• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • আমেরিকা -- ঘটছে টা কী

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভাগ : আলোচনা | ০২ জুন ২০২০ | ১৭৯১ বার পঠিত
  • আমেরিকার অবস্থাটা বাইরে থেকে ঠিক বোঝা যাচ্ছেনা। টিভিতে যা পাওয়া যাচ্ছে, শুধু ভব্য বয়ান। কমিক রিলিফও আছে। প্রেসিডেন্ট একবার বলছেন 'লুটিং স্টার্টস, শুটিং স্টার্টস', আরেকবার হাতে বাইবেল নিয়ে ফোটোশুট করছেন। সিএনএন এ ক্রিস কোমো দাঁত খিঁচিয়ে ট্রাম্পকে গাল দিয়ে চলেছেন। কিন্তু এসব বাদ দিলে টিভি যা ঘটনা দেখাচ্ছে তা মূলত ভব্যতার প্রতিমূর্তি। কিছু ইটপাটকেল ছোঁড়া, কাঁদানে গ্যাস আছে। সে তো সব বিক্ষোভেই হয়ে থাকে। কিন্তু মূল ন্যারেটিভ হল সাদা পুলিশের হাতে কালো মানুষের মৃত্যুর প্রতিবাদে আমেরিকা পথে নেমেছে। সর্বত্র বিক্ষোভ, জনজাগরণ। হোয়াইট হাউস ঘিরে ফেলেছে জনতা, বাইরে টহল দিচ্ছে আর্মার্ড কার। সিভিল রাইটস আন্দোলনের পর এই প্রথম আমেরিকা কাঁপছে। ইত্যাদি।

    কিন্তু ভিতরে বসে দেখলে অবস্থা এত আশাপ্রদ কিছু নয়। আমেরিকা কাঁপছে ঠিকই, কিন্তু ভেঙে পড়ার জন্য কিনা কেউ জানেনা। বহু শহরে রাত্রিকালীন কার্ফু। প্রেসিডেন্ট ন্যাশানাল গার্ড নামাতে বলেছেন সমস্ত গভর্নরদের। না নামালে নিজেই সৈন্য নামিয়ে দেবেন বলেছেন। আমেরিকায় বসে এই মুহূর্তে সেটা শুধু ফাঁকা আওয়াজ মনে হচ্ছেনা। কারণ প্রতিবাদের চেয়েও হিংসা ছড়াচ্ছে বেশি গতিতে। তার চেয়েও বেশি দ্রুত ছড়াচ্ছে 'খবর'। ছড়াচ্ছে ফোনে, ছড়াচ্ছে সোশাল মিডিয়ায়, ছড়াচ্ছে ফিসফিসিয়ে। আমাদের পাড়ার নেটওয়ার্কে মেয়রের সাবধানবাণী জ্বলজ্বল করছে। 'নির্ভরযোগ্য' সূত্রের খবর দিয়ে লোকজন পোস্ট করছে, আজ রাতে বাসে করে দাঙ্গাবাজরা আসছে। সতর্ক থাকুন। ইঙ্গিত ব্ল্যাকলাইভসম্যাটার আর অ্যান্টিফার দিকে। লোকজন বন্দুক বাগিয়ে তৈরি হয়ে থাকছে। বন্ধুবান্ধব, পরিচিতরা ফোন করে খোঁজ নিচ্ছে।

    এ সবই অমূলক, তা কিন্তু একেবারেই নয়। পাড়ার ওয়ালমার্টে কালই হামলা হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে দোকান। মিসিসিপি টপকালে ওপারে কালই গুলিতে দুজন মারা গেছে। শিকাগোর কাছে বহু শহরে লুটপাটের তাজা খবর আসছে। ব্যাঙ্কে, মলে হামলা হয়েছে। এর কোনোটাই বানানো নয়। সর্বত্রই গল্পটা একই। শুরু হচ্ছে অহিংস বিক্ষোভ দিয়ে। তারপরই শুরু হয়ে যাচ্ছে লুটপাট। একবার লুট শুরু হয়ে গেলে, তারপর ফ্রি পাস। দোকানে ঢুকে লোকে অবাধে তুলে নিয়ে যাচ্ছে জিনিস। বড় চেনগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এক এক করে। কোভিডের উপদ্রবেও যারা খোলা ছিল।

    কোভিড, পুরো বিষয়টাকেই একটা অন্য মাত্রা দিয়ে দিয়েছে। মুখোশ এখন নতুন স্বাভাবিক। আগে শুধু ডাকাতরা মুখোশ পরত, এখন প্রতিবাদকারীরাও পরে। তার আড়ালে কে কোথায় এসে লুটপাট শুরু করে দিচ্ছে বোঝা মুশকিল। মানি-হেইস্ট খ্যাত গাইফক্স আর দালি মুখোশও দেখা যাচ্ছে এদিক ওদিক। কোভিড, ভাবা গিয়েছিল, নজরদারির নতুন যুগের সূচনা করছে। কিন্তু এই মুহূর্তে দেখা যাচ্ছে, মুখোশ অনেকটা আড়ালও দিচ্ছে। অন্তত একটি শহরে, দেখা গেছে একজন সাদা মানুষ হিংস্রতা শুরু করে। বাকি সবই মুখোশের আড়ালে। লুটপাটও।

    সব মিলিয়ে দাঙ্গা পরিস্থিতি যেমন হয়, অবস্থা তার কাছাকাছি। শুধু আন্দোলন চলছে, মানুষ একজোট হচ্ছে, ব্যাপার একেবারেই তা নয়। লোকে ভয় পাচ্ছে। দাঙ্গায় যেমন হয়। সাদারা 'কালো দাঙ্গাবাজরা চলে এল রে' বলে ভয় পাচ্ছে। কালোরা তো এমনিই ভয় এবং রাগের তুঙ্গে। অবিশ্বাস সর্বত্র। গুজব ছড়াচ্ছে। এবং মানুষ তাতে বিশ্বাস করছে। ভয় পাচ্ছে। ঠিক দাঙ্গার আগে যেমন হয়। এর আগের কোনো আন্দোলনে এ জিনিস হয়নি। খুব সম্ভবত ব্ল্যাক প্যান্থার জমানার পর এই মাত্রার হিংসাও হয়নি।

    মিডিয়ায় খবর দেখাচ্ছে, জনতা হাতে হাত মিলিয়ে প্রতিবাদে নেমেছে। সেটা মিথ্যে নয়। টিভিতে দেখা যাচ্ছে, নানা শহরের প্রতিবাদে সাদারাই সংখ্যাধিক্য। ফ্লয়েডের মৃত্যুতে সবাই উত্তেজিত। সবাই গায়ের রঙের ভিত্তিতে বৈষম্যের বিরুদ্ধে। শহরে, প্রতিবাদকারীদের মধ্যে সেটা হয়তো ভুল নয়। কিন্তু শহরের প্রতিবাদকারীরাই শেষ কথা বললে তো ট্রাম্পের জেতারই কথা নয়। এই তীব্র আন্দোলনের পর, পরেরবার আর ফিরে আসার সম্ভাবনাও শূন্য। কিন্তু পরিস্থিতি একেবারেই তা নয়। দাঙ্গায় যেমন শান্তিমিছিল থাকে প্রকাশ্যে, আর সর্বব্যাপী আতঙ্ক ছড়ায় চুপিচুপি, চোখের আড়ালে, এ বস্তুও খানিকটা তেমনই। আতঙ্কের মাপজোক এই মুহূর্তে করা মুশকিল, কিন্তু আতঙ্ক আছে। বিভাজন বাড়ছে। হয়তো অবাধ লুটপাট হবেনা। থেমে যাবে। কিন্তু এই অবিশ্বাস, ভয়, এর বাইরে কীকরে যাওয়া যাবে বোঝা মুশকিল।

    মিডিয়া দেখাচ্ছে, আমেরিকার মানুষ ইতিহাস তৈরি করছে। আন্দোলনে কাঁপছে আমেরিকা। কিন্তু অবস্থা একেবারেই অত সুবিধের না।
  • বিভাগ : আলোচনা | ০২ জুন ২০২০ | ১৭৯১ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::5c8:2dc5 | ০৩ জুন ২০২০ ২৩:২৬93957
  • আমেরিকাতে যেসব ভারতীয়রা রয়েছে, তারা বেশিরভাগই ভিসা-গ্রীনকার্ডে থাকে। তাদের পক্ষে প্রতিবাদে অংশ নেওয়া প্রায় অসম্ভব। যারা সিটিজেন হয়েছে, তারাও সবাই অ্যাসিমিলেট হতে পারেনা। সেটা কিছুটা তাদের নিজস্ব সমস্যাও বটে। আবার অনেকের রাজনীতি নিয়ে উৎসাহই নেই। এক্সচেন্জ রেট আর ডিজনি ওয়ার্ল্ড ছাড়া আমেরিকার কোনও ব্যাপারেই তেমন উৎসাহ নেই। আমি খুবেকটা দোষও দেখিনা। এছাড়াও অনেকে আড়াল থেকে সমর্থন দিয়ে যায়। ইন্টেলেকচুয়াল লেভেলে, নিজেদের কাজের মাধ্যমে, ঠিক জায়্গায় ডোনেশান দিয়ে।

    তবে এটাও ঠিক যে ভারতীয়দের একাংশ এখন ট্রাম্পের সমর্থক। মোদিবাবু হাউডিতে সেইরকম আদেশই দিয়ে গেছিল। তারউপর বর্ণবৈষম্যের একটা ছোঁয়া তো আছেই। জাতপাত নিয়ে বড় হওয়া ভারতীয় ছেলেপিলে আইটি-আইআইটির পরেও সে জিনিস সযত্নে পালন করে এবং বিদেশে নিয়ে যায়। সেখানে স্বাভাবিক ভাবেই তাদের হিসাব অনুযায়ী কালোরা নিম্নবর্ণ। বহু ভারতীয়রাই আমেরিকাতে অশ্বেতাঙ্গদের মধ্যে নিজেদের কুলীন ভাবে।

    তবে ভারতীয়দের অ্যাকটিভ পার্টিসিপেশান ছাড়াও এদেশে বদল সম্ভব। এবং সেটা হচ্ছে, হবে।
  • lcm | 2607:f140:800:1::1717 | ০৩ জুন ২০২০ ২৩:২৭93958
  • এমনকি জর্জ বুশ-ও

    "Laura and I are anguished by the brutal suffocation of George Floyd and disturbed by the injustice and fear that suffocate our country. Yet we have resisted the urge to speak out, because this is not the time for us to lecture. It is time for us to listen. It is time for America to examine our tragic failures..
    ...
    This tragedy — in a long series of similar tragedies — raises a long overdue question: How do we end systemic racism in our society?
    ...
    America’s greatest challenge has long been to unite people of very different backgrounds into a single nation of justice and opportunity. The doctrine and habits of racial superiority, which once nearly split our country, still threaten our Union... ..."

    https://www.cnn.com/us/live-news/george-floyd-protests-06-02-20/h_0bf9875d7fd36ee312e29e33e5a73be8
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::4b6:12cc | ০৩ জুন ২০২০ ২৩:৩৪93959
  • বুশ দম্পতির বক্তব্যটা একটু আগেই পড়লাম। জর্জ বুশের প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার টুইট করেছে, লরা বুশ রিটুইট করেছেন। বক্তব্যটা ভালো - দারুন বলা যেতে পারে। কিন্তু তারপর প্রশ্ন ওঠে যে ৮ বছর তো প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন কি করিলেন? বা হারিকেন ক্যাট্রিনার সময় ঠিক কি হয়েছিল? ইত্যাদি।
  • lcm | 2607:f140:800:1::1717 | ০৩ জুন ২০২০ ২৩:৩৫93960
  • ইউএসএ-তে ভারতীয় অভিবাসীদের নিয়ে বড়েস এর বক্তব্য ঠিক।
    শুধু একটা পয়েন্ট অ্যাড করব, ইউএসএ-তে ভারতীয় সংখ্যায় তত বেশি নয় যতটা মনে হয় - ১% এর কম।
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::1b:e168 | ০৪ জুন ২০২০ ০১:৫৮93967
  • Defense Secretary Mark Esper said Wednesday he does not support invoking a law that would allow President Trump to use the U.S. military for domestic law enforcement amid nationwide protests surrounding the death of George Floyd.
  • anandaB | 50.35.122.121 | ০৪ জুন ২০২০ ০২:১২93969
  • এই যে, আজকের আমেরিকা র খন্ড চিত্র, মনে রাখতে হবে এই মহিলা একজন স্টেট রিপ্রেসেন্টেটিভ

    https://www.npr.org/2020/06/03/868173915/how-a-mother-protects-her-black-teenage-son-from-the-world

    এই শেষ কয়েকটা উদ্ধৃতি খুব সত্যি

    "You can change legislation, but you can't change hearts and minds," Richardson says.

    "The systems that we have built within this country have been built with racism at the core," she says. "People will talk about our systems being broken. Our systems are working just the way that they were designed to work."
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::679:2736 | ০৬ জুন ২০২০ ১০:৫০94036
  • এইমুহুর্তে আমেরিকাতে পুলিশ ও প্রশাসন ঠিক কি করছে তার একটা ভালো সামারি দিয়েছে নীচের ভিডিওতে।



    এসব অন্য দেশে হলে আমেরিকা-ইউএন এতক্ষণে কতকিছু বক্তব্য রেখে ফেলত।
  • সব গুলিয়ে যাচ্ছে | 80.211.254.252 | ০৬ জুন ২০২০ ১৩:৫৮94039
  • তিব্বত থেকে তিয়েন আনমেন স্কোয়ার, হংকং থেকে তাইওয়ান—এগুলো সব হল "আমেরিকার চক্রান্ত। কমিউনিস্ট চীন এগুলোর সাথে যা করেছে, একদম ঠিক করেছে"। দালাই লামা হলেন "সিআইএ-র এজেন্ট"। কিন্তু আমেরিকায় "ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটার্স" আন্দোলন হল মার্ক্সের ফেল করা প্রফেসি, অবশেষে আবার পাস করার প্রতিধ্বনি, "একদিন সূর্যের ভোর" ইত্যাদি। এই হিপোক্রিসি না হলে আর কমিউনিস্ট! তবে বামেরা যতই ভাবুন, এতে ৪ঠা জুলাইয়ের আগেই আমেরিকাতে সমাজতন্ত্র ফিরে আসবে, তাঁদের আশায় আবার জল পড়তে চলছে। কারণ, আমেরিকাতে বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে মানুষের রাস্তায় নেমে আন্দোলন, বিক্ষোভ, রায়ট এই প্রথম না। এসব আগেও অনেকবার হয়েছে। কিন্তু কোনবারেই আমেরিকায় মার্ক্সবাদ বা কোন বামবাদ মাথা তুলতে পারিনি। এবারও পারবে না। এইটবি থেকে গোলপার্ক পর্যন্ত রেঞ্জের অভিজ্ঞতায় চারটে গ্রাফিটি দেখে মনে হতে পারে, এটাই সারা পৃথিবীতে বামবিপ্লবের লক্ষণ, কিন্তু বাস্তবে তো আর তা হয়না। এবারও হবেনা। শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গের গলায় পা দিয়ে মেরে ফেলা অবশ্যই রেসিজম। এর তীব্র প্রতিবাদ অবশ্য কাম্য। এই বর্ণবিদ্বেষ একবিংশ শতাব্দীতে অন্তত চিরতরে মুছে যাক। কিন্তু এর সাথেই আরও কয়েকটা প্রশ্ন। অকমিউনিস্ট, কমিউনিস্ট বিরোধীদের অকথ্য অত্যাচার করে মারাটা শ্রেণীসংগ্রাম কেন? সেটা রেসিজম নয় কেন? তার বিরুদ্ধে গণমানুষের আন্দোলন হলে, সেটাকে আমেরিকার চক্রান্ত বলা হবে কেন? তাহলে কি ধরে নিতে হবে, এই বাম বিপ্লবী, বুদ্ধিজীবী, সবজান্তাদের কাছে নন-কমিউনিস্ট লাইফ, অ্যান্টি কমিউনিস্ট লাইফ ডাজ নট ম্যাটার? সেক্ষেত্রে আমেরিকার বর্ণবিদ্বেষী আন্দোলনকে সমর্থন করার এঁদের নৈতিক অধিকার আছে কি?

  • S | 69.146.151.28 | ০৭ জুন ২০২০ ০৫:৫৬94066
  • ওদিকে ফক্স নিউজ কালো লোকেদের হত্যার সঙ্গে শেয়ার মার্কেটের পারফর্মেন্সের গ্রাফ দেখাচ্ছে নিজেদের ভিউয়ারদের।

  • Amit | 121.200.237.26 | ০৮ জুন ২০২০ ০৬:২০94109
  • ট্রাম্প যথারীতি ওর খেলা শুরু করে দিয়েছে, ডেমোক্রেটিক পার্টি টেকেন ওভার বই আলট্রা লেফট্স এন্ড রাডিকালস. জাস্ট এই একটা ইসু নিয়ে ও ইলেকশন এ যাবে ওর ব্ল্যাক শার্ট বাহিনী নিয়ে. এখন রেসিজম যে লেভেলে, তাতে ফাইনাল রেজাল্ট কিহবে কেও জানেনা. এদিকে আমাদের বাদামি ভাই এরা কালোর মধ্যে কুলীন স্টেটাস পোস্টে যাচ্ছে সোশ্যাল মেডিয়ায়. কালোদের এই অবস্থার জন্যে এরাই দায়ী, ইন্ডিয়ানরা কত কষ্ট করে, কত লড়াই করে নিজেদের এস্টাবলিশ করেছে আমেরিকায়, বাকিরা পারেনা কেন - এই মার্কা পোস্টের সংখ্যা বাড়ছে কদিন ধরে.

    লস্ট ফেইথ অন হিউম্যানিটি লং ব্যাক এনিওয়ে, এই প্রজাতিটা যত তাড়াতাড়ি দুনিয়া থেকে কমপ্লেটেলি 100-% এক্সটিনক্ট হয়, ততই ভালো. বাকি প্রাণীরা মিলে একটা বেটার ওয়ার্ল্ড বানানোর সুযোগ পাবে.
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত