• হরিদাস পাল  গপ্পো

  • আনন্দ বেদনার ব্যবচ্ছেদ   

    রোমেল রহমান লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ০৮ নভেম্বর ২০২০ | ৫৯৮ বার পঠিত
  • যাকে আজ কিনে আনা হয়েছে তার চেহারা সুন্দর।  অর্থাৎ সুন্দর এবং সুস্থদের তাহলে পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। মানুষ সত্যিই মহান, প্রকল্পটা শুরু হয়েছিলো বিকলাঙ্গ বা কদাকার দেখতে যারা তাদেরকে নিয়ে। কিন্তু যেটা হয় আর কি এবার আসলটা বেরিয়ে গেছে।  আসলে অভাব এমন একটা জিনিস যা পরিমাণে বাড়িয়ে দিতে পারলে একটা সময় লাভ আসবেই।  


    গত সপ্তাহে দীর্ঘ সাফল্যজনিত ক্লান্তির শেষে ছেলেমেয়ারা পার্টি দিয়েছিলো, সেখানে আনা হয়েছিলো একটা উন্মাদকে কিনে।  সরাসরি মফস্বলের রাস্তা থেকে গুম করে এনে দিয়েছিলো এজেন্টরা।  দাম অবশ্য কম নেয় নি বরং বলেছিল ‘একেবারেই জঘন্য জিনিস’, ফলে ছেলে মেয়েরা আনন্দ অনুভব করেছিলো ভীষণ, হিংস্র আর ঘেন্নাকর এক আনন্দ, কেনোনা পাগলটাকে যখন বের করে আনা হল দেখা গেলো এতোটাই নোংরা যে, রাস্তায় পায়খানা করে করে না ধোয়ায় মল শুকিয়ে একেবারে চলটা পড়ে গেছে ওর পাছায় আর ত্বকে যেন ফাঁপা পলেস্তারার মতো ময়লার পরত, ফলে ছেলে মেয়ারা উত্তেজনা বোধ করলো ভয়ানক, নোংরা ঘাটার উল্লাস।  যৌনতার জন্য এখন আর কাউকে কিনে আনা হয় না, নগ্ন নৃত্যর বিক্রি নেমে গেছে, ওগুলো যখন সস্তায় পাওয়া যায় তখন আনন্দের জন্য নতুন কিছু চাই, গত প্রজন্মের যারা এই ছেলেমেয়েদের বড় ভাই বোন তারাও কিছুটা যৌনতায় পিপাসিত ছিল কিন্তু এদের কাছে ওসবের থেকে আরো নতুন কিছুর স্বাদ গুরুত্বপূর্ণ, তাই হয়তো কিনে আনা নগ্ন পাগলটাকে যখন ছেড়ে দেয়া হলো ওদের সামনে, চিবুক বেয়ে নেমে আসা কষ আর একটু পর পর কেঁপে ওঠা পাগলটার উপর ঠিক যেন পঙ্গপালের মতো ঝাঁপিয়ে পড়লো ছেলেমেয়েদের কয়েকজন এবং তারা পাগলের শরীরের নোংরা চাটতে লাগলো শুঁকতে লাগলো তার ঘ্রাণ।  ফলে আমাদের বমি পেলেও তারা কিন্তু মাদকতা পাচ্ছিল, কিন্তু আচমকা এরকম জাপটাজাপটি কিংবা এরকম চাটাচাটিতে পাগলও আঁতকে উঠে চিৎকার দিতে দিতে হাতপা ছুড়তে লাগলো আর সেই বিকট বিকৃত চিৎকার শুনে ছেলে মেয়েদের অন্যরা উল্লাস করতে লাগলো আর ঠিক তখনই পাগলটার সর্বচ্চ শক্তিতে ছুঁড়ে দেয়া লাথিটা লাগলো এই ধনকুবের প্রজন্মের এক মোমের পুতুল টাইপ মেয়ের টসটসে পাছায়, এবং অতিরিক্ত গতির ফলে  মেয়েটা ছিটকে গিয়ে পড়লো তার মতো নরম সোফায়, ফলে অন্যরা আতংকিত হয়ে গেলো এবং সঙ্গে সঙ্গে তাদের একজন বেসবল খেলার মুগুর দিয়ে এক পিটানে পাগলের একটা পা ভেঙে দিতেই সবাই উল্লাসে চিৎকার করতে লাগলো আর তখনই তারা আবিষ্কার করলো যে, এক পা ভেঙে দিলে পাগল দেখতে অন্যরকম হয়ে যায়, ফলে যন্ত্রণায় যখন পাগলও চিৎকার করছিলো তখন একজন বলল, ওর জিহ্বা কেটে দিলে কিন্তু চিৎকারের স্বর পাল্টে যাবে, অন্য কিছু একটা ঘটবে, চরম ফান হবে; তখন তারা এগিয়ে গেলো, আর জিহ্বা হাতে ধরতে না পারায় একজন বলল, একটা সাঁড়াশি নিয়াস তো...!


    ফলে সেইদিনের অভিজ্ঞতা তারা শেয়ার করেছে তাদের সোসাইটির অন্য বন্ধুদের সঙ্গে এবং সেই গ্রুপ আরো বেশি মজা করার জন্য একজোড়া প্রেমিক প্রেমিকা কিনে এনেছিল অন্তজ পাড়া থেকে, এবং প্রেমিকের সামনে প্রেমিকাকে বা প্রেমিকার সামনে প্রেমিককে থেঁতলে দেয়া হয় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে, ফলে তারা বিস্ময় নিয়ে দেখে মানুষের জন্য মানুষের ক্রন্দন।  চারদিকে আনন্দে শুধু হাততালি পড়ছিল আর একটা চকলেটের মতো ছেলে বলল, জীবনে এই প্রথম সে কান্না দেখল, ফলে সবাই তার জন্য আবার চিৎকার দিয়ে উঠলো, ফলে মৃতপ্রায় প্রেমিক বা প্রেমিকার সামনে এবার যখন তার প্রেমিক বা প্রেমিকার পাঁজরের হাড় কার্টার দিয়ে কট্‌ কট্‌ করে কাটা হচ্ছিলো হৃদপিণ্ড খুবলে এনে দেখার জন্য, তখন ছেলেমেয়েরা দেখল মৃত্যুর মুখোমুখি দাড়িয়েও ভালোবাসার মানুষটিকে বাঁচাতে কাৎরাচ্ছে বেঁধে রাখা আহত প্রেমিক বা প্রেমিকাটি আর গোঙাচ্ছে, ফলে তারা এর মূল অনুভূতিটি উপলব্দি করতে পারে না, কেনোনা শারীরি যন্ত্রণায় মানুষ কাঁদতে পারে তা বলে অন্য কি এমন যন্ত্রণা থাকতে পারে যার জন্য একজন মানুষ অন্যজনের জন্য কাঁদে, এটা কি অনর্থক নয়? সেদিনের সেই ঘটনার পর একটা মহল চিন্তিত হয়ে গেছে কান্নার কারণ বিষয়ক অনুভূতি উপলব্দির জন্য কিন্তু কেউ খুঁজেই পাচ্ছে না যে তারা কি করে সেটার স্বাদ পাবে।



  • ফসল ফলছিল ভালোই, শহর থেকে টিভি চ্যানেলের ক্যামেরা এসে অতিরিক্ত ফসল ফলনের ছবি তুলে নিয়ে গেছে, কিন্তু কৃষক বা উৎপাদকেরা যে শেষমেশ দাম পায় নি এটা কেউ তুলতে আসে নি, ফলে যারা ফসল ক্ষেত থেকে কিংবা হাট থেকে কিনে নিয়ে শহরের পাইকারদের কাছে বিক্রি করে তারা বলেছিল, ‘...বেচলে বেঁচো নাইলে না খায়া মরো’, কিংবা খরায় ফসল ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মাথায় অনাহারী দিনে নেমে এলো, নেমে এলো দাদনের টাকার বোঝা।  ফলে এক সময় বীজের দাম সারের দাম কিংবা সংসার চালাতে না পারায় কৃষকেরা জমি বেঁচে দিয়ে বর্গা করতে লাগলো আর কবছরের মধ্যে সে কাজ ফেলে তাদেরকে কারখানায় চাকরি নিতে হয়েছে, আর সংসার চালানোর খরচ যোগাড় করতে না পেরে যারা আম জাম গাছে ঝুলে পড়তে পারে নি তাদের কাছে একটা নতুন প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলো একদল লোকেরা, তারা বলেছিল... সাহেবরা নতুন আনন্দর লাইন খুলেছে যেখানে তারা মানুষ কিনে নেয়।  অভুক্তরা বলল, বেশ্যাগিরি? তারা বলল, ‘...ব্যবহৃত মাল তারা ফেরত দেন না, ডাস্টবিনে ফেলে দেন!’ ফলে গ্রামের দরিদ্র মানুষেরা বুঝতে পারলো না মানুষ কি করে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া যায়।  শুধু তারা জানতে পারে যে, যাকে বিক্রি করে দেয়া হবে সে  আর ফিরবে না।   ফলে ক্ষুধার মুখোমুখি এক মা যখন অন্য সন্তানদের খাবার দিতে না পারার জন্য সবাইকে নিয়ে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করলো ঠিক একই সময়ে অন্য মা বাকি সন্তানদের বাঁচানোর জন্য তার প্রতিবন্ধী বাচ্চাটাকে বিক্রি করে দিলো প্রথম।  আর তারপর দেখতে ভালো না বা একটু শারীরিক সমস্যা আছে এমনদের সংখ্যা কমে আসতে লাগলো।  শহরে এখন পয়সাওয়ালার সংখ্যা কতো তা কারোর জানা নেই, ফলে নগর কাঠামোর বদল এসেছে, মূল শহরে একজনও নিম্নবিত্ত নেই, এক ফোঁটা উদোম মাঠ নেই, নদী দেখলে মনে হয় শানবাঁধানো লেক, আর মূল নগরের বাইরে যারা তারা মূলত এই নগরের পরিষ্কারকর্মী, আর তারপর বসবাস করে শ্রমিকেরা, কিন্তু সেখানে যাওয়া যায় না, কেননা এই নগরের রূপের রহস্য তাহলে ফাঁস হয়ে যায়, সেখানকার কারখানা গুলোর মধ্যে মনে হয় যেন, ক্রীতদাসের খোঁয়াড়, ফলে গ্রাম গুলোতে এখন এজেন্টেরা আসে মানুষ কিনতে। 



    আজ যাকে আনা হয়েছে সে শারীরিক ভাবে পুরো স্বাভাবিক, একজন বলল; ‘ও দেখতে তো আমাদের মতোই সুন্দর’, কয়েকজন বলল, ‘আসো শুঁকে দেখি ওর গন্ধ কেমন!’ সকলেই তার সমস্ত শরীর শুঁকে দেখতে লাগলো আর উদ্দিপ্ত বোধ করতে লাগলো, তবে সবাই সতর্ক ছিল কেনোনা এরা ঘেন্নাকর মানুষ এদের দিয়ে বিশ্বাস নেই যদি লাথি দিয়ে বসে, তখন একজন বলল, ‘আসো সেক্স করি, ওকে সবাই মিলে ধরি!’  অন্য কেউ বলল, ‘বাদ দাও ওটার দরকার নেই, যদি কোন অসুখ হয়ে যায়, এরা তো মানুষ নামক জানোয়ার’ , কে যেন বলল, ‘সেটাই তো মজার!’ অন্য কে যেন বলল, ‘উঁহু! আমার মাথায় একটা আইডিয়া এসেছে’ , তখন সে বলল; ‘দেখো ওর গায়ের চামড়া ভীষণ সুন্দর, আমরা সবাই মিলে ওর চামড়া ছুলে ফেলতে পারি!’ সকলেই হই হই করে উঠলো আর প্রস্তাব পাশ হয়ে গেলো, একজন বললো, ‘এটা কেউ আগে করে নি, এই আনন্দ আমরাই প্রথম করবো!’  তখন অন্য কেউ বলে, ‘ওর চামড়া এমনভাবে ছিলতে হবে যেন একটা কোর্টের মতো গায়ে দেয়া যায়, তাহলে আমরা ওর রক্তমাখা চামড়া গায়ে দিয়ে অন্যদের দেখিয়ে জানাতে পারবো আনন্দ আবিষ্কারে আমরা কতোটা তীব্র এগিয়ে। ’  সবাই সম্মত হল, অথচ তার চোখ নির্বিকার।   তখন চামড়া ছিলে ফেলার প্রস্তাব যে করেছিলো সে তার কানের নিচে চুলকায়, এবং আচানক সে খেয়াল করে তার আঙুল রক্তে ভিজে উঠছে, এবং সকলেই তখন চিৎকার শুরু করে কেনোনা তারা দেখে রক্ত তার শরীর চিরে চিরে চুয়িয়ে পড়ছে, আতংক সকলের মধ্যে তখন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ওদের অন্য একজন তার আঙুল গুলোতে খেয়াল করে দানাদানা বিচি উঠছে আর মুহূর্তে মধ্যে সেই বিচি ফেটে আঠালো কষ ঝরতে থাকে, এবং তারপর রক্ত; অন্যরা আতংকে চেতনা হারিয়ে ফেলে আর বলে, নির্ঘাত ওটা একটা আস্ত পিশাচ, রক্ত খেতে এসেছে... এরা ভয়ানক রক্ত পিপাসু! আতংক চিৎকার আর ক্রন্দনের বিপন্ন সুর শুনতে পেয়েও বাইরে থাকা সিকিউরিটি গার্ডরা ভেতরে খোঁজ নিতে আসে না, তারা জানে ভেতরে তীব্র হিংস্র আনন্দ চলছে, এ তারই চিৎকার!


    ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭


    [email protected] 

  • বিভাগ : গপ্পো | ০৮ নভেম্বর ২০২০ | ৫৯৮ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন