এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  লিঙ্গরাজনীতি

  • কলকাতা ফ্রেন্ডশিপ ওয়াক : ফিরে দেখা দৃপ্ত এক রংধনু পথ হাঁটা....

    Suchetana Mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    লিঙ্গরাজনীতি | ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ | ৭০৬ বার পঠিত

  • সাল ১৯৯৯ এর ২ জুলাই। সবার পরনে উজ্জ্বল হলুদ রঙের টি-শার্ট। টি শার্টের চৌকো নকশার বুকে গোলাপি রঙের একটি ত্রিভুজ যার পাশে লেখা ''ওয়াক অন রেইনবো''। চৌকোনার ওপরে লেখা "দ্য ফ্রেন্ডশিপ ওয়াক 99" আর নীচে "এলজিবিটি-ইন্ডিয়া" । পার্কসার্কাস ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড অভিমুখে হাঁটতে শুরু করলেন ওঁরা ১৫জন। ১৪ জন পুরুষ এবং একজন মহিলা সাংবাদিক। মাঝপথে শুরু হোলো প্রবল বৃষ্টি, কিন্তু সেই দুপুরে, সেই নির্ঝরের মধ্যেই ওই ৬ কিলোমিটার পথে গড়ে উঠলো শুধু ভারতেরই নয়, তামাম দক্ষিণ এশিয়ার এক অভূতপূর্ব ইতিহাস। 
    ১৯৯৯-এর ফেব্রুয়ারিতে, হায়দ্রাবাদ শহরে অনুষ্ঠিত এলজিবিটি সম্প্রদায়ের সর্বভারতীয় সম্মেলন “ইয়ারিয়াঁ”তে ওয়াইস খান মার্কিন দেশে ঘটে যাওয়া ১৯৬৯ সালের কুখ্যাত স্টোনওয়াল দাঙ্গার ৩০ বছর বর্ষপূর্তির জন্য ভারতে প্রথমবার লক্ষ্যে মহাত্মা গান্ধির ডান্ডি অভিযানের মতো প্রান্তিক যৌনতার জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব, লড়াই ও গুরুত্বকে উদযাপন করার লক্ষ্যে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও মহতী এক মিছিলের পরিকল্পনা করেন।
    কিন্তু এই ঘটনার কিছুদিন আগেই নভেম্বরে দেশের বড় শহরগুলোতে সিনেমাহল থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল দীপা মেহতার 'ফায়ার' ছবিকে। হিন্দু আইকন সীতা আর রাধা নামধারিনী দুই নারী যে সমপ্রেমে নিমগ্ন হতে পারেন, তা হজম হয়নি অনেকেরই। 'ফায়ারের' এহেন 'অনৈতিক' গল্পের  বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভের আগুন তখন ধিকিধিকি করে জ্বলছে দেশের সর্বত্র। 
    ভারতের এল জি বি টি আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী যেমন ওয়েইস খানেরা অনেকদিন ধরেই চাইছিলেন এদেশের পথে-সড়কেও গর্বের 'প্রাইড ওয়াক' শুরু করতে। কিন্তু এইরকম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে 'প্রাইড মার্চ' সংগঠিত করার সাহস দেখালো না দিল্লি, বম্বে, ব্যাঙ্গালোরের মত একের পর এক তথাকথিত মেট্রোশহরগুলো। কিন্তু শহর কলকাতা তো অন্যরকম। পরিবর্তনের যে কোন সঠিক উদ্যোগকে সে চিরকাল সাদরে আপনই করেনি, নতুনকে পথও দেখিয়েছে সবসময়।
    একদা ব্রিটিশ বিরোধী জাতীয়তাবাদের পীঠস্থান - বহুমাত্রিক শিল্প-সংস্কৃতির একচ্ছত্র রাজধানী- অগণিত আর্থ সামাজিক- সাংস্কৃতিক- রাজনৈতিক গণআন্দোলনের সফল ময়দান - ধর্মনিরপেক্ষ প্রগতিশীল জনমানসিকতা - আর অবশ্যই খোলামেলা প্রাণোচ্ছলতার সমার্থক এই কলকাতাকেই 'প্রাইড ওয়াকের' আদর্শতম স্থান হিসেবে বেছে নিলেন দেশের অন্যান্য শহরের এলজিবিটি অধিকার আন্দোলনের সদস্যরা।
    কিন্তু সমকালীন পরিস্থিতির বাধ্যবাধকতার জন্য শুরুতেই 'প্রাইড মার্চ' নাম দেওয়া কি ঠিক  হবে? 
    তাছাড়াও 'প্রাইড' বা 'মার্চ' শব্দগুলির মধ্যে একধরনের অহংকার আর জঙ্গিপনা আছে। বলা হলো, 'মানবাধিকার পদযাত্রা' নামে বের করা হবে একটি ছোট্ট মিছিল। কিন্তু না, তাও পছন্দ হলোনা। আবারও চললো আলোচনা। শেষে স্থির হলো, 'কলকাতা ফ্রেন্ডশিপ ওয়াক' নামেই শুরু করা যাক প্রান্তিক যৌনতার মানুষদের এই নতুন পথ চলাকে। যেহেতু 'ফ্রেন্ডশিপ' বা 'বন্ধুত্ব' শব্দটির মধ্যে একটি অনায়াস সহজতা আর স্বতঃস্ফূর্ত উষ্ণতা রয়েছে, তাই সমাজের মূলস্রোতের সামনে সামাজিক সম্প্রদায় হিসেবে নিজেদের জন্মগত বৈশিষ্ট্য, আত্মপরিচয়ের অসহন সঙ্কট, রোজদিন অস্তিত্ব ও সম্মানরক্ষার লড়াইয়ের অবসাদ, প্রান্তিক যৌনতার মানুষদের সামাজিক দৃশ্যমানতার প্রাসঙ্গিকতা এবং নাগরিক হিসেবে নিজেদের মৌলিক অধিকারগুলো আদায়ের গুরুত্বসমূহকে সফলভাবে পরিচিত করে তুলতে হলে, সাবলীল 'বন্ধুত্ব' শব্দটিকে বেছে নেওয়াই সঠিকতম বলে মনে করেছিলেন প্রথমতম 'বন্ধুত্ব পদযাত্রার' সংগঠকরা।
    আসলে ভিন্ন যৌনতার মানুষ মানে তখনো কলকাতা হোক বা অন্য কোন ভারতীয় জনপদ; আমআদমি কেবল কিন্নরদেরকেই বুঝতেন, সেরকম এক সময়ে জনতার কাছে প্রায় অপরিচিত ও অশ্রুতপূর্ব এলজিবিটি গোষ্ঠী এবং মহাজাগতিক এলিয়েনরা ছিলেন মোটামুটি একই গোত্রীয়। অপরাধী বা বিকৃতকাম হিসেবেও দেখা হতো তাঁদের। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ'র এই অবৈজ্ঞানিক-অযৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর সময় যদি ২০ শতকের শেষেও না আসে, তবে তা আর আসবে কবে? কিন্তু স্থান, কাল, নাম তো ঠিক হলো, এবার এই সাহসী পথ চলায় কারা সামিল হবেন সেই নিয়ে আলোচনা শুরু হলো।
    কারণ রাজপথে প্রথমবার ভিন্নযৌনতার স্বীকৃতি দাবি করা মিছিল দেখে জনগণের বড় অংশ যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেবেন, তা মোটামুটি জানাই ছিল। ভয় ছিল কোনভাবে আক্রান্ত হওয়ারও। প্রাথমিক ভাবে ৩০ জনের নাম স্থির হলেও, শিরদাঁড়া সোজা করে, সমস্ত জড়তা কাটিয়ে নিজেদের অস্তিত্বের স্বাভাবিকতম বিশেষত্বটিকে উদযাপন করতে পথ হাঁটতে শেষমেশ এলেন অকুতোভয় ১৪ জন এলজিবিটি আন্দোলন কর্মী। তাঁদের সকলেই ছিলেন জন্মগত ভাবে পুরুষ।
    কলকাতার সমপ্রেমীদের নিয়ে কাজ করা দুই 'সংস্থা'; 'কাউন্সেল ক্লাবের' রঞ্জন, আদিত্য মোহন্ত, রফিকুল হক দোজাহ, পিটার এবং 'ইন্টিগ্রেশন ক্লাবের' পবন ঢাল। ব্যাঙ্গালোরের 'এলজিবিটি ইন্ডিয়ার' আহ্বায়ক ওয়াইস খান ও সতীশ। বম্বে থেকে 'হামসফর ট্রাস্টের' অশোক রাও কবি, সঙ্গে এলেন নীতিন ও জসমীর। দিল্লি থেকে 'হামরাহীর' কর্মী অনাবাসী ভারতীয় নবারুণ। দার্জিলিং থেকে এলেন প্রণয়, কার্শিয়ং থেকে প্রশান্ত, বাটানগর থেকে মানস, বনগাঁ থেকে নিলয়ও এলেন। সঙ্গে ইতিহাসকে চাক্ষুষ দেখে লিপিবদ্ধ করা এবং এলজিবিটি অধিকার আন্দোলনের এক বিসমকামী সহমর্মী বন্ধু হিসেবে সঙ্গে তাঁদের সঙ্গে হাঁটার ও থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন কলকাতার বাজারে আসা নতুন খবরের কাগজ, টাইমস অফ ইন্ডিয়ার তরুণী সাংবাদিক চিত্রা।
    স্থির হয়েছিল উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার ২৭ টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছুঁয়ে তাঁরা দুটি দলে ভাগ হয়ে দেখা করতে যাবেন বিভিন্ন সমাজসেবী সংস্থা এবং অবশ্যই রাজ্য সরকারের সমাজকল্যাণ বিভাগেও। সম্পূর্ণ অনিশ্চিত পারিপার্শ্বিকতার মধ্যে উচ্চকিত কোন ঘোষণা, রঙিন নাচগান নয় বরং সমপ্রেম, নিরাপদ সঙ্গম, এইডস সচেতনতা সম্পর্কিত কয়েকটি স্পষ্টবক্তা প্ল্যাকার্ড হাতে তুলে ধরে, ছাপানো লিফলেট বিলি করতে করতে, ছাতা মাথায়,  বৃষ্টিজমা জলে নীলপ্যান্ট গুটিয়ে, প্যাচপ্যাচে ঘামে ভিজে হাঁটছিলেন ওঁরা। বিপ্রতীপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় খবর দেওয়া হয়নি কলকাতার কোন মিডিয়া সংস্থাকেই। সাংবাদিকের থেকেও বেশি 'সহযোদ্ধা বন্ধু' হিসেবে কেবল সেদিন চিত্রাই আগাগোড়া তাঁদের সঙ্গে ছিলেন।
    হলুদ গেঞ্জি-নীল প্যান্ট পরিহিত ১৫ জনের দলের হাতে ধরা পোস্টারগুলি আজব নজরে পড়ছিলেন অনেকেই। কেউ জিজ্ঞেস করলেন, "আপনারা কি কোন স্পোর্টস ক্লাবের তরফে..?", তাঁকে এলজিবিটি বিষয়টি বোঝানোর পর অবজ্ঞা মেশানো উত্তর এলো, "ওঃ আপনারাও আছেন তাহলে.."। পথচলতি এক বৃদ্ধা জিজ্ঞেস করলেন, ''তোমাদের মিছিলটা কিসের?" উত্তরে সোজা করে বলা হলো, এই মিছিল সমপ্রেম ও প্রান্তিক যৌনতার মানুষদের অধিকার আদায়ের মিছিল। এসব 'কুকথা' শুনে ভীষন বিরক্ত হলেন তিনি, যেতে যেতে বলে গেলেন, " খেয়ে দেয়ে কোন কাজ নেই...?"
    কিছুদূর একসঙ্গে হাঁটার পর 'টিম পবন' আর 'টিম রঞ্জন' দুটি দলে ভাগ হয়ে গিয়ে তাঁরা শহরের বিভিন্ন এন.জি.ও এবং রাজ্য মানবাধিকার কমিশনেও। তুমুল বৃষ্টির জন্য মাত্র ১৪ টি জায়গা ছুঁতে পেরেছিলেন তাঁরা, যার মধ্যে ছিল এইডস,  নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা ৭টি এন.জি.ও, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবার ও সমাজকল্যাণ দপ্তর, রাজ্য মানবাধিকার কমিশন ইত্যাদি। রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে পৌঁছানোর পর এক মজার ঘটনা ঘটলো। সমপ্রেম, রূপান্তরকামীতা, এইডস থেকে বাঁচতে নিরাপদ সঙ্গম, সমকামী সঙ্গমে কন্ডোমের প্রয়োজনীয়তা, প্রভৃতি 'ট্যাবু' বিষয়ে আগত ব্যক্তিদের মুখে স্পষ্ট সব বক্তব্য শুনে ভয়ানক লজ্জা পেয়ে গেলেন উপস্থিত জুনিয়র অফিসারটি। কারণ সমপ্রেম, গে, লেসবিয়ান, বাইসেক্সুয়াল শব্দগুলি সম্পর্কে নাকি তাঁর সেদিনের আগে কোন ধারনাই ছিলনা।
    এহেন সব প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশিতই ছিল অবশ্য বকধার্মিক ভারতীয় সমাজে। যাই হোক, কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বন্ধুত্বপূর্ণভাবেই ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম রংধনু পথচলাটি সাঙ্গ হোলো জর্জ ভবনের সামনে। প্রাক মোবাইল আর নেটপূর্ব সেই ভিন্টেজ আমলে প্রকৃত 'ওয়াক'টির খুব কম ছবিই তোলা হয়েছিল। বিকেলের দিকে মৌলালির জর্জ ভবনে এসে জড়ো হলেন পবনরা। অবাক হয়ে দেখলেন ইতিহাস রচিত হওয়ার খবর পৌঁছে গেছে মিডিয়ায় আর তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য জড়ো হয়ে গেছে শহরের প্রায় একডজন নামী খবরের কাগজ ও দুটি টিভি চ্যানেলও। 
    প্রথমে অবশ্য মিডিয়াকে না জানিয়ে এরকম একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটিয়ে ফেলার জন্য ১৫ জন বকাই খেলেন সংবাদিকদের কাছে। তারপর আবার ছবি তোলার খাতিরে তাঁদের প্ল্যাকার্ড ধরে হাঁটার পোজ করতে হোলো। ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত অথচ নিজেদের অনন্য সাহসী উদ্যোগের সাফল্যে ও প্রান্তিক যৌনতার মানুষদের জন্য ভবিষ্যতের রংধনু স্বপ্নে তীব্ররকম উজ্জীবিত সেই ১৪জনের মধ্যে যাঁদের মিডিয়ায় 'মুখ দেখাতে কোন সমস্যা ছিলনা', তেমনি ৯-১০ জন আবারো হাঁটলেন। আর তাঁদের সেইসব হাসিমুখ ছবি ও ঐতিহাসিক 'ফ্রেন্ডশিপ ওয়াকের' পুরো খবরটি গুরুত্ব সহকারে পরদিন বেরোলো শহরের সমস্ত বড় খবরের কাগজগুলিতে।
    ১৯৯৯ এর পর ২০০৩ সালে দ্বিতীয়বার কলকাতায় রংধনু মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। যদিও এবার থেকে ফ্রেন্ডশিপ নয়, পদযাত্রাটির নাম বদলে হয় 'Kolkata Rainbow Pride Walk' বা সংক্ষেপে KRPF। আমাদের গর্বের কলকাতার প্রাইড ওয়াক আর থামেনি। বরং কলকাতার প্রাইড ওয়াকের ঐতিহ্য ছড়িয়ে পড়েছে দেশের অন্য সকল বড় ছোট শহরেও। গর্বের প্রাইড মিছিল আজকেও শাসন করবে কলকাতার রাজপথ…কেবল আজ নয়, রোজ প্রতিদিন ভিন্ন যৌনতার সমস্ত রংধনু মানুষের ধূসর-কালো লড়াই একদিন দিগন্ত পেরিয়ে প্রমাণ করবেই তাঁরা কেউ 'বিকৃত বা বিশেষ' নন, তাঁরা সব্বাই 'মেইনস্ট্রিমের' মতোই 'সম-সমান-স্বাভাবিক'। 
    আর শেষে বলি জন্মগতভাবে পুরুষ ১৪ জন এলজিবিটি আন্দোলন কর্মী এবং ১জন বিসমকামী নারী সহমর্মী বন্ধুর নির্ভীক উদ্যম আর উদ্যোগে কলকাতার পথে সমতা, বৈচিত্র, একতা, সম্মান এবং সম নাগরিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে যে রংধনু পথ চলা শুরু হয়েছিল, আজ কয়েক ঘন্টা পর হতে চলা ২০২২ এর 'কলকাতা রেনবো প্রাইড ওয়াকে' যোগদানকারীদের সেই সংখ্যাটি বেড়ে নিশ্চিত বহু-হাজারে পৌঁছাবেই।
    **এই নিবন্ধটির জন্য আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই শ্রদ্ধেয় পবন ঢাল এবং অবশ্যই 'বার্তা ট্রাস্টের' সম্মানিত ওয়াইস খান এবং অন্য সবার কাছে। তাঁদের ব্যক্তিগত সহায়তার কাছে আমি চিরঋণী হয়ে রইলাম।
    ** নিবন্ধের সঙ্গে সংযুক্ত'ফ্রেন্ডশিপ ওয়াকে' যোগদানকারীদের তালিকা, ছবি ও পরদিনের খবরের কাগজের কাটিং ও গুলির প্রতিটি বার্তা ট্রাস্টের অনুমতিক্রমে তাঁদের থেকেই প্রাপ্ত।
    লেখন © সুচেতনা মুখোপাধ্যায়
    উৎস সূত্র : 
    ১)Varta Trust | Gender, Sexuality, Intimacy, Publishing : https://vartagensex.org/
    ২)Friendship Walk 20th Anniversary – Celebrating 20 years of 'Kolkata Rainbow Pride Walk': https://friendshipwalk20.wordpress.com/
    ৩)Friendship Walk '99: Revisiting India's first Pride March in Kolkata on its 20th anniversary - Living News , Firstpost : https://www.firstpost.com/living/friendship-99-revisiting-indias-first-pride-march-in-kolkata-on-its-20th-anniversary-6898311.html
    ৪)In Photos: Remembering '99 And Celebrating 20 Years Of Friendship Walk, Kolkata : https://feminisminindia.com/2019/07/04/celebrating-20-years-of-friendship-walk-kolkata/
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • লিঙ্গরাজনীতি | ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ | ৭০৬ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    অকারণ - Sarthak Das
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Aranya | 2600:1001:b023:24b4:dca2:3baf:2c4a:548d | ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ ০৭:৪১514686
  • সুন্দর 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন