• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  বিবিধ  শনিবারবেলা

  • দখিন হাওয়ার দেশ

    অরিন বসু
    ধারাবাহিক | বিবিধ | ০৮ আগস্ট ২০২০ | ৬৮৬ বার পঠিত
  • ২/৫ ( ১ জন)
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • পর্ব - ১ | পর্ব ২ | পর্ব ৩
    দেখতে দেখতে কতগুলো বছর পেরিয়ে গেলো নিউ জিল্যান্ডে। এখনো চোখের সামনে প্রথম যেদিন এসেছিলাম, সে দিনের দৃশ্য ভেসে ওঠে। মধ্য জুলাই এর সকালবেলা, ঘুমমাখা অলস চোখে প্লেনের সিটের ধারে কনকনে ঠান্ডা জানলায় চোখ রেখে বাইরের দিকে তাকিয়ে আছি, দেখছি টাসমান সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ছে দক্ষিণ দ্বীপের পশ্চিম তটরেখায়। পাইলটের আকাশবাণী হল আর কিছুক্ষনের মধ্যে আমরা ক্রাইস্টচার্চের বিমানবন্দরে অবতরণ করব, ঠিক এই সময়ে নজরে এলেন দক্ষিণ আল্পস, পাহাড়চূড়ায় তুষার, যেন সদ্য স্নান করে গায়ে ট্যালকম পাউডার মেখে স্থাণুবৎ গা এলিয়েছেন পশ্চিমতটরেখা বরাবর। তরঙ্গের মতন সাদা বরফের চূড়া, তার অনতিগভীরে কোথাও বা পাহাড়ের কোলে পান্না সবুজ ছোট হ্রদ, তারপরেই ক্যান্টারবেরির প্রশস্ত প্রান্তর জুড়ে এঁকেবেঁকে চলা অজস্র শিরা উপশিরার মতন নদী, দেখতে দেখতে ক্রাইস্টচার্চ ঘিরে আকাশপাখি গোল করে ঘুরতেই চোখ জুড়িয়ে গেলো প্রশান্ত মহাসাগরের নীল দিগন্তে ম্যাজিক।



    তবে বাঙালির সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের সম্পর্ক হাল আমলের নয়। আমি নিউজিল্যাণ্ডের কলোনীর ইতিহাস, বিশেষ করে ভারত নিউজিল্যাণ্ড সম্পর্ক পড়তে গিয়ে দেখছি যে সেযুগে (১৭৭০-) ইংরেজের পূর্ব এশিয়া এবং প্যাসিফিক অভিযান করার সময় চট্টগ্রামের স্থানীয় নাবিক, বিশেষ করে লস্করদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। লশকর ব্যতীত ইংরেজের বার বার নৌঅভিযান করে অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডে কলোনী প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হত না। এবং বহু লশকর ইংরেজের জাহাজে নিউজিল্যান্ড পৌঁছনোর পর বে অফ আইল্যাণ্ডে এসে মাওরীদের মাঝে নিরুদ্দেশ হয়ে যেত।

    মাওরীদের সঙ্গে আর বাঙালীর সঙ্গে ইংরেজের কলোনী প্রতিষ্ঠার কায়দা কানুনের মিল আছে। যাই হোক,যেটা বলতে চাইছি, সেই সময় সুবে বাংলা শুধু সমৃদ্ধই ছিল না, বস্তুত চীন, এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হয়তবা প্যাসিফিকের করিডোরও ছিল। মনে করে দেখুন, ওয়ারেন হেস্টিংস পাঞ্চেন লামার সঙ্গে চুক্তি করে তিব্বতের রাস্তা খোলার চেষ্টা করেছিলেন। বাংলা দখল না করলে সম্ভব ছিল না। হুতোম পেঁচার নকশা যে সময় লেখা, যখন ইংরেজ ভিড়ছে ভারতে,তার পর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে পাড়ি দিচ্ছে দক্ষিণ সমুদ্রের দূরদেশ, তার জাহাজ ভিড়তো চট্টগ্রামে, আর দুরন্ত বাঙালি লস্কররা সেই জাহাজেই একই সঙ্গে পাড়ি দিত।

    হুতোম পেঁচা, বাঙালি, আর মাওরি বলতে গিয়ে মনে পড়লো মাওরি ভাষায় পেঁচাকে রুরু বলে। আমাদের এক মাওরি বন্ধু আছেন, তিনি নিজেকে "te ruru" ("টে রুরু ") বা "শ্রী পেঁচা" বলে থাকেন। তিনি সুপন্ডিত এবং অসাধারণ গায়ক।


    মোরপর্ক পেঁচা (সূত্র:https://www.flickr.com/photos/churchmousenz/3294105797/)

    মাওরি ভাষায় পাখিদের নাম শুনতে ভারী মিষ্টি ।

    পেঁচা যেমন রুরু ("রু রু" করে ডাকে বলে), বড় সুন্দর টিয়াপাখি আছে,তার নাম "কিয়া"।


    নিউজিল্যান্ডের কিয়াপাখি (সূত্র https://i.redd.it/), ডানার তলায় রঙের বাহার দেখুন।

    কিয়া পাখিরা ভারী মিশুকে, মানুষকে এতটুকু ভয় পায় না। আরো আরেক রকম টিয়া, সে ও উড়তে পারে না, তার নাম "কাকাপো"।


    কাকাপো সেও এক টিয়া (সূত্র http://nzbirdsonline.org.nz/species/kakapo)

    "কাকাপো" আছেন, "কাকা" ও আছেন। কাকা ও এক ধরণের টিয়া, কাকা উড়তে পারেন, কাকাপো পারে না। কাকা যেমন আছেন, "কাকী" ও আছে, কাকী জলের পাখি, ইংরেজিতে "stilt",


    কাকী, নদীর চরে ঘুরছেন (সূত্র https://www.doc.govt.nz/nature/native-animals/birds/birds-a-z/black-stilt-kaki/)

    তবে সবচেয়ে লাজুক আর শুধু রাতের অন্ধকারে ঘুরে বেড়ায়, সে পাখি, কিউয়ি পাখি। সে আবার উড়তেও পারে না ।

    "আরে অরিন, কিউয়ি পাখি? সত্যি সত্যি ঘুরে বেড়ায়? আমার ধারণা ছিল লুপ্তপ্রায়"

    লুপ্তপ্রায় কেন হবে,তাঁরা দিব্যি ঘুরে বেড়ান । বহাল তবিয়তে আছেন। তবে সব সময় তো তাঁর বা তাঁদের দেখা পাওয়া যাবে না, তাঁরা রাতের পাখি, এমনকি চিড়িয়াখানাতে তাঁকে দেখতে গেলেও যে ঘরে তাঁকে দেখতে হবে, সেখানে টুঁ শব্দটি করা চলবে না, ক্যামেরায় ফ্ল্যাশ লাগানো চলবে না। ঘন অন্ধকারে নিভু আলোয় তাঁকে দেখতে হবে। জঙ্গলে ও তাই। রাতে ক্যাম্প করে থাকলে গভীর জঙ্গলে খুব রাতের দিকে তাঁর গলার আওয়াজ পাবেন, পা টিপে টিপে ক্যাম্প থেকে বেরোলে দেখবেন তিনি মাটি থেকে খুঁটে খুঁটে পোকা খেয়ে বেড়াচ্ছেন। তবে মানুষকে বিশ্বাস করেন।


    কিউইপাখি, রাতের আঁধারে জঙ্গলে পোকা মাকড়ের সন্ধানে রত। (সূত্র https://blog.tepapa.govt.nz/wp-content/uploads/2014/06/)

    বড় বড় হলুদ চোখ অলা পেঙ্গুইন, আন্টার্কটিকা থেকে সাঁতরে নিউ জিল্যান্ডে ডিম পাড়তে আসে, তাদের নাম হোইহো।



    মাঝে মাঝে বাগানে গাছের ফাঁকে যদি ঘন্টার মিষ্টি আওয়াজ শুনতে পান, জানবেন এ আওয়াজের অধিকারী কাছাকাছি কোন শাখায় বিচরণ করছেন, তিনি bellbird, কোরিমাকো। আরো একজন, টুই, এনার ও গলার আওয়াজ ভারী মিষ্টি।



    এক ধরণের হলুদ মাথাওয়ালা পাখি আছে, আজ সকালেই বাড়ির বাগানে ঘোরাঘুরি করছিলো, তার মাওরি নাম "মহুয়া"। আমাদের দেশের টুনটুনি পাখির মাওরি নাম "হিহি"।


    মহুয়া পাখি

    ঘরোয়া পাখিদের মধ্যে ছোট বুনো মুরগি, তার নাম ওয়েকা ("weka")। আরেক ধরণের মুরগি আছে ঘন নীল রঙের, যখন তখন আমাদের এদিকের রাস্তায় দেখতে পাই রাস্তা পেরিয়ে মহা ব্যস্ত হয়ে এদিক ওদিক যাচ্ছে, তার নাম "পুকেকো"। ভারী মিষ্টি দেখতে। আবার, আমদের দেশের পায়রা, এখানে অনেক রকম প্রজাতির পায়রা আছে। এক প্রজাতির পায়রা কে মাওরিরা বলে "পারেয়া", :-)। আবার আরেক রকমের জংলী পায়রা কে মাওরিরা বলে কেরু।

    নিউ জিল্যান্ডে বন্য প্রাণী বিশেষ নেই, শুধু পাখি। সাপ খোপের ভয় নেই। এক ধরণের বিষাক্ত মাকড়শা শুধু আছে, তাও সব জঙ্গলে নেই। আর যা প্রাণী সবই প্রায় মাওরি আর সাহেবদের হাত ধরে এখানে এসেছে , যেমন বুনো শুওর, হরিণ, থর নামের পাহাড়ে চরে বেড়ানো ছাগল। মাওরিরা যখন এসেছিলো তখন কুকুর নিয়ে এসেছিল, সাহেবরাও ।

    নিউজিল্যান্ড এক বিচিত্র দেশ। অপার্থিব রকমের সুন্দর। কথায় কথায় শুধু পাখির গল্পই করলাম। মাওরিদের নিয়ে অনেক গল্প, আরেকদিন করব।
    পর্ব - ১ | পর্ব ২ | পর্ব ৩
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ০৮ আগস্ট ২০২০ | ৬৮৬ বার পঠিত
  • ২/৫ ( ১ জন)
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Saoni | 2600:387:6:9a2::55 | ০৮ আগস্ট ২০২০ ২০:০৬96064
  • Anobodyo lekha ar chhabi.

  • পাঠক | 213.165.184.92 | ০৯ আগস্ট ২০২০ ০৪:৪৪96070
  • ভাল লাগেনি। খামোকা নিউজিল্যান্ডের বিবরণ পড়তে যাব কেন? ও তো গুগল করলেই জানতে পারব। লেখাটার ভাষাও ক্লিশে টাইপের।

  • ওহহ | 2402:3a80:a71:1dcc:0:5c:d12c:e101 | ০৯ আগস্ট ২০২০ ১১:০৫96085
  • 'সে' আবার এসেছে ফিরিয়া, এবার পাঠক অবতারে ;)

  • dc | 103.195.203.211 | ০৯ আগস্ট ২০২০ ১২:১০96087
  • আমার অবশ্য পড়তে ভালোই লাগছে, আর ছবিগুলোও অসাধারন। আমার এক ভাই আগের বছর অবধি নিউ জিল্যান্ডে থাকতো, সে অনেকবার আমাদের বলেছিল ঘুরে যেতে। নানা টালবাহানায় যাওয়া হয়নি, তবে পরের বছর যাবো ভাবছি। তাই অরিনবাবু যদি জায়গাগুলো নিয়েও লেখেন তো আরও ভালো হয়।
  • | ০৯ আগস্ট ২০২০ ১২:১২96088
  • হুঁ আমারও পড়তে ভালই লাগল।
    চলুক, পড়ছি।
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::4fe:aa48 | ০৯ আগস্ট ২০২০ ১২:৪৯96089
  • হ্যাঁ নিউজিল্যান্ডে কোথায় কিভাবে ঘুরবো, সেটা যদি লিখে দেওয়া হয় তাহলে সুবিধা হবে। একটু ডিটেলে লিখবেন।
  • অরিন | ০৯ আগস্ট ২০২০ ১৩:১৩96090
  • @dc, @S, নিউজিল্যাণ্ড বেড়াবার জায়গা হিসেবে তুলনা হয় না, এখানে যে কি নেই কে জানে! আপনি এক বেলার মধ্যে পাহাড়ে স্কি করে সমুদ্রে গিয়ে সারফিং সেরে নিতে পারবেন। ফুটন্ত হ্রদ (রীতিমতন গোটা হ্রদ টগবগ করে ফুটছে, একটুও বাড়িয়ে বলছি না), তার পাশে গরম কাদায় গড়াগড়ি দিন, তারপর চলে যান পাহাড়ের গা থেকে সমুদ্রের মধ্যে জলপ্রপাত দেখে আসুন, নয়ানাভিরাম হাইওয়ে ধরে গিয়ে গ্লেসিয়ারের ওপর হাঁটুন,  আশ্চর্য সব গুহায় ঘুরে বেড়ান, কোন ভয় নেই। এগুলো ধরুন প্রাকৃতিক বেড়ানো, যদি বলেন। বহু মানুষ Adventure এর সন্ধানে আসেন, সেও অজস্র। আমাদের সব থেকে প্রিয় দুটো, এক বাঞ্জি জাম্পিং, খরস্রোতা নদীর ওপর সুইং ব্রিজে দাঁড়িয়ে ওপর থেকে দড়ি বেঁধে মারুন ঝাঁপ ৩০০-৪০০ ফুট নীচে আবার ওপরে উঠে আসুন। আরেকটা জেট বোটিং, সেও ওই খরস্রোতা নদীর ওপরে গভীর গিরিবর্ত্মে নৌকো চড়ে ঘুরে বেড়ানো । 

    তবে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখবেন, রয়ে সয়ে করবেন। আমার বহু বন্ধুবান্ধব এখানে আসে, গাড়ি নিয়ে ১৪ দিনে ৭ পয়েন্ট ট্যুর করে হু হু করে বেরিয়ে যায়, ওপর ওপর দেখে।

    আর যাই করুন, প্লিজ, ওভাবে ঘুরবেন না। বাদবাকী বলছি। 

  • b | 14.139.196.11 | ০৯ আগস্ট ২০২০ ১৩:৪২96091
  • হাহা, অরিন যেভাবে বল্লেন, আমি কেরালায় গিয়ে বারো দিন ছিলাম, কন্যাকুমারী, ত্রিবন্দ্রাম, আলেপ্পি ভারকালা আর কোচি। শেষে কোচিতে তিন দিন ছিলাম, তবুও মন ভরে নি। একজনকে এসে দুঃখ করাতে সে অবাক হয়ে বল্ল, ৭ দিনে তো গোটা কেরালা হয়ে যায়, আপনারা কি করলেন?
  • dc | 103.195.203.211 | ০৯ আগস্ট ২০২০ ১৪:৩৩96092
  • ধন্যবাদ অরিন। মুশকিল হলো, আমরা বেশীর ভাগ সময়ে ১৪/১৫ দিনের জন্যই ঘুরতে বেরোই, তার বেশী ছুটি পাই না। তবে b যেমন বললেন, আমরাও একেকবারে দুতিনটে জায়গা ঘুরি, তার বেশী না। আপনি যেসব অ্যাক্টিভিটি বললেন, তার মধ্যে সারফিং, কাদায় গড়াগড়ি, জেট বোটিং, হোয়াইট ওয়াটার রাফটিং, এগুলো করার চেষ্টা করবো। আর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ দেখার ইচ্ছে আছে। তো দু-তিনদিনের একটা রিফ টুর, এছাড়া গাড়ি ভাড়া নিয়ে নানান জায়গায় বেড়ানো, একটা বা দুটো টাউনের চারপাশে সব কিছু দেখা, এরকম ভেবেছি। আপনি লিখতে থাকুন, মন দিয়ে পড়বো ঃ-)
  • Du | 47.184.29.20 | ০৯ আগস্ট ২০২০ ১৮:৫০96099
  • দখিন হাওয়ার মতই মন ভালো করা লেখা
  • Atoz | 151.141.85.8 | ১০ আগস্ট ২০২০ ০৭:১৩96116
  • আহ, কী সুন্দর!
  • হ জ ব র ল | 2409:4064:580:f66:bc40:4822:63f7:e23c | ১০ আগস্ট ২০২০ ২৩:০৩96143
  • খুব ভালো লাগলো, আরো আরো লিখুন
  • Sumit Roy | ১০ আগস্ট ২০২০ ২৩:২৫96144
  • পড়ে অসাধারণ লাগল। হোইহো পেংগুইনদের কথা পড়ে অবাক হয়ে গেছি, অ্যান্টার্কটিকার বাইরে পেংগুইন থাকে তা কোনদিন কল্পনাই করতে পারিনি... 

  • Tim | 2607:fcc8:ec45:b800:3498:46f3:92c4:44da | ১৬ আগস্ট ২০২০ ০১:২০96316
  • খুব ভালো লাগলো লেখা ও ছবি। এই সবে প্রথম পর্ব পড়লাম। অরিনকে ধন্যবাদ, অনেকদিনের ইচ্ছে নিউজিল্যান্ড দেখার, খানিকটা মানসভ্রমণ হলো।
  • বিপ্লব রহমান | ২৫ আগস্ট ২০২০ ০৮:৩৬96633
  • সূচনা পর্ব বেশ হয়েছে।

    পাখির ছবি ও বর্ণনায় সকালটা যেন আরও সুন্দর হলো। প্রকৃতির বিস্তারিত  বিবরণ  পেলে সোনায় সোহাগা হতো        

  • Samita ghosh | 202.142.69.90 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৫:৩১97205
  • Ami newjiland berate gechi vison sunder desh

  • পল্লব | 207.172.141.85 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৮:৫১97219
  • ছবিগুলো সুন্দর।

  • কামরুজ্জামান ননী | 103.237.36.231 | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১০:৩৫97232
  • সুন্দর  !  প্রচার প্রকাশ বেশীহওয়া প্রয়জন

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত