এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ইগ্নোজ সেমেলওয়াইজ: মায়েদের "ত্রাণকর্তা" বা "রক্ষাকর্তা" (Saviour of Mothers) 

    L P Datta লেখকের গ্রাহক হোন
    ০২ জুলাই ২০২৬ | ৭৬ বার পঠিত
  • মধ্যরাতের নিস্তব্ধতাকে ভেদ করে স্যালাইন বোতলের ড্রিপ থেকে বেদনানাশক ওষুধটি ক্যানুলার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমার শিরায় প্রবেশ করছিলো। মিনিট খানেকের ব্যবধানে ঘটে চলা জরায়ুর সংকোচন আর প্রসব-বেদনাকে সাময়িক প্রছন্ন করে ওষুধের প্রভাব অতি ধীরে আমার মস্তিষ্ক কে আচ্ছন্ন করতে সক্ষম হচ্ছিলো। একাধারে তলিয়ে যাচ্ছিলাম নিদ্রার অতলে, অপরধারে প্রসব আসন্নকালে শরীর চাইছিল জাগিয়ে রাখতে। চেতন-অবচেতনের সেই দোলাচলে কেবল আমি নই, প্রতিটি নারীর মনন জুড়ে থাকে একটিই প্রার্থনা তার সন্তান যেন সুস্থ দেহে পৃথিবীর আলো দেখে, সে নিজে যেন নবজাতকের জন্য সুস্থ থাকে। আমিও সেই মুহূর্তে এই প্রার্থনাই করেছিলাম। আমার সন্তানকে নিয়ে সুস্থ দেহে যেদিন বাড়ি ফিরেছিলাম সেদিন ঈশ্বরের সাথে সাথে ধন্যবাদ জানিয়েছিলাম ২০০ বছর পূর্বের এক খ্যাপাটে ডাক্তারকে যাকে বিজ্ঞানের ইতিহাস অভিহিত করে "মায়েদের ত্রাণকর্তা" বা "রক্ষাকর্তা" (Saviour of Mothers) রূপে।

    ১৮৪৬ সাল, ভিয়েনা জেনারেল হসপিটাল; সবাই বলে সন্তান প্রসবের জন্য এখানে এসে ফেরত যাওয়া ভাগ্যের হাতে জুয়া খেলার মতো। মা এবং সন্তান দু ক্ষেত্রেই মৃত্যুহার আকাশছোঁয়া। অকালমৃত্যুকে স্বাভাবিক মেনে নেওয়া সেই হাসপাতালে এক ডাক্তারবাবু ছিলেন যিনিই কেবল এই স্বাভাবিকতা, মৃত্যুর পুনরাবৃত্তিকে মানতে চাইছিলেন না। তথাকথিত সমাজের সভ্য-ভদ্র মানুষের চোখে ক্ষ্যাপাটে সেই মানুষটি কেবলই খুঁজে খুঁজে ফিরতেন মা এবং নবজাতকদের এই অকাল মৃত্যুর কারণ। বেশ কিছুদিনের অধ্যবসায় এবং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তিনি একটি অদ্ভুত বৈষম্য লক্ষ্য করলেন। হাসপাতালটিতে দুটি প্রসূতি ওয়ার্ড ছিল, একটি পরিচালিত হতো ডাক্তার এবং শিক্ষানবিশ ছাত্র দ্বারা, অপরটি মিডওয়াইফ বা ধাত্রীদের দ্বারা। ডাক্তারবাবু লক্ষ্য করলেন ধাত্রীদের দ্বারা পরিচালিত বিভাগটিতে মৃত্যুহার তুলনামূলক অনেক কম, নবজাতক শিশুদের মধ্যে বা মায়েদের মধ্যে জন্ম-পরবর্তী চাইল্ডবেড ওরফে পিউপেরাল ফিভার জনিত সংক্রমণের হার অনেক কম। অপরধারে ডাক্তার পরিচালিত বিভাগটিতে সুস্থ গর্ভবতী মায়েরা হাসপাতালে প্রবেশ তো করতেন, কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুকে আলিংগন করতেন। মৃত্যু নিয়ে সকলেরই নিজস্ব ধারণা ছিল; দূষিত বাতাস? অতিরিক্ত ভীড়? নাকি কোন খাবার? কোন তথ্য বা ধারণাই একে অন্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলনা। কেবল সেই পাগলাটে ডাক্তারবাবু উপলব্ধি করলেন দুটি বিভাগের মধ্যে পার্থক্য এটুকুই, ডাক্তার এবং শিক্ষানবিশ ছাত্ররা ময়নাতদন্ত সেরে সরাসরি প্রসূতি বিভাগে উপস্থিত হতেন প্রসবজনিত সহায়তা প্রদানে, ধাত্রী নারীরা কোন ময়নাতদন্তে অংশগ্রহণ করতেন না। ডাক্তারবাবু অনুমান করলেন অদৃশ্য  "মৃতদেহ-কণা" মৃতদেহ থেকে জীবিতদের মধ্যে  বাহিত হয়ে এই সংক্রমণ ঘটাচ্ছে। ১৮৪৬ সাল, আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর আগের কথা, জীবাণু বা আণুবীক্ষণিক জীব সম্বন্ধে প্রাথমিক কোনো ধারণাই তখনও ছিল না। সেই সময়কালে ডাক্তার ইগ্নোজ স্যামেলোয়াইজ এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিলেন৷ ময়নাতদন্ত শেষে সমস্ত ডাক্তারদের ক্লোরিনযুক্ত চুনের দ্রবনে হাত ধুয়ে তবেই প্রসূতি বিভাগে রুগীদের চিকিৎসার নিদান দিলেন। একটি ছোট্ট অভ্যেস, ফলাফল অলৌকিক। মৃত্যুর হার কমে ১% এর অল্প বেশি, ১.২%তে থেমে গেলো। ১৮৪৮ সালের মার্চ এবং অগাস্ট মাসে মৃত্যুর হার শুন্য!

    কি ভাবছেন! সবাই ডাক্তারবাবুকে ধন্য ধন্য করছেন! তিনি উদযাপনের আশা করেছিলেন, ঠিক যেমন আপনি-আমি করছি। পরিবর্তে কর্মক্ষেত্রের সহকর্মীদের মধ্যকার কূটনীতির শিকার  হলেন। পুরুষ শাসিত সমাজে তিনি কিনা পুরুষ ডাক্তারদের হাতকে অপরিশোধিত বলছেন! ধাত্রী নারীদের অগ্রাধিকার দিচ্ছেন পৃথিবীতে নতুন প্রাণ প্রতিষ্ঠায়! তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ তাঁকে অবমাননা করেই ক্ষান্ত হলো না, অর্থহীন খামখেয়ালি ধারণার জন্ম দেওয়ার অপরাধে ১৮৪৯ সালে ডাক্তারবাবুর নবায়ন বন্ধ করা হলো, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসার অধিকার হারালেন। শিক্ষকতার জন্য আবেদন করলেন, আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলো। এই প্রতিকূল সমালোচনা ডাক্তারবাবু সহ্য করতে পারেননি। ভিয়েনা ছাড়তে হলো কিন্তু তিনি হাল ছাড়লেন না। ক্রমাগত তথাকথিত সেই খুনি সিস্টেমের বিরুদ্ধে দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয় কলামে খোলা-চিঠি লিখে চলেছিলেন। ১৮৬৫ সাল, সহকর্মীরা অপর একটি হাসপাতাল পরিদর্শনের নাম করে নিয়ে গিয়ে জোর করে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়ে এলেন। একজন সুস্থ, কর্মক্ষম মানুষ কত অসহায়! মানুষটার দোষ এটাই তিনি তথাকথিত সিস্টেমের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন? আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ পোয়েটিক জাস্টিসে বড়ই বিশ্বাস করি। সমস্যা হলো পোয়েটিক জাস্টিসের উদাহরণ বাস্তব জীবনে পাওয়া মুশকিল কেবল নয়, বহুলাংশেই অসম্ভব। যে মানুষটি অসংখ্য মা এবং শিশুদের মধ্যে জন্ম-পরবর্তী সংক্রমণ নিরাময় করলেন, অগণিত জীবন বাঁচালেন, তিনিই সেই মানসিক হাসপাতালের কর্মীদের দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে সেপসিস হয়ে একই সংক্রমণে এক পক্ষকাল পর মারা গেলেন। আরও অনেকগুলি বছর পার করে পাশের দেশ ফ্রান্সে আরেক বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের জীবাণুতত্ত্ব প্রমাণ করবে সংক্রমণের মূলে রয়েছে আণুবীক্ষণিক জীব। অপর প্রতিবেশী দেশ ব্রিটেনে ডাক্তার বিজ্ঞানী জোসেফ লিস্টার তার অগ্রজকে মান্যতা দেবেন। আজ সকল ডাক্তার, নার্স হাত ধুঁয়ে জীবাণুমুক্ত করে কাজ শুরু করেন, কোভিড-কালে হাত ধোঁয়াই ছিল সংক্রমণ ঠেকানোর প্রাথমিক এবং প্রধান নিদান। 

    পয়লা জুলাই, হাঙ্গেরিয়ান চিকিৎসক ইগ্নোজ সেমেলওয়াইজের জন্মদিন। কিছু মানুষ থাকেন যাদের ভাবনা যুগের থেকে, নিজের সময়ের থেকে এগিয়ে থাকে এবং সেই ভাবনাই সমগ্র মানব- সমাজ, সভ্যতাকে কয়েকশত বছর এগিয়ে দেয়। সেই মানুষটি হারিয়ে যান কালের সরণীতে, কিন্তু তাঁর কীর্তি লিপিবদ্ধ হয়ে রয়ে যায় সময়ের আখরে। কিছু অহংকারী পুরুষের স্বার্থে বলিপ্রদত্ত এক বিজ্ঞানীকে এক মায়ের প্রণাম। বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে তিনি ভুল ছিলেন না, কেবল যুগের অনেকখানি এগিয়ে ছিলেন।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন | ০২ জুলাই ২০২৬ ০৫:০৯741571
  • বাহ, খুব সুন্দর লিখেছেন। কতগুলো কথা:
     
    এক, সেমেলওয়াইজ স্যারের একটা ছবি দিলে বেশ হত, এই নিন,
     
     
    দুই, এই যে লিখেছেন, "কেবল সেই পাগলাটে ডাক্তারবাবু উপলব্ধি করলেন দুটি বিভাগের মধ্যে পার্থক্য এটুকুই, ডাক্তার এবং শিক্ষানবিশ ছাত্ররা ময়নাতদন্ত সেরে সরাসরি প্রসূতি বিভাগে উপস্থিত হতেন প্রসবজনিত সহায়তা প্রদানে, ধাত্রী নারীরা কোন ময়নাতদন্তে অংশগ্রহণ করতেন না। ডাক্তারবাবু অনুমান করলেন অদৃশ্য "মৃতদেহ-কণা" মৃতদেহ থেকে জীবিতদের মধ্যে বাহিত হয়ে এই সংক্রমণ ঘটাচ্ছে।"
     
    ব্যাপারটি আরেকটু জটিল, সেমেলওয়াইজ ঠিক পাগলাটে বলে প্রসিদ্ধ ছিলেন না, তবে সে সময় যেহেতু তিনি ঐ হাসপাতালটির প্রসূতি বিভাগে কাজ করতেন, মায়েদের puerperal sepsis বা প্রসূতিদের সংক্রমণ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন, এবং তিনি একাই নন, এই জাতীয় miasma ইত্যাদি নিয়ে নানারকম ধারণা প্রচলিত ছিল। একদিকে যেমন দেখা গেল যে যারা শব ব্যবচ্ছেদ করে না, তাদের হাতে ততটা সংক্রমণ জনিত মৃত্যু হয় না, বরং যারা শব ব্যবচ্ছেদ করে আসে সেই সব ছাত্র ও চিকিৎসকদের হাতে প্রসূতিদের মৃত্যু বরং বেশী হবার সম্ভাবনা। এই অবধি চলছিল, তারপর 1847 সালের মার্চ মাসে জ্যাকব কোলেউইজ নামে এক প্যাথলজিস্ট ঐ হাসপাতালে মারা যান, তো ভদ্রলোকের এক ডাকতারী ছাত্র ভুল করে স্ক্যালপেল চালিয়ে ওনার আঙুল কেটে ফেলে, এবং তারই ফলশ্রুতিতে ভদ্রলোক মারা যান। এবং কোলেউইজের পোস্ট মর্টেম করার সময় এই ব্যাপারটিও সেমেলওয়াইজকে গভীরভাবে ভাবায় এবং তখন মনে হয় যে তাহলে শব ব্যবচ্ছেদে "এমন কিছু আছে" যার ফলে এইসব ব্যাপার একটি আরেকটির সঙ্গে সম্পৃক্ত | যে কারণে তিনি ক্লোরিনের জলে হাত ধুয়ে তারপর প্রসূতিদের পরিচর্যার কথা বলেছিলেন। সেমেলওয়াইজ তাঁর পরীক্ষা লিখে গেছেন, এখানে কিছুটা পড়া যেতে পারে,
     
     
    যাই হোক, সেই সময়ে কেউ সেমেলওয়াইজকে মেনে নেয়নি, এবং দেখবেন চিকিৎসার জগতে নতুন কেউ কিছু বললে বা করতে চাইলে আজও লোকে চট করে মেনে নিতে চায় না, একে SemmelWeis REflex নামে চিহ্নিত করা হয় | সেমেলওয়াইজ জীবনের শেষের দিকে ভয়ানক খিটখিটে, রগচটা মতন হয়ে গিয়েছিলেন বলে শোনা যায়। উপেক্ষা পেতে পেতে বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন হয়ত।
  • dc | ০২ জুলাই ২০২৬ ০৭:৪৪741572
  • "মধ্যরাতের নিস্তব্ধতাকে ভেদ করে স্যালাইন বোতলের ড্রিপ...ধীরে ধীরে আমার শিরায় প্রবেশ করছিলো" পড়ে সেই প্রাচীন অরন্য প্রবাদটা মনে পড়ে গেলোঃ ঠাস ঠাস দ্রুম দ্রাম, শুনে লাগে খটকা - ফুল ফোটে? তাই বলো! আমি ভাবি পটকা!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন