• হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • ধানজমির মাঝে এক্সোটিক রেষ্টুরান্ট!

    সুকান্ত ঘোষ লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৭৮৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার


  • ধানজমির মাঝে এক্সোটিক রেষ্টুরান্ট! জীবনে ভাবিনি এ জিনিসও দেখতে হবে! আসলে এক্সোটিক জিনিসটা যে মাঝে মাঝে আপেক্ষিক, তা মনে করিয়ে দেয় এই সব ঘটনা।

    কয়েক বছর আগে বালি গিয়েছিলাম মা-কে নিয়ে। তো সেবারে ভাবলাম যে একদম প্রচলিত সমুদ্র বীচের (কুটা, সেমনিয়াক ইত্যাদি) কাছে থাকব না – কারণ বড্ড বেশী হইচই, পাব, রাতভর পার্টি ইত্যাদি। আমরা ছেলে ছোকরা মানাবে ঠিক আছে, কিন্তু মা বয়ষ্ক মানুষ, এই সব ঠিক মানাবে না। তাই ভাবলাম একটু ভিতরের দিকে উবুদ-এ কয়েকদিন থাকি, আর কয়েকদিন নুশা-দুয়া র দিকে শান্ত নিরিবিলি বীচে কিছুদিন। তো সেই মত ভিলা বুক করলাম – মা তো আর বেশী বিদেশ ঘোরে না, তাই ভাবছিলাম একটা জমকালো এক্সোটিক ভিলা বুক করা যাক।

    বুক করলাম উবুদ এর এক ভিলা, বুকিং ডট কমে ৯.৪ এর মত রেটিং এবং ঘরের ছবি ইত্যাদি দেখে। ফ্রী ক্যান্সেলেশন ছিল এক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত। এমন সময় একদিন মনে পরে গেল প্রথম বারের এক্সোটিক রেষ্টুরান্টের ঘটনাটি। তড়িঘড়ি চেক করতে ঢুকলাম যে কি এক্সোটিক ভিলা বুক করেছি! লোকেশন চেক করতে গিয়ে চক্ষু চরকগাছ! একেবারে ধানজমির মাঝখানে সেই ভিলা – আশে পাশে দূর পর্যন্ত কিছু নেই। মানে আমাদের গ্রামের বাড়ি আর এই ভিলার লোকেশনের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। রেটিং দিয়েছে যারা তারা সবাই বিদেশী - বেশীর ভাগ ফ্রেঞ্চ। তাদের কাছে এমন ভিলার লোকেশন এক্সোটিক হলেও আমার মা-এর কাছে? বিলকুল নয় – মা-কে এখানে আনলে জিজ্ঞেস করবেই, “তুই বিদেশে আমাকে ধানজমির মাঝে থাকতে আনলি! বাড়িতে থাকলেই হত” – কারণ আমার গ্রামের বাড়িও ওই ধানজমির মাঝে! তারপর মনে মনে ভাবলাম মা যদি ভিলার রেন্ট কোনভাবে জেনে ফেলে তাহলে তো আমাকে মাথা পাগলা করে দেবে – “কে তোকে ধানজমির মাঝে ঘরভাড়া নিয়ে পয়সা নষ্ট করেতে বলেছে?” একেবারে লাষ্ট মোমেন্টে ভিলা পালটে খুব বাঁচা বেঁচে ছিলাম – তবে সেই গল্প অন্যদিনে। আজকে প্রথমবারে বালি গিয়ে ধানজমির মাঝে রেষ্টুরান্টে খাবার গল্প।

    অনেকে দেখি এখানে আলোচনা এবং জিজ্ঞেস করেন বেড়াতে গিয়ে খাবার ব্যাপারটা কতটা ইম্পর্টেন্ট। আমার কাছে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় খাবার এক্সপ্লোর করা এবং তার জন্য সময় দেওয়া দুটোই জরুরী বলে বিবেচিত হয়ে এসেছে চিরকালই। প্রথমবারে গিয়ে আমাদের ড্রাইভার কাম গাইড কাম বন্ধু হয়ে ওঠা পরে – সেই বালির ছেলে ‘দেবা’-কে বলতে হয়েছিল যে প্রতিদিন লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য আমরা নানা রেষ্টুরান্ট ট্রাই করে যাব। স্থানীয় জনপ্রিয়, বিখ্যাত ইত্যাদি যাই হোক না কেন। সেই একবারই বলতে হয়েছিল, তার পর থেকে সে জেনে গিয়েছিল – নিজেই খুঁজে রাখত কোথায় কোথায় নিয়ে যাওয়া যায়।

    প্রথমবারে নিয়ে গিয়েছিল এক জনপ্রিয় রেষ্টুরান্টে যেটার নাম-ডাক খুবই এবং সেটা প্রায় বলতে গেলে ধান জমির মধ্যেই অবস্থিত। কিছুটা পদ্ম ফুলের বন টাইপেরও ছিল – কাঠের এবং বাঁশ দিয়ে বানানো কুঁড়ে ঘর বা আটচালার মত রয়েছে, সেখানে টেবিল ইত্যাদি। যাঁরা বালি গেছেন তাঁরা হয়ত জানবেন আরো নানাবিধ খাবারের মধ্যে বাইরের লোকেদের কাছে বালির এক অন্যতম জনপ্রিয় ডিসের নাম ‘ক্রিসপি ডাক’। মানে ঠিক হাঁসের মাংস ডিপ ফ্রায়েড বললে ওই ডিসটিকে ঠিক ঠাক সম্মান দেওয়া হবে না, কিন্তু অনেকটা তাই। ‘পেকিং ডাক’ এর মত সারা পৃথিবীতে অত প্রচলিত এবং স্টাইল ইত্যাদি করে না খাওয়া হলেও বালির ক্রিসপী ডাক কিন্তু বেশ বেশ জনপ্রিয়।



    এমনিতে বালির প্রায় সব রেষ্টুরান্টেই এই ক্রিসপি ডাক সার্ভ করা হয় – তবে আমি বলব যদি বালি যান তাহলে উবুদের দিকে বিস্তৃর্ণ ধানক্ষেতের মধ্যে বেশ কিছু খুব সুন্দর সুন্দর রেষ্টুরান্ট আছে, সেখানেই খেতে। এগুলো মূলত টুরিষ্টের কথা ভেবেই বানানো – কিন্তু একটা অভিজ্ঞতা। অনেক রেষ্টুরান্ট আছে, কিন্তু সব থেকে বিখ্যাত বা জনপ্রিয় মনে হয় ‘বেবেক টেপি সাওয়া’ (Bebek Tepi Sawah) নামক রেষ্টুরান্টটি। আমরাও সেখানেই গিয়েছিলাম – এটা অবশ্য একটা চেন রেষ্টুরাণ্টের মতন বালিতে – উবুদেরটা দেখতে বেশী সুন্দর আমার মতে। অন্য জায়গাতেও আছে এর ব্রাঞ্চ।

    এখানে লাঞ্চ করাটা একটা অভিজ্ঞতা – বালিনীজ ছাতার মত খাটানো আছে বেশ কিছু - নানা ধরণের পাথরের খোদাই করে বা পাথরের বানানোর হিন্দু দেবদেবীর মূর্তিও আছে ছড়ানো ছিটানো। ছেলে বা মেয়েরা বালির ট্রাডিশনাল ড্রেস পরে খাবার সার্ভ করছে। রেষ্টুরান্টের একপ্রান্তে হালকা স্থানীয় গান ইত্যাদির ব্যবস্থাও আছে মনোরঞ্জনের জন্য।

    এই রেষ্টুরান্টের নামটি ইন্দোনেশীয়ান নাম থেকে যদি বঙ্গানুবাদ করেন তাহলে দাঁড়াবে “ধানক্ষেতের ধারে হাঁস” [‘বেবেক মানে হাঁস, আর ‘টেপি সাওয়া’ মানে ধান ক্ষেতের ধারে]। খাবার সময় দেখতেই পারেন যে পাশের ক্ষেতে হাঁস ঘুরে বেড়াচ্ছে – তেমন কোন হাঁসই রান্নাঘর মারফত আপনার পাতে হাজির হয়েছে। তবে এরা হাঁসের ছাল ছাড়িয়ে রান্না করে না – কারণ মাংসের মত ছালটাও ডেলিকেসির মধ্যে পরে যায় এদের খাদ্যাভাসে।

    আপনি যদি রেষ্টুরান্টে গিয়ে ক্রিসপী ডাক অর্ডার করেন তাহলে হাঁসের মাংস তো পাবেনই, আর তার সাথে আসবে সুগন্ধী ভাত (তবে আমাদের বাসমিত বা গোপালভোগের মত সুগন্ধ নেই কিন্তু!), বালিনীজ স্টাইলে রান্না করা কিছু মিক্সড ভেজিটেবল আর তার সাথে তিন রকমের মশালাদার লঙ্কা ইত্যাদি দেওয়া এবং সম্বল সস। হাত দিয়ে খাওয়াই বেটার – এমনিতে এমন চলে ফিরে বেড়ানো হাঁসের মধ্যে বিশাল ফ্যাট বা মাংস কিছু থাকে না। অনেকের কাছে তো বেশ ছিবড়েও লাগতে পারে খেতে। এই ক্রিসপী ডাক রান্নার প্রথম স্টেপে নানা রকমের বালিনীজ মশালা এবং হার্বস মাখিয়ে মেরিনেট করা হয়। বেশ কয়েক ঘন্টা মেরিনেট করার পর হাঁসটিকে তাকে গরম জলে ফোটানো হয় যাতে কিছু গন্ধ আর না থাকে। এই ফোটানোটা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত করা হয় যাতে মাংসটা বেশ টেন্ডার হয় – বেশিও না আবার কমও না। অপটিমাম লেভেলে। এর পরে জিনিসটিকে ডীপ-ফ্রাই করা হয় গোল্ডেন-ব্রাউন করে।



    আর একটা ব্যাপার জানিয়ে রাখি – বালির হিন্দুরা (যা প্রায় ৮৫% বালি দ্বীপের) কিন্তু পর্ক খায় (এবং বীফও) এবং এর জন্য কিছু ধর্মীয় ব্যাপারে কনফ্লিক্ট হচ্ছে বলেও ওরা মনে করে না। আর তার থেকেও বড় কথা আপনি হয়ত বললেন ‘নো-বীফ’ – রেষ্টুরান্টে আপনাকে ‘নো-বীফ’ ডিস সার্ভ করা হবে – কিন্তু তাতে থেকে যেতে পারে পর্ক। কারণ নো-বীফ হবে বলে নো-পর্কও অটোমেটিক চয়েস হবে এমনটা ওরা জানে না। বিশেষ করে রেষ্টুরান্টে ফ্রায়েড রাইস ওদের আগে থেকেই বানানো থাকে – এবং তাতে পর্ক থাকবেই। এই ব্যাপারটা একটু খেয়াল রাখবেন যদি আপনি পর্ক বা বীফ না খান।

    এই জন্য মায়ের সাথে যেবারে গিয়েছিলাম একটু এক্সর্টা খেয়াল রাখতে হয়েছিল কি সার্ভ করছে সেই নিয়ে। ট্রাডিশনাল বালি-র রান্নাও দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম একটা ‘অর্গানিক রেষ্টুরান্টে’ – সেই রেষ্টুরান্টে সব কিছুই তারা নিজেদের বাগান/জমি/খামার থেকে উৎপন্ন করে। এক পাশে বালিনীজ রান্না আগেকার মত করে এবং এক পাশে আধুনিক কিচেন দুই – আছে। তবে এটাও ধান জমির মাঝখানে! খাবার খুবই ভালো ছিল –



    ফুড ট্যুরিজম ইত্যাদি সব এখনকার টার্ম – এমন সব চুলচেরা ক্লাশিফিকেশনে আমি ঠিক বিশ্বাস রাখি না। বেড়াতে গিয়ে দেদার খাই এটুকুই বলতে পারি। খেয়ে নড়তে পারছি না এমনও হামেশাই হয় – এই বয়েসেও!
  • বিভাগ : ভ্রমণ | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৭৮৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৯:২৪102336
  • জ্বিও সুকিভাই !


    নিমোগ্রাম জিন্দাবাদ!!

  • Ramit Chatterjee | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:০২102337
  • দারুন লাগলো , মনে মনে টুক করে ঘুরে এলাম

  • kk | 97.91.195.43 | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৩:৩৫102345
  • খুব ভালো লাগলো সুকি। বালি সম্পর্কে সদ্যই একটা বই পড়লাম, তাই আরো রিলেট করতে পারলাম। এই 'বেবেক টেপি সাওয়া' নিয়ে অ্যান্ড্রু জিমার্ন একবার দেখিয়েছিলেন।

  • dc | 171.49.213.225 | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৮:০৫102348
  • বাঃ খুব ভালো লাগলো। আগের বছর বালি যাবো ঠিক করেছিলাম, তখন বালি নিয়ে অনেক রিসার্চও করেছিলাম। 


    "আমার কাছে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় খাবার এক্সপ্লোর করা এবং তার জন্য সময় দেওয়া দুটোই জরুরী বলে বিবেচিত হয়ে এসেছে চিরকালই" - এইটা এক্কেবারে আমার ​​​​​​​মনের ​​​​​​​কথা। ​​​​​​​

  • সুকি | 49.207.222.204 | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৯:১৭102351
  • রঞ্জনদা, রমিত-বাবু, কেকে-দি, ডিসি সবাইকে ধন্যবাদ।


    আগেও লিখেছিলাম এখানে, বালি এখন খুবই টুরিষ্ট ভরা জায়গা, বেশ কর্মাশিয়াল ব্যাপার স্যাপারে ভর্তি - কিন্তু তবুও আমার খুব প্রিয়।  


    কেকে-দি, বেবেক টেপি সাওয়া হাঁসের মাংস বলে ব্যক্তিগত ভাবে খুব যুগান্তকারী বলে কিছু মনে হয় নি আমার। এর থেকে অনেক ভালো ভালো হাঁসের ডিস আছে, কিন্তু ওই যে লোকাল ডেলিকেসী বসে একটা ব্যাপার আছে। সেই জন্য খাই। এবং খারাপ লাগে না এটা বলতে পারি।


    ডিসি, মনে আছে আপনি বলেছিলেন বালি যাবার প্ল্যান আছে। আশা করি খুব শীঘ্র যেতে পারবেন। 

  • প্রদীপ কুমার বিশ্বাস | 116.193.130.50 | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১০:৩৯102353
  • ইন্দোনেশিয়া তে কয়লা খুজেছি ঐ যে হাঁসের মাংস বললেন ওতা টো খুব ভাল তবে এর বিরিয়ানী ধরনের একটা রান্না করে( নাশী গোরেঙ্গ এইরকম কিছু নাম)   সেটা এর সাথে খেতে খুব ভাল লাগে । রেস্তোরান্তে যাই নি, কেননা দুর্গম অরণ্যে ঘুরতে হয়েছে । ইন্দোনেশিয়ান লোকজনেরা সাথে ছিল তারা রান্না করত তবে তাদের মধ্যে তিন চারজন পাঁচ তারা হোটেলের কুক ছিল আমাদের দলে এসেছিল জঙ্গলে বেড়াবে বলে । মুরগির মধ্যে একটা বাচ্ছা মুরগি ঢুকিয়ে মাটির পাত্রে একটা রান্না করত তা খুব নৃশংস বলে মনে হলেও একবার খেতে হয়েছিল । ভাল খেতে কিন্তু রুচি তে বাধছিল ।  জঙ্গলের পাখি জাল পেতে ধরে তার মাংস আর সাথে বিশাল আকৃতির মেটে  আলু  দুটোই আগুনে একসাথে পুড়িয়ে খেত এরা সেটাও একবার টেস্ট করেছিলাম । সত্যি  বলছি খুব দারকুন খেতে যদিও এইভাবে পাখি ধরা আমি মানতে পারি নি ।  

  • স্বাতী রায় | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২৩:৪১102394
  • স্থানীয় খাবার না খেলে আবার বেড়ান পুরো হয় নাকি? খুব ভাল লাগল। 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন