
ভগবন বুদ্ধ ছিলেন ব্রাহ্মণ্য ধর্মের বিরোধী। সে ধর্মে দেবদেবীর স্থান ছিল না। কিন্তু সেই বৌদ্ধধর্ম কালে কালে গ্রহণ করল হিন্দু তন্ত্রকে। জন্ম হল তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্মের। ... ...

তারা, নেবুলা, নক্ষত্রজগতের পরিসীমা এই সব নিয়ে কাজ করতে করতে একদিন তিনি একটা পর্যবেক্ষণ করলেন। আসলে ভালো করে সূর্য-পর্যবেক্ষণের জন্য সাহেব একটি ফিল্টার বানাতে চাইছিলেন। বিভিন্ন রং-এর কাঁচ দিয়ে পরীক্ষা চলছিল – তখন দেখেন যে কিছু রংএর কাঁচের মধ্য দিয়ে তিনি বেশি উত্তাপ অনুভব করছেন কিন্তু দেখতে পাচ্ছেন কম আবার কিছু রংএর কাঁচের মধ্যে দিয়ে দেখলে তাপ আর পৌছাচ্ছে না, কিন্তু প্রচুর আলো এসে চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে। ... ...

একসময় মনে করা হত একটি উৎস্য থেকেই ধান বর্তমানের সব ঢোমেস্টিকেটেড বা পূর্ণচাষযোগ্য ধানের বিবর্তন ঘটেছে। কিন্তু সেই ধারণা আজ পরিত্যাক্ত। বর্তমানে প্রাপ্ত ধানগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতি থেকে বিবর্তিত হয়ে আজকের ধানে পরিণত হয়েছে। ... ...

ডিপ্রেশন মানেই জীবন শেষ করে দেওয়া নয়। বিশ্বাস করুন, পৃথিবীতে এমন কেউ আছেন যিনি আপনার কথা শুনতে যান, কথা বলতে চান। তাই হয়তো নতুন এক শব্দের কয়েনেজ “4 a.m friend”… হ্যাঁ, এমন একজনকেই চাই যাকে রাত বিরেতে উঠিয়ে বলতে পারি, হ্যালো, আমি আজ ভালো নেই। কথা বলতে পারি… হয়তো তাহলে ডিপ্রেশন কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারব। সুশান্তের পাশে কাল কেউ ছিলনা…তাই হয়তো ওকে এভাবেই চলে যেতে হলো… ... ...

না। সমস্যাটা মোটেও চিন কিম্বা নেপাল নয়। আমাদের 'আগামী'র সমস্যা ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে চলেছে দেশের মধ্যেই। চিনের নিজের দেশের গোলমাল থেকে নজর ঘোরানোর উদ্দেশ্যেই তাদের লাদাখে ঢুকে এই 'কুমীরডাঙা' খেলা। ... ...

১৯৬০ এর পর থেকেই লাতিন আমেরিকা জুড়ে চালু হয়েছে, জনপ্রিয় হয়েছে একটা শব্দ –গেভারাইজম। গত পঞ্চাশ বছর জুড়ে,এমনকী এই একুশ শতকেও লাতিন আমেরিকায় এমন কোন বিপ্লবী বা প্রগতিশীল আন্দোলন হয় নি যা এই আর্জেন্টিনিয়-কিউবান চিকিৎসক-বিপ্লবীর দ্বারা অনুপ্রাণিত নয়। মার্কসবাদ বা লেনিনবাদ বা মাও চিন্তাধারার মত গেভারা বাদ/চিন্তাধারা-র মত শব্দ আমাদের এখানে খুব বেশি শোনা না গেলেও লাতিন আমেরিকার নিজস্ব বাস্তবতার কারণেই তা ওখানে বহু উচ্চারিত। জাপাতিস্তা আন্দোলন ‘গেভারিয়ান’ হিসেবে নিজেদের চিহ্নিত করেছিল। কলম্বিয়ায় ‘ই এল এম’ গেভারীয় আদর্শে এখনো গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। অবশ্য শুধু গেরিলা যুদ্ধের দিক থেকেই নয়, ভূমিহীন কৃষক সহ সমাজের সব নিপীড়িত শাসিত শোষিতদের লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনেও চে প্রাসঙ্গিক ও অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন। ... ...

আর্য শব্দের উৎস ও এই নামে পরিচিত জনগোষ্ঠীর উৎস- দুটো নিয়েই আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন থাকে। ইতিহাসের একটা প্রশ্নের উত্তর কখনই একটা সূত্র থেকে পাওয়া যায় না, বিশেষ করে প্রশ্নটা যখন প্রাগৈতিহাসিক যুগকে ঘিরে। তাই আমরা পাঁচরকম আঙ্গিকে উত্তরটা খোঁজার ও বোঝার চেষ্টা করব- সাহিত্য, ভাষা, জেনেটিক্স, আইকোনোগ্রাফি ও শিল্প। এগুলি সবই ইতিহাস গঠনের রসদ। আজ শেষ পর্বে দেখব আইকোনোগ্রাফি ও শিল্পের আঙ্গিকে। ... ...

ফুচকা…আহা, গোল ওই কুরমুরে বস্তুটি আলুমাখা ঠেসে যখন তেঁতুল জলে ডুব দেয় তখনই আমার মন গেয়ে ওঠে, “মাঝে মাঝে তব দেখা পাই চিরতরে কেন পাইনা”… আসলে “দেখা”র জায়গায় একটু কষ্ট করে “খেতে” পড়ে দেখুন, কি এক আশ্চর্য ভালোলাগা আপনাকে মুহুর্তে ঘিরে ধরবে। ... ...

স্কুলে পড়ার সময়, সম্ভবত ক্লাস নাইনে পড়ার সময় এস. ওয়াজেদ আলির ‘ভারতবর্ষ’ শিরোনামে একটি রচনা পড়েছিলাম। ১৯৮৪ পর্যন্ত মাধ্যমিকের সিলেবাসে ছিল এই প্রবন্ধটি। উত্তরকালের কাছে তাঁর পরিচিতি এই ‘ভারতবর্ষ’ নামে বিখ্যাত রচনাটির জন্যেই বোধহয়। সেখানে একটি লাইন ছিল ‘সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে, কোথাও তার পরিবর্ত্তন নেই’। বাক্যটি তাঁর জীবিতকালের মধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ হিসাবে স্থান করে নিয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর অর্ধশতাব্দী (৬৮ বছর) পরে আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। ... ...

বড়ো মেয়ে শমরিতা রিতু পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তি পাওয়ার পর থেকে হায়দার আলীর স্বপ্ন মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবেন। তাঁর বংশে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েনি। এসএসসি, এইচএসসি’তে জিপিএ ফাইভ পেয়ে পাস করার পর হায়দার আলীর স্বপ্ন নতুন মাত্রা পায়। মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবেন তিনি। জেলা আদালতে করণিকের চাকুরি করেন। দুটো মেয়ে। স্বল্প বেতনে সুদূর উত্তরের জেলা শহর কুড়িগ্রামেও ভালোভাবে সংসার চালানো বেশ কষ্টকর। মেয়েকে ঢাকা কিংবা অন্য শহরে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর কথা শুনে রিতুর মা বরাবরই ভয় পেয়েছেন। ... ...

তখন প্লাষ্টিকের ব্যাগ আসে নি। আমাদের সকলের বাড়িতে চটের থলে নামের একটা জিনিস থাকত। আজকের দুনিয়ায় চারিদিকে প্লাষ্টিক বর্জ্য বিষয়ে অনেক চর্চা হচ্ছে। এতো আলাপ-আলোচনায় আমাদের সচেতনতা কি বাড়েনি? অবশ্যই আমরা এই নিয়ে ভাবছি, বিকল্প খুঁজছি। আমরা কাপড়ের আর কাগজের ব্যাগ ব্যবহার করছি আজকাল, পরিবেশ সচেতনতার পরিচয় দিচ্ছি। আসুন, একটু তলিয়ে দেখা যাক। ... ...

সাড়ে পাঁচশ পৃষ্ঠার বই যখন শেষ হয়ে আসছে, মহারাজা যখন সমানে অসুস্থ হয়ে পরছেন তখন আমাদেরকে আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছিল এই লোকটা কী জিনিস ছিল। আমি সিনেমার হিসাব করছিলাম তখন, শুধু মনে হচ্ছিল না, এই অসুস্থতায় তিনি যাবেন না, এখনো তো আগন্তুক করা বাকি, এর আগে যাবেন কী করে? অসুস্থ অবস্থায় শেষ সিনেমা আগন্তুক তৈরি করলেন, উৎপল দত্ত তার জীবনের অন্যতম সেরা অভিনয় করলেন। আর শেষ সিনেমায় এসেও সত্যজিৎ দেখালেন তিনি কত বড় পরিচালক, কী দুর্দান্ত কাজই না করে গেছেন। আগন্তুক সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পর, শেষ শট নেওয়ার পর তিনি বলে উঠেন, "যাঃ, আমার যা কিছু বলার ছিল সব ফুরিয়ে গেল, আমার আর কিছুই বলার নেই।" এই কথা শোনার পর বিজয়া রায়ের যেমন লেগেছিল, আমাদেরও তেমনি যেন লাগে। আমরা জানি তাই সত্য হয়েছিল। কিংবা বলা চলে উনার সময় ফুরিয়ে গেছিল, সত্যজিতের মত মানুষ কী কোনদিন ফুরিয়ে যায়? ... ...

কিন্তু প্রথম থেকেই যেটা লক্ষ্য করছিলাম, এই উপলক্ষ্যে মানুষ তিনটে জিনিষ নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে - এক, কেরলের লিটারেসি রেট, দুই, মালাপ্পুরম মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল আর তিন, কেরলের মানুষের হিংস্রতা। ছকটা খুব কঠিন নয়। ... ...

একটি জাতি প্রায় সমষ্টিগতভাবে রেসিস্ট। রাজনৈতিক শুদ্ধতার বাইরে থেকে চাপানো কৃত্রিম জ্ঞান দিয়ে ফেসবুকে সচেতনতার সাময়িক পলেস্তারা নির্মিত পোস্ট রচনা করা যায়, রেসিস্ট মানসিকতার আগাছা তাতে নির্মূল হয়না। তাই এভাবেই মাঝে মাঝে পলেস্তারা খসে বেরিয়ে আসে রেসিজমের বয়ান, রেটরিক, ভাষা। সে ভাষায় সাহিত্য করে পুরস্কার লাভ হতে পারে, নিজেকে আ্যক্টিভিস্ট বা বামপন্থি বলে আত্মপ্রচার করা যেতে পারে, কিন্তু মানুষসভ্যতায় বিশ্ব-শিল্প-সাহিত্যে বা জাতিগতভাবে কোন সংযোজন সম্ভব হয়না। ... ...

এই যে ব্যাঙ্কগুলোর আক্যাউন্টে পয়সা রাখিস, এই টাকাটা তো ব্যাঙ্ক আবার অন্যকে ধার দেয়। সেই ধারের সুদটাই ব্যাঙ্কের মূল আয়। ২০১৯ সালে এই ধারের মোট পরিমাণ কত জানিস, প্রায় ৯৭ লক্ষ কোটি টাকা আর তাঁর মধ্যে প্রায় ৩৯ লক্ষ কোটি টাকাই আসে সেভিংস ব্যাঙ্কের ডিপোজিট থেকে, যাকে বলে CASA ডিপোজিট। ব্যাঙ্কগুলোর কাছে এটা খুব লোভনীয় কারণ এটার জন্য ব্যাঙ্কের সব থেকে কম খরচ হয়। এই মোট ধারের সব থেকে বেশি অংশ, ২২.৫% মানে ২১.৮ লাখ কোটি আসে এসবিআই এর থেকে। এসবিআই এই টাকার ৫০% পায় সেভিংস ডিপোজিট থেকে। অন্য দিকে ইয়েস ব্যাঙ্কের হিসেব টা দেখ, ওদের বাজারে যে টাকা লোন দেওয়া ছিল;সেভিংস ডিপোজিটের পরিমাণ তার মাত্র ১৯%। ... ...

সৎ দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমাদের গুরুদায়িত্ব সরকারেরব কথাকে বেদবাক্য বলে মেনে নেওয়া। এই পরিস্থিতিতে, নিজের স্বাস্থ্য নিজের সুরক্ষার দায় এক এবং একমাত্র নিজের, এমত সরকারি ঘোষণায় উদবুদ্ধ হয়ে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি বড় অংশ যদি বাড়িতে বসে থাকতে চান, তাহলে নিশ্চয়ই তাঁদের দোষ দেওয়া যায় না। তাই না?? তাহলে কী করবেন? কী আবার!!! আপনি হাত ধুচ্ছেন তো? আপনার সরকারও হাত ধুয়ে নিলেন। অতএব, আপনারা থালা বাজান। বাতি জ্বালুন। কোনো এক শুভদিনে সন্ধ্যা আট ঘটিকায় পরবর্তী ঘোষণার অপেক্ষায় থাকুন। ... ...

জঙ্গল না কাটলে, প্রকৃতিকে ধ্বংস না করলে "সভ্য" মানুষ বাঁচবে না। প্রান্তিকদের প্রান্তিকতর করে না তুললে উন্নয়ন থমকে যাবে। মানুষকে অত্যাচারে, বঞ্চনায় স্যাডিস্ট এবং নৃশংশ করে তুলতে পারলেও সভ্যতার অনেক লাভ। এইসব নৃশংশ হত্যার দায় সভ্যতাকে নিতে হয় না - নিজ গৃহকোণে চোখের জল ফেলে "অসভ্য নিষ্ঠুর" মানুষের প্রতি ঘৃণাবর্ষণ করে একটু স্বান্ত্বনা পাওয়া যায়। ... ...

কিন্তু ভিতরে বসে দেখলে অবস্থা এত আশাপ্রদ কিছু নয়। আমেরিকা কাঁপছে ঠিকই, কিন্তু ভেঙে পড়ার জন্য কিনা কেউ জানেনা। বহু শহরে রাত্রিকালীন কার্ফু। প্রেসিডেন্ট ন্যাশানাল গার্ড নামাতে বলেছেন সমস্ত গভর্নরদের। না নামালে নিজেই সৈন্য নামিয়ে দেবেন বলেছেন। আমেরিকায় বসে এই মুহূর্তে সেটা শুধু ফাঁকা আওয়াজ মনে হচ্ছেনা। কারণ প্রতিবাদের চেয়েও হিংসা ছড়াচ্ছে বেশি গতিতে। তার চেয়েও বেশি দ্রুত ছড়াচ্ছে 'খবর'। ছড়াচ্ছে ফোনে, ছড়াচ্ছে সোশাল মিডিয়ায়, ছড়াচ্ছে ফিসফিসিয়ে। আমাদের পাড়ার নেটওয়ার্কে মেয়রের সাবধানবাণী জ্বলজ্বল করছে। 'নির্ভরযোগ্য' সূত্রের খবর দিয়ে লোকজন পোস্ট করছে, আজ রাতে বাসে করে দাঙ্গাবাজরা আসছে। সতর্ক থাকুন। ইঙ্গিত ব্ল্যাকলাইভসম্যাটার আর অ্যান্টিফার দিকে। ... ...

অরিজিত চক্রবর্তী জঙ্গলে সামনাসামনি বাঘের কি রূপ! চোখ নাচায়, ভুরু নাচায়। দুমাস আগেই নাকি এগ্রামের একটা দল বাঘের খপ্পরে পড়েছিল। বুড়োর ছেলেও ছিল তাতে। ৬ জনের টিম। সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত বাঘের সাথে লড়ে নিজেরা ফিরেছে। তানা ৭-৮ ঘন্টা ধাওয়া করেছে বাঘটা। আম্ফানের মতই ৭-৮ ঘন্টা। হ্যাঁকাতে আছে বাঘটা। বুড়ো বলল আমার ছেলেটা তো একটু হ্যাঁকাতে। ৪টের পর বাঘ তাড়ালেও তখন ভাটা, নৌকা কাদায় আটকে। গভীর রাতে জোয়ার। ততক্ষণ নৌকাতেই বসে থেকেছিল। যেকোনো সময়েই বাঘ আস্তে পারতো। বাঘের মুখ থেকে খাবার ছিনিয়ে নিয়ে ফিরেছে। যদিও যাকে ধরেছিল সে বাঁচেনি। প্রবল রক্তক্ষরণে সে নৌকাতেই মারা গেছে। কাঁথা জামাকাপড় সব রক্তে ভেসে গিয়েছিল। তাও ফেরাতে পেরেছেটুকুই তাদের গর্বের। ... ...

আমাদের ইতিহাস পাঠ অনেকাংশেই ক্ষমতার ইতিহাস - এবং ক্ষমতাবানের ইতিহাস। ক্ষমতাহীন যে সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাঁদের নিয়ে চর্চার অভ্যেস, ইতিহাসবিদদের মধ্যেও, তেমন পুরোনো নয় - জনপ্রিয় ইতিহাসের ডিসকোর্সে সে বয়ান ঢুকতে বহু দেরী। ক্ষমতাবানের শাসনের চিহ্ন হিসেবে - যুগে যুগে শাসকের ক্ষমতার স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে - রয়ে গিয়েছে অজস্র স্থাপত্য। এবং আমাদের ইতিহাস লিখনপ্রক্রিয়ায় সে স্থাপত্যের গুরুত্ব অনিবার্য। তারই সাথে সাথে নব্য শাসক পুরাতনের ক্ষমতার চিহ্ন মুছে ফেলতে গিয়ে ধ্বংস করেছেন পুরাতন স্থাপত্য - পুরাতনকে গড়েপিটে করে নিয়েছেন নতুন - এবং সেই নব্যরীতি নতুন ক্ষমতার প্রতি মানুষের সম্ভ্রম নতুন করে আকর্ষণ করেছে - এ নজির প্রত্যেক দেশে প্রতি যুগেই অঢেল। ... ...