এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  সমাজ

  • শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতর নারীভাবনা এবং কিছু সরলমতি জিজ্ঞাসা­­­­­­­­­­­­­­­­ 

    Sandipan Majumder লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | সমাজ | ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬০৯৭ বার পঠিত | রেটিং ৪ (২ জন)
  • উত্তরে থাকো মৌন
    কেন তুমি ভাবো
    এ আকুতি শুধু যৌন? (উত্তরে থাকো মৌন : বিষ্ণু দে)

    [ এই লেখা রামকৃষ্ণ কথামৃতের ভক্তদের জন্য নয়। তাঁরা দয়া করে এই লেখাটি পড়বেন না। কারণ এই লেখা সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গী থেকে উৎসারিত। সেই একই কারণে এই লেখা রামকৃষ্ণ দর্শনের প্রতি অকারণ বিদ্বেষবশত কোনো কুৎসামূলক লেখাও নয়। কারণ বর্তমান লেখক মনে করেন যে রামকৃষ্ণদেবের মত সরলহৃদয়, সুরসিক, তত্বজ্ঞানী এবং বিরাট ব্যক্তিত্বের অধিকারী ধর্মপ্রচারক বাংলায় চৈতন্যদেবের পর খুব বেশি আসেন নি। বিশেষত পরধর্ম সহিষ্ণুতার ক্ষেত্রে তাঁর বক্তব্য বাংলার মাটি থেকে উঠে আসা ঔদার্যের পরাকাষ্ঠা। তবে রামকৃষ্ণদেবের ‘কামিনীকাঞ্চন ত্যাগ’ তত্ব নিয়ে আমার বহু প্রশ্ন চিরকাল ছিল। সময়ের সঙ্গে সেই সংশয়ের অবসান তো হয়ই নি, আরো বেড়েছে বরং। এখন ভক্তকুলের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর চাওয়া বৃথা। কারণ রে রে করে তেড়ে আসা ছাড়া বা অধিকারীভেদের কথা বলে প্রশ্নের পথ বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া তাঁদের কাছে যুক্তিসমৃদ্ধ তর্ক কিছু পাই নি। তাই এক অর্থে এই লেখা শুধুমাত্র সেই মানুষদের জন্য, যাঁরা আমার মত সাধারণ, অতি সাধারণ জিজ্ঞাসু। ]

    শ্রীরামকৃষ্ণর কথায় “কামিনী-কাঞ্চনই মায়া। ওর ভিতর অনেকদিন থাকলে হুঁশ চলে যায় — মনে হয় বেশ আছি।’’ (শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত, অখণ্ড সংস্করণ, উদবোধন কার্যালয়, ২০১৬, পৃষ্ঠা ৭৪)।

    প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে কামিনী শব্দটি। বাংলায় নারীকে বোঝানোর জন্য যত শব্দ আছে তার মধ্যে সবচেয়ে যৌন অনুষঙ্গ সম্বলিত দুটি শব্দ হচ্ছে কামিনী আর রমণী। দ্বিতীয় শব্দটি সরাসরি রমণ বা যৌনকর্ম থেকে উদ্ভুত, প্রথম শব্দটি কামনা থেকে। অর্থাৎ কামিনী শব্দটি সরাসরি নারীর একটি ‘Sexed Identity’ তৈরী করে।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে কামিনীর প্রতি কাম কার জন্মায়? পুরুষমানুষেরই তো (সমকামী হলে নারীদেরও জন্মাতে পারে কিন্তু সে প্রসঙ্গে আমি যাচ্ছি না এখন)? তাহলে নারীরা ঈশ্বরলাভের ইচ্ছা হলে কী করবেন (রামকৃষ্ণ মিশনের নারী ভক্তের সংখ্যা তো নেহাত কম নয়)? কারণ একসঙ্গে কামিনী-কাঞ্চন বললেও কামিনীই যে দোষের উৎস, মূল কারণ সেটা রামকৃষ্ণদেব স্পষ্ট করেই বলেছেন, “কামিনী-কাঞ্চনে জীবকে বদ্ধ করে। জীবের স্বাধীনতা যায়। কামিনী থেকেই কাঞ্চনের দরকার। তার জন্য পরের দাসত্ব। স্বাধীনতা চলে যায়। তোমার মনের মত কাজ করতে পার না।’’

    আসলে ‘সংসার করা’ বা বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানটিকে এই সরল যুক্তির কারণেই রামকৃষ্ণদেব সন্দেহ করতেন। সামাজিক ইতিহাস দিয়ে এই বিষয়টিকে ব্যখ্যা করার চেষ্টা ঐতিহাসিক সুমিত সরকার করেছিলেন তাঁর ‘কলিযুগ, চাকরি ও ভক্তি’ নামক প্রবন্ধে (Writing Social History, OUP, Page 282)।

    স্বামী যদি ঈশ্বরসাধনায় মগ্ন হয়ে সাংসারিক কর্তব্যে অবহেলা করে সেক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুযোগ করারও অধিকার নেই।
    মণি (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) ­­-- স্ত্রী যদি বলে, আমায় দেখছ না, আমি আত্মহত্যা করব; তাহলে কি হবে?
    শ্রীরামকৃষ্ণ (গম্ভীর স্বরে) — অমন স্ত্রী ত্যাগ করবে, যে ঈশ্বরের পথে বিঘ্ন করে। আত্মহত্যাই করুক আর যাই করুক। যে ঈশ্বরের পথে বিঘ্ন দেয়, সে অবিদ্যা স্ত্রী। (২০১৬, ঐ, পৃঃ ৭৪)
    রামকৃষ্ণদেব বলেন নি যে স্ত্রী যদি ঈশ্বরলাভের ইচ্ছায় সংসার বা স্বামীপুত্রকে অবহেলা করে, মীরাবাইএর মত, সেক্ষেত্রে কী হবে। তাই বলে রামকৃষ্ণদেব কী নারীদের ঘৃণা করতে বলছেন?

    একজন ভক্ত – মহাশয়! মেয়েমানুষকে কি ঘৃণা করব?
    শ্রীরামকৃষ্ণ — যিনি ঈশ্বরলাভ করেছেন তিনি কামিনীকে আর অন্য চোখে দেখেন না যে ভয় হবে। তিনি ঠিক দেখেন যে মেয়েরা মা ব্রহ্মময়ীর অংশ, আর মা বলে তাই সকলকে পূজা করেন। (২০১৬, ঐ, পৃঃ ১১৮)

    এখন তাহলে দাঁড়াল যে নারীর দুটি রূপ, প্রথম যে রূপটি সর্বসাধারণ্যে, এমনকি সাধুসন্তদেরও বিবেচ্য সেটা কামিনী রূপ। এই রূপ থেকে ‘ভয়’ পাওয়ার আছে। সাধুসন্তদের তো আরো বিশেষ করে আছে যেটা রামকৃষ্ণ কথামৃত জুড়েই পাওয়া যায়। তাহলে কোটিকে গোটিক পরমহংসপ্রতিম মানুষ, যিনি ঈশ্বরলাভ করেছেন, তিনিই একমাত্র নারীকে কামিনী রূপে না দেখে মা ব্রহ্মময়ীর অংশ রূপে দেখতে পারেন। তবে সেই দশায় কয়জন পৌঁছোতে পারেন সে ব্যাপারে আমাদের সন্দেহ স্বয়ং রামকৃষ্ণদেব তৈরী করে দিয়েছেন —
    শ্রীরামকৃষ্ণ — স্ত্রীলোক গায়ে ঠেকলে অসুখ হয়, যেখানে ঠেকে সেখানটা ঝনঝন করে, যেন শিঙি মাছের কাঁটা বিঁধলো। (২০১৬, ঐ, পৃঃ ১০৫০)।

    এবার যেটা বিবেচ্য হওয়া উচিত, অর্থাৎ মেয়েরা কোন পরিচিতিতে বাঁচবে তারা নিজেরাই সেটা ঠিক করবে। অন্তত ২০২২ সালে, সেটাই হওয়া উচিত। তারা যে অন্তত কামিনী এবং ব্রহ্মময়ীর অংশ (অন্যত্র ভগবতীর অংশ বলে উল্লিখিত) – শুধু এই দুটি পরিচয়েই বাঁচবে না সেটা নিশ্চিত। তার আর কিছু কারণ যদি নাও থাকে, সিম্পলি সেভাবে বাঁচা সম্ভব নয় বলে, উচিত নয় বলে।

    কামিনী বর্জনের উদ্দেশ্য হল কাম বর্জন। ভক্তের লক্ষণ হিসেবে রামকৃষ্ণদেব বলছেন, “ঠিক ভক্ত জিতেন্দ্রিয় হয়,কামজয়ী হয়। গোপীদের কাম হত না’’ (২০১৬, ঐ, পৃঃ ২১৩)। উনি অন্যত্র বলছেন, “যত স্ত্রীলোক, সকলে শক্তিরূপা। সেই আদ্যাশক্তিই স্ত্রী হয়ে, স্ত্রীরূপ ধরে রয়েছেন’’ (পৃঃ ৩২৪)। রামকৃষ্ণদেব মাতৃভাবকেই শুদ্ধভাব বলতেন। অথচ দেখা যাচ্ছে যে স্ত্রীলোক সম্পর্কে আতঙ্ক থেকে তিনি নিজেও মুক্ত ছিলেন না। তাই এই মাতৃভাব কামভাবের বিরুদ্ধে তাঁর স্বরচিত বর্ম বলেই মনে হয়। তাই মাতৃভাব সত্বেও তিনি মেয়েমানুষ সম্পর্কে বলেন “ভগবতীর অংশ। কিন্তু পুরুষের পক্ষে — সাধুর পক্ষে — ভক্তের পক্ষে – ত্যাজ্য ’’ (পৃঃ ৬২৩)। সকলের কাছেই যদি ত্যাজ্য হতে হয় তাহলে ভগবতীর অংশ হয়ে বেচারীদের লাভ কী সে প্রশ্ন উঠতে পারে।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনা কম থাকা বা না থাকা মানেই কাম কম থাকা নয়, যেমন সমকামীদের ব্যাপারটা। ঈশ্বরলাভের প্রশ্নটি আমার অধিকারের বাইরে, কিন্তু মানুষ হিসেবে উৎকর্ষ লাভের জন্য বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কাম বেশি বা কম থাকাতে কি কিছু নির্ভর করে? এমনকি অনেক মানুষ পৃথিবীতে আছেন যাঁরা এমনিতে সুস্থ, স্বাভাবিক কিন্তু কামপ্রবৃত্তি প্রায় নেই। ইংল্যাণ্ড, আমেরিকা এবং কানাডাতে এই মানুষেরা সামনে আসছেন এবং তাঁরা ‘The Asexual Visibility and Education Network (AVEN)’ গড়ে তুলেছেন। ওঁদের ওয়েবসাইটে স্পষ্ট লেখা রয়েছে ‘অযৌনতা কোনো রোগ নয়। এর সমাধান বা চিকিৎসা খোঁজার কোনো দরকার নেই’ (Against Health, Zonathan M Metzel and Anna Kirkland, Editors, Page 157)। সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষের যৌনপ্রাচুর্য থাকতেই হবে, আমেরিকান সংস্কৃতি এবং বাণিজ্যিক চিকিৎসাশাস্ত্র যেটা শেখাতে চেষ্টা করে সেই পরিচিত ধারাপাত উলটে দিয়ে এরা শেখান মানুষের যৌনতার বহুবর্ণিলতাকে। আমরা যাকে যৌন কামনা বলি তার অনুপস্থিতিও সেই বর্ণালির মধ্যেই পড়ে, কোনো অস্বাভাবিকতার তকমা ছাড়াই। এর সঙ্গে ভালো মানুষ হয়ে ওঠার, নৈতিকতার কোনো সম্পর্ক নেই। ঈশ্বরলাভের প্রচেষ্টার সম্পর্ক আছে কিনা সেটা ভক্তরা ভাল বলতে পারবেন, তবে এই সরলমতি প্রশ্নগুলির মধ্যে তার উত্তর নিশ্চয়ই লুকিয়ে নেই।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬০৯৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মানুষ | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ০১:০৬541055
  • কামিনি কাঞ্চন মানে স্ত্রী নয় এটা যৌন চাহিদাকে বলা হয়েছে।যারা সাধক হবে তাদের জন্য বলেছেন।আর গৃহিদের জন্য আলাদা।তবে কচু পাতায় জলের মতো।পাকাল মাছের মতো পাকে থাকবে তবে পাক লাগবে না।এটা নারী পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই।আরো বলতেন ছোট চারা গাছকে বেড়া দিয়ে রাখা উচিত।তেমনি নারী সঙ্গ নিয়ে উনি তখন যাদের বলছেন তারা চারা গাছ।পরে তাদের ই অনেক নারী ভক্ত হবে। আর মাথায় রাখতে হবে সে সময়ের কলকাতা বাবুয়ানিতেই ডুবে ছিল।আর আপনি বিদেশের যে দলটার কথা বললূন অযৌন তারা ব্যতিক্রম সবার জন্য genarel পরামর্শ কী হওয়া উচিত বলে মনে হয়।বিশেষ করে যারা সাধনা বা বিদ্যা লাভ করছে।গুরুগৃহ কেন ব্রম্ভচর্য পালন হতো?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন