• বুলবুলভাজা  খবর  খবর্নয়

  • নিয়মের অতল ফাঁক - মালদহের গণি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি - দ্বিতীয় কিস্তি

    অনমিত্র রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    খবর | খবর্নয় | ২৭ জুলাই ২০১৮ | ৩৬৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ২০১০ থেকে ২০১৬, অর্থাৎ ৬ বছর, অর্থাৎ ২+২+২ সিস্টেমে GKCIETতে ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীদের প্রথম ব্যাচের B.Tech পাশ করার বছর।
    রেজাল্ট বেরোনোর কথা ছিল জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে। কিন্তু তার আগে থেকেই হাওয়ায় খবর ভাসতে থাকে যে রেজাল্ট বা সার্টিফিকেট, পাওয়া যাবে না কোনোকিছুই। স্বাভাবিকভাবেই ছাত্রছাত্রীরা শঙ্কিত হয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে এই উড়ো খবরের সত্যতা জানতে চান। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে অ্যাফিলিয়েশন প্রয়োজন হয় এবং সেই বিষয়ে যে কোনো সমস্যা ঘটে থাকতে পারে, এসব নিয়ে ছাত্রদের তখনও কোনো ধারণা ছিলোনা। তাঁদের আশংকানিরসন এবং রেজাল্ট সংক্রান্ত যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য GKCIET কর্তৃপক্ষ জুন মাসের ২ তারিখ ইনস্টিটিউটের আধিকারিকদের সাথে ছাত্রছাত্রীদের একটি মিটিং-এর আয়োজন করেন। সেই মিটিং-এই প্রথমবারের জন্য জানানো হয় যে গনি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির আদতে কোনো অ্যাফিলিয়েশনই নেই এবং তার ফলে ছাত্রছাত্রীদের রেজাল্ট বা সার্টিফিকেট দেওয়া সম্ভব হবে না।
    হবে না মানে হবে না ! বিন্দুমাত্র ধোঁয়াশা বা দ্বিধাদ্বন্দের কোনও জায়গা না রেখে স্পষ্টভাবেই বলে দেওয়া হয় একথা। অর্থাৎ গত ৬ বছর ধরে তোমরা এখানে পড়াশোনা করে যে যোগ্যতা অর্জন করেছো তার কোনো প্রমান তোমাদের কাছে থাকবে না। মানে, হয়তো তোমরা শিখেছো অনেক কিছুই, কিন্তু সেই শিক্ষা কাজে লাগিয়ে উপার্জন করবে বলে যদি ভেবে থাকো তাহলে ভুলে যাও। কারণ কোনো কাগজ আমরা তোমাদের দিতে পারবো না যা দেখিয়ে তোমরা নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রমান করতে পারো। কারণ সেধরণের কাগজ তোমাদের হাতে তুলে দিতে গেলে যে ধরণের বৈধ স্বীকৃতি প্রয়োজন তা আমাদের প্রতিষ্ঠানের নেই। অর্থাৎ আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজগুলি না থাকার ফলে তোমাদের যে সমস্ত কাগজগুলির প্রয়োজন তোমরাও তা হাতে পাবে না।

    পরিষ্কার ব্যাপার! না বোঝার কোনও কারণ নেই।
    কিন্তু নির্বোধ ছাত্রেরা বুঝতে চায় না। মিটিং-এর পরের দিন থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে ইন্সটিটিউটে শিক্ষক ও আধিকারিকদের উপস্থিতির হার হ্রাস পায়। এমত পরিস্থিতিতে ছাত্ররা একজোট হওয়ার উদ্দেশ্যে মনস্থির করে। জন্ম হয় GKCIET ছাত্রছাত্রী ঐক্য-র। নোটিস দেওয়া হয় ৮ই জুন থেকে শুরু হবে আমরণ অনশন। ইচ্ছুক ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধ করা হয় যোগদানের জন্য। কর্তৃপক্ষ শুরুতে গুরুত্ত্ব দেয়নি। ফলে ১০ তারিখ আধিকারিকদের অফিস ঘেরাও করা হয়। ঘেরাও চলে প্রায় রাত ১টা পর্যন্ত। শেষ অবধি আধিকারিকরা দরজা ভেঙে পালিয়ে যান এবং পরের দিন, অর্থাৎ ১১ই জুন, ইন্সটিটিউটে আসেন ইংলিশবাজারের বিডিও, আইসি এবং মালদহ জেলার ডিএসপি কে সঙ্গে নিয়ে। ছাত্রদের অনুরোধ করা হয় অনশন তুলে নিতে। স্বাভাবিকভাবেই ছাত্ররা মানেননি। দাবী না মানলে অনশন যে তোলা হবে না সেকথা স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় জিকেসিআইইটি ছাত্রছাত্রী ঐক্যের পক্ষ থেকে। বিডিও, আইসি এবং ডিএসপি আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে ইন্সটিটিউট থেকে বেরিয়ে যান।

