সন্দর্ভ ওড়ে। তার বাতাসে দমবন্ধ। বিপদ মাসোহারা। সেও অনুপ্রীতিপ্রবণ...সামলে ওঠা সহজ। জানি সম্ভাবনা অমিল। আটকে রাখো পিরিত। সাজায় গন্ধেমৃত মানব... দোতলা নেই হৃদয়। প্রেমের শিখাশিশ্ন উঁকি। সন্দর্ভ ওড়ে। তাও আকাশ মেঘলাবাহক...কঠিন আততায়ী। আরাম পিছলে চেনে অবাক। গণিতপ্রিয় বালক। রাখে ঘোড়ার পায়ে পূজা...
আমার অনেক কটা খাপছাড়া হবির মধ্যে একটা হল পছন্দের ভিন্ন ভাষার গানের বাংলা অনুবাদ করে গাওয়া | খুবই কাঁচা হাতের অনুবাদ | তবুও গুরুতে প্রথম পোষ্ট হিসেবে এইটাই রেখে দিলাম। শঙ্কর শৈল্যন্দর লেখা, শঙ্কর- জয়কিশান এর কম্পোজিশনের "আজীব দাস্তা হে ইয়ে"এর আমার করা ভাবানুবাদ। যদিও এই গানটাও জিম রাভিস এর "মাই লিপস আর সিলড" এর এডাপটেশন| ভালোবেসে ভাবিনি তো,চাওয়ারা প্রবল কি ক্ষীণ কী পাব,কী বা হারাব, ভেবে দেখিনি কোনোদিন।। আলোতে মাখামাখি রাত, জোনাকি আঙুলে বসে, স্বপ্নে ডুবে থাকে মন, দূরে কোথাও তারা খসে।। এপারে বড় কোলাহল, সুখের খবর ভেসে আসে, ভিড়ের মাঝে মনে হয়, কেউ বা নেই বুঝি পাশে।। দিনের শেষে এটুকু চাই, ভালো থাকুক দুইজনে, জোছনা ভরালে শহর, আমার কথা পড়ুক মনে।। আমার এই ভার্সনটা কারুর যদি শুনতে ... ...
শেখর দেবনাথের বিরুদ্ধে মন্দিরের প্রণামী বাক্সের সব টাকা তার বাড়িতে জমা রাখার অডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ সবাইকে থ্রেট দিয়ে বললেন, আমাকে যারা বিরক্ত করবে তাঁর বাড়ির ঠিকানা বদলে দেব। ভিডিও করে প্রকাশ্যে থ্রেট দিলেন। রাজ্য সরকারের নতুন গুণ্ডা দমন আইন প্রয়োগ হবে কি না আমি জানি না। তবে ২০২৪ সালে যে রাজ্যে আট থেকে আশি সবাই রাত দখল করেছিল যাতে আর একটাও অভয়া না হয়, যাতে আর একজনকেও থ্রেট কালচারের বলি হতে না হয়। রত্না দেবনাথ নিজেও থ্রেট কালচারের তীব্র বিরোধিতা করছিলেন। আজ সেই রাজ্য বিস্মিত রত্নাদেবীর থ্রেট শুনে। থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে করতে কবে ... ...
মোদি সরকারের আমলে যত দুর্নীতি হয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্নীতি হল মুদ্রাস্ফীতি বা মূল্যবৃদ্ধি। শুধু সবচেয়ে বড় দুর্নীতিই নয়। সব দুর্নীতির শেকড়। মোদি সরকারের আমলে শুধু কর্পোরেট লোন মাফ করা হয়েছে প্রায় 10 লক্ষ কোটি টাকা বা তারও বেশি। মোট লোন মাফ করা হয়েছে প্রায় 18 লক্ষ কোটি টাকা। তার মধ্যে কৃষি লোন মাফ হয়েছে মাত্র 1.7 লক্ষ কোটি টাকার মতো। বর্তমানে শুধু কেন্দ্র সরকারের ঋণের পরিমান প্রায় 200 লক্ষ কোটি টাকা। তার মধ্যে মোদি সরকারের আমলেই প্রায় 135 লক্ষ কোটি টাকা ঋণ করা হয়েছে। এই বিপুল অর্থ দেশের সাধারন মানুষের কোন কাজে সরকার লাগিয়েছে। বা এই বিপুল পরিমান ... ...
অনেক লোকেরাই আজ বুলডোজার, হকার তথা দখলদার উচ্ছেদ করে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে এক শ্রেণির মানুষ খুবই উদ্বেলিত, উল্লসিত। গরিবরা মার খেলে এক শ্রেণির মানুষ পৈশাচিক আনন্দ পায়। বরাবর। আমরা কোভিডের সময়েও লকডাউন পরিস্থিতিতে দেখেছি, গরিবদের উপর যখন পুলিশি অত্যাচার ও নির্যাতন চলছিল, তখনও ওই শ্রেণির মানুষরাই উল্লসিত হত। পুলিশ লেলিয়ে দিত। ঘুঁটে পুড়লে যখন গোবর হাসে, তখন গোবর ভুলে যায় একদিন তাঁরও পরিণতি ঘুঁটে হতে পারে। ... ...
আমাকে আজ শান্তি দে তুই একটু জীবন। আর পারি না অশান্তিতে বাঁচার লড়াই...কবি হওয়ার ঝক্কি আছে। তাই তো এখন—কবি হতেই সারাটাদিন ইচ্ছে করে,কিন্তু তখন, কিন্তু তখন ব্যস্ত কাজে। চাকরি করি।আমার প্রিয় জীবন তো তুই চিনিস আমায়...সারাজীবন লিখব ব’লেই ২৩ সালের,২৩ সালের অক্টোবরে কলেজ ছেড়ে—নতুন নতুন ডাইরি কিনে লেখার শুরু।আমাকে আজ শান্তি দে তুই একটু জীবন। আর পারি না অশান্তিতে বাঁচতে এখন!মাথার মধ্যে ছিঁড়ে খাচ্ছে দৃশ্যকোটি। Chaos... Chaos... অথচ চোখ নিভতে আসে। সময় কোথায়?লেখার থেকে দূরে এসে এখন ভাবি—কেন এলাম? কেন এলাম? এতটা দূর?লেখার কাছেই ফিরতে চাইছি, অথচ আজ—নিজের হাতেই মরছি নিজে। আমিই দোষী...শ্রীজাতকে বলেওছিলাম, ‘প্রস্তুতিকে দেখা যায় না।’এসব ভাবনা এখন অতীত। হাসিও পায়। আজকে ... ...
বিগত তৃণমূল সরকার ২ কোটি মহিলাকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিতেন। প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে হলে বছরে ১৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ বছরে ১৮ হাজার টাকা প্রতি মহিলা পেলে ২ কোটি মহিলার জন্য সরকারের খরচ হত ৩৬ হাজার কোটি টাকা। সরকার বদলে নতুন সরকার এসেছে। নতুন সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নাম বদল করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার করলেন। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য বাজেট ধার্য করলেন ৩৬ হাজার কোটি টাকা। দেবেন মাথা পিছু ৩০০০ টাকা করে, অর্থাৎ ডাবল। ডাবল টাকা দিতে হলে ২ কোটি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকদের সবাইকে তো দেওয়া সম্ভব নয়। ২ কোটি মহিলাকে ৩০০০ টাকা করে দিতে হলে বাজেট বরাদ্দে ৭২ হাজার কোটি টাকা করতে হত। ... ...
এই তো সময়। বৃষ্টি দেখার। এই তো সময়। যখন মেঘ আসছে, শহরকে অন্ধকারে ঢেকে দিতে৷ এই তো সময়। ঘরের জানলা বন্ধ করার বদলে খুলে দেওয়া ভালবেসে। বৃষ্টি। কী ঝড়। কী তাণ্ডব। দুর্যোগের ভয়ংকর রূপ। স্মৃতির সঙ্গে তর্ক এবং কথাবন্ধ শেষমেশ। দুর্যোগ আসছে জন্ম পেরিয়ে। বাইরেটা অন্ধকার। কথাবন্ধ রেখেছি। তবু ভাষা পেয়েই চ’লেছে আমার নবীন কবিতাবাতাস... ... ...
মধ্যরাতের নিস্তব্ধতাকে ভেদ করে স্যালাইন বোতলের ড্রিপ থেকে বেদনানাশক ওষুধটি ক্যানুলার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমার শিরায় প্রবেশ করছিলো। মিনিট খানেকের ব্যবধানে ঘটে চলা জরায়ুর সংকোচন আর প্রসব-বেদনাকে সাময়িক প্রছন্ন করে ওষুধের প্রভাব অতি ধীরে আমার মস্তিষ্ক কে আচ্ছন্ন করতে সক্ষম হচ্ছিলো। একাধারে তলিয়ে যাচ্ছিলাম নিদ্রার অতলে, অপরধারে প্রসব আসন্নকালে শরীর চাইছিল জাগিয়ে রাখতে। চেতন-অবচেতনের সেই দোলাচলে কেবল আমি নই, প্রতিটি নারীর মনন জুড়ে থাকে একটিই প্রার্থনা তার সন্তান যেন সুস্থ দেহে পৃথিবীর আলো দেখে, সে নিজে যেন নবজাতকের জন্য সুস্থ থাকে। আমিও সেই মুহূর্তে এই প্রার্থনাই করেছিলাম। আমার সন্তানকে নিয়ে সুস্থ দেহে যেদিন বাড়ি ফিরেছিলাম সেদিন ঈশ্বরের সাথে সাথে ধন্যবাদ ... ...
তবে বাবার ফোন নম্বর আর মুখস্থ রেখো না। এমনকী মনেও রেখো না। মায়ের মুখ ভুলে যাও। যদি মনে আসে, তবে জেনো সেটা অভ্যেস। কৃষ্ণনগর ছেড়ে কলকাতা ছেড়ে আরও দূরে, আরও অন্য কোথাও গিয়ে শুধুমাত্র মনে রেখো প্রজ্ঞার তোমাকে লেখা চিঠির সেই বিশেষ অংশটা: “অন্যের সাহসকে কখনও অনুকরণ করবি না। তোর ভেতর থেকে যে সাহস বাইরে প্রকাশ পেতে চাইছে, তাকে বেড়ে উঠতে দিস। শুধু জানবি যে, সাহস স্বতন্ত্র আর স্বাধীন। সাহস কারও অধীনস্থ নয়। তোর সাহস, তোর জন্ম। তোর ভয়, তোর মৃত্যু।” জীবনকে কোনও উপমায় আমি বাঁধতে চাই না। জীবন যতটা সম্ভাবনাময়, ততটাই ঝুঁকিপূর্ণ। বুঝলে বন্ধু? ... ...
হোলি রোমান সাম্রাজ্য এবং বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য—দুটিই নিজেদের রোমান সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি দাবি করত। কিন্তু পশ্চিমাংশ ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দেই ভেঙে পড়েছিল, যেখানে পূর্বাংশ বা বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আরও প্রায় ১,০০০ বছর (১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) টিকে ছিল। বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) এমন এক জায়গায় অবস্থিত ছিল, যাকে প্রাকৃতিকভাবেই একটি দুর্গ বলা যায়। এটি তিন দিক থেকে পানি দ্বারা বেষ্টিত ছিল, যার ফলে কেবল একদিক থেকে স্থলপথে আক্রমণ করা সম্ভব হতো।স্থলভাগকে রক্ষা করার জন্য ছিল বিখ্যাত থিওডোসিয়ান দেয়াল (Theodosian Walls), যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করেছে। সমুদ্রপথে আক্রমণ ঠেকাতে তারা গোল্ডেন হর্ন (একটি সামুদ্রিক প্রণালী) জুড়ে বিশালাকার লোহার শিকল টেনে দিত, যাতে শত্রু জাহাজ ... ...
তিনি ছিলেন ১৫শ শতাব্দীর একজন মহান আধ্যাত্মিক পুরুষ ; নির্ভীক সাম্যের প্রতীক এক মণীষী, সমাজ সংস্কারক এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক। তাঁর প্রধান দর্শন ছিল 'অচিন্ত্য ভেদাভেদ'। তাঁর প্রবর্তিত 'ভক্তি আন্দোলন' জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে প্রেম ও হরিনাম সংকীর্তনের মাধ্যমে সমাজে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিলতাঁর অভাব এই দুঃসময়ে মরমে মরমে উপলব্ধ হয়।প্রাগৈতিহাসিক বিদ্বেষ দূষনে জর্জরিত আজকের এই পৃথিবী! যেখানে প্রেমেপ্রীতির নেই বিন্দুমাত্র স্থান। চতুর্দিকে শুধু হানাহানির লেলিহান শিখার গর্ভে গ্রাস হযে চলেছে অসহায় মানুষ।জাতি আর ধর্মের অজ্ঞান-আক্রোশে মানুষই আজ মানুষের ভক্ষক! কোথাও নেইকো পার।মনে হয় যেন অনন্ত কৃষ্ণগহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে গোটা পৃথিবীর মানুষ! এমন নারকীয় পরিস্থিতি তে প্রেমের দেবতা,শ্রীচৈতন্য যদি আজ ফিরেও ... ...
সতেরো বছর বয়সে ডাক্তারি কলেজের পড়া মাথায় তুলে লর্ড বায়রনের অসম্পূর্ণ মহাকাব্য, ও ইংরেজি ভাষায় অপূর্বতম কবিতাগুলির একটি, ‘ডন জুয়ান’-এর একাদশ সর্গের ছান্দিক ও লয়গত সংগতি বজায় রেখে অনুবাদের একটি তাৎক্ষণিক প্রয়াস। যদিও প্রকাশের ইচ্ছে নেই, পর্যায়ক্রমে বাকি সর্গগুলো শেষ করার ইচ্ছে আছে। এটি নিছকই এক "এক্সপেরিমেন্ট" হওয়ায় ধারাবাহিক রূপে নেই। 'অনুবাদকের (অতিরিক্ত) কথা' এবং টীকাসমগ্র আপাতত, অর্থাৎ খেরোর খাতার এই পৃষ্ঠায়, উহ্য রইল। একাদশ সর্গ বার্কলি! তোমার তত্ত্বটি অপদার্থযা দিয়ে পদার্থ অস্বীকার করো;শুনি এর বিরুদ্ধে সব তর্কই ব্যর্থ,যা উত্তম জ্ঞানের চাইতেও সূক্ষ্মতর;তাও কী বিশ্বাসে হবে এ কৃতার্থ?ভগ্ন পদার্থের সীসায় তুলে ধরোবা হীরকে লেখো ভুবনের আত্মা,যাতে এক মুণ্ডু থাকলেও পায় না পাত্তা।ব্রহ্মাণ্ডব্যাপী অহংকারের স্পর্শ ব্রহ্মাণ্ডে পাওয়া কি তীক্ষ্মই ... ...
শপিং মল বলতে আমরা সাধারণত কোন একটি বিস্তৃত আয়তনের বহুতল বিক্রয় কেন্দ্র বুঝি যেখানে একই ছাদের তলায় বিভিন্ন রকমের দোকান থাকে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহরে শপিং মল সম্ভবত ১৯৯০ এর লিবারেলাইজেশনের পর থেকেই স্থাপিত হতে আরম্ভ করেছে। কলকাতা শহরে ব্রিটিশ আমলে ১৮৭৪ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত বিখ্যাত হগ মার্কেট যাকে এখন নিউমার্কেট বলা হয় অনেকটা আধুনিক শপিং মলের পূর্বসূরী বলা যেতে পারে। স্বাধীনতা পরবর্তী কলকাতায় নির্মিত হয়েছে বিভিন্ন মার্কেট যেমন এসি মার্কেট, বরদান মার্কেট, শ্রীরাম আরকেড, গড়িয়াহাট এসি মার্কেট। এই ধরনের মার্কেটগুলো বা বাণিজ্যিক বিক্রয় কেন্দ্রগুলি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কিন্তু এখানে প্রধান বিক্রেতা অবাঙালি হোক বা বাঙালি এরা স্থানীয় বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ড বর্জিত। এখানে যেকোনো ... ...
আমি সেই যে দেয়ালের ফাটল দিয়ে দেখে, কান পেতে শোনে, নাক দিয়ে টের পায় মিথ্যার গন্ধ, যা শ্বাসের সাথে মিশে যায়, রক্তে দ্রবীভূত হয়, আমাকে আরও ক্ষুধার্ত করে তোলে। আজ রাতে প্রাসাদের অন্তঃপুরে জমা হয়েছে ছায়ারা, তারা ফিসফিস করে, তাদের ঠোঁট নড়ে, কিন্তু শব্দ বেরোয় না, শুধু বাতাসের কম্পন, যা আমার কানে পৌঁছায়, আমার মস্তিষ্কে অনুবাদ হয়, একটি পরিকল্পনার আকারে – সেই পরিকল্পনা যার কেন্দ্রে সে, যাকে বনে যেতে হবে, নইলে কয়েকজন মানুষ তাকে হত্যা করবে, গোপনে, নিঃশব্দে, ছুরির আঘাতে, বিষের ফোঁটায়, শ্বাসরোধের দড়িতে। আমি তাদের দেখি। তারা মোমবাতির আলোয় দাঁড়িয়ে, তাদের মুখ অর্ধেক আলোকিত, অর্ধেক অন্ধকারে ঢাকা, যেন তারা নিজেরাও ... ...
প্রিভেনটিভ ডিটেনশন সংক্রান্ত একটা বিল প্রায় বিরোধী শূন্য পশ্চিম বঙ্গ বিধানসভায় পাশ হয়ে গেলো তাতে বিচারের সাংবিধানিক অধিকারই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে বলে মনে হয়। অপরাধ আটকানোর জন্য কেন্দ্রীয় বা রাজ্যস্তরে যেসব আইন আছে তার মধ্যে কোনো আইনে কি অভিযুক্তকে এরকম একবছর বিচারহীন অবস্থায় ফেলে রাখার ধারা আছে ! এতো প্রিভেনটিভ ডিটেনশন রোধে অভিযুক্তের সাংবিধানিক রক্ষাকবচ হেবিয়াস কর্পাস জাতীয় আপিলের অধিকার হরণের সমান ! জানি না এ বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে আইনে রূপান্তর হলে এর বিপক্ষে সাংবিধানিক বৈধতার আবেদনের ভিত্তিতে ... ...
সেসময়টা ছিল সেপ্টেম্বর মাস; সপ্তাহান্তের আর পাঁচটা দিনের মতো এক রবিবার। প্রতিবেশী বন্ধু-দম্পতির সৌজন্যে বেড়িয়ে পড়েছিলাম মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়ার উদ্দেশ্যে। প্যারিসের অদূরে বহমান এক ছোট্ট নদীর নামটি লোঁয়া, সেই নদীর তীর ধরে এক ছোট্ট গ্রাম, মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়া; ছবির মতো সেই গ্রামের আলোকেই নিজের ছবির মধ্যে বেঁধে রাখলেন চিত্রশিল্পী আলফ্রেড সিসিলি, ঠিক যেন তুলির আঁচড়ে সময়কে বেঁধে রাখা।ছবির মধ্যে বন্দী আলো, এও কি সম্ভব! আসলে একেকটি স্থান যখন দৃশ্যপট রচনা করে তখন বুঝি সে ইন্দ্রিয়াতীত হয়ে যায়। আলো ইন্দ্রিয়াতীত, কিন্তু সত্যিই কি আলোকে অনুভব করা যায় না! আমাদের জীবনের বিশেষ বিশেষ ক্ষণে, আনন্দে, অনুভবের গভীরতায় আলোকের ঝর্ণাধারায় স্নাত হই। অ্যান্থন ডোয়ারের বিখ্যাত উপন্যাস “All ... ...
যা যা দেখতে পাচ্ছি, তাই তাইই তোমাকে বলব। জেনে রেখো, আমার কবিতা গল্প ছাড়া আর কোনওদিন কিচ্ছু, কিচ্ছুই বলেনি। ভাতের হোটেলে খুব দুপুরভিড়। ম্যাগাজিনের দোকানে মাছিও নেই। কে পড়বে তবে এত লেখা? তরুণ যে কবিরসদ্য কবিতা প্রকাশিত হ’তে শুরু করেছে, তার লেখা কে পড়বে? আমি জানি, খুবভালমতোই জানি যে, গণপিটুনি বিষয়েদু’চার কথায় একটা ছোট্ট কবিতা লিখেছিল আমাদের তরুণ কবি। আর লিখেছিল, আলিপুর চিড়িয়াখানা আর ভিক্টোরিয়ার মেঘকেন এত বেমানান— সে বিষয়ে। আমি ভেবেছিলাম, আমাদের তরুণ কবি অন্যমনস্ক। পরে ভেবে দেখেছি, আমিও কি বৃষ্টি বিষয়ে পড়াশোনা করেছি কিছু? মনে পড়ে না! পড়েই না!... তরুণ কবি লিখুক। সে আমার চেয়েও অনেক বেশি পড়ুয়া। অনেক বেশি দৃশ্য দেখেছে, ঘরের চার দেয়ালের বাইরে। কৃষ্ণনগরের গভর্নমেন্ট কলেজের মাঠে যে মানুষটা ঝালমুড়ি ... ...
মে মাসের চার তারিখের আগেও যাঁরা তৃণজীবী শিল্পী সাহিত্যিক গায়ক বাদক সেলেব্রিটি হিসাবে সমাজে মান্য এবং গণ্য হয়ে বিরাজ করছিলেন। তাঁদের ভিতরে অনেকেই গুটি গুটি এক পা দুই পা করে জুন মাস থেকেই পদ্মজীবী শ্রীমুখে নতুন করে আত্মপ্রকাশ করতে শুরু করেছেন। এ যেন অনেকটা সেই বাবা মায়ের হাত ধরে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা, খোকন হাঁটে দেখে যা’। অর্থাৎ এই শ্রেণীর কলাকুশলীদের শৈশবস্থা আজীবনেও ঘোঁচে না। শৈশবে বাবা মায়ের হাত। আর সেলেব্রিটি হয়ে শাসকদলের হাত না ধরে এঁরা নিজের পায়ে হাঁটতে অপরাগ। অবশ্য তাতে দল বদল করা বিধায়ক সাংসদদের মতোই এঁরাও ন্যূনতম লজ্জাটুকুও বোধ করেন না। এবং জনারণ্যে তাতে তাঁদের কান ... ...