• বুলবুলভাজা  কূটকচালি

  • দোল দোল দুলুনি

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    কূটকচালি | ২০ মার্চ ২০১১ | ১৪৯ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • আগের দিন

    এবার গুরুর দেড়শো বছর বলে কিনা কে জানে, শান্তিনিকেতন পুরো ছোটো সে তরী। দোলের আগের দিন থেকেই। হোটেল ওয়ালারা তিনগুণ ও রিক্সাওয়ালারা মোটামুটি চারগুণ দাম হাঁকছে। তাতে এক্কেবারে না দমে গিয়ে বিয়ের শাড়ি আর গিলে করা পাঞ্জাবি পরা কলকাত্তাইয়া বাবু ও বিবিরা বেরিয়েছেন সাঁঝের ঝোঁকে তীর্থ দর্শনে। রিক্সাওয়ালা বলছে "ঐ দেখুন এটা হল উপাসনা গৃহ, স্বয়ং রবিঠাকুর এখানে উপাসনা করতেন'। শুনে গিন্নি শ্রদ্ধায় ও ভক্তিতে গদগদ হয়ে পেন্নাম ঠুকছেন, আর কত্তাকে চোখ পাকিয়ে বলছেন "তুমিও নমো করো'। চতুর্দিকে লোক থিকথিক করছে। শ্যামবাটির সাঁকোর মোড়ে তেড়ে ট্র্যাফিক জ্যাম। সরু-মোটা-লম্বা-বেঁটে নানাবিধ গাড়ির লাইন। এদিকে সোনাঝুরি, ওদিকে গোয়ালপাড়া আর কবিগুরুর খাস এলাকায়, মনে হয় এক্কেবারে বোলপুর স্টেশন অব্দি। ট্রাফিক ক®¾ট্রাল করতে রীতিমতো পুলিশ বসেছে। তাতে অবশ্য উপকার কিছু হচ্ছে তা নয়। সব গাড়িই কলকাতার। ট্রাফিক পুলিশকে চুক্কি দিতে সবাইই প্রচন্ড দড়। বেঙ্গল পুলিশকে তাঁরা থোড়াই কেয়ার করেন। পুলিশের আনকোরা ছোকরারা ঘেমে-নেয়ে একশা আর গাড়ি বাবুরা একে অপরকে টেক্কা দিতে গিয়ে নিজেরাই চুপচাপ বসে আছেন। একটু-আধটু যদিবা ফাঁক-ফোকর পাওয়া যেত, সেটাও বুজিয়ে দিচ্ছে রিক্সা আর ভ্যানো। এর মধ্যে ঘোঁট আরও খোলতাই করতে কলকাতা থেকে এসে পড়েছে ফ্রেশ ট্রেন, অতএব আরও একপাল রিক্সা। লোকে চিল্লাচ্ছে, গাড়ি হর্ন দিচ্ছে, রিক্সা কারো গায়ে উঠে পড়ছে, সাইকেলে সাইকেলে ঠোকাঠুকি হয়ে মারামারি হবার উপক্রম হচ্ছে, কিন্তু কেউ এক পাও এগোচ্ছেনা। ভাবসাব দেখে শান্তিনিকেতনের এক প্রাক্তনী মুজতবা আলির কথা মনে মনে পড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। সে ভদ্রলোক খাইবার পাসের জ্যাম দেখে ভেবেছিলেন কী না কী দেখে ফেলেছেন। খোদ নিজের ঠেকেই যে কালে কালে সেই জিনিস দেখা যাবে, জানতে পারলে ভদ্রলোক ভারি খুশি হতেন। "দেশে-বিদেশে' টা হয়তো অন্যভাবে লিখতেন।

    এর মানে অবশ্য এই নয়, যে, জ্যামের চোটে উৎসব থমকে আছে। এক্কেবারেই না। প্যান্ডেল খাটিয়ে দিব্বি গান-বাজনা শুরু হয়ে গেছে প্রাঙ্গণে । এখানেই পরের দিন বসন্ততোৎসবের সূচনা হবে। সেখানেও প্রকান্ড ভিড়। লোকে চা খাচ্ছে, চপ খাচ্ছে, মোবাইলে গপ্পো করছে, টুনিদিকে দশ বছর পরে হঠাৎ আবিষ্কার করে মুন্নিমাসী বিহ্বল হয়ে পড়ছেন, শান্তনুর এত্তো বড়ো ছেলে হয়ে গেছে দেখে পুরোনো বান্ধবী "ওম্মা ক্কী ক্কান্ড' বলে আহ্লাদের কুলকিনারা পাচ্ছেন না। ঘোষক মাঝে-মাঝে পলাশ ফুলের মালা পরতে বারণ করে যাচ্ছেন। পরিবেশের কারণে ("ফুল ছিঁড়বেন না, কিনবেন না')। শিল্পীরাও, একই লাইন চারবার করে গাইছেন, এটাই হয়তো শেষবার, কে জানে। তাই শুনেই কেউ কেউ গানের সঙ্গে মাথা নাড়াচ্ছে, বাকিরা বেতালা তাল দিচ্ছে। শিশুরা এই ভিড়ভাট্টায় কনফিউজড হয়ে কেসটা কি বোঝার চেষ্টা করছে। বাপ-মা তাকে রবীন্দ্রনাথের মাহাত্ম্য বোঝাচ্ছেন।

    ভিড়ের চোটে কখন বৈতালিক হয়ে গেল টের পাওয়া গেলনা। ওদিকে ফাঁকা মাঠে উঠেছে ইয়াব্বড়ো চাঁদ। প্রেমিক-প্রেমিকারা চুপচাপ তাকিয়ে আছে সেদিকে। আহারে, বাইশ বছর বয়সটা কি ভালো।



    দোলের এ বেলা

    রবীন্দ্রসঙ্গীত তথা বাংলা গানের উপর পাঞ্জাবী ভাংরার প্রভাব ক্রমশ বেড়ে চলেছে, এটা এবারের দোলেই স্পষ্ট বোঝা গেল। ওটাই এবার ইন থিং। কলাভবনের সামনে টিভি ক্যামেরা আসতেই ছাত্রছাত্রীরা ফিউশন রবীন্দ্রগান ধরলেন। ব্যাপারটা লিখে বোঝানো কঠিন। লিখলে অনেকটা এরকম হবে: "আজি দখিনদুয়ার খোলা আ আ হৈ হৈ হৈ হৈ পর্‌র্‌র্‌র্‌র্‌র্‌র্‌ '। একই স্টাইলের আধুনিক গানও শোনা গেল পরে। সেটা এরকম: "আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে হৈ হৈ হৈ হৈ পর্‌র্‌র্‌র্‌র্‌র্‌র্‌র্‌'। বাকি গানবাজনা মোটামুটি স্ট্যান্ডার্ড। মহীনের ঘোড়াগুলির প্রকোপ কিঞ্চিৎ কমেছে দেখা গেল। "সাধের লাউ ' আর "লালপাহাড়ির দেশে যা'র সঙ্গে নৃত্য বছর দশেক আগেও দেখা যেত, এখনও যাচ্ছে। তবে দেড়শো বছর বলে কিনা জানা নেই, ভিড়ের সঙ্গে বঙ্গসংস্কৃতির বিস্তার দেখা গেল কলাভবনের প্রাঙ্গন ছেড়ে বহুদূর অব্দি ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি সেই আম্রকুঞ্জ আর ছাতিমতলা পর্যন্ত। আম্রকুঞ্জে জনৈক হারমোনিয়াম ধারী গায়ক বেশ চাঁছাছোলা গলায় ভালোবাসা সংক্রান্ত বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় গান গাইছেন, ভিড় ভালই। অন্যদিকে লালপাড় শাড়ি পরে হাতে স্বরলিপি নিয়ে মাঠে বসে মহিলারা সমস্বরে কোরাস গাইছেন "ভারত আমার ভারতবর্ষ'। চারদিকে একটাও লোক নেই, নির্ঘাত রবীন্দ্রসঙ্গীত ভেবেছে।

    রং খেলা নিয়ে অবশ্য বিশেষ সারপ্রাইজ নেই। ধুলোয় ধুলোক্কার। ফাগে দুনিয়া অন্ধকার। বেপাড়ার ছেলেপুলেরা হাতে আবীর নিয়ে ঘুরছে, যদি কোনো চান্স মেলে। উঠতি গায়করা মাঠে গান গেয়েই চলেছেন। টিভি চ্যানেলের স্টারকে নাগালে পেয়ে মেয়েরা পুরো লাল-নীল ভূত বানিয়ে দিচ্ছে। শহুরে তরুণী এই হ্যাংলামি দেখে "যত্তো সব গাঁইয়া' বলে ঠোঁট বেঁকাচ্ছে। বুদ্ধিজীবীরা তেড়ে ছবি তুলছেন। এর তার সঙ্গে খেজুর করছেন। জলের বোতলে স্লাইট মধু ভরে গলা ভেজানো জারি। মায়ের শাড়ি পরে গিন্নিবান্নি হয়ে ঘুরছে সাত বছরের পুঁটিরানি। গাড়ির আয়নায় নিজের মুখে নিজের আবীরের দাগ লাগিয়ে প্রসাধন সেরে নিচ্ছে কিশোরী। লাল আবীর মাখা তরুণের সামনে ঠোঁট ফুলিয়ে বসে নীল রঙ মাখা অভিমানাহতা তরুণী। তুমি আমাকে রঙ দিলেনা, অন্যেরা এই গাল ছুঁয়ে দিল? এই মান ভাঙবে কী করে কে জানে? সকালে অন্য কোথাও যাবার থাকলে আগেই এটা সেরে নিলেই ঝামেলা চুকে যেত। সাধে কি আর কবি লিখেছেন:

    লাল কমলের আগে নীল কমলি জাগে
    রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো তুমি যাবার আগে।



    দোলের ও বেলা

    বিকেলের আকর্ষণ হাট। সোনাঝুরি টপকে। গেঁয়ো মেঠো নয়, এক্কেবারে নিশ সেগমেন্টের জন্য। সোনাঝুরি এমনিতেই হেব্বি ফেমাস জায়গা। শান্তিনিকেতনের অর্ধেক জিনিসের নাম সোনাঝুরির নামে। যথা: সোনাঝুরি বিল্ডার্স, সোনাঝুরি স্টেশনার্স প্রভৃতি। অনেকে অবশ্য "সোনাঝুড়ি'ও লেখেন। তাতে "সোনার ঝুড়ি' টাইপের একটা ফিলিং আসে, মনে হয়। জায়গাটির দাম তো অবশ্যই আছে। এই দিকেই তো কদিন আগে রিয়েলিটি শো'র শুটিং হয়ে গেল। বললে হবেনা। এমনিতে হাট শনিবার শনিবার বসে। প্রবল ভিড় হয়। আজ আবার দোল স্পেশাল। ধুলোয় ধুলোয় গোধুলিবেলা অন্ধকার। পদরেণুতে সূর্য ঢেকে যায়-যায়। শালবন ঢেকে যাচ্ছে প্লাস্টিক কাপে। সে অবশ্য হবেই। উৎসব মানেই তো আবর্জনা। অর্থনীতি বাড়বে। কেনাকাটা হবে। কিন্তু আবর্জনা ফেলার একটিও জায়গা তৈরি হবেনা।

    এদিক-সেদিক নানা খুচরো উৎসব শুরু হয়ে গেছে। প্রাঙ্গণে আজ "চিত্রাঙ্গদা' হবে। লিফলেট বিলি হচ্ছে। মাইক টাঙিয়ে গোয়ালপাড়ার কি যেন অনুষ্ঠান হচ্ছে। গেস্ট হাউসের ছাদে বক্স লাগিয়ে চলছে হৈ হৈ নৃত্য। ওদিকে খোয়াইয়ের পাড়ে পূর্ণিমা চাঁদ উঠেছে। সেখানেও অবশ্য সারা রাত লোক থাকবে। হৈহল্লা হবে। অন্তত আজকের রাতে।

    আগামীকালের কথা অবশ্য আলাদা। কালও চাঁদ উঠবে। কিন্তু শহুরে বাবুরা আর থাকবেন না। সংকীর্ণ রাস্তার ধারে প্লাস্টিক কাপ, ভাঁড়ের স্তূপ, সিগারেটের ফেলে দেওয়া প্যাকেটের জঞ্জাল, মিনারেল ওয়াটারের বোতল টিকে থাকবে উৎসব আর উন্নয়নের অভিজ্ঞান হয়ে। সারি সারি বাড়ি থাকবে অবিকল, মানুষ থাকবেনা। জমি থাকবে, জমির দাম বাড়বে, যেমন বাড়ছে। শহরের পয়সায় তৈরি হবে সুরম্য সব অট্টালিকা। উৎসবের দিনে সেসব ভরে যাবে অতিথিতে। বাকি দিনগুলোয় ঘর অন্ধকার করে থাকবে দেড় হাজারি কেয়ারটেকার। আর চাঁদের আলোয় জেগে থাকবে একটি মৃত নগরী। জ্যোৎস্নারাতে বনে নয়, সবাই চলে যাবে কলকাতায়, আর এই আধাখেঁচড়া হাফ-শহরটি প্রতীক্ষা করবে পরবর্তী উৎসবের।

    ছবি: মৃগাঙ্কশেখর গাঙ্গুলি

  • বিভাগ : কূটকচালি | ২০ মার্চ ২০১১ | ১৪৯ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sswarnendu | 198.154.74.31 (*) | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৬:৫০89101
  • ওফফফ দুরন্ত...
  • maximin | 127.194.235.123 (*) | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৮:০২89102
  • আহা বড় সুন্দর লেখা।
  • maximin | 127.194.235.123 (*) | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৮:০৪89103
  • তেমনি সুন্দর ছবি।
  • ranjan roy | 24.99.227.206 (*) | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০২:৪৭89104
  • "আর চাঁদের আলোয় জেগে থাকবে একটি মৃত নগরী। জ্যোৎস্নারাতে বনে নয়, সবাই চলে যাবে কলকাতায়, আর এই আধাখেঁচড়া হাফ-শহরটি প্রতীক্ষা করবে পরবর্তী উৎসবের।"
    --অসাঃ; মহাগুরুর চন্ডালবাক্যটি। সত্যবচন!!!
  • কান্তি | 160.129.127.182 (*) | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৪:২৯89105
  • খাসা লাগল। প্রথম তিন ভাগ হুতুমের কলমে লিখে শেষ অধ্যায় আজকের হুতুম নিজের কলমে গুরু বাক্য গুলি লিখিলেন। চণ্ডালেরা মাথা নাড়িল।
  • ঝর্না | 229.64.160.180 (*) | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৬:১৩89106
  • "একঘর"...দারুন লেখা...
  • Su | 91.147.9.70 (*) | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৭:৫৫89107
  • খুব ভালো লেগেছে - একদম সত্যি
  • শিবাংশু | 127.197.234.253 (*) | ০৭ মার্চ ২০১৫ ০৮:৩২89108
  • অবিকল... বহোৎ খুব...
  • ;-) | 87.247.181.163 (*) | ০৯ মার্চ ২০১৫ ০৩:৪৩89111
  • কালজয়ী বা কালোত্তীর্ণ বলতে হত না?
  • ;-) | 15.79.68.161 (*) | ০৯ মার্চ ২০১৫ ০৩:৪৩89112
  • কালজয়ী বা কালোত্তীর্ণ বলতে হত না?
  • de | 69.185.236.54 (*) | ০৯ মার্চ ২০১৫ ০৫:৫৮89109
  • দারুণ লিখেছে মামু!
  • সিকি | 166.107.90.66 (*) | ০৯ মার্চ ২০১৫ ০৬:০৮89110
  • কিন্তুক মামুর এই লেখাটা চার্বছর আগে লেখা - সেইটা কি কেউ খ্যাল করেছে?
  • কান্তি | 55.126.160.250 (*) | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৫:১৮89113
  • হুতোমের নতুন ভাই শেষে কবি হোয়ে গেল যে। দাদুর প্রভাবে?
  • অয়ন | 113.218.238.118 (*) | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৬:৫০89114
  • দারুণ লাগল।
  • Du | 182.58.107.247 (*) | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৬:৫৭89115
  • চার বছর আগে পড়া হয়নি। দারুন লাগলো
  • শান্তনু কুমার দাশ | 57.15.3.202 (*) | ১৪ মার্চ ২০১৭ ০২:২৮89116
  • শব্দ দিয়েই একটা প্যারালাল বসন্ত উৎসব হবে গেছে । এটা কঠিন । বিশেষত এত কিছু দেখা একসাথে লেখা । দৃশ্যগুলো কে তাড়াহুড়ো করে সাজাতে হয় । পুরো ব্যাপারটা হল স্ট্রীট ম্যাজিসিয়ানদের মত । বাজারে যেতে যেতে হঠাত ফোর ডাইমেনশনাল একটা রং বেরং আবির, ধূলো আর হইচই ভর্তি সমান্তরাল পৃথিবীতে ঢুকে বেরিয়ে এলাম ।
  • বাবুরাম সাপুড়ে | 127.194.228.212 (*) | ০১ মার্চ ২০১৮ ০১:০১89120
  • আর চাঁদের আলোয় জেগে থাকবে একটি মৃত নগরী। জ্যোৎস্নারাতে বনে নয়, সবাই চলে যাবে কলকাতায়, আর এই আধাখেঁচড়া হাফ-শহরটি প্রতীক্ষা করবে পরবর্তী উৎসবের।
    মহেঞ্জদরো, একদম সেই নিঃস্পৃহতা
  • রুকু | 11.187.249.24 (*) | ০১ মার্চ ২০১৮ ০১:৪২89121
  • আর এখন?
  • প্রতিভা | 213.163.244.204 (*) | ০১ মার্চ ২০১৮ ০৪:৪৭89122
  • এইখান থেকেই বোধহয় মহেঞ্জোদারো লেখা শুরু।
  • Anamitra Roy | 125.187.48.109 (*) | ০১ মার্চ ২০১৮ ০৫:৪২89123
  • এইটা আসলে ২০১১-র লেখা?
    বাইশ বছর বয়সটা সত্যিই খুব ভালো। এগ্রিড!
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০১ মার্চ ২০১৮ ০৮:১৮89117
  • এখনো কি একই ছবি ?
  • avi | 57.11.150.140 (*) | ০১ মার্চ ২০১৮ ১০:০৮89118
  • বাহ, এটা আগে পড়ি নি। সেই সাগরসঙ্গমে চন্দ্রিলকুমার লেখাটার মতো লাগলো। খাসা।
  • AS | 113.56.239.110 (*) | ০১ মার্চ ২০১৮ ১০:৫২89119
  • দারুণ লাগল
  • Arpita | 57.11.200.81 (*) | ০২ মার্চ ২০১৮ ০৫:৫২89124
  • Apnar obsevation eto bhalo.. Lekhata eto prasangik.
  • Arpita | 57.11.200.81 (*) | ০২ মার্চ ২০১৮ ০৫:৫২89125
  • Apnar obsevation eto bhalo.. Lekhata eto prasangik.
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত