
এটা মূলত শাক্যর লেখাটির একটি প্রত্যুত্তর। ওখানে লিখলেও হত, কিন্তু একটা আলাদা লেখা হিসেবেই থাক। লেখাটির শিরোনাম এইভাবে দেওয়া যেত, 'কেন মুসলিম মৌলবাদকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত', কিন্তু সেটা ঠিক পছন্দ হলনা। মুসলিম মৌলবাদকে হঠাৎ আলাদা করে বেশি গুরুত্ব দিতে যাব কেন? তার যতটুকু পাওনা গুরুত্ব, সেটাই সে পাক। বেশিও না কমও না। তাই শিরোনামটা অন্যরকমই থাক। যদিও, আগেই বলেছি, এটা শাক্যর লেখারই উত্তর। শাক্যর লেখা, বস্তুত এর অনেকদিন আগে ... ...

বাংলাদেশে ব্লগার হত্যা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন কেন লিবারালেরা হিন্দু মৌলবাদ নিয়ে যত সরব মুসলিম মৌলবাদ নিয়ে নয়। এখানে অনেকে বলেছেন যে সেই সেলফ প্রোক্লেমড লেফট লিবারালেরা নাকি খুনেদের অ্যাপলজিস্ট। এই প্রসংগে চাড্ডী (অন্য অর্থে নয়, মানে খান চারেক) কথা।অনেকে, মানে শুধু চাড্ডীরাই নয়, অনেক লিবারাল প্রগতিশীল মানুষেরাও প্রশ্ন তুলেছেন যে সেকু-মাকুরা হিন্দু মৌলবাদ নিয়ে যতটা সরব মুসলিম মৌলবাদ নিয়ে কেন ততখানি নয়। এর উত্তরে বলার, খুব স্বাভাবিক কারণেই মুসলিম মৌলবাদ নিয়ে সরব হওয়া উচিত নয়। এক তো ভারত ... ...

এনজিও-দের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাস্বাস্থ্যের ৃত্তে পত্রিকার অক্টোবর-নভেম্বর ২০১৫ সংখ্যায় প্রকাশিতবোধহয় ডেভিড ওয়ার্নারের Helping Health-workers Learn-এ পড়েছিলাম: ‘outside funding means outside control’। শহীদ হাসপাতাল বা মৈত্রী স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে উঠেছিল কোনো ফান্ডিং এজেন্সির অনুদান ছাড়াই। তা বলে কখনো কোনো ফান্ডেড এনজিও-র সঙ্গে কাজ করিনি এমনটা নয়।কানোরিয়া সংগ্রামী শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে সবর্ক্ষণের ডাক্তার হিসেবে যোগ দিলাম ১৯৯৫-এ। কানোরিয়া আন্দোলনের অন্যান্য সবর্ক্ষণের কমী ... ...

‘২০০০ সালের মধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্য’—১৯৭৮সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই ঘোষণাপত্রে ভারতবর্ষও স্বাক্ষর করেছিল। কিন্তু পাশের শ্রীলঙ্কাও তার দেশের নাগরিকদের বিনা পয়সায় স্বাস্থ্য-পরিষেবা দিচ্ছে আর আমরা পাচ্ছি লবডঙ্কা। শুধু চিকিৎসা খরচ মেটাতে প্রতি বছর ৬ কোটি ৩০ লক্ষ লোক দারিদ্র্যসীমার নীচে নেমে যাচ্ছেন। হাসপাতালে বেড পাওয়ার সুপারিশের জন্য নেতা মন্ত্রীর পায়ে মাথা খুঁড়তে হয় অথবা দালালকে টাকা দিতে হয়। এই তো হাল!অথচ সবার জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা যাকে বলে ‘সবর্জনীন স্বাস্থ্য পরিষেবা’ তা লাগ ... ...

বস্তুত আমার অনেক বন্ধু বান্ধব গনের মতোই ' ইপির ফকিরের’ বিষয়ে আমি আদপে বিন্দুবিসর্গ কিছুই জানতাম না, আর এখনো যে বিশেষ কিছু যে জানি তা আদপেই নয়। আর জানবোই বা কি করে - তার নাম না আছে ইতিহাসের পাতায়, না ভারত বা পাকিস্তানের কোথাও পালিত হয় তার জন্মদিন সাড়ম্বরে, না প্রকাশিত হয়েছে কোন ডাকটিকিট, না তার সম্বন্ধে নেতাদের ভাষণ কানে আসে, এমনকি এই যে আমাদের ইন্টারনেটের দুনিয়া তাতেও আধাখেঁচড়া কিছু ইনফরমেশান -আর কেই বা কবে বাউল ফকিরদের কথা মনে রেখেছে দু এক জন লালন ফকিরের ব্যাতিক্রম স ... ...

সে ছিল আমাদের কিশোর বয়েস, স্কুলের উঁচু ক্লাস, যাকে বলে টিনকাল গিয়ে যৌবনকাল আসার সময়। সে বয়েসে কত কি ঘটে! ঢাকুরিয়া লেকে হঠাৎ খুচরো চুমুর দ্বিধা থরথর অমরাবতীর পাশেই সযত্নে লুকনো থাকে রঙ্গীন চটির ছেঁড়াখোঁড়া মলাট। প্রথম সিগারেট টানার রোমাঞ্চ এবং হঠাৎ করে নারীশরীরে উন্মুক্ত ব্রা-এর স্ট্র্যাপ দেখে শিরশিরানি কোথাও গিয়ে মিলে যায়। এ সেই বয়েস, নব্বই-এর শেষভাগ, যখন অনায়াসে বিশ্বাস করা যায় যে মড়ার খাটের নিচে বোমা রেখে আসলে তা একদিন গোটা শ্মশান উড়িয়ে দেবে। সেই বয়েসে রিটা হেওয়ার্থের অর্ধ-অনাবৃত পোস্টার পরম মম ... ...

স্প্যানিশ ভাষায় পোডেমস শব্দটির অর্থ ‘আমরা পারি’। স্পেনের সাড়া জাগানো নতুন বামপন্থী দলটি এই নামেই আত্মপ্রকাশ করেছে এবং স্পেন তথা ইউরোপের রাজনীতিতে ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছে। তারা সামনে নিয়ে এসেছে কৃচ্ছসাধন নীতিমালা বিরোধী একগুচ্ছ কার্যক্রম এবং তা জনসাধারণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়েছে। গ্রীসে সিরিজার কাজকর্মকে, উত্থান ও বিকাশের সঙ্গে অনেকেই মিলিয়ে দেখতে চাইছেন পোডেমস এর উত্থানকে এবং এই তুলনার বাস্তব ভিত্তি রয়েছে। লাগামছাড়া জাতীয় ঋণের প্রেক্ষিতে নেমে আসা আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলার নামে জনগণের ওপর চাপিয়ে ... ...

দিল্লিতে অকুপাই ইউজিসি আন্দোলনে পুলিশি হামলা এবং লাঠিচার্জে অবাক হবার কিছু নেই, কেননা বহুদিন ধরেই দিল্লির কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে প্রতিপক্ষ মনে করতেন বিজেপি এবং সমমনা দলগুলি। প্রথম সুযোগেই তাঁরা নন-নেট ফেলোশিপ বন্ধের নামে আক্রমণ এনেছেন। তাঁরা মনে করেছিলেন যে এটা যেহেতু প্রধানত কেন্দ্রীয় ইউনির ব্যাপার, স্টেট ইউনিতে এমনিতেই এই ফেলোশিপ নেই, তাই বড় মাপের সাহায্য সমর্থন এরা পাবে না। তাছাড়া কেন্দ্রীয় ইউনি ছড়িয়ে আছে সারা দেশে, দিল্লির ছাত্রের পাশে গিয়ে হায়দরাবাদ বা পণ্ডিচেরি বা শিলচরের ছাত্রের দা ... ...

বিরিয়ানি মৃত্যুর মতো'ই, গ্রেট লেভেলার। রাজাগজা থেকে হেলেচাষা, বিরিয়ানিতে সবার রুচি রয়েছে। প্রথমযুগে একটি ধর্মবিশেষের সঙ্গে একে যুক্ত করা হতো, এখন সে বালাই'টি বেশ কমেছে। কিন্তু বিদায় হয়নি। খোদ লখনউ বা হায়দরাবাদে বহু জনতা আছেন যাঁরা এই পদার্থটিকে যথেষ্ট 'গ্রহণযোগ্য' মনে করেন না। মানে ঐ ম্লেচ্ছ সংযোগগত মাত্রাটির জন্য। যাকগে চিত্রগুপ্ত মহাশয় তাঁদের পুনর্জন্ম বরাত করবেন। আমিন।-----------------------------------বিরিয়ানি নিয়ে লিখতে গেলে একটা মহাভারত না হলেও, শ্রীশ্রীচন্ডী নামিয়ে ফেলা যায়। সার ... ...

সে এক উত্তাল সময়। আবিষ্কারের সময়। কৈশর পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের ওপর দাঁড়িয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে যৌবনকে ধরবার, কিন্তু সে তখনও বিভিন্ন যোজনার মত যোজন বছর দূরে। সবাই নাকি দেখেছে, সবাই নাকি জানে “কি করে হয়”। আতিপাতি খোঁজ চলছে। ইলেভেনের দিদিদের কিছুতেই দিদি বলতে মন চাইছে না। নতুন ম্যাডাম ক্লাসে এলে বসন্ত বিলাপ। এরকম এক টালমাটাল মুহুর্তে দেবদূতের মত হাজির সে। বোতাম টিপলেই সমস্ত গোপন স্বপ্ন বিড়াল হাঁটছে তো হাঁটছেই। বাবা মায়েরা চাইল্ড লক করেও আটকাতে পারছেননা অজানা কে আবিষ্কার করবার অদম্য ইচ্ছে। হাতে রি ... ...

ঋণঃ সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গোরু রচনা’ চরিত্র গোষ্ঠঃ নগন্য এক শ্যামলী গাই, চাকরবিশেষ (ধুতি-ফতুয়া-খালি পা) গোপালঃ শ্যামলী রাষ্ট্রপ্রধান (ধুতি-পাঞ্জাবি-উত্তরীয়)গোয়েবলসঃ ধবলী বিদেশসচিব (কোট-শার্ট-টাই-জিনস) জার্সিঃ ধবলী শিল্পপতি (জার্সি-জিনস-মাথায় বেসবল ক্যাপ)[মাউথ অর্গ্যান বা এসরাজ বা বাঁশিতে ‘আমরা সবাই রাজা’র সুর বাজে][মঞ্চের ওপর একটা বড় টেবিল, একদিকে একটি ও অন্যদিকে দু’টি চেয়ার রাখা, গোলটেবিল বৈঠকের ঢঙ এ সা ... ...

রাজকাহিনীর বেশকিছু রিভিউ বাজারে ঘুরছে, যার মধ্যে দুটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। একটি অনুজপ্রতিম বন্ধু সুয়াভোর রচনা, অন্যটি অভিলাষ রায় নামক একজনের। আমি সুয়াভোর লেখাটি পড়ে প্রচুর হেসেছি, মজা পেয়েছি, অভিলাষবাবুর লেখাটি আমার অপছন্দ হয়েছে, অপেশাদার মনে হয়েছে। রাজকাহিনী আমি দেখিনি, দেখার সুযোগ বা উৎসাহ নেই, তাই সে নিয়ে কিছু বলব না। কিন্তু সমস্যা হল এই যে বেশ কয়েকজন বন্ধু, যারা দর্শক হিসাবে সৃজিতের ছবি পছন্দ করেন, তারা কিছু আপত্তি তুলেছেন, কিছু কিছু কার্টুন ইত্যাদিও বানিয়েছেন। তাঁদের প্রধান বক্তব্য, যেমন অনিক ... ...

লাবডুবাডব দুরন্ত স্পীডে এক্কেবারে রাইট টাইমে দৌড়বে। হাঁটু সিঁড়দাড়ার ব্যাবহারে অসম্ভব অনাত্মিয়ের আভাস। তাকাবো? তাকালো কি? আমি তাকালাম সেটা কি দেখেছে? ইশশ। হ্যাংলা ভাবলো। এ সমস্ত কষে করা হিসেবে হাবে হাবলা ভাবে অমল পালেকর হয়ে কোনো রকমে এড়িয়ে যাওয়া। অ্যাটিটিউডে আমুল ভরসা রেখে কাঁপা হাতে চা। ঝ্যালঝ্যাল করে ভীড়ের মাঝের দৈনন্দিনে টাইম মেশিন। দিনটা বর্বাদ। দুর্বল চিত্ত হলে রাতটাও। সকাল সকাল, পানসে চেহারার টুথপেস্ট দর্শন। উপরিউক্ত ভ্যাবাচ্যাকা সমুহ যে পুরোনো প্রেম হঠাৎ দ্যাখা দেওয়ার ... ...

(এখানে প্রশ্নকর্তা এবং উত্তরদাতা দুজনেই আপনি অথবা আপনার প্রতিনিধি -আমরা ইচ্ছা করেই কর্পোরেট প্রতিনিধিদের এই আলোচনা তে আমন্ত্রণ জানাইনি, আর তাছাড়া তাদের ছাপানো উত্তর আমাদের অজানা নয়, তেনারা এমনিতেই ভীষণ চিন্তিত এই আমাদের এই একমাত্র বাসস্থানের ‘গ্লোবাল ওয়ারমিং’ এর সমস্যার সমাধানে - সেই সুযোগে আমরা নিজেরাই দেখেনি গ্রীন এনার্জির প্রতিশ্রুতি কতদূর সত্য ) প্রশ্ন ঃ- গ্রীন এনার্জি - উইন্ড টারবাইন, সোলার ফটো ভল্টিক এককথায় ‘ গ্রীন টেকনলজি ‘ কি আমাদের পৃথিবী কে বায়ু দূষণের হাত থেকে ‘গ্লো ... ...

মানুষ লেখালিখি শুরু করার ঢের আগে থেকে মৌখিক পরম্পরার শ্রুতিসাহিত্যের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করে রেখেছিলো। পৃথিবীর সর্বদেশে প্রাচীন শাশ্বতসাহিত্যের বিভিন্ন ধারা কথকতার সূত্রেই লোকপ্রিয়তা অর্জন করেছিলো। হোমারের ইলিয়াড থেকে ঋগবেদ, মহাভারত, রামায়ণ ইত্যাদি এই শ্রুতিপরম্পরারই অঙ্গ। 'সাহিত্য' শব্দটির শিকড় লুকিয়ে আছে 'সহিত' শব্দটির সঙ্গে। অর্থাৎ এই শিল্পটি একা মানুষের খেলাধূলা নয়। স্রষ্টা ও গ্রহীতার পারস্পরিক সম্পর্কের দ্বান্দ্বিক সমীকরণের সঙ্গে তার সার্থকতা নিহিত আছে। যেমন শ্রদ্ধেয় সুধীর চক্রবর্ত ... ...

রাস্তা কারুর একার নয় ঃভয় করে। রাস্তাটা পার হতে গিয়ে যেদিন প্রথম দেখি রাস্তার ডিভাইডারে বাঁশ বাঁধা শুরু হচ্ছে, সেদিন থেকে কেমন একটা ভয় ভয় করে। এই বাঁধনই দিন দিন শক্ত হয়ে বসবে। এই যে এখনও প্রায় পনেরো দিন দেরী কিন্তু রাস্তার দুপাশে বাঁশের লাইন টানা হয়ে গেছে এমনকি বাসস্টপগুলোর সমনেও টানা বাঁশের ব্র্যাকেট। এর মানে হল বাসের ড্রাইভার আপনাকে যেখানে খুশি নামিয়ে দিতে পারে, আপনি ফুটপাথে উঠতে পারবেন না, পাশ দিয়ে গুঁতো মেরে চলে যাবে অটো কিম্বা বাইক। কারণ রাস্তা কারুর রেকার নয়। হাতে ভারী ব্যাগ পায়ে ... ...

উৎসবের দিন, মানেই পালিয়ে বেড়ানোর সময়। ছুটির সময়। ছোটবেলা থেকেই শুনতাম পুজোর ছুটিতে অনেকে বেড়াতে যায়, তখনও আদিখ্যেতা করে "উফ পুজোয় কলকাতায় থাকা যায়না" মার্কা উন্নাসিকতা চালু হয়নি। লোকে বেড়াতে যেত বেড়াতে যাওয়ার জন্যেই, কলকাতা ছেড়ে পালাতে হলে তো গ্রামে গিয়ে কাটিয়ে আসতো। সে যাহোক, আমি কোনদিনই কলকাতা ছেড়ে নড়তে চাইতাম না পুজোর সময়। একবারের কথা বাদ দিলে হয়ওনি। সে কথা অন্যত্র। যেটা বলার, এই কিস্তিতে সেই উৎসবের মরসুমে কলকাতা ছেড়ে পালানোর গল্প লিখতে বসিনি।দেশের বাইরে এখন বাধ্যতামূলকভাবেই থাকতে হ ... ...

" দুর্গো দৈত্যে মহাবিঘ্নে ভববন্ধে কুকর্মণি।শোকে দুঃখে চ নরকে যমদন্ডে চ জন্মনি। ।মহাভয়েহতিরোগে চাপ্যাশব্দো হন্তুবাচকঃ। এতান হন্ত্যেব যা দেবী সা দুর্গা পরিকীর্তিতা। ।" (শব্দকল্পদ্রুম)ঋগবেদে দশম মন্ডলের ১২৫শ দেবীসূক্ত দেবীপূজার প্রাচীনতম মন্ত্র। এই সূক্তটি অম্ভৃণ ঋষির ব্রহ্মবাদিনী কন্যা বাকে'র একটি উক্তি। তিনি তপস্যাবলে ব্রহ্ম-তাদাত্ম্য লাভ করেছিলেন। সিদ্ধির সেই উপলব্ধি লাভের পর তিনি অনুভব করেছিলেন সবই ব্রহ্মের অংশ এবং তিনি নিজের মধ্যে সমস্ত দেবতা, চরাচর বা সার্বভৌম বিশ্বক ... ...

দূর্গাপুজোকে যদি একটা ভারী শিল্প বলে ভাবা যায় তো তার অনুসারী শিল্প অগুন্তি। কারণ দুর্গাপুজো তো শুধু পুজো নয়, আমাদের এই বাঙালীজনমের মাঝখানটিতে বসে শত শত সামাজিক ওঠা-পড়া যে নিয়ন্ত্রণ করছে এই পুজো। এইসব অনুসারীদের অনুসরণ করে কিছু পথ চললে চোখে পড়ে পুজোর প্রকৃত চালচিত্র। সেই বিষয়ে প্রকৃতই ‘দু-কথা’। লেখাটা কয়েকদিন আগে একটা আন্তর্জাল পাতার শারদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে; এখানেও থাকল। দর্জীপুরাণ পুজোয় আপনার স্টাইল স্টেটমেন্ট যাই হোক না কেন গ্ল্যামারে আপনি কিছুতেই ছাড়িয়ে যেতে পারবেন ... ...

মানুষ তাঁর এতাবৎকালের সভ্যতা তৈরি করেছে বস্তুত পায়ে হেঁটে হেঁটেই। হিউ এন সাং তাঁর ১০০০০কিমির ভারত ভ্রমণ, আলেক্সাসান্দারের বিশ্ব জয়, স্পানিয়ারড দের আন্দিজ এর আনাচে কানাচে স্বর্ণ সন্ধান, আদি শঙ্করাচার্জের ভারত জুড়ে হিন্দুত্ব জাগরণ এমনকি আমাদের চৈতন্য মহাপ্রভু আসাম মনিপুরে ভক্তি আন্দোলনের প্রসার প্রায় পায়ে হেঁটেই সমাপ্ত করেছিলেন। যাত্রীরা পায়ে হেঁটেই কেদারনাথ দর্শন এমনকি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় পায়ে হেঁটেই কলকাতায় পৌঁছেছিলেন বিদ্যার্জনের হেতু । আমরা যখন নিজেদের পায়ের ওপর নির্ভরশী ... ...