    ১২ই জুন থেকে আধিকারিকরা প্রতিষ্ঠানে দৈনিক হাজিরা দেওয়া বন্ধ করে দেন সম্পূর্ণত। এদিকে ছাত্রছাত্রীদের অনশন চলতে থাকে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় না কোনোকিছুই। ১৫ই জুন নাগাদ অনশনরত দুই ছাত্র গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পরে। সরকারী মেডিক্যাল টিম আসেনি। তাঁদের ভর্তি করা হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজে। এরপর ১৬ই জুন অনশনরত ছাত্রছাত্রীরা আধিকারিকদের অফিসগুলিতে তালা ঝুলিয়ে দেন। তাতেও কোনো ফল হয় না। ১৯শে জুন ছাত্রছাত্রী ঐক্য-র পক্ষ থেকে মালদা শহরের বিভিন্ন জায়গায় পথনাটিকা আয়োজন করা হয় এবং ২১শে জুন ডাক দেওয়া হয় মহামিছিলের। ২১ তারিখের মিছিলটি সমগ্র মালদা শহর পরিক্রমা করে। এরপরই শোনা যেতে থাকে রাজ্য সরকারের তরফে নাকি ইন্সটিটিউটটি অধিগ্রহণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে ছাত্রদের কিছু জানানো না হলেও উত্তরবঙ্গ সংবাদ এবং টাইমস অফ ইন্ডিয়া-র মতো সংবাদপত্রগুলোতে এই মর্মে খবর প্রকাশিত হয়। সেই খবরে উল্লেখ করা হয় যে রাজ্য সরকার MHRD কে এই বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন এদিকে চলতে থাকে, জারী রাখা হয় অনশনও। একের পর এক ছাত্রছাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। অবশেষে ২৭শে জুন ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    দিনটি ছিল সোমবার। বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ মালদা রথবাড়ি মোড়ের কাছে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন। এই ছয়শতাধিক মানুষের মধ্যে জিকেসিআইইটি-র ছাত্রছাত্রীরা ছাড়াও ছিলেন কিছু অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ছাত্র এবং কিছু স্থানীয় সাধারণ মানুষ। ছাত্রছাত্রী ঐক্য-র দাবী ছিল ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে ঘটনাস্থলে এসে অ্যাফিলিয়েশনের বিষয়টি নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলতে হবে। ৫ ঘন্টার ওপর অবরোধ চলার পরও ডিএম সাহেব আসেননি। তার বদলে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন মালদা সদরের তৎকালীন সাবডিভিশনাল অফিসার শ্রী সন্দীপ নাগ। ছাত্রদের বক্তব্য অনুযায়ী সন্দীপ বাবু আদেও তাঁদের সাথে কথা বলতে আসেননি। বরং তিনি এসেই অবরোধ তুলে নিয়ে "নাটক" বন্ধ করতে বলেন। ছাত্ররা সামগ্রিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা তাঁদের কি করা উচিত জানতে চাইলে তিনি বলেন, "মরে যাও"! এই মন্তব্যের পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত মানুষজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ফলে খুব শিগগিরই ঘটনাপরম্পরা পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি এবং লাঠিচার্জের দিকে এগোয়। যদিও ঘটনাপরবর্তী কোনো সরকারি বিবৃতি নেই যা এই ঘটনাক্রমের প্রমান হিসেবে পেশ করা যেতে পারে। পাঁচজনকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। তার মধ্যে দু'জন, আলমগীর খান এবং পরমা কুমারী নামে ডিপ্লোমা কোর্সের এক প্রথম বর্ষের ছাত্রী-র আঘাত বেশ গুরুতর ছিল। ইংলিশবাজার পুলিশ স্টেশন এই ঘটনার সত্যতা মানতে চায় না, তৎকালীন এসপি প্রসূন বন্দোপাধ্যায় সাংবাদিকদের ফোন ধরেন না , এবং এএসপি অভিষেক মোদী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন।
    রাত্রি প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ সাধারণ মানুষের হয়রানির কথা মাথায় রেখে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

    পরেরদিন, মঙ্গলবার, ২৮শে জুন, ২০১৬ বাংলা টিভি চ্যানেলগুলিতে প্রচারিত সংবাদসূত্রে জানা যায় জিকেসিআইইটিকে বৈধতা প্রদান করতে চলেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কাউন্সিল অফ টেকনিকাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট; যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তখনও ছাত্রদের কিছু জানানো হয়নি। এছাড়া উক্ত সংবাদ অনুযায়ী এই বৈধতাপ্রদানোত্তর ডিপ্লোমা কোর্সটি সরকারি স্বীকৃতি পেয়ে যাবে বলে জানানো হলেও সার্টিফিকেট কোর্স বা বি.টেক-এর স্বীকৃতির কি হতে চলেছে সেই বিষয়টির কোনো উল্লেখ রাখা হয় না। ফলে ছাত্রদের অনশন এবং আন্দোলন চলতে থাকে। ওইদিন সন্ধেবেলা জিকেসিআইইটি ছাত্রছাত্রী ঐক্য-র তরফে আয়োজিত একটি মোমবাতি মিছিল পুনরায় শহর পরিক্রমায় বেরোয়। মিছিলটি শেষ হয় গনি খান চৌধুরীর মূর্তির পাদদেশে পথসভার মধ্য দিয়ে।
    এরপর জুলাই মাসের ২ তারিখ রেল অবরোধ কর্মসূচি নেওয়া হয়। নিমাইসরা রেল ব্রিজের ওপর থামিয়ে দেওয়া হয় গুয়াহাটি-চেন্নাই এক্সপ্রেস। চারঘন্টার ওপর অবরোধ চলে। ঘটনাস্থলে আসেন তৎকালীন ডিআরএম। তিনি ছাত্রছাত্রীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জানান যে বিষয়টি তাঁর এক্তিয়ার বহির্ভূত, তবু তিনি MHRD -কে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করবেন যাতে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হয়।

    ২০১৬ সালে রথযাত্রা ছিল জুলাই মাসের ৬ তারিখ। আর ৫ তারিখ সন্ধে থেকে ৬ তারিখ সন্ধে পর্যন্ত ছিল ঈদ। ঈদ-এর লগ্নের ঠিক কয়েকঘন্টা আগে , দুপুর একটার সময় জিকেসিআইইটিতে আসেন শ্রী দীপঙ্কর চক্রবর্তী, স্টেট্ কাউন্সিলের বিশেষ অফিসার। তাঁর আসার ব্যাপারে আগেই ঘোষণা করেন কর্তৃপক্ষ। টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিসি, মালদা)-র ক্যাম্পাসে জড়ো হতে বলা হয় ছাত্রছাত্রীদের। অ্যাডিশনাল ডিএম শ্রী দেবতোষ মন্ডল মহাশয়ের উপস্থিতিতে দীপঙ্করবাবু জানান জিকেসিআইইটি-র সার্টিফিকেট কোর্স এবং ডিপ্লোমা কোর্সটিকে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কাউন্সিল অফ টেকনিকাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট বৈধতাপ্রদান করছে। পেশ করা হয় MHRD -র চিঠি, যে চিঠির বয়ান অনুযায়ী বি.টেক কোর্সটিকে বৈধতাপ্রদান করতে চলেছে এনআইটি দুর্গাপুর। তবে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স-এর ডিপার্টমেন্ট দুটির বৈধতার জন্য স্টেট্ টেকনিক্যাল কাউন্সিলকে এখনও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে কারণ এআইসিটিই-র অনুমোদন প্রয়োজন।
    এই ঘোষণায় আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ফিরে আসে উৎসবের আমেজ। আন্দোলনের নৈতিক জয়ের ফলে তুলে নেওয়া হয় অনশন। ঠিক হয় ছুটি থেকে ফিরে আয়োজন করা হবে বিজয় মিছিলের, জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহ নাগাদ।

    (ক্রমশ)


    <<আগের পর্ব পরের পর্ব>>

    (তথ্যঋণ: আলমগীর খান, সাইন জাহেদী, দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, টাইমস অফ ইন্ডিয়া, উত্তরবঙ্গ সংবাদ, ফেসবুক)

  • বিভাগ : খবর | ২৭ জুলাই ২০১৮ | ৩৬৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
আরও পড়ুন
লকডাউন - Anirban M
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | 3445.224.9002312.51 (*) | ২৭ জুলাই ২০১৮ ১০:১৮85535
  • ধন্যবাদ | শেয়ার করলুম | এই লেখাটা আরও বেশি শেয়ারড হোক | কেন্দ্রীয় সরকারী লেভেলে ধাক্কা না পড়লে পরিস্থিতি পাল্টাবে না |
  • Anamitra Roy | 340112.252.786712.9 (*) | ২৮ জুলাই ২০১৮ ০৩:৩৯85536
  • আমার মনে হয় সমস্ত তথ্য এক জায়গায় করে গোটা লেখাটা শেষ করবার পর এটার একটা ইংরেজি ভার্সনও নামানো দরকার।
  • রজত দত্ত | 8967.198.672323.79 (*) | ২৮ জুলাই ২০১৮ ০৯:৩৭85537
  • সিভিল আর কমপ্যুটার সাইন্স এর কি হোল শেষমেস? কোন কোন department বৈধতা পেল?
  • amit | 340123.0.34.2 (*) | ২৮ জুলাই ২০১৮ ১০:৩০85538
  • একটা অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যাচ্ছে সর্বত্র প্ব -তে। পুরো রাজ্যের যেকোনো সমস্যা, সেটা হোস্টেল থেকে প্যান্ডেল অবধি, যত পাতি শিশুই হোক না কেন, এক এবং একাকী পদি পিসি ছাড়া আর কেও কিচ্ছু সমাধান করতে পারবেন না, বাথরুম এ যেতে গেলেও এবার তেনার পারমিশন লাগবে হয়তো। পুরো শিব ঠাকুরের আপন দেশ হয়ে গেছে।

    প্রপার কোর্স এফিলিয়াতিও ছাড়া যদি কোনো ইনস্টিটিউট ছাত্র ভর্তি করে, সে তো পুরো জালিয়াতি কেস। কলেজ অথরিটি র বিরুদ্ধে কোনো কোর্ট কেস বা কোনো FIR করা হয়েছে কি এখনো অবধি ? জানি ব্যাপারটা আদালতে গেলে দেরি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, এবং ছাত্রদের ভবিষ্যৎ ভেবে তাড়াতাড়ি কোনো সমাধান দরকার। কিন্তু একটা কোর্ট কেস করলে অন্তত অথরিটি র ওপর চাপটা বাড়বে। লিগাল আর প্রতিবাদ দুটো একসাথে চালানো গেলে কি ভালো হয়না ? (আমি জানি না, হয়তো লিগাল পথে অলরেডি প্রচেষ্টা করা হয়েছে বা হচ্ছে, হয়ে থাকলে আগাম সরি বলে রাখলাম)।

    সব কিছু সমাধানের জন্য এভাবে অনশনে বসা অথবা হাইওয়ে / ট্রেন অবরোধ করাটা কি আমাদের আরো বেশি করে মব জাস্টিস এর দিকে থেকে দিচ্ছে না ? ছাত্রদের প্রতি পুরো সহানুভূতি নিয়েও এটা বলা যায় যে ট্রেন বা বাসযাত্রীরা তার জন্য দায়ী নন, বা তাদের মধ্যেও কোনো ইমার্জেন্সি পেশেন্ট থাকতে পারেন।
  • PT | 671212.193.563412.69 (*) | ২৯ জুলাই ২০১৮ ০৩:১২85539
  • পথ তিনিই দেখিয়েছিলেন। আন্দোলনের নামে র‌্যাবেল রাউসিং করে। যাকে শিক্ষিত-অশিক্ষিত বাঙালী দুহাত তুলে বিপ্লবের খোয়াব দেখে সমর্থন জানিয়েছিল। কাজেই সুবিচার চাইতে এখন রাস্তাই একমাত্র রাস্তা। কেননা সঠিক কথাটি তাঁর কানে তোলার মত মেরুদন্ডী প্রাণী দলে বা সরকারে কেউ নেই।
  • sm | 7845.15.1290012.5 (*) | ২৯ জুলাই ২০১৮ ০৬:৪৬85540
  • যদ্দুর জানা যাচ্ছে, GK CIET সেন্ট্রাল গভঃ ফান্দেড ইনস্টিটিউট। MHRD এর হর্তা কর্তা।উইকি দেখাচ্ছে, AICIET এফিলিটেড।
    এর মধ্যে রাজ্য সরকার এলো কোত্থেকে?
  • sm | 7845.15.1290012.5 (*) | ২৯ জুলাই ২০১৮ ০৬:৪৮85541
  • #AICTE
  • PT | 671212.193.563412.69 (*) | ২৯ জুলাই ২০১৮ ০৭:০১85542
  • রাজ্যের একটি কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজ্যের কোন দায় থাকেনা জেনে আলোকিত হলাম। এমনকি রাজ্যের মেডিকাল কলেজের ছাত্ররা আস্তাকুঁড়ে না হস্টেলে থাকবে তা নিয়েও রাজ্যের বিশেষ মাথাব্যথা নেই সেটাও সম্প্রতি জেনেছি। কিন্তু মঙ্গল গ্রহ থেকে যারা GKCIET-তে পড়তে এসেছে তারা রাস্তা আটকে আন্দোলন তো স্থানীয় রাজনৈতিক শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হয়ে করতেই পারে।
  • sm | 7845.15.015612.119 (*) | ২৯ জুলাই ২০১৮ ০৭:০৭85543
  • আপনার নিশ্চয় বুঝতে ভুল করছেন।এই এফিলিয়েশন থাকা বা না থাকার ব্যাপারে রাজ্য সরকারের ভূমিকা কোথায়?
    আর যদি বলেন অনশনের কথা। সেটা শুরু করে ছিল, টাকায় ছবির দাদু!
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন