• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • চিকিৎসার ফল

    ন্যাড়া
    আলোচনা : বিবিধ | ২২ জুলাই ২০২০ | ৬৭৪ বার পঠিত

  • আমি তখন নিমহান্স থেকে ফিরে এন্টালির কাছে নিজের চেম্বার খুলে বসেছি। এখনও লোকে সাইকোলজিস্ট আর সাইকায়াট্রিস্টের তফাত বোঝে না, তখন তো আমাকে ডাক্তার বলে গণ্যই করত না। করলেও, ভূতের ডাক্তার ছাড়া আর কোন নামে আমার ডাক শুনিনি।

    আমি দোকান খুলে বসে থাকি। তাড়াতে তাড়াতে পাড়ার সব মাছি খতম করে এনেছি, কিন্তু রুগী আর জোটে না। ওদিকে মৌলালি বস্তিতে ওঝা আর জলপড়া ফকিরের রোজগারে কমতি নেই। কাঁহাতক আর জার্নাল পড়া যায়! প্রথমে ভেবেছিলাম, সময়ের সদব্যবহার করে পেপার-টেপার লিখব। কিন্তু দেখলাম সত্যিকারের রুগী না থাকলে পেপার লেখা যায়না। অতএব লেখাপড়া-করা বাঙালি যা করে, আমিও তাই করতে শুরু করলাম। গল্পের বই ধরলাম। প্রথমে বাড়ির বই। কিন্তু সে আর কটা! কদিনেই শেষ হয়ে গেল। দিনের মধ্যে সময় তো কম নয়। সকাল দশটায় চেম্বার খুলি। একটায় বাড়িতে খেতে যাই। আবার তিনটে থেকে সাতটা অব্দি চেম্বার। খাতায়-কলমে যদিও সাইনবোর্ডে ডাক্তার বসিবার সময় রাত নটা অব্দি, আমি সাতটাতেই বেরিয়ে আসি। পাশের পানের দোকানে বলা আছে, কেউ খোঁজ করলে ছেলেটাকে দিয়ে আমাকে একটা খবর পাঠাবে। বাড়ির বই যখন ফুরিয়ে গেল তখন পাড়ার লাইব্রেরিতে যেতে শুরু করলাম। তখনও পাড়ায় দুটো-একটা লাইব্রেরি অবশিষ্ট ছিল। তাছাড়া ব্রিটিশ কাউন্সিলেরও মেম্বারশিপটা রিনিউ করে নিলাম। পড়তাম রাজ্যের অ্যাডভেঞ্চার আর গোয়েন্দা গল্প। আমাদের পাঁচকড়ি দে থেকে শুরু করে শরদিন্দু, নীহাররঞ্জন গুপ্ত থেকে সত্যজিত রায় - কিচ্ছু বাদ দিইনি। ইংরিজিতেও এডগার অ্যালেন পো, রবার্ট লুই স্টিভেনসন, জুল ভের্ন, কোনান ডয়েল, আগাথা ক্রিস্টি, স্ট্যানলি গার্ডনার - সব পড়তাম। শেষ পর্যন্ত পড়ার এমন নেশা চড়ে গেছিল, যে রাত নটা ছেড়ে একেকদিন চেম্বার বন্ধ করে বেরোতে রাত এগারোটা-সাড়ে এগারোটা বেজে যেত। বাড়ি ছিল পায়ে হাঁটা দূরত্বে, এই ভরসা। তবে সেও বন্ধ হয়ে গেল স্টোনম্যানের দৌরাত্ম্যে।

    দিন যাচ্ছে আর আমি ভাবছি এবার টেলিফোন ডিরেক্টরি, পাঁজি - এই সব পড়তে হবে, আর নইলে চেম্বার বন্ধ করে দিতে হবে, এমন সময়ে একজন ইন্টারেস্টিং রুগীর প্রবেশ। ভদ্রলোকের বয়েস পঞ্চাশের কাছাকাছি হবে। শালপ্রাংশু চেহারার কথা বইতেই পড়েছি। এবার দেখলাম। অন্ততঃ সাড়ে ছ ফুট চেহারা। প্রস্থেও প্রায় সেরকম। চওড়া কাঁধ। কিন্তু শরীরে কোথাও মেদ আছে বলে মনে হয়না। একদম পেটানো চেহারা। ছোট করে কাটা চুল। দেখলে বলে দিতে হয়না যে ইনি ফৌজি। কিন্তু সবার আগে নজরে পড়ে ওনার চোখদুটো। একেবারে ব্লাডশট। আর যেটা নজরে পড়ে সেটা হল ওনার মুখের ভাব। ভয় আর দুঃখ মেশান একটা ব্যাপার। দুঃখ মানে আমরা যাকে মেলানকোলি বলি। কী জানি, ট্রেনিং ছিল বলেই হয়ত নজরে পড়েছিল!

    ভদ্রলোক বিহারি। ভুবনলাল চৌবে। লেখাপড়া অল্পই জানেন। অল্পবয়সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বম্বে চলে গেছিলেন নায়ক হতে। সিনেমা পাড়ায় অনেক ঘোরাঘুরি করেও কোন রোল জোটেনি, কিন্তু জুটে গেছিল লেবারারের কাজ। ইলেক্ট্রিকের ভারি ভারি জিনিস তুলে এদিক-ওদিকে সরানো, লাইটম্যানের অ্যাসিস্টেন্টের অ্যাসিস্টেন্ট। সেই করতে করতে কদিন পরে বিড়লাদের কারখানায় মেটিরিয়াল হ্যান্ডলারের কাজ পেয়ে সিনেমা লাইনের কাজ ছেড়ে দেওয়া। সিনেমার কাজ ফুরনের, টেম্পোরারি। যেদিন কাজ, সেদিন পয়সা। কাজ না থাকলে, পয়সা নেই। কারাখানার কাজ পাকা। ওভারটাইম করলে পয়সার কমতি নেই। কাজও ভাল লেগে গেল। ভুবনলাল চাপা স্বভাবের ছেলে। কারুর সঙ্গেই দারুণ কিছু দোস্তি নেই। মুখ বুজে কাজ করে। নিজের কাজ, সঙ্গে হাত লাগিয়ে অন্যেরও। গায়ে অসম্ভব শক্তি। মোল্ড তুলে এদিক ওদিক করে হেলায়। ফলে ভুবনের উন্নতি হতে থাকে দ্রুত। হ্যান্ডলার থেকে অ্যাসিস্টেন্ট মোল্ডার, মোল্ডার, সিনিয়র মোল্ডার হয়ে যখন সে সুপারভাইজার হল, তখন বয়েস সবে চল্লিশ পুরেছে।

    গোলমালটা বাঁধল এই সময়ে। সুপারভাইজার হলে কী হবে, ভুবনলাল অন্য লোকের কাজ নিজে নিজেই করতে লাগল। নইলে শরীরের বাড়তি শক্তি বের করার আর কোন পন্থা তার জানা ছিল না। ঝামেলা লেগে গেল ইউনিয়নের সঙ্গে, সহকর্মীদের সঙ্গে। সবাই তাকে বোঝাল, কিন্তু ভুবন কিছুতেই অন্যকে বুঝিয়ে উঠতে পারলনা তার শরীরের জমে থাকা শক্তি বের না করতে পারলে তার অস্থির লাগে। সে বসে থাকতে পারেনা, ঘুমোতে পারেনা। ফলে তার অস্থিরতা আরও বেড়ে যায়। কাজের জায়গায় অবস্থা আরও ঘোলাটে হয়ে পরে। কিছুতেই যখন কিছু হলনা, ম্যানেজমেন্ট একটা ভুল চাল চালল। ভুবনকে প্রোমোশন দিয়ে সিকিউরিটি অফিসার করে দিল। সঙ্গে কারখানার লাগোয়া অফিসের একটা ঘরে বসার জায়গা। কোম্পানি কিছু ট্রেনিং-এরও ব্যবস্থা করল। কিন্তু তাতে ভুবনের অবস্থা হল আরও খারাপ। সে মাঝে মাঝে কারাখানায় চলে যায়। জিনিসপত্র সরানোর চেষ্টা করে। গোলমাল বেধে যায় শ্রমিকদের সঙ্গে। কোম্পানি বেগতিক দেখে ভুবনকে সটান কলকাতায় বদলি করে দিল। চৌরঙ্গীর হেডঅপিসে। কাছাকাছি কারখানা নেই। কাজেই ভুবন আর ঝামেলা করবে কী করে!

    এরকম এক সময়ে কোন এক দেশোয়ালি ভাইয়ের প্ররোচনায় সে আমার কাছে আসে কয়েকজন ডাক্তারের হাত ঘুরে। তার দেহের শক্তি নিয়ে সে কী করবে, বুঝে উঠতে পারছে না। না বেরোন এনার্জি থাকে সুস্থির থাকতে দেয়না, কোন রাতেই ঘুম হয়না। এটাই তার মূল সমস্যা। তার ওপর বম্বের ঘটনার পরে থেকে লোকের ওপর তার অসম্ভব আক্রোশ জন্মেছে। আস্তে আস্তে সিটিং দিয়ে দিয়ে তার থেকে কথা বের করে গল্পটা সাজাই। নইলে সে কথাই বলতে চায়না। বললেও অসংলগ্ন ঘটনা বলে। একটা কথার সঙ্গে পরের কথার খেই নেই। খালি বলে, "ডাগদারবাবু, মেরে কো শান্ত কর দিজিয়ে। মেরা নিন্দ মেরে ওয়াপাস কর দিজিয়ে।" অধিকাংশ দিনই খুব উচাটন থাকে। আমার টেবিলের ওপরে কাচের ভারি পেপারওয়েটগুলো নিয়ে লোফালুফি করে। নিজের ঘাড়ে-মাথায় অসহিষ্ণুতার হাত বোলায়। হঠাত চেয়ার থেকে উঠে পায়চারি করে। আমার কাছে ছ মাস নিয়মিত রোজ সকালে আপিস যাবার আগে সিটিং দিতে আসত। শনি-রোববারও। শুধু ভুবনের জন্যেই আমি ছুটির দিনেও অন্ততঃ এক-দেড় ঘন্টার জন্যে হলেও চেম্বার খুলতাম। এই ছমাসের প্রতিটি দিন তাকে চঞ্চল আর অস্থির দেখেছি। শুধু দুদিন ছাড়া। সেই দুদিন সকালে তাকে আশ্চর্যরকম শান্ত দেখেছি। অন্যদিনগুলোয় আমার কাছে সিটিং দিয়ে একটু সুস্থির হত। তারপরে আপিস যেত। পরের দিন আবার যে কে সেই।

    আমি চিকিৎসার কোন দিশা পাচ্ছি না। এদিক হাতড়াই, ওদিক হাতড়াই, এ বই ঘাঁটি, ও বই ঘাঁটি - কিচ্ছু পাইনা। নিমহ্যান্সে আমার অ্যাডভাইসারের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম। কেসটা নিয়ে চিঠিতে অনেক আলোচনা করলাম। অনেক সাজেশন এল, কিন্তু কোন সুরাহা পাওয়া গেলনা। একদিন হঠাত মনে পড়ে গেল নিমহ্যান্স ছাড়ার আগে এক ভিজিটিং মার্কিনি প্রফেসর এসেছিলেন আমার অ্যাডভাইসারের সঙ্গে কাজ করতে। সঙ্গে ছিল কয়েক শিশি নতুন ধরণের ওষুধ। অ্যামেরিকায় অনেক পরীক্ষানিরীক্ষার পরে বছর দুয়েক আগে বাজারে এসে মানসিক রুগীদের জীবনই নাকি বদলে দিয়েছে। প্রফেসর ফিরে যাবার আগে অবশিষ্ট ওষুধের থেকে একটা শিশি অ্যাডাভাইসারকে, আর একটা আমাকে দিয়ে গিয়েছিলেন। আমার অ্যাডভাইসার বললেন ওষুধ নাকি কয়েক ক্ষেত্রে ওনার পেশেন্টের ওপর নাকি খুব ভাল কাজ করেছে। আমার শিশি অবশ্য যেররকম ছিল, সেরকমই আছে। পেশেন্ট কোথায় যে কাজে লাগাব! অনেক ভেবেচিন্তে ঠিক করলাম, ভুবনলালের ওপর পরীক্ষা করে দেখব। ক্লোজলি তো মনিটর করছিই, অবস্থা বেগতিক দেখলে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

    প্রথম যেদিন ভুবনকে ওষুধটা দিলাম, সেদিন সারাদিন ভুবনলাল শান্ত হয়ে আমার চেম্বারে বসে ছিল। রাতে চলে গেল। পরেরদিন এল এক অন্য ভুবন। এই প্রথম তার মুখে হাসি দেখলাম। বলল, বহু বছর বাদে সে নিশ্ছিদ্র ঘুমিয়েছে রাতে। অস্থিরতাও দেখলাম অনেক সংযত। আমি ওষুধ বন্ধ করিনি। চালাতে লাগলাম। দিনে দিনে ভুবনলাল যেন অন্য ভুবনলাল হয়ে গেল। দিন পনেরো পরে আমি নিজেই বললাম, "আপনার আর আসার দরকার নেই। ওষুধও লাগবে না। যদি দেখেন আবার ওরকম অবস্থা ফিরে আসছে, নির্দ্বিধায় আমার কাছে চলে আসবেন।"

    ভুবনলাল আর আসেনি। স্টোনম্যানের হাতে মানুষ খুনও বন্ধ হয়ে গেছিল। যে দুদিনের সিটিঙে ভুবনলালকে শান্ত দেখেছিলাম, দুক্ষেত্রেই তার আগের রাত্তিরে স্টোনম্যানের শিকার হয়েছিল ফুটপাথবাসী দুজন।

    ___________________________________________________________________________________________
    গল্পে ফুটনোট খুব বিরক্তিকর। তাও এই তথ্যগুলো জানিয়ে রাখি, কারণ হয়ত অনেকেই স্টোনম্যানের গল্প জানেন না।

    ১। বম্বে শহরে ১৯৮৫-১৯৮৮ সালের মধ্যে ১২ জন ফুটপাথবাসী খুন হন। প্রত্যেককেই ভারি কিছু বস্তু মাথায় মেরে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যাকারী ধরা পড়েনি।
    ২। ১৯৮৯ সালে ঠিক একইরকম ভাবে কলকাতায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়। খবরের কাগজ অজানা আততায়ীর নাম দেয় স্টোনম্যান। বম্বের মতন এখানেও হঠাৎ একদিন খুন হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। হত্যাকারী এক্ষেত্রেও ধরা পড়েনি।
    ৩। প্রোজ্যাক নামের যুগান্তকারী ওষুধটি অ্যামেরিকার বাজারে চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
  • বিভাগ : আলোচনা | ২২ জুলাই ২০২০ | ৬৭৪ বার পঠিত
আরও পড়ুন
আয়না - ন্যাড়া
আরও পড়ুন
বদল - ন্যাড়া
আরও পড়ুন
#আমি - Jinat Rehena Islam
আরও পড়ুন
ক্ষমা - Rumela Saha
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • পাতা : 1
  • r2h | 2401:4900:1046:a230:2cc1:6fe9:2ecc:12a | ২২ জুলাই ২০২০ ১২:৫১95420
  • দারুন। 'দেখলে বলে দিতে হয়না যে ইনি ফৌজি।' এই লাইনটা একটু, ডাক্তারের ভুল।

    'যে দুদিনের সিটিঙে ভুবনলালকে শান্ত দেখেছিলাম, দুক্ষেত্রেই তার আগের রাত্তিরে স্টোনম্যানের শিকার হয়েছিল ফুটপাথবাসী দুজন।' - এই লাইনটা কিন্তু 'শুধু দুদিন ছাড়া'-এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে।

  • dc | 103.195.203.17 | ২২ জুলাই ২০২০ ১৩:১৪95422
  • ভালো লাগলো। আমি ভাবলাম গল্পের শেষে ডাক্তার শেষ শিকার হবে, টুইস্ট আর কি। সেটা না হলেও ভালো লাগলো।

    আর হ্যাঁ, লাস্ট লাইনট না লিখলেও হতো।
  • b | 14.139.196.11 | ২২ জুলাই ২০২০ ১৮:৪৩95426
  • স্টোনম্যানের গুজবে আমার এক বন্ধুর কাকা মার খেয়েছিলেন। আধলা ইঁট জোগাড় করে ভদ্রলোক শীতের ভোরবেলা কেরোসিনের দোকানে লাইন রাখতে যাচ্ছিলেন।
  • সম্বিৎ | 71.202.35.85 | ২৩ জুলাই ২০২০ ০৫:৪০95432
  • "'দেখলে বলে দিতে হয়না যে ইনি ফৌজি।' এই লাইনটা একটু, ডাক্তারের ভুল।"

    - যথার্থ। এবং সেটা বাই ডিজাইন।

    লাস্ট লাইনটা সম্বন্ধেও ঠিক। গজাল মেরে গোঁজানোর স্বভাব যে আমার কবে যাবে, হে নাথ!

  • | 2601:247:4280:d10:ed3c:a60f:82fa:ed93 | ২৩ জুলাই ২০২০ ০৬:১০95433
  • যাবে না। গিরীন্দ্রশেখরের গীতার ব্যাখ্যাটা পড়তে হবে। উনি একে মনোবিদ তায় আবার স্বয়ং ফ্রয়েডের সংগে মত বিনিময় করছিলেন...

  • বিপ্লব রহমান | 37.111.205.42 | ২৩ জুলাই ২০২০ ০৭:০৮95435
  • কি সর্বনাশ! এনার্জির কি ভয়ংকর রূপান্তর      

  • aranya | 162.115.44.102 | ২৩ জুলাই ২০২০ ২১:৫১95449
  • গ্রেট! ন্যাড়ার লেখার হাত খুবই ভাল
  • i | 110.174.255.237 | ২৫ জুলাই ২০২০ ১৬:১০95489
  • শুধু ফুটনোটটাই তো গল্প হতে পারতো-
    ১। বম্বে শহরে ১৯৮৫-১৯৮৮ সালের মধ্যে ১২ জন ফুটপাথবাসী খুন হন। প্রত্যেককেই ভারি কিছু বস্তু মাথায় মেরে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যাকারী ধরা পড়েনি।
    ২। ১৯৮৯ সালে ঠিক একইরকম ভাবে কলকাতায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়। খবরের কাগজ অজানা আততায়ীর নাম দেয় স্টোনম্যান। বম্বের মতন এখানেও হঠাৎ একদিন খুন হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। হত্যাকারী এক্ষেত্রেও ধরা পড়েনি।
    ৩। প্রোজ্যাক নামের যুগান্তকারী ওষুধটি অ্যামেরিকার বাজারে চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
  • সুকি | 49.207.203.64 | ২৫ জুলাই ২০২০ ১৬:১৫95490
  • এটা মিস করে গিয়েছিলাম, দারুণ

  • | 2401:4900:1b18:785a:6022:45bd:ce65:6f38 | ২৫ জুলাই ২০২০ ১৬:৩৩95492
  • আরে অমিও মিস করে গেছলাম। ভগ্যিস সুকি ওঠাল।

    হুঁ শেষ লাইন অপ্রয়োজনীয় লাগল। বাকীটা বেশ ভাল।
  • Du | 47.184.29.20 | ২৫ জুলাই ২০২০ ১৮:৩৪95502
  • রহস্য লেখাগুলোর জন্য ছমছমে একটা অন্য নাম রাখা হোক মজার গুলোর জন্য এই নাম রেখে। নিদেন পক্ষে পুরা নাম।
  • সম্বিৎ | 71.202.35.85 | ২৬ জুলাই ২০২০ ০০:৩৩95525
  • ল্যাখার নাম না ল্যাখকের নাম?

  • Tim | 2607:fcc8:ec45:b800:b546:3dcb:52d2:5474 | ২৬ জুলাই ২০২০ ০৮:৪৪95538
  • ভালো হয়েছে
  • শঙ্খ | 103.242.189.109 | ২৬ জুলাই ২০২০ ১৭:০৭95559
  • জ্জিও, ফাটাফাটি
  • সুমিত রায় | 103.135.134.218 | ২৬ জুলাই ২০২০ ১৭:৪৪95563
  • প্রোজ্যাকের মত SSRI খেয়ে পেশেন্ট ঠিক হয়ে গেল? মার্ডারও বন্ধ হয়ে গেল? মানে সিরিয়াল কিলিং এর কারণ কেবলই তার অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজর্ডার আর অ্যানজাইটি ডিজর্ডার? অন্যান্য সিরিয়াল কিলারদের ক্ষেত্রে যেমন এন্টিসোশ্যাল পার্সোনালিটি ডিজর্ডারের ভূমিকা দেখা যায়, এখানে তেমন কিছু নেই? খটকা লাগছে... 

  • করোনা

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত