে অনন্তকাল সেখানে বাস করার ছাড়পত্র পান।আসগার্ড বেশ দৃষ্টিনন্দন মনোরম জায়গা। আমাদের কল্পনার স্বর্গ যেমন হয়। আর আজ, যখন আমাদের এই কাহিনী শুরু, সেখানে পার্কে বসে আছেন এমন একজন যিনি দীর্ঘ সতেরো বছর তাঁর দেশের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। সে অবশ্য অনেকদিন আগের কথা। ... ...
১৬ই ডিসেম্বর বা ২৬শে জুলাই জানেন কি? কেনই বা জানবেন। আসলে প্রসঙ্গগুলো ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর আপামর ভারতবাসী সেটা গিলছেও। আসলে অশিক্ষা নয় রীতিমত কুশিক্ষায় দেশটা ভরে গেছে। তাই আত্মদানের এই মহান স্বাধীনতা দিবস আজ আমাজন আর ফিল্পকার্টের সেলেই সীমাবদ্ধ। আর বাঙালি? বাঙালি নিজ স্বত্তা ভুলে হুবাহু এই কুশিক্ষাকে নিজ অন্তরে মজ্জাগত করে চলছে। পথের পাঁচালি খ্যাত বাঙালি আজকাল বাংলা সিনেমাকে ন্যাস্টি কালচার বলে। কথায় কথায় ফাক ইউ আর WTF বলা বাঙালি আজ সারাদিন সেট ম্যাক্স নয় তো জি সিনেমা বা স্টার মুভিস নিয়ে বসবে। ... ...
হাঁফাতে হাঁফাতে গাড়িটা যখন বসুমতি কটেজে এসে পৌঁছাল, তখন বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামি নামি করছে। সূর্যটা নিভু নিভু করছে। একটু পরেই পাহাড়ের খাঁদে আত্তহত্যা করবে। উঁচু পাহাড়ের ভিড়ে লুকিয়ে থাকা কটেজটা, তোফায়েলের পছন্দ হল। ওরই এক ভক্তের কটেজ। বলেছিলো- "আপনাদের তো নিরবতা, নির্জনতা পছন্দ। রাঙামাটিতে আমার একটা কটেজ আছে। চারপাশে উঁচু পাহাড় ছাড়া আর কিছু নেই। সবচেয়ে কাছের গ্রামও ৫কি:মি: দূরে। আপনি চাইলে যেতে পারেন। আপনার ভালো লাগবে। সেখানে আমাদের এক কাজের লোক আছে, নাম সুতং। কটেজটা ওই দেখাশোনা করে। সর্ব ঘাটের কাঁঠালি কলা, রান্নাবান্না সব পারে। আপনার কোন অসুবিধা হবে না।" অফারটা শুনেই লোভনীয় লেগেছিলো তোফায়েলের। জিহ্বা বেরিয়েইছিলো কিন্তু সময় ... ...
একটা ছোটো বিষয় পরিষ্কার করা দরকার হতে পারে। আমি সিপিএম সমর্থক হিসেবে শ্রমজীবি ক্যান্টিন পরিচালনার কাজে জড়িয়ে আছি। গত লকডাউন থেকেই অনিয়মিত ভাবে এ কাজ পাড়ায় চালাচ্ছেন সিপিএম-এর সদস্য সমর্থকরা। তখন ছিলাম এখনও আছি। যা প্রয়োজন তার তুলনায় কিছুই করতে পারি নি এবং ব্যক্তিগত সামর্থ্যের শেষ সীমায় পৌঁছেছি, দুটি কথাই সত্যি। প্রথমটিই বেশি সত্যি, তবে নির্মম না, কারণ কিছু লোক শ্রমের মূল্য পান না তার চেয়ে নির্মম কিসু নাই। আমার রাজনৈতিক কাজকর্ম রাজনৈতিক ভাবে বামেরা কোণঠাসা হবার পরে আরো বেড়েছে। এতদ্বারা আমি মহান প্রমাণ হল না অবশ্যই। ... ...
সৈয়দ মুজতবা আলীকে নিয়ে কিছু লিখবো এমন বুকের পাটা আমার নেই। শুধু ভালোলাগাটুকু জানানো। মুজতবা আলীর জন্ম ১৯০৪ সালে। প্রথম দিকে পড়াশুনা সিলেটে। তারপরে কবিগুরুর চিঠি পেয়ে অভিভূত হয়ে তিনি শান্তিনিকেতন চলে আসেন। পাঁচ বছর সেখানে পড়াশোনা করেন। বিশ্বভারতীর প্রথম বছর এর স্নাতক তিনি। এর পরে তিনি কাবুল চলে যান। শিক্ষা বিভাগে চাকরি নিয়ে। সেখানে ২ বছর থাকেন। তার সেই কাবুলবাসের সরস বর্ণনা আছে তার বহুসমাদৃত "দেশে বিদেশে" গ্রন্হে। এর পরে তিনি ... ...
চার প্রতিভা মাস্ক খুলিয়া এক হইল কোভিডোত্তর কালে। মিলিয়া জুলিয়া কিছু একটা করিবে। প্রথম প্রতিভাঃ অমুক সিনেমাটা দেখলাম। হোয়াট আ জার্নি। দ্বিতীয় প্রতিভাঃ কোথায় জার্নি? থেমেই তো ছিল। তৃতীয় প্রতিভাঃ অরিজিনাল বইটা পড়ো। সিনেমাটা কিছুই হয় নি। চতুর্থ প্রতিভাঃ বই পড়া খুব কমে গেছে আজকাল। আসলে একটা বয়সের পর কি পড়ব ঠিক করার চেয়ে কি পড়ব না ঠিক করাই বেশী দরকার হয়। ... ...
এইবার সুগতবাবুর এক পিস গল্প লিখি। গল্প মানে সত্য ঘটনা। ক্লাশ হচ্ছে হেডুর ঘরের ঠিক নীচে। স্যার ইতিহাসের কিছু একটা পড়াচ্ছেন। হাই ফাই নোটস দিচ্ছেন। ভালো ছেলেরা মন দিয়ে নোট নিচ্ছে আর "স্যার আর এক বার বলুন" "আর এক বার বলুন" করছে। আমি এবং আরও বেশ কিছু ওঁচা ছেলে খাতার পেছন দিকে ট্যালি মার্ক দিয়ে স্যার কটা 'কেমন' বললেন গুনছি। ... ...
IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change)-র ষষ্ঠ রিপোর্ট: ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন মানব সভ্যতা। বিশ্বের প্রতিটি এলাকার জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্রচুর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার পর ১৯৫ টি সদস্য দেশকে নিয়ে দুই সপ্তাহ জুড়ে বৈঠকের পর ষষ্ঠ রিপোর্ট পেশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃরাষ্ট্র প্যানেল (IPCC- 6th Report1) এই বছরের ৯ ই আগস্ট। এই রিপোর্টের পদে পদে পৃথিবীবাসীর জন্য রয়েছে চরম বিপদ বার্তা। যদিও এটা রিপোর্টের প্রথম ধাপ, পুরো রিপোর্টটি প্রকাশিত হবে ২০২২ সালের মধ্যে। এই রিপোর্টের ভয়ানক বার্তাগুলি নিম্নরূপ। প্রথমত: মনুষ্যকৃত নানা উন্নয়ন, নগরায়ন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির অত্যধিক ব্যবহারের ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড সহ অন্যান্য গ্রীন হাউজ গ্যাস নির্গমন ... ...
তৃতীয় ঢেউ আসছে আসছে শুনছি — অনেক দিন ধরেই — এসেছে কিনা সঠিক জানি না, তবে তলে তলে তো শুনছি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে৷যাদবপুরের কলোনী অন্চলের বাসিন্দা, সার্স কোভ—২ বাবাজীবন এদিক পানে মাড়াবেন না — তা তো বলা যায় না, তবু মাস্ক থুতনী থেকে ওপরে উঠছে না এসব অঞ্চলে। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতন আবার পূজো বাজার দরজায় কড়া নাড়ছে—মত্ত বাঙ্গালি মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে দিব্বি ঝাঁপিয়ে পড়ছে। যদিও বাজারে নানান ডিজাইনার মাস্ক বিক্রি হচ্ছে। ... ...
#rebuildbengalleft বিজেপির রাজ্য সভাপতি তাঁর নিজের দলের কাউন্সেলর এর বাড়ির পিছনে বা সামনে বা অন্তত অনতিদূরে নাগরিক দের মলত্যাগের পরামর্শ দিয়েছেন। এরকম সিভিক সলিউশন সত্যিই বিরল।আরেকজন আদ্যপান্ত সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ, রাজনীতি থেকে চলে গেলেও, সাংসদ পদটি ছাড়তে পারছেন না। একজন রীতিমত শিক্ষিত বিজেপি নেতা, তিনি আবার রাজ্যপাল পদ অলঙ্কৃত করে থাকেন, নিয়মিত কদর্য আক্রমণ করেন সমাজের নানা অংশের মানুষকে। আর দুজনের অপূর্ব রূপকথার মতো শাসন কালে দাড়ি ও টাক ফ্যাশনেবল হওয়া ছাড়া আর কিছু বিশেষ দেশের কাজ হয় নি, যা হয়েছিল তা বানচাল করা চলছে। আপাদমস্তক স্বৈরাচারী এবং মিথ্যাচারী। তাঁদের প্রিয় মুখ্যমন্ত্রী হুমকি এবং এনকাউন্টার দিয়ে রাজ্য চালান। বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূল জোর ... ...
~রহিম ব্যাপারীর অন্তর্ধান~ সবচে' চটকদার ব্যাপারটা হলো, রহিম ব্যাপারীর চলে যাওয়া। রহিম ব্যাপারী কোথায় গিয়েছে? ওর শ্বাশুড়ির বদ্ধমূল ধারণা রহিম ব্যাপারী এই পৃথিবী ছেড়েই হাওয়া হয়ে গেছে, যদিও ওর স্ত্রী রিনা মনে করে রহিম ব্যাপারী জাহাজ বা অন্য কোনো যানের সাহায্যে ওদের ছেড়ে বিদেশ চলে গেছে, অর্থাৎ দেশ ছেড়েছে। যেহেতু, রহিম ব্যাপারী বর্তমানে আশেপাশে উপস্থিত নেই। তাই, ওর অন্তর্ধান নিয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা করা মানায় না। কারণ, এই চিন্তাভাবনার ফলাফল একটাই আসবে, রহিম ব্যাপারী কোথায় হারিয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে আমরা কেউ-ই জানি না। এবার ওর পরিবারের দিকে তাকানো যাক। ব্যাপারীর সতেরো বছরের একটি মেয়ে রয়েছে, যাকে ওর দাদী কালী বলে ডাকে। এই কালী ডাক থেকে আমরা ... ...
এক একটা ঘটনা ধূপের গন্ধের মতো। ধূপের গন্ধ যেমন ঠাকুর ঘর মনে করায় তেমন বর্তমানে ঘটে চলা কোনো ঘটনা হাত ধরে নিয়ে চলে পুরোনো কোনো স্মৃতির অলিন্দে।জগতের আনন্দজজ্ঞে সবে মাত্র সমাপ্ত হওয়া অলিম্পিক্স সেই ধূপের গন্ধ। অলিম্পিকের মানে বুঝতে আশির দশকের শিশুর ক্লাস সেভেনে উঠতে হয়েছিল। আর যেমনি বোঝা অমনি শুরু হল আয়োজন। এত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার অধরা থেকে যাবে তা তো হয় না। মনে আছে আমাদের পাড়ার যে খেলার গ্ৰুপ ছিল সেখানে সদস্য হতে গেলে বয়সের কোনো সীমারেখা রাখা হত না। তা না হলে সদস্য বে-দল হতে পারে। প্রত্যেক সদস্যই নিজ নিজ যোগ্যতায় স্বমহিমায় থাকতেন।সেই গ্ৰুপে একবার অলিম্পিক্সের আয়োজন করতে ... ...
কন্টিনেন্ট এবং আমেরিকায় ছোটগল্প প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠেছিল ঊনবিংশ শতাব্দীতেই। কিন্তু সাহিত্য সংস্কৃতি ঐশ্বর্য্য এ মদমত্ত ইংল্যান্ডের চূড়ান্ত আত্মপ্রসাদে তখনও ফাটল ধরে নি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিপর্যস্ত মানসিকতা, বিচ্ছিন্নতা বোধ, ক্লান্তি আর যন্ত্রণার মধ্যেই সাবালক হল ইংল্যান্ডের ছোট গল্প। রবার্ট লুই স্টিভেনসন বা এইচ জি ওয়েলসের আডভেঞ্চার বা ওসকার ওয়াইল্ডের আলিগরির জগত থেকে সমারসেট মম, এইচ ই বেয়টস, ডি এইচ লরেন্স, ই এম ফস্টার এবং ক্যাথারিন ম্যানসফিল্ডের ছোটগল্পের জগত সম্পূর্ণ আলাদা। এদের দাবি অল্প কিন্তু অখণ্ড মনোযোগ। ডি এইচ লরেন্সের "Lady Chatterley's Lover" পড়েছি। ফস্টারের পড়েছি "A passage to India". অবশ্য ক্যাথারিন ম্যানসফিল্ডের কোন লেখা পড়ার সৌভাগ্য এখনও আমার হয় নি। ... ...
বাড়ি ফেরার আকাঙ্খায় পরিযায়ী শ্রমিক ভেসে যায়, দিবারাত্রি সহস্র পথ হাঁটে ঘরে ফেরার তাড়নায়।রেল লাইনে পড়ে থাকে অচেনা শ্রমিকের লাশ, ওরা এখন বিরোধী রাজনীতির তুরুপের তাস।তবু ঘরে ফেরার আকাঙ্খায়
বছরে বেশ কয়েকবার দূরপাল্লার মেল বা এক্সপ্রেসের যাত্রী হওয়ার সুযোগ আমার হয়েই থাকে। ট্রেনে সবসময়ই আমার বড় পছন্দের জালনার ধার। নির্দিষ্ট সীটটি বেশ কিছু ঘন্টার জন্য আমার নিজস্ব পৃথিবীর মতো হয়ে যায়। একই পথে বহুবার আসা যাওয়া করলেও জালনার বাইরের পরিবেশ ও প্রকৃতি প্রতিবারই আমাকে নতুনভাবে আকর্ষণ করে থাকে। বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন ঋতুতে সেই বিশেষ যাত্রাপথটি বিভিন্ন রূপ, রসে আমার চোখে ধরা দেয়। যত বয়স বাড়ছে, ঐ পরিচিত রূপ রসের দুনিয়ার বহু গোপন রহস্য অন্তরে উন্মোচিত হচ্ছে। বুঝতে পারি এই পাঠশালার পাঠ্যক্রমের কিছুই বিশেষ পড়া হল না আজও। তাই বারেবারে ইচ্ছে হয় অমনভাবে জালনার পাশে বসে সৃষ্টিকর্তার অতি যত্নে রচিত প্রকৃতিকে দু চোখ ভরে দেখতে, ... ...
গ্রামে দুটো মাত্র প্যান্ডেল হত। ছোটখাটো। দুটোরই মঞ্চে যারা থাকতেন তাদের জন্যই আপনি গালি খেতেন। সিক্সে জানতাম আপনি ঠাকুর। দাঁড়িবালা ঠাকুর। হেব্বি লাগতো স্টাইলটা। চাচা নাখুস ছিল। বলতো সালা কুজাতের লোক, মুসলমানদের মত দাঁড়ি রাখে। ঈমান নাই। তখন থেকেই মনে হয় ধর্মে খড়ি। তখন থেকেই কাফের মনে হয়। আপনিই দায়ী। এইটে যখন পামেলা এন্ডারসন হিট। তখন শুনলাম আপনি বৌদিবাজ। হেব্বি কেচ্ছা নাকি কিসব চিঠিপত্র নিয়ে। সদ্য তখন টেস্টোস্টেরন থেকে প্রজেস্টরনের শুরু। আপনি তখন থেকেই গুরু, দেব নন। দেব মানে মূর্তি মনে হয়। ... ...