• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  ছেঁড়াকাঁথা

  • ছেঁয়াবাজীর ছলনা - ৭

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ছেঁড়াকাঁথা | ০৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪০৩ বার পঠিত
  • | | | | | | |
    কলকাতায় আসার পর থেকেই আমাকে আর মা’র পাশে ঘুমোতে দেয় না মা। রাত্রে খেয়েদেয়ে আমি জিজির সাথে ছাদের ঘরে উঠে যাই। ছাদের ঘরটা বেশ গরম হয়ে থাকে, নীচের  শোবার ঘর, বাইরের ঘর দুটোই কেমন ঠান্ডা ঠান্ডা। আমি আর জিজি তাড়াতাড়ি খেয়ে নিই মা আর মন্টুদাদা বসে থাকে বাবার জন্য। অফিস থেকে এসে বাবা প্যান্টশার্ট ছেড়ে সাদা পায়জামা  সাদা পাঞ্জাবি পরে বনফুল’এ যায় আড্ডা দিতে। থ্রি ডি ইন্দ্র রায় রোডের বাড়ির সামনের গলি দিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রোডে উঠে রাস্তাটা পেরিয়ে একটু ডানদিকে হাঁটলেই একটা সরু গলির মুখে বনফুল। বাইরে থেকে দেখা যায় ছোট ছোট টেবিল দুইপাশে আর মাঝ দিয়ে সরু যাবার জায়গা। টেবিলের দুইপাশে দুজন করে  চারজন বসতে পারে। বনফুলে ঢোকার দরজাটা কেমন উপর নীচে কাটা, মাঝখানে একটুখানি চৌকো কাঠের ফ্রেমে রঙিন কাচ বসানো দরজার নীচে দিয়ে লোকজনের পায়ের হাঁটু পর্যন্ত দেখা যায়। বড় মানুষরা দরজার উপর দিয়েও দেখতে পায় নিশ্চয়ই। উপর দিয়ে কী দেখা যায় সেটা জানার জন্য আমার পেট ফুলতে থাকে, কিন্তু আমি তো বড় হয়ে গেছি, তাই আমাকে কেউ আর কোলে নেয় না। 
     
    রবিবারে, অন্য ছুটির দিনেও বাবা সকালের খাবার খেয়েই বনফুলে চলে যায় আর আসে সেই দুপুর দেড়টা দুটোয়। আবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা ছটায় চলে যায় আর আসে অনেক রাত্রে। মা খুব রাগ করতে থাকে কিন্তু বাবা এসে গেলে আর বিশেষ কিছু  বলে না। জিজিও অনেক  ছুটির দিন সকাল সকাল বেরিয়ে যায়, কখনো বিকেলের দিকে কোনওদিন আবার ইস্কুলের দিনের মত রাত আটটার সময় ফেরে। সবকটা শুকতারা চাঁদমামা দুই তিনবার করে পড়া হয়ে গেলে আমি ছাদে গিয়ে বোবোর সাথে গল্প জুড়ি। বোবোর কথা শুনে আমি একদিন উল্টোদিকের বাড়ির ইন্দ্রাণীদি’কে খুবসে মুখ ভ্যাঙালাম। সারাদিন ওদের দোতলার ঘরে জানলার পাশে বসে পড়াশনা করে। মা আর জিজি রাতে গল্প করে দেবযানীর বড় বোনটার মাথাটা খুব ডাল, আবার পরীক্ষা দেবে এবারে। মাথা ডাল হওয়া খুব খারাপ আমি জানি। ইন্দ্রাণীদি কি চেঁচাল ‘দ্যাখো ওই বাড়ির বাচ্চা মেয়েটা অসভ্যতা করছে সমানে’ আর অমনি ওর মা এসে দুমদাম আওয়াজ করে জানলা বন্ধ করে দিল। ধুস।  
     
    পুজোর আগে বাবা একটা কালো রঙের গাড়ি কিনে আনল, তার সামনের দরজা খুলে  ড্রাইভারের পাশের সিট ভাঁজ করে তার উপরে হামাগুড়ি দিয়ে ভিতরে গিয়ে বসতে হয়। মাঝে মাঝে রাস্তায় একদম দাঁড়িয়ে যায়, তখন সুখলালকাকা নেমে  সামনের ঢাকনা, যেটার নাম বনেট, ওইটে তুলে কিসব করে তারপর আবার চলে। সেকেন্ড হ্যান্ড মরিস মাইনর, বাড়িতে তার নাম হয়ে গেল মুড়ির টিন। এদিকে সকালে আমাকে রেডি করাতে মায়ের  আজকাল প্রায়ই দেরী হয়ে যায় আর তখন আমি ন’টার বদলে সাড়ে দশটায় রমেশ মিত্র রোড আর ইন্দ্র রায় রোডের ক্রসিঙে স্টেট ব্যাঙের সামনে গিয়ে দাঁড়াই। বাসকে দূর থেকে আসতে দেখলেই মন্টুদাদা  রাস্তায় নেমে গিয়ে হাত নেড়ে নেড়ে বাস থামায়। আমি বাসে উঠতে না উঠতেই গোপালদা বাস ছেড়ে দেয় আর  হ্যাঁচকা টানে আমি প্রায় উলটে পড়ে যেতে যেতে রড ধরে সামলাই। গোপালদা রেগেমেগে গজগজ করে ‘তাড়াতাড়ি  রেডি হতে পার না? কাল থেকে আর এখানে দাঁড়াব না।‘ আমি কী করব বা রে! 
     
     বাসে দেরীতে উঠলে একটা দিদি কয়েকদিন ধরে তাড়াতাড়ি ডেকে নেয়, বসতে দেবে বলে। কাছে যাবার পর বলে এই তুই ব্যাটারি তোর নাম ব্যাটারি। আমি একদম বুঝি নি কেন বলছে, সেই দিদিটা,  আর ওর একটা বন্ধু আমার মুখের সামনে আঙুল নাচিয়ে নাচিয়ে বলে ‘এই নড়ছে এই ব্যাটারি নড়ছে নড়ছে’।  সেই প্রথম জানতে পারলাম আমার চোখের মণিদুটো নড়ে। তার আগে কেউ বলে নি আমাকে। মা’কে জিগ্যেস করতেই গম্ভীর হয়ে বলল ওটা একটা অসুখ, মা’রও আছে, দাদুরও। একজোড়া নার্ভ নাকি কম আছে চোখে। নার্ভ কাকে বলে?  মা বিরক্ত হয়ে বলে এত বকবক করিস না তো, চুপ করে বোস। বইটই পড়। আমি তাড়াহুড়ো করে সকাল ন’টার বাস ধরার চেষ্টা করি রোজ, ওই দিদিটা পরে ওঠে ততক্ষণে আমার আশেপাশের সিটগুলো ভর্তি হয়ে যায়। এদিকে ক্লাসে  একদম সামনে না গেলে মিস বোর্ডে কী লিখেছেন পড়তে পারি না, উত্তরও বলতে পারি না। 
     
    সেই কেজিট্যুতে আমাদের বাড়ীতে  কোন বই থাকত না, সব ইস্কুলে। শুধু অঙ্ক আর  কার্সিভ রাইটিঙের হোম ওয়ার্ক  দিতেন মিসরা। ক্লাসের কাজ বোর্ডে লেখা। দেখতে পাই না বলে উঠে সামনে যেতে নিলে মিস বকেন জায়গা ছাড়ার জন্য। খাতা সাদা দেখে মিস গাঙ্গুলি জিগ্যেস করে জানলেন, মা’কে ডেকে পাঠিয়ে জানালেন।  পরেরদিনই বাবা তাড়াতাড়ি বাড়ি এসে সন্ধ্যেবেলা  নিয়ে গেল এক ডাক্তারের কাছে। চোখে কী একটা ড্রপ দিল, কিরকম জ্বালাজ্বালা মত করতে লাগল। মস্ত বড় টর্চ জ্বেলে চোখের ভেতরে কী দেখল কে জানে! পোকা ঢুকে গেছে নাকি? তাই অমন জ্বলছে? সেই যে বড়মাইমা বলে পোকারা নাক দিয়ে বা কান দিয়ে ঢুকে সোজা ব্রেনে চলে যায় আর কুটকুট করে ব্রেন খেয়ে নেয় তেমনি আমার চোখ দিয়ে ঢুকে গেছে হয়ত। বাড়ি এসে ঘরে নীল রাতআলো জ্বেলে  বসে থাকতে হল জ্বালা না কমা অবধি। এই ড্রপ চলল এক সপ্তাহ, তারপরে একদিন গিয়ে  একটা বোর্ডে বড় থেকে ক্রমশ ছোট  সাইজের এ বি সি ডি লেখা পড়তে হল আর তার তিনদিন পরেই এসে গেল আমার চশমা।      
     
    এর মধ্যেও দুই তিনদিন সাড়ে দশটায় বাস ধরতে হয়েছে আর দিদিটাও সমানে ব্যাটারি ব্যাটারি করে গেছে। এখন আবার ওর সঙ্গের আরো দুটো দিদিও হাসে আর  চোখের সামনে কিলবিলিয়ে আঙুল নাচায়। ইচ্ছে করে ঘ্যাঁক করে কামড়ে ধরি একটা আঙুল। কিন্তু ঠিক সাহস হয় না। খালি মনে মনে ভাবি দাঁড়াও না মা বলেছে চশমা পরলে আর চোখের নড়াচড়া টের পাওয়া যাবে না, আসুক আমার চশমাটা তৈরী হয়ে। কিন্তু  অনেক ছোট একটা মেয়েকে   অবাধে লাঞ্ছনা করার এমন সুযোগ ওরা ছেড়ে দেবে কেন? কাজেই প্রথম যেদিন চশমা পরে বাসে উঠলাম ওরা একেবারে হইহই করে উঠল ‘আরে আরে দেখ ব্যাটারির চারচোখ’। এবারে নতুন খেলা, চোখ থেকে চশমাটা খুলে নিয়ে জানলার বাইরে হাত বের করে  ঝুলিয়ে রাখা ‘এই ফেলে দিলাম ফেলে দিলাম’। ভয়ে কাঠ আমি, চশমা ভেঙে গেলে বা হারিয়ে গেলে মা হয়ত মেরেই ফেলবে আমাকে, বারেবারে বলে দিয়েছে সাবধানে রাখতে। হোঁচট খাচ্ছিলাম বলে বকেছে পড়ে যেন চশমা না ভাঙে। 
     
     তিন চারদিন এই খেলাটা খেলার পর একদিন ওই দিদিটা বাইরে হাত বের করতে প্রায় আমাদের বাসের ঘেঁষে একটা লাল দোতলা বাস চলে গেল আর দিদিটা বলে উঠল এইযযা বাসের ধাক্কায় পড়েই গেল তর চারচোখ। হাতও তুলে ভেতরে ঢোকাচ্ছে না বরং মুচকি মুচকি হাসছে। ভয়ে রাগে আমি দিলাম একটা সাংঘাতিক চীৎকার। এত জোরে চেঁচিয়েছি গোপালদা তাড়াতাড়ি বাস থামিয়ে দিয়েছে, বাদলদা দরজার সামনে থেকে দৌড়ে এসেছে। দিদিটা ঘাবড়ে গিয়ে হাত ভেতরে ঢুকিয়ে নিয়েছে আর হাতেধরা আমার চশমা। তারপর তো গোপালদা রাস্তায়  সাইড করে বাস নিয়ে দাঁড় করাল, আমাকে জিগ্যেস করে  সবকথা শুনে বাদলদাকে বলল আমাকে সবসময় গোপালদার সিটের ঠিক পেছনের সিটে বসাতে। ওই সিট ভর্তি হলেও যে বসবে তাকে পেছনের দিকে পাঠিয়ে আমাকেই যেন ওইখানে বসিয়ে দেয়। আমাকে বলল ওই দিদিরা কিছু বললেও আমি যেন গোপালদাকে বলে দিই। দিদিটা সমানে কিসব বলছিল  এমনি ঠাট্টা করেছে না কি, গোপালদা শুধু বলল মিস চৌধুরিকে বোলো। ব্যাসস দিদিটা একদম চুপ।  
     
    তারপরে তো  সারা জীবন ধরেই কতবার গোপালদা বাদলদাদের মত মধুসুদনদাদারা এগিয়ে এসেছে। 
     

     

    | | | | | | |
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ০৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪০৩ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • স্বাতী রায় | ০৭ নভেম্বর ২০২১ ২২:৩১500893
  • @কৌশিক বাবুর প্রার্থনার জোর আছে দেখছি।
  • সে | 2001:1711:fa42:f421:a4ad:8f5a:c0fc:9088 | ০৭ নভেম্বর ২০২১ ২৩:৫৫500898
  • উহহহ। বুলি করতে শেখে বাচ্চারা ইস্কুল লাইফ থেকেই।
  • kk | 68.184.245.97 | ০৮ নভেম্বর ২০২১ ০২:০৯500900
  • যে মেয়েটা বড় হয়ে গেছে বলে আর কেউ কোলে নেয়না তার জন্য খুব মনকেমন করলো।
  • কৌশিক ঘোষ | ০৮ নভেম্বর ২০২১ ১০:১৪500909
  • ৬-এর পরে ৭ এলো বেশ দেরি করে। কিন্তু প্রসাদগুণে ঐ একই। ছোটোবেলার ছোটো ছোটো কষ্ট... বড়োবেলাতেও মায়া কোথাও রহিয়া যায়।
    একটা এক্স্ট্রা ধন‍্যবাদ ৮ উপহার দিতে কৃপণতা না করার জন্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন