ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের ছেলেটি - পঞ্চম পর্ব

    Rajkumar Mahato লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ০২ মার্চ ২০২২ | ৩৮৮ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • পুরুষ মানেই স্বভাব খারাপ। তাতে আবার দোষের কি আছে! আর সেই পুরুষ যদি রাজ বংশের অথবা জমিদার বংশের হয়। তাহলে তার কোন বদনাম হয় না। বাইজী বাড়ি গিয়ে তাদের সাথে রাত কাটিয়ে, এক এক জায়গায় এক একটি উপপত্নি রেখেও তাদের কোন দোষ নেই। শিবপ্রসাদের ভাবনাটিও ঠিক এইরকমই ছিল। সে পুরুষ তার একটা দম্ভ থাকবেই। আর যদি মেয়েরা নিজেরাই খোলাখুলি পোশাকে নদীতে পুকুরে স্নান করে, তাতে যদি কোন পুরুষ তাদের দেখেও ফেলে দোষ কোথায়! এসবে কোন দোষ দেখতে পায়না সে।

    উপরন্তু গ্রামের একাধিক মহিলার কাছে শিবপ্রসাদের বাড়ির সোনা গয়নার হদিস মেলে মাঝে-মাঝেই। বাবা ঈশ্বরচন্দ্র নাকি এসব দিকে আরও নামকরা লোক ছিলেন। যদিও তার আপন রক্ত নয় শিবপ্রসাদ। তবুও এই রাজবাড়ির পরিবেশে সে তার পূর্ব পুরুষের এই স্বভাবটি সানন্দে গ্রহণ করেছে। তবে বিষয় সম্পত্তি লোটাতে ছেলে সবার আগে থাকে।

    কিছুদিনের মধ্যে শিবপ্রসাদের বিয়ে হয় হেমাঙ্গিনীর সাথে। প্রথম দিকে সব ঠিকঠাক থাকলেও পরবর্তীতে হেমাঙ্গিনীর কানে যায় সব। সে তার পতি পরমেশ্বর এর গুনাগুন জানতে পেরে মনে মনে খুব কষ্ট পেলেও মুখে কিছুই বলে না। কারণ, সে জানে। এই বংশে আগাগোড়াই পুরুষের রাজ চলে আসছে। আর সে প্রতিবাদ করতে গেলেই তার কপালে জুটবে লাথি ঝাঁটা। তবুও মানুষের মন তো। মাঝে মাঝে প্রতিবাদ করেই ফেলে হেমাঙ্গিনী। তার পরিবর্তে জোটে পতি পরমেশ্বর এর লাথি। নয়ত চেলাকাঠের ভালোবাসা।

    সেদিন রান্নাশালে চেলাকাঠ ধরিয়ে রান্না করছিল হেমাঙ্গিনী। চুল খেলানো, মাথায় চওড়া করে সিঁদুর। হাঁটুর উপর কাপড় তুলে একটা ফুঁকো দিয়ে ফুঁ দিয়ে দিয়ে আগুনটাকে জোড়ালো করার চেষ্টা করছিল। তার মনের ভিতরেও আজ আগুন জ্বলছে দাঊ-দাঊ করে। সেখানেও কে যেন একবাটি ঘি ঢেলে দিয়েছে। সেটার তাপ হেমাঙ্গিনীর চোখে-মুখে স্পষ্ট। লাল হয়ে উঠেছে চোখদুটো। বুকের ভিতর অসম্ভব তোলপাড়। সীমাহীন, পাড়ভাঙ্গা ঢেউ বারবার আছড়ে পড়ছে বুকে, ছাড়-খাড় করে দিচ্ছে তার বিশ্বাস।

    এতদিন সে সবটা জেনেও চুপ করে ছিল। কারণ, তাকে কেউ বাড়ি বয়ে স্বামীর নামে অভিযোগ করতে আসেনি। পাড়ায় এদিক-ওদিক দিয়ে স্বামির ব্যাপারে যা শুনেছিল সেটুকু পুরুষ মানুষের স্বভাব ভেবে কাটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আজ না। আজ লাথি জুটুক, ঝ্যাঁটা জুটুক। আজ এর একটা হেস্তনেস্ত করবেই হেমাঙ্গিনী।

    কিছুক্ষন আগেই ও পাড়ার পুঁটির মা এসে শাসিয়ে গেছে । হেমাঙ্গিনী তখন সবে রান্না বসাচ্ছিল। পুঁটির মা এসে বাইরে থেকে চেঁচাতে লাগল, “ওহে হেমাঙ্গিনী, আছো নাকি বাড়িতে? আমি ও-পাড়ার পুঁটির মা। একটু বাইরে আসবে?”

    হেমাঙ্গিনী মাথায় আঁচলটা তুলে বেরিয়ে এসে বলল, “কি হয়েছে দিদি? হঠাৎ এই সময়? কোন বিপদ-আপদ হয় নি তো?”

    পুঁটির মা মুখটা বেঁকিয়ে বলল, “এখনও তো হয় নি। তবে এবার হবে বৈকি। তোমার কত্তাকে সামলে দাও এই বলে দিলুম। নুকিয়ে নুকিয়ে আমার চান করা দেখছিল ওই পদ্ম পুকুরে।”

    হেমাঙ্গিনীর মাথায় যেন এক টুকরো আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। আগেও সে শুনেছে লোকের মুখে তার স্বামীর এই স্বভাবের কথা। আজ বাড়ি বয়ে এসে তাকে লোক অপমান করে যাচ্ছে। রাগে, ক্ষোভে ওই পদ্ম পুকুরেই ডুবতে ইচ্ছে হল তার। কিন্তু এর একটা বিহিত না করে নিজেকে শেষ করে কি করে। কি এমন নেই তার মধ্যে যে তার স্বামীকে পর নারীদের লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতে হয়। সব কিছুই উজার করে দিয়েছে সে তার স্বামীকে তবুও শিবপ্রসাদ নিজের স্বভাব ছেড়ে বেরতে পারে নি।

    স্বামীকে বাঁচাতে একটুকরো মিথ্যের আশ্রয় নিল হেমাঙ্গিনী। মুখটা একটু কাঁদো কাঁদো করে বলল, “আর বলোনা দিদি। তেনার মাথাটায় একটু সমস্যা হয়েছে।তিনি আসলেই তোমাকে যে দেখছিল তা নয় হয়ত। এখন যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যার-তার দিকে ওভাবে তাকিয়ে থাকে। সে মেয়েমানুষ হোক বা পুরুষমানুষ। আর তুমি সেটাই হয়ত ভুল বুঝেছ দিদি। তবুও উনি এলে আমি বুঝিয়ে দেব।”

    পুঁটির মা মুখটাকে বেঁকিয়ে এদিক ওদিক তাকিয়ে বলল, “তা ঊনি যেভাবে তাকিয়ে ছিল মনে হলনা ওর মাথা খারাপ। তাও যখন বলছ বিশ্বাস করছি বাপু। বদ্যিকে একবার দেখাও দিকিনি। এই যৌবনে মানুষটা পাগল হয়ে গেল হ্যাঁগা। ওই বই পড়ে পড়ে ওই হাল। পুরুষমানুষ সবসময় বইতে মুখ গুঁজে থাকলে চলে?”

    “ঠিক আছে দিদি আমি নিয়ে যাব ওকে মানিক বদ্যির বাড়ি। আর দিদিগো পাঁচ কান কোরোনা দয়া করে। তুমি বুঝে গেলে সহজে। সবাই বুঝবে না।”, হাতটা জোড় করে বলল হেমাঙ্গিনী।

    “আচ্ছা আচ্ছা বলব না”, বলে বাইরে থেকেই পুটির মা বিদায় নিল। বুকের ভেতর আগুনের একটা জ্বলন্ত পিন্ড নিয়ে রান্নাঘরে ফিরে গেল হেমাঙ্গিনী।

    খানিকক্ষণ পর শিবপ্রসাদ ঘরে ফিরল। হেমাঙ্গিনী মুখটা তার দিকে একবার তাকিয়ে “ছিঃ” উচ্চারণ করে আবার মুখটা ঘুরিয়ে রান্নায় মন দিল। এই একটা “ছিঃ” তে শিবপ্রসাদের কিছু এসে যায় না। সে পুরুষমানুষ আবার রাজ পরিবারের। তার এসবের নেশা একটু আধটু তো থাকবেই। এটা ভেবেই নিজেকে সামলে নেয় সে। এসব অল্প সল্প “ছিঃ, অভদ্র, চরিত্রহীন শব্দ তার কাছে কেবলই একটা শব্দ। তার কোন গভীর অর্থ সে মনে নেয়না। নিজের হুঁকোটা নিয়ে হেমাঙ্গিনীর দিকে এগিয়ে যায় শিবপ্রসাদ।

    “তুমি ওপাড়ার পুঁটির মায়ের স্নান করা দেখছিলে দাঁড়িয়ে পুকুর ঘাটে?” প্রশ্ন করে হেমাঙ্গিনী।

    কথাটা কানে নেয় না শিবপ্রসাদ। নিজের হুঁকোটা হেমাঙ্গিনীর দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে, “আগুন দাও।”

    হেমাঙ্গিনী আগুন না দিয়ে বলে, “আমার জীবনে আগুন লাগিয়ে এখন হুঁকোর আগুন চাইছ? কি এমন পাওনা আমার মধ্যে যে আজ একে কাল ওকে চান করতে দেখতে হয় তোমায়? কি চাও বলো আমার থেকে? খুলে বলো।”

    শিবপ্রসাদ হুঁকোটা নীচে রেখে তার কড়া পড়া হাত দিয়ে হেমাঙ্গিনীর থুতনিটা দুমড়ে মুচড়ে দাঁত পিষে বলল “ রাজার পরিবারের ছেলে আমি। আমার মাগির নেশা থাকবে না? তোর বাপ জেনেই তোকে আমার সাথে বিয়ে দিয়েছে।”

    রাগে ক্ষোভে অভিমানে কান্নায় ফেটে পড়ে হেমাঙ্গিনী। এক মুহুর্তে তার সাজানো সংসার ছাড়খাড় হতে দেখতে পায় সে। অলস চরিত্রহীন স্বামীকে পুজো করতে তার বাঁধে। তার নামের সিঁদুর পরে তার নামে মঙ্গল কামনা করতে মন চায়না আর। এর আগেও এসব সহ্য করেছে হেমাঙ্গিনী কিন্তু আজ তার সয্যের বাঁধ ভেঙ্গে এক লহমায় ভেসে গেছে। এইরকম একটা মারকুটে, চরিত্রহীন স্বামীর সঙ্গে আর থাকবে না সে। আজ এক্ষুনি বেরিয়ে যাবে সে। এই সংসার ছেড়ে এই বাড়ি ছেড়ে যেদিকে দু-চোখ যায় হেঁটে চলে যাবে। কারন স্বামী ছাড়া মহিলাকে সমাজ মেনে নেবে না।

    গর্জে ওঠে হেমাঙ্গিনী, “এক মুহুর্ত তোমার মত লোকের সাথে থাকব না আমি আর। এই চলে গেলুম যেদিকে দু-চোখ যায়। থাকো তুমি তোমার এই মিথ্যে রাজার সাজে। আমি চললুম।” রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে গেল হেমাঙ্গিনী। চোখে মুখে আক্ষেপ নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলে মেয়েটা।

    মিথ্যে পৌরুষের আগুনে দগ্ধ তখন শিবপ্রসাদ। সামনে পড়ে থাকা একটা বেশ মোটা ধরনের চেলাকাঠ হাতে তুলে নেয় সে। হেমাঙ্গিনীর পেছনে এসে আদেশ দেয়, “যাবি না। আমার বৌ পালিয়েছে শুনতে পারব না আমি। একদম চৌকাঠ পেরোলে এই চেলাকাঠ দিয়ে আজ তোকে শেষ করে দেব বলে দিলুম।”

    কোন কথায় কান দেয়না হেমাঙ্গিনী। বাঁ হাত দিয়ে চোখ মুছে নিজের ঘরে ঢোকে কিছু শাড়ী সাথে নেবার জন্য। পিছনে শিবপ্রসাদ সন্তপর্নে ঢোকে। চেলাকাঠ তার হাতে। কয়েকটা শাড়ী নিয়ে পুঁটলি বাঁধে হেমাঙ্গিনী। আবার হুংকার দেয় শিবপ্রসাদ, “যাবি না বলে দিলুম। এইখান থেকে নড়বি না। আমি কিন্তু মেরে দেব। এই বলে দিলুম। খ্যাপাস না আমায়।”

    হেমাঙ্গিনী পুঁটলিটা নিয়ে বেরোতে যায়। শিবপ্রসাদ নিজেকে সামলাতে না পেরে সজোরে চেলাকাঠটা দিয়ে আঘাত করে হেমাঙ্গিনীর মাথায়। “বাবা গো, মরে গেলুম”, বলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে হেমাঙ্গিনী। শ্বেত পাথরের মেঝে দিয়ে লাল রক্ত বয়ে বাইরে বেরিয়ে যেতে থাকে। না, হেমাঙ্গিনীর রক্তও চৌকাঠ পেরোতে পারেনা। চৌকাঠের ভিতর জমাট বাঁধতে আরম্ভ করে তারা।

    কিছুক্ষন শিবপ্রসাদ কিছুই ভেবে পায়না। মাথায় হাত দিয়ে মেঝেতে বসে পড়ে। শূন্য হয়ে যায় তার দিক-বিদিক। হেমাঙ্গিনীর নাকের কাছে হাতটা নিয়ে গিয়ে দেখে। না, হাওয়া বন্ধ। নিঃশ্বাসের আদান-প্রদান বন্ধ। পাগলের মত এদিক ওদিক ছুটতে থাকে শিবপ্রসাদ। এ কি করেছে সে, নিজের হাতে নিজের বউকে খুন করেছে।পুলিশে ধরবে, জেল খাটতে হবে ভেবেই তার মাথায় কড়াঘাত পড়তে থাকে আইনের। কি করবে, কোথায় যাবে কিছুই ভেবে পায়না সে। বসে পড়ে চৌকাঠের এপারে।

    কতক্ষন বসে ছিল শিবপ্রসাদ জানেনা ঠিক। হঠাৎ যখন চৈতন্য হল সে তাকিয়ে দেখল বাইরে সন্ধ্যে হচ্ছে। মাঠের ওপারে সূর্যটা যেন তাকে দেখে হাসতে হাসতে ডুবে যাচ্ছে। এদিক-ওদিক তাকিয়ে দেখল সে, না আশে-পাশে কেউ নেই। ঘরের ভিতর উঁকি মেরে দেখল হেমাঙ্গিনীর দেহটা তখনও পড়ে আছে। চারিদিকে মাছির ভোঁ ভোঁ শব্দে ঘরটা যেন কামড়াতে যাচ্ছে শিবপ্রসাদকে।

    ধীরে ধীরে সন্ধ্যা হল। শিবপ্রসাদ রক্তের জমাট বাধা পেরিয়ে ঘরে ঢুকে নিজের দু-একটা জামাকাপড় একটা পুঁটলিতে বেঁধে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। সদর দরজায় এসে আসে-পাসে একবার ভালো করে চোখ বুলিয়ে নিয়ে বেড়িয়ে গেল বাড়ি থেকে। প্রথমে কিছুটা হেঁটে তারপর জঙ্গলের রাস্তা ধরে দৌড় লাগালো শিবপ্রসাদ। পড়ে রইল হেমাঙ্গিনী এই একা রাজবাড়িতে তার সধবা সংসার গড়ার স্বপ্ন নিয়ে।

    (চলবে)
  • | রেটিং ৪ (১ জন) | বিভাগ : ধারাবাহিক | ০২ মার্চ ২০২২ | ৩৮৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন