• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  •  ছেঁয়াবাজীর ছলনা  - ৩

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ | ২৮৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • | | ৩

    ডিসেম্বরে মাস এলেই চারিদিকে কেমন একটা খুশী খুশী ভাব ঝকমকিয়ে ওঠে৷ এই উৎসব সেই উৎসব শুরু হয়ে যায় ৷ যত ধ্রুপদী সঙ্গীতের সারারাত্রিব্যপী অনুষ্ঠান - ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় ৷ ‘রাজস্থান ফেস্টিভাল’, ‘ক্ষুদ্র ও কুটীরশিল্প মেলা’,অমুক তমুক খাদ্য উৎসব - সেসবও এই ডিসেম্বরেই শুরু হয়৷ পাড়ার ছোট্ট দোকানে সাজিয়ে রাখে চকমকে বাক্সে নানারকম কেক, চাক্কি, চিকলি, মাইসোর পাক --- এটাসেটা৷ বিদেশ থেকে বন্ধুরা বেশীরভাগ এইসময়ই দেশে আসে৷ স্কুলগুলোতে খ্রীষ্টমাসের ছুটি আসবো আসবো করছে --- দোকানপাট, বাচ্চাদের স্কুলে লাল নীল সোনালী চিকমিকে কাগজ দিয়ে সাজানো --- কোথায়ও বা সান্টা বেরিয়েছে ঘোড়ায়টানা গাড়ী চেপে -- বাচ্চারা তাকে ঘিরে আনন্দে লাফাচ্ছে -- নীল আকাশ--- ঝকঝকে রোদ -- আকাশ থেকে টুপটাপ খসে পড়ছে চিকমিকে ঝিলমিলে খুশীর বল৷

     

    ডিসেম্বর মানে ডেডলাইনের চাপ আলগা হয়ে আসা 

    ডিসেম্বর মানে বিদেশে থাকা বন্ধুদের দেশে আসা

    ডিসেম্বর মানে সওয়াই গন্ধর্ব উৎসবে রাতভোর পন্ডিত যশরাজ , জাকির হুসেন

    ডিসেম্বর মানে জিজি এসে ভবানীপুর নিয়ে যাবে, কল্যাণী নিয়ে যাবে। 

    ডিসেম্বর মানে  রথীনকাকার নার্সিঙহোম থেকে পুঁচকেমত  একটা ভাই নিয়ে আসা।  

    ডিসেম্বর মানে দিদার সাথে ক্যালকাটা মেলে চড়ে কোন্নগর আসা। 

     

    সে কতকাল আগের এক ডিসেম্বরে  বাবা আর মা মিলে ঠিক করল খুকীকে  কোন্নগর পাঠিয়ে দেবে। ওকে   এবার ইস্কুলে ভর্তি না করলেই নয়, এদিকে কটকে পড়ানোর ইচ্ছে নেই বাবার। তাছাড়া কোন্নগরে দাদু আছে, খুকীকে অঙ্ক টঙ্ক  দেখিয়ে দিতে পারবে। দুর্গাপুজোর সময় কলকাতা গিয়ে  দিদাকে বেড়াতে নিয়ে এসেছিল মা বাবা, এইবারে খুকীকে নিয়ে ফিরবে দিদা। মা থেকে যাবে কটকে। বাবা তখন ট্যুরে,   উমাপিসী একদিন খুকীকে নিয়ে দূরে কাদের যেন বাড়ি বেড়াতে গেল,  তাদের বাড়িতে  কত্ত পুতুল আর একটা মোটাসোটা গুন্ডামত ছেলে,  খুকীর চেয়ে একটু লম্বা একটা মেয়ে। উমাপিসী খুকীকে দেখিয়ে বলে ও কলকাতা যাবে পড়াশোনা করতে। কলকাতা নয় কোন্নগরের ইস্কুল – খুকী ঠিক করে দেয়।  ছেলেটা খুকীর হাতে রামচিমটি দেয়। খুকীও অমনি ওর দাঁতে কামড়ানো আধখাওয়া নখ দিয়ে খিমচে দেয় ছেলেটার গালে। তারপরে কী যেন ... কী যেন ... নাহ মনে পড়ছে না। আসার একদিন  আগে  উমাপিসী ওকে একটা সুন্দর একটা পুতুল কিনে দেয়। সেদিনই রাত্রে বাবা ফিরে আসে আর বাবা মা দিদা অনেক অনেক কথা বলে। বাবা বারবার বলে ‘বাংলাদেশ’, ‘বাংলাদেশ’ দিদা একটু একটু হাসে আর আঁচল তুলে চোখ মোছে। বাবা বলে ট্র্যান্সফার ট্র্যান্সফার, সেটা আবার কী কে জানে!  খুকী ঘুমিয়ে পড়ে। 

     

    খুকী তো দিব্বি  দিদার সাথে রাত্রিবেলা  ক্যালকাটা মেলে চেপে কলকাতা রওনা দিল, ছোটমামা আসবে হাওড়া স্টেশানে ওদের কোন্নগর নিয়ে যাবে। ও কিন্তু কোন্নগরের ইস্কুলে পড়বে না, বাবার  ট্র্যান্সফার হয়ে গেছে, বাবা আর মা সামনের মাসে কলকাতায় এসে খুকীকে কোন্নগর থেকে নিয়ে আসবে। সত্যি সত্যিই কলকাতার ইস্কুলে ভর্তি হবে খুকী। মা সমানে বলেছে ইস্কুল নাকি খুব মজার জায়গা, কে জানে খুকী ঠিক বোঝে না। দিদা কয়েকটা গল্প জানে, খুকী রোজ রাত্তিরে দিদার কাছে উমানো ঝুমনোর গল্প,  ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমীর গল্প, কাঠুরিয়ার গল্প শোনে। দাদু আরো অনেক বেশী গল্প জানে। গল্প শুনতে চাইলেই দিদা বলে ‘তর দাদুর কাছে যাইয়া শুনিস, আমি আর জানি না।‘  খুকী তাই ওই দুটো তিনটে গল্পই রোজ রোজ শোনে। খুকীর এখনো ছয়বছর পূর্ণ হয় নি, তাই হাফ টিকিট লাগে। মা’য়ের  সাথে একবার্থেই  শোয় খুকী আর  ভাবে কবে ছয় পূর্ণ হবে,  কবে ও অমন আস্ত একটা গদিমোড়া বার্থ পাবে। মা তো বেশ লম্বা, দিদা ছোট্টখাটো। খুকী তাই বার্থে অনেকটা জায়গা পেয়ে রিকশা রিকশা খেলতে শুরু করে।  ১৯৭১ এর ডিসেম্বর শেষ হয়, শেষ হয় খুকীদের কটকের পাট।  

     

    ডিসেম্বর মানে বিদেশে থাকা বন্ধুদের দেশে আসা

    ডিসেম্বর মানে সওয়াই গন্ধর্ব উৎসবে রাতভোর পন্ডিত যশরাজ , জাকির হুসেন

    ডিসেম্বর মানে জিজি এসে ভবানীপুর নিয়ে যাবে, কল্যাণী নিয়ে যাবে। 

    ডিসেম্বর মানে  রথীনকাকার নার্সিঙহোম থেকে পুঁচকেমত  একটা ভাই নিয়ে আসা।  

    ডিসেম্বর মানে দিদার সাথে ক্যালকাটা মেলে চড়ে কোন্নগর আসা। 

     

    ডিসেম্বর মানে ...

    সেও  একটা ডিসেম্বর,  ২৪শে ডিসেম্বর খ্রীস্টমাস ঈভ।  

    তখন অ্যানুয়াল পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোত ২৪শে ডিসেম্বর৷ ক্লাস টুয়ে পড়া খুকীর সেবারে ২০ তারিখ থেকে জ্বর চলছে৷ বাবা বলেছে বড়দিনের দিন খুব মজা হবে, কিন্তু কী মজা তা কিছুতেই বলে নি৷ মা'র কথায় খুকী তাই  চুপটি করে বিছানায় শুয়ে থাকে যাতে তাড়াতাড়ি জ্বর কমে যায়৷ সেই যে খুকীরা কলকাতা চলে এলো, তার পরের ডিসেম্বরেই মা গিয়ে রথীনকাকার নার্সিঙহোম থেকে খোকাকে নিয়ে এলো।  খোকার এখন দুই বছর বয়স, এক্কেবারে গ্ল্যাক্সো বেবী। খোকার দুই বছরের জন্মদিনে বাবা একটা লাল টুকটুকে  তিনচাকার সাইকেল কিনে এনেছে। খুকী সেটা ছাদে  চালিয়ে ঘোরে বাঁই বাঁই সাঁই সাঁই। সবকথা  এখনও পরিস্কার বলতে পারে না খোকা। ‘র’ আর ‘ল’ বলতে পারে না,  ফুল’কে বলে ফুন আর বড়মাইমাকে বলে বনমাইমা।  

     

    ২৩ তারিখ বিকেলে বাবা যখন বলল সেদিনই কেক নিয়ে আসবে তখনও খুকীর জ্বর কমে নি৷ তাই বাবা,ওর ভাইকে নিয়ে চলে গেল ফ্লুরিজে ৷ বলে গেল ২৫ তারিখে ঠিক কমে যাবে জ্বর আর তখন ও-ও যাবে মজা করতে৷ বাবারা ফিরে এল প্রায় দেড় ঘণ্টা পর৷ দেখা গেল কি একটা জিনিষ দোকানদার উল্টোপাল্টা দিয়েছে৷ খোকাকে বাড়ীতেই রেখে বাবা আবার গেল দোকানে পাল্টাতে৷ উরিব্বাসরে কি চমৎকার সব চকোলেট এনেছে বাবা, ছোট্ট ছোট্ট রুপালী রুপালী রাংতায় মোড়া৷ বাড়ি ফিরেই বোম্বে থেকে আসা  অফিসের ট্রাঙ্ককল নিয়ে ব্যস্ত বাবা।   সন্ধ্যে  ৭’টা থেকে হঠাৎই বাবার খুব শরীর খারাপ লাগতে লাগল ৷ মা খবর পাঠাল ডাক্তারকাকাকে৷ এই তো ১০ মিনিটের রাস্তা৷ ডাক্তারকাকা নাকি কোথায় কলে গেছেন, এসে যাবেন৷ বাবা ভীষণ ঘামছে আর বুকে অল্প অল্প ব্যথা হচ্ছে৷ রাত আটটা পনেরো নাগাদ ডাক্তারকাকা এল৷ কিন্তু প্রেশার মাপার যন্ত্র আনে নি যে৷ আরো আধঘন্টা লাগল মোটামুটি প্রেশার মেপে চেক্আপ হতে৷ ইতিমধ্যে বাবা দুইবার বমিও করেছে৷ বাবার প্রেশার নাকি উঠছে আর নামছে৷ খুকী  ভেবে পায় না এই প্রেশারটা কী? কোথা দিয়ে উঠছে আর নামছে? খোকা  ঘুমিয়ে পড়েছে৷ খুকীও আর পারে না জেগে থাকতে৷ কিন্তু ও  দেখে বাবার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে৷ মাঝে মাঝেই কত্ত বড় হাঁ করছে নি:শ্বাস নেবার জন্য৷ খুকী  ভেবেই পায় না কী  করবে৷ মা-ও তো তাকাচ্ছেই না ওর দিকে৷ খুকীর মনেই নেই কখন ও ঘুমিয়ে পড়েছে আর কখন ওদের দুই ভাই-বোনকে তুলে নিয়ে ওপরে জিজির ঘরে শুইয়ে দেওয়া হয়েছে৷

     

    খুকী  জানে না তখন  কত রাত, জিজি ওকে তুলে, আর ভাইকে কোলে নিয়ে নীচে আসে৷ ঘুমচোখে খুকী দ্যাখে  বাবা, মা কেউই নেই ঘরে৷ জিজি বলে বাবাকে পিজি হাসপাতালে নিয়ে গেছে৷ খুকী চেনে ওটা৷ ওর স্কুলের ঠিক উল্টোদিকেই তো৷ আবার ঘুমিয়ে পড়ে৷ মা আর দাদা, ওর মীনামা’র ছেলে বাড়ী ফিরে আসে সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ৷ তখনই খুকী,  খোকা ঘুম থেকে উঠেছে৷ শোনে বাবাকে নাকি রাত দেড়টা থেকে পৌনে তিনটে পর্যন্ত মাটিতে শুইয়ে রেখেছিল৷ বাবার নাকি ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল৷ এখন ঘুমোচ্ছে৷ মা কিরকম একটু এলোমেলোভাবে চা, ওদের খাবার গোছাতে শুরু করে৷ খুকীকে বলে "তুই আজ স্কুল বাসে চলে যা রেজাল্ট আনতে"৷ এমনিতে অনেকদিন ধরেই বাবা অফিস যাবার সময় ওকে ইস্কুলে নামিয়ে দিয়ে যায়। 

     

    এর মধ্যেই বেজে ওঠে ফোন৷ খুকী লাফিয়ে গিয়ে ধরে ৷ বাবা ঘরে না থাকলে খুকীই বেশিরভাগ সময় দৌড়ে গিয়ে ওঠায়  কালো ভারী রিসিভারটা, ওটার ভেতর দিয়ে অন্যলোকের গলার আওয়াজ শুনতে ওর ভারী মজা লাগে। এখন  ওদিক থেকে একটা খ্যানখ্যানে গলা  বলে "হাসপাতাল থেকে বলছি, পেশেন্টের কন্ডিসান খুব খারাপ"৷ ইতিমধ্যে দাদা এসে ফোনটা নিয়ে নিয়েছে৷ ঝড়ের বেগে কিসব বলে দাদা আর মা হুড়মুড়িয়ে বেরিয়ে যায়৷ খুকী,খোকা কেমন যেন একটা অস্বস্তির মধ্যে খেয়ে নেয় দুধ-পাঁউরুটি৷ বোধহয় পনেরো মিনিটের মধ্যেই ফিরে আসে মা আর দাদা৷ খুকী  ভাবে বাবাকে বোধহয় ছেড়ে দিয়েছে৷ সিঁড়ির কাছে গিয়ে দ্যাখে কই বাবা তো আসে নি৷ আর একি? মা তো সোজা ঘরে গিয়ে মেঝেতে কিরকম ঝুপ করে বসে পড়ল৷ কারো দিকে তাকাচ্ছে না৷ আর দাদা ভীষণ জোরে জোরে কাঁদছে আর মাথার চুল টানছে৷ খুকী  কিচ্ছু বোঝে না, খোকাও না৷ ওর আর সেদিন স্কুলে যাওয়া হয় না৷ কত লোক এসে ঢুকে পড়ে ওদের বাড়ী৷ খুকীর কিচ্ছু মনে নেই ভাল করে৷ দুপুরে নাকি বিকেলে কে যেন বলে "বাবাকে দেখবি চল"৷ নীচে নিয়ে যায়৷ বাবাকে সামনের রাস্তায় একটা কটকটে কমলা রঙের খাটে শুইয়ে রেখেছে ৷ খুকী দেখেছে এই খাটগুলো জগুবাজারে বিক্রী হয়৷ আর কত্ত লোক৷ এরা কারা? কোথা থেকে এল? খুকীকে সবাই বলে "একটু কাঁদ"৷ কিছুতেই ওর কান্না আসে না৷ ও কিছুতেই বোঝে না কেন বড়পিসীমা  বাবার বুকের ওপরে  ওরকম মাথা ঠুকছে৷ বাবার যে কাল বুকব্যথা করছিল! আরো ব্যথা লাগবে তো! মা কেন মানা করছে না? দাদু, দিদা, বড়পিসীমা, মীনামা, জিজি, পিসেমশাইরা, বড়মামা, বড়মামীমা, ছোটদি, ছোটমামা সব্বাই কাঁদছে৷ শুধু আট বছুরে খুকী  আর দুই বছুরে খোকা বড় বড় চোখ করে দেখছে৷ গাদা গাদা লোক মিলে খাটটা কাঁধে তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে৷  খুকীকে জোর করে কারা যেন ওপরে নিয়ে আসে৷ বাবাকে নাকি আর কক্ষণো দেখতে পাবে না৷ সে কী??? তাহলে বাবা যে বলেছিল ২৫শে ডিসেম্বর খুব মজা হবে?

     

    তারপর আর সময়ের হিসাব নেই খুকীর৷ ও শোনে বড়মামীমা মা'কে বলছে "দিদি তুই তো আর এই লাল টিপটিপ ব্লাউজটা ব্যবহার করবি না তাহলে মুন্নির জন্য নিয়ে নিই?" (সেকী! ছোটদি তো শাড়ী পরে না৷ কি করবে ওটা নিয়ে!) খুকী  শোনে জিজি বলছে "এবার থেকে তোদের চটের জামা আর টায়ারের চটি পরতে হবে৷ টায়ার তো বাবার গাড়ীতে আছে৷ তা আবার পায়ে পরবে কি করে? অমন গোল, মোটা জিনিষ পায়ে পরা যায় নাকি? খুকী শোনে ডাক্তারকাকা বলছে বাবার নাকি হার্টের ভাল্ভ্গুলো একটা একটা করে বন্ধ হয়ে আসছিল, কিন্তু বাবা কিছুতেই মাকে জানাতে দেয় নি৷ বলেছিল নতুন বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে ভাল করে চিকিৎসা করাবে, ডিসেম্বর মাসে  ভীষণ কাজের চাপ তো। ও শোনে জিজি নাকি খোকাকে কোলে নিয়ে খাটটার পেছনে পেছনে  হাজরার মোড় অবধি চলে গেছিল, মেজ পিসামশাই দেখতে পেয়ে জিজিকে বকুনি দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠিয়েছে। ভাইটা সেই থেকে কেমন চুপচাপ হয়ে গেল ... পরের বারো তেরো বছরে কোনদিন ‘বাবা’ শব্দটা উচ্চারণ করে নি। অ্যালবামে বাবার ছবির পাতাটা চুপ করে উলটে দিত। 

     

    এইসব কত কি শুনতে শুনতে খুকীটা আমি হয়ে গেল। আরো কত কি শুনতে শুনতে দেখতে দেখতে  আমিটা আদ্দিকালের বদ্দিবুড়ি হয়ে গেছে।   

     

    | | ৩
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ | ২৮৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Prativa Sarker | ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ ২০:০১101336
  • আজ বড়দিন, আজ খুকির স্মৃতি ফেরানোর দিন! খুকিটাকে বড় চেনা লাগে। ওর জন্য সমবেদনা ! 

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ ২১:৫৮101340
  • এই নয় যে প্রথমবার শুনছি - তবু একই রকম খারাপ লাগে। ভালো থেকো। 

  • Ranjan Roy | ২৫ ডিসেম্বর ২০২০ ১০:৪৬101346
  • ভাল থেক দময়ন্তী। 


    বড় ভাল লেখো তুমি।


    নিজের বাবার হঠাৎ মারা যাওয়ার খবর পাওয়ার স্মৃতি মনে এল।

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন