• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • করোনাকালীন (দুই)

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১৫৬ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • #করোনাকালীন (দুই)
    নয়
    পুনের বিকেলে গোলাপি আকাশ। একটা ক্যালাইডোস্কোপিক ভিউ।আকাশের দিকে তাকালে কেউ ভাবচটতেই পারবে না যে এখন প্রায় পাঁচশ কোভিড রোগী এই শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে , নাকে নল নিয়ে শুয়ে আছে।তাদের পরিবারগুলি আছে মারাত্মক রকম আইসোলেশনে ।ইতিমধ্যেই মারা গেছেন আটত্রিশ জন।গোটা জেলাতে করোনা ভাইরাস রোগী প্রায় সাড়ে পাঁচহাজার। মোটেই ভালো অবস্থায় নেই শহর।এমনকি গ্রাম।কেউ নিরাপদ নয়।কোথাও নিরাপদ নয়। একটা ঝলমলে রবিবার, যখন কোথাও কোনো খাদ নেই প্রকৃতিতে, গাছের পাতা চকচক করছে সবুজে, আটজন পেশেন্ট মরে গেল। দ্যাট ওয়জ নিউজ।
    দেবরূপ বাড়িতে ফোন করেছিল সকালে। বাবা।
    - বাড়িটা কেমন ঠান্ডা হয়ে গেছে রে।
    - কোনো ইমপ্রুভমেন্ট নেই?
    - স্লাইট। অ্যাট লিস্ট ওয়ান পজিটিভ থিংগ।শ্যামা এসেছে।থাকছে এখানে।
    - ও গুড। শ্যামাদি এসেছে?দ্যাটস ভেরি গুড।
    - ও তো কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ছিল।পজিটিভ হয়েছিল।তারপর আম্ফানে ওর ঘর একেবারে পড়ে গেছে।
    - সবসময় আছে?
    - কোথায় যাবে আর? ছেলে নিয়ে এখানেই আছে। গুড ফর ইওর মম।ও জানে তোর মায়ের নিডগুলো।
    - সাউন্ডস সেলফিশ বাবা। তুমি কেন জানো না?
    - বাদ দে।কোনোমতে চলে যাচ্ছে। তুই শরীরের যত্ন নিচ্ছিস তো?
    - ডোন্ট ওরি। ঠিকাছি।কাজ শুরু করব।
    - চেক আপ করাচ্ছিস তো?
    - করাচ্ছি।রাখলাম।
    কট করে ফোন কেটে দিল।

    ঠিক একমাস আগে অসুস্থ হয়েছিল। নির্মাল্য সামন্তর আত্মহত্যার খবর এসেছিল ফোনে।

    নির্মাল্য এসেছিল ওর কাছে ফেব্রুয়ারিতে। মার্চে। তখন ওদের ফুল ফর্মে নিউজ কাভারের কাজ চলছে।রাত্রে ফিরত। ডিনারে বসতো দুজনে মুখোমুখি ।তখন কোভিড না।আগুন।
    অস্ট্রলিয়া তখন পুড়ছে। বুশ ফায়ার। ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে ।

    দুহাজার উনিশের জুন অস্ট্রলিয়ার কুইনসল্যান্ড ফায়ার অ্যান্ড এমারজেন্সি সার্ভিসের অ্যাক্টিংঙ ডিরেক্টর একটি সাবধানবার্তা দিয়েছিলেন। উত্তর অস্ট্রেলিয়াতে বুশফায়ার আসতে চলছে। সাবধান।
    প্রকৃতি সাবধানবার্তা দিয়ে চলে। আমরা অনুসরণ করতে পারিনা।
    অসম্ভব শুষ্কতা।মাটিতে বিন্দুমাত্র আর্দ্রতা নেই।সেন্ট্রাল কুইনসল্যান্ড আগুন আগেই সাবধানবার্তা দিয়েছিল। দুহাজার কুড়ির মার্চ মাসের নয় তারিখে আগুন ছড়ালো।টিভিতে দেখেছিলি, কীভাবে পুড়ে যাচ্ছে জঙ্গল ।কোয়ালাগুলো আধপোড়া হয়ে পড়ে আছে।জল চাইছে। ষাঠহাজার বিল্ডিং শেষ। প্রায় তিন হাজার বাড়ি পুড়ে ছাই।
    ব্ল্যাক স্যাটারডে ফায়ার।মাল্টিপল স্টেট অব এমারজেন্সি ডিক্লেয়ার করে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্স নামানো হয়েছিল।
    তখনো আমরা কেউ কোভিডের কথা জানিনা।
    বাতাস ভয়ানক উত্তপ্ত ছিল অস্ট্রেলিয়াতে। তার সঙ্গে বজ্রপাত।আগুন ধরে যাবার সহজতম উপায় একে কী প্রাকৃতিক আগুন বলা যায় না মনুষ্যকৃত?
    তুই উত্তর খুঁজে যা নির্মাল্য ।অ্যাকচুয়ালি হি ওয়জ মাচ কনসার্নড।
    দেবরূপের চোখে শুধু ভাসে ক্যাঙ্গারু আর কোয়ালা। পুড়ে যাচ্ছে। ছটফট করছে।হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে মানুষের দিকে।
    মিডিয়া তর্ক চালাচ্ছে। ইজ দিস ফায়ার নেচারাল অর ম্যানমেইড?
    ইজ কোভিড ভাইরাস নেচারাল অর ম্যান মেইড?
    নির্মাল্যর সঙ্গে শেষ দেখা। ভোরে বেরিয়ে গেছিল । তখন দেবরূপ ঘুমিয়ে । নোট রেখে গেছিল।বাই।

    নিশান্তকে দেখলেই কেমন ইরিটেশান হচ্ছে ইদানীং কিন্তু এরকম তো হবার কথা নয়।নিশান্ত এত যত্ন করে ট্রিটমেন্ট করেছে ওকে! হসপিটালে পর্যন্ত নেয়নি নিজের রিস্কে। অসম্ভব মেধাবী ডাক্তার ।অদিতি ব্লাইন্ডলি নিশান্ত ঠাকরেকে বিশ্বাস করে । রেগুলার নিজে দুবেলা এসেছে।ডায়েট চার্ট করে দিয়েছে।বেশি কথা বলে না। তবু কেন ওর এই ফিলিংগটা হচ্ছে? অ্যাম আই গেটিং পজেসিভ অ্যাবাউট অদিতি? অদিতি যে এত,ডিপেন্ড করছে নিশান্তের ওপর, এটা অসহ্য লাগছে।এমনিতে অদিতি ভীষণ কমপিটেন্ট ও কনফিডেন্ট।কিন্তু এখন কী ভয়ানক ভাবে নিশান্তকে মেনে চলছে! অ্যাজ ইফ ভগবান। শি ইজ স্পেন্ডিং টু মাচ টাইম উইদ দ্যাট গাই।
    দেবরূপ কেমন অস্থির বোধ করতে লাগল। নিজের শার্টের ঘেমো গন্ধ অসহ্য' লাগছিল। গন্ধবোধ ফিরে এসেছে বটে কিন্তু অনেক গন্ধই বিরক্তিকর লাগছে ওর।যখন গন্ধবোধ ছিল না, বেশ ছিল।ল্যাবে ফিরবে দু চার দিনের মধ্যেই । এমনিতে ল্যাব বন্ধ । পাঁচ , ছ জন অল্টারনেটিভ দিনে কাজ করছে।
    পুণে কোভিডকে আলিঙ্গন করেছে ।অথবা কোভিড পুনেকে।গোলাপি রঙটাকেও বিরক্তিকর লাগছে। অ্যাম আই ইনহেরিটিং ডিপ্রেশন ফ্রম মাই মাদার?
    অদিতি রুম ফ্রেশনার ব্যবহার করে না। তেজপাতা পোড়াচ্ছিল। এসেনশিয়াল অয়েল, টি ট্রি বা রোজমারি আরো কী সব দেয়।কর্পৃরটর্পূর। একটা ভেষজ সুগন্ধ খেলা করে ঘরের মধ্যে। এইসব নাকী মনের জন্য ভালো ।মন মাই ফুট!
    নিশান্ত আর অদিতি ঘরে ঢুকতেই ও স্টিফ বোধ করেছে ।পোড়া কোয়ালার মত।শুকনো।
    নিশান্ত এসেই সোজা ওয়াশরুমে চলে যায় ।অদিতির হাতে পেপারব্যাগে বেশ কিছু জিনিসপত্র।সবজি।কমপ্ল্যান।বিস্কিট।ম্যাগি।
    ম্যাগি ওর তীব্র অপছন্দের । খেলেই পেটে কেমন অস্বস্তি হয়। চাও অনেক বেটার।কিন্তু অনেক তরিবত করে চাও করার সময় অদিতির হাতে নেই। কাজেই সে ম্যাগি আনে। নিশান্তের বাথরুমে থাকার সময়টুকু ও ঘাড় গুঁজে খবরের কাগজে কাটায়।যাতে অদিতির চোখে চোখ না পড়ে।ওর রাগ, ঈর্ষা সব ও খবরের কাগজে ডুবিয়ে দিচ্ছে।
    অদিতি জিনিসপত্র তুলতে তুলতে আড় চোখে ওকে দেখল।মেপে নিল এবং বুঝে গেল গন্ডগোল হয়েছে কিছু।
    অচ্যুত শিবরামণ এবং মুমতাজ আহমেদের কন্যা অদিতি এইসব আলপটকা মন খারাপ বা মেজাজ বিগড়ে গুম হয়ে বসে থাকাকে মোটেই পাত্তা দেয় না।আবার মাতৃকূল বাঙালি হওয়া বশত সে ঠিক গুমড়ে থাকার সেন্টিমেন্ট ঠিকঠাক ধরে ফেলে। অদিতি একটা মেজেন্টা কুর্তা পরেছে আজ। সামনে শর্ট।পিছনে লম্বা। সঙ্গে কালো চুড়ি পা। সাধারণত ও জিন্স টপে চলে। আজ এই সাজের কারণ কি নিশান্ত ঠাকরে?
    খবরের কাগজের একটা শব্দঽও মাথায় ঢুকছে না। আর অদিতি সেটা খুব ভালো করে বুঝে গুণগুণ করে গান গাইতে গাইতে তেজপাতা পোড়ানো শেষ করে বিস্কিট তুলছে কাঁচের জারে। ও কোনো প্লাস্টিক কনটেইনার নিজেও ব্যবহার করে না। দেবরূপকেও করতে দেয় না।দেবরূপের বিগড়ে থাকা একেবারে বিপন্ন করে তছনছ করে দিচ্ছে সপ্রতিভ চলাফেরাতে, গুণগুণ গানে , কাঁচের জারে টুকটাক শব্দে ।কফির জলও বসিয়ে ফেলেছে দ্রুত হাতে। মেজেন্টা রঙের আভা ওর বাদামি ত্বকে। ঈষৎ চ্যাপ্টা নাকে।
    নিশান্ত বেরিয়ে এল ওয়াশরুম থেকে।ওর মধ্যে সবসময় একটা ঝকঝকে ভাব থাকে। অসম্ভব ফর্সা বলেই ফ্রেশনেসটা মেইনটেইন করতে পারে বলে দেবরূপের ধারণা। সাবানের একটা হাল্কা পরিচ্ছন্ন গন্ধও নিশান্তকে ঘিরে বেরিয়ে এল। হাইটের জন্য ওকে একটু ঝুঁকে টুলটা টেনে বসতে হয়। অক্সিমিটার হাতে তুলে নিতেই দেবরূপ বলল, আই হ্যাভ চেকড।ইটস ফাইন।
    ওর গলাতে স্পষ্ট অপছন্দ । খুব বোকা বোকা।নিশান্ত ওর চিকিৎসক। সে স্টেথো বসালো। এবং অক্সিমিটার রেডি করল। পুরো আপত্তিকে উড়িয়ে দিয়ে ।
    অদিতি তিনটে কফি মাগ রেডি করছিলো। দুটো লাল।একটা হলুদ। আধ শোয়া অবস্থাতে দেখল দেবরূপ।
    দুটো লাল মানে কে কে? অদিতি আর নিশান্ত? দেবরূপ হলুদ? শিশুসুলভ রিফিউজাল গলগল করে উঠে আসছে।
    তীব্র খ্যানখ্যানে সুরে বলল, আমি কফি খাব না।ম্যাগিও না।
    নিশান্ত ঘন নীল একটা শার্ট পরেছে।ও সবসময় শার্ট পরে। হাত গোটানো।ফর্সা হাতে নীল শিরা। এরপর চেকাপ খুব যান্ত্রিক ভাবে সম্পন্ন হল ।
    অদিতির হাতে লাল কফি মাগ। নিশান্তের হাতে হলুদ। একটা লাল মাগ পড়ে আছে। ফাঁকা।কিচেন টেবিলের ওপরে রাখা।কফির তলানি নেই। গদগদ চিনির চিহ্ন নেই।ফাঁকা।শূন্য।
    ও মোটামুটি ঘাড়ঘোঁজ করেই থাকল আজ। নিশান্ত টুকটাক কথা বলে চলে গেল । অদিতি কি থাকবে না থাকবে না? ( চলছে)
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১৫৬ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আরও পড়ুন
কাঠাম - Rumela Saha
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় | 122.163.105.225 | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৯:১৮97392
  • দারুণ।  বড্ড দারুণ।   

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত