• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  ছেঁড়াকাঁথা

  •  ছেঁয়াবাজীর ছলনা - ২

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ছেঁড়াকাঁথা | ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ১১৪৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • | | | | | | |
    খুকীর বছর পাঁচেক বয়স পর্যন্ত ওরা ছিল কটকে। অধিকাংশ সময় বাবা থাকত না বাড়ী। কোথায় কোথায় সব ট্যুর করে বেড়াত। ট্যুর শব্দটাকে ভারী অপছন্দ করত ও। বাড়ীর খুব কাছে ছিল কাটজুড়ি নদী। বিকেল বেলা পরমেশ দাদা খেলতে নিয়ে যেত সেখানে।  বাড়ীতে কেউ এলে সেখানে একটা পিকনিক মত হত। কাটজুড়ি নদীতে চরা-ই বেশী। খুকীর কির’ম ধারণা হয়ে গেছিল নদীর থেকে পুকুরে বেশী জল থাকে। সেই যে সেবার কোন্নগরে বেড়াতে গিয়ে পুকুর দেখতে চাইল আর অমনি দাদু খুকীকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল পুকুর দেখাতে, তখনই তো আটটা মস্ত বড় বড় পুকুর দেখেছিল খুকী। তখন তো কোন্নগর স্টেশানে নামলেই প্ল্যাটফরমের একপাশে মস্ত পুকুর, আবার স্টেশানের রাস্তা দিয়ে এগোলে   একটু পরেই দাদুবাড়ির গলিতে  ঢোকার খানিক আগে আরেকটা মস্ত পুকুর। এখানে আসলে দুটো পুকুর,  মাঝের মাটির রাস্তাটা বিষ্টি হলেই কেমন মুছে গিয়ে দুটো পুকুর এক হয়ে যায়। দাদুদের বাড়ির গা লাগা একটা সরু রাস্তা  পিছনের দিকে চলে গেছে, তার সাথেই একটা লম্বামত মাঠ যার পেছনের দিকটায় আরেকটা পুকুর। এই পুকুরটার চকচকে  জল দেখা যায় ঠাকুরঘরের সামনের দোতলা বারান্দা থেকে, তিনতলার ছাদ থেকে। স্টেশানের পাশের পুকুরটায় বড় বড় টোপা টোপা পাতাওলা গাছে ভরা, সামনের দিকে সবুজ রঙের একটুখানি জল দেখা  যায়। 
     
    অথচ কাটজুড়ি নদীতে দেখো বালির ওপর দিয়ে কতটা হেঁটে গেলে কেমন সরু পাতলামত একটুখানি জল। বালির মধ্যে কুকুরের গু, মানুষের গু এড়িয়ে এড়িয়ে  সাবধানে হাঁটতে হয়, বাপরে কি বিচ্ছিরি গন্ধ!  বেশ খানিক দূরে ছিল মহানদী। রাঙাদি, সেজদি, সেজ জামাইবাবুরা যেবার এলো সেইবারে পুরী যাবার আগের দিন মহানদীর ধারে যাওয়া হল। কত জল মহানদীতে আর কেমন গম্ভীরমত  নদী ওটা। সেজ্জামাইবাবুর কি হাসি ‘নদী আবার গম্ভীর হয় নাকি রে পাগল?’ খুকী তখন ভারী রাগী ছিল জানো।  চটাৎ করে রেগে যেত আর রেগে গেলেই বলত ‘নালিতে ফেলে দিব’। অমনি ওরা সব হো হো হি হি লাগিয়ে দিত। সবচেয়ে পাজি হল ছোটমামা, জোরে জোরে বলবে ‘কিরে নালিতে ফেলে দিব, কোথায় গেলি?’ কেমন রাগ হয় বল। সেজ্জামাইবাবু অবশ্য খুকীকে রাগতে দেখে হাসি থামিয়ে কাঁচুমাচু মুখ করে, খুকী অমনি হেসে ফ্যালে। পরের দিন ওরা ট্রেনে চড়ে পুরী যায়।  বাড়ীতে কেউ এলেই বেড়াতে যাওয়া হত পুরী। ট্রেনে খুব অল্প সময় লাগত। বোধহয় ২-৩ ঘন্টা। খুকীরা  সকালে গিয়ে বিকেলে ফিরত,লাল টুকটুকে লাঠি আর খাজাগজা কিনে। অনেক ঝিনুক কুড়িয়ে। বাবা তখনো ট্যুরে, তাই মা’ই সবাইকে  নিয়ে  গেল। বাবা গেলে ওরা ট্যুরিস্ট লজে ওঠে, কেমন চুপচাপ জায়গা আর কত্ত বড় একটা খাবার হল। জগন্নাথের মন্দিরের ভেতরে ঘুটঘুট্টি অন্ধকার আর  চলতে চলতে দাঁড়িয়ে গেলেই কারা যেন ছোট লাঠি দিয়ে মাথায় মারে। লোকগুলো যেন কেমন। 
     
    পুরীর গজা দেয় কেমন পাতার তৈরী চৌকো চৌকো  বাক্সে।  বাবা সঙ্গে নেই তাই ওরা সন্ধ্যের আগেই ফিরে যাবে, পান্ডামেসো ওদের একটা ছোটমত ঘরে নিয়ে যায়, সবাই বসে সেখানে।  পান্ডামেসো আর দুজন লোক মিলে প্রসাদ নিয়ে আসে,  সে কত কি তাতে। খুকী জিগ্যেস করে মালপোয়া কই? মা কটমট করে তাকায়। আগেরবার দিদা আর ছোটমামাকে নিয়ে এসে ওরা মালপোয়া খেয়েছিল তো। পান্ডামেসো বলে সে রাতের ভোগে হবে দুপুরে পায়েস। দিদা অনেকবার করে মন্দিরে গেছিলো, ওরা রাত্রে  বসেছিল ট্যুরিস্ট লজের বারান্দায়, কি জোর হাওয়া  চিকমিকে সমুদ্র গর্জন করে যায় সমানে। পুরীর লাঠিগুলো ভারী সুন্দর দেখতে, কেমন লাল টুকটুকে রঙ, অনেকগুলোর মাথায় আবার  কালো রঙের কাঠের গুল্লিমত থাকে মুঠো করে ধরবার জন্য।  কত যত্নে রাখে ও তাও ঠিক একদিন  ভেঙে যায় মটাৎ করে। রাঙাদি বলে তাহলে দুটো নিয়ে নে আমি কিনে দিচ্ছি। মা আবার কটমট করে তাকায়। তা খুকী কী করবে? ও তো আর হ্যাঙলার মত চায় নি রাঙাদি নিজেই বলেছে। মা ওদিকে ভুরুতে হালকা  ত্রিশূলের মত ভাঁজ ফেলে ‘না পদ্ম তুমি দুটো কিনবে না, ও না ভেঙে যত্ন করে রাখতে শিখবে না তাহলে’। তা মা’কে বাপু সব্বাই ভয় পায়, তাই একটা লাঠি নিয়েই  সন্ধ্যেবেলা ট্রেনে ওঠে ওরা। সেজদি আর রাঙাদি সারা বিকেল ধরে কটকি শাড়ি, কটকি চাদর এইসব দেখে বেরিয়েছে আর দুটো তিনটে করে কিনেছে। তাও মা দিব্বি ওদের আরো একটা করে কিনে দিল। আর খুকীর বেলায় দেখো। ওর এবারে ঝিনুক কুড়ানোরও সময় হল না।  
     
    কেউ এসে চলে যাবার সময়  সবাই মিলে কটক স্টেশানে যাওয়া হয়  আর সব্বাই চলেটলে গেলে, ট্রেন ছেড়ে দেবার পর ফিশফ্রাই খেয়ে ফেরে ওরা। কটক ছেড়ে চলে আসবার পরেও কতবার  মা'র কাছে শুনেছে  ওখানে ক্যালকাটা সুইটসের মিষ্টি নাকি খুব ভাল ছিল, খুকীর  সেসব  মনে নেই, শুধু হলদে রঙের  ঝাঁঝালো স্যস দেওয়া ফিশফ্রাইয়ের কথাই মনে আছে।  কটকের রাস্তাঘাট কেমন ছিল? কিচ্ছু মনে নেই। খালি মনে আছে কোথায়ও যেতে গেলে সাইকেল রিকশা করে যেত ওরা --- মা আর বাবা বসা আর খুকী  বাবার দুই পায়ের ফাঁকে দাঁড়িয়ে, মা’র কোলে একটা ঝুড়িমত ব্যাগ। কোন্নগরে বাবার সাথে গেলেও সাইকেল রিকশা চড়ে ঠিক অমনিভাবেই যেত ওরা। হাওড়া স্টেশান থেকে ট্রেনে চাপতে হত, ফার্স্ট ক্লাসে লোক থাকত না বেশী। খুকী আর একটু বড় হতেই ফার্স্ট ক্লাস উঠেই গেল কোন্নগরের ট্রেন থেকে।  কটক থেকে ক্যালকাটা মেলে চড়ে  কলকাতায় আসা যেমন মজার  তেমনি কটক মেলে চড়ে ফেরত যাওয়াও ভারী মজার ব্যপার। তখন খুকীকে যেই কেউ জিগ্যেস করে  হ্যাঁরে বড় হয়ে তুই কী হবি? খুকী টকাশ করে বলে দেয়  আমি ট্রেনের ড্রাইভার হব।  মা  বলে  পড়াশোনা করতে হবে, খুকীকে বসিয়ে অ আ ক খ শেখায়, এ বি সি ডি শেখায়, খুকী খালি গল্প শুনতে চায়। মা অত গল্প জানে না, বলে দিদাকে জিগ্যেস করিস। দিদাকে  রোজ খুকী পায় কোথায় বল দেখি। 
     
    খুকীরা থাকে  দোতলায়। নীচের তলায় উমাপিসিরা। উমাপিসির দাদা ভীষণ রাগী। সবসময় চোখ লাল হয়ে থাকে। বাবা যখন ট্যুরে থাকে উমাপিসি এসে মা’র কাছে বসে গল্প করে সারা বিকেল সন্ধ্যে। উমাপিসি নেমে যাবার পর মা রান্নাঘারে কাজ করতে করতে খুকী ঘুমিয়ে পড়ছে দেখে ডাকে সামনে, খোলা দরজা দিয়ে সিঁড়ির দিকে দেখিয়ে বলে দ্যাখ ওটা কী? সিঁড়ির মাথায়  সামনের দুই পা খাড়া করে বসে জ্বলজ্বলে সরু চোখের সাদা রঙের ওটা কী যেন? অর্ধেক চোখ খুলে খুকী আস্তে আস্তে বলে ‘সিংঘঅ’, মা খুব জোরে হেসে ওঠে, সাদা রঙের ওইটা ‘মিঁউ’ করে কয়েক ধাপ নেমে গিয়ে বসে লক্ষ করতে থাকে ওদের, মা তখনো হেসেই যাচ্ছে। আরো অনেক বছর পরেও ‘সিংঘঅ’ বলে বলে খুকীকে খ্যাপাবে সবাই। গভীর  রাতে ঘুমের মধ্যে  পায়ে কিসে যেন কামড়ায়। ব্যথায় কেঁদে ওঠে খুকী।  মা’র পায়ে উপর দিয়ে কী যেন দৌড়ে  পালায়।  মা উঠে লাইট জ্বালায়,  খুকীর ডানপায়ের গোড়ালিতে একজোড়া রক্তের ফোঁটা। ভিজে ন্যাকড়া দিয়ে পরিস্কার করে দুটো সুক্ষ্ম ফুটো দেখা যায়। রক্ত চুঁইয়ে বেরিয়ে  আসে সেখান দিয়ে অবিরল। হলদেটে রঙের অ্যাক্রামাইসিন মলম লাগিয়ে কাপড় দিয়ে বেঁধে দেয় মা, রাত বাড়ে আরো, ব্যথাও বাড়ে। পরেরদিন কোথায় গিয়ে যেন ইঞ্জেকশান দিইয়ে আসতে হয়।
     
       
    বাবা ট্যুর থেকে ফেরার সময় খূকীর জন্য জামা, খেলনা আনে প্রতিবার। সেবারে বম্বে থেকে জামার সাথে নিয়ে এলো খেলনা ‘ভ্যিউ মাস্টার’।  এদিকে  ইঁদুরের  কামড়ে আর ইঞ্জেকশানের ব্যথায় খুকীর তখন বেদম জ্বর। একটা ছোট্ট চৌকোমত বাক্স, মাথার উপারে একটা আধখানা চাঁদের মত ফাঁক, তাই দিয়ে রীল ঢোকান যায়। রীলগুলো  গোল  কার্ডের ধার বরাবর ছোটো ছোটো চৌকো করে লাগানো, এক একটা রীলে সাতটা করে ছবি। রীল ঢুকিয়ে নাকের উপরে বাক্সটা বসিয়ে দুই চোখের লেন্সে চোখ রাখলে বাক্সের পিছনের পর্দায় ছবি দেখা যায়। একটা দেখা হয়ে গেলে ডানদিকের  ছোট্ট হাতলমত জিনিষটা একবার নামিয়ে উঠিয়ে দিলেই পরের ছবিটা চলে আসে। তিনটে  রীল ছিল, একুশটা ছবি। একটা রীল পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্য্যের। সে যে কি অবাক করা  খেলনা কি বলব। প্রথমে  খুকী, পরে ওর ভাই আর ও দুজনে মিলে  আরো পনেরো  কুড়ি বছর সেই বিস্ময়বাক্স চোখে লাগিয়ে দুনিয়া দেখেছে।  বাবা যখন আর কোত্থাও নেই, বড়মামা সাদাকালো ইসিটিভি কিনে এনেছে, আনন্দমেলার প্রত্যেক সংখ্যায় থাকে কতসব নতুন জিনিষ, তখনও ভ্যিউ মাস্টার চোখে দিয়ে দুই ভাইবোনে হাঁ করে ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান, মিশরের পিরামিড, সাইপ্রাস-রোডসের পিত্তলমূর্তি  দেখে। দেখে আর  ভাবে একদিন নিজেরা গিয়েই দেখবে। একদিন ঠিক ...   

     

    | | | | | | |
  • আরও পড়ুন
    রণছোড় - Chayan Samaddar
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ১১৪৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Swati Ray | 117.194.33.229 | ০৬ ডিসেম্বর ২০২০ ১৪:২২100986
  • সেই ভিউ মাস্টার ।।..দ'র স্মৃতি শক্তি তো অসম্ভব তীক্ষ্ণ ! খুব ভাল লাগছে পড়তে .

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন