এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  ছেঁড়াকাঁথা

  • ছেঁয়াবাজীর ছলনা  - ১১

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ছেঁড়াকাঁথা | ১৯ নভেম্বর ২০২২ | ২৩৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩
    ভাইয়ের  দুই বছরের জন্মদিনে  বাবা দিয়েছিল ট্রাই সাইকেল।  ভাই তো তখনো পুঁচকে একটুখানি, তাই আমিই সাইকেলটা ছাদে নিয়ে বাঁইবাঁই করে চালাতাম। সে ধর গিয়ে বাইশ কি তেইশ দিন। তারপরেই ত সেই ফ্লুরিজ থেকে কেক কিনে ফিরে বাবার বুকব্যথা হল আর খ্রীস্টমাস ঈভের দিন জগুবাজারের বাইরে রাখা কমলা রঙের খাটগুলোর একটায় শুয়ে  দুলতে দুলতে চলে গেল আর কোনোদিন এলো না। বলেছিলাম না ইন্দ্র রায় রোডের বাড়িতে  অনেক লোক চলে এসেছিল, তারপর থেকে খালি লোক আসত । চেনা অচেনা কতজন। শুধু সুজিতকাকু আর আসতে পারে নি। সেই যে আমার খুব শখ ছিল বাঁশ কাপড়ের প্যান্ডেলে বসে চেয়ার টেবিলে কলাপাতা মাটির খুরিতে নেমন্তন্ন খাবার,বাবার কাজের আগের দিন ওইরকম প্যান্ডেল বানানো হল ইন্দ্র রায় রোডের ছাদে, মৎস্যমুখীর পরের দিন খোলা হল। জিজি বলল আমাদের ওখানে খেতে নেই। কথা ছিল সেজমামার মেয়ে আমার পুঁচকি বোনের মুখেভাত কোন্নগরে হবে ওইরকম প্যান্ডেল করে, অনেক ঘটাপটা করে। সে মুখেভাত নাকি আর হবে না।

    জানুয়ারি মাসের বেশ কিছুদিন কেটে যাবার পরে মা আমাকে নিয়ে একদিন স্কুলে গেল, সেদিনই ক্লাস ট্যু থেকে থ্রিতে ওঠার রিপোর্ট কার্ড আর বুকলিস্ট নিয়ে, গোপালদার বাস থেকে নাম কাটিয়ে ফিরল, এবার থেকে মা দিয়ে আসবে নিয়ে আসবে। বিকেলবেলা বেরিয়ে সমস্ত বইখাতা, মলাট দেবার ব্রাউন পেপার, ইস্কুলের নাম লেখা সাদা লেবেল, জুতোর কালি কিনে আনলাম আমরা। পরেরদিন দুপুরে মা আবার আমাকে নিয়ে বেরোল। চক্রবেড়িয়া ছাড়িয়ে জগুবাজারের দিকে যেতে বড় রাস্তার ওপরে সারি সারি স্যুটকেসের দোকান। আমার ইস্কুলে নেবার স্যুটকেস কিনে তাতে আবার সাদা রঙে আমার পুরো নাম লিখিয়ে দিল মা।  চামড়া না  কিসের তৈরী যেন শক্তপোক্ত স্যুটকেস, গাঢ় নীল রঙের, চার কোণায় কালো চামড়ার পট্টি তাতে চামড়া চামড়া গন্ধ। কথা ছিল সব বিষয়ে এ বা এ+ পেলে আমাকে পছন্দের স্যুটকেস কিনে দেওয়া হবে, কিন্তু আমি তো সব কিছুতে এ পাই নি! মা তাও কিনে দিল আবার আমাকে রঙ পছন্দও করতে দিল! যা যা হওয়ার কথা ছিল তা না হয়ে সবকিছু অন্যরকম হয়ে যাচ্ছে কেমন।

    মা রোজ সকালে আমাকে ট্রামে করে পৌঁছে দিয়ে আসে আবার বিকেলে নিয়ে আসে। জিজি বলে এই ভাল হয়েছে, এখন আর সারা কলকাতা ঘুরে ইস্কুলে যেতে আসতে হচ্ছে না। মা’কে প্রায়ই দুপুরে বেরোতে হয়। বড়মামা কিম্বা সেজমামা আসে কোন কোনওদিন। কর্পোরেশান অফিসে প্রায় মাসখানেক ঘোরাঘুরি করে ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়া গেল, আরো ঘোরাঘুরি করে সাকসেশান সার্টিফিকেট। বাবার গাড়ি বিক্রি করে দেওয়া হবে, এই গাড়িটা সাদা রঙের ফিয়াট, মাথাটা কালো, ৭৪ সালের মাঝামাঝি গরমের ছুটির সময় মুড়ির টিনকে বিক্রি করে কেনা হয়েছিল। এই গাড়িটা দেখতেও যেমন সুন্দর তেমনি চলেও চমৎকার, কোনওদিন রাস্তায় বন্ধ হয়ে যায় নি। কথা ছিল এই শীতে সবাই মিলে ডায়মন্ডহারবার যাব, তার বদলে গাড়িটা একা একা অন্য কাদের বাড়ি চলে গেল যেন। শীত যেতে না যেতেই মার্চ মাসে প্রথমে আমার তার তিনদিনের মাথায় ভাইয়ের হাম হল। একুশ দিনের বেশীই ভুগলাম দুজনে। সারাদিন ঘুরেফিরে জ্বর আসে আর শরীর ছেয়ে  গুটি। সব কমে যাবার পরেও মাথা তুলতে পারি না।

    সবকিছু যখন হুড়মুড়িয়ে অন্যরকম হয়ে যাচ্ছে তখন বাড়িতে আমার একটা বন্ধু হল। পাপুদি। আমাদের ছাদ যাদের সাথে একসাথে সেই মুনমুনদের একতলায় থাকত পাপুদিরা। নরম নরম ফুলো ফুলো গোলাপী গোলাপীমত টুসটুসে পাপুদির সাথে বন্ধু করিয়ে দিয়েছিল মুনমুনের জ্যেঠিমা। মুনমুন তখন তো সেজমামার মেয়ে খুকুর চেয়েও ছোট্ট এইটুকুনি, ওর জেঠির কোলে চড়ে ছাদে এসে কাক দেখে আয় আয় করে ডাকে। ওদের দিকের ছাদে অনেক ফুলের টব তুলসীগাছের টব ছিল, জেঠিমা যত্ন করতেন। ইন্দ্র রায় রোডের বাড়িটায় আসলে মাঝারি সাইজের অনেককটা বাড়ি ছিল। আমরা গলির দিকে দোতলায়, আমাদের রান্নাঘর বারান্দার দেওয়ালের পেছনে মুনমুনদের দোতলা, আমাদের একতলায় শোভাদিদিরা আর শোভাদিদিদের পেছনদিকে পাপুদিরা। আবার আমাদের সিঁড়ির দিক মানে সামনের দিকে এল আকৃতিতে ঘুরে গিয়ে ইন্দ্র রায় রোডের দিকে আরো দুটো সদর দরজা। দোতলায় একটা কিসের কারখানা না গুদাম আর একতলায় থাকে নাইলনরা। নাইলনের শাড়ি পরে বলে মা জিজি ছোড়দিরা একতলার বউকে নাইলন বলে।

    পাপুদি পড়ত সেন্ট জন’স ডায়সেশান স্কুলে, স্কুল থেকে এসে একটু পরেই ছাদে চলে আসত। ছাদময় দৌড়ে খেলতাম আমরা, হাম হওয়ায় এই খেলাটা বন্ধ হয়ে গেল। সেরে যাবার পরেও বেশীক্ষণ বসে থাকতে পারতাম না। যেদিন ছাদে গিয়ে  পাপুদিদিকে ডাকলাম,কিছুতেই এলো না,পড়া আছে নাকি। এতদিন পরে এসে  খেলতে না পেরে আমি চুপ করে আকাশের রঙ বদল দেখতে লাগলাম। সেই বোধহয় আমার প্রথম আকাশ দেখে দেখে সময় কাটানো শুরু। পরে কে যেন বলল ছোঁয়াচ লাগার ভয়ে পাপুদি আসে নি বা হয়ত ওর বাড়ি থেকে বারণ করেছে। আমি তো পুরোপুরি সেরেই গেছি, ইস্কুলেও যাচ্ছি,  ছোঁয়াচ কী করে লাগবে কি জানি!  একদিন এলগিন রোডের মোড়ে ট্রাম থেকে নামতে গিয়ে কী করে যেন মা’র হাত ছেড়ে গেল আর আমি পুরোটা নামার আগেই ট্রামটা দিল ছেড়ে। একপা ট্রামে আর একপা রাস্তায় ছেঁচড়ে চলছি, স্পীড বাড়ছে ট্রামের  ... আমি আর পারছি না হাতে পায়ে খুব ব্যথা... কে একজন এসে হ্যাঁচকা টানে নামিয়ে নিলেন আমাকে আর ট্রামটা ঠং ঠং ঘরঘর করে জোরে বেরিয়ে গেল।        
     
    মা যেদিন আমাকে ইস্কুলে দিতে যাবার সময় ভাইকেও সঙ্গে নিয়ে যায় সেদিন ক্লাসের সবাই হইহই করে বেরিয়ে আসে। গ্ল্যাক্সোর কৌটোর গায়ে ছবিটার মত দেখতে ছিল ভাই। তখনো গ্ল্যাক্সো, ফ্যারেক্স খেত আর দিনে একবার চটকানো ভাত ডাল মাছ দিয়ে। ট্যাবলা টোবলা ভাইটা শান্ত হয়ে মুখে আঙুল পুরে গোল গোল চোখ করে সবাইকে দেখে, প্রায় কারোর কোলেই যায় না আমার গলা জড়িয়ে শক্ত হয়ে কোলে বসে থাকে। মাঝেমধ্যে এক আধবার শুধু ঈপ্সিতার কোলে গেছে, সে হয়ত ঈপ্সিতা আমাদের বাড়ি মাঝেমাঝে আসত  তাই চেনামুখ। আমার ইস্ত্রিকরা জামা নষ্ট হয়ে যায়, মা মিস ব্যানার্জীর সাথে কথা বলে না আসা অবধি আমার কোলেই গ্যাঁট হয়ে বসে থাকে। সুলগ্না বলে তোর ভাইকে রোজ নিয়ে আসবি আমাদের দেখে দেখে চিনে গেলেই কোলে আসবে। জিজি আর ছোড়দি একদিন নিউমার্কেটে নিয়ে গিয়ে কি চমৎকার একটা রবার কিনে দিল। লম্বায় আমার আঙুলের সমান তেরছা করে রামধনু রঙের  ডোরাকাটা রবারের অর্ধেক অংশ স্বচ্ছ প্ল্যাস্টিক কেসে আটকানো, আর অপূর্ব গন্ধ।

    এক সপ্তাহের মধ্যেই সেই রবারটা ইস্কুলের স্যুটকেস থেকে চুরি হয়ে গেল। কত খুঁজলাম, মিস চ্যাটার্জিকে বললাম। ভাল করে খুঁজতে বলে চলে গেলেন। অমন রবার আর কখনো পাই নি, দোকানেও দেখি নি আর।আবার সেই এ বি সি ডি লেখা সাদা রবার, মাথাটা সবুজ। রবার অর্ধেক ক্ষয় হতেই সুগন্ধ শেষ, তখন নখে চিমটে একটু করে সাদা তুলে নিলে আবার একটু গন্ধ বেরোয়। দাদু দিদা প্রায়ই আসে, মীনামা পিসামশাই, বড়মামা সেজমামাও। মা একদিন আমাকে সামনে বসিয়ে বলল আমরা এবারে কোন্নগরে চলে যাব,কলকাতায় থাকলে মা আমাদের মানুষ করতে পারবে না, কলকাতার নেশায় ধরলে আর রক্ষা নেই। সবকথা বুঝতে না পারলেও কোন্নগরে যেতে তো আমি ভালইবাসি, সেখানেই থাকা হবে কিন্তু তাহলে আমি ইস্কুলে যাব কী করে? মা বলল দাদু আমাকে কোন্নগরের ইস্কুলে ভর্তি করে দেবে। তাহলে সুমিতা সুলগ্নাদের সাথে আর ক্লাস করব না? কাদের সাথে বসব তাহলে? প্রথমে গোপালদার বাস গেল,সে অবশ্য বাবাও ছাড়িয়ে গাড়ি করে পৌঁছাবে বলেছিল। এবারে ইস্কুলটাও চলে গেল,যাহ!

    একদিন দুজন এসে বাবার রেকর্ড প্লেয়ার আর সমস্ত রেকর্ড নিয়ে গেল, দেড়শো টাকায় বিক্রি হয়ে গেছিল বাবার সংগ্রহের সমস্ত রেকর্ড। ১৬ আরপিএমের একবাক্স রেকর্ড ছিল মোজার্ট ও বেঠোভেনের বিভিন্ন সিম্ফনি। ওয়েস্টার্ন ক্ল্যাসিকাল বাবার বিশেষ  পছন্দ ছিল। মা’র অল্প অপরাধবোধ ছিল এই সংগ্রহ বিক্রি করায়, বারেবারেই  বলত ‘কে আর শুনবে ওসব।‘ তখনও বাবার অফিস থেকে টাকাপয়সা কিছু পাওয়া যায় নি, এমনকি সমস্ত আনুষ্ঠানিক পদ্ধতি মেনে ও মিটিয়ে  ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতেও সাড়ে তিনমাস সময় লেগেছে। গাড়িটা বিক্রি হওয়ায় খানিক স্বস্তি মেলে। বাবার সেতারও গেল। ভাই তখনো হয় নি,বাবা সেতার বাজাচ্ছে, ইন্দ্র রায় রোডের বাড়ির পেল্লায় উঁচু উঁচু সিলিং ... বাইরের ঘরটা অন্ধকার, জানলার ফাঁক দিয়ে আকাশ থেকে উপছে পড়া জোছনা  চেষ্টা করছে ঢুকে আসবার। রাগ রাগিণী কিছুই বুঝতাম না কিন্তু কিছুতেই নড়তে পারছি না সিঁড়ির কোণা থেকে ... চারিদিক থেকে ঝমঝম করে ঘিরে ধরছে সুর আর ধ্বনি, ধ্বনি আর সুর ... খুব আবছা মনে পড়ে।

    শোবার ঘরের মস্তবড় কাঠের ভারী আলমারি আমরা চলে আসার আগেই বিক্রি হয়েছিল না পরে সে আর মনে নেই ঠিক করে। সেটা কোন্নগরে আসে নি, পরে জিজির বাড়ি গিয়েও আর দেখি নি। এপ্রিল মাসের শেষের দিকে মা গিয়ে গোখেল মেমোরিয়াল থেকে আমার ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নিয়ে এলো আর মে মাস শুরু হতে না হতেই ছোটমামা এসে আমাকে কোন্নগরে নিয়ে গেল। সাথে গেল আমার নাম লেখা ইস্কুলের স্যুটকেসে বই খাতা পেন্সিল আর বাবার ট্যুরে যাবার হালকা  স্যুটকেসে জামাকাপড়। আমাকে ইস্কুলে ভর্তি হতে হবে তাই আগে আগে যেতে হবে,ভাইকে নিয়ে মা আসবে পরের রবিবার। তিন মামা যাবে মালপত্র গুছিয়ে টেম্পোয় চাপিয়ে আনতে। আসার আগের দিন সন্ধ্যেবেলা জিজি আর ছোড়দি আমাকে  নিয়ে গেল লেক মার্কেট গড়িয়াহাট। ছোড়দির কি সব কেনার ছিল,জিজি আমাকে জুলি ক্লিপ কিনে দিল, তখন সদ্য বেরিয়েছে। প্ল্যাস্টিকের সাদারঙের হাসিমুখ, মাথায় নানারঙের চুল আর ক্লিপের ডিজাইন করা, পেছনে নাইলনের ব্যান্ড চুলে ঝুঁটি করে লাগানোর জন্য।

    আমার ক্লিপদুটো ফিরোজা রঙের, চুলে খুব বেশী না বাঁধলেও অনেকদিন জমানো ছিল।ওই পাতলা নাইলনের ব্যান্ড চুলে আঁটত না, ফুচুৎ করে বেরিয়ে আসত।পরের রবিবার সকাল সকাল বড়মামা, বড়মাইমা, ছোটমামা চলে গেল ভবানীপুর, সেজমামা যাবে ব্যারাকপুর থেকে। দুপুরে বারোটা সাড়ে বারোটা নাগাদ একটা ছোট লরি এলো সমস্ত জিনিষ নিয়ে। মা’রা কীভাবে এসেছিল আর মনে পড়ছে না। লরিটায় বড়মামা আর সেজমামা ছিল। কোন্নগরের বাড়ির একতলার পুবের ঘরে তখন রাজারা ভাড়া থাকে, ওদের উঠে যেতে বলা হয়েছে। ওরা নবগ্রামে বাড়ি বানাচ্ছে, সেটা শেষ হতে আরো একমাস লাগবে। ততদিন খাট, ডাইনিং টেবল জোড়া লাগানো হবে না, অন্যান্য ঘরে রেখে দেওয়া হবে। ফ্রিজ দিদার ভাঁড়ারঘরে আর আলনা, বাবার বইয়ের আলমারি দোতলার মাঝের ঘরে রাখা হল। সেই বইয়ের আলমারি ৯১ সালে আমাদের নিজেদের বাড়ি হবার আগে অবধি ওই দোতলায়ই ছিল। সেই থেকে কোন্নগরে দাদুর বাড়ি ‘আমাদের বাড়ি’ হয়ে গেল আর ভবানীপুরের ইন্দ্র রায় রোডের বাড়িটা ‘জিজির বাড়ি’  হয়ে গেল
    | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩
  • ধারাবাহিক | ১৯ নভেম্বর ২০২২ | ২৩৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সুকি | 49.206.130.5 | ২০ নভেম্বর ২০২২ ০৯:৩৬513923
  • একটা কথা জানিয়ে রাখি ভাবলাম - মন্তব্য করা হয় না সবসময়, কিন্তু দ-দির লেখাগুলো পড়ি।
     
    আরো অন্য জায়গা সমেত এই গুরু-তেও আলোচনা হয়েছে অনেক যে আমরা সাধারণ তাই আমাদের আত্মকথা লিখে কি হবে! সেই মতের সাথে একমত হই নি। আমার তো মনে হয় কেউ লিখতে জানলে এবং চাইলে এ সব কিছুই লিখে ফেলা উচিত। একটা সময় অন্তত ধরা থাকবে।
     
    দ-দির লেখায় নিপুণতার সাথে একটা সময় ধরা থাকছে - 
  • | ২৬ নভেম্বর ২০২২ ১৪:৫০514177
  • সুকি, দীপাঞ্জন, আমি আবার মনে করি সক্কলেরই নিজের কথা লিখে রাখা উচিৎ। মেয়েদের তো বিশেষ করে। কাজেই সময় সুযোগ মত লিখেই যাবো। smiley​​সাধারণ তো কি, হয়ত কোনও সাধারণ মেয়েই নিজের সাথে মিলিয়ে খুশী হয়ে উঠবে কোনোদিন। বোলা যায় ​​​​​​​না ​​​​​​​কোনো ​​​​​​​মেয়ে ​​​​​​​উদ্বুদ্ধও ​​​​​​​হেয় ​​​​​​​উঠতে ​​​​​​​পারে ​​​​​​​যে ​​​​​​​নাহ ​​​​​​​  যতই ​​​​​​​যাই ​​​​​​​হোক ​​​​​​​একদিন ​​​​​​​না ​​​​​​​একদিন ​​​​​​​একটা ​​​​​​​জায়গায় ​​​​​​​পৌঁছেই ​​​​​​​যাবো -- সেই ​​​​​​​এককুচি ​​​​​​​আশাতেই ​​​​​​​লিখে ​​​​​​​রাখা। ​​​​​​​
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন