• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • মানবজনম

    Tathagata Dasmjumder ফলো করুন
    ব্লগ | ২০ মার্চ ২০১৭ | ৭৫ বার পঠিত

  • পঁচিশ লক্ষ বছর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকা, দিনালেদি নদীর উপত্যকা

    মাহর প্রসবকাল আসন্ন, তাই তাকে আর খাদ্যসংগ্রহে যেতে হয়না। গোষ্ঠীবদ্ধ জীব হওয়ার এই একটা বড় সুবিধা, তার ওপর আবার মাহ দলপতির সঙ্গিনী, তাই আগত শিশু এবং শিশুর মায়ের খাদ্যাভাব হয়না। একটা পাথরের ছায়ায় ডিসেম্বরের অসহনীয় গরম থেকে তাই নিজেকে রক্ষা করছিল মাহ। গোষ্ঠীর প্রায় সকলেই খাদ্যসংগ্রহে গেছে, কিছু শিশু আর সদ্যমাতা ছাড়া কেউ নেই আশেপাশে। মাহরা যে রক আউটক্রপটার ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছিল, তার ঠিক পেছনে আরেকজন মা তার বাচ্চাদের জন্য শিকারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
    এই দুপেয়ে লেজকাটা বাঁদরগুলোকে শিকার করা সবচেয়ে সোজা যদিনা এদের দলটা বড় হয়, অসুবিধা হয় তখনই যখন এরা জাদুবলে দূর থেকে নিজেদের থাবা ছুঁড়ে দেয় বা সরু লম্বা থাবা দিয়ে খোঁচাতে আসে। আজ সুবর্ণ সুযোগ, এদের দলের একটা বড় অংশ কোথায় একটা গেছে, এই সুযোগে একটা বাচ্চাকে যদি শিকার করে আনা যায় তাহলে দিনদুয়েকের জন্য মা সেবারটুথের চিন্তার অবসান হয়।
    ********************************************
    ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩, জোহানেসবার্গের অদূরে

    রিক আর স্টিফেন অনেকক্ষণ ধরে ঘুরতে ঘুরতে রক আউটক্রপটার তলায় এসে বসেছিল।
    "আজকের দিনটা মনে হয় বৃথাই গেল, একটা গুহা পেলামনা যেটা ইন্টারেস্টিং"
    ওয়াটার বটলটাকে গলায় উপুড় করে দিয়ে বলল রিক।
    "যা বলেছ, পেড্রো বলেছিল ১২৭ আওয়ার্স সিনেমায় দেখানো গুহার মত গুহা পাওয়া যাবে এখানে যা নাকি রাইজিং স্টার কেভ সিস্টেমের অংশ, কিন্তু কোথায় কি?"
    হাতের লাঠিটা দিয়ে সামনের ধুলোয় আঁকিবুকি কাটতে কাটতে উত্তর দিল স্টিফেন।
    রিক বলল,
    "স্টিভ, এক কাজ করি চল, একটু বিশ্রাম নিয়ে এই আউটক্রপটার ওপরে উঠে চারদিকটা শেষবারের মত সার্ভে করে নি, যদি কিছু নজরে আসে"
    স্টিফেন বলল,
    "হুম, ঠিক বলেছ, আরেকটু বসে নিলে হয়না?
    যা গরম, একটা বিয়ার দাও তো"
    ঘন্টাখানেক পরে দুই ক্লান্ত অ্যামেচার কেভার রক আউটক্রপটার ওপরে উঠে দেখল ওপর থেকে একটা গর্ত নীচে নেমে গেছে। আনন্দে লাফিয়ে উঠল দুজনে, এখানে এরকম একটা গুহা আছে বলে তো জানা ছিলনা।

    পঁচিশ লক্ষ বছর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকা, দিনালেদি নদীর উপত্যকা

    মাহরা এই রক আউটক্রপটার ছায়াতে বাস করে একটা বিশেষ কারনে। গাছে রাত্রিবাস করলে যদিও বিপদের সম্ভাবনা কম থাকে, কিন্তু ফল পাড়া ছাড়া শাখামৃগবৃত্তি তারা আর তেমন করেনা, যদিও মাটির সাথে গাছেও তারা সমানভাবে স্বচ্ছন্দ। মা
    সেবারটুথের লক্ষ্য এখন মাহর মধ্যম সন্তান সেথের দিকে স্থির। সেথ তখন একটা কাঠি মুখে নিয়ে চুষছিল, লালায় ভিজে গেলে সেটা সে ঢোকাবে উইঢিপির মধ্যে, উঠে আসবে স্বাদু পোকাগুলো।
    আসন্ন মুখরোচক খাবারের লোভে সে বেশ অন্যমনস্ক। মা সেবারটুথ ঘাসের আড়ালে গুঁড়ি মেরে ততক্ষণে অনেকটাই এগিয়ে এসেছে, মাহ যখন তাকে দেখতে পেল ততক্ষণে অনেকটাই দেরী হয়ে গেছে। মা সেবারটুথ সেথের গলা লক্ষ্য করে ঝাঁপ দিয়ে দিয়েছে ততক্ষণে। গর্ভিনী মাহ হাতের কাছে থাকা পাথরটাকেই ছুঁড়ে দিল মা সেবারটুথের চোখটা লক্ষ্য করে। তার লক্ষ্য ভুল হয়না, লক্ষ্যভেদে এই দক্ষতাই তার দলপতির প্রধান সঙ্গিনী হয়ে ওঠার অন্যতম কারন।
    ********************************************
    ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩, জোহানেসবার্গের অদূরে

    দড়িদড়া বেয়ে কোনরকমে নিচে নামল দুজনে, গুহার অভ্যন্তর বেশ অপ্রশস্ত আর ততোধিক অন্ধকার। স্টিফেন টর্চটা জ্বালিয়ে একটু ভাল করে দেখে নিতে চাইল চতুর্দিক। যা দেখল তাতে তার মনটা আনন্দে প্রায় নেচে উঠল, যে খাড়াই অংশটা বেয়ে তারা নেমেছে সেটাকে বড়জোর মুখ বলা চলে, গুহাটা এরপর ঢালু হয়ে মিশে গেছে গভীর অন্ধকারে।
    রিক বলল,
    "এগোবে নাকি?"
    "এগোতে তো হবেই, আমার মনে হয় আগে গিয়ে এই গুহাটা মূল রাইজিং স্টার কেভ সিস্টেমের সাথে যুক্ত হয়েছে"
    "চল, দেখি গিয়ে"
    বেশ কিছুটা এগোনোর পর তারা দেখল সামনে পাথুরে দেওয়াল। তারা হতাশ হয়ে ফিরেই আসত, যদিনা রিকের নজর পড়ত দেওয়ালের একদম তলার একটা গর্তের দিকে, যার উচ্চতা বড়জোর দশ ইঞ্চি।
    "যাবে নাকি?"
    "যদি এটা ডেড এন্ড হয়?"
    "এক কাজ করি চল, আগে টর্চের আলো ফেলে দেখি?"
    "ভাল আইডিয়া"
    টর্চের আলো আঁধারিতে গর্তটার অন্যদিকে আরেকটা বড়সড় চেম্বার আছে বলেই বোধ হল দুজনের। অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় দুই যুবকের রক্ত ততক্ষণে গরম হয়ে উঠেছে, তাদের মনে পড়ে যাচ্ছে ১২৭ ঘন্টার কথা। কে জানে, অপরপ্রান্তের চেম্বারে ১২৭ ঘন্টার মত কোন ভার্জিন লেক আছে কিনা।
    ******************************************

    পঁচিশ লক্ষ বছর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকা, দিনালেদি নদীর উপত্যকা

    চোখের নিচে প্রবল আঘাত পেয়ে মা সেবারটুথ পিছু হঠল বটে, কিন্তু তার আগেই সেথের গলায় অতিবৃহৎ শ্বদন্তগুলো বসিয়ে দিয়েছিল। ততক্ষণে মাহর প্রবল গোষ্ঠীতে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে, একটু বড় বাচ্চারা হাতে তুলে নিয়েছে গাছের ডাল, অন্যান্য গর্ভিনী মহিলাদের হাতেও উঠে এসেছে পাথর। পূর্বঅভিজ্ঞতা থেকে তারা জানে যে একমাত্র বাধ্য না হলে সেবারটুথরা তাদের আক্রমণ করেনা, কারন তাদের কাছে যে আকাশের হলদে গোলকপ্রদত্ত লাল ফুল আছে। তাই সেবারটুথ হয়ত আবার ফিরে আসবে।
    সেথের মৃতদেহ ঘিরে বসে রইল একদল গর্ভিনী ও বাচ্চা, আজ আর ফল ও মধু সংগ্রহে যাওয়া হবেনা, সৎকার করতে হবে যে।
    এই সাভানার অন্য বাঁদরদের থেকে তারা এখানেই আলাদা। মৃত মানে মৃত নয় তাদের কাছে, মৃত মানে এক গভীর অন্ধকারের পথে যাত্রা, যে যাত্রার শেষে মৃতরা আকাশের হলুদ গোলকের পথে যাচ্রা করে এমন এক দেশে পৌঁছয়, যেখানে শ্বাপদ নেই, রাত নেই।
    ইতিমধ্যে গোষ্ঠীর বাকি নারী পুরুষেরা ফিরে এসেছে। আজকের দিনটা বেশ ভাল ছিল, শিকারের প্রয়োজন হয়নি, একটা হায়নার দলকে তাড়িয়ে তাদের শিকার করা মোষের মাংস খুব সহজেই জোগাড় করা গেছে।
    কিন্তু আজ মহাভোজের দিন নয়, সেথকে অন্ধকারের পথে যাত্রা করাতে হবে যে।
    ***********************************************

    ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩, জোহানেসবার্গের অদূরে

    গুঁড়ি মেরে গর্তটার ভেতরে ঢুকে পড়ল দুজনে, প্রথমে রিক, তার পেছনে স্টিভেন। গর্তটা এতটাই অপ্রশস্ত যে হাতদুটোকে পর্যন্ত শরীরের পাশে রাখা যাচ্ছেনা। একটা হাতকে সামনে এগিয়ে রাখতে হচ্ছে।
    রিক মনে মনে হেসে বলল,
    "স্টিভেন, কেমন যেন মনে হচ্ছে সুপারম্যানের স্টাইলে উড়ছি, এই গর্তটার নাম সুপারম্যানস ক্রস দিলে কেমন হয়?"
    স্টিভেন বহু কষ্টে শরীরটাকে সামনের দিকে টানতে টানতে বলল,
    "যা বলেছ"
    সামান্য এগোতেই দুজনে এসে পড়ল বেশ বড় একটা চেম্বারের মধ্যে। কিন্তু এ তো ফাঁকা, কিচ্ছু নেই। আবার হতাশা। এত কষ্ট করে শেষে এই?
    এদিক ওদিক টর্চ ফেলে দেখা গেল যে সামনে একটা পাথুরে দেওয়াল ধাপে ধাপে ওপরে উঠে গেছে। রোগা রোগা চেহারার দুই দামাল দমলনা। ড্র্যাগনের পিঠের মত খাঁজকাটা দেওয়ালটার ওপরে ওঠা পর্যন্ত ওদের শান্তি নেই যে।
    দেওয়ালটার একদম ওপরে আরেকটা গর্ত , গর্তের বদলে ক্র্যাক বলাই ভাল যেটা কিনা সোজা নিচে নেমে গেছে।
    রিক বলল,
    "এখানকার রক ফর্মেশনগুলো কিন্তু অসাধারন, কিছু ছবি তুলে রাখতেই হবে। স্টিফেন, একটু ক্র্যাকটায় নেমে যাবে? তুমি যা রোগা, ক্র্যাকটায় নিশ্চয় ফিট করে যাবে।"
    রিককে জায়গা করে দেওয়ার জন্য স্টিফেন একটু নিচে নেমে গেল। কিন্তু একি, পায়ের নিচে মাটি নেই যে। না পড়ে সে যাবেনা, এতদিনের কেভিংএর অভিজ্ঞতায় সে জানে যে বড়জোর সাত ইঞ্চি চওড়া এই ক্র্যাকে নিজেকে কিকরে স্থির রাখতে হয়। কিন্তু পায়ের নিচে মাটি না থাকার অর্থ একটাই, এই গুহার বিস্তার আরও অনেক বড়। স্টিভেন ঠিক করল আরেকটু নিচে গিয়ে দেখবে। রিককে সেকথা জানিয়ে তাই শরীরটাকে একটু একটু করে ছাড়তে শুরু করল সে। প্রায় চল্লিশ ফুট নিচে যাওয়ার পর গুহার তলদেশ খুঁজে পেল সে। টর্চের আলোতে চারিদিকটা দেখে সে রিককে উদ্দেশ্য করে বলল,
    "রিক, এখানকার স্ট্যালাকটাইট ফর্মেশনগুলো আরো সুন্দর"
    তখনও সে জানেনা যে গুহার মূল বিস্ময় কিন্তু মাথার ওপরে বা পাশের দেওয়ালে নয়, পায়ের নিচে।
    ******************************************

    পঁচিশ লক্ষ বছর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকা, দিনালেদি নদীর উপত্যকা

    সযত্নে লালিত লাল ফুলের অংশ শুকনো ডালের মুখে জন্ম দিল তার সন্তানের। আর সেই নতুন লাল ফুল মৃতকে নিয়ে যাবে অন্ধকারের পথে, যে পথ শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে যাবে হলুদ গোলকের দেশে। গোষ্ঠীপতি মাহস পথ দেখাল। পেছনে পেছনে আরও দুজন বহন করছে সেথের মৃতদেহ তারও পেছনে লাল ফুল হাতে আরও একজন। মিছিলটা ধীরে ধীরে ঢুকে গেল গুহার অভ্যন্তরে। মাহ ও মাহসদের বহু পূর্বপুরুষের ব্যবহৃত এই পথ বড়ই দুর্গম। সাভানা তার সন্তানদের ছাড়তে চায়না যে, তাই হয়ত যাত্রাপথ এত দুর্গম। লাল ফুলের আলোয় আলোকিত গুহার অভ্যন্তরে তখন নীল ও সবুজ রঙের খেলা। প্রাচীন আত্মারা হাত বাড়াচ্ছে সেথকে কাছে টেনে নেওয়ার জন্য। সাভানা যেখানে ঝুঁকে পড়ে মৃতদের আটকানোর শেষ চেষ্টা করে, সেই অংশে তাদেরকে নত হতে হয়। প্রায় শুয়ে পড়ে বুক ঘষে এগোতে এগোতে সাভানার কাছে চাইতে হয় মৃতকে হলুদ গোলকের রাজ্যে পাঠাবার অনুমতি। এরপর আর তেমন বাধা নেই, মশালের আলোয় পূর্বপুরুষদের অনেক অনেক হাত যেন ডাকছে সেথকে। ওই তো, সামনেই যাত্রাপথের শেষ, পরলোকের দরজা, অন্ধকার সেই গর্তের মধ্যে মাহরা ধীরে ধীরে নামিয়ে দিল সেথের মৃতদেহ। সেথের দেহ যখন গভীর অন্ধকারে মিলিয়ে যাচ্ছে, মাহসের চোখে তখন বাষ্পের আগমণ। সেথ যে মাহর সাথে সাথে মাহসেরও ছেলে।
    **********************************************

    ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩, জোহানেসবার্গের অদূরে

    টর্চের আলো নিচে পড়ামাত্র চমকে উঠল স্টিভেন। এত হাড়!!!!! কিসের হাড় এগুলো? ভাবতে ভাবতেই স্টিভেনের চোখে পড়ল একটু দূরেই কার যেন চোয়ালের অংশ। স্টিভেন নৃতত্ত্ববিদ না হলেও বহুদিনের কেভিংএর অভিজ্ঞতা থেকে সে এটা অন্তত বোঝে যে এই চোয়ালটা সম্ভবত কোন মনুষ্যজাতীয় প্রাণীর। সঙ্গে সঙ্গে তার মনে পড়ে গেল পেড্রোর কথা। স্টিভেন রিককে ডেকে বলল।,
    "এই ট্রিপটা বেশ লাভজনক হবে বলে মনে হয়, পেড্রো যা চেয়েছিল সেরকম অনেক ফসিল এখানে"

    পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ আরো চিত্তাকর্ষক। গুহা থেকে বেরিয়ে রিক আর স্টিভেন ফোন লাগাল পেড্রোকে। শখের ফসিল হান্টার পেড্রো দুজনের তোলা ছবি দেখে এতটাই উত্তেজিত হয়ে হয়ে পড়ল যে রাত একটার সময় দৌড়ে গেল লি বার্জারের বাড়ি। জোর জোর ধাক্কা পড়ল বার্জারের দরজায়। বার্জার ঘুম থেকে উঠে কিছু বলার আগেই পেড্রো একটা ল্যাপটপের স্ক্রিন খুলে ধরল বার্জারের সামনে। স্ক্রিনের ছবিগুলো দেখে বার্জারের তো চক্ষু চড়কগাছ। এ তো প্রায় কমপ্লিট স্কেলিটন মনে হচ্ছে, সম্ভবত হোমো বা অস্ট্রালোপিথেকাসদের।
    কদিন পরে বার্জার ফেসবুকে একটা পোস্ট দিলেন। যার বয়ান অনেকটা এরকম
    "খ্যাংরাকাঠি অ্যানথ্রোপলজিস্ট চাই, যার ক্লস্টোফোবিয়া নেই"
    তিপ্পান্নটা অ্যাপ্লিকেশন এসেছিল, যার মধ্যে থেকে সিলেক্ট করা ছজনই ছিল রোগাপাতলা চেহারার মহিলা। রোগাপাতলা না হলে যে গুহায় ঢোকাই যাবেনা।
    ***********************************************

    উপসংহার

    এখন এটা মোটামুটি সবাই জানে যে মানব বিবর্তনের সূত্রপাত হয় মোটামুটি ষাট থেকে সত্তর লক্ষ বছর আগে যখন শিম্পাঞ্জী ও মানুষের পূর্বপুরুষরা আদিম কোন এপ পূর্বপুরুষদের থেকে দুটো আলাদা পথে যেতে শুরু করে। এই ভাগ হয়ে যাওয়ার পর থেকে মানুষের পূর্বপুরুষরা দুপায়ে চলার কৌশল আবিষ্কার করে আর শিম্পাঞ্জীদের পূর্বপুরুষরা বেছে নেয় নাকল ওয়াকিংকে। তবে মানুষের এই পূর্বপুরুষরা দুপায়ে চলা শুরু করলেও আদতে তারা ছিল এপই। কোমরের নিচ থেকে দুপায়ে হাঁটার অভিযোজন থাকলেও কোমরের উপরের অংশতে তারা তখনও বানর। তাদের মস্তিষ্কের আকার অত্যন্ত ছোট, তারা যে অস্ত্র ব্যবহার করত এরকম কোন প্রমাণও মেলেনি। এই জাতীয় প্রাণীদেরকেই আমরা অস্ট্রালোপিথেকাস বলি যে গ্রুপের সবচেয়ে বিখ্যাত সদস্য হল লুসি। এই অস্ট্রালোপিথেকাসদেরই একটা অংশ ক্রমে বিবর্তিত হয়ে জন্ম দেয় প্রথমযুগের হোমো ইরেকটাসদের। কিন্তু মুশকিল হল এই অস্ট্রালোপিথেসিন আর হোমোদের সময়কালের মধ্যে প্রায় দশ লক্ষ বছরের ফারাক, আর এই সময়কালের মধ্যেকার যে ট্রানজিশন যেখানে কিছু কিছু অস্ট্রালোপিথেসিন গোষ্ঠী ক্রমে হোমো গোষ্ঠীতে পরিবর্তিত হতে শুরু করল সেই সময়ের ফসিল বড়ই অপ্রতুল। ফলে এই সময়কালটা বড়ই ধোঁয়াশায় ঢাকা। এই সময়ের প্রতিভূ হিসেবে মূলত যে দুটি প্রাণীকে চিহ্নিত করা হয়, তারা হল হোমো হ্যাবিলিস আর হোমো রুডলফেনসিস। কিন্তু এদের ফসিল যতটা না পাওয়া গেছে তার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে এদের ব্যবহৃত অস্ত্র। ফলে মোটামুটি এটা ধারনা করা হয়েছিল যে কিছু অস্ট্রালোপিথেকাস যখন ক্রমে হোমো গোষ্ঠীতে বিবর্তিত হতে থাকে তখন তাদের মূল পরিবর্তন হয় মস্তিষ্কের আকারবৃদ্ধিতে এবং যার ফলে এরা অস্ত্র তৈরি করতে শেখে। কিন্তু মুশকিলটা হল যখন অস্ট্রালোপিথেকাস গারহির ফসিল আবিষ্কার হল তখন দেখা গেল তারা অস্ট্রালোপিথেকাস হলেও সম্ভবত অস্ত্র ব্যবহার করত। লি বার্জারের আবিষ্কৃত ( আসলে তাঁর নবছরের ছেলে ম্যাক্সের আবিষ্কৃত) অস্ট্রালোপিথেকাস সেডিবার ফসিলের সাথে অস্ত্র না পাওয়া গেলেও দেখা গেল যে তাদের হাতের বুড়ো আঙ্গুল কিন্তু অপেজেবল (যেরকমটা মানুষের হয়) , অর্থাৎ তোরা কিন্তু চাইলে অস্ত্র ব্যবহার করতেই পারত। মহা মুশকিল।
    আসলে ত্রিশ থেকে বিশ লক্ষ বছরের মধ্যবর্তী সময়ে পৃথিবীর জলবায়ু এত দ্রুত পরিবর্তিত হয়েছিল যে অস্ট্রালোপিথেকাসদের নিজেকে অতি দ্রুত পরিবর্তিত করতে হয়েছিল। তাই প্রায় কুড়ি থেকে ত্রিশ লক্ষ বছর তারা এপ হিসেবে থেকেও মাত্র দশলক্ষ বছরের মধ্যে নিজেদের পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। কিন্তু সেইসময়ের ইতিহাসটা বড়ই ধোঁয়াশায় ঢাকা। আর এই অবস্থাতেই সম্ভবত রিক আর স্টিভেনের আবিষ্কৃত ফসিলগুলো।
    সাধারনত একটা ফসিল পাওয়ার সমস্যাজনক। কিন্তু দিনালেদি গুহা থেকে প্রাপ্ত ফসিলগুলোতে অন্তত পনেরজন আদিমানবের জীবাশ্ম পাওয়া গেছে, শুধু তাই নয়, পাওয়া গেছে তাদের প্রায় সম্পূর্ণ কঙ্কাল। কিন্তু এরা কারা?
    উত্তর পাওয়া গেল তাদের খুলির গড়ন থেকে। তারা অস্ট্রালোপিথেকাস নয়, বরং তারা যাত্রা শুরু করেছে হোমো হওয়ার পথে। কিন্তু তাদের শরীরের বাকি অংশতে আবার অস্ট্রালোপিথেকাসদের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। যেমন তাদের কাঁধের গঠন, বাঁকা আঙুল দেখে মনে হয় যে তারা সম্ভবত গাছে চড়তেও বেশ দক্ষ ছিল। এদিকে তাদের মস্তিষ্কের আকার অস্ট্রালোপিথেকাসদের চেয়ে কিছুটা বড়। এককথায় এরা হোমো আর অস্ট্রালোপিথেকাসদের বৈশিষ্ট্যের নকশীকাঁথার বলা যায়।
    খুব সম্ভবত প্রকৃতি সেসময় হোমো গোষ্ঠী তৈরির আগে নানা পরীক্ষানীরিক্ষা চালাচ্ছিল। তাই একই সময়ে হোমো হ্যাবিলিস, হোমো রুডলফেনসিস এবং সদ্য আবিষ্কৃত এই ফসিল যার নাম দেওয়া হয়েছে হোমো নালেদি তাদের উদ্ভব।
    কিন্তু সদ্য আবিষ্কৃত হোমো নালেদির সবচেয়ে চমকে দেওয়া বৈশিষ্ট্য অন্য জায়গায়। রিক আর স্টিভেন আবিষ্কৃত গুহা, যেখানে হোমো নালেদির এই ফসিলগুলো পাওয়া গেছে, সেই গুহা সম্ভবত লক্ষ লক্ষ বছর ধরে একইরকম আছে। তাহলে ফসিলগুলো ওখানে এল কেমন করে? একটা সম্ভাবনা হতে পারে যে কোন শ্বাপদ শিকার করে এনেছিল। কিন্তু সেই সম্ভাবনাটাকে বাদ দেওয়া যায় একারনেই যে গুহার ভেতরে একটিমাত্র পেঁচার ফসিল ছাড়া বাকি সবকটাই কিন্তু হোমো নালেদির। এমন কোন শ্বাপদের অস্তিত্ত্ব কল্পনা করা সত্যিই মুশকিল যে শ্বাপদ শুধুমাত্র আদিমানবদের শিকার করত। তাহলে?
    আরেকটা সম্ভাবনা হতে পারে যে জলের সাথে ভেসে এসেছে। কিন্তু তাহলেও সে সমস্যাটা দেখা দিচ্ছে সেটা হল শুধুমাত্র হোমো নালেদির ফসিল এল কিকরে? অন্য কোনরকম প্রাণী, এমনকি গাছপালার চিহ্নও নেই কেন? এটাও টিকছেনা। তাহলে?
    তৃতীয় সম্ভাবনা হল যে হোমো নালেদির একটা দল গুহার ভেতরে প্রবেশ করার পর কোনভাবে গুহার ছাদ ধ্বসে পড়ে, তাই তারা সেখানে আটকা পড়ে মারা যায়। কিন্তু লি বার্জার ভূতত্ত্ববিদদের মতামত নিয়ে দেখেছেন যে দিনালেদি গুহায় সম্ভবত এরকম কিছু ঘটেনি।
    শার্লক হোমসের পদ্ধতি অবলম্বন করলে বলা যায় যে সমস্ত সম্ভাবনা যখন ভুল প্রমাণিত হয়, তখন পড়ে থাকা একমাত্র সম্ভাবনা, তা যতই অবিশ্বাস্য হোকনা কেন সেটাই সত্যি।
    তাহলে এক্ষেত্রে সত্যটা কি?
    দিনালেদি গুহার ফসিলগুলো মূলত বৃদ্ধ ও শিশুদের। হঠাৎ করে দেখলে মনে হবে যেন কবরস্থান থেকে তোলা দেহাবশেষ। তাহলে কি এই গুহাকে হোমো নালেদিরা কবরস্থান হিসেবে ব্যবহার করত? যদি তাই হয় তাহলে অস্ট্রালোপিথেকাস থেকে হোমো গোষ্ঠীর বিবর্তনের ইতিহাসটাই অন্যভাবে ভাবতে হয়। প্রাচীনতম মাস গ্রেভের প্রমাণ যা পাওয়া গেছে তা হল স্পেনে। হোমো হাইডেলবার্গেনসিসরা প্রায় পাঁচ লক্ষ বছর আগে এরকম মাস গ্রেভে তাদের আপনজনদের কবর দিত। কিন্তু তারা তো প্রায় মানুষই বলা চলে, সেক্ষেত্রে তাদের এরকম ব্যবহার আমাদেরকে অতটা আশ্চর্যজনক মনে হয়না। কিন্তু কুড়ি থেকে পঁচিশ লক্ষ বছর আগের এক প্রাণী, যাদের মস্তিষ্কের আকার বড়জোর সাড়ে পাঁচশ কিউবিক সেন্টিমিটার তাদের কাছ থেকে বারোশ কিউবিক সেন্টিমিটার মস্তিষ্কের হোমো হাইডেলবার্গেনসিসের সমতূল সাংস্কৃতিক রিচ্যুয়ালের অস্তিত্ত্ব পাওয়া শুধু অস্বাভাবিক নয়, অবিশ্বাস্যও বটে। লি বার্জারের প্রস্তাবিত হোমো নালেদির এই রিচ্যুয়ালিস্টিক ব্যবহার নৃতত্ত্ববিদদের মধ্যে এখনও হটলি ডিবেটেড যাকে বলে।
    কিন্তু অন্যভাবে যদি ভেবে দেখা যায়, তাহলে কি এই ব্যবহার সত্যিই এতটা আশ্চর্যজনক? শিম্পাঞ্জীদের মধ্যেও কিন্তু মৃতদের জন্য শোকপ্রকাশের কিছু কিছু লক্ষণ দেখেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা মৃতদেহকে ফেলে রেখে যেতেই চায়না, মা শিম্পাঞ্জীরা অনেকসময় মৃত বাচ্চাদেরকে বুক থেকে ছাড়তেই চায়না। এমনকি হাতিদেরও কিন্তু মাস গ্রেভ হয়। সেক্ষেত্রে এদের তুলনায় উন্নততর মস্তিষ্কের অধিকারী এই হোমো নালেদিদের মধ্যে তাদের থেকে উন্নতততর রিচ্যুয়ালের অস্তিত্ত্ব থাকাটা কিন্তু ততটাও অস্বাভাবিক নয়। হোম নালেদিরা সত্যিই কবর দিত কিনা তা অবশ্যই সময় বলবে, কিন্তু দুপায়ে হাঁটা বানরদের থেকে হোমো ইরেকটাসে বিবর্তনের, এককথায় মানবজনমের ধোঁয়াশাভরা ইতিহাসে হোমো নালেদিরা অবশ্যই আলো ফেলবে। যাদের কথা হয়ত জানাই যেতনা যদিনা দুজন অ্যামেচার কেভার অত্যন্ত রোগা না হত।
  • বিভাগ : ব্লগ | ২০ মার্চ ২০১৭ | ৭৫ বার পঠিত
আরও পড়ুন
ভুল - Tathagata Dasmjumder
আরও পড়ুন
ক্ষমা - Rumela Saha
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • পাতা : 1
  • dc | 181.61.244.152 (*) | ২০ মার্চ ২০১৭ ০৩:৩৭60880
  • দুর্দান্ত ভালো লাগলো। পড়তে পড়তে বারবার সেই মনোলিথটার কথা মনে আসছিল।
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.175.82 (*) | ২০ মার্চ ২০১৭ ০৩:৫২60881
  • সেই ছবির প্রথম দৃত্যেশ কথা মনে আছে? যেখানে আদিম বানর প্রথম আবিষ্কার করল যে হাড়ের অস্ত্র হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে? আর সেই অস্ত্র প্রথম ব্যবহৃত হল স্বজাতি হত্যার জন্য। মানে মানুষ টেকনোলজির জন্মই দিল পরস্পরের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য। কিন্তু এই দৃশ্য বাস্তবে কতটা সত্যি?
    কুব্রিক কেন এভাবে ভেবেছিলেন তার পেছনে একটা ইন্টারেস্টিং গল্প আছে।

    ১৯২৪ সালে রেমন্ড ডার্ট প্রথম অস্ট্রালোপিথেকাসের ফসিল (টউঙ্গ চাইল্ড) আবিষ্কার করেন, যা থেকে মানব বিবর্তনের উৎসস্থল আফ্রিকা বলে প্রমাণিত হয়। পরে উনি আরো অস্ট্রালোপিথেকাসের ফসিল আবিষ্কার করেন যেগুলোর সাথে অন্য প্রাণীদের হাড়গোড়ও ছিল। ডার্ট লক্ষ্য করেন যে অন্য প্রাণীদের হাড়গুলো এমনভাবে ভাঙা যে সেগুলোতে শার্প এজ তৈরি হয়েছে। সেসময় শিশুঅবস্থায় থাকা প্যালিওঅ্যানথ্রোপলজি তাঁকে এটাই ভাবতে বাধ্য করে যে ওগুলো আসলে অস্ত্র, যা দিয়ে অস্ট্রালোপিথেকাসরা শিকার করে খেত। সেই থেকে তিনি কিলার এপ থিওরীর জন্ম দেন। এই মতে প্রাচীন এপদের মধ্যে এক অ্যাগ্রেসিভ অংশই ক্রমে সাভানায় বেরিয়ে এসে ক্রমে মানুষে পরিনত হয়।
    ডার্টের এরকম ভাবনার পেছনে একটা জিনিসের বিরাট এফেক্ট ছিল। সেটা হল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তিনি যুদ্ধক্ষেত্রের মেডিকাল টিমে কাজ করতেন। সেই সময়ে দেখা হিংসা তাঁর মনকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যে তাঁর মনে হতে শুরু করে যে মানবজাতির উৎসেই আছে হিংসা। আর এই চিন্তাভাবনার ওপর ভর করেই ১৯৬১ সালে রবার্ট আর্ড্রে নামক এক লেখক আফ্রিকান জেনেসিস নামক এক প্রবল জনপ্রিয় বই লেখেন যা ছিল তাঁরই নেচার অফ ম্যান সিরিজের প্রথম বই। এই তত্ত্ব ও এই বইটা কুব্রিককেও প্রবলভাবে প্রভাবিত করে, যারই প্রতিফলন দেখা যায় ২০০১এর প্রথম দৃশ্যে।
    পরবর্তীকালে অস্ট্রালোপিথেকাসদের দাঁতের ক্যালকুলাস পরীক্ষা দেখা যায় তাদের খাদ্য শিম্পাঞ্জীদের সাথেই বেশি মেলে। অর্থাৎ, মূলত ফল, পাতা ও অল্প মাংস। মাংস তারা শিকার করে তেমন খেতনা, কারন তারা অস্ত্র ব্যবহার করতনা। তাদের মাংসের উৎস ছিল মূলত স্ক্যাভেঞ্জিং।
    এতগুলো কথা বলার মূল উদ্দেশ্য কিন্তু কুব্রিককে ছোট করা নয়। বরং এটাই দেখানো যে একজন মানুষের বিশ্বযুদ্ধের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কিভাবে তার পঞ্চাশ বছর পরের শিল্পসাহিত্যে কি বিপুল অভিঘাত সৃষ্টি করতে পারে।
  • dd | 116.51.28.65 (*) | ২০ মার্চ ২০১৭ ০৪:২৯60882
  • ভালো লাগলো পড়ে।

    এই ধরনের প্রবন্ধে বাধা হয়ে দাঁড়ায় টেকনিকাল বিষায়গুলোকে সহজপাচ্য করে তোলা আর দ্বিতীয়টা হচ্ছে বাংলায় অনুবাদ করা। তথাগত দুটোই খুব ভালো ভাবে করেছেন।

    আরো হোক।
  • Du | 182.58.105.173 (*) | ২০ মার্চ ২০১৭ ০৫:৩১60883
  • খুব ভালো লাগলো। আরো লিখুন।
  • রৌহিন | 113.214.139.253 (*) | ২০ মার্চ ২০১৭ ০৫:৫০60884
  • দারুণ দারুণ
  • dc | 181.61.244.152 (*) | ২০ মার্চ ২০১৭ ০৬:০৬60885
  • তথাগতবাবু, ঠিক ঐ দৃশ্যটার কথাই মনে পড়ছিল ঃ) আর কুব্রিকের গল্প্টও খুব ইন্টারেস্টিং লাগলো। এটা জানতাম না। তবে ক্লার্কের কিছু সাক্ষাৎঅকার পড়েছি যেখানে উনি আলোচনা করেছেন কিভাবে দ্য সেন্টিনেল গল্পটা লেখা হয়েছিল, তারপর কিভাবে উনি আর কুব্রিক সেটা নানাভাবে পাল্টে আর বিস্তৃত করে স্পেস ওডিসির চিত্রনাট্য লেখেন, পরে গল্পের আকারেও লেখেন। আপনার এই লেখাটার স্ট্রাকচারটা এতো ইন্টারেস্টিং যে বড়ো কোন গল্পের প্রোলগ হিসেবে চমৎকার মানাবে।
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.162.10 (*) | ২০ মার্চ ২০১৭ ০৬:৪৫60886
  • খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন, অনেকেই জানেনা যে ছবিটা সেন্টিনেল গল্প থেকে বানানো। ক্লার্ক উপন্যাসটা পরে লেখেন। ক্লার্ক আর কুব্রিক দুজনেই দুজনের দ্বারা ইনফ্লুয়েন্সড।
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.162.10 (*) | ২০ মার্চ ২০১৭ ০৬:৪৬60887
  • ইনফ্যাক্ট এতক্ষণ নেটফ্লিক্সে ছবিটা আবার দেখছিলাম
  • kihobejene | 22.208.161.99 (*) | ২০ মার্চ ২০১৭ ০৭:৩২60888
  • khubh bhalo laglo tathagata babu; onno dharar lekha at guruchandali - political or personal essays porte porte ekghemeyir theke draun change of taste holo; thank you
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.132.139 (*) | ২১ মার্চ ২০১৭ ০১:১৬60892
  • কোথায়?
  • pi | 57.29.71.106 (*) | ২১ মার্চ ২০১৭ ০১:৫৬60893
  • প্লুটোনিয়ামের ট্রাকে মনে হয়।
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.140.139 (*) | ২১ মার্চ ২০১৭ ০৩:০৯60894
  • এটা ভাল আইডিয়া
  • T | 165.69.191.255 (*) | ২১ মার্চ ২০১৭ ০৩:৫৪60889
  • আগে এইরম লেখা পড়তে ভালৈ লাগত। এরপর স্মরণজিত এই ধাঁচের (এই বিষয়ের নয়) একটা লেখা লিখে ফেলে যেখানে লরিতে করে প্লুটোনিয়াম পাচার হচ্চিল। সেটা পড়ার পর থেকে অ্যাত বিগড়েছি যে আর এই ধরণের লেখা পড়তে ভালো লাগে না। প্লুটোনিয়াম ও লরি মনে হয়। নিতান্তই ব্যক্তিগত অনুভূতি, তথাগত বাবুর কোনো দোষ নেই। লিখুন আরো।
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.180.234 (*) | ২১ মার্চ ২০১৭ ০৬:৫৯60890
  • আরিব্বাস, ট্রাকে করে প্লুটোনিয়াম? কোন গল্প এটা?
  • S | 184.45.155.75 (*) | ২১ মার্চ ২০১৭ ০৯:৪৫60891
  • তুল্লাম।
  • শঙ্খ | 52.110.139.210 (*) | ২২ মার্চ ২০১৭ ০৫:৪৫60895
  • দারুন হয়েছে
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.183.9 (*) | ২২ মার্চ ২০১৭ ০৬:৪৮60898
  • প্রতিটা কথাই ঠিক, সেদিবা সত্যিই হোমোদের প্রায় সমসাময়িক, কিন্তু সেদিবার মধ্যে বেশ কিছু হোমোদের চিহ্ন আছে (যেমন বুড়ো আঙুল)। যেমন হাতের আঙুলের গঠন। কিন্তু সেদিবার পরের সময়কালে আবার কোনরকম অস্ট্রালোপিথদের ফসিল পাওয়া যায়নি। আবার ত্রিশ থেকে বিশ লক্ষ বছরের মধ্যেকার সময়ে কোনরকম আদিমানবের ফসিলই অপ্রতুল। এদিকে সেদিবা হোক বা হোমো হ্যাবিলিস তাদের সবার মধ্যেই হোমোদের কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। কারো মস্তিষ্কের আকার বড়, কারো বা ছোট। মানে এই দশ লক্ষ বছরে হোমো হয়ে ওঠার পথে নিশ্চয়ই নানারকম এক্সপেরিমেন্ট হয়েছিল। তাই তার শেষে আমরা একদিকে পাই সেদিবা, অন্যদিকে হোমো হ্যাবিলিস। এমনকি নানারকম অস্ট্রালোপিথ ও প্রি হোমোদের মধ্যেকার ইন্টারব্রিডিংএর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায়না। সেজন্যই ওই দশ সক্ষ বছরের ধোঁয়াসার কথা বলেছি।

    আর ২৫ লক্ষ বছরের ব্যাপারটা গল্প অংশটাকে নাটকীয়তা দেওয়ার জন্য মাত্র। ডেটিং এখনো হয়নি। ডেটিংএর সবচেয়ে বড় অসুবিধা হল যে এই ফসিলগুলো কোন নির্দিষ্ট ভূতাত্ত্বিক স্তরের মধ্যে পাওয়া যায়নি।
    এই আলোচনাটাই চাইছিলাম, ধন্যবাদ sswarnendu
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.183.9 (*) | ২২ মার্চ ২০১৭ ০৬:৫২60899
  • বিবর্তন লিনিয়ার নয় বলেই লি বার্জার একটি সুন্দর উপমা দিয়েছেন, যে মানব বিবর্তন সম্ভবত ব্রেইডেড স্ট্রিমের মত।
  • t | 69.160.210.3 (*) | ২২ মার্চ ২০১৭ ০৯:৩৯60896
  • একটু কডা সমালোচনা চাই
  • sswarnendu | 138.178.69.138 (*) | ২২ মার্চ ২০১৭ ১২:৩৯60897
  • লেখাটা বেশ সুখপাঠ্য হযেছে। কিন্তু অনেকগুলো জিনিস বুঝলাম না।

    অস্ট্রালোপিথেকাস আর হোমো দের মধ্যে দশ লক্ষ বছরের ফারাক --- এইটা বুঝলাম না। A.Sediba তো ১৯ লক্ষ বছর আগের মোটামুটি আর সবচেয়ে পুরনো H. Habilis ফসিল ১৮ লক্ষ, তফাত তো এক লক্ষ বছরের। ঐটা কি টাইপো?

    হোমো নালেদি ফসিলদের তো ডেটিং এখনো শেষ হয়নি বলে জানতাম। রিসেন্ট কিছু বেরিয়েছে? ( বেরোলে লিঙ্কটা এইখানে দেওয়ার দাবী জানালুম :) ) আগের রাফ এস্টিমেট এ রেঞ্জে ২৫ লক্ষটা এক্সট্রিম এন্ড ( রেঞ্জটা ২৫ লক্ষ থেকে ৯ লক্ষ ), তাই সেইটার ওপর ভিত্তি করেই লেখা হলে ২৫ লক্ষ না লেখাই ভাল। আর অস্ট্রালোপিথেকাসদের মত ছোট ব্রেইন সাইজ মানেই সময়কাল ও ওইরকম পুরনোর দিকেই হবে, বিবর্তন অত লিনিয়ার জিনিস নয় প্রায়শই।

    শেষটা রিচুয়ালিস্টিক বারিয়ালই কিনা তাই নিয়ে, তবে তাতে বলার কিছু নেই, কারণ লেখাটা খুব স্পষ্ট করেই বলেছে যে এই নিয়ে বিতর্ক আছে, বলে সেই বিতর্কে একটা পক্ষ নিয়েছে। তবে আমার ব্যক্তিগত মতে এখনো অবধি নন-এক্সপার্ট দের কোন পক্ষ নেওয়ার মত তথ্যও সামনে আসেনি।
  • sswarnendu | 138.178.69.138 (*) | ২৩ মার্চ ২০১৭ ০৩:৪৫60902
  • দশ লক্ষ আর বিবর্তনের পক্ষে এমন কি বেশী সময়? সদ্য পুরোদস্তুর বাইপেডাল হয়েছে এমন স্পিসিস থেকে পাথরের টুল বানাতে জানে এমন স্পিসিস ইভল্ভ করা কি চাট্টিখানি কথা নাকি?
  • sswarnendu | 138.178.69.138 (*) | ২৩ মার্চ ২০১৭ ০৩:৫৩60903
  • কম বেশী ২০ কোটি বছর পৃথিবীতে শুধু সরীসৃপরা রাজত্ব করে গেল, দশ লক্ষ তো নস্যি :)
  • sswarnendu | 138.178.69.138 (*) | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১০:৫০60900
  • "হোমো হয়ে ওঠার পথে নিশ্চয়ই নানারকম এক্সপেরিমেন্ট হয়েছিল।" -- এইরকম বাক্যে বহু ভুল বোঝার সম্ভাবনা থেকে যায়। বিবর্তনের হোমো হয়ে ওঠার প্রতি বিশেষ যে মাথাব্যাথা নেই, ছিল না, থাকতে পারে না... সে আমরা নিজেদেরকে যতই স্পেশাল ভাবি না কেন--- এই ব্যাপারটা খানিক ঢাকা পড়ে যায় এরকম বাক্যে। ঐ সময়ের ক্লাইমেটিক ভ্যারিয়েশনের রেসপন্সে নানারকম ইভোল্যুশনারি স্ট্র্যাটেজি ইভল্ভ করে, এইরকম লেখায় সেই সম্ভাবনা কম। বস্তুত তখনকার স্ট্র্যাটেজি হিসেবে হোমো হ্যাবিলিস-এর স্ট্র্যাটেজি বেটার ছিল না বইসেই-র, সেটা আমরা আদৌ জানি না, তাই না? বরং খুব সম্ভবত বইসেই-ই বেটার অ্যাডাপ্টেড ছিল। পরের ক্লাইম্যাটিক চেঞ্জ উলটোদিকে না হয়ে আরও হার্শ হতে থাকলে হয়ত আর্লি হোমোরাই উবে যেত, বইসেই-রা থেকে যেত। প্রসঙ্গত বইসেইদের অনেক কিছুই গরিলাদের মত, অথচ তারা গরিলাদের পূর্বপুরুষ আদৌ নয়, সম্পূর্ণ আলাদা লিনিয়েজ। তাই হোমোদের বৈশিষ্ট্য থাকা মানেই সেদিবা জাতীয় লেট অস্ট্রালোপিথেসিনরা হোমোদের পূর্বপুরুষ, এইরকম একদমই নাও হতে পারে।
  • dc | 181.49.216.47 (*) | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১১:১২60901
  • "হোমো হয়ে ওঠার পথে নিশ্চয়ই নানারকম এক্সপেরিমেন্ট হয়েছিল।" -- এইরকম বাক্যে বহু ভুল বোঝার সম্ভাবনা থেকে যায়।

    একমত। যদিও দশ লক্ষ বছর ধরে এক্সপেরিমেন্ট করাটা একটু বাড়াবাড়ি।
  • রৌহিন | 113.214.139.253 (*) | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৪:৩৫60906
  • নানারকম এক্সপেরিমেন্ট হয়েছিল - এতে ভুল বোঝার সম্ভাবনা কেন, ঠিক বুঝলাম না স্বর্ণেন্দু - মানে আমার অন্ততঃ পড়ে এরকম মনে হয় নি যে হোমো বানিয়ে উঠতে প্রকৃতি খুব ব্যস্ত ছিল এরকম অর্থ করা হয়েছে। এক্সপেরিমেন্ট তো হয়েই চলেছে - এখনো। শুধু হোমো নিয়ে এমনও নয় - পক্ষপাতের প্রশ্নও নেই। এই সেদিনই তো শুনলাম ডেঙ্গির মশার নাকি চরিত্র পালটে গেছে (কী শুনেছিলাম এখন মনেও পড়ছে না ছাই)।
  • dc | 181.49.215.119 (*) | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৪:৪২60907
  • ওরে বাবা একটু মজা করতে গেছিলাম ঃ(
  • বোকা | 52.110.171.211 (*) | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৪:৫৩60904
  • অফ টপিক: এখন তো হোমো religionis।
  • রৌহিন | 113.214.139.253 (*) | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৫:৩৮60908
  • আচ্ছা আচ্ছা - আসলে আজকাল মজা বুঝতেও সময় লেগে যাচ্ছে। :P তবে আমি দোষারোপ করিনি - সিরিয়াসলি যদি বলতেন তাহলে সিগনিফিকান্সটা বুঝতে চেয়েছিলাম মাত্র।
  • রৌহিন | 113.214.139.253 (*) | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৫:৪০60909
  • ওহহ ডিসি ওটা ইগনোর করুন - আমি ভেবেছিলাম ওটা স্বর্ণেন্দু লিখেছে - এখানে তো মন্তব্য মোছার উপায় নেই - দুঃখিত
  • sswarnendu | 138.178.69.138 (*) | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১১:৩০60905
  • সে তো অনেককালই :) এখন একটু বাড়াবাড়ির পিরিয়ড এই যা
  • sswarnendu | 198.154.74.31 (*) | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১০:৫১60910
  • @রৌহিন
    আমিও লিখেছিই...

    না সেই অর্থ বলতে চাওয়া হয়নি এতে আমিও নিশ্চিত, আমিও পরে এই অর্থ করিনি, আপনিও করেননি। কিন্তু অনেকে করে ফেলবেন, অজান্তেই। বিবর্তন নিয়ে সাধারণভাবে বেশিরভাগ মানুষের ধারণার মধ্যে একটা প্রোগ্রেসিভিস্ট নোশন আছে ( এক সময় আমার নিজেরও ছিল )-- সেইজন্যেই করে ফেলবেন। এই নিয়ে গুরুতেই একবার কোন একটা আলোচনায় লিখেছিলাম ।
  • sswarnendu | 198.154.74.31 (*) | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৩60911
  • ওহো, আপনারই সমকামিতা নিয়ে লেখার তলায় আলোচনাটা চলছিল।
  • বিপ্লব রহমান | 53.243.207.145 (*) | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১১:১৫60912
  • বাপ্রে! কি কাণ্ড!
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.167.173 (*) | ২৭ মার্চ ২০১৭ ০৪:২৩60913
  • বইসেইদের কথাটা আমি ইচ্ছা করেই আনিনি স্বর্ণেন্দু, যেহেতু লেখাটায় মূলত হোমোদের উদ্ভবের কথা ধরতে চেয়েছিলাম। তবে যেহেতু এটার জন্য অনেকেরই মনে হতে যে বিবর্তন মানেই প্রোগ্রেসিভিস্ট, তাই শেষটা একটু চেঞ্জ করব ভাবছি।
  • Tathagata Dasmjumder | 37.63.170.173 (*) | ২৭ মার্চ ২০১৭ ০৫:২২60914
  • আসলে এই লেখাটা অন্য একটা বড় লেখার অংশমাত্র, মানে এটা ওয়ান অফ পিস নয়, সেজন্যই সব দিকগুলো এখানে নেই। পুরো সিরিজটা চুক্তিবদ্ধতার কারনে এখানে দিতে পারছিনা, তবে এই আলোচনাটা চাইছিলাম, কারন নিজের কোন ভুল হচ্ছে কিনা, হলে কোথায় হচ্ছে এসব বোঝার জন্য।
  • Debabrata Mukherjee | 55.251.234.19 (*) | ২৩ এপ্রিল ২০১৭ ০৩:৩৯60915
  • গল্পটা অত্যন্ত সুন্দর। কিন্তু দুটো জিনিঅস আমার একটু খট্কা লাগলো। সেই দুটো ব্যাপার এখানে লিখ্লাম।

    সেবার টুথ্ড টাইগার এর ফোসিল সুধুমত্রো নোর্থ আর সাউথ আমেরিকাতেই পাওআ গে্ছে। সাউথ আফ্রিকাতে কোখোনো সেবার টুথ্ড টাইগার ছিলো বোলে প্রমাণ নেই।

    প্র থ ম আগুনের ব্যবোহার হোমো ইরেক্তাস গোস্ঠী ১৮-২০ লাখ ব্ছ র আগে করে্ছিলো বলে প্রমাণ পাওআ যায়। তাই এই গল্পে বর্নিত ২৫ লখ্য বছর আগের মসাল জেলে যাওআটা নিছক ই কাল্পনিক।
  • করোনা

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত