এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  লিঙ্গরাজনীতি

  • ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের শুরুর দিনগুলো

    Suchetana Mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    লিঙ্গরাজনীতি | ১৬ অক্টোবর ২০২২ | ২০৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • স্মৃতি মান্ধানা, পূজা বস্ত্রকার, জেমিমা রডরিগেজ, হরমনপ্রীত কৌর, রিচা ঘোষ, দয়ালন হেমলতা, শেফালি বর্মা, রেনুকা ঠাকুর, দীপ্তি শর্মা, স্নেহ রানা, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়।
    এঁরা কারা??

    গতকাল সিলেটে ৭নম্বর বারের জন্য T-20 এশিয়া কাপ জয়ী ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দলের এই ১১জন 'উইমেন ইন ব্লু'র সবার নাম হয়ত আমরা অনেকেই জানি না। 

    আজ প্রায় সব কাগজের প্রথম পাতা এঁদের বিজয়োল্লাসের ছবিতে ঝকমক করছে। কিন্তু যদি গড় হিসেব করি, তাহলে আজও বেশি সংখ্যক ছবি রয়েছে দেশের পুরুষ ক্রিকেটার আর বিদেশের পুরুষ ফুটবলারদেরই। কালকের এই দুর্দান্ত জয়ের সূত্র ধরেই বরং একটু ফিরে দেখা যাক আমাদের দেশের মহিলা ক্রিকেটের শুরুর দিনগুলোকে।

    এখন শুনতে আশ্চর্য লাগলেও ভারতে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা কিন্তু ততটাও বিরল ঘটনা ছিল না কোনকালেই। সেই কোন ১৯১৩ তে শিক্ষিকা Anne Kelleve কেরালার কোট্টায়মে তাঁর Baker Memorial স্কুলে মেয়েদের জন্য ক্রিকেট খেলা আবশ্যিক করেছিলেন। সেই কোন ১৯৬০ এর দশকে দাদা সুনীলকে দেখে বান্ধবীদের একজোট করে ক্রিকেট খেলতে শুরু করেছিলেন তাঁর ছোট বোন নুতন গাভাস্কার, বম্বে শহরের কিশোরী-তরুণীদের ক্রিকেট খেলার প্রতি ক্রমবর্ধমান টান লক্ষ্য করে ১৯৭১-এ দেশের প্রথমতম মহিলা ক্রিকেট ক্লাব Albees Cricket Club গড়ে তুলেছেন বৃদ্ধা Aloo Bamjee ও তাঁর স্বামী আর ব্যাঙ্গালোর, বম্বে, কলকাতায় টেনিস বল দিয়ে ছেলেদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ক্রিকেট খেলছেন শান্তা রঙ্গস্বামী, ডায়না এডুলজি আর শর্মিলা চক্রবর্তীরা।

    এরকমই এক সময় লখনৌ শহরের স্কুল আর কলেজের মেয়েদের মধ্যে সফটবল আর হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করছিলেন উৎসাহী যুবক মহেন্দ্রকুমার শর্মা। হায়দ্রাবাদের একটি জাতীয় প্রতিযোগিতা চলার সময় স্টেডিয়ামে ছেলেদের নেট প্র্যাকটিস করতে দেখে তাঁর কাছে ক্রিকেট খেলার অনুমতি চাইলেন মেয়ে খেলোয়াড়রা। মহেন্দ্রকুমার অবাক হয়ে দেখলেন, কি সহজাত দক্ষতায় আনকোরা খেলাটা খেলে ফেলছে স্কুল কলেজের মেয়েগুলি। এই  মানুষটি ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন আদ্যন্ত ক্রীড়াপ্রেমী এক ব্যক্তিত্ব, ফলে মহিলাদের অন্যান্য খালার পাশাপাশি ক্রিকেটকেও জনপ্রিয় ও সংগঠিত করে তোলার কাজে পূর্ণ উদ্যমে কাজ শুরু করলেন তিনি। 

    "মেয়েদের ক্রিকেট খেলা হবে, অবশ্যই আসুন"... হাঁকতে হাঁকতে ১৯৭৩ এর এক শনিবার সকালে রিকশায় বসে, মাইক হাতে লখনৌ এর অলিগলি চষে ফেলেছিলেন মহেন্দ্রকুমার। উদ্দেশ্য শহরের Queen's Anglo Sanskrit College এর মাঠে প্রথম মহিলা ক্রিকেট ম্যাচে দর্শকদের আহ্বান করা। স্কার্ট আর বেলবটম ট্রাউসার পরা তরুণীদের ক্রিকেট দেখতে প্রথমদিন জড়ো হয়েছিলেন দুই শতাধিক দর্শক। সপ্তাহান্তেই কেবল মেয়েদের ম্যাচ হত, কারণ গোটা সপ্তাহ মাঠ সংরক্ষিত থাকত ছেলেদের প্র্যাকটিসের জন্য।

    মহেন্দ্র ছিলেন যেমন আবেগপ্রবণ, তেমনিই বুদ্ধিমান ও করিৎকর্মা মানুষ, তিনি লখনৌয়েই পৌঁছেই ভারতীয় সোসাইটি আইনের অধীনে আইনগত ভাবে প্রতিষ্ঠা করলেন, Women's Cricket Association Of India(WCAI)। সংস্থার প্রথম সভানেত্রী হলেন বেগম হামিদা হাবিবুল্লাহ।

    ১৯৭৩ এই ৪টি আঞ্চলিক দল দিয়ে ভারতের প্রথম মহিলা ক্রিকেট প্রতিযোগিতা, 'রাণী ঝাঁসি ট্রফি'। ক্রমে এক বছরের ভিতরেই অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বেড়ে হয় ১৪টি। আন্তঃ-অঞ্চল রানী ঝাঁসি ট্রফির বিজয়ী দল গুলি এর পরের ধাপে আন্তঃ-রাজ্য 'ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী ট্রফি' খেলতেন। সবশেষে ইন্দিরা ট্রফির বিজয়ী দল রাউস কাপ (RAU'S CUP) খেলতেন বাকি দলগুলির সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে তৈরি দলের বিপক্ষে।

    এই সময় মহিলা ক্রিকেট সংস্থার প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো হয়েছিল, উন্নততর করা হচ্ছিল মহিলা ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ, থাকা, খাওয়া, যাতায়াতের ব্যবস্থাপত্রও। নতুন সভানেত্রী ও চেয়ারপারসন হন যথাক্রমে চন্দ্রা ত্রিপাঠি এবং প্রমিলাবাই চৌহান। যদিও WCAI এর প্রাণ ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সচিব মহেন্দ্রকুমার শর্মাই। এই সময় থেকে ভারতীয় রেল ও এয়ার ইন্ডিয়া সফল মহিলা ক্রিকেটারদের জন্য উচ্চপদে চাকরির দরজা খুলে দেয়, ফলে সাধারণ ঘরের উৎসাহী মেয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রিকেট খেলাকে কেরিয়ার হিসেবে নেওয়ার আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে।

    ১৯৭৫ সালে প্রথম বিদেশি দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ভারতীয় অনূর্ধ ২৫ দলের সঙ্গে খেলতে এদেশে এসেছিল। তখন মহিলাদের টেস্ট ম্যাচ হতো ৩ দিনের। সেই মতোই ৩ টেস্টের সেই সিরিজে ক্রমান্বয়ে অধিনায়ক ছিলেন উজ্জ্বলা নিকম, সুধা শাহ, শ্রীরূপা বোস। শুনলে অবাক হতে হয়, এসময়কার ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মত তাবড় দলগুলোর ক্রিকেটাররা স্কার্ট পরে খেললেও ভারতীয় মহিলারা কিন্তু গোড়া থেকেই সুবিধাজনক ট্রাউজার ও শার্ট/টি শার্ট পোশাকেই খেলতেন। 

    ১৯৭৬-এ শান্তা রঙ্গস্বামীর নেতৃত্বে প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৬ টেস্টের সিরিজ খেলতে নামে সিনিয়র ভারতীয় দল। সিরিজ ড্র হলেও ভারতীয় মহিলার ক্রিকেটের সফরে প্রথমবার কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় পায় ভারত। ১৯৭৬ এ পাটনার মঈন-উল-হক স্টেডিয়ামে সেই ঐতিহাসিক জয় প্রত্যক্ষ করতে হাজির ছিলেন ২৫ হাজারের বেশি দর্শক। কিংবদন্তি শান্তা রঙ্গস্বামী ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম শতরানের রেকর্ডেরও অধিকারিনী (১৯৭৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে)।

    ১৯৭৮ এর ১ জানুয়ারি। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স স্টেডিয়ামে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল তাদের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সফর শুরু করেছিল। ডায়না এডুলজির অধিনায়কত্বের এই ম্যাচটিই ছিল তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ম্যাচও বটে। ডায়না এডুলজি আজও মহিলা টেস্ট ক্রিকেটের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসাবে স্মরণীয়া হয়ে আছেন। সেই শুরু…. শুভাঙ্গি কুলকার্নি, নীতু ডেভিড, আঞ্জুম চোপড়া, কিংবদন্তি ঝুলন গোস্বামী, মিতালি রাজ, হরমনপ্রীত, স্মৃতি মন্ধ্যানা, রিচা ঘোষদের ব্যাটে-বলে-স্ট্যাম্পে, ঘামে-রক্তে-তেজে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট সাফল্যের সমস্ত দিগন্ত পার করে দিয়েছে কবেই।

    আজ প্রায় সব কাগজের প্রথম পাতা এঁদের বিজয়োল্লাসের ছবিতে ঝকমক করছে। কিন্তু যদি গড় হিসেব করি, তাহলে আজও বেশি সংখ্যক ছবি রয়েছে দেশের পুরুষ ক্রিকেটার আর বিদেশের পুরুষ ফুটবলারদেরই।

    আগে মেয়েদের জয়ের ছবি বেরোত শেষ বা মাঝের কোন পাতায়। সেখান থেকে মেয়েদের ১০০ ভাগ নিজেদের কৃতিত্বেই মিডিয়া তাঁদের ফ্রন্ট পেজে তুলে এনেছে।

    না, বেশি বা কম নয়। সামনের দিনগুলোতে শুধু ক্রিকেট নয়, বরং সমস্ত খেলায় অংশগ্রহণকারী মহিলা আর পুরুষ খেলোয়াড়দেরদের খবরাখবর, লড়াই করে উঠে আসার গল্প, সাক্ষাৎকার আর অবশ্যই ছবিও সমানে সমানে থাকবে, তা মনে হয় কেবলই আরো কিছুটা সময়ের ব্যাপার।

    পুনশ্চ: একটি মজার তথ্য না লিখে পারলাম না। ১৯৭৫ সালে সূচিত হয়েছিল পুরুষদের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। আর মহিলাদের বিশ্বকাপ প্রথম শুরু হয় ইংল্যান্ডে, ঠিক তার ২ বছর আগে, ১৯৭৩-এ। 

    ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের ইতিহাস বিষয়ে তথ্য সূত্র প্রচুর, যার মধ্যে তিনটি আকর্ষণীয় (interesting) সূত্রের উল্লেখ করলাম –

    ১) Free Hit: The Story Of Women's Cricket In India - Suprita Das  
    ২) The Fire Burns Blue: A History of Women's Cricket in India - Karunya Keshav, Sidhanta Patnaik
    ৩) https://femalecricket.com/female-cricket-blogs/15068-what-is-the-history-of-indian-womens-cricket-how-did-it-all-start.htm
  • লিঙ্গরাজনীতি | ১৬ অক্টোবর ২০২২ | ২০৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • AS | 103.56.239.121 | ১৬ অক্টোবর ২০২২ ১৪:০৪512886
  • চমৎকার লেখা। সমৃদ্ধ হলাম 
  • Swati Ray | 117.194.36.27 | ১৬ অক্টোবর ২০২২ ১৪:২৭512887
  • খুব ভাল লাগল। অনেক ধন্যবাদ এই লেখাটার জন্য .
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন