চৌর্যবৃত্তির স্বদেশ ও বিদেশ - ১ মাঘের মধ্যরাত। সারা কলকাতা লেপ-কাঁথার ওমে নিদ্রামগ্ন। সৌদামিনী গভীর ঘুমের মধ্যেই যেন একবার ক্ষীণ বাসনের শব্দ পাইলেন। বিড়াল অথবা ছুঁচো হইবে – ইহা ভাবিয়া উহাকে অগ্রাহ্য করিয়া তিনি পাশ ফিরিয়া শুইলেন। কিছুক্ষনের মধ্যেই ফের শব্দ হইল। এইবার তাঁহার বোধ হইল যে ইহা তো একতলার কলতলায় এঁটো বাসন বা হাঁড়ী-কড়ার শব্দ নহে, পিতলের বাসনের শব্দ। মুহূর্তের মধ্যে স্মরণে আসিল যে সংক্রান্তির পুজার জন্য পিতল, তামা ও রূপার বাসনাদি ... ...
ঘরে বাইরে সন্দীপ বেশি,নিখিলেশ কমদাঙ্গা কালে শৌখিন বলে বন্দেমাতরম! এ মজদুরি করেছে ফেরি প্রতিদিন প্রতিক্ষণ; বুদ্ধির ঢেঁকি লেখক বেশি,পাঠক ডট কম।
১।। তিনকাল শেষ করে অপলকে বুড়ো হয়েছি। দিন বাড়ছে যত সময় তত কমছে, সময় কমছে, কমছে...। তাই নিজের জীবনের হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া নতুন অধ্যায় লিখছি, জানিনা কতদূর লিখে উঠতে পারব, কোথায় গিয়ে কলমের নীব ভেঙে যাবে। অন্ধকার ঘরে জ্বলে থাকা নীল বেডল্যাম্পের দিকে চেয়ে নিজের সমস্তটাকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়বো। তবু যতক্ষন পারা যায় আর কী।.... ... ...
এখনকার শ্রম কোড , নতুন অপরাধের জন্ম দেবে: যা জানতে পারা গেছেঃ মৃত ভাদু সেখ রামপুরহাট এর অন্ধকার জগতের বাদশা হয়ে ওঠার আগে সরকারি কাজে লাগা ভাড়া গাড়ির ড্রাইভার ছিলেন আর কংগ্রেস করতেন আর তখনকার মস্তান আঙুর সেখের সংগে থাকতেন। আপাতত পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছেন আনারুল , তিনি নাকি বগটুই হত্যাকান্ডের মূল পান্ডা, আগে ছিলেন মুর্গির মাংসের দোকানের কর্মচারী। এখন দুজনেই নাকি ঘটনার সময় সেখানকার বড়শোল পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতা। এর আগেও নানা ভয়ানক অপরাধ সেই গ্রামেই ঘটেছে। ... ...
আগের পর্বে অনেকটাই লিখেছি,কিন্ত নোটপ্যাডে টাইপ করে ফোনেই লিখি বলে একটা নোটে পুরো লেখাটা ধরছিল না,তাই এই পার্টটা আলাদা করে লিখলাম। তো যাইহোক, এই শকটা থেকে যখন নিজের ভেতরে নিজে রিকভার করছি,একটা বাচ্চা যে নিজেকে ছোট থেকে জেনে এসেছে সেও একদিন খালি নিজের ইচ্ছাতে মেয়ে হয়ে জীবনযাপন করবে ভবিষ্যতে, সে যদি জানতে পারে তার ভবিষ্যৎটা কোনদিনই তার স্বপ্নের মতো, মনের মতো হবার কোন সুযোগই নেই (তখনো ট্রান্সজেন্ডার,সেক্স চেঞ্জ এসব সম্বন্ধে কিছুই জানি, ক্লাস ফোর-ফাইভের মফস্বল বাসী একজন পড়ুয়ার পক্ষে অত জানা সম্ভব ও নয়, ... ...
এই পর্বটা শুরু করছি,মনে অনেক দ্বিধা,অনেক আশঙ্কা নিয়ে,ভয় না হোক ঠিক,বুক দুরুদুরু করছেই-এসব লেখা গুরুর বাইরে গেলে বা গুরুতেই চেনা কেউ পড়ে আমার পরিচয় বুঝে গেলে কপালে দুঃখু আছে,অনার কিলিং না হোক,মানসিক অত্যাচার হতেই পারে বিবিধভাবে,অলরেডি সন্দেহ অনেকেই করে-কারণ যতই নিজেকে ঢেকে,লুকিয়ে রাখতে চাই,নিজের ইচ্ছাগুলো অন্ধকারে ঘুম পাড়িয়ে, দমিয়ে রাখতে চাই,শাক দিয়ে তো আর মাছ ঢাকা যায় না,সত্যকেও মিথ্যের ক্যামোফ্লেজ পরিয়ে ধুলো দেওয়া যায় না ... ...
আমার কাছে, মন খারাপ এর ওষুধ আছে; / মন খারাপ টা কেমন ধারা, বলতে পারো আমার কাছে।
রবীন্দ্রনাথের লাইন দিয়েই শুরু করি, সুখে-দুখে-প্রেমে - গানে তিনিই তো আশ্রয় আমার - " যাঁর বেড়ি তাঁরে ভাঙা বেড়িগুলি ফিরায়ে বহুদিন পরে আজ মাথা তুলে উঠেছি "। সেই উত্থান, সেই মুক্তির প্রাথমিক অভিজ্ঞান এই লেখার সূত্রপাত। জানি এখনো অনেক বাঁধন-ছেঁড়ার সাধন বাকি, তাও এই ছোট্ট ধাপটুকু আমার ব্যক্তিগত মনোজগতে এক বিপুল অভিঘাত, এক বিপ্লব ঘোষণার সামিল। এই লেখাটা শুরু করছি, ধারাবাহিক আকারে চলবে, ... ...
কামদুনি হয় বটে; নির্ভয়া নয় / আমতা আমতা করে কণ্ঠরোধও হয়! - / পুড়েকাঠ রামপুরহাট- নিন্দুকেরা কয়!
সময়ের কুন্ডলী পাকিয়ে সাপ শিকার ধরতে চায়শিকার পালাবে কোথায় ?হয়ত তোমার ছায়ায় ?তুমি যদি সাপ না হও, তুমি হতে পার ছায়া,যদি মেলে দিতে পার ডানাওয়ালা হাতক্ষুধাতুর সাপ ও সূর্যালোকেযদি, মানুষের দৃষ্টিপাতে কাব্য ও ক্ষুধাআছে যুগপৎ; অস্বীকার না কর।
I wish to run away / Where the sun warms golden hay, / And down my feet, will lie the way / Filled with gravels,grasses and sunrays.
পর্ব ৫ সকালে জয়িতার দম ফেলার সময় থাকে না। অর্ণব আটটার মধ্যে বেড়িয়ে যায়। ইউণিভার্সিটির ক্লাসের এরকম রুটিন পড়েছে এই সেমিস্টারে। সকালে ব্রেকফাস্ট খেয়েই অর্ণব বেড়িয়ে যায়। লাঞ্চ নিয়ে যায়। জয়িতাকে তাই দুটোই করতে হয়। দ্রুত হাত চালায় সে।কাজের ফাঁকে চোখ যায় জানালায়। বাইরে গুড়ি গুড়ি বরফ পড়ছে।চারপাশ সাদা হয়ে আছে। জয়িতা প্রথম বরফ দেখেছিলো সিমলা তে। সেকী আনন্দ, বরফের গোলা বানিয়ে খেলা করেছিলো। ... ...
রামপুরহাটে গণহত্যার প্রতিবাদে নাগরিক মিছিলকলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা বুধবার, ২৩ মার্চ দুপুর ২ টা। জমায়েত: কফি হাউসের সামনে।
যেসব অতন্দ্র মন্ত্রকূট পাহাড় ঢেকেছিল গোধূলিতে, / সেসব নিবিদ,নিবিড় আঁধার ভেদ করে এল ফুলটুলিতে। / কত মরুভূমি পার হয়ে পেখম মেলা নীল হাওয়ার স্রোত, / এসেছে লাল পাথরের গায়ে -জোছনা ভারি ওলটপালট।
দুখের কথা বলব কীরে, / চাঁদ উঠেছে অন্ধকারে / এমন আজ এই চাঁদের আলো / সকল কিছুই দেখায় ভালো।
জোয়ারে নাকি সব নতুন ঢেউরা আসে। প্রথমে আসে ‘মা’ ঢেউ। হটাত করে হুরমুর করে উপরে উঠে এসে পারের বালি ভিজিয়ে ফিরে চলে যায়। তারপর ছোট ছোট ঢেউগুলি আসে। একটা, দুটো, তিনটে আসতেই থাকে ওরা। অতটা উপরে উঠে আসতে পারে না। ফিরে যায়। মিলিয়ে যায়। আবার একটা বড় ঢেউ আসে।